Life style
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Life style, Media/News Company, rashiknagor, Rajshahi.
Trending Touch is a world wide information base news channel and provide various kinds of trend in the world.Stay with my channel and fell the recent global strom in political condition over the world.
করোনাভাইরাস বলতে ভাইরাসের একটি শ্রেণিকে বোঝায় যেগুলি স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং পাখিদেরকে আক্রান্ত করে। মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস শ্বাসনালীর সংক্রমণ ঘটায়। এই সংক্রমণের লক্ষণ মৃদু হতে পারে, অনেকসময় যা সাধারণ সর্দিকাশির ন্যায় মনে হয় (এছাড়া অন্য কিছুও হতে পারে, যেমন রাইনোভাইরাস), কিছু ক্ষেত্রে তা অন্যান্য মারাত্মক ভাইরাসের জন্য হয়ে থাকে, যেমন সার্স, মার্স এবং কোভিড-১৯। অন্যান্য প্রজাতিতে এই লক্ষণের তারতম্য দেখা যায়। যেমন মুরগির মধ্যে এটা উর্ধ্ব শ্বাসনালী সংক্রমণ ঘটায়, আবার গরু ও শূকরে এটি ডায়রিয়া সৃষ্টি করে। মানবদেহে সৃষ্ট করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়ানোর মত কোনো টিকা বা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ আজও আবিষ্কৃত হয়নি। তবে বৃটেন একটি ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছে।
Documentary dairy
PIDA UTSHAB
আমেরিকান পুলিশি নির্যাতনে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর প্রতিবাদে আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যাপক বিক্ষোভ হচ্ছে। আর এরিই অংশ হিসেবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিস ট্রুডোও আমেরিকায় পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন এবং প্রতিবাদ করছেন।আমরা এর সাথে একমত।
আমেরিকান পুলিশি নির্যাতনে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর প্রতিবাদে আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যাপক বিক্ষোভ হচ্ছে। আর এরিই অংশ হিসেবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিস ট্রুডোও আমেরিকায় পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন
American unrest position indicates low mantality for slavery.
13/06/2020
জর্জ ফ্লয়েড হত্যা: আমেরিকার দাস প্রথার ঘৃণ্য ইতিহাসের পরিণতি
Trends news:13-06-2020
পুলিশের হাঁটুর নীচে এক কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ক্রোধ আর আবেগে টগবগ করে ফুটছে পুরো আমেরিকা।
কিন্তু শুধু জর্জ ফ্লয়েড নামে একজন মানুষের করুণ মৃত্যুই নয়, এই ক্রোধের মূলে রয়েছে আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর যুগ যুগ ধরে চলা পুলিশী নির্যাতন।
ঐতিহাসিক এবং সমাজতাত্ত্বিকরা বলছেন, কৃষ্ণাঙ্গদের লক্ষ্য করে পুলিশের অব্যাহত এই বাড়াবাড়ির মূলে রয়েছে আমেরিকার ঘৃণ্য ইতিহাস -দাসপ্রথা।
বিবিসির ক্লাইভ মাইরি, যিনি সাংবাদিকতার সূত্রে ২৫ বছর যুক্তরাষ্ট্রে কাটিয়েছেন, বলছেন, “আমেরিকা চমৎকার দেশ, অনেক দয়ালু মানুষ সেখানে, কিন্তু এখনও কিছু মানুষ রয়ে গেছেন যারা সেই দাসপ্রথার যুগের অপরাধী সব প্রথার বৃত্ত থেকে বেরুতে পারেননি।“
আমেরিকান সমাজের ঘৃণ্য সেই ইতিহাসের গহ্বর থেকে এখনো পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারেনি তেমন একটি প্রতিষ্ঠানের নাম করতে যদি বলা হয়, পুলিশের কথাই প্রথম আসবে।
এই একবিংশ শতাব্দীতেও আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের অসময়ে মৃত্যুর অন্যতম কারণ পুলিশের নির্যাতন, গুলি। প্রাণঘাতী রোগসহ যতগুলো কারণে কৃষ্ণাঙ্গদের মৃত্যু হয় সেই তালিকার ছয় নম্বরে পুলিশ।
“কৃষ্ণাঙ্গরা পুলিশকে রক্ষক হিসাবে দেখেনা, তারা পুলিশকে অত্যাচারী, উস্কানিদাতা হিসাবে দেখে। পুলিশকে তারা শুধু ভয় পায়, “ বিবিসিকে বলেন যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষক অধ্যাপক কিশা ব্লেইন।
আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের সাথে পুলিশের এই যে সম্পর্ক তা সেই দাসপ্রথার সময়ের সম্পর্কের মতই। সম্পর্কের মূল চরিত্র বদলেছে খুব সামান্যই।
“আমেরিকার দাসপ্রথার ইতিহাসের দিকে নজর দিলে বোঝা যায় কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই বৈরি মনোভাব এবং নির্যাতনের শুরুটা ঠিক কোথায়,“ বলছেন অধ্যাপক কিশা ব্লেইন।
রানওয়ে স্লেভ প্যাট্রল
আমেরিকায় দাসপ্রথার সময়ে দাসদের সংখ্যা যখন বাড়তে শুরু করে তখন বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে দক্ষিণে, দাসরা যাতে পালাতে না পারে অথবা শ্বেতাঙ্গ প্রভুদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ না করতে পারে তার জন্য রানওয়ে স্লেভ প্যাট্রল নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৈরি হওয়া শুরু হয়।
শ্বেতাঙ্গ স্বেচ্ছাসেবীদের দিয়ে তৈরি এই ‘রানওয়ে স্লেভ প্যাট্রল‘ই ছিল তখনকার পুলিশ বাহিনী।
‘রানওয়ে স্লেভ প্যাট্রলে‘র জামানা সম্পর্কে ইউএসএ টুডে পত্রিকায় কলামিস্ট ওয়েনি ফিলিমন লিখেছেন, “(কৃষ্ণাঙ্গ দাসদের) লুকানোর কোনো জায়গা ছিলনা। সত্যিকারের কোনো নিরাপদ জায়গাই ছিলনা। তাদের জীবন কাটতো পুলিশের ভয়ে, তাদের প্রতিটি আচরণের ওপর পুলিশের কড়া নজর ছিল। রাস্তায়, বাড়িতে তাদের ওপর চড়াও হতো পুলিশ। এবং কোনো ধরণের সন্দেহ উদ্রেক হলে বা প্রতিবাদ করলেই মেরে ফেলা হতো।“
মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির অপরাধ বিজ্ঞানের অধ্যাপক জেনিফার কবিনাও মনে করেন এখন যা ঘটছে তার শুরু চারশো বছর আগে।
“অনেক মানুষ শুধু বর্তমানের ঘটনাপ্রবাহ দেখেন, বিবেচনা বিশ্লেষণ করেন, কিন্তু এখন যা ঘটছে তার মূলে রয়েছে ৪০০ বছরের পুরনো অবিচারের ইতিহাস।“
১৮৬৫ সালে দাসপ্রথা বিলোপের পর, রানওয়ে স্লেভ প্যাট্রল বিলুপ্ত হয়, কিন্তু আফ্রিকান আমেরিকানদের ওপর নজরদারির সেই প্রথা থেমে যায়নি, বিশেষ করে দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে।
দাসপ্রথা বিলোপ হলেও সেসব রাজ্যে ‘ব্লাক কোড‘ নামে নানা আইন তৈরি হয় যার আওতায় কৃষ্ণাঙ্গদের জমির মালিকানা এবং চাকুরীর ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। তারপর ১৯ শতকের শেষ দিকে আসে ‘জিম ক্রো‘ আইন যার ফলে শ্বেতাঙ্গদের এলাকায় কৃষ্ণাঙ্গদের বসবাস নিষিদ্ধ করা হয়।
ক্লু ক্লাক্স ক্লান (কেকেকে) নামে শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদি দল তৈরি করে কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর হামলা, হত্যা শুরু হয়। সে সময় অনেক জায়গাতেই স্থানীয় পুলিশের অনেক সদস্য এবং সরকারি কর্মচারীদের অনেকে কেকেকের সদস্য ছিল।
অধ্যাপক কিশা ব্লেইন বলছেন ১৯৬০ এর দশকের নাগরিক অধিকার আন্দোলন দমনেও বিশেষ করে দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে পুলিশের ভূমিকা ছিল ভয়াবহ।
“নাগরিক অধিকার আন্দোলনে কালোরা ভোটের অধিকার পেয়েছিল ঠিকই, শ্বেতাঙ্গ এলাকায় সম্পত্তি কেনার অধিকার পেয়েছিল, কিন্তু তাদের ওপর পুলিশী নির্যাতনের মৌলিক কোনো সুরাহা হয়নি।“
“আমরা এখনও একটি স্ট্রাগলের মধ্যেই রয়েছি।“
একটি অস্বচ্ছ স্বেচ্ছাচারী প্রতিষ্ঠান
যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে প্রতিষ্ঠান হিসাবে পুলিশের বিরুদ্ধে অন্যতম বড় অভিযোগ তারা অস্বচ্ছ এবং তাদের দায়বদ্ধতা খুবই কম।
মানবাধিকার সংস্থা ব্রেনান সেন্টার পর জাস্টিস-এর অ্যান্ড্রু কোয়েন বিবিসিকে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশী ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা খুবই কম। তাদের ইউনিয়নগুলো খুবই শক্তিধর, তারা তাদের সদস্যদের রক্ষায় সবকিছু করে।“
ফলে কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলেও তাদের চাকরীচ্যুত করা কঠিন। কারো চাকরি গেলেও পাশের কোনো এলাকার পুলিশে তার চাকরি হয়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রে ১৮০০ পুলিশ ফোর্স রয়েছে যারা অনেকটাই স্বাধীনভাবে কাজ করে। যে কারণে তাদের ওপর যথেষ্ট নজরদারি নেই।
একেক রাজ্যে একেক পুলিশ ফোর্সের একেকরকম প্রশিক্ষণ হয়। যেমন, ক্যালিফোর্নিয়াতে যেখানে প্রশিক্ষণের মেয়াদ ২৪ থেকে ৪৮ সপ্তাহ, নর্থ ক্যারোলাইনাতে মাত্র ১৪ সপ্তাহ।
জবাবদিহিতার অভাব, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাব, দুর্বল নজরদারি - এগুলোর বিষাক্ত সংমিশ্রণের সাথে যোগ হয় বর্ণবাদ।
ফলে, আধুনিক আমেরিকাতেও কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর ওপর পুলিশের যাঁতাকল থামার কোনো লক্ষণ নেই।
এমনকি রিচার্ড নিকসনের সময় মাদক বিরোধী আইন এবং পরে বিল ক্লিনটনের সময় নতুন একটি অপরাধ বিরোধী আইনের ফলে পুলিশের তোপে পড়েছে প্রধানত কালোরা।
তার অন্যতম প্রমাণ - কারাগারে কয়েদির সংখ্যা।১৯৮০ এবং ২০১৫ কারাগারে কয়েদির সংখ্যা চারগুণ বেড়ে ২২ লাখ হয়েছে এবং তার ৩৪ শতাংশই কৃষ্ণাঙ্গ যদিও মাত্র ১৩ শতাংশ মানুষ নিজেদের কৃষ্ণাঙ্গ বলে পরিচয় দেয়।
জর্জ ফ্লয়েডের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। কিন্তু একটি বিচারে সবকিছু বদলে যাবে, সে সম্ভবানা কেউ আশা করছেন না।
28/02/2020
I am grateful for every precious moment life offers me. It allows me to see the miracle in each experience. Romantic or sad songs create a feeling of life. If you listen to a romantic heart touching song mind can touch the nearest love. Family is our middle station and family members are the oxygen of our life.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Rajshahi
6300
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |