JAHID Blogger

JAHID Blogger

Share

বাংলাদেশ আমার অহংকার
আমি আমার দেশকে ভালবাসি

14/05/2026

আসলেই অনেক সুন্দর তাই না?

11/05/2026

"তেল খাচ্ছেন নাকি বিষ খাচ্ছেন"
নিজের দেশের খাঁটি তেল খাচ্ছে ভারত আর জাপান!
আর আমরা ৩৫ হাজার কোটি টাকা দিয়ে বিদেশ থেকে পাম তেল এনে বিষ খাচ্ছি! ভোজ্যতেলের বাজারে এ কেমন লুটপাট? 🛢️🇧🇩

আমরা সয়াবিন আর পাম তেল খেয়ে হার্টের ব্লক ও কোলেস্টেরল বাড়াচ্ছি। অথচ আমাদের দেশের চালের ফেলে দেওয়া কুঁড়ো (Rice Bran) থেকে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর ভোজ্যতেল!

কেন এই তেল আমাদের বাজারে নেই?
✅ জাপানিদের প্রিয়: রাইস ব্র্যান অয়েলে আছে ওরাইজানল, যা খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। রান্নায় এই তেল ১৫% কম খরচ হয়। এর গুণগত মান এতই ভালো যে, জাপানের শীর্ষ কোম্পানি (Sanwa Yushi) বাংলাদেশ থেকে এই তেল নিয়ে যাচ্ছে!
✅ ৫ কোম্পানির সিন্ডিকেট: বাংলাদেশের ভোজ্যতেলের বাজার মাত্র ৫-৬টি বড় শিল্প গ্রুপের দখলে। তারা বিদেশ থেকে অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি করে দেশে রিফাইন করে। দেশি রাইস ব্র্যান অয়েল জনপ্রিয় হলে তাদের বছরে ৩৫ হাজার কোটি টাকার আমদানি বাণিজ্য ধ্বংস হয়ে যাবে!
✅ সম্ভাবনা নষ্ট: দেশে যে পরিমাণ কুঁড়ো হয়, তা দিয়ে বছরে ৭ লাখ টন তেল উৎপাদন সম্ভব (যা চাহিদার ৩০%)। কিন্তু সিন্ডিকেটের চাপে আমাদের মিলগুলো ধুঁকছে, আর আমরা অপরিশোধিত তেল বিদেশে (ভারত/জাপান) রপ্তানি করে দিচ্ছি!

আমরা নিজেদের দেশের সাদা সোনা বিদেশে পাঠিয়ে, বিদেশিদের পকেট ভারী করে সস্তা পাম তেল খাচ্ছি।

আপনার মতে, এই ৫ কোম্পানির সিন্ডিকেট ভেঙে দেশীয় রাইস ব্র্যান অয়েলকে সবার ঘরে পৌঁছে দেওয়া উচিত?

11/05/2026

ছবিটা যতবার দেখি, ততবারই বুকের ভেতর অদ্ভুত এক শূন্যতা জমে ওঠে। মাত্র চার বছরের একটি শিশু— ক্লান্ত পায়ে হেঁটে সিরিয়া থেকে জর্ডানের পথে এগিয়ে চলেছে। চারদিকে শুধু মরুভূমির নির্জনতা, অথচ তার ছোট্ট চোখজোড়ায় যেন লুকিয়ে আছে এক পুরো যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীর কান্না। অনেক পরে UNHCR-এর একটি টিম তাকে একা সেই মরুভূমির মাঝখানে খুঁজে পায়; নিঃসঙ্গ, অবসন্ন, অথচ নীরবে পথ চলতে থাকা এক ক্ষুদ্র অসহায় মানবশিশু! 😥

টিমের সদস্যরা যখন শিশুটির হাতে ধরা ছোট্ট ওই প্যাকেটটির ভেতরে কী আছে জানতে চান, তখন সে বের করে দেখায় তার মা ও বোনের জামাকাপড়— যারা সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হয়েছেন। পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধের অনেক গল্প লেখা হয়েছে, কিন্তু একটি শিশুর হাতে প্রিয়জনের শেষ স্মৃতি বহন করার এই দৃশ্য হয়তো বেদনার সব শব্দকেও হার মানায়। কিছু ছবি শুধু দেখা যায় না, হৃদয়ের গভীরে গিয়ে তা আজীবন রক্তক্ষরণ ঘটায়! 😢😥😭
(- সংগৃহীত)

07/05/2026

তোমরা তারেক রহমানের ভালোবাসা দেখছো, কিন্তু জোবাইদা রহমানের দিনের পর দিন কান্না দেখনি।
তোমরা যারা প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী প্রেম দেখে স্বামীকে খোচাও!

জেনো রেখো, ২০০৬ এর আমলে হাসিনা, সরকার ও মিডিয়া যখন তারেক রহমানকে দেশের সবচেয়ে বড় ভিলেন বানিয়েছিল। লেখার অযোগ্য অপবাদ ডিজিএফআই দিচ্ছিল, তখন এই মহীয়সী উচ্চ শিক্ষিত ও উচ্চ অভিজাত এবং ধনাঢ্য পরিবারের নারীটি তার স্বামীকে দুর্দিনে এড়িয়ে যায়নি। স্বামীর প্রতি রাগ অভিমান করেনি। বরং সর্বস্ব দিয়ে স্বামীর পাশে দাড়িয়েছিলেন।

স্বামীর জন্য যখন বড় উকিল খুজে পাচ্ছিলেন না, তখন বাবার পরিবার-স্বামীর পরিবারের আভিজাত্য ও নিজের ব্যক্তিত্ব ভুলে ব্যারিষ্টার রফিকুল হকের চেম্বারে চোখের পানি ফেলেছেন, বসে থেকেছেন।

বিদেশে চিকিৎসার কথা বলা হলে সরকার পক্ষ থেকে চিকিৎসার খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল।

তখন এই জোবায়দা রহমান স্বামীর অসহায় দশা দেখে অশ্রুসজল নয়নে ঘোষণা দিয়েছিলেন, "দরকার হয় আমার পৈতৃক সম্পত্তি বেচে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাবো। "

জেল কিংবা জেল বন্দী অবস্থায় হাসপাতাল, ল থেকে প্রতিদিন উড়নায় মুখ চেপে ক্রন্দনরত অবস্থায় বের হতেন জোবায়দা রহমান।

এগুলো মিথ্যা না, এগুলো সবার চোখের স্বাক্ষ্য।
অথচ মিডিয়া, ডিজিএফআই ও অকৃতজ্ঞ জাতির সবচেয়ে বড় ভিলেন তখন তারেক রহমান।

আমরা ২০০৮ এর ইলেকশনের পুর্বে ফেসবুকে বাংলিশে তারেক রহমানের নাম লিখে যে পরিমান গালি খেতাম তা বর্তমানের আল বটর বাহিনীর চেয়ে বেশীই হবে, যদিও বটরদের মত অশ্লীলতা থাকত না।

সবাই ছেড়ে গেলেও অন্তত একজন মানুষ যদি সেদিন তারেক রহমানের পাশে থাকতো, সেটাই হলেন এই জোবাইদা রহমান।

তারেক রহমানের মত স্বামীর সম্মান, ভালোবাসা ও নির্ভরতা চাও?

জোবায়দার মত নি:স্বার্থ হয়ে দেখাও।
ভালবাসার জন্য কাঙাল হতে হবে না, স্বামীই ভালবাসা দিয়ে ভরিয়ে দিবে তোমার ভুবন।

শুধু স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কেমন মহাব্বত থাকা দরকার এটাই তুলে ধরলাম তোমাদের সামনে। এখানে কোন দলের প্রমোট করি নাই আবার কোন দলকেও ছোট করি নাই।

06/05/2026

বাস্তব চিত্র 😊

03/05/2026

আমেরিকা ফেঁসে গেছে!

এখন আমেরিকা হলো সেই দৈত্যাকৃতির মাছ, যে চীনের জালে বন্দী হয়ে ছাড়া পাওয়ার জন্য দাপাচ্ছে৷ চীনও ধীরে ধীরে জাল গোটাচ্ছে, তাদের তাড়াহুড়ো নেই!

চীনের এই জালের নাম বেশিরভাগ মানুষই জানেন না। কেউ কেউ আবছাভাবে শুনেছেন- রেয়ার আর্থ ম্যাটেরিয়ালস।

আসলে, চীনের জালের নাম গ্যালিয়াম আর জার্মেনিয়াম। মূলত গ্যালিয়াম। গ্যালিয়াম কিন্তু খুব রেয়ার না, সারা দুনিয়ার অসংখ্য এলুমিনিয়ামের খনিতে এলুমিনিয়ামের সাথে মিশে আছে গ্যালিয়াম। তাই, এটা সেই অর্থে রেয়ার আর্থ ম্যাটেরিয়ালও নয়।

গ্যালিয়াম একটা ধাতু। ২০২৩ সালের আগে এই ধাতু ছিলো খুবই সস্তা। ২০০-২৫০ ডলারে এক কেজি গ্যালিয়াম চাইলেই পাওয়া যেতো।

কিন্তু, ২০২৫ সালে এসে আপনি চাইলেই ১ কেজি গ্যালিয়াম কিনতে পারবেন না। দাম তো বেড়েছেই, কিন্তু, বেশি দাম দিয়েও আমেরিকা ইচ্ছেমতো গ্যালিয়াম কিনতে পারছে না।

মনে প্রশ্ন আসছে না, সস্তা এই ধাতু কী এমন স্পেশাল, যে এটাকে চীনের জাল বলছি?

গ্যালিয়াম এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর তাপ সহ্য করার ক্ষমতা। এ কারণে এই ধাতু খুব দ্রুত তথ্য পরিবহন করতে পারে। আধুনিক দুনিয়ার সেরা সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করতে গ্যালিয়াম লাগে।

সেই সূত্রে সেরা ইলেকট্রনিকস, সেরা কম্পিউটার, সেরা গাড়ি, সেরা যুদ্ধাস্ত্র, সেরা সোলার পাওয়ার- সবই গ্যালিয়ামের ওপর নির্ভরশীল।

আমেরিকার সব অত্যাধুনিক প্রযুক্তি গ্যালিয়ামনির্ভর। আমেরিকার ট্রিলিয়ন ডলার নিরাপত্তা বাহিনী এই এক ধাতুর ওপর ভীষণভাবে নির্ভরশীল। স্টেলথ বিমান বানাবেন? আপনার গ্যালিয়াম লাগবে। সর্বাধুনিক রাডার বানাবেন? আপনার গ্যালিয়াম লাগবে। সাশ্রয়ী সৌর প্রযুক্তি বানাবেন? আপনার গ্যালিয়াম লাগবে।

তো গ্যালিয়াম কি চীনের বাপের সম্পত্তি? আমেরিকা চাইলে কি নিজের গ্যালিয়াম নিজেই বানিয়ে নিতে পারবে না?

আসলেই গ্যালিয়াম চীনের বাপ-দাদার তালুক। আমেরিকা চাইলেই এখন নিজেদের গ্যালিয়াম নিজেরা তৈরি করতে পারবে না। অন্য কারও কাছ থেকে কিনতেও পারবে না!

সারা দুনিয়ায় বছরে মাত্র ১০ লাখ কেজি গ্যালিয়াম উৎপন্ন হয়। এর ৯৫% ই উৎপাদন করে চীন।

শুরুতে বলেছিলাম, গ্যালিয়াম রেয়ার না। এটা সারা দুনিয়ার সব এলুমিনিয়াম এর খনিতেই আছে। কিন্তু, গ্যালিয়াম সরাসরি খনি থেকে পাওয়া যায় না! এলুমিনিয়াম তৈরির প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে খুব কম পরিমাণ গ্যালিয়াম পাওয়া যায়।

গ্যালিয়ামের মূল উৎস হলো বক্সাইট (Bauxite), যা অ্যালুমিনিয়াম তৈরির প্রধান আকরিক।

বক্সাইটে গ্যালিয়ামের পরিমাণ অত্যন্ত সামান্য থাকে, সাধারণত প্রতি ১০ লক্ষ ভাগে ৫০ থেকে ১৬০ ভাগ।

১ কেজি গ্যালিয়াম পেতে হলে প্রায় ১০,০০০ কেজি উন্নতমানের বক্সাইট আকরিক প্রক্রিয়াজাত করতে হয়।

অ্যালুমিনিয়াম তৈরির সময় যখন বক্সাইট থেকে 'অ্যালুমিনা' বের করা হয়, তখন সেই তরল মিশ্রণ থেকে গ্যালিয়াম আলাদা করা হয়।

সাধারণত প্রতি ২৫ টন অ্যালুমিনা উৎপাদনের সময় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে মাত্র ১ কেজি গ্যালিয়াম আহরণ করা সম্ভব হতে পারে।

তাহলে, ২৫,০০০ কেজি এলুমিনিয়াম বানালে এক কেজি গ্যালিয়াম পাওয়া যায়। ১০ লক্ষ কেজি গ্যালিয়াম বানাতে কতো লক্ষ কেজি এলুমিনিয়াম বানাতে হবে?

২৫,০০০*১০০০,০০০ কেজি এলুমিনিয়াম। ২৫ কোটি টন এলুমিনিয়াম!

সারা দুনিয়ায় সব বড় এলুমিনিয়ামের ফ্যাক্টরি চায়নায়। দুনিয়ার সিংহভাগ এলুমিনিয়াম তারা বানায়। এলুমিনিয়াম সস্তা ধাতু বিধায় অন্য দেশ এটা বানাতে যায় না। চীনের কাছ থেকে কিনে নেয়।

গ্যালিয়াম বানানোর আরও ফ্যাকরা আছে! গ্যালিয়াম বানানোর পর এটাকে ফাইনেস্ট সেমিকন্ডাক্টর এ ব্যবহার উপযোগী করতে ৯৯.৯৯৯৯৯৯% পরিশুদ্ধ করতে হয়।

এই পরিশোধন প্রক্রিয়ায় অনেক রাসায়নিক ব্যবহার করতে হয়। পরিবেশে অনেক বর্জ্য নি:সরণ হয়। দুনিয়ার অন্য দেশগুলো পরিবেশের এই ঝুঁকি নিতে চায়নি। সস্তায় চীনের কাছ থেকে গ্যালিয়াম কিনে নিলেই হয়, হুদাই নোংরায় হাত মাখানোর কী দরকার?- এমনই ছিলো উন্নত দেশগুলোর মনোভাব।

চীন দীর্ঘ সময় ধরে এই জাল পেতেছে। অনেকটা ব্রিটিশদের ফ্রিতে চা খাওয়ানোর মতো।

তারা নিজের দেশের ফ্যাক্টরিগুলোকে ভর্তুকি দিয়ে গ্যালিয়াম উৎপাদন চালু রেখেছে। চীনের বিশাল সক্ষমতার কাছে মার খেয়ে অন্যান্য দেশের ফ্যাক্টরিগুলোক ইররিলেভেন্ট হয়ে গেছে। লসে পড়ে ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছে অনেক দেশের ফ্যাক্টরি!

পরিবেশের ক্ষতির ঝুঁকি মেনে নিয়েছে চীন। অপেক্ষাকৃত কম বসতির প্রদেশের পাহাড়ি জায়গাগুলোতে জায়ান্ট সব এলুমিনিয়াম ফ্যাক্টরি বসিয়ে বছরের পর বছর ভর্তুকি দিয়েছে চীন।

আমেরিকা ১৯৮৭ সালেই সব এলুমিনিয়াম ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিয়েছে। ইউরোপের দেশগুলোতে পরিবেশ সুরক্ষার আইন খুবই কড়া!

অনেক বছর বসে থাকার পর, উন্নত দেশগুলোর উন্নত প্রযুক্তিগুলোকে গ্যালিয়াম এর উপর নির্ভরশীল করে ফেলার পর ২০২৩ সালে আড়মোড়া ভাঙে চীন!

ছোট্ট একটা পদক্ষেপ।

গ্যালিয়াম রপ্তানি করতে হলে একটা লাইসেন্স নিতে হবে চীনের রপ্তানিকারকদের।

ঘুমিয়ে থাকা অজগর আড়মোড়া ভেঙেছে।

আমেরিকা কিচ্ছু বুঝতে পারেনি।

৩রা জুলাই, ২০২৩ এ এই সাইলেন্ট স্টেপ নেওয়ার পর পয়লা আগস্টে চীন গ্যালিয়াম রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে!

খেলা জমে যায়!

গ্যালিয়ামের দাম রাতারাতি ৫০ থেকে ১০০% বেড়ে যায়।

পয়লা জানুয়ারি ২০২৪ এ চীন তাদের স্টেট সিক্রেটস আইনের আওতায় গ্যালিয়াম উৎপাদনের তথ্য এবং প্রযুক্তি প্রকাশ নিষিদ্ধ করে দেয়!

লাউ ঠ্যালা!

গ্যালিয়ামের সাপ্লাই চেইনে চীনের কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ হয়।

এরপরে, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ এ চীন আমেরিকায় গ্যালিয়াম, জার্মেনিয়াম এবং অ্যান্টিমনি রপ্তানি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে।

এর আগে আমেরিকা চীনে চিপ বা সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলো।

আমেরিকা ইট মেরেছিলো। জবাবে পাটকেল দিয়েছে চীন। সেই পাটকেলের জবাব আমেরিকার হাতে নেই!

২০২৫ সালের নভেম্বরে আমেরিকার বহু কসরতের জবাবে চীন আমেরিকার ওপর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে, যা ২০২৬ সালের নভেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে

তবে সামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য গ্যালিয়াম রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল আছে। অর্থাৎ আমেরিকা ইলেকট্রনিকস বানানোর জন্য গ্যালিয়াম নিতে পারবে, সমরাস্ত্রে ব্যবহার করার জন্য কিনতে পারবে না!

এখন, আমেরিকার সর্বাধুনিক বিমানের কী হবে? কেমন করে সর্বাধুনিক রাডার দিয়ে অন্যের অস্ত্র আটকাবে আমেরিকা? কেমন করে সৈন্যদের জন্য সর্বাধুনিক নাইট ভিশন গগলস বানাবে?

আমেরিকার সাধের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এখন চীনের মর্জির উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল।

চীন এখন পরিবেশের দোহাই দিয়ে গ্যালিয়ামের উৎপাদন সীমিত করার হুমকি দিচ্ছে।

পরিবেশের দোহাই দিয়ে তারা ইতোমধ্যে ছোট ছোট এলুমিনিয়াম ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিয়েছে। হাতেগোনা কয়েকটা জায়ান্ট কোম্পানি গ্যালিয়াম আর জার্মেনিয়াম উৎপাদন করে। তাদের টোটাল কন্ট্রোল সরকারের হাতে।

আমেরিকা চাইলেই রাতারাতি গ্যালিয়াম তৈরি করতে পারছে না। আবার, গ্যালিয়াম এর বিকল্প আবিষ্কারও সময়সাপেক্ষ। সেই বিকল্প স্কেলে উৎপাদন করার সক্ষমতা আরও সময়সাপেক্ষ।

সারা দুনিয়ায় যদি বছরে ১০ লক্ষ কেজি গ্যালিয়াম লাগে, আড়াই লক্ষ কেজি লাগে আমেরিকার।

১ কেজি গ্যালিয়াম দিয়ে ১০ লক্ষ স্মার্টফোন বানিয়ে ফেলা সম্ভব, কিন্তু একটা অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিংবা রাডার বানাতেই এক কেজির বেশি গ্যালিয়াম লাগে!

চীন ছিপ ফেলেছে, সেই ছিপের টোপ গিলেছে আমেরিকা৷ আব তেরা কিয়া হো গায়া রে কালিয়া? মু হা হা!

আগামীর রাজত্ব চীনের।

ডোলান টাম কেনো চীনের বন্ধু ইরানকে ছিঁড়ে খেতে চাচ্ছে- কোনো যোগসূত্র পাচ্ছেন? নভেম্বর ২০২৬ এর পরে আমেরিকার হাতে আর কোনো কার্ড থাকবে?

30/04/2026

গাদ্দাফি আমেরিকার সব অনুরোধই মেনে নিয়েছিলেন।

পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করেছিলেন। নিজের স্থাপনাগুলো খুলে দিয়েছিলেন। শতভাগ সহযোগিতা করেছিলেন।

৮ বছর পর — তারা তাকে হত্যা করতে সাহায্য করেছিল।

ইরান তা দেখেছিল। এবং শিখেছিল।

এই একটি ঘটনাই এখন হরমুজ প্রণালীতে যা কিছু ঘটছে, তার সবকিছু ব্যাখ্যা করে।

এবং কেউই ঘটনাগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করছে না।

১৯ ডিসেম্বর, ২০০৩।

গাদ্দাফি একটি অপ্রত্যাশিত ঘোষণা দেন। লিবিয়া স্বেচ্ছায় তার সম্পূর্ণ অস্ত্র কর্মসূচি ভেঙে ফেলছে। পারমাণবিক উপাদান। রাসায়নিক অস্ত্র। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। সবকিছু।

তিনি সেন্ট্রিফিউজ, নকশা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ উপাদান—সবকিছুই মার্কিন ও ব্রিটিশ পরিদর্শকদের হাতে তুলে দেন। আইএইএ প্রতিটি জিনিস যাচাই করে।

মার্কিন কর্মকর্তারা এটিকে "এমন বিরল ঘটনাগুলোর একটি বলে অভিহিত করেন, যেখানে কোনো রাষ্ট্র স্বেচ্ছায় তার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচি থেকে নিজেকে মুক্ত করেছে।"

নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলো। বিনিয়োগের ঢল নামল। গাদ্দাফি টনি ব্লেয়ারের সঙ্গে করমর্দন করলেন। কন্ডোলিৎসা রাইসের সঙ্গে দেখা করলেন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি আসন পেলেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর প্রকাশ্যে লিবিয়াকে "অন্যান্য দেশের জন্য একটি মডেল" হিসেবে ঘোষণা করল।

তারা বিশেষভাবে ইরান এবং উত্তর কোরিয়ার নাম উল্লেখ করল।

এমনকি তারা গাদ্দাফিকে ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করল ঐ দেশগুলোকে তার উদাহরণ অনুসরণ করার পরামর্শ দিতে।

তিনি ছিলেন সঠিক কাজটি করার এক আদর্শ উদাহরণ।

---

আট বছর পর। অক্টোবর ২০১১।

ন্যাটো সাত মাস ধরে লিবিয়ায় বোমা হামলা চালাল। পশ্চিমা বিমানবাহিনীর সমর্থনে বিদ্রোহীরা গাদ্দাফিকে তার নিজ শহরের একটি নর্দমার পাইপের ভেতর লুকিয়ে থাকা অবস্থায় খুঁজে পায়।

তাকে বন্দী করা হলো। মারধর করা হলো। মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো।

হিলারি ক্লিনটন একটি টিভি সাক্ষাৎকারের সময় তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

ক্যামেরার সামনে তার প্রতিক্রিয়া ছিল: "আমরা এসেছিলাম। আমরা দেখেছি। তিনি মারা গেছেন।"

তিনি হাসলেন।

---

উত্তর কোরিয়া বিষয়টি দেখছিল।

তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবিলম্বে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করেছে:

"পৃথিবীর আনাচে-কানাচে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, লিবিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করাকে দেশটিকে নিরস্ত্র করার জন্য একটি আগ্রাসন কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।"

কিম জং-উন প্রকাশ্যে বলেছেন যে তিনি "মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে একটি শিক্ষা" পেয়েছেন।

কয়েক বছর আগে, ব্রিটিশ ও আমেরিকান কর্মকর্তারা উত্তর কোরিয়ার একজন ঊর্ধ্বতন কূটনীতিককে বলেছিলেন যে অস্ত্র ত্যাগ করার পর লিবিয়া আরও নিরাপদ হয়েছে।

তিনি হেসে বলেছিলেন: "দেখা যাক এর পরিণতি কী হয়।"

তারপর গাদ্দাফি নিহত হলেন।

ইরানও তা দেখছিল।

খামেনেই প্রকাশ্যে বলেছিলেন যে ইরান সেই পথ অনুসরণ করবে না — এবং গাদ্দাফির সাথে যা ঘটেছে, ঠিক সে কারণেই ইরান তার পারমাণবিক প্রচেষ্টা বাড়িয়েছে।

প্রত্যেক দেশ একই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিল।

বেঁচে থাকার একমাত্র নিশ্চয়তা হলো এমন একটি অস্ত্র যা আমেরিকা উপেক্ষা করতে পারে না।

---

এখন বুঝুন কেন ইরানের কাছে ৯৭২ পাউন্ড সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের জন্য ট্রাম্পের দাবি কখনোই পূরণ হবে না।

গাদ্দাফিকে লিখিতভাবে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল।

তাঁর ছেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পূর্ণ সহযোগিতার বিনিময়ে শাসনব্যবস্থার নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

আট বছর পর ন্যাটো তবুও তাঁকে হত্যা করতে সাহায্য করেছিল।

একটি পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে পুনরায় আলোচনা করা যায় না। নতুন কোনো প্রশাসন এর নতুন ব্যাখ্যা দিতে পারে না। ভিন্ন কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী এটি ফিরিয়ে নিতে পারেন না।

এটি কেবল বিদ্যমান থাকে।

এবং যতক্ষণ এটি বিদ্যমান থাকবে — গাদ্দাফির সাথে যেভাবে আচরণ করা হয়েছিল, সেভাবে আপনার সাথে আচরণ করা যাবে না।

---

কর্নেল ডগলাস ম্যাকগ্রেগর এই সপ্তাহে আমার অনুষ্ঠানে একথা বলেছেন।

"আমরা যা চেয়েছিলাম গাদ্দাফি তাই করেছিলেন। তিনি তাঁর পারমাণবিক ও রাসায়নিক সক্ষমতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। তিনি আমাদের তা ভেঙে ফেলার অনুমতি দিয়েছিলেন। তিনি শতভাগ সহযোগিতা করেছিলেন। আমরা কী করলাম? আমরা তাঁকে হত্যা করলাম।"

27/04/2026

⚡ কালবৈশাখী ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা
আজ রাত ৮টা থেকে আগামীকাল সকাল ১০টার মধ্যে উত্তরাঞ্চলের অধিকাংশ ও পশ্চিমাঞ্চলের কিছু জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টিসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে
যেসব জেলায় সম্ভাবনা বেশি:
- রংপুর বিভাগ: পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধা
- ময়মনসিংহ বিভাগ: জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা
- সিলেট বিভাগ: সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ
- ঢাকা বিভাগ: কিশোরগঞ্জের অধিকাংশ এবং টাঙ্গাইল, গাজীপুর, নরসিংদীর কিছু এলাকা
- রাজশাহী বিভাগ: জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, পাবনার কিছু এলাকা
- খুলনা বিভাগ: মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরার কিছু এলাকা
সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের কিছু জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। তীব্র বজ্রপাতের আশঙ্কা আছে।
বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, গাছের নিচ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি এড়িয়ে চলুন। নিরাপদ স্থানে থাকুন
নতুন এলাকায় সম্ভাবনা তৈরি হলে আপডেট দেওয়া হবে।

Follow দিয়ে পাশে থাকবেন।

27/04/2026

এক লাফেই পার হওয়া যায় যে নদীর, বলছি উত্তরের ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলে হুয়ালাই নদীর কথা। পৃথিবীর সবচেয়ে সরু নদী হিসেবে অফিসিয়াল স্বীকৃতি আছে যার। এর গড় প্রস্থ ১৫ সেন্টিমিটার। সবচেয়ে সরু পয়েন্টটি মাত্র ৪ সেন্টিমিটার চওড়া। তবে লম্বায় গুনে গুনে ১৭ কিলোমিটার।
নদী হতে যেসব শর্ত মানতে হয়, সেগুলো মেনেই নদীর মর্যাদা পেয়েছে হুয়ালাই। এক লাফে পার হওয়া যায় বলে এটাকে খাটো করে দেখার জো নেই। কারণ চীনা বিশেষজ্ঞদের মতে, ১০ হাজার বছর ধরে হুয়ালাইতে পানির প্রবাহ একই রকম আছে। মাটির তলায় থাকা একটি স্রোত থেকেই এ নদীর উৎপত্তি। এরপর থেকে কখনই এর প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়নি, নদী শুকিয়েও যায়নি। নদীর পানি এঁকে বেঁকে গিয়ে পড়েছে হেক্সিগট্যান গ্রাসল্যান্ড ন্যাচার রিজার্ভের দালাই নুর লেকে।
সারাবছরই হুয়ালাইতে স্রোত থাকে। গভীরতা গড়পড়তায় ৫০ সেন্টিমিটার হলেও এর পানি একদম স্বচ্ছ। যা দিয়ে আশপাশে সেচের কাজ তো হয়ই, বুনো প্রাণীরাও আসে এর স্রোত থেকে পান করতে।
Follow দিয়ে পাশে থাকবেন।

27/04/2026

মহাকাশ থেকে পৃথিবী’র সেই রহস্যময় শেষ প্রান্তের চিত্র! যেখানে বছরে টানা ৬ মাসে রাত এবং ৬ মাস দিন থাকে! এটি পৃথিবীর একমাত্র রহস্যের জায়গা‚ যেখানে ৬ মাস সূর্য ওঠে না‚ আর ৬ মাস সূর্য ডোবে না! এটি পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু “অ্যান্টার্কটিকা”। সেখান কোনো বৃষ্টিপাত নেই বলে‚ অ্যান্টার্কটিকাকে পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি ধরা হয়। অ্যান্টার্কটিকার অনেক জায়গায় গত ২০ লাখ বছর ধরে এক ফোঁটা বৃষ্টি বা তুষারপাত হয়নি! অবাক হবেন‚ এই জায়গায় এতই ঠান্ডা যে‚ যদি ফুটন্ত জল বাতাসে ছুঁড়ে দেন‚ তবে তা মাটিতে পড়ার আগেই বরফ হয়ে যাবে। এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে -৮৯.২°C। তাছাড়া এইখানে কোনো নির্দিষ্ট টাইম জোন বা সময় অঞ্চল নেই। কারণ পৃথিবীর সব দ্রাঘিমা রেখা এখানে এসে মিলেছে। বিজ্ঞানীরা এখানে সাধারণত তাদের নিজেদের দেশের সময় অথবা যে দেশ থেকে রসদ আসে (যেমন নিউজিল্যান্ড) সেই দেশের সময় অনুসরণ করেন। আরেকটু অবাক করতে চাই‚ দক্ষিণ মেরুর বিশাল বরফের চাদরের নিচে প্রায় ৪০০টিরও বেশি হ্রদ আছে। এই হ্রদগুলো কোটি কোটি বছর ধরে বরফের নিচে চাপা পড়ে আছে‚ যা বিজ্ঞানীদের কাছে এক বড় রহস্য। পৃথিবীর প্রায় সব জায়গা কোনো না কোনো দেশের অধীনে থাকলেও‚ অ্যান্টার্কটিকা বা দক্ষিণ মেরু কোনো দেশের নয়। “অ্যান্টার্কটিক চুক্তি” অনুযায়ী এই মহাদেশটি শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং শান্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।

মজার বিষয় হচ্ছে‚ এখানে একটি জলপ্রপাত আছে যেখান থেকে লাল রঙের জল বের হয়। প্রথম দিকে মানুষ একে অলৌকিক কিছু মনে করলেও বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে‚ এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় বাতাসের সংস্পর্শে এসে এর রঙ লাল হয়ে যায়।
আরেকটা মজার বিষয় হচ্ছে‚ আপনি নিশ্চয়ই পেঙ্গুইন নামের ছোট্ট কিউট প্রাণী গুলাকে বিভিন্ন ইংলিশ সিনেমায় দেখে থাকবেন‚ সেগুলোর রাজত্ব কিন্তু অ্যান্টার্কটিকায়। উত্তর মেরুর মতো দক্ষিণ মেরুতেও আকাশের গায়ে রঙিন আলোর নাচন দেখা যায়‚ যাকে “অরোরা অস্ট্রালিস” বলা হয়। রাতের আকাশে সবুজ‚ বেগুনি আর নীল আলোর এই দৃশ্য অ্যান্টার্কটিকাকে আরো জটিল আর সৌন্দর্য করে তুলে। আমি শুধু ভাবি‚ পৃথিবীর মতো এরকম ক্ষুদ্র একটি স্থানে যদি “মহান স্রষ্টা” এত রহস্য আর সৌন্দর্য রাখতে পারে‚ না জানি আমাদের অজানা বিশাল মহাবিশ্বে কত রহস্য আর সৌন্দর্য দ্বারা ঘিরে রেখেছে “সুবহানল্লাহ।”
Follow দিয়ে পাশে থাকবেন।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Sarishabari?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Hasda, Mazalia
Sarishabari
JAMALPUR