Meherun Nesa Rojoni
আসসালামু আলাইকুম 🌸
তাওযীহুল কোরআন ৩ খন্ড ১৮৯০
https://rkmri.co/e3RplA3AAeES/
ম্যাসেজ ৩০০
https://rkmri.co/eRAeplEloEpA/
রিফ্লেকশন ফ্রম সূরা ইউসূফ ১৯০
https://rkmri.co/M0ITNSyMSMEe/
ইসলামী আকীদা ৩৮৫
https://rkmri.co/e2N3o2AR0lep/
শামায়েলে তিরমিজি
https://rkmri.co/o2mAm3IAMeTM/
কিতাবুদ তাওহীদ
https://rkmri.co/NMlS3AyNe3MA/
পদ্মজা
https://rkmri.co/IomyTRT5IpeR/
ফয়জুল কালাম
https://rkmri.co/oeSp5ySeMRyA/
নামাজ চিত্রসহ
https://rkmri.co/AMmANSRp0mMo/
29/10/2024
ভাবতেছি আমিও রান্না বান্নার রেসিপি ভ্লগ বানানো শুরু করে দিব 😃
19/10/2024
18/10/2024
ইউসুফ আ. এর ঘটনা কে আল কুরআনের সর্বোত্তম ঘটনা বলা হয়েছে..সত্যিই অসাধারণ।
ইউসুফ (আ.)-এর জীবন থেকে শেখা প্রথম জিনিস হলো উত্তম চরিত্র। কোন যুবক যদি নিজ চরিত্রের হেফাজত করে, তাহলে আল্লাহ তাকে মর্যাদার উন্নত শিখরে আরোহণ করাবেন। যেমন মিশরের রাষ্ট্রক্ষমতা দিয়ে আল্লাহ তায়ালা মর্যাদা দিয়েছিলেন ইউসুফ (আ.) -কে।
সুতরাং যুবকদের প্রতি আমার নসিহত-যৌবনকে হেফাজত করুন। বিয়ে করে ফেলুন প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া মাত্রই। অন্যদিকে সমাজের মানুষের প্রতি আমার আকুল আবেদন-বিয়েকে সহজ করুন। কারণ চরিত্র পবিত্র রাখার জন্য যে বিয়ে করতে চায়,তাকে সাহায্য করা আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।
আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত,নবি (সা.) বলেছেন- ' তিন শ্রেণীর মানুষকে সাহায্য করা আল্লাহ নিজের জন্য আবশ্যক করে নিয়েছেন। এর মধ্যে একজন হচ্ছে ওই যুবক,যে পবিত্র থাকার উদ্দেশ্যে বিয়ে করতে চায়।' (জামে আতে-তিরমিজি ১৬৫৫)
18/10/2024
শিশু যখন মায়ের পেটে থাকে তখন থেকে ই আল্লাহর কাছে নেক সন্তান সুস্থ সন্তান চাওয়া এরপর যখন সে ভুমিষ্ঠ হয় তখন থেকে শুরু হয় লালন পালনের এক কঠিন পরীক্ষা। সেই কঠিন পরীক্ষা কতটা সুন্দর ভাবে ইসলামের আলোকে সম্পাদন করা যায় তা স্পষ্টভাবে এই বইয়ে সম্পাদন করা হয়েছে।
সবশেষে কিছু বাস্তব ঘটনা এবং পত্রিকা থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
সন্তান আল্লাহর দেয়া এক অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। সেই সন্তান কে প্রত্যেক বাবা-মা ই নিজেদের জায়গা থেকে নিজেদের মত করে লালন পালন করে।কিন্তু আমারা যারা বাবা-মা তারা হয়ত অনেকে ই শুধু দুনিয়ামূখী শিক্ষা দিয়ে সন্তানকে বড় করি।আর তখনই ঘটে বিপর্যয়, সন্তান হয় অবাধ্য। আমাদের নিজেদের কাজের জন্য যেমন আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে তেমনি আমাদের সন্তানরা সত্যিকারের মুসলিম না হলে আমাদের কে আখিরাতে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে কেননা তাদের কে আমারা আখিরাত মূখী শিক্ষা দেইনি।এই বইটিতে ইসলামের আলোকে একটি শিশুকে জন্মের পর থেকে প্রতিটি ধাপে সু-শৃংখল ভাবে গড়ে তোলার অসাধারণ কিছু প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে যাতে করে সে বড় হলে দুনিয়া এবং আখিরাত দুই জায়গায় ই সফলতা লাভ করতে পারবে আল্লাহর ইচ্ছায়।
আমি একজন মা হিসেবে মনে করি এই বইটি আমাদের সন্তানদের সঠিকভাবে ইসলামি আকিদা অনুযায়ী লালন পালনে অনেকটা সাহায্য করবে।কারন প্রতিটা বিষয় ই এখানে আল্লাহ ও তার রাসূলের (স)নির্দেশনা অনুযায়ী করতে বলা হয়েছে।
শুধুমাত্র বিবাহিতরা না অবিবাহিতরা ও বইটি পড়ে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি হতে পারবে ইংশা আল্লাহ।
18/10/2024
বই রিভিউ : আমানি বার্থ
প্রকাশনায় : SEAN Publication
লেখিকা : আয়িশা আল-হাজ্জার
"আমানি বার্থ"নামটা পড়ে প্রথমে কিছুটা খটমটে লেগেছে। এর নিচে যে "প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে মা হওয়ার উপায়" লিখা আছে, তা আমার চোখে পড়েনি। প্রচ্ছদের ছবি দেখে বইটি সম্পর্কেও তেমন ধারণা করতে ব্যর্থ হয়েছিলাম!
হঠাৎ বন্ধুবর আনিসের কথায় বইটা সম্পর্কে প্রথম জানতে পারি। যখন প্রকাশনী থেকে বইটা হাতে নিয়ে এর কনটেন্টগুলো দেখছিলাম, তখন মনে মনে আফসোস হলো এই বইটাকে আগে কেন আমি প্রত্যাখ্যান করেছিলাম!
রুমে আসতে আসতে এর অনুবাদিকার কথা পড়ে ফেললাম। মনে হলো এই বই আমার অজানায় থাকা মানে আমি পৃথিবী সম্পর্কে কিছুই জানি না৷
চলুন বইটির বিশেষত্ব সম্পর্কে জানি :
লেখিকা আয়িশা আল হাজ্জারের ২৫ বছর বয়সে বিয়ে হয়। যখন উনি বইটি লিখছেন তখন উনার ৮ম বাচ্চা দুনিয়ার মুখ দেখেছেন,আলহামদুলিল্লাহ। আরেকটা তথ্য সংযুক্ত করি, উনার সবগুলো বাচ্চাই প্রাকৃতিক উপায়ে হয়েছে (সিজার করা লাগেনি)।
এবার একটু এনালাইসিসে আসি, মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হয় ১৩-১৫ বয়সে। স্টান্ডার্ড মান হলো ১৫ থেকে শুরু হয়ে ৪৯ বছরে শেষ । এর মধ্যে ২০-৩০ বছর হলো সন্তান জন্মের উপযুক্ত সময়। ৩০ এর পর সন্তান কন্সিভ করাটা একটু ডিফিকাল্ট হয়ে যায়। এমনটা রিসার্চ বলে। আর ৪০ এর পর আরও বেশি সমস্যা পোহাতে হয় শারীরিক কিছু কন্ডিশনের কারণে। এমনটাও রিসার্চ বলে।
লেখিকা আয়িশা আল হাজ্জারের ২৫ বছরে বিয়ে হয়ে উনার ৪৯ বছর পর্যন্ত ৮ টা বাচ্চা প্রাকৃতিক উপায়ে হয়েছে। তার মানে ৪৯-২৫=২৫ বছর। এই ২৫ বছরে উনার সন্তান হয় ৮ জন। ২৫/৮= ৩ বছর ১ মাস করে প্রতিটি বাচ্চা মায়ের একান্ত সান্নিধ্যে থাকতে পেরেছে।
তাহলে প্রতিটি সন্তান ৬ মাস এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং (৬ মাস শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানো) এর কারণে হয়েছে (উনার বক্তব্য অনুযায়ী) এবং ২ বছর বুকের দুধ সহ বাড়ন্ত খাবার দিয়েছে।
ঠিক দু'বছর যখন প্রথম বাচ্চার বয়স চলছে, তখনই উনি দ্বিতীয় বাচ্চা কন্সিভ করেছেন। প্রথম বাচ্চার তখন ২ বছর বয়স। দ্বিতীয় বাচ্চার যখন ডেলিভারি হবে তখন প্রথম বাচ্চার বয়স তিন বছর (সাধারণ হিসেব)। ঠিক এমন প্রক্রিয়ায়ই উনার ৮ টি সন্তান জন্ম নিয়েছে, তাও আবার প্রাকৃতিক উপায়ে।
লেখিকা এই বইতে পুরো বিষয়টা প্রাকৃতিক হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। মেয়েদের জন্মই হলো সন্তান উৎপাদনের জন্যে। কেউ বেশি সন্তান জন্ম দিবে আর কেউবা কম৷ তাদেরকে এই প্রসব যন্ত্রণার মধ্য দিয়েই বাচ্চা জন্ম দিতে হবে। এই প্রক্রিয়াই চলমান পৃথিবী সৃষ্টির প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত। লেখিকা এই প্রাকৃতিক বিষয়টাকে প্রাকৃতিক হিসেবে ভাবার একটা লেন্স বা চশমা তৈরি করার চেষ্টা করেছেন।
মায়েদের বাচ্চা প্রসব করাটা একটা প্রাকৃতিক বিষয়। কোন পুরুষ এই প্রক্রিয়ায় বাচ্চা জন্ম দিতেই পারবেনা। এই প্রাকৃতিক বিষয়টাকে আমাদের প্রজন্ম প্রাকৃতিক হিসেবে নিতেই পারছেনা। তারা মনে করে প্রসব যন্ত্রণা হলেই সে মারা যাবে। কিন্তু এই প্রসবের কারণে মৃত্যু এটা মেডিকেল সাইন্সও রক্ষা করতে পারে না। হয়তো তারা বাচ্চা প্রসবের সঠিক সময়ের আগেই সিজার করে আর দাবী করে মা ও বাচ্চা দুজনকেই বাঁচিয়েছি আমরা!
তবে এই যে, সঠিক সময়ের আগে তাদের হিরো হওয়ার বিষয়টা! এটা খুব ভাবনার একটা বিষয়। আসলেই কি সঠিক সময়ের আগে বাচ্চা জন্ম নিলে কি কি ক্ষতি হয় তাও উনি বইতে উল্লেখ করেছেন। বইতে লেখিকা এই মেডিকেল হস্তক্ষেপকে ভালো করে বুঝিয়েছেন। মেডিকেল সাইন্স প্রাকৃতিক বিষয়টাকে হস্তক্ষেপের জন্যে তৈরি নয়। প্রাকৃতিক বিষয়টাকে সাহায্য করা এবং যাদের ইমার্জেন্সি সিচুয়েশন! তাদের উপকারের জন্যেই মেডিকেল সাইন্স প্রয়োজন।
বাচ্চা জন্ম হওয়া এবং কোন টাইমে হবে এটা টেস্ট করিয়ে সময় নির্ধারণ করাটা একটা বোকামী। কারণ প্রাকৃতিক বিষয়টাকে প্রাকৃতিকের উপরই ছেড়ে দেয়া প্রয়োজন। তাকে প্রাকৃতিক নিয়মেই ডেলিভারি হওয়ার উপরে ছেড়ে দিতে হবে। যাতে সবকিছু প্রাকৃতিক উপায়েই সম্পন্ন হয়।
এর পাশাপাশি লেখিকা কিছু বিষয়কে বারবার হাইলাইটস করেছেন। তা আমি সংক্ষিপ্ত আকারে দিচ্ছি। যেমন:
১/ প্রসব সম্পর্কে মায়ের পর্যাপ্ত জ্ঞান।
২/ প্রসবসঙ্গীর পরিচয়ও দায়িত্ব।
৩/ গর্ভধারণে ফিজিওলজি।
৪/ প্রসব অভিজ্ঞতা উপভোগ করা।
৫/ গর্ভকালীন পুষ্টি।
৬/ গর্ভকালীন ব্যায়া। (প্রাকৃতিক উপায়ে প্রসব করার জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ)
৭/ প্রসবের প্রাকৃতিক নিয়ম। (বিস্তর আলোচনা করছেন)
৮/ প্রসবে মেডিকেল হস্তক্ষেপের বিপদ ও প্রয়োজন।
৯/ বুকের দুধ খাওয়া ও “শুধু একবার ফিডার দেওয়া” নিয়ে জনশ্রুতি।
লেখিকা ৩০ টা অধ্যায়ে এই বইটিকে সাজিয়েছেন মায়েদের জন্যে।
লিখেছেন: Mohammad Harunur Roshid
18/10/2024
যথাসম্ভব নম্রতা ও নিষ্ঠার সাথে বলুন, “তুমি যা ভালো মনে করো।” যেমন আপনার স্বামীর হয়ত এ জবটা ছেড়ে দেওয়ার উদ্ভট চিন্তা মাথায় এসেছে। শুনে আতঙ্কে আপনার অবস্থা খারাপ। আপনি বলবেন, “ঠিক আছে, তুমি যা ভালো মনে করো।” অথবা তিনি যদি মনে করেন, ছেলেমেয়েদের এখন থেকে স্কেটিং শেখা উচিত কিন্তু আপনার কাছে এটা বিপদজনক মনে হয়; তবে আপনি বলবেন “তুমি যা ভালো মনে করো।” এমনকি যখন তিনি বলবেন “চলো, আজ আমরা বাইরে খেতে যাই।” তখন যদি আপনার মনে হয় বাজে খরচ না করে আপনাদের টাকা জমানো উচিত, তারপরও আপনি বলবেন “আচ্ছা ঠিক আছে, তুমি যা ভালো মনে করো।”
কখনও কখনও আপনার স্বামীর চিন্তাভাবনাগুলো নিরেট পাগলামি মনে হবে। তবু আপনার জবাবের মাধ্যমে তাকে জানিয়ে দিন যে, আপনি তার চিন্তাকে সম্মান করেন। বারবার “তুমি যা ভালো মনে করো” বলার অনুশীলন করুন। কারণ সবচেয়ে বেশি দরকারের সময় শব্দ হাতড়ে পাওয়াটা কঠিন। সেরা ফলাফল পেতে ঠিক এই শব্দগুলোই ব্যবহার করবেন। কথাটির অন্যান্য রূপও আমি শুনেছি। যেমন- “তোমার ব্যাপার,” “তোমার কী মনে হয়?” “এটা তোমার সিদ্ধান্ত,” এবং “তুমি যেটা চাও।” কিন্তু এর কোনোটিই “তোমার যা ভালো মনে হয়”-এর মতো চলনসই না। এতে প্রচ্ছন্ন আস্থা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে সমস্যা থেকে স্বাস্থ্যকর দায়মুক্তি।
হ্যাঁ, এই কথাটির দ্বারা তার চিন্তার সাথে একমত হওয়াও বোঝায়। তার মানে আপনাকে এত বেশি বিষয়ে একমত হতে হবে, যা আগে কখনওই হননি। শুনতে যতটা ভয়ানক মনে হচ্ছে, আসলে তা নয়। আপনি যা করছেন, তা হলো আপনার বরকে তার মতো থাকতে দেওয়া।
স্বামীর চিন্তাগুলো কখনও বাস্তবায়িত হবে, কখনও হবে না। কিন্তু আপনি যদি তার প্রতি আস্থা রাখেন—এবং ফলাফলকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে তার চিন্তাকে সম্মান করেন—আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি আপনি স্বামীর সাথে অন্তরঙ্গত তৈরির দিকে এক ধাপ এগিয়ে যাবেন। তার হয়ত টাকা খসবে, আপনার হয়ত কাজে দেরি হবে, বাচ্চারা হয়ত ব্যথা পাবে। তিনি হয়ত সব ভজঘট পাকিয়ে ফেলবেন্ বা চাকরি হারাবেন, বা বিল পরিশোধে এত দেরি করে ফেলবেন যার কারণে জরিমানা গুনতে হবে।
খেয়াল রাখবেন, এ ঘটনাগুলো কখনোই চিরস্থায়ী না। এগুলো আপনাদের জীবনের জন্য কখনোই হুমকিস্বরূপও না। এগুলো কিন্তু মানবজীবনের সাধারণ ঘটনা। এগুলো আপনার দাম্পত্যে একটা কুপ্রভাব ফেলতে পারে, কিন্তু সেটাও জরুরি নয়। জিনিসটা নিয়ে দিনের পর দিন ঝগড়া করবেন, না বছরের পর বছর হাসাহাসি করবেন—এটা একান্তই আপনার পছন্দ। তবে আপনি এই অভ্যেসটা তৈরি করেই দেখুন না এটা আপনার দাম্পত্য জীবনকে কতটা মধুর করে তোলে।
বই : সারেন্ডার্ড ওয়াইফ
লেখিকা : লরা ডয়েল
18/10/2024
আলহামদুলিল্লাহ!
বায়তুল মোকাররমের নতুন খতিব মুফতি আব্দুল মালেক দাঃ বাঃ
দেশবরেণ্য ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞ ও হাদিস বিশারদ মারকাজুদ দাওয়াহর পরিচালক তিনি।
মুফতি আবদুল মালেক দাঃবাঃ দেশবিদেশের প্রসিদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইসলামিক স্টাডিজ, হাদিস ও ফিকহে ইসলামির ওপর উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনকারী একজন প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার। বিশ্বখ্যাত ইসলামি পণ্ডিত মুফতি বিচারপতি তাকী ওসমানী তার শিক্ষক।
আরব বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামি পণ্ডিত ও সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত ইমাম মোহাম্মদ ইবনে সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উসুলুদ্দীন অনুষদের অধ্যাপক শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ (রহ.)-এর তত্ত্বাবধানে তিনি দুবছর হাদিস ও ইসলামি আইন বিষয়ে উচ্চতর গবেষণা পরিচালনা করেন।
তিনি মক্কা, মদিনা, পাকিস্তান, ভারত ও তুরস্ক সফর করেছেন এবং বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। তিনি ইতোমধ্যে বাংলা, আরবি, ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় মোট ১৬টি গ্রন্থ রচনা করেছেন। এছাড়া তার তত্ত্বাবধানে মাসিক আল-কাউসার নামে নিয়মিত একটা গবেষণা পত্রিকা বের হয়।
©
17/10/2024
আলহামদুলিল্লাহ, নতুন স্টক করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ছাড়ে সংগ্রহ করতে Meherun's Bookshelf পেইজ এ ইনবক্স করুন।
05/10/2024
#আসুন_শেরপুর_এর_বানভাসি_মানুষের_পাশে_দাড়াই
ভয়াবহ বন্যার কবলে আমাদের জেলা শহর শেরপুরের ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলা। টানা কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলে বেশ কিছু গ্রাম তলিয়ে গেছে এবং ক্রমশই পরিস্থিতি খারাপ থেকে খারাপতর হচ্ছে। ইতোমধ্যে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এমন নাজুক পরিস্তিতে যে যেভাবে পারেন, যতটুকু পারেন, শ্রম দিয়ে,অর্থ দিয়ে,পরামর্শ দিয়ে শেরপুরবাসীর পাশে দাড়ান। এই বিপদ কাটানোর জন্য সকলের অংশগ্রহণ প্রয়োজন,প্রয়োজন অনেক অর্থের। সবাই এগিয়ে আসুন। সকলের সার্বিক সহযোগিতা ছাড়া এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠা অসম্ভব।
নিম্নোক্ত মাধ্যমগুলোতে সহায়তা পাঠানোর জন্য আহ্বান করা হলো-
✅বিকাশ/নগদ: 01935-250628 (পার্সোনাল )
✅ব্যাংক :
Islami Bank Bangladesh PLC
20501880100558104
MS ZAHID TRADERS
এখন খুবই জরুরি শুকনো খাবার,বিশুদ্ধ পানি,রেসকিউ সরঞ্জাম ইত্যাদির ব্যাবস্থা করা। আমরা ইন শা আল্লাহ আমানতদারীতার সাথে আপনাদের অর্থ উপযুক্ত কাজে,উপযুক্ত ব্যাক্তির কাছে পৌঁছে দিব।
02/10/2024
তারুণ্যের জোয়ার তাচ্ছিল্যের সাথে ছুড়ে ফেলতে চায় ছকবাঁধা জীবন। দুনিয়াকে উপভোগ করার উদাত্ত আহ্বানে জাহিলিয়াতের স্রোতে ভেসে বেড়ায় তারা। ভাসতে ভাসতে কেউ কেউ ডুবে যায় ব্যর্থতা ও হতাশার অতল গভীরে। কেউ বা গিয়ে পড়ে তরীহীন গভীর সমুদ্রে। ভেসে বেড়ায় দিকভ্রান্ত পথিকের মতন। তবে ক্ষতি যা হওয়ার, তা তো হয়েই যায়। লেখক চেষ্টা করেছেন সেই ক্ষতে একটুখানি ওষুধের প্রলেপ দিতে। অগ্নিকুণ্ডের লাভার দিকে ঝাঁকবেঁধে ছুটে চলা কিশোরী-তরুণীদের শাসনের সুরে লেখক বলতে চেয়েছেন—ওরে বোকা! ওটা আলো নয়, আগুন। ওখানে সুখ নেই কোনো, আছে দগ্ধ হওয়ার রসদ।
গদ্যে-পদ্যে-প্রবন্ধে অনবদ্য হয়ে উঠেছে বইখানি। আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত থেকে হইহই করে জ্বলন্ত আগুনের দিকে ছুটতে থাকা একঝাঁক তরুণীকে তিনি ফেরাতে চেয়েছেন। লাগাম টানতে চেয়েছেন তাদের পদযাত্রায়। কখনো অনুযোগে, কখনো অনুরোধে, কখনো বা ধমকের সুরে।
বইয়ের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য, প্রতিটি পৃষ্ঠা যেন একেকটা জীবন্ত সত্তা। তারা কথা বলতে পারে। জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে উদাসীন, দুনিয়ার মোহে বুঁদ হয়ে থাকা, নাচ-গান নিয়ে মত্ত, ছন্নছাড়া, উচ্ছৃঙ্খল তরুণীদের উদ্দেশ্যেই এই বইখানা লেখা। যতটা উচ্ছৃঙ্খলই সে হোক না কেন, এই বই তাকে দু-দণ্ড স্থির হয়ে বসে ভাবতে বাধ্য করবে। তার মধ্যে কিঞ্চিত পরিমাণে হলেও অনুশোচনাবোধ জাগ্রত করবে। তার চোখ দুটো সামান্য হলেও অশ্রুসিক্ত করবে, ইন শা আল্লাহ।
তুমি ফিরবে বলে (মেল ও ফিমেল)
লেখক : জাকারিয়া মাসুদ
প্রকাশনী : সাবিল পাবলিকেশন
বিষয় : আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা, দাওয়াহ, দ্বীনের পথে আহ্বান
কভার : পেপার ব্যাক
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mymensingh