OffBeat Afif
A little offbeat, a little me, reaching the right souls via Meta
27/09/2025
ছবির বাচ্চাটার বয়স ৫ কি ৬ বছর। স্কুল, মোবাইল গেমস আর খেলাধুলার বয়সে বাচ্চাটা এসেছে মায়ের পরকীয়ার হাড্ডি হয়ে।
ঘটনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল চত্ত্বর। দেড় ঘন্টা এদের পাশেই বসে ছিলাম। দুজনের প্রেমালাপ, আদুরে হাতাহাতি, কথোপকথন কানে এসেছে বারবার।
বাচ্চাটা নিজের আনন্দে খেলছে। দূরে গেছে অথচ খেয়াল নেই মা'র। বাচ্চাটা বারবার মাম্মা মাম্মা বলছে, মা উত্তরহীন। লোকটাকে আংকেল ডেকেছে কয়েকবার।
পয়েন্টে আসি। কিভাবে সিউর হলাম?
মহিলার ফোনে একটা ভিডিও কল আসে। লোকটাকে চুপ করিয়ে তিনি রিসিভ করেন দূরে গিয়ে। কথা বলতে বলতে আমার কাছাকাছি আসেন। মহিলা বলেন, 'নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে এসেছেন।'
এরপর বাচ্চাকে দেখান, বাচ্চা মোবাইল নিয়ে ভিডিও কলে কথা শুরু করে। বাচ্চা মানুষ, হঠাৎ মোবাইল ঘুরিয়ে মা আর আংকেলকে দেখায়। এতেই ক্ষেপে যায় মাম্মা, কলটা কেটে বাচ্চাকে দেয় কষে থাপ্পড়। 'কেন আংকেলকে দেখাইলি, এটা-সেটা!'
আশপাশের সবাই হতবিহ্বল হয়ে যায়। কিন্তু তাদের কিচ্ছু যায় আসলো না। আবার আদুরে হাতাহাতি শুরু করে দু'জন। বাচ্চা আশপাশেই খেলতে থাকে।
এই বাচ্চার ভবিষ্যৎ কি?
I got over 10 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉
19/09/2025
সাজেক পথে হাউজপাড়ায় ভুত আছে!!!
বাঘাইহাট থেকে সাজেক ভ্যালি পর্যন্ত মোট ৩৫ কিলোমিটার রাস্তা। আর এই দীর্ঘ পথের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অংশ হলো হাউজপাড়া পাহাড়। এখানে গাড়ি একেবারেই নিয়ন্ত্রণে থাকে না।
সর্বশেষ আমি গিয়েছিলাম গত ২৬ ফেব্রুয়ারি। ফেরার পথে এখানেই দুর্ঘটনায় পড়লাম। ভাগ্য ভালো, বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। ক্যামেরাসহকর্মীকে শুধু বলেছিলাম—
“ভয় পাবি না, গাড়ি ছাড়বি না। এটা খুবই বিপদজনক জায়গা।”
কিন্তু হাইড্রোলিক ব্রেক ধরা সত্ত্বেও বাইক থামছিল না। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললাম। শেষমেশ কোনো উপায় না দেখে রাস্তার সাইড ওয়ালে ধাক্কা দিই। বাইক উল্টে যায়, তবে আমাদের কিছুই হয়নি।
সবচেয়ে অবাক ব্যাপার হলো—
বাইকটা যখন থামছিল না, তখন স্পষ্ট মনে হচ্ছিল পেছন থেকে কেউ যেন ঠেলা দিচ্ছে!
এই জায়গায় নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটে। পাহাড়ি ঢাল এতটাই খাড়া যে বিকল্প রাস্তা তৈরি করারও সুযোগ নেই।
বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা নিত্যদিনের বিষয়। নিহত হলে খবর হয়, আহতের কোনো মূল্যই থাকে না। সাজেক দেখতে গিয়ে কত মানুষ যে পঙ্গুত্ব বরণ করেছে, হিসেব করলে সংখ্যাটা কয়েক হাজার ছাড়াবে নিশ্চিত।
তাই সাজেক যাওয়ার আগে মনে রাখবেন—
সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহকে ডাকতেই হবে।
এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই, কিন্তু সত্যি হলো—
বিশ্বাসে মিলবে বস্তু, তর্কে বহুদূর।
chakma এর ওয়াল থেকে
16/09/2025
🌿 বান্দরবানের গোপন রহস্য 🌿
ঘন কুয়াশায় ঢাকা একটি পাহাড়ি পথ।
প্রতিটি পদক্ষেপে মনে হয়, কে যেন তোমার পিছুটান করছে।
নিচে ভাসমান নদীর ধ্বনিতে ভেতরের ভয়ের সুর মিশে যাচ্ছে।
হঠাৎ, এক পুরনো ব্রিজের উপর আলো flicker করলো—কোথা থেকে আসছে বোঝা গেল না।
পাহাড়ের শিকরে ওঠার সময়, কুয়াশার ভেতর লুকিয়ে থাকা ঝর্ণার গান শোনো যায়।
শুনতে যেমন শান্তি দেয়, তেমনি মনে হয়, কেউ বা কিছু তোমাকে ডাকছে।
একটা ছোট্ট গ্রামে ঢোকার সাথে সাথে, স্থানীয়রা হঠাৎ চুপ।
হাসি যেন হঠাৎ থেমে গেছে—কেউ জানে না তুমি কে, তবু তারা জানে তুমি এখানে কেন এসেছ।
রাতের আকাশে তারাগুলো এক অদ্ভুত কোরাসে ঝলকায়।
একটা রহস্যময় আলো দূরে—দেখতে সুন্দর, কিন্তু কাছে গেলে কি আছে?
কারো জানা নেই, শুধু তোমার কল্পনাই সীমা।
বান্দরবান শুধু ভ্রমণ নয়, এটা এক জীবন্ত রহস্য।
প্রতিটি ঝর্ণা, প্রতিটি পাহাড়, প্রতিটি রাস্তা—সবই গোপন গল্পে পূর্ণ।
আর একবার তোমার পদার্পণ হলে, আর আগের মতো থাকতে পারবে না।
✨ বান্দরবান—যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপই নতুন রহস্য।
16/09/2025
বাংলাদেশের অ্যাডভেঞ্চারের গল্প শুরু হয় এক মানুষের নাম দিয়ে—কাজী হামিদুল হক। 🌊
যৌবনে প্রথম সমুদ্রের ঢেউ তাঁকে টেনে নিয়েছিল। সেই টান কখনোই শেষ হয়নি।
কক্সবাজার, টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন—তিনি চষে বেড়িয়েছেন বঙ্গোপসাগরের প্রতিটি কোণ।
একদিন নৌকায় ভেসে বেড়াতে বেড়াতেই মাথায় খেলে গেল এক স্বপ্ন—
“ইংলিশ চ্যানেল যদি তারা পারে, তবে আমরা কেন পারব না?”
এইভাবেই জন্ম নিল বাংলা চ্যানেল।
২০০৬ সালের জানুয়ারিতে, সঙ্গী কয়েকজন সাহসী সাঁতারু। শাহপরীর দ্বীপ থেকে ১৪ কিলোমিটার সাগর সাঁতরে পৌঁছে গেলেন সেন্ট মার্টিনে।
সেদিনের সেই জলে লেখা হলো বাংলাদেশের অ্যাডভেঞ্চার ইতিহাস।
কিন্তু এটুকুতেই শেষ নয়।
২০০৪ সালের শীতে তিনি নামলেন আরও দুর্দান্ত এক অভিযানে।
মাত্র ২১ ফুট লম্বা এক ছোট্ট নৌকা, ১৩ জন অভিযাত্রী, আর সামনে বিশাল সমুদ্র।
নৌকায় ছিল না কোনো স্নানঘর, কোনো রান্নাঘর—শুধু স্টোভ আর সাহস।
একদিন সমুদ্র হঠাৎ হয়ে উঠল উত্তাল। ২০ ফুট উঁচু ঢেউ, আরেক পাশে ভাঙতে থাকা জাহাজের সারি।
সবাই যখন আতঙ্কে, তখনো নেতৃত্বে ছিলেন হামিদ ভাই।
পরে জানা গেল—সেদিনই ভারত মহাসাগরে হয়েছিল ভয়ংকর সুনামি।
এমনই ছিলেন তিনি।
অন্যরা যেখানে ভয় দেখত, তিনি সেখানে খুঁজতেন সম্ভাবনা।
নিউইয়র্কে শিখেছিলেন স্কুবা ডাইভিং, পরে হয়ে উঠলেন বাংলাদেশের প্রথম দিকের আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার।
২০০ ফুট গভীর সমুদ্রেও ক্যামেরা নিয়ে নেমে পড়তেন তিনি।
নীল জলের অজানা জগৎকে তুলে এনেছিলেন আমাদের চোখের সামনে।
১৯৪৯ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আসামে জন্মানো এই মানুষটি,
আজও বেঁচে আছেন সমুদ্রের ঢেউ, বাংলা চ্যানেলের প্রতিটি স্রোত, আর অভিযাত্রীদের স্বপ্নে।
তিনি শুধু একজন ডুবুরি নন,
তিনি বাংলাদেশের অ্যাডভেঞ্চারের গুরু। ❤
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Rajshahi
0000