Juwel Rana
মানুষ বহুরূপী–
মনে রাখলেই ক্ষতি...…
মুসলমানদের উপর কি পরিমান অত্যাচার নির্যাতন চলছে,,, হে আল্লাহ এদের কপালে যদি হেদায়েত থাকে তাহলে হেদায়েত দান করুন আর যদি হেদায়েত না থাকে তাহলে এদেরকেও লূত জাতীর মতো ধ্বংস করে দেয়
একটা বাড়ি বানাতে কত খাটুনি কত খরচ
যে বানায় সে জানে......
দুইজন মারা গেছে নেত্রকোনা চল্লিশা এক্সিডেন্ট হয়েছে, নেত্রকোনা সরকারি হাসপাতালে এখন মারা গিয়েছে, তাদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি, পরিচয় পাওয়ার জন্য সবাই এই ভিডিওটা শেয়ার করে দেন
সম্প্রতি অসুস্থ মাকে জীবিত ক-ব-র দেয়ার চেষ্টা, একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে!! হে-আল্লাহ এমন কুসন্তান কাউকে দিও না😭
ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা মহাসড়কে সিএনজিচা'পা'য় ৬ বছরের শিশু সুমাইয়ার ম/র্মা/ন্তি/ক মৃ/ত্যু, বি/চা/রে/র দা'বি'তে ডেংঙ্গায় সড়ক অ/ব/রো/ধ করে বি/ক্ষু/ব্ধ এলাকাবাসী।
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
মা/দ/ক ব্যবসায়ীকে সেভাবে শাস্তি দেয়া হলো
05/06/2026
দৌলতদিয়া ঘাটে আজকে আবারও সেই রমজান ঈদের মতো একটা মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে যেতো বাংলাদেশ।
আজকে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা না থাকলে ৩৮ জন যাত্রী নিয়েই হয়তো ডুবে যেতো এই বাসটিও।
যাত্রীরা জানিয়েছে, SB Super Dulex নামের একটি পরিবহনে প্রায় ৩৮ জন যাত্রী ছিলো, এবং বাসটি ফেরিতে উঠার আগেই প্রশাসন সকল যাত্রীদের নামিয়ে দেয়, অনেক যাত্রী নামতে চায়নি কিন্তু প্রশাসন বাধ্য করে তাদের নামিয়ে দিয়েছে। সেই আগের বারের মতই বাসটি ফেরি থেকে নদীতে পরে যায়! এবং বড় একটি দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায় ৩৮ জন যাত্রী।
প্রশাসনের কঠোরতা, এবং দায়িত্বের জন্য তাদের অবশ্যই ধন্যবাদ জানাই! ❤️
🤣
মায়ের ম'রদেহ ৭ দিন ধরে একা ফ্ল্যাটে পড়ে ছিল।
নিঃসঙ্গতায় একা মারা গেলেন। মৃত্যুর পরও সাত দিন কেউ তাঁর খোঁজ নিল না। লাশ পঁচে গলে গেছে, পোকায় খেয়েছে। আজকের ঘটনা,মিরপুরের।
তাঁর এক ছেলে যুগ্ম সচিব, আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক। মেয়ে ও জামাতাও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।
তবুও ঈদের আনন্দের দিনগুলোতে কেউ একবার ফোন করেনি, কেউ খোঁজ নেয়নি।
উনার বাসার অবস্থা দেখলে মনে হয় দীর্ঘদিন অবহেলায় ছিলেন। কতদিন ঠিকমতো খেতে পারেননি, কত রোগ-শোক আর কষ্ট বুকে নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন—তা কল্পনা করতেও কষ্ট হয়।
অথচ এই মা-ই ১০ মাস ১০ দিন গর্ভে ধারণ করেছিলেন সন্তানদের। নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে মমতা আর ত্যাগে তাদের লালন-পালন করেছেন। শিক্ষিত করেছেন, প্রতিষ্ঠিত করেছেন, সমাজে সম্মানিত অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন।
কিন্তু শেষ বয়সে তাঁর প্রাপ্য হলো নিঃসঙ্গতা, অবহেলা আর একাকী মৃত্যু।
কী নির্মম পরিণতি!
কেউ শেষবারের মতো কোন সন্তানকে পাশে পেলেন না।
তাঁদের নীরব কান্না আমরা অনেক সময় শুনতে পাই না।
আজ যাদের মা-বাবা বেঁচে আছেন, একবার ফোন করুন। তাঁদের গলার স্বর শুনুন। একটু সময় দিন। পাশে বসুন। খোঁজ নিন তাঁরা কেমন আছেন।
আজ আমরা ব্যস্ত, কাল হয়তো আমাদের সন্তানেরাও ব্যস্ত থাকবে।তখন যেন আমাদেরও একই পরিণতি না হয়।
মা-বাবাকে ভুলে যাবেন না। তাঁরা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ, সবচেয়ে বড় ঋণ।
যাদের বাবা-মা বেঁচে আছেন, তাঁদের খোঁজ নিন, সেবা করুন, সম্মান করুন।
আজ আপনি যা করবেন, আগামী প্রজন্মও সেটাই শিখবে।
Dr. Aminul Islam
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
DHAKA