RUET Reporters Unity

RUET Reporters Unity

Share

সত্য প্রকাশই হোক একমাত্র পূর্বাধিকার

12/05/2026

রুয়েটে যৌথ অভিযান: ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, জব্দ করা হলো বাসি খাবার,ফুড কালার ও কালিযুক্ত প্যাকেট

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার আইনে সর্বমোট ১৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাকের আহ্বানে পরিচালিত এ অভিযানে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার সংরক্ষণ, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, খাবার সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ না করা এবং খাদ্যের মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার মতো বিভিন্ন অভিযোগ উঠে আসে। অভিযানের সময় কলিযুক্ত কাগজের প্যাকেট, বাসি খাবার ও অনুমোদনহীন ফুড কালার জব্দ করা হয়।

অভিযানে ফটিক জলকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। চারু আড্ডা, বাইটস এন্ড ব্রিউ লাইফ বেকারি এবং রুয়েট ক্যাফেটেরিয়াকে ২ হাজার টাকা করে সতর্কতামূলক অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া খাবারে পোকা পাওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে বাংলা টিফিন ক্যান্টিনকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শহীদুলের টং থেকে কালিযুক্ত কাগজের প্যাকেট জব্দ করে সতর্কতামূলক নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ফজলে এলাহী, রাজশাহীর জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা চিন্ময় প্রামাণিক এবং বিএসটিআইয়ের ইনস্পেক্টিং অফিসার ইঞ্জিনিয়ার জোনায়েদ আহমেদ। রুয়েট প্রশাসনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার।

অভিযান সম্পর্কে ফজলে এলাহী বলেন, “রুয়েট ক্যাম্পাসে রুয়েট কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। জুস বার থেকে শুরু করে ছাত্রদের খাবারের সবগুলো স্থান পরিদর্শনের চেষ্টা করেছি। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে আমরা নিয়মের ব্যত্যয় পেয়েছি। তাদের সতর্কতামূলকভাবে আর্থিক দণ্ড প্রদান করা হয়েছে।”

ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, “উপাচার্য মহোদয়ের নির্দেশে আজকের এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।ছাত্রদের জন্য রুচিশীল মানসন্মত খাবার রুয়েট প্রশাসনের অগ্রাধিকার। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” পাশাপাশি যেকোনো সমস্যা বা অভিযোগ দ্রুত রুয়েট প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

অভিযানকে শিক্ষার্থীরা ইতিবাচকভাবে দেখলেও খাবারের মান ও মনিটরিংয়ের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে কি না, সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

11/05/2026

প্রাক্তন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি প্রকাশ; উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত হলেন রুয়েটের তিন শিক্ষক

গত ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রুয়েট প্রাক্তন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এসোসিয়েশন (রেজা) এর পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রুয়েটের তিনজন শিক্ষককে উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পেজ "রুয়েট জাতীয়তাবাদী স্পন্দন" থেকে প্রচার করা হয়। এতে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী গত ২১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পহেলা জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ মেয়াদের জন্য এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। জানা যায়, কমিটিতে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী রুয়েটের বিভিন্ন বর্ষের সাবেক শিক্ষার্থীরা স্থান পেয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে উপদেষ্টা হিসেবে রুয়েটের যে তিন শিক্ষকের নাম রয়েছে, তারা হলেন রুয়েটের বর্তমান উপাচার্য ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক (ব্যাচ-৯১); রুয়েট ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার এবং জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিশেষজ্ঞ ও পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন (ব্যাচ-৯৪)।

তাদের এই পদ প্রাপ্তিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়ে রুয়েট শিক্ষার্থীদের একাংশ কে উচ্ছ্বসিত হতে দেখা গিয়েছে। অপর দিকে শিক্ষার্থীদের অনেক কে রাজনীতি নিষিদ্ধ ক্যাম্পাসে এ ধরনের কমিটি তে পদ পাওয়ায় পুনরায় রুয়েটে রাজনীতি প্রবেশের উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, ১০ আগস্ট ২০২৪ থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রুয়েট ক্যাম্পাসে সকল প্রকার রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কর্মরত শিক্ষকদের একটি রাজনৈতিক সংগঠনের উপদেষ্টা পদে অন্তর্ভুক্তি নিষেধাজ্ঞার নীতির সাথে সাংঘর্ষিক কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষার্থীরা।

11/05/2026

চবি ৪৪তম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এ অংশ নিতে যাচ্ছে রুয়েট ফুটবল টিম। ১ম ম্যাচে প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টিম।

11/05/2026

হলের কর্মচারী শিমুলের বিরুদ্ধে আবারও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ; পুনরায় কারণ দর্শানোর নোটিস প্রদান

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম হলের সেকশন অফিসার শাহ মো:জাহাঙ্গীর কামাল চৌধুরী (শিমুল)-এর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ আদায়, দায়িত্বে অবহেলা ও অসদাচরণের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে হল প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে পুনরায় কারণ দর্শানোর নোটিস প্রদান করেছে।

এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সেলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা হল প্রভোস্ট ও উপাচার্যের নিকট পৃথক লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগপত্রে শিমুল ও অপর কর্মচারী সুজনের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ আদায়, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা, দায়িত্বে অবহেলা এবং চুরির অভিযোগ আনা হয়।

অভিযোগের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি ছিল কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইবনে করিমের ক্লিয়ারেন্স সংক্রান্ত ঘটনা। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর তিনি সেলিম হল থেকে ক্লিয়ারেন্স গ্রহণ করেন। ওই সময় তার প্রায় ১৫ হাজার টাকার অধিক হল বকেয়া ছিল, যা তিনি নগদে শিমুলের নিকট পরিশোধ করেন। তবে পরবর্তীতে প্রায় দেড় বছর পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুনরায় বকেয়া টাকার বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি সামনে আসে।

অনুসন্ধানে শিমুল টাকা গ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করলেও ব্যাংকে জমা দেওয়ার কোনো রশিদ দেখাতে পারেননি। এমনকি টাকা ব্যাংকে জমা দিয়েছেন নাকি তার কাছেই রয়েছে-এ বিষয়েও তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, হিসাব বইয়ের একই পাতায় অন্যান্য শিক্ষার্থীদের অর্থ প্রদানের তথ্য কলম দিয়ে লেখা থাকলেও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর তথ্য পেন্সিল দিয়ে লেখা ছিল, যা নিয়ে নতুন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শিমুল জানান, কিছু শিক্ষার্থীর তাড়াহুড়ার কারণে তিনি নগদ অর্থ গ্রহণ করে ক্লিয়ারেন্স দিয়েছেন এবং এতে প্রভোস্টের সম্মতি ছিল। তবে পরবর্তীতে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আগের এক প্রভোস্টের নাম উল্লেখ করে পূর্বের বক্তব্য পরিবর্তন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, হল অ্যালটমেন্টের সময় “ফর্ম বিক্রি”র নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হতো, যদিও এ ধরনের কোনো ফি অনুমোদিত ছিল না। পাশাপাশি ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার সময় “মিষ্টি খাওয়ানো”র নামে জামানতের টাকা থেকে জোরপূর্বক অর্থ কেটে রাখার অভিযোগও তোলা হয়।

হলের কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীও এ বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭ সিরিজের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ করেন, হল অ্যালটমেন্টের সময় প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০ টাকা করে নেওয়া হতো এবং অনেক ক্ষেত্রেই প্রকৃত বকেয়ার চেয়ে বেশি টাকা দাবি করা হতো। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এক শিক্ষার্থীর প্রকৃত বকেয়া ১৭০০ টাকা হলেও প্রথমে ৪০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল; পরে হিসাব মিলিয়ে কম পরিমাণ টাকার সত্যতা পাওয়া যায়।

এছাড়া ইইই বিভাগের এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, হল-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে অতিরিক্ত চার্জ দাবি করা হতো এবং আপত্তি জানালে নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হতো। অন্যদিকে আরেক শিক্ষার্থী জয়ন্ত বিশ্বাস রিসিপ্ট সংক্রান্ত জটিলতার অভিযোগ তুলেছেন।

সাম্প্রতিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আবু বকর সিদ্দিকের তত্ত্বাবধানে দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটিতে দুইজন সহকারী প্রভোস্টকে রাখা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ও অভিযোগকারীদের তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটি আর্থিক অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে।

অভিযুক্ত শিমুল তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানেন আমি সবসময় আন্তরিকভাবে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগটি সঠিক নয়; ব্যক্তিগত গাফিলতির কারণে সমস্যাটি তৈরি হয়েছে। আমার এই ভুলটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করছি।”

এ বিষয়ে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “স্বচ্ছতা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে হল প্রশাসন নথি পুনরায় নিরীক্ষণের উদ্যোগ নেয়। এরই প্রেক্ষিতে আর্থিক অনিয়মের একটি অভিযোগ দৃশ্যমান হয়েছে। আমাদের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আমরা রুয়েট প্রশাসনের নিকট জমা দিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, সকল হলে আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাড়তি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, “হল প্রশাসনের তদন্ত রিপোর্ট আমরা গ্রহণ করেছি। ইতোমধ্যেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। অধিকতর তদন্তের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

উল্লেখ্য, অতীতেও অনুমোদনহীনভাবে বাড়তি অর্থ আদায়ের অভিযোগে শিমুলের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিস প্রদান করা হয়েছিল। এছাড়াও হলের একাধিক কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে আর্থিক অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে বলে জানা যায়।

10/05/2026

অব্যাহত জয়ের রথে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টনের সেমিফাইনালে রুয়েট

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা ২০২৬ এ অব্যাহত জয়ের ধারা বজায় রেখে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ব্যাডমিন্টন দল।

রবিবার (১০ মে) অনুষ্ঠিত ব্যাডমিন্টন (ছাত্র) বিভাগের কোয়ার্টার ফাইনালে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখোমুখি হয় রুয়েট। উভয় রাউন্ডেই ২-০ সেটের দাপুটে জয় তুলে নিয়ে ম্যাচ জয় নিশ্চিত করে দলটি।

প্রথম রাউন্ডের একক প্রতিযোগিতায় রুয়েটের হয়ে অংশ নেন গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম আল রাকিব। প্রথম রাউন্ডের প্রথম সেটে ২১-১২ পয়েন্টে জয় পাওয়ার পর দ্বিতীয় সেটে ২১-১৭ পয়েন্টে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে ২-০ সেটে রাউন্ড নিশ্চিত করেন তিনি।

পরবর্তীতে দ্বিতীয় রাউন্ডের দ্বৈত প্রতিযোগিতায় রুয়েটের হয়ে কোর্টে নামেন ফাহিম আল রাকিব ও কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আহনাফ রশিদ রৌদ্র। দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম সেটে ২১-১২ পয়েন্টে দাপুটে জয় পাওয়ার পর দ্বিতীয় সেটেও প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগ না দিয়ে ২১-১৫ পয়েন্টে জয় তুলে নেয় রুয়েট জুটি। ফলে ২-০ সেটের ব্যবধানে দ্বিতীয় রাউন্ডেও জয় নিশ্চিত করে রুয়েট।
এর মাধ্যমে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় অব্যাহত জয়ের রথে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে রুয়েটের ব্যাডমিন্টন দল।

প্রতিযোগিতায় রুয়েটের ব্যাডমিন্টন (ছাত্র) দলের হয়ে অংশগ্রহণ করেন গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম আল রাকিব, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আবু আল আসিফ রেজা, যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুস শাহাদাত এবং কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আহনাফ রশিদ রৌদ্র।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের আয়োজিত প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন। আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, নেতৃত্বগুণ ও ক্রীড়াচর্চার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

10/05/2026

রুয়েট ছাত্রী হলে অব্যবস্থাপনা: পানি, লিফট ও ডাইনিং নিয়ে দুর্ভোগ শিক্ষার্থীদের

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) নবনির্মিত ছাত্রী হল–১ এ আবাসিক শিক্ষার্থীরা পানি সংকট, অবকাঠামোগত ত্রুটি, লিফট জটিলতা, ডাইনিং ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন বিধিনিষেধ নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন বার্তায় শিক্ষার্থীদের একাধিক অভিযোগে হলটির নানামুখী সমস্যা সামনে এসেছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হল চালুর পর থেকেই প্রায় প্রতিদিনই দীর্ঘ সময় পানি সরবরাহ বন্ধ থাকছে। এতে দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থীকে অন্য হলে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ সারতে হচ্ছে। খাবার পানির সংকটও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

এছাড়াও বৃষ্টি হলেই কক্ষের দরজা ও স্থায়ী গ্লাসের ফাঁক দিয়ে পানি ঢুকে পড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। করিডোর ও সিঁড়িতে পানি জমে পিচ্ছিল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও করছেন নারী শিক্ষার্থীরা।

নতুন ভবন হওয়া সত্ত্বেও অভিযোগ রয়েছে লিফট প্রায়ই বিকল হয়ে যাওয়ার। কিছু ফ্লোরে লিফট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নিচতলা ছাড়া অন্য ফ্লোরে ডিসপ্লে ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে বলে দাবি তাদের।

ডাইনিং ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ। শিক্ষার্থীদের ডাইনিংয়ে বসেই খাবার খেতে বাধ্য করা হচ্ছে এবং কক্ষে খাবার নেওয়ার অনুমতি নেই বলে জানান তারা। একইসঙ্গে রাইস কুকার, ইন্ডাকশনসহ ব্যক্তিগত রান্নার সরঞ্জাম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকায় রাতের বেলায় বিকল্প খাবারের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন অনেকেই। খাবারের মান নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ।

নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন নারী শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, হলের ভেতরে এখনো নির্মাণকাজ চলমান থাকায় নিয়মিত শ্রমিকদের আনাগোনা রয়েছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের পর গেট বন্ধ রাখা, দুই হলের মাঝের খোলা স্থানে চলাচলে বিধিনিষেধ এবং কিছু ফ্লোরে লিফট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অনন্যা বিশ্বাস বলেন, “প্রতিদিন নতুন নতুন সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ঘুম থেকে উঠে দেখি পানি নেই। পড়াশোনা ও থিসিসের চাপের পাশাপাশি এখন পানি নিয়েও চিন্তা করতে হচ্ছে। সবচেয়ে মৌলিক প্রয়োজনটাই যদি নিশ্চিত না হয়, তাহলে এটি প্রশাসনিক ব্যর্থতা।”

স্থাপত্য বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিটি বিশ্বাস বলেন, “শুধু ছাত্রী হল–১ নয়, ছাত্রী হল–২ তেও একই ধরনের সমস্যা রয়েছে। ডাইনিংয়ে বসে খাওয়ার বাধ্যবাধকতা, কুকার ব্যবহার নিষেধাজ্ঞা, লিফট বন্ধ এবং বৃষ্টির সময় কক্ষে পানি ঢোকার মতো সমস্যাগুলো শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে ফেলছে।”

এ বিষয়ে ফিমেল হল–১ এর প্রভোস্ট ডা. শায়লা আহমেদ বলেন, "নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও নির্মাণ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতার কারণেই কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পানি সংকট সমাধানে বিকল্প সাবমার্সিবল পাইপলাইন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। নতুন লিফট হওয়ায় সেটির এডজাস্টমেন্টের জন্য লিফট কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর কিছু সময় বন্ধ রাখা হচ্ছে। বৃষ্টির সময় স্বাভাবিকভাবে কিছু পানি রুমে ঢুকলেও কিছু নির্মাণ ত্রুটি রয়েছে, যা সমাধানে দরজার সামনে বিট বসানোর ব্যবস্থা করা হবে।"

ডাইনিং ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তিনি বলেন,পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতেই শিক্ষার্থীদের ডাইনিংয়ে বসে খাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হলে নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ লোড থাকার কারণে রাইস কুকার, ইন্ডাকশনসহ অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চালিত রান্নার সরঞ্জাম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের সহযোগিতায় সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য শিক্ষার্থীদের সরাসরি হল প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার আহবান জানান। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সমস্যা গুলোর কারণ অনুসন্ধান ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, দ্রুত পানি সংকট সমাধান, অবকাঠামোগত ত্রুটি মেরামত, ডাইনিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থী-বান্ধব আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

09/05/2026

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে টানা তিন জয়; গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে রুয়েট

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা–২০২৬ এ দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা বজায় রেখে গ্রুপ রাউন্ডে অপরাজিত থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ব্যাডমিন্টন দল।
শনিবার (৯ মে) অনুষ্ঠিত ব্যাডমিন্টন (ছাত্র) বিভাগের গ্রুপ রাউন্ডের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখোমুখি হয় রুয়েট। দুই রাউন্ডের মধ্যে উভয় রাউন্ডেই ২-০ সেটের জয় তুলে নিয়ে ম্যাচ জয় নিশ্চিত করে দলটি।
প্রথম রাউন্ডের একক প্রতিযোগিতায় রুয়েটের হয়ে অংশ নেন গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম আল রাকিব। তিনি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিযোগীকে ২-০ সেটে পরাজিত করেন। প্রথম রাউন্ডের প্রথম সেটে ২১-৪ পয়েন্টে জয় পাওয়ার পর দ্বিতীয় সেটে ২১-১৯ পয়েন্টে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে রাউন্ড নিশ্চিত করেন তিনি।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় রাউন্ডের দ্বৈত প্রতিযোগিতায় রুয়েটের হয়ে কোর্টে নামেন ফাহিম আল রাকিব ও কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আহনাফ রশিদ রৌদ্র। দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম সেটে ২১-৮ পয়েন্টে জয় পাওয়ার পর দ্বিতীয় সেটেও প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগ না দিয়ে ২১-১৪ পয়েন্টে জয় তুলে নেয় রুয়েট জুটি। ফলে ২-০ সেটের ব্যবধানে দ্বিতীয় রাউন্ডেও জয় নিশ্চিত করে রুয়েট।
এরপর গ্রুপ রাউন্ডের তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে উপস্থিত না হওয়ায় ওয়াকওভার পায় রুয়েট। এর মাধ্যমে গ্রুপ রাউন্ডে টানা তিন জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে রুয়েটের ব্যাডমিন্টন দল।
প্রতিযোগিতায় রুয়েটের ব্যাডমিন্টন (ছাত্র) দলের হয়ে অংশগ্রহণ করেন গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম আল রাকিব, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আবু আল আসিফ রেজা, যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুস শাহাদাত এবং কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আহনাফ রশিদ রৌদ্র।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগ আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন। আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, নেতৃত্বগুণ ও ক্রীড়াচর্চার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

09/05/2026

রুয়েটে ‘মিট দ্য ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টস’ ক্যারিয়ার প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠন ও প্রযুক্তি বিশ্বের সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দিকনির্দেশনা দিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মিট দ্য ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টস — সিজন ১’।

শুক্রবার (৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই সেমিনার রুমে রুয়েট কম্পিউটিং সোসাইটির (আরসিএস) উদ্যোগে এবং ‘প্রোগ্রামিং হিরো’-এর সহযোগিতায় এই ক্যারিয়ার ও ইন্ডাস্ট্রি ইনসাইট সেশনটি সম্পন্ন হয়।

রুয়েট কম্পিউটিং সোসাইটি নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন, নেটওয়ার্কিং এবং প্রযুক্তি খাতের আধুনিক ধারণা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় আয়োজিত এই বিশেষ সেশনে দেশের প্রযুক্তি শিল্পের অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), ইঞ্জিনিয়ারিং লিডারশিপ, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম এবং ক্যারিয়ার প্রস্তুতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রামিং হিরো ও ফিট্রনের সিওও (COO) আব্দুর রাকিব, ক্লাসিও-এর সিইও (CEO) মোহাম্মদ এমরান হাসান, স্টেলথ এআই-এর রিজিওনাল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার ও মনস্টারল্যাবের সাবেক সিটিও (CTO) এস এম আসাদ রহমান (সিএসই ২০০১-২০০২), এবং ভারবেক্স এআই-এর সিনিয়র প্রোডাক্ট ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম নোমান।

আলোচনায় বক্তারা বর্তমান এআই যুগে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আমূল পরিবর্তন, পরিবর্তিত বাজারে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা বা স্কিলসেট, সাশ (SaaS) প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং ইন্টার্নশিপের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন। এছাড়া ভবিষ্যৎ টেক ইন্ডাস্ট্রিতে শিক্ষার্থীদের জন্য কী ধরনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং স্টার্টআপ যাত্রায় কী কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেসব বিষয়েও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তারা।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, ইন্ডাস্ট্রির বাস্তব অভিজ্ঞতা ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন সরাসরি বিশেষজ্ঞদের মুখ থেকে শুনতে পারা তাদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা। আয়োজক সংগঠন রুয়েট কম্পিউটিং সোসাইটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রির সাথে যুক্ত করতে এবং নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ তৈরি দিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

আয়োজনের শেষাংশে আমন্ত্রিত অতিথি ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি প্রাণবন্ত ‘ইন্টারঅ্যাক্টিভ ও নেটওয়ার্কিং সেশন’ অনুষ্ঠিত হয়। এই সেশনে শিক্ষার্থীরা সরাসরি বিশেষজ্ঞদের সাথে প্রযুক্তি জগতের বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ পান। পরিশেষে, আধুনিক প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে রুয়েট কম্পিউটিং সোসাইটির (RCS) এই সময়োপযোগী প্রচেষ্টার প্রশংসা করে এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

09/05/2026

ভূমিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে রুয়েটে আইইবির সেমিনার অনুষ্ঠিত; সংবর্ধনা পেলেন ১৫ প্রকৌশলী

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) ‘স্মার্ট ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম’ বিষয়ক সেমিনার ও প্রবীণ প্রকৌশলীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৯মে) বিকেল ৪টায় রুয়েট গেস্টহাউসের কনফারেন্স রুমে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) রাজশাহী কেন্দ্রের উদ্যোগে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা প্রকৌশলী শাহ্ খালেদ হাসান চৌধুরী পাহীন এবং রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইবি রাজশাহী কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সরদার আনিছুর রহমান রানা।

সেমিনারে “Smart Distribution System in Northern Electricity Supply PLC (NESCO)” শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নেসকোর নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. মখলেসুর রহমান। তিনি স্মার্ট ডিস্ট্রিবিউশন প্রযুক্তির আধুনিক দিক, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রবীণ প্রকৌশলীদের সংবর্ধনা প্রদান। এ সময় রুয়েটের ছয়জন শিক্ষকসহ মোট ১৫ জন বিশিষ্ট প্রকৌশলীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সংবর্ধনাপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরা হলেন— প্রকৌশলী মো. ইকবাল মতিন, প্রকৌশলী ড. কাজী খায়রুল ইসলাম, প্রকৌশলী মুহাম্মদ সেলিম আকতার, প্রকৌশলী আবু সাঈদ হাসান চৌধুরী নাদিম, প্রকৌশলী ড. সিরাজুল করিম চৌধুরী, প্রকৌশলী ড. মোহা. শফিকুল আলম তোতা, প্রকৌশলী আর কে মকবুল আলম, প্রকৌশলী মো. সহিদুল হক, প্রকৌশলী রতন আলী সরকার, প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান, প্রকৌশলী আবু তাহের ভূঁইয়া, প্রকৌশলী এস এম আবুল কালাম আজাদ, প্রকৌশলী মো. আব্দুস ছাত্তার, প্রকৌশলী এস এম আব্দুল মান্নান এবং প্রকৌশলী ড. ইকবাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, প্রবীণ প্রকৌশলীদের অবদানকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি এ ধরনের সেমিনার তরুণ প্রকৌশলীদের আধুনিক প্রযুক্তি ও স্মার্ট বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

09/05/2026

দেবদারু ঘেরা রুয়েট ক্যাম্পাসে ২৫ সিরিজের প্রাণচঞ্চল পদচারণায় জেগে উঠেছে নতুন স্বপ্নের আবহ; অনন্ত সম্ভাবনার নতুন অধ্যায়ের প্রাতঃকালে....

Photos from RUET Reporters Unity's post 09/05/2026

স্বপ্নযাত্রার সূচনা: রুয়েটে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ ও দিকনির্দেশনা প্রদান উপলক্ষ্যে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

শনিবার (৯ মে) সকাল থেকে পর্যায়ক্রমে তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিভিন্ন অনুষদের অন্তর্ভুক্ত বিভাগসমূহের নবাগত শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে পুরকৌশল অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহ, সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহ এবং সকাল ১১টা ১০ মিনিটে যন্ত্রকৌশল অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পৃথকভাবে পরিজ্ঞান সভার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বশির আহমেদ, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম এবং পুরকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকবৃন্দ, দপ্তর পরিচালক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “রুয়েট একটি ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়, যার শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আজ তোমরা জীবনের নতুন এক অধ্যায়ে পদার্পণ করলে। আমি আশা করি, পড়াশোনার পাশাপাশি তোমরা মানবিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্বগুণে নিজেদের সমৃদ্ধ করবে। আগামীর বাংলাদেশ গঠনে তোমাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, “আজ থেকে তোমরা রুয়েট পরিবারের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন একজন শিক্ষার্থীর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, আর এই পথচলাকে সুন্দর, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব করে তোলাই ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের অন্যতম দায়িত্ব। ক্যাম্পাসে র‌্যাগিং ও বুলিংবিরোধী নীতিমালা বাস্তবায়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমাসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, তোমরা একদিন দক্ষ প্রকৌশলী হিসেবে দেশ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, দপ্তর পরিচালক এবং বিভাগীয় প্রধানগণ নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদানকালে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শৃঙ্খলা, একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণা, নৈতিকতা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি র‍্যাগিং, বুলিং ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর আচরণের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের বিষয়েও শিক্ষার্থীদের অবহিত করা হয়।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা, আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণে প্রশাসনের চলমান উদ্যোগ সম্পর্কেও শিক্ষার্থীদের অবহিত করা হয়।

এসময় তড়িৎ ও টেলিযোগাযোগ কৌশল (ইটিই) বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থী আলমাস হোসেন আদিব অনুভূতি ব্যক্ত করেন,“আমার বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে। ভর্তি পরীক্ষার পুরো প্রস্তুতিটাই আমি গ্রামের বাসা থেকে নিজ উদ্যোগে সম্পন্ন করেছি। নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে এগিয়ে গেছি। রুয়েটে ভর্তি হতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত ও গর্বিত। আমি আশা করি, এখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে একটি আন্তরিক ও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে। আমরা সবাই একসঙ্গে শেখার ও এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে রুয়েটকে আরও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করব।”

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী ১০ মে থেকেই প্রথম বর্ষের ক্লাস কার্যক্রম শুরু হবে। নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য এ আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের সাথে অভিযোজিত হতে,দৃপ্ত পদযাত্রায় মনোবল বৃদ্ধিতে এবং মেধা ও মননের পরিপূর্ণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অংশীজনদের প্রত্যাশা।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Rajshahi?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Rajshahi University Of Engineering & Technology
Rajshahi
6000