চারুলতা
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from চারুলতা, Digital creator, Dhaka.
আপনার আদরের সোনামণির জন্য সেরা মানের, আরামদায়ক এবং ট্রেন্ডি কাপড়ের একমাত্র নির্ভরযোগ্য ঠিকানা। আমরা নিশ্চিত করি ১০০% প্রিমিয়াম কোয়ালিটি, যা আপনার বাচ্চার কোমল ত্বকের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ।
30/06/2026
আজকের সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটের দিকে আলকা নদী বাংলা কমপ্লেক্স লাইফ গেজেট এই দুকান থেকে
একটি Iphone 16 pro max চুরি করে নিয়ে গেছে দেখেন কেও চিনতে পারেন কিনা
চিনতে পারলে আমার সাথে যোগাযোগ করেন
এই পোস্টটি সবাই শেয়ার করে দেন
22/06/2026
ডি সি সাহেব মনে করেছিলেন তিনি মক্কা মদীনায় আছেন |
তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে আসলে হয়তো বিষয়টা বিবেচনা করতে পারেন বলে আমি আশা করছি
22/06/2026
কম খরচে বাড়ি নির্মাণ করুন এই পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা
25/05/2026
শোক বার্তা
১০ নং তারুন্দিয়া ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল হালিম সাহেব কিছুক্ষণ আগে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি, শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
আল্লাহ তা'আলা তাকে বেহেশতের সবোর্চ্চ স্থান জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন।
26/04/2026
সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের জায়গায় ইতালিকে স্থলাভিষিক্ত করতে । ট্রাম্পের এমন নির্দেশের পর ফুটবল পাড়ায় ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের জন্ম দেয়।
আজ ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতালিকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার প্রেক্ষিতে একটি শর্ত জড়িয়ে দেয়। সেটি হলো ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি তার সাথে সম্পর্ক উন্নতি করতে হবে।
কিন্তু ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি সাফ্ জানিয়ে দেন ইতালি কারো অনুগ্রহে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবেনা। তিনি বলেন, “আচ্ছা, ধন্যবাদ। কিন্তু আমরা তো চারবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন। আমরা নিয়ম মেনে খেলি। আর এই ধরনের অনুগ্রহের ট্রফি আমাদের দরকার নেই।”
সম্প্রতি ইরান সংঘাতের জের ধরে ইতালি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের ফাটল ঘটে। সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও সামরিক চুক্তি বাতিল পর্যন্ত করে । যার ফলে দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে সাপোর্ট দিয়ে জর্জিয়া মেলোনি বলেছিল, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পৃথিবীর জন্য হুমকি নয়। হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমা।
24/04/2026
মার্চে ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমেদ দুনিয়ামালি বলেছিলেন, “বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তার অভাবের কারণে ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেবে না।” পরবর্তীতে জানা গিয়েছে ইরান কেবলমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক নয় তবে মেক্সিকো ও কানাডায় বিশ্বকাপ খেলতে আগ্রহী। কিন্তু বিশ্বকাপের প্রধান আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ না করার বিষয়টি ফিফা ম্যানেজমেন্টকে ভাবিয়ে তুলেছে। কারণ ইতিমধ্যে খেলার সূচি ও ফিক্সার প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে।
ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতি উত্তরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ফুটবল টিমকে বিশ্বকাপ খেলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কিন্তু তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিজেরদের ভেবে আসতে বলেছেন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হয়ে যায়।
সম্প্রতি ফুটবলে অনেক শীর্ষ মহল দাবি করছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিফা প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দিয়েছেন ইরানের জায়গায় ইতালিকে স্থলাভিষিক্ত করতে। এদিকে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনিও নাকি বিষয়টি ইতিবাচক ভাবে দেখছে।
আজ স্পোর্টসের অন্যতম শীর্ষ গণমাধ্যম স্পোর্টস বাইলবেলও ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছে। অর্থাৎ সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ইরানের জায়গায় ইতালিকে আমেরিকার বিশ্বকাপে দেখা যাবে।
21/04/2026
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ই এপ্রিল ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধ বিরতি কার্যকর হয়। ১৩ এপ্রিল ইসলামাবাদে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের অযৌক্তিক দাবি মেনে নেয়নি। ইরানের এমন আচরণে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে ইরানের বন্দর নৌ অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত ১০ হাজার সেনা, ১২ টি ডেস্ট্রয়ার ও একটি রণতরী ইউএস আব্রাহাম লিংকন দিয়ে নৌ অবরোধ কার্যকর করে মার্কিন সেনারা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের এমন কর্মকাণ্ডকে যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন হিসেবে দেখে ইরান। হরমুজ প্রণালী খুলে দিলেও পুনরায় বন্ধ করে দেয়।
২০ এপ্রিল ইরানের একটি কার্গো জাহাজ ইরানের বন্দরের দিকে আসতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা সেটি জব্দ করে এবং অনেক প্রতিবেদন বলেছে জাহাজটির অনেকাংশে আগুন ধরিয়ে দেয় মার্কিন সেনারা। এদিকে পাকিস্তানে পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণে ইরান ব্যাপক ক্ষুব্ধ। তাদের সাথে কোনো প্রকার আলোচনায় অংশ নিবেনা বলে জানায় ইরান।
প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজশকিয়ান সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণ আমাদেকে তাদের প্রতি ক্রমে ক্রমে অবিশ্বাসী করে তুলেছে। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানিয়েছে, "যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার আর কোনো পরিকল্পনা ইরানের নেই।”
গতকাল ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিনিধিরা ইসলামাবাদে পৌঁছালেও ইরানের কোনো প্রতিনিধি পাকিস্তানে আসেনি। এমন ঘটনাকে ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত অপমান ও সম্মানহীন চোখে দেখছে। তাই আগামীকাল বুধবার থেকে ইরানে সর্বাধিক হামলার হুশিয়ারি দেন।
20/04/2026
আজ ইরানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানিয়েছে, 'ইরানের মাটির মতোই ইরানের ইউরোনিয়াম পবিত্র। এই ইউরোনিয়াম কাউকে দেওয়া হবেনা।’ অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র যদি আরো কয়েক শতবার ইরানের সাথে বৈঠকে করে তবুও ইরান তাদের উচ্চ ঘনত্বের সমৃদ্ধ ইউরোনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে সম্মত হবেনা।
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে একটা পথই খোলা আছে সেটি হলো, ইরানকে সম্মুখ যুদ্ধে হেড টু হেড পরাজিত করা। তখন ইরান আত্মসমর্পণ দলিলে সাক্ষরও করবে এবং ইউরোনিয়াম তুলে দিতে আপত্তি করবেনা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র আদৌও কি ইরানের সাথে অলআউট যুদ্ধ জড়াবে?
ইরান তার পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র ও সামরিক সংগ্রহশালা অত্যন্ত মাটির গভীরে নির্মাণ করেছে। স্থল অভিযান চালানো ছাড়া যুদ্ধবিমান দিয়ে যতই এ্যায়ার স্ট্রাইক চালানো হোক না কেন, তা পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলা সম্ভব হবেনা, এমনকি ইউরোনিয়ামও সংগ্রহ করতে পারবেনা।
যুক্তরাষ্ট্র যতই পরাক্রমশালী সামরিক শক্তির দেশ হোক না কেন, ইরানে হলিউড স্টাইলে বিনা রক্তপাতে ইউরোনিয়াম সংগ্রহ করে চলা আসা একেবারেই সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্র যদি প্রকৃত অর্থেই ইউরোনিয়াম সংগ্রহ করতে চায়। তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে স্থল অভিযান পরিচালনা করতে হবে। সে অভিযানে ইরানের সেনাদের বিপক্ষে অন্তত ৫০ হাজার মার্কিন সেনা নিহত হবে। অপরদিকে ইরানের কমপক্ষে ১ লাখ নিহত হবে। তারপর যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পরাজিত করতে সক্ষম হবে। তবে এ যুদ্ধ অন্তত চার থেকে পাঁঁচ বছর দীর্ঘায়িত হবে। প্রশ্ন হচ্ছে, ৫০ হাজার মার্কিন সেনা কি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত আছে?
ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেবেছিল ইরানের উপর সাময়িক হামলা ও রিজিম প্রধানদের সরিয়ে দিলে ইরান আত্মসমর্পণ করে ফেলবে। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প পড়েছে বেকায়দায়। ট্রাম্প চাচ্ছে তার সেনাদের কোনো প্রকার বিপদ ছাড়াই বিজয় অর্জন করতে। ইরানের বিপক্ষে মাত্র ১৫ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়ে যাওয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের টেনশনের শেষ নেই। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্য ব্যাপক প্রতিক্রিয়া চলমান রয়েছে। মার্কিন সাধারণ নাগরিকদের ধারণা ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের সাথে মিত্র হয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে মার্কিন সেনাদের প্রাণ হুমকিতে ফেলেছে।
Category
Website
Address
Dhaka