Jobayed Islam

Jobayed Islam

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jobayed Islam, Rangpur.

24/05/2022

আপনি কি জানেন টাইটানিক মুভির সবথেকে ভাগ্যবান লোকটা কে?

সে কি জ্যাক? যে কিনা সবথেকে সুন্দরী মেয়ে রোজের প্রেমে পড়েছিল? একদম না!

তবে কি রোজ? যে কিনা মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার জন্য জ্যাককে পেয়েছিলো? এবারও না!

জ্যাক বা রোজ কেউই না।

ভাগ্যবান লোকটি সেই অপরিচিতজন যে জুয়ায় জ্যাকের কাছে তার টিকিটটি হেরে গিয়েছিলো। যদি সে ওই জাহাজের টিকেট জিতে যেতো তাহলে হয়তো তাকে ঐ হিমশীতল পানিতে ডুবে মরতে হতো।

মাঝেমধ্যে হেরে যাওয়া ভালো।
- আপনি যদি আপনার পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়ে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার লাইফে হেরে গিয়ে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার লক্ষ্যে না পৌঁছাতে পেরে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার ভালোবাসা হারিয়ে থাকেন।

সবকিছুই কোন না কোন কারণে ঘটে থাকে। মাঝেমধ্যে হেরে যাওয়াটাও ভালো। হতে পারে স্রষ্টা আপনাকে আরও বড় কোন বিপদের হাত থেকে রক্ষা করলেন।

Photos from Jobayed Islam's post 01/01/2022
20/08/2021

💥কাউকে প্রতিশ্রুতি দেবার আগে ভাবুন......

আমেরিকার এক বরফ শীতল রাতে, একজন কোটিপতি তার ঘরের সামনে একজন বৃদ্ধ দরিদ্র লোককে দেখতে পেলেন। তিনি বৃদ্ধ লোকটিকে জিজ্ঞেস করলেন, বাহিরে এত ঠান্ডা আর আপনার গায়ে কোন উষ্ণ কাপড় নেই -আপনার কি ঠান্ডা লাগেনা? বৃদ্ধ লোকটি উত্তর দিলো-আমার কাছে উষ্ণ কাপড় নেই কিন্তু আমি নিজেকে এই পরিবেশে মানিয়ে নিয়েছি।

কোটিপতি লোকটি বললেন আমার জন্য অপেক্ষা করুন আমি আমার ঘরে ঢুকে আপনার জন্য উষ্ণ কাপড় নিয়ে আসবো। দরিদ্র বৃদ্ধ খুব খুশি হয়ে বললেন তিনি তার জন্য অপেক্ষা করবেন। কোটিপতি লোকটি তার ঘরে ঢুকলেন এবং সেখানে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন এবং দরিদ্র লোকটির কথা ভুলে গেলেন।

সকালে তার মনে হলো সেই দরিদ্র বৃদ্ধের কথা। তিনি সাথে সাথে বেরিয়ে গেলেন এবং বৃদ্ধ লোকটিকে তার ঘরের সামনে ঠান্ডার কারণে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।তবে বৃদ্ধের হাতে একটি চিরকুট দেখতে পেলেন।
চিরকুটে লেখা ছিলো---"যখন আমার কোন উষ্ণ কাপড় ছিলো না তখন ঠান্ডার সাথে লড়াই করার ক্ষমতা আমার ছিলো কারণ আমি নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিলাম। কিন্তু যখন আপনি আমাকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তখন আমি আপনার প্রতিশ্রুতির প্রতি আসক্ত হয়ে গিয়েছিলাম এবং আমি আমার তীব্র ঠান্ডা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি।"

বি.দ্র: কাউকে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে ভাবুন এবং অহেতুক মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

সংগ্রহীত ❤

02/07/2021

১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে ৩০ হাজার টাকা উপার্জন করা ছেলেটাকে আজকের সমাজে সবাই বলে, "হ্যাঁ ছেলেটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে। "

কিন্তু ৩ লক্ষ টাকা পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করার পর ,যেই ছেলেটা সমপরিমাণ টাকা উপার্জন করে অর্থাৎ ৩০ হাজার টাকা উপার্জন করা ছেলেটাকে আজকের এ সমাজ বলে, ছেলেটা এখানো দাঁড়াতে পারলো না শেষ পর্যন্ত ......."ব্যবসা"??

যে ছেলেটা তার উপার্জন শুরুই করে হারাম দিয়ে, সেই সমাজ তাকে করে পুরস্কৃত। আর যেই ছেলেটা তার উপার্জন শুরু করে হালাল দিয়ে, সেই সমাজ তাকে করে তিরস্কার ক‌রে।

বর্তমান সমাজ হারামকে মূল্যায়ন করে , হালালকে নয় ।

অথচ "ইবাদত কবুলের পূর্ব শর্তই হল হালাল উপার্জন। "

Photos from Jobayed Islam's post 26/06/2021

শুনেছি তুরস্কের বেশির ভাগ
মসজিদের দেওয়ালে একটা কথা লিখা থাকে !🕌🕌

কথাটি হলো :
"মুহতারাম !
নামাজ পড়ার সময় যদি পেছনের সারি থেকে বাচ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে তাহলে
পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভয় করুন ।"💜

আরব প্রবাসীদের তথ্যমতে,
আরব দেশে
বাচ্চারা মসজিদে মোটামোটি উপস্থিত থাকে । তাদের যেখানে ইচ্ছা
খেয়াল খুশী মতো কাতারে দাঁড়ায় ।
বড়রা কিছু বলেনা,
এমনকি অনেক সময় নামাজের সময় বাচ্চারা পেছনে বা সামনে কোন কাতারে হইহুল্লোড় করছে, অথচ নামাজ শেষে ইমাম, মুসল্লি কেউ কিছু বলেনা ।💛

একদিন একজনকে জিজ্ঞেস করা হলো :
বাচ্চারা এতো ডিস্টার্ব করার পরও তাদেরকে কেউ কিছু না বলার কারণ কী ?
তিনি উত্তর দিলেন, 💝
বাচ্চারা হলো ফেরেশতার মতো ।
তারা এখানে আসবে, একটু দুষ্টামি করবে কিন্তু দেখতে দেখতে এটাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে ।
দুষ্টামির ব্যাপারটা বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঠিক হয়ে যাবে, সেটা কোন ব্যাপার না ।
কিন্তু এখন যদি তাদেরকে মসজিদে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় কিংবা প্রহার করা হয়,
তাহলে তো সে আর কখনও আসতেই চাইবেনা ।

কতই না সুন্দর যুক্তি !!!

কিন্তু তার ঠিক
উল্টো চিত্র দেখবেন আমাদের বাংলাদেশে ।
আমি এমনও দেখেছি নাতীকে মসজিদে নিয়ে আসার কারণে দাদার সাথে
আরেকজনের মারামারি লেগে যাচ্ছিলো প্রায় । তাছাড়া এলাকার সিজনাল মুরব্বিরা তো মসজিদে গেলে বড় বড় মোল্লা হয়ে যায় ।
সামনের কাতারে তো ছোটদের দাঁড়াতে দেই না,
বরং বাচ্চারা আওয়াজ করলে
চড়-থাপ্পর এসব তো আছেই ।
আমাদের মতো মোল্লারাও এটাকে এড়িয়ে যায় ।

অতএব,
এ ব্যাপারে তরুণদের সতর্ক হওয়া দরকার, মুরব্বিদেরকে তাদের এসব বুঝানো এবং আমাদের হুজুরদের বয়ানেও এসব স্পষ্ট করা দরকার ।
তাহলে আমাদের আগামী প্রজন্ম তথা
বাচ্চারা মসজিদমুখী হতে আগ্রহী হবে ।

17/06/2021

আপনার অজানা কিছু মজার তথ্য!!!
১। বয়স্ক মানুষদের চেয়ে শিশুদের শরীরে ১০০ টি হাড় বেশি থাকে। জন্মের সময় বাচ্চাদের প্রায় ৩০০ টি হাড় থাকে। বয়সের সাথে সাথে এই হাড়গুলো কমে ২০৬ টি হয়ে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের কঙ্কাল তৈরি করে।

২। গ্রীষ্মের সময়ে প্যারিসের আইফেল টাওয়ার প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। এর কারণ হলো যখন কোনও পদার্থ উত্তপ্ত হয়ে যায়, এর কণাগুলি আরও বেশি সরে যায় এবং এটি একটি বৃহত পরিমাণে রূপ নেয় – যা তাপীয় প্রসারণ হিসাবে পরিচিত। বিপরীতে, তাপমাত্রা হ্রাস পেলে এটি আবার সংকোচনের কারণ হয়।

৩। ২.৩ বিলিয়ন বছরের মধ্যে পৃথিবী এতো বেশি উত্তপ্ত হয়ে যাবে যে এতে কোনো প্রাণের অস্তিত্ব থাকবেনা। উক্ত সময়ের পর পৃথিবী মঙ্গল গ্রহের মত একটি বিশাল মরুভুমিতে পরিণত হবে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছেন ততদিনে সূর্য অবশেষে আমাদের পৃথিবীকে গিলে ফেলবে।

৪। সম্পূর্ণ পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের ২০% আসে শুধুমাত্র আমাজন রেইন ফরেস্ট থেকে। আমাদের বায়ুমণ্ডলে প্রায় ৭৮ শতাংশ নাইট্রোজেন এবং ২১ শতাংশ অক্সিজেন নিয়ে গঠিত। ৫.৫ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার (২.১ মিলিয়ন বর্গমাইল) জুড়ে বিস্তৃত অ্যামাজন রেইনফরেস্ট উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অক্সিজেন প্রদান করে ও প্রচুর কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে থাকে।

৫। পৃথিবী হলো বিশাল একটি চুম্বক। পৃথিবীর মূল অভ্যন্তরে তরল লোহার একটি গোলোক রয়েছে। তাপমাত্রা এবং ঘনত্বের পরিবর্তনের ফলে এই লোহার স্রোত তৈরি হয়, যার ফলস্বরূপ বৈদ্যুতিক স্রোত তৈরি হয়।এই স্রোতগুলি এক চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি করে।

৬। হাওয়াই দীপপুঞ্জ প্রতি বছর আলাস্কার ৭.৫ ইঞ্চি করে কাছে চলে আসছে। পৃথিবীর ভূত্বকটি টেকটোনিক প্লেট নামে বিশালাকার টুকরোতে বিভক্ত হয়ে আছে। এই প্লেটগুলি স্থির গতিতে রয়েছে। তবে গরম ও কম ঘন পাথর শীতল হওয়ার এবং ডুবে যাওয়ার আগে উঠে এসে বৃত্তাকার সংবহন স্রোতগুলির উত্থান দেয় যা ধীরে ধীরে তাদের উপরে টেকটোনিক প্লেটগুলি সরিয়ে দেয়। হাওয়াই প্যাসিফিক প্লেটের মাঝখানে বসে আছে , যা আস্তে আস্তে উত্তর-আমেরিকা উত্তর আমেরিকার প্লেটের দিকে প্রবাহিত হয়ে আলাস্কার দিকে ফিরে যাচ্ছে।

৭। নিউট্রন তারকা হলো জ্বালানী ফুরিয়েছে এমন একটি বিশাল তারার অবশিষ্টাংশ। মৃত নক্ষত্র্র সুপারনোভাতে বিস্ফোরিত হয় যখন মহাকর্ষের কারণে এর কোরটি নিজেই পড়ে যায় তখন এটি একটি অতি ঘন নিউট্রন তারকা তৈরি করে। অবাক করার বিষয় হলো এক চা চামচ নিউট্রন তারকার ওজন হচ্ছে 6 বিলিয়ন টন।

৮। পৃথিবীতে কিছু কিছু ধাতু রয়েছে যা এতটাই প্রতিক্রিয়াশীল যে পানির সংস্পর্শে আসলেই সেগুলো বিস্ফোরিত হয়ে যায়। এরুপ কয়েকটি ধাতু হলোঃপটাসিয়াম, সোডিয়াম, লিথিয়াম, রুবিডিয়াম এবং সিজিয়াম।

৯। কোটি কোটি মাইক্রোস্কোপিক প্ল্যাঙ্কটন জীবাশ্ম থেকে চক তৈরি করা হয়। কোকোলিথোফোর্স নামক এ এককোষী শৈবাল 200 মিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীর সমুদ্রগুলিতে বাস করেছে।

১০। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে মাত্র ৮ মিনিট ৯ সেকেন্ড। মহাকাশে আলো প্রতি সেকেন্ডে 300,000 কিলোমিটার (186,000 মাইল) ভ্রমণ করে। পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে ৯৩ মিলিয়ন মাইল অতিক্রম করতে ৮ মিনিট ৯ সেকেন্ড নিতান্তই সামান্য সময়।

তথ্য সূত্রঃ হাউ ইট ওয়ার্কস ডট কম

12/06/2021

রাখাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর- ১৫০ টাকা সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি

আমার জন্ম জামালপুর জেলার এক অজপাড়াগাঁয়ে। ১৪ কিলোমিটার দূরের শহরে যেতে হতো পায়ে হেঁটে বা সা

ইকেলে চড়ে। পুরো গ্রামের মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস ছিলেন আমার চাচা মফিজউদ্দিন। আমার বাবা একজন অতি দরিদ্র ভূমিহীনকৃষক। আমরা পাঁচ ভাই, তিন বোন। কোনরকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো আমাদের।

আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিলো মোটামুটি। কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই দেননি। দাদার বাড়ি থেকে খানিকটা দূরেএকটা ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-মা থাকতাম। মা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশপেয়েছিলেন। তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয়। চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই জমিতে বহু কষ্টে বাবা যা ফলাতেন, তাতে বছরে ৫/৬মাসের খাবার জুটতো। দারিদ্র্য কী জিনিস, তা আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছি- খাবার নেই, পরনের কাপড় নেই; কী এক অবস্থা !

আমার মা সামান্য লেখাপড়া জানতেন। তাঁর কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি। তারপর বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই।কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই অভাব যে, আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম, তখন আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলোনা। বড় ভাই আরো আগে স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন। আমাকেও লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো।

আমাদের একটা গাভী আর কয়েকটা খাসি ছিল। আমি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওগুলো মাঠে চরাতাম। বিকেল বেলা গাভীর দুধ নিয়েবাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম। এভাবে দুই ভাই মিলে যা আয় করতাম, তাতে কোনরকমে দিন কাটছিল। কিছুদিন চলার পর দুধ বিক্রিরআয় থেকে সঞ্চিত আট টাকা দিয়ে আমি পান-বিড়ির দোকান দেই। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে বসতাম। পড়াশোনা তোবন্ধই, আদৌ করবো- সেই স্বপ্নও ছিল না !

এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ স্কুল মাঠে নাটক হবে। স্পষ্ট মনে আছে, তখন আমার গায়ে দেওয়ার মতো কোন জামা নেই। খালিগা আর লুঙ্গি পরে আমি ভাইয়ের সঙ্গে নাটক দেখতে চলেছি। স্কুলে পৌঁছে আমি তো বিস্ময়ে হতবাক ! চারদিকে এত আনন্দময় চমৎকারপরিবেশ ! আমার মনে হলো, আমিও তো আর সবার মতোই হতে পারতাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, আমাকে আবার স্কুলে ফিরে আসতে হবে।

নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম, আমি কি আবার স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি বা করুণ চাহনিদেখেই হোক কিংবা অন্য কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো। তিনি বললেন, ঠিক আছে কাল হেডস্যারের সঙ্গে আলাপকরবো।

পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে গেলাম। বড় ভাই আমাকে হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন। আমি বাইরেদাঁড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি, ভাই বলছেন আমাকে যেন বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগটুকু দেওয়া হয়। কিন্তু হেডস্যার অবজ্ঞার ভঙ্গিতেবললেন, সবাইকে দিয়ে কি লেখাপড়া হয় ! স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল। যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম,স্যারের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল। তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগাড় করলেন।পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি। বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে তিন মাসের ছুটি দিতে হবে। আমি আর এখানে থাকবোনা। কারণ ঘরে খাবার নেই, পরনে কাপড় নেই- আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে।

মা বললেন, কোথায় যাবি ? বললাম, আমার এককালের সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের ফার্স্টবয় মোজাম্মেলের বাড়িতে যাবো। ওর মায়েরসঙ্গে আমার পরিচয় আছে। যে ক’দিন কথা বলেছি, তাতে করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছে। আমার বিশ্বাস, আমাকে উনি ফিরিয়েদিতে পারবেন না।

দুরু দুরু মনে মোজাম্মেলের বাড়ি গেলাম। সবকিছু খুলে বলতেই খালাম্মা সানন্দে রাজি হলেন। আমার খাবার আর আশ্রয় জুটলো; শুরুহলো নতুন জীবন। নতুন করে পড়াশোনা শুরু করলাম। প্রতিক্ষণেই হেডস্যারের সেই অবজ্ঞাসূচক কথা মনে পড়ে যায়, জেদ কাজ করেমনে; আরো ভালো করে পড়াশোনা করি।

যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু হলো। আমি এক-একটি পরীক্ষা শেষ করছি আর ক্রমেই যেন উজ্জীবিত হচ্ছি। আমার আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যাচ্ছে।ফল প্রকাশের দিন আমি স্কুলে গিয়ে প্রথম সারিতে বসলাম। হেডস্যার ফলাফল নিয়ে এলেন। আমি লক্ষ্য করলাম, পড়তে গিয়ে তিনিকেমন যেন দ্বিধান্বিত। আড়চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন। তারপর ফল ঘোষণা করলেন। আমি প্রথম হয়েছি ! খবর শুনে বড় ভাইআনন্দে কেঁদে ফেললেন। শুধু আমি নির্বিকার- যেন এটাই হওয়ার কথা ছিল।

বাড়ি ফেরার পথে সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। আমি আর আমার ভাই গর্বিত ভঙ্গিতে হেঁটে আসছি। আর পিছনে এক দল ছেলেমেয়ে আমাকেনিয়ে হৈ চৈ করছে, স্লোগান দিচ্ছে। সারা গাঁয়ে সাড়া পড়ে গেল ! আমার নিরক্ষর বাবা, যাঁর কাছে ফার্স্ট আর লাস্ট একই কথা- তিনিওআনন্দে আত্মহারা; শুধু এইটুকু বুঝলেন যে, ছেলে বিশেষ কিছু একটা করেছে। যখন শুনলেন আমি ওপরের কাসে উঠেছি, নতুন বইলাগবে, পরদিনই ঘরের খাসিটা হাটে নিয়ে গিয়ে ১২ টাকায় বিক্রি করে দিলেন। তারপর আমাকে সঙ্গে নিয়ে জামালপুর গেলেন।সেখানকার নবনূর লাইব্রেরি থেকে নতুন বই কিনলাম।

আমার জীবনযাত্রা এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আমি রোজ স্কুলে যাই। অবসরে সংসারের কাজ করি। ইতোমধ্যে স্যারদের সুনজরে পড়েগেছি। ফয়েজ মৌলভী স্যার আমাকে তাঁর সন্তানের মতো দেখাশুনা করতে লাগলেন। সবার আদর, যত্ন, স্নেহে আমি ফার্স্ট হয়েই পঞ্চমশ্রেণীতে উঠলাম। এতদিনে গ্রামের একমাত্র মেট্রিক পাস মফিজউদ্দিন চাচা আমার খোঁজ নিলেন। তাঁর বাড়িতে আমার আশ্রয় জুটলো।

প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে আমি দিঘপাইত জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হই। চাচা ওই স্কুলের শিক্ষক। অন্য শিক্ষকরাও আমার সংগ্রামের কথাজানতেন। তাই সবার বাড়তি আদর-ভালোবাসা পেতাম।

আমি যখন সপ্তম শ্রেণী পেরিয়ে অষ্টম শ্রেণীতে উঠবো, তখন চাচা একদিন কোত্থেকে যেন একটা বিজ্ঞাপন কেটে নিয়ে এসে আমাকেদেখালেন। ওইটা ছিল ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞাপন। যথাসময়ে ফরম পুরণ করে পাঠালাম। এখানে বলা দরকার, আমার নাম ছিলআতাউর রহমান। কিন্তু ক্যাডেট কলেজের ভর্তি ফরমে স্কুলের হেডস্যার আমার নাম আতিউর রহমান লিখে চাচাকে বলেছিলেন, এইছেলে একদিন অনেক বড় কিছু হবে। দেশে অনেক আতাউর আছে। ওর নামটা একটু আলাদা হওয়া দরকার; তাই আতিউর করেদিলাম।

আমি রাত জেগে পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নিলাম। নির্ধারিত দিনে চাচার সঙ্গে পরীক্ষা দিতে রওনা হলাম। ওই আমার জীবনে প্রথমময়মনসিংহ যাওয়া। গিয়ে সবকিছু দেখে তো চক্ষু চড়কগাছ ! এত এত ছেলের মধ্যে আমিই কেবল পায়জামা আর স্পঞ্জ পরে এসেছি !আমার মনে হলো, না আসাটাই ভালো ছিল। অহেতুক কষ্ট করলাম। যাই হোক পরীক্ষা দিলাম; ভাবলাম হবে না। কিন্তু দুই মাস পর চিঠিপেলাম, আমি নির্বাচিত হয়েছি। এখন চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যেতে হবে।

সবাই খুব খুশি; কেবল আমিই হতাশ। আমার একটা প্যান্ট নেই, যেটা পরে যাবো। শেষে স্কুলের কেরানি কানাই লাল বিশ্বাসেরফুলপ্যান্টটা ধার করলাম। আর একটা শার্ট যোগাড় হলো। আমি আর চাচা অচেনা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হলাম। চাচা শিখিয়ে দিলেন,মৌখিক পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমি যেন দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলি: ম্যা আই কাম ইন স্যার ? ঠিকমতোই বললাম। তবে এত উচ্চস্বরেবললাম যে, উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠলো।

পরীক্ষকদের একজন মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ এম. ডাব্লিউ. পিট আমাকে আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে সবকিছু আঁচ করেফেললেন। পরম স্নেহে তিনি আমাকে বসালেন। মুহূর্তের মধ্যে তিনি আমার খুব আপন হয়ে গেলেন। আমার মনে হলো, তিনি থাকলেআমার কোন ভয় নেই। পিট স্যার আমার লিখিত পরীক্ষার খাতায় চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর অন্য পরীক্ষকদের সঙ্গে ইংরেজিতে কী-সব আলাপ করলেন। আমি সবটা না বুঝলেও আঁচ করতে পারলাম যে, আমাকে তাঁদের পছন্দ হয়েছে। তবে তাঁরা কিছুই বললেন না।পরদিন ঢাকা শহর ঘুরে দেখে বাড়ি ফিরে এলাম। যথারীতি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করলাম। কারণ আমি ধরেই নিয়েছি, আমার চান্সহবে না।

হঠাৎ তিন মাস পর চিঠি এলো। আমি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছি। মাসে ১৫০ টাকা বেতন লাগবে। এর মধ্যে ১০০ টাকা বৃত্তি দেওয়াহবে, বাকি ৫০ টাকা আমার পরিবারকে যোগান দিতে হবে। চিঠি পড়ে মন ভেঙে গেল। যেখানে আমার পরিবারের তিনবেলা খাওয়ারনিশ্চয়তা নেই, আমি চাচার বাড়িতে মানুষ হচ্ছি, সেখানে প্রতিমাসে ৫০ টাকা বেতন যোগানোর কথা চিন্তাও করা যায় না !

এই যখন অবস্থা, তখন প্রথমবারের মতো আমার দাদা সরব হলেন। এত বছর পর নাতির (আমার) খোঁজ নিলেন। আমাকে অন্য চাচাদেরকাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, তোমরা থাকতে নাতি আমার এত ভালো সুযোগ পেয়েও পড়তে পারবে না ? কিন্তু তাঁদের অবস্থাও খুব বেশিভালো ছিল না। তাঁরা বললেন, একবার না হয় ৫০ টাকা যোগাড় করে দেবো, কিন্তু প্রতি মাসে তো সম্ভব নয়। দাদাও বিষয়টা বুঝলেন।

আমি আর কোন আশার আলো দেখতে না পেয়ে সেই ফয়েজ মৌলভী স্যারের কাছে গেলাম। তিনি বললেন, আমি থাকতে কোন চিন্তাকরবে না। পরদিন আরো দুইজন সহকর্মী আর আমাকে নিয়ে তিনি হাটে গেলেন। সেখানে গামছা পেতে দোকানে দোকানে ঘুরলেন।সবাইকে বিস্তারিত বলে সাহায্য চাইলেন। সবাই সাধ্য মতো আট আনা, চার আনা, এক টাকা, দুই টাকা দিলেন। সব মিলিয়ে ১৫০ টাকাহলো। আর চাচারা দিলেন ৫০ টাকা। এই সামান্য টাকা সম্বল করে আমি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হলাম। যাতায়াত খরচ বাদদিয়ে আমি ১৫০ টাকায় তিন মাসের বেতন পরিশোধ করলাম। শুরু হলো অন্য এক জীবন।

প্রথম দিনেই এম. ডাব্লিউ. পিট স্যার আমাকে দেখতে এলেন। আমি সবকিছু খুলে বললাম। আরো জানালাম যে, যেহেতু আমার আরবেতন দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাই তিন মাস পর ক্যাডেট কলেজ ছেড়ে চলে যেতে হবে। সব শুনে স্যার আমার বিষয়টা বোর্ড মিটিঙেতুললেন এবং পুরো ১৫০ টাকাই বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিলেন। সেই থেকে আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এস.এস.সি পরীক্ষায়ঢাকা বোর্ডে পঞ্চম স্থান অধিকার করলাম এবং আরো অনেক সাফল্যের মুকুট যোগ হলো।

আমার জীবনটা সাধারণ মানুষের অনুদানে ভরপুর। পরবর্তীকালে আমি আমার এলাকায় স্কুল করেছি, কলেজ করেছি। যখন যাকে যতটাপারি, সাধ্যমতো সাহায্য সহযোগিতাও করি। কিন্তু সেই যে হাট থেকে তোলা ১৫০ টাকা; সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি। আমার সমগ্রজীবন উৎসর্গ করলেও সেই ঋণ শোধ হবে না!

ড. আতিউর রহমান

08/06/2021

হিসাবটি আমার ভাল লেগেছে।
জীবনের সুন্দর একটি হিসাব দেখুন, বুঝুন এবং চিন্তা করুন।

যদি A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L, M, N, O, P, Q, R, S, T, U, V, W, X, Y, Z = 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10, 11, 12, 13, 14, 15, 16, 17, 18, 19, 20, 21, 22, 23, 24, 25, 26
অর্থাৎ A to Z এর মান যদি এমনভাবে ধরি যেখানে : A=1, B=2, C=3, D=4, E=5, F=6, G=7, H=8, I=9, J=10, K=11, L=12, M=13, N=14, O=15, P=16, Q=17, R=18, S=19, T=20, U=21, V=22, W=23, X=24, Y=25, Z=26

তাহলে,,,
তুমি যতই পরিশ্রমী হও না কেনো, তোমার পরিশ্রম তোমাকে ভালো একটা জায়গায় নিয়ে যাবে, কিন্তু শতভাগ না।
Hard Work:
H+A+R+D+W+O+R+K= 8+1+18+4+23+15+18+11=98%

তুমি যতই বিজ্ঞ হও না কেনো, কখনো কখনো তা কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে কম সফলতা আনতে পারে।
Knowledge:
K+N+O+W+L+E+D+G+E=
11+14+15+23+12+5+4+7+5=96%

আর তুমি যদি ভাগ্যের ভরসায় বসে থাকো, তা কোনো কূলেই তোমায় ভেরাবে না।
Luck:
L+U+C+K=
12+21+3+11=47%

অর্থাৎ এদের কোনোটাই 100% করতে পারে না, তাহলে সেটা কী যা 100% করতে পারে???
Money?? না, এটা 72%
Leadership?? না, এটা 97%
তাহলে??

সব সমস্যারই সমাধান করা সম্ভব, যদি আমাদের থাকে একটা পারফেক্ট Attitude বা দৃষ্টিভঙ্গি হ্যাঁ, একমাত্র Attitude ই আমাদের জীবনকে করতে পারে 100% সফল......

A+T+T+I+T+U+D+E=
1+20+20+9+20+21+4+5=100%

সুতরাং দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, জীবন বদলে যাবে।
Collected...

07/06/2021
03/06/2021

অল্প বয়সে বিয়ে করলে কি উপকার আপনি কি জানতে চান??

এই সমাজ তোমাকে ভালকিছু দিতে চায়না
বরং তোমাকে পাপের সাগরে ডুবাতে চায়
এইভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে আমাদের চরিত্র
পারছিনা যৌবন কে পবিত্র রাখতে

কারণ হচ্ছে যৌবন এক ধরণের ক্ষুদা।
ক্ষুদা লাগলে যেমন খাবারের দরকার হয়
ঠিক তেমন যৌবনের ক্ষুদা লাগলে বউ দরকার হয়।

কিন্তু সমাজ বলছে আগে প্রতিষ্ঠিত হও।
তারপর বিয়ের পিড়িতে বসো।

অতচ এই আয়াতে আল্লাহ বলেন :
وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
বিয়ে করো,তোমায় প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমি
আল্লাহর......!!!!!!অভাবে আছো অভাব দূর করে দেব। আল্লাহ বলেন ধনী হতে চাও বিয়ে করো।

আবার রাসুল (সা.) বলেছেন, ثَلَاثَةٌ حَقٌّ عَلَى اللَّهِ عَوْنُهُمْ: المُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَالمُكَاتَبُ الَّذِي يُرِيدُ الأَدَاءَ، وَالنَّاكِحُ الَّذِي يُرِيدُ العَفَافَ তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহ তায়ালার জন্য কর্তব্য হয়ে যায়।
১। আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় জিহাদকারী,

২। চুক্তিবদ্ধ গোলাম যে তার মনিবকে চুক্তি অনুযায়ী সম্পদ আদায় করে মুক্ত হতে চায়

৩। ওই বিবাহিত ব্যক্তি যে (বিবাহ করার মাধ্যমে) পবিত্র থাকতে চায়।

হাদিসটি পাবেন

(তিরমিজি-১৬৫৫, নাসায়ি-৩২১৮, ৩১২০, সহিহ ইবনে হিব্বান-৪০৩০, বায়হাকি, সুনানুল

অল্প বয়সে বিয়ে করলে রোমান্টিকতার বহু
সময় পাওয়া যায়।কেন এতো বিয়ে করতে দেরি
করছেন।আল্লাহ তো অফার দিয়ে রাখছেন।
আল্লাহ তোমাকে বড়লোক বানিয়ে দেবেন তার
ওয়াদা দিয়েছেন।
শুধু খামাখা কেন দেরি করছেন, বিয়ে করুণ......
যৌবন শুরু হয়েছে, আল্লাহর দেয়া বিশাল
অফার টাকে গ্রহণ করুণ।
বিয়ে করুণ

বিয়ে করলে যে উপকারিতা পাবেন তা হলো

১। লজ্জা স্থানের হেফাজত হয়

২। বিবাহ চক্ষু নিচু করে

৩। তাড়াতাড়ি ধনি হওয়া যায়।

৪। ইমান পরিপূর্ণ হয়

৫। অসুস্থতা দূর হয়।

৬। ইবাদতে মজা পাওয়া যায়।

৭। আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।

৮। মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায়।
এমন তৃপ্তি যেটা শুধু নিজের বউয়ের কাছে পাবেন
যেনা করতে গিয়েও তা পাবেন না।

৯। মেজাজ ঠান্ডা থাকে।মাথা কখনো হট হবেনা।

১০। যৌবনের ক্ষুদা নিবারণ হয়।

আরো অনেক উপকারিতা আছে।

খাবার না পেলে যখন ক্ষুদার যন্ত্রনায় হারাম
ভক্ষণ করে ফেলে।ঠিক সেই রকম বউ না থাকলে যৌবনের ক্ষুদার তাড়নায় অনেকে লজ্জা স্থান দিয়ে পর নারীর সাথে যিনা করে ফেলে।

বিয়েকে সহজ করুণ,দেখবেন সমাজ থেকে
অনেক জেনা ব্যাবিচার কমে যাবে।

ছেলেমেয়েদের অভিবাবকদের বলি অল্প বয়সে ছেলে মেয়ে বিয়ে করান।
সরকারি চাকরি বাদ দেন,আগে দেখুন ছেলে মানুষ কিনা।যদি মানুষ হয়, তার সাথে বিয়ে দেন।

কারণ একটা মেয়ে কখনো খাবার অভাবে
মারা যায়না।মারা যায়তো জানোয়ার গুলোর অত্যাচারে।
তাই মেয়ের বাবাদের বলছি বিষয়টি বিবেচনায় নেন।

ছেলের বাবাদের বলছি
আল্লাহ ওয়াদা দিয়েছেন ধনী বানিয়ে দেবে
তাই ছেলেকে বিয়ে করাণ,,, খুব তাড়াতাড়ি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে আপনার ছেলে।

আল্লাহ সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুণ (আমিন)
সংগৃহীত ❤️

Want your business to be the top-listed Photography Service in Rangpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Rangpur