GALIB

GALIB

Share

এটা আমার নতুন পেজ সবাই ফলো দিয়ে পাশে থাকুন °°আসাদুল্লাহ আল গালিব এর বাবা°°

20/05/2026

চাচা কিভাবে তালকুর কত স্পিডে কাটছে অসাধারণ খুবই সুন্দর # #

13/05/2026

নতুন আম উঠে গেল পাকা আম 2026 সাল #

01/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ

01/05/2026

এই মানুষটা ফ্যামিলির জন্য এত পরিশ্রম করেও নিজেকে সাজানো গোছানো কিছুই করতে পারে না এটাই বাস্তব # # #

01/05/2026
18/04/2026

ট্রেনের চাকায় লিক সারতে আসলাম আপনারা দেখুন ট্রেনের ছাড়া কিভাবে লিখে রে

06/04/2026

হনুমানের অবস্থা

06/04/2026

বাইক না কিনে একটা ঘোড়া কিনুন তেলের যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ অবস্থা আপনারাই দেখুন #

29/03/2026

ভাইগ্না হুন্ডা বিক্রি করে দিয়ে সাইকেল কিনলো তেলের যেই অবস্থা এজন্য ৪০ হাজার টাকা দিয়ে সাইকেল কিনলো আমি তো অবাক #

25/03/2026

ঈশ্বরদী আলবাগ গাড়ি সিরিয়াল দেখে তেল নেওয়ার মনে রেখে গেল চিনতে করলাম সাইকেলে ভালো এগারোটার দিকে #

06/10/2025

একবার হলেও পড়ুন পোস্টটি 📌📌📌
কানের দুল মিসিং ছিলো তাইয়্যেবার গলিত লাশে। আজকে শিশু নুসাইবার লাশেও কানের দুল মিসিং।

তাইয়্যেবার সেই দুল হত্যায় জড়িত মহিলা বাজারে ১৮,৩০০ টাকায় স্বর্ণের দোকানে বিক্রি করে। ভাবা যায়? হত্যার পর কানের দুলের লোভও সামলাতে পারেনি পাষণ্ডরা।

গত পনেরো দিনে তিনটি চাঞ্চল্যকর শিশু হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটিই বাবা-মায়ের সাথে পূর্ব শত্রুতার কারণে ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়েছে।

(১)
তাইয়্যেবার লাশ দেখেছেন কীনা জানি না। আমি দেখেছি। সহ্য করার মতো নয়। বাচ্চাটাকে অনেক কষ্ট দিয়ে মারার পরও লাশটাকেও অনেক কষ্ট দেওয়া হয়েছে।

সেফটি ট্যাংক থেকে যখন লাশটা বের করলো, তখন পুরো শরীর ফুলে বাঁকা হয়ে ছিলো। চোখ , জিহ্বা বেরিয়ে আছে। শরীরের চামড়া খসে ছিলো। কারণ তাকে গলা টিপে হত্যার পর ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিলো ড্রামে, ফুটন্ত গরম পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিলো যাতে লাশ দ্রুত পচে।

আজকে ওর পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট এসেছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে তাকে ধর্ষণ করা না হলেও যৌনাঙ্গে দুটো আঘাতের চিহ্ন ছিলো! এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত তো ছিলোই।

ভাবতে পারেন? এই কাজগুলো তাঁর আপন স্কুল শিক্ষিকা চাচী ও তাঁর মহিলা-পুরুষ সহযোগীরা মিলে ঘটিয়েছে।

For What? জাস্ট বাচ্চার বাবার উপর ক্ষোভ ছিলো। তাই?

এখন আসামীরা গ্রেফতারের পর বাচ্চার মাকে হুমকি দেয়, মেয়ের লাশ পেয়েছিস। ছেলের স্বামীর পাবি না।

তাইয়্যেবার বাবার আইডির নামটা Tayeba Tayeba. মেয়েকে প্রচুর ভালোবাসতেন। যেই আইডিতে সপ্তাহখানে আগে মেয়ের সাথে আনন্দের মূহুর্ত, খুনসুটির ছবি আপলোড দিতেন। সেই আইডিতে এখন সন্তান হত্যার বিচার চেয়ে পোস্ট করতে হয়।

আজ পর্যন্ত এই দেশে কোন নারীর ফাঁসি হয়নি। তাই তাইয়্যেবা হত্যায় জড়িতদের ফাঁসি হবে না। ওর বাবা মা যেই যন্ত্রনা ভোগ করছে। সেই যন্ত্রনার এক ভাগও ঐ খুনিদের হবে না বলেই বিশ্বাস।

(২)

সন্দ্বীপে ইতালি প্রবাসী এক ব্যক্তি শিশু মোহাম্মদ আলী খুন করে গত ১৭ সেপ্টেম্বর। ফুটফুটে এই শিশুর অপরাধ?

ওর কোন অপরাধই নেই। ওর বাবার অটো চালক সাথে কথাকাটাকাটি।

সেই ক্ষোভ মনের ভেতর চেপে রেখেছিলো খুনি। মাদ্রাসা থেকে শিশুটি ফিরছিলো। আদর করার নামে কোলে তুলে একবার নয়। দুবার আছাড় দিয়ে মেরে ফেলে জাহাঙ্গীর।

এই লোকটাকে যদি পুলিশ গ্রেফতার না করতো। তাহলে সে একবার ইতালি পালিয়ে গেলে ওর শাস্তি কোনদিনও বাংলাদেশ করতে পারতো না। এই লোকেরও যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে তাঁর গ্যারান্টি নেই। অর্থ বিত্ত, বাংলাদেশের আইন তো এমনটাই বলে।

(৩) আজকের ঘটনা। টেকনাফে শিশু নুসাইবার (৪) লাশ নিখোঁজের একদিন পর আজকে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুর বাবার সাথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে বলা হচ্ছে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় - শিশু নুসাইবাকে জোর করে রিক্সায় করে তুলে নিয়ে যাচ্ছিলো। এর একদিন পর তাঁর লাশ বাড়ির কাছেই পুকুরে পাওয়া যায়।

এবং লাশ থেকে কানের দুল মিসিং ছিলো। এখন পর্যন্ত ৫ জনের মতো গ্রেফতার হয়েছে।
-
ভাই বোনেরা: আপনারাই ভালো জানেন, বলতে পারেন আপনাদের কোন আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবরা আপনার উপর ক্ষোভ রেখেছে। কাকে কথাচ্ছলে কষ্ট দিয়েছেন, অসম্মান করেছেন। হতে পারে আপনি নির্দোষ কিংবা অপরাধী, আপনি কে ভালো মন্দ অনুভব করতে পারবেন!

আবার অনেকেই হয়তো অনুভব করতে পারেন না। কারণ এমন কিছু ঘটাতে পারে বলে কখনো কল্পনাও করেননি।

কিন্তু আপনাদের এই নিষ্পাপ শিশুরা জানেনা সেসব ঝগড়া ফ্যাসাদের কথা। কার সাথে কী দ্বন্দ্ব রয়েছে সে কথা তা জানেনা।

তাদের নিষ্পাপ মন জানে, বাবা মা থাকতে আমাদেরকে কে ব্যথা দিবে? আমরা তো নিরাপদই আছি।

একজন বাবা হিসেবে পারি। শিশুরা কতটা নাজুক। এই যে, ৪-৫ বছরের শিশুরা বাবা মায়ের আদর যত্নের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। অনেকেই নিজে নিজে গোসল করতে পারে না। খেতে পারে না। বাথরুম করার জন্যও বাবা মায়ের সাহায্য প্রয়োজন হয়। রাতে বিছানা ভিজিয়ে ফেলে।

পিশাচদের কাছে এরকম শিশুরা অত্যন্ত সহজ টার্গেট। বাবা মায়ের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য। এরা মানুষ নয়। মন্সটার। এরা পিশাচ। যেই হাত শিশুদেরকে মেরে ফেলতে কাঁপে না। সেই ব্যক্তির জীবিত থাকার অধিকার নেই।

এই রাষ্ট্র আপনার পরিবারের নিরাপত্তা দিবে না। আপনাকে সঠিক বিচারও দিবে না। দেখা যাবে অপরাধীর কয়েক বছরের জেল হবে। আপনার সাথে রাষ্ট্র জেল দিয়ে ইয়ার্কি করবে।

আপনি ঘরে কাঁদবেন। আদালতে কাঁদবেন। কবরস্থানে কাঁদবেন। মনের মতো বিচার পাবেন না। সবশেষ আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে মারা যাবেন।

তাই ভাইয়েরা: আপনার বন্ধু শত্রুকে চিনুন। চিনতে না পারলে সবাইকে সন্দেহের তালিকায় রাখুন। পরিবারকে সাবধানে রাখুন। আপনার অমূল্য সন্তানকে সব সময় চোখে চোখে রাখুন।

তারপরেও আশা করি, এই শিশুগুলো ন্যায় বিচার পাক। এই দেশের বিচার ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসুক। ইহকালে পার পেয়ে গেলেও, পরকালে রাষ্ট্রের বিচারকেরা পার পাবে? এত সহজ? এই শিশুগুলো সেদিন সাক্ষী দিবে, তারা ন্যায় বিচার পায়নি। আর তুই বিচারক থাকবি আসামীর কাঠগরায়।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের পরিবার, আমাদের নিষ্পাপ সন্তানদেরকে হেফাজত করুন।

✍অন্তর মাশঊদ

Want your business to be the top-listed Photography Service in Pabna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Ishwardi
Pabna
6620