MLR AGRO

MLR AGRO

Share

কৃষি ও কৃষক এর সাথে আছি সব সময়।

কৃষির সকল তথ্য এখানে দেওয়া হবে।

সাথেই থাকবেন ইনশাআল্লাহ

26/03/2026

খোকি ১২ জাত,
নারুতো জাপানি কোম্পানির মিষ্টি আলু
উপরে লাল, ভেতরে হলুদ রং।
যেমন সুন্দর গন্ধ তেমন স্বাদ

04/08/2025

বৃষ্টির পানিতে ধানক্ষেত ডুবে যাচ্ছে।
এসময় জমিতে সার দেওয়া নিষেধ।

24/05/2025

সবজির এপিলাকনা বিটল বা কাঁঠালী পোকা নিয়ে আলোচনাঃ

বৈজ্ঞানিক নামঃ Epilacna varivestis
জীবনচক্রঃ সম্পূর্ণ (ডিম-গ্রাব-পুত্তলি-পূর্ণাঙ্গ পোকা)

ক। পূর্নাঙ্গ পোকার বৈশিষ্ট্য:
১। গোল আক্রতির বাদামী
২। পেট বাদামী বা লালচে
৩। দেহ শক্ত পাখা দ্বারা আবৃত
৪। পাখার উপড়ে ৬+৬= ১২ বা ১৪+১৪=২৮ টি কালো ফোটা থাকে
খ। ডিমের বৈশিষ্ট্য :
১। পাতার নিচে গাদা আকারে ডেম পাড়ে
২। প্রতি গাদায় ১৫-৫০ টি ডিম

গ। গ্রাব বা বাচ্চার বৈশিষ্ট্য:
১। চেপ্টা ও হলুদ
২। গায়ে ৬ সারি কাটার মত দাগ আছে
৩। কাঠালের কোয়ার মত দেখতে তাই একে কাঠালে পোকা বলে

ঘ। পুত্তলির বৈশিষ্ট্য
১। ডগায় ঘিয়ে বর্নের গমের দানার মত পুত্তলি গঠন করে।
২। পাতার নিচে

ক্ষতির লক্ষণঃ
১। পাতার শিরা উপশিরা ব্যতীত বাকি অংশ কুড়ে কুড়ে খায়। ফলে পাতা দেখতে জালের মত মনে হয়
২। আক্রান্ত পাতা শুকিয়ে মারা যায় ও ঝড়ে পড়ে।

সমন্বিত ব্যবস্থাপনাঃ
১। ছাই ছিটিয়ে দেয়া
২। গোবর মিশ্রিত পানি দেয়া
৩। চারা জাল দিয়ে ঢেকে দেয়া
৪। জৈবিক দমনঃ লেডি বার্ড বিটল- ডিম
রেড বাগ, শিল্ড বাগ, স্টিং বাগ
পরজীবীঃ ডিম- ট্রাইকোগ্রাম, গ্রাব- টেট্রাসটিকাস
৫। কেরোসিন মিশ্রিত পানি স্প্রে করা ৥ ৫মিলি/লি
৬। সাবান মিশ্রিত পানি স্প্রে করা ৥ ৫মিলি/লি
৭। ১ কেজি নিম বীজ ১২ ঘন্ট পানি ভিজিয়ে স্প্রে করা
৮। ইকোম্যাক জৈব বালাইনাশক স্প্রে করা
৯। রাসায়নিক কীটনাশক: সেভিন@৩.৫ গ্রাম/লি, সিনারিল @৩.৫ গ্রাম/লি, এসিমিক্স@ ১মিলি/লি, অলিকা ২৪.৭ জেড সি @০.৫০ মিলি/লি ইত্যাদি

16/05/2025

নারিকেল গাছের গন্ডার পোকা দমন ব্যবস্থাপনা
🌴 গন্ডার পোকা নারিকেল গাছের অন্যতম ক্ষতিকর পোকা, যা গাছের কচি অগ্রভাগে আক্রমণ করে এবং গাছের ফুল, ফল ও বৃদ্ধি ব্যাহত করে। এর জীবনচক্র, ক্ষতির ধরণ এবং দমন পদ্ধতি জানলে আপনি সহজেই এই পোকার প্রভাব কমাতে পারবেন।

জীবনচক্র:
গন্ডার পোকা সাধারনত গোবর বা ময়লা আবর্জনায় ডিম পাড়ে (১০০-১৫০টি ডিম এক রাতেই)।

১২-২০ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে সাদা রঙের গ্রাব বের হয় এবং ৪-৫ মাস পর পূর্ণাঙ্গ পোকা হয়ে নারিকেল গাছের কচি অংশ খেতে থাকে।

পূর্ণাঙ্গ পোকা প্রায় ১ মাস বাঁচে খাদ্য ছাড়া, তবে খাদ্য পেলে ২০০ দিন পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

ক্ষতির ধরণ:
পূর্ণাঙ্গ পোকা নারিকেল গাছের কচি অগ্রভাগে গর্ত করে ঢুকে পড়ে এবং রস খেয়ে গাছের ফুল ও ফল ধারণ ব্যাহত করে।

আক্রান্ত অংশগুলো পঁচে যায় এবং গাছটি দুর্বল হয়ে পড়ে। গুরুতর আক্রমণে গাছ মারা যেতে পারে।

দমন পদ্ধতি:
গর্ত পরিষ্কার করা: আক্রান্ত গাছের গর্তে লোহার শিক ঢুকিয়ে কীড়াগুলো মেরে ফেলুন।

সার ও কীটনাশক ব্যবহার: গর্ত পরিস্কার করে সিরিঞ্জ/তুলার দ্বারা কেরসিন, প্রেট্রোল, অথবা ডায়াজিনন ৫-৬ মিলি ঢুকিয়ে গর্ত বন্ধ করুন।

গাছ পরিস্কার রাখা: গাছের আশপাশ থেকে গোবর বা আবর্জনা সরিয়ে ফেলুন। বছরে দুইবার সুষম সার প্রয়োগ করুন।

আলোর ফাঁদ ব্যবহার: পূর্ণাঙ্গ পোকা ধরে মেরে ফেলতে আলোর ফাঁদ পেতে দিন।

পচা খৈল বা ভেরেন্ডা বীজ ব্যবহার: গাছের নিচে পচা খৈল অথবা ভেরেন্ডা বীজের গুড়া পানিতে জ্বাল দিয়ে দ্রবণ তৈরি করুন, পোকা এতে আটকে মারা যাবে।

গাছ ছাঁটাই: বর্ষা শেষে গাছের মৃত বা অর্ধমৃত ডালপালা ছাঁটাই করে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করুন। আক্রান্ত অংশগুলো পোকাসহ সংগ্রহ করে পুতে ফেলুন।

কীটনাশক স্প্রে: কার্বারিল ৮৫ ডব্লিউপি (সেভিন/ভিটাব্রিল) ২ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করুন।

🌿 এটি নিয়মিত প্রয়োগ করলে গন্ডার পোকা থেকে নারিকেল গাছ রক্ষা করা সম্ভব।

15/05/2025

ধানের কোন পোকা কোথায় আক্রমন করে।

Photos from MLR AGRO 's post 12/05/2025

পেঁপের ফলন বাম্পার হওয়ার জন্য একটি গাছে বছরে কি পরিমান সার ব্যবহার করা দরকার।
পেঁপে গাছে ফসফেট ও পটাশ সার

গাছের স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধি ও ভালো ফলনের জন্য ফসফেট P ও পটাশ K সারের সঠিক ব্যবহার জরুরি। নিচে মাসভিত্তিক পরামর্শ দেওয়া হলো

১-৩ মাস চারা অবস্থা বৃদ্ধি পর্যায়
ফসফেট মাসে ২০-৩০ গ্রাম মোট ৬০-৯০ গ্রাম পটাশ মাসে ১৫-২০ গ্রাম মোট ৪৫-৬০ গ্রাম
কারণ শিকড় ও কাণ্ডের বিকাশে ফসফেট গুরুত্বপূর্ণ। পটাশ রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৪-৬ মাস ফুল আসার প্রস্তুতি
ফসফেট মাসে ৩০-৪০ গ্রাম (মোট ৯০-১২০ গ্রাম
পটাশমাসে ৩০-৪০ গ্রাম মোট ৯০-১২০ গ্রাম কারণ ফুল ও ফল ধারণের শক্তি বাড়াতে পটাশের ভূমিকা অপরিহার্য।

৭-১২ মাস ফল ধরা ও পরিপক্বতা
ফসফেট মাসে ২০-২৫ গ্রাম মোট ১২০-১৫০ গ্রাম
পটাশ মাসে ৪০-৫০ গ্রাম মোট ২৪০-৩০০ গ্রাম
কারণ ফলের স্বাদ, রং ও মিষ্টতা বাড়াতে পটাশ সাহায্য করে।

সার প্রয়োগ পদ্ধতি
গাছের গোড়া থেকে ১-২ ফুট দূরে বৃত্তাকারে কুপ করে সার দিন।
সারের সাথে জৈব সার কম্পোস্ট/গোবর মিশিয়ে প্রয়োগ করলে কার্যকারিতা বাড়ে।

কৃষি ভিত্তিক তথ্যের জন্য পেইজটি ফলো দিয়ে রাখবেন ধন্যবাদ ✅🥀💚🌸

09/05/2025

জিংক সমৃদ্ধ ধান।

08/05/2025

♦️ রাসায়নিক সারের কাজ ♦️
আমরা কৃষি জমিতে বিভিন্ন রকম সার ব্যবহার করি। কিন্তু কোন সার ফসলের জন্য কী কাজ করে, তা অনেকেই জানি না বা জানার চেষ্টা করি না। অথচ ভালো ফসল উৎপাদনের জন্য এসব জানা খুবই জরুরি। নিচে বিভিন্ন রাসায়নিক সারের কাজ সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

ইউরিয়া

গাছের ডালপালা, কান্ড ও পত্রের বৃদ্ধি সাধন করে।

গাছপালাকে গাঢ় সবুজ রং প্রদান করে।

নাইট্রোজেন পাতার সবুজ কণিকা (ক্লোরোফিল) তৈরিতে সহায়ক এবং উদ্ভিদের প্রোটিন উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।

টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট)

গাছের প্রথম পর্যায়ের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।

জীবকোষের বিভাজনে অংশগ্রহণ করে।

মূলের গঠন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

গাছকে সময়মতো ফুল ও ফলে শোভিত করে এবং ফলের পরিপক্কতা ত্বরান্বিত করে।

পটাশ (এমপি সার)

পাতার ক্লোরোফিল তৈরিতে সহায়তা করে।

উদ্ভিদে শর্করা উৎপাদন ও পরিবহন প্রক্রিয়া উন্নত করে।

নাইট্রোজেনের কার্যকারিতা বাড়ায়।

গাছকে পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে রক্ষা করে এবং খরা সহিঞ্চুতা বৃদ্ধি করে।

গাছকে মজবুত করে।

জিপসাম

নাইট্রোজেন আত্মকরণে সহায়তা করে।

প্রোটিন উৎপাদন এবং তেল উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

সালফার ভিটামিন ও কো-এনজাইম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

জিংক সালফেট

প্রোটিন তৈরিতে এবং উদ্ভিদের হরমোন কার্যকারিতায় সহায়তা করে।

বোরাক্স

ফলের বিকৃতি রোধ করে।

ফুল ও ফল ধারণে সহায়তা করে।

♦️ সতর্কতা:
অতিরিক্ত রাসায়নিক সার প্রয়োগ করবেন না। প্রয়োজনে মাটি পরীক্ষা করে প্রয়োজন অনুযায়ী সার ব্যবহার করুন। এতে মাটি ভালো থাকবে এবং খরচও অনেক কমে যাবে।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Gouripur
Mymensingh
2270