FactScan
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from FactScan, Media/News Company, Joypurhat, Rajshahi.
09/04/2026
২০২৫ সালের রুটিন বদলে ‘এইচএসসি ২০২৬’ নামে বিভ্রান্তিকর প্রচার
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক:
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি কথিত পরীক্ষার রুটিন ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, সেটিই ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার নির্ধারিত সময়সূচি।
তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রচারিত রুটিনটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং বিভ্রান্তিকর।
যাচাই করে জানা যায়, এখনো পর্যন্ত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার কোনো অফিসিয়াল রুটিন শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশ করা হয়নি।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন পাওয়া যায়। বিশ্লেষণে দেখা যায়, সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো রুটিনটির সঙ্গে ওই রুটিনের উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে।
বিশেষ করে, সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে ব্যবহৃত ইউনিক স্মারক নম্বর যাচাই করে দেখা যায়, আলোচিত রুটিনে উল্লেখিত স্মারক নম্বর— আশিবো/প্রশা/২০১০/১৫—টি ২০২৫ সালের রুটিনের সঙ্গে হুবহু মিলে গেছে। এতে স্পষ্ট হয়, পুরোনো রুটিনটি সম্পাদনা করে তারিখ পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন বলে প্রচার করা হয়েছে।
এছাড়া, নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র বা মূলধারার গণমাধ্যমেও ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষার রুটিন এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
সুতরাং, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষার রুটিনটি ভুয়া। এটি ২০২৫ সালের রুটিন সম্পাদনা করে তৈরি করা হয়েছে এবং এর কোনো সরকারি ভিত্তি নেই।
26/03/2026
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম পদত্যাগ করেননি
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক:
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দাবি প্রচার করা হয়েছে যে, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম পদত্যাগ করেছেন।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, এই দাবির কোনো সত্যতা নেই। আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং, অপ্রাসঙ্গিক কিছু ছবি যুক্ত করে বিভ্রান্তিকরভাবে বিষয়টি প্রচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ছড়ানো পোস্টগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কোথাও নির্ভরযোগ্য সূত্র বা গ্রহণযোগ্য তথ্যের উল্লেখ নেই। এছাড়া, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কোনো ব্যক্তির পদত্যাগ করলে তা স্বাভাবিকভাবেই দেশের মূলধারার গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হতো। কিন্তু দেশের কোনো গণমাধ্যমেই এ ধরনের কোনো সংবাদ প্রকাশিত হয়নি।
উল্টো, গত ২৩ মার্চ হাজারীবাগ থানা বিএনপি আয়োজিত ‘ঈদ পুনর্মিলনী ও শুভেচ্ছা বিনিময়’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে দেখা গেছে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে।
সুতরাং, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের পদত্যাগের দাবিটি সম্পূর্ণ ভুয়া।
26/03/2026
‘কিস্তি দেব নাকি ঈদের বাজার করব’- এমন মন্তব্য করেননি এনামুল হক বিজয়
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক:
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয়ের নামে ‘কিস্তির টাকা পরিশোধ করবো নাকি পরিবারের সবার জন্য ঈদের মার্কেট করব- কিছুই বুঝতে পারছি না’- এমন একটি মন্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে নানা মহলে আলোচনা তৈরি করে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, আলোচিত এই মন্তব্যটি এনামুল হক বিজয়ের নয়। দাবিটির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ভাইরাল পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলেও উক্ত মন্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত করার মতো কোনো সূত্র মেলেনি।
এছাড়া, প্রাসঙ্গিক কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে অনুসন্ধান চালিয়ে মূলধারার গণমাধ্যম কিংবা এনামুল হক বিজয়ের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টেও এমন কোনো মন্তব্যের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। সাধারণত, জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটার এ ধরনের মন্তব্য করলে তা গণমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রকাশিত হওয়ার কথা।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ মার্চ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এনামুল হক বিজয় ‘হারানো সম্মান’ ফিরে না পেলে ক্রিকেটে না ফেরার কথা জানান। একই সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের বিপিএলে খেলার পারিশ্রমিক না পাওয়ার বিষয়েও কথা বলেন। এছাড়া সর্বশেষ বিপিএল আসরে অংশ নিতে না পারায় তিনি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে এসব বক্তব্যের কোথাও ‘কিস্তির টাকা’ বা ‘ঈদের মার্কেট’ সংক্রান্ত কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি।
সুতরাং, এনামুল হক বিজয়ের নামে প্রচারিত ‘কিস্তির টাকা পরিশোধ করবো নাকি পরিবারের জন্য ঈদের মার্কেট করব’- এমন মন্তব্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।
26/03/2026
পুরোনো ভিডিও ব্যবহার করে সাকিব আল হাসানের মাগুরায় ঈদ উদযাপনের দাবি ভুয়া
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক:
২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান দেশে ফেরেননি। এর মধ্যেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে তিনি ২১ মার্চ মাগুরায় ঈদুল ফিতরের নামাজে শরিক হয়েছেন।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিও দুটি সাম্প্রতিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওগুলো ২০২৩ সালের দুই ঈদের সময়ের। সেই সময় সাকিব মাগুরায় ঈদ উদযাপন করেছিলেন।
মূল ধারার গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৯ জুন সময় টিভির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিওতে সাকিব আল হাসান মাগুরায় ঈদুল আজহা উদযাপন করতে দেখা যায়।
এছাড়া, ২০২৩ সালের ২২ এপ্রিল ডিবিসি নিউজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিওতে তিনি মাগুরায় ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছিলেন।
গণমাধ্যম সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাকিব আল হাসান যুক্তরাষ্ট্রে ঈদ করেছেন।
অতএব, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত “সাকিব এবার মাগুরায় ঈদ উদযাপন করেছেন” দাবিটি ভুয়া এবং পুরোনো ভিডিও ব্যবহার করে ছড়ানো হয়েছে।
26/03/2026
পুরোনো ছবি দিয়ে মাশরাফির ঈদগাহে যাওয়ার ভুয়া দাবি
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক:
২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে সাবেক ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবিতে কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মাশরাফি ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে নামাজ পড়তে গেছেন বলে দেখানো হয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছবিগুলো সাম্প্রতিক নয়। অন্তত ২০২৫ সাল থেকেই এগুলো অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে। Mash Narail নামের একটি পেজে ২০২৫ সালের ২৮ মার্চ একই ছবি প্রকাশিত হয়েছে।
মাশরাফি তার নিজস্ব পেজে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেও কোনো ছবি পোস্ট করেননি। অন্যান্য ক্রিকেটারদের ঈদ উদযাপনের ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও মাশরাফির এমন কোনো ছবি দেখা যায়নি।
একটি সংবাদ মাধ্যমের অনলাইনের একজন ক্রীড়া সাংবাদিক জানান, “ছবিটা পুরোনো। মাশরাফি দীর্ঘ সময় ধরে ঘরেই থাকেন, গত দেড় বছরে তিনি বাইরে যাননি। এবারের ঈদেও তিনি বের হননি।”
অতএব, মাশরাফি ঈদগাহে উপস্থিত ছিলেন এমন দাবি করা ছবিগুলো ভুয়া এবং মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে।
26/03/2026
“বঙ্গবন্ধুকে সম্মান জানাতে কোনো দলের হতে হয় না”- বলেননি এ্যানি
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক:
গত ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়ে।
সেখানে দাবি করা হয়, তিনি বলেছেন- “বঙ্গবন্ধুকে সম্মান জানাতে কোনো দলের হতে হয় না, তিনি সবার, সারা বাংলাদেশের।”
তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমন কোনো মন্তব্য করেননি। তার নামে কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র বা তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই এই বক্তব্যটি প্রচার করা হয়েছে।
আলোচিত দাবির পক্ষে মূলধারার কোনো গণমাধ্যমে প্রতিবেদন বা বিশ্বাসযোগ্য উৎসে তথ্য পাওয়া যায়নি।
সাধারণত এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলে তা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়। কিন্তু তার সাম্প্রতিক বক্তব্য, সাক্ষাৎকার কিংবা জনসমক্ষে দেওয়া কোনো বক্তব্যেও এ ধরনের মন্তব্যের প্রমাণ মেলেনি।
এছাড়া, শহীদউদ্দ্দীন চৌধুরী এ্যানির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ পর্যালোচনা করেও এমন কোনো বক্তব্যের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
সুতরাং, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নামে প্রচারিত মন্তব্যটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট।
26/03/2026
ট্রাম্পের পুরোনো ভিডিওকে ইন্ডিয়ায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরের দৃশ্য বলে প্রচার
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি পুরোনো ভিডিওকে ইন্ডিয়ায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরের দৃশ্য হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।
তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রচারিত দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওটি মূলত স্কটল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাড়িবহরের।
রিভার্স ইমেজ সার্চে বার্তা সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস’ (এপি)-এর একটি ভিডিও প্রতিবেদনের সাথে এর মিল পাওয়া যায়। গত বছরের ২৬ জুলাই এপির ওয়েবসাইটে “Trump motorcade heads for Turnberry following U.S. president’s arrival in Scotland” শিরোনামে প্রকাশিত ভিডিওটির সঙ্গে ভাইরাল ভিডিওটির হুবুহু মিল রয়েছে।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, স্কটল্যান্ডে ট্রাম্পের গাড়িবহরের ওই ভিডিওতে হিন্দি ভাষার অডিও যুক্ত করে সেটিকে ইন্ডিয়ায় শেখ হাসিনার গাড়িবহর হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।
অতএব, প্রচারিত দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি বিভ্রান্তিকর এবং এর সঙ্গে শেখ হাসিনা বা ইন্ডিয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।
26/03/2026
পুরোনো অভিযানের ভিডিওকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর অভিযান’ বলে অপপ্রচার
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, পাকিস্তানের করাচির লিয়ারি এলাকায় ‘ধুরন্ধর ২’ সিনেমা মুক্তির পর ভারতীয় গুপ্তচর খুঁজতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন পুলিশ সদস্য রাস্তায় থাকা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন এবং এক পর্যায়ে রাস্তার পাশে শুয়ে থাকা একজনের কম্বল সরিয়ে পরীক্ষা করেন।
তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, এই দাবিটি সঠিক নয়। রিভার্স ইমেজ সার্চে ভিডিওটির মিল পাওয়া যায় পাকিস্তানি কন্টেন্ট ক্রিয়েটর Kawish Parekh-এর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে, যেখানে এটি ২০২৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হয়েছিল। একই সময় তার প্রোফাইলে ‘Grand Operation’ ক্যাপশনে আরও কয়েকটি অনুরূপ ভিডিও পাওয়া যায়।
এছাড়া, সংশ্লিষ্ট কীওয়ার্ডে অনুসন্ধানে পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৫ সালের জুলাই ও আগস্টে প্রকাশিত ভিডিও প্রতিবেদনেও একই দৃশ্য পাওয়া যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘Anti-Narcotics and Crime Control’ নামে একটি এনজিও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে মাদকাসক্ত ও অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে অভিযান চালায় এবং তাদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠায়।
অতএব, পুরোনো ও অপ্রাসঙ্গিক ভিডিও ব্যবহার করে করাচিতে ‘ভারতীয় গুপ্তচর খোঁজার অভিযান’ চালানোর দাবি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর।
26/03/2026
বক্তব্য বিকৃত করে হাসনাত আবদুল্লাহকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর ভিডিও প্রচার
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক:
সম্প্রতি কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে ঘিরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে বলতে দেখা যায়, “১৭ বছর গাড়ি চালাইছি, কোনো জিপি-টিপি লাগে না, আমরার চাঁদা নেয় না। এখন হাসনাত ভাইয়া আসার পর আমরা ১২০ টাকা করে জিপি দিছি।”
ভিডিওটির মাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, ওই ব্যক্তি হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি হাসনাত আবদুল্লাহকে জড়িয়ে এ ধরনের কোনো অভিযোগ করেননি। প্রকৃতপক্ষে, তার মূল বক্তব্যের ভিডিও সম্পাদনা করে বিভ্রান্তিকর এই ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে ‘M M Arif Vlogs’ নামের একটি ফেসবুক পেজে গত ৯ মার্চ প্রকাশিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়, যার সঙ্গে ভাইরাল ভিডিওটির দৃশ্যের মিল রয়েছে। তবে বক্তব্যের ক্ষেত্রে স্পষ্ট পার্থক্য দেখা যায়।
মূল ভিডিওতে ওই ব্যক্তি বলেন, “আমরা ১৭ বছর গাড়ি চালাইছি। ১২০ টাকা করে জিপি দিছি। এখন হাসনাত ভাইয়া আসার পর আমরা কোনো জিপি-টিপি লাগে না। আমরার চাঁদা নেয় না।”
অন্যদিকে ভাইরাল ভিডিওটি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এতে বক্তব্যের মাঝখানে হঠাৎ ফ্রেম পরিবর্তন, কণ্ঠস্বরের অস্বাভাবিক ওঠানামা এবং শরীরের অবস্থানে আকস্মিক পরিবর্তনের মতো লক্ষণ রয়েছে, যা সাধারণত ভিডিও সম্পাদনার ইঙ্গিত দেয়।
এছাড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বক্তব্যদানকারী ব্যক্তির সামনে একজন মাইক্রোফোন হাতে সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেজটি পর্যালোচনা করে একই ব্যক্তিকে একইভাবে আরও কয়েকজনের সাক্ষাৎকার নিতে দেখা গেছে, যা থেকে বোঝা যায় আলোচিত ভিডিওটিও ওই পেজের কনটেন্ট থেকে নেওয়া।
সুতরাং, মূল ভিডিওর বক্তব্য বিকৃত করে হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলার দাবিতে যে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে, তা সম্পাদিত ও বিভ্রান্তিকর।
26/03/2026
তারেক রহমানের সঙ্গে তর্কের পর রুমিন ফারহানা পদত্যাগ করেননি
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক:
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। ভিডিওটিতে রুমিন ফারহানার দুটি বক্তব্য এবং একটি সংবাদ পাঠিকার ফুটেজ যুক্ত করে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০২২ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রুমিন ফারহানার পদত্যাগ সংক্রান্ত পুরোনো ভিডিওগুলো একত্র করে নতুন করে প্রচার করা হচ্ছে।
দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম বা সূত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার তর্কের তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেও রুমিন ফারহানার কোনো বক্তব্যের প্রমাণ মেলেনি এবং সাম্প্রতিক সময়ে তার পদত্যাগের ঘটনাও ঘটেনি।
যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটির একটি অংশ রুমিন ফারহানার ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল Rumeen’s Voice-এ ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর প্রকাশিত ভিডিও থেকে নেওয়া। সেখানে তিনি ওই সময়ের বিএনপির সংসদ সদস্যদের সম্মিলিত পদত্যাগের কথা বলেছিলেন।
এছাড়া ভিডিওটির আরেকটি অংশ Somoy TV-এর ২০২২ সালের একটি জনসভার ফুটেজ, যেখানে তিনি সংসদে কথা বলতে বাধা পাওয়ার অভিযোগ তুলে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। একইভাবে ভিডিওতে ব্যবহৃত সংবাদ পাঠিকার অংশটিও ATN News-এর ২০২২ সালের প্রতিবেদন থেকে নেওয়া।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর গোলাপবাগে বিএনপির এক সমাবেশে রুমিন ফারহানা পদত্যাগের ঘোষণা দেন এবং পরদিন তিনি সহ বিএনপির পাঁচ সংসদ সদস্য স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
সুতরাং, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে রুমিন ফারহানার সাম্প্রতিক পদত্যাগের দাবিটি সম্পূর্ণ ভুয়া।
26/03/2026
ছাত্রলীগের পুরোনো সমাবেশের ভিডিওকে সাম্প্রতিক বলে প্রচার
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক:
সম্প্রতি “ছাত্রলীগের সমাবেশ সফল হোক, জয় বাংলা” শীর্ষক ক্যাপশনে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ের নয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি ২০২৩ সালে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের একটি সমাবেশের ভিডিও, যা নতুন করে ছড়িয়ে দিয়ে বিভ্রান্তিকর দাবি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে একাত্তর টিভির ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই প্রকাশিত ‘রাজধানীতে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের সমাবেশ হবে শুক্রবার’ শিরোনামের একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ওই ভিডিওর ফুটেজের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওর মিল পাওয়া গেছে।
এছাড়া জাগো নিউজ২৪ এর ২০২৩ সালের ২৬ জুলাই প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সমাবেশটি একদিন পিছিয়ে ২৮ জুলাই আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাণিজ্য মেলা মাঠ সমাবেশের জন্য উপযোগী না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি সে সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়।
সুতরাং, ২০২৩ সালের পুরোনো সমাবেশের ভিডিওকে সাম্প্রতিক বলে প্রচার করা হচ্ছে, যা বিভ্রান্তিকর।
26/03/2026
হাসনাতের নামে তৌহিদ আফ্রিদিকে নিয়ে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
ফ্যাক্টচেক ডেস্ক
সম্প্রতি, কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহর ছবিসহ তার বক্তব্য দাবিতে একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দাবি করা হয়, তিনি কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদির মুক্তির পক্ষে মন্তব্য করেছেন।
তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত দাবিটি সঠিক নয়। হাসনাত আবদুল্লাহ এ ধরনের কোনো মন্তব্য করেননি। দাবির সপক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত পোস্টগুলোতে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র উল্লেখ করা হয়নি।
এছাড়া, বিষয়টি নিয়ে মূলধারার গণমাধ্যম কিংবা সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত কোনো সূত্রেও এমন মন্তব্যের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সাধারণত একজন সংসদ সদস্যের এ ধরনের মন্তব্য জনপরিসরে এলে তা গণমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রকাশিত হয়, কিন্তু এ ক্ষেত্রে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
হাসনাত আবদুল্লাহর ফেসবুক প্রোফাইল পর্যবেক্ষণ করেও আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো পোস্ট বা বক্তব্যের অস্তিত্ব মেলেনি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় আসামি হিসেবে ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট বরিশালে অভিযান চালিয়ে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতার করে সিআইডি।
সুতরাং, ‘আফ্রিদি যথেষ্ট শাস্তি পেয়েছে, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তার মুক্তি চাই’- হাসনাত আবদুল্লাহর নামে প্রচারিত এ বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Rajshahi
5900