Mahbub Vibes
seller
09/05/2026
১. দেশে মাত্র ৪-৮% শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় পড়ে, বাকি ৯০% জেনারেল লাইনের। এই বিশাল ৯০% শিক্ষার্থী কি দেশটাকে প্রযুক্তিতে সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলেছে? তারা কি রকেট বা মিসাইল বানাতে পেরেছে?
২. বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। সচিবালয় থেকে শুরু করে বড় বড় অফিস কোথাও কি মাদ্রাসার ছাত্রদের দেখা যায়? দুর্নীতির এই বিশাল ফাইলগুলোতে স্বাক্ষর কি কোনো হুজুর করেন, নাকি টাই-পরা শিক্ষিত সাহেবরা?
৩. মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশের টাকায় পড়ে বিদেশে চলে যাচ্ছে অথচ মাদ্রাসার ছাত্ররা শত কষ্টে এ দেশেই পড়ে থাকছে। দেশপ্রেম আসলে কার বেশি?
৪. নীতি-নির্ধারণী কোনো জায়গায় যাদের অবস্থান নেই, চাকুরির বাজারে যাদের সুযোগ নেই দেশ নষ্ট করার দায় তাদের ওপর চাপানো কি স্রেফ নিজের ব্যর্থতা ঢাকার অজুহাত নয়?
৫.সরকার সাধারণ শিক্ষার পেছনে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। সেই তুলনায় কওমি মাদ্রাসায় সরকারি অনুদান প্রায় শূন্য। কোনো সুযোগ-সুবিধা না পেয়েও যারা নিজেরা নিজেদের চালাচ্ছে, তাদের দোষ দেওয়াটা কি সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার চেষ্টা নয়?
৬. মি*সা*ইল বা ড্রোন বানাতে ল্যাব আর গবেষণার বাজেট লাগে, যা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। হুজুররা বিয়ে করল কি করল না, তার সাথে বিজ্ঞানের অগ্রগতির সম্পর্ক কোথায়?
দোষ দেওয়া সহজ, কিন্তু সিস্টেমের গোড়ায় যে পচন ধরেছে সেটা স্বীকার করার সাহস আমাদের নেই।
#এডমিন_পোস্ট
08/02/2026
ওয়াকারের বিরুদ্ধে দেয়া একটা বক্তব্য প্রকাশ করায় বাংলাদেশ টাইমস পত্রিকার অফিস থেকে স্টাফ, দারোয়ান সহ ২১ জন সাংবাদিককে তুলে নিয়ে গিয়েছিল সেনা সদস্যরা। কিছুক্ষণ আগে আবার ছেড়েও দিয়েছে। কিন্তু কথা হচ্ছে এভাবে বিনা নোটিশে সাংবাদিকদের তুলে নিয়ে যাওয়ার রাইট সেনা সদস্যরা কই পাইলো? ওয়াকারের সমালোচনা কি করা যাবে না? ওয়াকারকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না?
আর প্রকাশিত সংবাদ যদি ভুলও হয় তাহলেও তো এভাবে অ'স্ত্রের মুখে সাংবাদিকদের তুলে নিয়ে যেতে পারে না। তারা নিয়মতান্ত্রিক প্রতিবাদ জানাতে পারে, বিবৃতি দিতে পারে। কিন্তু অফিস থেকে সাংবাদিকদের তুলে যাওয়ার ধৃষ্টতা সেনাবাহিনী কিভাবে করলো?
নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এভাবে সংবাদমাধ্যমের গলা টিপে ধরার চেষ্টা কেন সেনাবাহিনীর? কী চায় তারা?
সেনাবাহিনীর এই ধৃষ্টতার প্রতিবাদ জানিয়ে রাখলাম।
দেশ ওয়াকারের কাছে বর্গা দেয়া হয়নি।
28/12/2025
সী'মা'ন্তে সৈ'ন্য সমাবেশ ঘটার পর..
হা"দী'র কথা মনে পড়বে।
25/12/2025
১৯৭১ সালে ভারতের লুটপাটের খতিয়ান এবং ভারতের কাছে বাংলাদেশের
পাওনার পরিমাণ
--------------------------------------------
১। যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশ’ ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্র-শস্ত্র লুটের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। (সূত্র: দৈনিক অমৃতবাজার, ১২ মে,১৯৭৪)
২। শস্য লুট:
ধান-চাল-গম (৭০-৮০ লাখ টন, গড়ে ১০০ টাকা ধরে): ২১৬০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।
৩।
পাট
(৫০ লাখ বেলের উপরে): ৪০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার।
৪। ত্রাণ-সামগ্রী পাচার:
১৫০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।
যুদ্ধাস্ত্র, ঔষধ, মাছ, গরু, বনজ সম্পদ: ১০০০ কোটি টাকা।
যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার।
সর্বমোট: ৫০০০ কোটি টাকা যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার। (সূত্র: জনতার মুখপাত্র, ১ নভেম্বর ১৯৭৫)
৩.
বাংলাদেশের শিল্প কারখানা থেকে যন্ত্রাংশ চুরি করে আগরতলায় পাঁচটি নতুন পাটকল স্থাপন!
(সূত্র: আখতারুল আলম, দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, ১১৫-১১৬ পৃষ্ঠা)
যুদ্ধের পর সীমান্তের ১০ মাইল এলাকা ট্রেডের জন্য উম্মুক্ত ঘোষনা।
এর ফলে চোরাচালানের মুক্ত এলাকা গড়ে উঠে। পাচার হয়ে যায় দেশের সম্পদ। (সূত্র: আবুল মনসুর আহমদ: আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর, ৪৯৮ পৃষ্ঠা)
৫। ভারতে বাংলাদেশী জাল টাকা ছেপে এদেশে ছেড়ে দেয়া হতো। অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ সে সময় বলতে বাধ্য হয়েছিলেন,
জালনোট আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে’। (সূত্র: আব্দুর রহিম আজাদ: ৭১ এর গণহত্যার নায়ক কে: ৫২ পৃষ্ঠা)
৬. আমাদের চোখের সামনে চাল-পাট পাচার হয়ে গেছে সীমান্তের ওপারে, আর বাংলার অসহায় মানুষ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দ্বারে দ্বারে। (মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম: দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, ১১৯-১২৬ পৃষ্ঠা)
৭। ১৯৭১ এর অবাঙ্গালীদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তির হরিলুট (সূত্র: এম এ মোহায়মেন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ, ১৪-৪৪ পৃষ্ঠা)
৮. ফারাক্কা বাধের নামে মরুভূমি করার চক্রান্ত, টাকা বিনিময়ের নামে জাল টাকা ছড়ানো,
বর্ডার বানিজ্যের নামে ভারতের বস্তাপঁচা মালের বাজার সৃষ্টি। (সূত্র: আখতারুল আলম, দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, ১১৫-১১৬ পৃষ্ঠা)
৯। জয়দেবপুর অর্ডিনেন্স ফ্যাক্টরী থেকে অস্ত্র নির্মানের কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ভারতে স্থানান্তরিত হয়। (অলি আহাদ: জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫ থেকে ‘৭৫, ৫২৮-৫৩১ পৃষ্ঠা)
১০. “ঢাকায় এতসব বিদেশী জিনিস পাওয়া যায়! এসব তো আগে দেখেনি ভারতীয়রা। রেফ্রিজারেটর, টিভি, টু-ইন-ওয়ান, কার্পেট, টিনের খাবার-এইসব ভর্তি হতে লাগলো ভারতীয় সৈন্যদের ট্রাকে।” (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, পূর্ব-পশ্চিম, ৯২৩ পৃষ্ঠা)
এই তথ্যগুলো মোটামুটিভাবে সবার জানা আছে।
ভবিষ্যতে কেউ ভারতের এই অবদান, ওই অবদান বললে এই তথ্যগুলা দেখিয়ে দেবেন রেফারেন্সসহ।
তারপরও আবার উল্লেখ করার কারণ খুব চিন্তা হয়
১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে ভারত দ্বারা লুট করে নিয়ে যাওয়া এই সম্পদ রক্ষা করতে যেয়েই,
অস্ত্র জমা না দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ বিদ্রোহ করেছিলো,
তার ফলাফল কথিত আছে, ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা নিহত বা গুম হয়েছিলো।
এখন স্বাধীনতা তথা পুরো দেশটাই সন্ত্রাসী আমেরিকা লুট করতে চাচ্ছে, তাহলে এখন কত রক্ত ঝরবে?
আর কতদিন মানুষ জেগে জেগে ঘুমাবে?
সময় থাকতে জেগে ওঠার বিকল্প নেই; বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে বাংলাদেশের মুসলমানদেরকেই।
মিটিয়ে দিতে হবে ভারতীয় ও আমেরিকান কৃষ্টি-কালচার। ঈমানী জযবায় উদ্দীপ্ত হওয়ার জন্য চাই নেক ফায়েজ-তাওয়াজ্জু
13/12/2025
13/12/2025
পাহাড়ি অঞ্চলের এসব বাড়ি আমাদের দেশে খুবই কম দেখা যায়।।
বাড়ি নির্মাণ সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে। স্বপ্ন এবার বাস্তব হবে বিনির্মাণের সাথে।🖤🖤
#বাড়ির_ডিজাইন #বিল্ডিং #বিল্ডিং_ডিজাইন
রেলে লোকসান দেখাইতো!
বিমানে অল্প লাভ দেখাইতো।
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট ১ লোকসান দেখাইতো।
বন্দরে গ্যাঞ্জাম দেখাইতো!
কিন্তু মাত্র ১৬ মাস পর এই সবকয়টা সেক্টরে লাভের মুখ দেখলো বাংলাদেশ। ইউনূস দুর্নীকে আঙ্গুল দিয়া দেখাইয়া গেছে বাংলাদেশের মানুষকে।
এবার চিন্তা করেন ,চোর ,বাটপারেরা এতো বছর কি পরিমাণ চুরি করছে। জনগণের চোখ ফাঁকি দিয়া কি পরিমাণ লুটপাট করছে।
*রেলে এবার লাভ হইছে ১১৮ কোটি টাকা, অথচ বিগত বছরগুলোতে রেলে লোকসান দেখাইতো আড়াই গুণ।
*ছয় বছর পর বাংলাদেশ স্যাটেলাইট ১
লাভ দেখছে ৩৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকার।
*বিমানে ৫৫ বছরের রেকর্ড পরিমাণ লাভ হইছে মানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অনিরীক্ষিত ৯৩৭ কোটি টাকা।
যেটা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মুনাফা ছিলো ২০২১-২২ অর্থবছরে মাত্র ৪৪৪ কোটি টাকা।
অথচ বিমানের টিকেটের দাম সরকার কমাইছে!
বন্দরে কি হইলো?
আগে একটা পণ্য বন্দরে আটকা পড়ে থাকতো দিনের পর দিন।
কিন্তু এখন ২ দিনের ভিতরে পুরোপুরি খালাস!
আগে কি লাভ হইতো না?
হয়তো কিন্তু সেই টাকা দুর্নীতিবাজরা মিলেমিশে খেয়ে দিতো। উল্টা লস দেখাইয়া জনগণের পকেট কাটতো।
১০ টাকার ট্যাক্স ১৫ টাকা করে দিতো। ভাড়া বাড়াইয়া দিতো।
বিশ্বাস করেন, এদেশের মূল সমস্যা দুর্নীতি!
আর এই অনিয়ম আর দুর্নীতির মহা নায়ক এমপি, মন্ত্রী ও সরকারি বড় বড় কর্তারা।
শুধু দুর্নীতিটা বন্ধ করেন, আমি চ্যালেঞ্জ দিয়া বলবো মাত্র ১০ বছরের ভিতরে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর ,মালয়েশিয়ার থেকে বেশি উন্নত হয়ে যাবে।
সিঙ্গাপুরে একটা সময় ভয়ংকর লেভেলের দুর্নীতি ছিলো।
প্রশাসন ছিলো দুর্নীতিগ্রস্ত।
তারপর "লি কুয়ান ইউ" প্রধানমন্ত্রী হয়ে বুঝতে পারে দেশের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় বাঁধা প্রশাসনিক দুর্নীতি আর অনিয়ম।
তারপর দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে চালু করছে 'জিরো টলারেন্স পলিসি'
অর্থাৎ সিঙ্গাপুরে দুর্নীতিবাজদের কোন স্থান নাই।
এবার সে যতো বড় মাপের মানুষই হোক না কেন।
ফলাফল আজকের সিঙ্গাপুর পৃথিবীর সচ্ছ প্রশাসনের দেশ। মাথাপিছু আয়ে পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষ দেশ।
তারা এতোটাই উন্নত দেশ, যেখানে মিলিয়নার
অভাব নাই।
সিঙ্গাপুরে না আছে তেল ,না আছে তেমন প্রাকৃতিক সম্পদ, না আছে আমাদের মতো এতো জনশক্তি।
কিন্তু কি আছে?
শুধু আছে শিক্ষা ,শৃঙ্খলা আর সৎ নেতৃত্ব।
জনপ্রতিনিধিদের আছে সততা ,দেশপ্রেম আর জবাবদিহিতা।
সরকারি কর্তারা আজীবন জনগণের সেবাই দিয়ে যাচ্ছে।
এমপি ,মন্ত্রীরা দেশ এবং জাতির জন্য সারাজীবন কাজ করে।
তারা চিন্তা করে ,দেশকে কিভাবে ৫০ বছর এগিয়ে রাখা যায়। কিভাবে পরবর্তী প্রজম্মকে সুন্দর একটা দেশ উপহার দেয়া যায়।
আর আমাদের দেশের এমপি,মন্ত্রিরা দুর্নীতি করে, কিছু কিছু সরকারি কর্তাদের দিয়া।
কর্তারা যা খায় তার বড় একটা অংশ মন্ত্রী, এমপি মাফিয়াদের পকেটে যায়।
আর এদিকে জনগণের পকেট কাটে।
সব জিনিসের দাম বাড়িয়ে দেয়। নিম্নবিত্ত মানুষের পেটে ইচ্ছেমতো লাথি মারে।
এই দেশটা কখনো জনগণের ছিলো না, গণতন্ত্র ছিলো না। এদেশের আইন জনগণের না।
মিথ্যা বলে বলে নেতারা জনগণকে বছরের পর বছর শোষণ করে যাচ্ছে।
নামে মাত্র জুডিশিয়ারি ,ক্ষমতা যেদিকে রায় যাচ্ছে সেদিকে।
মিডিয়া ক্ষমতাসীনদের দালালি করে।
একজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী থেকে শুরু করে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা পর্যন্ত দুর্নীতিগস্ত( সবাই না কিন্তু মেক্মিমাম )
সংসদে মন্ত্রী থেকে শুরু করে ওয়ার্ডের মেম্বার পর্যন্ত দুর্নীতিগস্ত। পাতি নেতাও নাকি কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়ে যায়।
সরকারি কর্তারা ২০ হাজার টাকার দামের চাকরি করে ৫/১০ তলা বাড়ি বানায়।
তো দুর্নীতি ক্যামনে বন্ধ করবেন?
দুর্নীতির প্রমাণ পেলে বদলি, আর শোকজ দিয়া?
না!
চীনের মতো মৃত্যুদণ্ড লাগবে!
দুদিন আগে চীনে এক সরকারি কর্মকর্তা ঘুষ খাইছে তারে মৃত্যুদণ্ড দিছে।
এক মন্ত্রী দুর্নীতি করছে তারে মৃত্যুদণ্ড দিছে।
কি মনে হয়! কোন ঘুষখোর ,দুর্নীতিবাজ আর কখনো ঘুষ কিংবা দুর্নীতি করবে?
কখনো না! কারণ তারা জানে দুর্নীতি করলে পৃথিবী থেকে নাই করে দিবে।
কিন্তু আমাদের দেশের দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোরেরা জানে কিছুই হবে না।
জেলে নিলে আইনজীবীরে টাকা দিলে সত্যরে মিথ্যা বানাইয়া আবার চাকরিতে ফিরবে।
এমুহূর্তে আমাদেরও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স লাগবে!
বড় বড় কয়েকটা দুর্নীতিবাজরে নাই করে দিতে হবে।
ঘুষখোরদকে ফাঁসিতে ঝুলাইতে হবে।
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিলে দুর্নীতি অটোমেটিক নাই হয়ে যাবে।
আগে সঠিক নেতৃত্ব লাগবে, যে নেতা দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাকে বাছাই করতে হবে।
দোহাই আল্লাহর ,
৭১ এর রক্ত দেয়া জাতিকে আর ঠকায়েন না।
২৪ শে রক্ত দেয়া শহীদদের আর ঠকায়েন না।
এদেশের খেটে খাওয়া ,কৃষক মুজুর, প্রবাসীদের আর ঠকায়েন না।
জনপ্রতিনিধি নামে, সরকারি কর্তা নামে দুর্নীতি আর কইরেন না।
জনগণকে মিথ্যা গল্প আর শুনায়েন না।
আমাদের কিচ্ছু দরকার নাই!
দরকার শুধু সুশাসন , নিরপেক্ষ আইনের শাসন।
দরকার শুধু দুর্নীতিমুক্ত একটা দেশ!!!
13/12/2025
বাংলাদেশে ছেঁড়া বা ক্ষতিগ্রস্ত টাকা বদলানোর সঠিক নিয়ম
১. ছেঁড়া টাকা কি ব্যাংক বদলে দেবে?
হ্যাঁ, দেবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক বাধ্য
• ছেঁড়া
• পুরনো
• ময়লা
• ক্ষতিগ্রস্ত
নোট গ্রহণ করতে এবং নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বিনিময় করতে।
লেনদেন করতে হয় সচল, ত্রুটিমুক্ত নোটে।
যে নোট অচল/ক্ষতিগ্রস্ত সেগুলো নির্দিষ্ট কাউন্টারে বদল করা হয়।
২. নতুন নোট কি যেকোনো ব্যাংক দিয়েছে?
হ্যাঁ, দেয়, তবে নিশ্চিত নয় যে সব শাখায় সবসময় থাকে।
• বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখায় নতুন নোট নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়।
• ঈদ বা উৎসবের আগে বেশি দেওয়া হয়।
৩. টাকা বদলাতে কি চার্জ লাগে?
সাধারণভাবে—না।
কাউন্টার-এক্সচেঞ্জে ব্যাংক গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো ফি কেটে নিতে পারে না।
তবে অতিরিক্ত ক্ষতিগ্রস্ত নোট, যেগুলো শাখা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে হয়
• সেখানে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ ব্যয় থাকতে পারে, কিন্তু গ্রাহকের ওপর চার্জ আরোপ বাধ্যতামূলক নয়।
• কোনো শাখা যদি গ্রাহকের উপর “আলাদা চার্জ” চাপাতে চায় তা অভিযোগযোগ্য।
৪. কোন নোট বদলাবে?
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘নোট প্রত্যর্পণ প্রবিধান ২০২৫’ অনুযায়ী
নোটের অংশ যতটুকু থাকবে, ততটুকু মূল্য:
• ৯০% বা বেশি → ১০০% মূল্য
• ৭৫–৯০% → ৭৫% মূল্য
• ৫১–৭৫% → ৫০% মূল্য
• ৫১% এর কম → বিনিময়যোগ্য নয়
একাধিক খণ্ডে থাকলে
• দুই মাথার সিরিয়াল নম্বর মিললে
• এবং মোট ৬০% বা বেশি অংশ থাকলে
→ ৫০% মূল্য পাওয়া যায়।
পোড়া নোট
• সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেলে বদলাবে না
• কিন্তু আংশিক পোড়া বা ঝলসানো নোট, যদি প্রয়োজনীয় অংশ থাকে, তবে আইন অনুযায়ী মূল্য ফেরত পাওয়া যায়।
শাখার ভূমিকা
• নোট যদি দুই টুকরো বা কম থাকে এবং বড় অংশটি প্রায় ৯০% হয় → শাখা সরাসরি বদলে দেয়
• খুব ক্ষতিগ্রস্ত হলে → শাখা বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠায়, এবং গ্রাহক ব্যাংকের অনুমোদন অনুযায়ী মূল্য পান।
৫. যা কখনো বদলাবে না:
• নোটের অর্ধেকের কম অবশিষ্ট থাকলে
• সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেলে
• জাল নোট
৬. ব্যাংক যদি নোট বদলাতে অস্বীকার করে?
১) বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ (সবচেয়ে কার্যকর)
CCMS—Customer Complaint Management System
• বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট → Complaint/CCMS
• ব্যাংকের নাম + শাখা + ঘটনা লিখে সাবমিট
• ব্যাংক বাধ্যতামূলকভাবে উত্তর দেবে
২) সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হেড অফিসে অভিযোগ
প্রতিটি ব্যাংকের Customer Service Desk থাকে।
হেড অফিস চাপ দিলে শাখা টালবাহানা করে না।
৩) ব্যাংকের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ/অ্যাপে অভিযোগ
অনেক ব্যাংক এগুলো গুরুত্ব দেয়।
৪) বাংলাদেশ ব্যাংক হেল্পলাইন
১৬২৩৬
কী লিখবেন অভিযোগে?
“আজ [তারিখ], [ব্যাংকের নাম + শাখা] আমার ক্ষতিগ্রস্ত নোট বদলাতে অস্বীকার করেছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মবিরুদ্ধ।”
একটা কথা মনে রাখবেন
আমরা অভিযোগ না করলে ব্যাংক ভাববে
“কে আর মাথা ঘামাবে!”
কিন্তু অভিযোগ করলে বেশিরভাগ শাখাই ক্ষমা চেয়ে সমস্যা সমাধান করে।
রূপা
Click here to claim your Sponsored Listing.