JOB Easy Learning
Learn Yourself
Adjective চেনার সহজ উপায়
Noun চেনার উপায়
ভোর ৪টায় উঠে পড়াশোনা করতে চান?
তাহলে এই simple method follow করুন
বিস্তারিত কমেন্টে পিন করা 📌
বিসিএস (কাস্টমস,এক্সাইজ ও ভ্যাট) ক্যাডারের খুঁটিনাটি
সাধারণ আলোচনাঃ
বিসিএস কাস্টমস ক্যাডার সুপারিশপ্রাপ্ত একজন অফিসার প্রথমে যোগদান করেন অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে। এরপর সেখান থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে পদায়ন করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আন্ডারে আরও একটা ক্যাডার থাকে সেটা বিসিএস ট্যাক্সেশন।
বিসিএস কাস্টমস ক্যাডার কাস্টমস ও ভ্যাট নিয়ে যাবতীয় কাজ করে।
পদসোপানঃ
সহকারী কমিশনার >উপ কমিশনার > যুগ্ম কমিশনার > অতিরিক্ত কমিশনার > কমিশনার > বোর্ড মেম্বার (গ্রেড -২) > বোর্ড মেম্বার (গ্রেড -১)
এছাড়া কাস্টমস / ভ্যাট গোয়েন্দাতে পোস্টিং হলে সেখানে সহকারী পরিচালক থেকে মহাপরিচালক পর্যন্ত বিভিন্ন পদায়ন হয়।
বিভাগীয় ট্রেইনিং হয় চট্টগ্রামের সাগরিকায় ৪৩ একর জায়গার উপর অবস্থিত কাস্টমস ,এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেইনিং একাডেমিতে।
কাজের পরিধিঃ
> বাজেটের সময় অর্থ আইনে ও অন্যান্য অর্থনৈতিক বিষয়ে, বিদেশের সাথে বানিজ্যের ক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণে কাজ করার সুযোগ আছে এনবিআর এর ১ম/২য় সচিব হিসেবে পোস্টিং পেলে।
> কাস্টম হাউজে / শুল্ক স্টেশনে পোস্টিং হলে দেশের আমদানি রপ্তানির সাথে সম্পর্কিত কাজ করার ও চোরাচালান প্রতিরোধে কাজ করার সুযোগ আছে। এয়ারপোর্ট কাস্টমস এ কাজ করতে পারবেব।
> ভ্যাট এ পোস্টিং হলে ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি জেলায় বিভাগীয় কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস প্রধান হিসেবে কাজ করতে হবে। ভ্যাটের বিস্তৃতি দিনদিন বাড়ছে।
> কাস্টমস/ ভ্যাট গোয়েন্দাতে পোস্টিং হলে চোরাচালান প্রতিরোধ, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ক শুল্ক-কর ফাঁকি প্রতিরোধে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
> কাস্টমস বন্ডে পোস্টিং হলে শুল্কমুক্ত আমদানির ওয়্যারহাউজ ম্যানেজমেন্ট এ কাজ করার সুযোগ পাবেন।
> ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড রিলেটেড পলিসি মেইকিং এ কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
আরও রয়েছে কাস্টমস রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, এনবিআর এর সেন্ট্রাল ইনটিলিজেন্স সেল, ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অরগানাইজেশান, বাংলাদেশের বিভিন্ন এম্বাসিতে কাজ করার সুযোগ।
> কাজে যথেষ্ট ভ্যারাইটি আছে এবং প্রতিনিয়ত নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে পারবেন। দেশের মোট রাজস্বের অর্ধেকের বেশির যোগান দেয় কাস্টমস ও ভ্যাট অফিসগুলো।
> একজন অফিসার ব্যবসায়ী মহল ও কর্পোরেট সেক্টরে যথেষ্ট সন্মান পান। এছাড়া দেশের রাজস্ব আদায়ে কাস্টমস আইন,১৯৬৯ ও মূসক আইন,২০১২ তে যথেষ্ট ক্ষমতার অধিকারী।
সুযোগ সুবিধাঃ
> ভ্যাটে পোস্টিং হলে শুরুতেই অফিস প্রধান হবেন। এবং এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ থাকবে অফিস সামলানোর তবে এখানে নিজের মত করে সঠিকভাবে অফিস চালানোর সুযোগ পাবেন।
> কাজের সুবাধে দেশের বড় বড় ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও প্রাইভেট সেক্টরের টপ পেইড সিইও,ম্যানেজম্যান্টের লোকজনের সাথে পরিচয় হবে।
> কাস্টমস এ পোস্টিং হলে দেশের মানুষের সুরক্ষায় কাজ করতে পারবেন। কারণ দেশে ভালো বা খারাপ যাই প্রবেশ করুক না কেন তা কাস্টমস হয়েই ঢুকবে।
> অল্প কিছু হাউজ বা শুল্ক স্টেশন বাদে বেশিরভাগ পোস্টিং হবে জেলা/বিভাগীয় শহরে। ঢাকায় প্রচুর পোস্টিং রয়েছে।
> কাজে অনেক ভ্যারাইটি আছে যেমন ভ্যাট,কাস্টমস অফিস বা কাস্টমস/ভ্যাট গোয়েন্দা, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধসহ বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের কাজ করার সুযোগ পাবেন।
> অফিস এনভায়রনমেন্ট বেশ ফ্রেন্ডলি। সিনিয়র স্যাররা বেশ নলেজেবল এবং অফিসারবান্ধব।অফিস টাইমের বাহিরে কাউকে অযাচিত সময় দেয়ার ঝামেলা নাই। তবে কাজের বেশ প্রেশার থাকবে ভালোই।
> এখন পর্যন্ত প্রমোশন স্মুথ এবং যেহেতু কাস্টমস এন্ড ভ্যাট এক্সপানশন হচ্ছে। সামনে অনেকগুলো কমিশনার পদ (গ্রেড ৩) সৃষ্টি হবে।
আর্থিক সুবিধাঃ
কাস্টমস ক্যাডারদের সৎপথে কোটি টাকা সরকারি আর্থিক পুরস্কার পাওয়া সম্ভব। যেকোন কর ফাঁকি ধরে সরকারের রাজস্ব আদায় করতে পারলে তার নির্দিষ্ট শতাংশ অর্থ কাজ পরিচালনাকারী টিমকে প্রদান করা হয়। যদিও এটি পেতে ২/১ বছর দেরি হয় তবে এটি আপনি পাবেন।সৎপথে সবচেয়ে বেশি টাকা আয়ের সুযোগ আছে কাস্টমস ক্যাডারে।
অসুবিধাঃ
> কাস্টমস এর অবকাঠামোগত দুর্বলতা রয়েছে। নিজস্ব অফিস বিল্ডিং নেই বেশিরভাগ জায়গায়। অফিস ভাড়া নিয়ে কাজ চালাতে হয়। তবে এক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গায় কাস্টমস মর্ডানাইজেশন প্রজেক্ট এর অধীনে নতুন নতুন অবকাঠামো গড়ে উঠছে।
> দেশের কর ফাঁকি রোধে কাজ করতে গেলে ঝুঁকি রয়েছে। যেহেতু বড় বড় ব্যবসায়ীদের সাথে কাজ এবং তাদের সাথে বারগেইন করে রাষ্ট্রের প্রাপ্য রাজস্ব বুঝে নিতে নেয়াটা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। অনেক সময় কর ফাঁকির অর্থদণ্ড বা মামলা দিলে রাজনৈতিক চাপ সামলে রাজস্ব আদায় করতে হয়।
> মানুষ যেহেতু কর (টাকা) প্রদান করে সরাসরি কোন সুবিধা পায়না সেহেতু কর পরিশোধে মানুষের অনীহা রয়েছে। এক্ষেত্রে কর আদায় করা বেশ চ্যালেঞ্জিং।
অনেককিছু এই মূহুর্তে মনে করতে পারছি না। তবে আবার সুযোগ পেলে লিখব ইনশাআল্লাহ ।
মোঃ আবদুস সাত্তার ইমন
সহকারী কমিশনার (কাস্টমস,এক্সাইজ ও ভ্যাট)
৪০তম বিসিএস।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
6251