Salsabil
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Salsabil, Religious organisation, Rangamati.
আল্লাহ বলেছেন,"তুমি আমার কাছ থেকে দূরে চলে যাও,তুমি আমাকে ছেড়ে দাও। তুমি কি ভেবেছো আমি রেগে আছি তোমার উপর??? না।আমি আল্লাহ। আমি কথায় কথায় রাগ করি না।আমি তোমার সাথেই থাকি সবসময় কারণ আমি জানি তুমি আমার কাছে ফিরে আসবে।তুমি বার বার, বার বার,হাজার বার,লক্ষ বার পথভ্রষ্ট হবে কিন্তু আমি তোমাকে লক্ষ বার সুযোগ দিবো আমার কাছে ফিরে আসার।তোমার সমস্ত জীবনটাই সুযোগ।আমি অপেক্ষা করে আছি তোমার জন্য, আমার কাছে ফিরার।তুমি লক্ষ বার ভুল করে মাফ চাইবে,আমি লক্ষ বার তোমাকে মাফ করবো সুযোগ দিবো।আমি আল্লাহ। তোমার সৃষ্টিকর্তা"
সুবহানআল্লাহ!!❤️🌸
"নামায কেনো পড়তেই হবে?"
"ওযুর জন্য পানি নেই, তায়াম্মুম করেন, তায়াম্মুমের ব্যবস্থা নেই, তায়াম্মুম ছাড়াই নামায পড়ুন।
কিবলামুখী হয়ে নামায পড়তে হয়, কিবলামুখী বুঝতে পারছেন না, যেকোনো দিক হয়েই নামায পড়ুন।
দাঁড়িয়ে নামায পড়তে পারছেন না? বসে পড়েন। বসে না পড়তে পারলে শুয়ে পড়েন।
পরিষ্কার কাপড় পড়ে নামায পড়তে হয়। পরিষ্কার কাপড় না থাকলে প্রসাব, পায়খানা লাগা কাপড় পড়েই নামায পড়েন, কোনো কাপড় না থাকলে উলংগ হয়ে নামায পড়েন।
ট্রেনের প্রচন্ড ভিরে ঝুলে আছেন, আযান দিচ্ছে সেই অবস্থাতেই নামায পড়ুন ।
নামায কি জিনিস, কি করে বুঝাই, এক আশ্চর্য ইবাদত যে ইবাদত কোনো অসুবিধা মানেনা।
আপনি অসুস্থ টাকা দিলেন সেই টাকায় হজ্জ করলো অন্যজন। আপনার সাওয়াব হবে।
আপনি অসুস্থ, ফকির কে খাওয়ালেন আপনি রোযার সাওয়াব পাবেন....
হজ্জের বিকল্প আছে, রোযার বিকল্প আছে। নামায এমন এক ইবাদত যার কোনো বিকল্প নেই।
নামায কি জিনিস কি করে বুঝাই?????"
আমার ভাই বোনেরা," নামায পড়ুন"
আপনার জীবনে যাই আসুক, "নামায পড়ুন।"
আপনার জীবনে যতোই খারাপ কাজ করেন না কেন, পরিমাণে যতই বেশি হোক না কেন, "নামায পড়ুন"।
কোন ছাড় নেই।
বোন বলছেন, "আপনি হিজাব পরেন না",
আমি আপনাকে বলছি "নামায পড়ুন"
বোন বলছেন, আমার কাপড় নামাযের উপযোগী নয়।আমি আপনাকে বলছি,"নামায পড়ুন"
ভাই বলছেন, "আমি মদ পান করি"
নামায পড়ুন
"আমি ড্রাগ বিক্রি করি"
নামায পড়ুন
"আমি ড্রাগ সেবন করি"
"নামায পড়ুন"
"আমার একটি মেয়ে বন্ধু আছে এবং আমি তার সাথে রাত্রি যাপন করি। "
"নামায পড়ুন"।
আপনার জীবনে যাই আসুক না কেনো নামায পড়ুন
"ভাই আমি কিভাবে পাপ কাজ করার পাশাপাশি নামায পড়বো? এটি নামাযের প্রতি অসম্মান জনক ও আমার ভন্ডতা প্রকাশ পায়"
আমি বলছিনা এজন্যই আমরা নামায পড়ি কারণ আমরা ভালো না, আমি পাপী, আমরা ভুল করছি।
আপনি তবুও নামায পড়ুন।
আল্লাহ বলেছেন, "নামায অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।"
"নামায পড়ুন"
কিছু মানুষ বলে আমাকে ভালোপথে আসতে দাও। ইন শা আল্লাহ আমি নামায পড়া শুরু করে দিবো।
বন্ধুরা নামায ব্যতীত আপনি ভালো পথে আসতে পারবেন না। এজন্যই আমরা নামায পড়ি যাতে ভালোপথে আসতে পারি।
আপনার জীবনে যাই আসুক না কেন, আপনি যেখানেই থাকেন না কেন, নামাজ পড়ুন।
----------------------------
*** নামাজ : কোনো বিকল্প নেই..!!
16/06/2024
এক রাতে মালিক বিন দিনার রাহিমাহুল্লাহর ঘরে এক চোর ঢুকে। তখন তিনি তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ছিলেন। চোর পুরো ঘর খুঁজে চুরি করার মতো মূল্যবান কোনো সম্পদ পেলো না।
নামাজ শেষে মালিক বিন দিনার চোরকে দেখে ফেললেন। ঘাবড়ে না গিয়ে তিনি চোরকে সালাম করলেন এবং বললেন,
"হে আমার ভাই! আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করুন। তুমি আমার ঘরে ঢুকছো চুরি করার জন্য, কিন্তু কিছু না পেয়ে তুমি চলে যাচ্ছো। আমি তোমাকে খালি হাতে চলে যেতে দেবো না।"
এই বলে মালিক বিন দিনার পাশের রুম থেকে এক জগ পানি এনে বললেন, "ওযু করে দুই রাকা'আত নামাজ পড়ে নাও, তাহলে তুমি আমার ঘর থেকে এক মূল্যবান সম্পদ নিয়ে বের হয়ে গেলে (নামাজ)।"
মালিক বিন দিনারের এরকম বিনয়ী স্বভাব দেখে চোর নামাজ পড়ার জন্য রাজি হলো।
দুই রাকা'আত নামাজ পড়ার পর চোর তাকে বললো, "ও মালিক বিন দিনার! আমি যদি তোমার ঘরে আরো দুই রাকা'আত নামাজ পড়ি তাহলে তোমার কোনো অসুবিধা হবে?"
মালিক বিন দিনার বললেন, "তোমার যতক্ষণ ইচ্ছা তুমি নামাজ পড়ো।"
চোর এভাবে সারারাত নামাজ পড়লো।।
সকাল হলে মালিক বিন দিনার তাকে বললেন, "এবার তুমি চলে যাও এবং এখন থেকে ভালো হয়ে যাও।"
চোর বললো, "আজকে আমি রোযা রাখছি। আজকের দিনটা থেকে যাই?"
মালিক বিন দিনার বললেন, "তোমার যতদিন ইচ্ছা থাকতে পারো।"
এরকম করে চোরটি প্রতি রাতে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে আর দিনে রোযা রাখে।
একদিন সে মালিক বিন দিনারকে বললো, "আমি আমার পেছনের জীবনের সব গোনাহের জন্য তাওবাহ করেছি এবং এখন থেকে সৎভাবে জীবনযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"
তারপর সে মালিক বিন দিনারের বাড়ি থেকে চলে যায়। তার আরেক চোর বন্ধু তাকে দেখতে পেয়ে বললো, "তুমি ঐ বাড়ির কোন মূল্যবোধ সম্পদটি চুরি করলে?"
সে বললো, "আমি গিয়েছিলাম চুরি করতে, কিন্তু মালিক বিন দিনার আমার হৃদয় চুরি করেছেন। আমি যতদিন না আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে পারবো, ততদিন পর্যন্ত আল্লাহর কাছে তওবা করতেই থাকবো।
[আল-মাওয়া'ঈদাহ ওয়াল-মাজালিস, পৃষ্ঠা ৮৫]
লেখা: আরিফুল ইসলাম
06/06/2024
🌺শুক্রবার রাতের আমল🌺
📿জুম্মার রাত (বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত) ও জুম্মার দিনে নবী করিম (সা.) এর প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠের কথা বলা হয়েছে। এমনিতেই যে কোনো সময়ে একবার দরুদ শরিফ পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা পাঠকারীকে দশটা রহমত দান করেন এবং ফেরেশতারা তার জন্য দশবার রহমতের দোয়া করেন। জুম্মার নামাজের পূর্বে দুই খুতবার মাঝখানে হাত না উঠিয়ে মনে মনে দোয়া করা।
📿আসরের পরের আমল:
সূর্য ডোবার কিছুক্ষণ আগ থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত গুরুত্বের সাথে জিকির, তাসবীহ ও দোয়ায় লিপ্ত থাকা।
কারণ এটি শুক্রবার দোয়া কবুলের সময়।
📿জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে একটি বিশেষ মুহূর্ত এমন আছে যে,
তখন কোনো মুসলমান আল্লাহর নিকট যে দোয়া করবে আল্লাহ তা কবুল করে।
📿(সুবনহান আল্লাহ) দোয়াটি হলো: ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহী ওয়াসাল্লিম তাসলীমা’ ।
📿মহান আল্লাহ আমাদেরকে পবিত্র জুমার দিনে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন।
আমিন🤲🤲🤲
( সংগৃহীত)
05/06/2024
কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানের স্বাদ পাবেনা যতক্ষণ না সে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই কোনো মানুষকে ভালোবাসবে, কুফুরী থেকে আল্লাহ তাআলা তাকে মুক্তি দেয়ার পর যতক্ষণ না সে পুনরায় কুফুরীতে ফিরে যাওয়ার চেয়ে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অধিক ভালোবাসবে এবং যতক্ষণ না আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূল তার কাছে অন্যসব বস্ত্ত হতে অধিক প্রিয় হবে।
বুখারী, অধ্যায়ঃ আল্লাহর জন্য কাউকে ভালবাসা।
©[email protected]
(সংগৃহীত)
কুরআন পড়ার সময় নবীদের দুআগুলো খেয়াল করেছেন কখনো?
আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামের দুআগুলো তাদের মতই ছিলো অনন্য। আপনি যদি কুরআন থেকে নবীদের দুআগুলো একত্রিত করেন তবে একটা চমৎকার বৈশিষ্ট্য খেয়াল করবেন। আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম আল্লাহর কাছে সরাসরি নিজেদের চাহিদাগুলো উপস্থাপন না করে দীলের আকুতি আল্লাহর দিকে সোপর্দ করতেন। কারণ, বান্দা নিজের জন্য কী পছন্দ করবে তার চেয়ে তো আল্লাহর পছন্দ আরো বেশি উত্তম হবেই। একটা উদাহরণ দেয়া যাক...
সায়্যিদুনা যাকারিয়া আলাইহিস সালামের সন্তান হচ্ছিলো না। তিনি আল্লাহর কাছে দুআ করতে বসলেন। কিন্তু দুআয় একথা বললেন না যে, হে আল্লাহ! আমাকে একটা ছেলে দেন। বরং কী বললেন দেখুন,
وَ زَکَرِیَّاۤ اِذۡ نَادٰی رَبَّهٗ رَبِّ لَا تَذَرۡنِیۡ فَرۡدًا وَّ اَنۡتَ خَیۡرُ الۡوٰرِثِیۡنَ
-আর স্মরণ করুন যাকারিয়্যার কথা, যখন সে তার মালিককে ডেকে বলেছিল, মাওলা! আমাকে একা ছেড়ে দিও না, যদিও তুমি উত্তরাধিকারী হিসেবে শ্রেষ্ঠ।
কত সুন্দর করে চাওয়া! মালিক তুমি নিজেই তো আমার হয়ে আছোই। তবুও আমার একটা সন্তান নেই। আমার একাকীত্ব দূর করে দাও। সরাসরি কিন্তু বলেননি। কারণ, সন্তানহীনতা এটাও তো আমার মালিকের ফায়সালা। মালিক জানেন আমার কী দরকার। আমি শুধু চাই আমার মালিক আমার দীলের তামান্নাটুকু পুরা করে দিক। আল্লাহ তায়ালা পুরা করে দিলেন।
فَاسۡتَجَبۡنَا لَهٗ ۫ وَ وَهَبۡنَا لَهٗ یَحۡیٰی وَ اَصۡلَحۡنَا لَهٗ زَوۡجَهٗ ؕاِنَّهُمۡ کَانُوۡا یُسٰرِعُوۡنَ فِی الۡخَیۡرٰتِ وَ یَدۡعُوۡنَنَا رَغَبًا وَّ رَهَبًا ؕوَ کَانُوۡا لَنَا خٰشِعِیۡنَ
-আমি তার দুআ কবুল করলাম। তাকে ইয়াহইয়াকে দান করলাম। তার স্ত্রীর বন্ধ্যাত্বও দূর করে দিলাম। এরা সবাই নেকীর কাজে প্রতিযোগিতা করতো। বড় ভয় ও আশা নিয়ে আমাকে ডাকতো। আমার প্রতিও ছিলো খুবই বিনয়াবনত।
শুধু সন্তান চাইলে সন্তান পাওয়া যেত। কিন্তু দুআয় ছিলো মালিকের অবারিত রহমতের উপর নিজের তামান্না সোপর্দ করার মত কথা। তাই আল্লাহ পাক এক নিয়ামতের জায়গায় দুই নিয়ামত দিলেন। সন্তানও দিলেন এবং স্ত্রীর বন্ধ্যাত্বও দূর করে দিলেন আজীবনের জন্য।
আবার সায়্যিদুনা মূসা আলাইহিস সালামের দুআটাও দেখুন। মিশর থেকে পালিয়ে মাদায়েন এলেন। এসে কূপের ধারে গাছের তলায় বসে রইলেন। খাওয়ার জন্য খাদ্য দরকার। থাকার জন্য দরকার ঘর। কিন্তু মালিকের কাছে নিজের চাহিদাগুলো চাইলেন না। কারণ, প্রয়োজন চাইলে পুরা হবে কিন্তু মালিকের দানের মাঝে আরো কিছু বাকী থেকে যাবে। তাই তিনি বললেন,
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
-মালিক! তুমি যা আমাকে দিবে তাই-ই আমার দরকার।
চাইতে হলে এভাবে চাইতে হয়। আমি ভাবি আমার দরকার শুধু এটা বা ওটা। কিন্তু আমার মালিক জানেন আমার আসলে কী লাগবে আর আমি চাচ্ছিটা কী। আল্লাহ তায়ালা মূসা আলাইহিস সালামকে খাদ্য ও ঘরের বন্দোবস্ত তো করে দিলেনই। সাথে একটা বিবিও দান করে দিলেন।
আল্লাহ তায়ালার কাছে এভাবে চাওয়ার তাওফিক আমাদের হোক। আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামের মত চাওয়া।
©️
আশ্চর্য ব্যাপার! আজকেই আমি সূরা কাহাফ মুখস্ত করতে যেয়ে ভাবছিলাম,সূরা কাহাফের সাথে দাজ্জালের সম্পর্ক কি?
এ সূরায় তো দাজ্জালের কথা একবারও বলা হয়নি।তাহলে কেন মুখস্ত করতে হবে।আলহামদুলিল্লাহ,মাত্র এখনি নিচের লেখাগুলো সামনে আসলো।
সূরা কাহাফে লুকানো রহস্য ও দাজ্জালঃ
কখনো ভেবে দেখেছেন কি কেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের প্রতি জুমু’আর দিন সূরা কাহাফ পাঠ করতে বলেছেন? আসুন জানার চেষ্টা করি,
এই সূরাটিতে মোট চারটি শিক্ষণীয় ঘটনা আছে, প্রতিটি ঘটনাতেই আছে বুদ্ধিমান লোকদের জন্য উপদেশ। আসুন সেই ঘটনাগুলো ও তার শিক্ষাগুলো কি জানার চেষ্টা করিঃ
১) গুহাবাসী যুবকদের ঘটনাঃ সূরার শুরুতেই সেই গুহাবাসী যুবকদের ঘটনার বর্ণণা দেয়া হয়েছে যারা এমন একটি জনপদে বসবাস করত যার অধিবাসীরা ছিল অবিশ্বাসী ও সীমালংঘনকারী। কাজেই যুবকেরা সেই নষ্ট সমাজের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নিলেন, ‘এদের সাথে আর নয়’। তারা আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও আল্লাহর দীনের প্রতি ভালোবাসা থেকে উজ্জিবীত হয়ে সেখান থেকে হিজরত করলেন। আল্লাহ তাদেরকে গুহাতে আশ্রয় দিলেন এবং সূর্যালোক থেকে নিরাপদে রাখলেন। বহু বছর পর যখন তাদের ঘুম ভাঙ্গলো তাঁরা দেখলেন সেই জনপদের অবিশ্বাসী লোকেরা বিদায় নিয়েছে এবং ভালো লোকদের দ্বারা মন্দ লোকেরা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
শিক্ষাঃ ঈমানের উপর পরীক্ষা।
২) দুইটি বাগানের মালিক ব্যক্তির ঘটনাঃ একজন লোক যাকে আল্লাহ দুইটি প্রাচুর্যময় সুন্দর বাগান দিয়ে ধন্য করেছিলেন, কিন্তু লোকটি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে ভুলে গেল এমনকি পরকালের অস্তিত্ব সম্পর্কে আল্লাহর ওয়াদার উপর সন্দেহ পোষণ করল। কাজেই, এই অকৃতজ্ঞ লোকটির বাগানকে আল্লাহ তায়ালা বিরান করে দিলেন-সে অনুতপ্ত হল, কিন্তু ইতোমধ্যে অনেক দেরি হয়ে গেছে এবং তার এই অসময়ের অনুশোচনা তার কোন উপকারে আসল না।
শিক্ষাঃ সম্পদের উপর পরীক্ষা।
৩) খিজির ও মুসা আলাইহি সালাম এর ঘটনাঃ যখন মূসা আলাইহি সালামের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, “এই পৃথিবীতে সবচেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তি কে?” তিনি উত্তর করেছিলেন, “আমি”…কিন্তু আল্লাহ তাঁর কাছে উন্মোচন করে দিলেন যে, এমন এক ব্যক্তি আছেন যাকে আল্লাহ তাঁর চেয়েও বেশি জ্ঞান দান করেছেন। মুসা আলাইহি সালাম সেই ব্যক্তির সাথে ভ্রমণ করলেন এবং দেখলেন, শিখলেন কিভাবে অনেক সময় আল্লাহ তাঁর অসীম জ্ঞানের কারণে এমন অনেক ঘটনা ঘটান যেগুলো আমাদের চোখে খারাপ বলে মনে হয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেগুলো মানুষের ভালোর জন্যেই করা হয়।
শিক্ষাঃ জ্ঞানের উপর পরীক্ষা।
৪) যুলকারনাইনঃ এটা সেই ক্ষমতাধর বাদশাহর ঘটনা যাকে একই সাথে জ্ঞান এবং ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছিল এবং তিনি সেই উভয় দানের শুকরিয়াস্বরুপ মানুষের উপকারে এবং কল্যাণে তা ব্যয় করতেন। তিনি জনপদের লোকদের ইয়াজুজ মাজুজ এর সমস্যার সমাধান করে দিলেন এবং একটি বিশাল প্রাচীর নির্মাণ করে দিলেন।
শিক্ষাঃ ক্ষমতার উপর পরীক্ষা।
সূরাটির মাঝামাঝি আল্লাহ স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন ইবলিসের কথা যে এই পরীক্ষাগুলোকে আরও কঠিন করে দেয়,
“যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ ‘আদমকে সেজদা কর’, তখন সবাই সেজদা করল ইবলীস ব্যতীত। সে ছিল জিনদের একজন। সে তার পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল। অতএব তোমরা কি আমার পরিবর্তে তাকে এবং তার বংশধরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করছ? অথচ তারা তোমাদের শত্রু। এটা জালেমদের জন্যে খুবই নিকৃষ্ট বদল”। (সূরা কাহাফ ৫০)
আসুন, এবারে জেনে নেয়া যাক, সূরা কাহাফ এবং দাজ্জালের মধ্যে কিসের সম্পর্ক?
দাজ্জাল আবির্ভুত হবে শেষ সময়ে কিয়ামতের একটি বড় লক্ষণ হিসেবে,
সে এই চারটি ফিতনা একত্রে নিয়ে আসবেঃ
••► সে মানুষকে আদেশ করবে যেন আল্লাহকে বাদ দিয়ে তার ইবাদত করে
ঈমানের উপর পরীক্ষা
••► তাকে বৃষ্টি বর্ষণ/ অনাবৃষ্টি সৃষ্টির ক্ষমতা দেয়া হবে এবং সে মানুষকে তার সম্পদ দিয়ে লোভ দেখাবে
সম্পদের উপর পরীক্ষা
••► সে মানুষকে পরীক্ষায় ফেলে দিবে তার ‘জ্ঞান’ এবং নানারকম সংবাদ প্রদান করে
জ্ঞানের উপর পরীক্ষা
••► সে পৃথিবীর এক বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করবে
ক্ষমতার উপর পরীক্ষা
কিভাবে আমরা এই সকল ফিতনা থেকে বাঁচতে পারি? সূরা কাহাফেই আছে এর উত্তরঃ
• ফিতনা হতে বাঁচার প্রথম উপায়ঃ
সৎ সঙ্গ-
“আপনি নিজেকে তাদের সংসর্গে আবদ্ধ রাখুন যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের পালনকর্তাকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে আহবান করে এবং আপনি পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তাদের থেকে নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবেন না। যার মনকে আমার স্মরণ থেকে গাফেল করে দিয়েছি, যে, নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে এবং যার কার্য কলাপ হচ্ছে সীমা অতিক্রম করা, আপনি তার অনুগত্য করবেন না।"
(সূরা কাহাফ : ২৮)
• ফিতনা হতে বাঁচার দ্বিতীয় উপায়ঃ
এই পার্থিব জীবনের বাস্তবতা উপলব্ধি করা-
“তাদের কাছে পার্থিব জীবনের উপমা বর্ণনা করুন। তা পানির ন্যায়, যা আমি আকাশ থেকে নাযিল করি। অতঃপর এর সংমিশ্রণে শ্যামল সবুজ ভূমিজ লতা-পাতা নির্গত হয়; অতঃপর তা এমন শুস্ক চুর্ণ-বিচুর্ণ হয় যে, বাতাসে উড়ে যায়। আল্লাহ এ সবকিছুর উপর শক্তিমান।”
(সূরা কাহাফ, আয়াত ৪৫)
• ফিতনা হতে বাঁচার তৃতীয় উপায়ঃ
ধৈর্য্যশীল থাকা-
“মূসা বললেনঃ আল্লাহ চাহেন তো আপনি আমাকে ধৈর্য্যশীল পাবেন এবং আমি আপনার কোন আদেশ অমান্য করব না”।
(সূরা কাহাফ, আয়াত ৬৯)
• ফিতনা হতে বাঁচার চতুর্থ উপায়ঃ
সৎ কর্ম সম্পাদন-
“বলুনঃ আমি ও তোমাদের মতই একজন মানুষ, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহই একমাত্র ইলাহ। অতএব, যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে কাউকে শরীক না করে।.”
(সূরা কাহাফ, আয়াত ১১০)
• ফিতনা হতে বাঁচার পঞ্চম উপায়ঃ
আল্লাহর দিকে আহবান-
“আপনার প্রতি আপনার পালনকর্তার যে, কিতাব প্রত্যাদিষ্ট করা হয়েছে, তা পাঠ করুন। তাঁর বাক্য পরিবর্তন করার কেউ নাই। তাঁকে ব্যতীত আপনি কখনই কোন আশ্রয় স্থল পাবেন না।”
(সূরা কাহাফ, আয়াত ২৭)
• ফিতনা হতে বাঁচার ষষ্ঠ উপায়ঃ
পরকালের স্মরণ-
"যেদিন আমি পর্বতসমূহকে পরিচালনা করব এবং আপনি পৃথিবীকে দেখবেন একটি উম্মুক্ত প্রান্তর এবং আমি মানুষকে একত্রিত করব অতঃপর তাদের কাউকে ছাড়ব না।
তারা আপনার পালনকর্তার সামনে পেশ হবে সারিবদ্ধ ভাবে এবং বলা হবেঃ তোমরা আমার কাছে এসে গেছ; যেমন তোমাদেরকে প্রথম বার সৃষ্টি করেছিলাম। না, তোমরা তো বলতে যে, আমি তোমাদের জন্যে কোন প্রতিশ্রুত সময় নির্দিষ্ট করব না।
আর আমলনামা সামনে রাখা হবে। তাতে যা আছে; তার কারণে আপনি অপরাধীদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত দেখবেন। তারা বলবেঃ হায় আফসোস, এ কেমন আমলনামা। এ যে ছোট বড় কোন কিছুই বাদ দেয়নি-সবই এতে রয়েছে। তারা তাদের কৃতকর্মকে সামনে উপস্থিত পাবে। আপনার পালনকর্তা কারও প্রতি জুলুম করবেন না।"
(সূরা কাহাফ : ৪৭-৪৯)
সংগৃহিত
29/08/2023
আসসালামু আলাইকুম, 😊
আপনি যদি নিয়মিত কোরআন পাঠ করে থাকেন এবং যদি মনে করেন নতুন একটি কোরআন শরীফের প্রয়োজন আপনার...
তাহলে কষ্ট করে নিম্নের লিংক এর ফ্রমটি পূরন করে ফেলুন...
আমরা আপনার ঠিকানায় আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী উপহারস্বরূপ একটি কোরআনের কপি পৌঁছে দিবো ইনশাল্লাহ।
লিংকঃ
Free Quran Gift Project আপনি যদি নিয়মিত কোরআন পাঠ করে থাকেন আর আপনার নতুন একটা কোরআন শরীফ প্রয়োজন হয় তাহলে কষ্ট করে ফ্রমটি পূরন করুন। ইনশা...
12/04/2021
আসসালামু আলাইকুম, 😊
আপনি যদি নিয়মিত কোরআন পাঠ করে থাকেন এবং যদি মনে করেন নতুন একটি কোরআন শরীফের প্রয়োজন আপনার...
তাহলে কষ্ট করে নিম্নের লিংক এর ফ্রমটি পূরন করে ফেলুন...
আমরা আপনার ঠিকানায় আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী উপহারস্বরূপ একটি কোরআনের কপি পৌঁছে দিবো ইনশাল্লাহ।
লিংকঃ
Free Quran Gift Project আপনি যদি নিয়মিত কোরআন পাঠ করে থাকেন আর আপনার নতুন একটা কোরআন শরীফ প্রয়োজন হয় তাহলে কষ্ট করে ফ্রমটি পূরন করুন। ইনশা...
আসসালামু আলাইকুম, 😊
আপনি যদি সবসময় নিয়মিত কোরআন পাঠ করে থাকেন এবং যদি মনে করেন নতুন একটি কোরআন শরীফের প্রয়োজন আপনার...
তাহলে কষ্ট করে নিম্নের লিংক এর ফ্রমটি পূরন করে ফেলুন...
আমরা আপনার ঠিকানায় আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী উপহারস্বরূপ একটি কোরআনের কপি পৌঁছে দিবো ইনশাল্লাহ।
লিংকঃ
Free Quran Gift Project Descriptionআপনি যদি নিয়মিত কোরআন পাঠ করে থাকেন আর আপনার নতুন একটা কোরআন শরীফ প্রয়োজন হয় তাহলে কষ্ট করে ফ্রমটি পূরন করুন। ....
আসসালামু আলাইকুম, 😊
আপনি যদি নিয়মিত কোরআন পাঠ করে থাকেন এবং যদি মনে করেন নতুন একটি কোরআন শরীফের প্রয়োজন আপনার...
তাহলে কষ্ট করে নিম্নের লিংক এর ফ্রমটি পূরন করে ফেলুন...
আমরা আপনার ঠিকানায় আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী উপহারস্বরূপ একটি কোরআনের কপি পৌঁছে দিবো ইনশাল্লাহ।
লিংকঃ
https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSdo4414RSQBtRpsZ3LgfY-UG5Fi-hBZWNw101E-eEbZr1kspQ/viewform
Click here to claim your Sponsored Listing.