Nurses couple Rifat & Runa
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nurses couple Rifat & Runa, Digital creator, Mymensingh.
সম্মানের আগেও রোগীর সেবাটা আমাদের কাছে বড়, এজন্যই আমরা সেবক-সেবিকা😊,এজন্যই কাজে ফিরে যাওয়া
আফসোস মানুষ বাচানোর ব্রত নিয়ে মানুষের গায়ে হাত তোলার শিক্ষাটাই প্রকাশ পেলো কিছু কুলাঙ্গারের!
তোরা গায়ে হাত দিলে আমাদের সম্মান যায় না,কর্মবিরতিতে হাসপাতাল অচল হলে আমাদের সম্মান যায়😔
04/05/2022
আজকের ইত্যাদি অনুষ্ঠানের উদ্ভোদনী নৃত্যে অংশ নিয়েছেন প্রায় শতাধিক নার্স ও নার্সিং শিক্ষার্থী।
চোখ রাখুন বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে রাত ৮ টার বাংলা সংবাদের পর।
এই ডাক্তারি পরামর্শটির বাস্তব উদাহরণ আমি নিজে!!!
গত মার্চের ৬ তারিখের গভীর রাতে আমার ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল! দ্রুত ওঠে বাথরুমে পেসাব করে বোতলে পানি খেয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ি। তার দুইদিন পর সিমটম শুরু হলে নিউরোসাইন্স হাসপাতালে যাই। যথারীতি সিটিস্ক্যান! ধরা পড়ে মাইনর স্ট্রোক!
পরামর্শঃ-
যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ:
আমরা প্রায়ই শুনতে পাই একেবারে সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন। এটার একটা কারন হচ্ছে রাতে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমরা তাড়াহুড়ো করে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে পড়ি, যা ব্রেইনে রক্তের প্রবাহ হঠাত কমিয়ে দেয়। এটা আপনার ইসিজি প্যাটার্নও বদলে দেয়।
হুট্ করে ঘুম থেকে উঠেই দাঁড়িয়ে পড়ার দরুন আপনার ব্রেইনে সঠিক ভাবে অক্সিজেন পৌছাতে পারেনা, যার ফলে হতে পারে হার্ট এ্যাটাকের মত ঘটনাও।
ডাক্তাররা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাবার আগে সবাইকে 'দেড় মিনিট' সময় নেয়ার একটি ফর্মুলা দিয়েছেন।
এই দেড় মিনিট সময় নেয়াটা জরুরি কারন এটা কমিয়ে আনবে আপনার আকস্মিক মৃত্যুর সম্ভাবনা।
হঠাৎ এই উঠে পড়ার সময়ে এই দেড় মিনিটের ফর্মুলা বাঁচিয়ে দিতে পারে আমাদের জীবন।
১। যখন ঘুম থেকে উঠবেন, হুট করে না উঠে মিনিমাম তিরিশ সেকেন্ড বিছানায় শুয়ে থাকুন।
২। এরপর উঠে বিছানায় বসে থাকুন তিরিশ সেকেন্ড।
৩। শেষ তিরিশ সেকেন্ড বিছানা থেকে পা নামিয়ে বসুন।
এই দেড় মিনিটের কাজ শেষ হবার পর আপনার ব্রেইনে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন পৌছাবে যা আপনার হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি একদম কমিয়ে আনবে।
খুবই গুরুত্তপুর্ন এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যটি ছড়িয়ে দিন আপনার পরিবার, বন্ধু এবং পরিচিত লোকজনের মাঝে। নিজে এই ফর্মুলাটি মেনে চলুন এবং অন্যদেরকেও মানতে বলুন।
মনে রাখবেন যেকোন বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। সুতরাং সবাই নিয়মটি মানতে চেষ্টা করবেন প্লিজ। বিদ্রঃ সংগৃহীত, জনসচেতনতার জন্যে প্রচারিত।
#নার্স_অফিসার_বান্ধব_পরিবেশ
#ওয়ার্ড_ভিত্তিক
প্রতি শিফটে ১৬ জন রোগীর জন্য একজন নার্স।
#সিসিইউ
প্রতি শিফটে ৪ জন রোগীর জন্য ১ জন নার্স
#নিওনেটাল_ওয়ার্ড
প্রতি ২ জন নবজাতকের জন্য প্রতি শিফটে ১ জন নার্স
ি_ইউ
প্রতি শিফটে ১ জন রোগীর জন্য ১ জন নার্স।
#প্রসুতি_ওয়ার্ড
প্রতি ৪ জন রোগীর জন্য ১ জন নার্স
এবার বেড ও তিন শিফট অনুযায়ী নার্স এর সংখা বের করুন।৩০% অতিরিক্ত নার্স ছুটি,মাতৃত্ব কালীন ছুটি,অসুসস্থা জনিত ছুটি এবং নৈমওিক ছুটির জন্য এবং ডে অফ এর ছুটির জন্য যোগ হবে।
২। প্রশিক্ষণ বিভিন্ন ক্যাটাগরি আইসিইউ নার্স,কার্ডিয়াক নার্স, নিও নেটাল নার্স আরো বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ বিভাগের জন্য দেশি ও বিদেশি প্রশিক্ষণ লাগবে।
৩। নার্সিং প্রশাসন চালানোর জন্য প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৪। বছরে অন্তত ১৫ দিন বিনোদনের জন্য ছুটি দিতে হবে।
৫। প্রতিটি হাসপাতালে নার্সিং ডর্মেটরি এবং ২য় শ্রেনীর কর্মকর্তার জন্য পৃথক পারিবারিক আবাসন ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৬। আলাদা ক্যানটিন ও বিনোদনের জন্য ক্লাব থাকতে হবে।
৭। কাউন্সেলিং এর মৌলিক প্রশিক্ষন দিতে হবে।
৮। নার্সদের সাথে হাসপাতাল এর ডাক্তার থেকে সর্বনিম্ন পর্যায় পর্যন্ত এবং সেবা গ্রহিতাদের সন্মান জনক আচরণ করতে হবে।
৯। সম্ভব হলে বি এস সি উত্তীর্ণ নার্সদের নিয়োগ দিয়ে উচ্চ পর্যায়ের পদ গুলো প্রথম শ্রেনীতে উর্তীন্ন করতে হবে।
১০। নার্সদের সামাজিক মর্যাদাকে সন্মানের সাথে দেখতে হবে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দীন আহমেদ স্যার, প্রাক্তন পরিচালক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
17/04/2022
#বাচ্চাকে_খাবার_খাওয়ানোর_ভুল_পজিশন
বাচ্চাকে খাবার কিভাবে খাওয়াতে হয় তা ৭০ ভাগ মা জানেন না। আবার কেউ জেনেও মানেন না। শুধু মা নন বাচ্চা পালার সাথে সম্পর্কিত সব ব্যাক্তি ই এই সব ব্যাপারে পূর্ববর্তী দাদা দাদির ইতিহাস টেনে এনে নিজের করা ভুল কে সত্য প্রমাণিত করার চেষ্টায় থাকেন" যা দু:খজনক!
কুষ্টিয়ার মিরপুরে এক ৫ মাসের শিশুকে মা সুজি খাওয়াতে গিয়ে মারা গেছে এমন একটা নিউজ আসলো। জানি না বাচ্চা টার আসলেই ৫ মাস কিনা। আসলে ঘটনা কি সেটাও জানি না। তবে অনেক বাচ্চাকেই চোখের সামনে ভুল পজিশনে খাওয়াতে দেখেছি যার ফলে বাচ্চার নিউমোনিয়া হয়েছে। বাচ্চার চকিং হয়েছে। ফলাফল হাস্পাতাল বা মৃত্যু।
তাই ভাবলাম এই বিষয় নিয়ে কথা বলা দরকার।
বাচ্চার পজিশন ও খাবারের নিয়ম:
১.শুরু থেকেই চেয়ার সেটিং এ বসিয়ে বাচ্চা কে খাওয়াতে হবে। ছবি টা দেখুন।
২.আপনার হাতের আংগুল দিয়ে খাবার চটকে আংগুলে নিয়ে মুখে দিবেন।
৩.মুখে নেয়ার আগ্রহ হলে আবার আরেকটু দিন
৪.হাতে ধরতে দিন নাড়তে দিন ফেলতে দিন
৫. আপনি যখন খাওয়াবেন কারো।সাথে কথা বলে।বা টিভি দেখবেন না।আপনার মনোযোগ যেনো বাচ্চার খাবারে থাকে।
৬. খাবার গেলার জন্য খাবারের ফাকে পানি দিবেন না। দরকার হলে খাবারের ঘনত্ব পাতলা করে নিন। নরম করে নিন।
৭. বাচ্চা কান্না করলে সেই অবস্থায় খাবার দিবেন না।
৮. ৬ মাস হওয়ার আগে খাবার দেয়া শুরু করবেন না।
৯. বালিশে শুইয়ে দিয়ে খাবার মুখে দিবেন না
১০. কোলে নিয়ে হেটে হেটে খাওয়াবেন না।
১১. গাছপালা আকাশ বাতাস দেখিয়ে খাওয়াতে চাইলে নিন কিন্তু সেখানেও বাচ্চাকে চেয়ার পজিশনে বসান।
১২. বাচ্চা কে।খাওয়ানোর সময় কথা বলুন ছড়া গান করুন তারপর খাওয়ান।
আমি গ্রামের এক মাকে দেখেছিলাম বেবি চেয়ার এর মত ছোট চেয়ারে বাচ্চাকে বসিয়েছেন। পাশে বালিশ দিয়েছেন যাতে বাচ্চা সোজা থাকে। আর সুতি নরম ওড়না দিয়ে হালকা চেয়ারে সাথে বাচ্চাকে বেধে দিয়েছিলেন যাতে সামনের দিকে।ঝুকে না যায়।
সস্তায় কত বুদ্ধি আছে তাদের!
বিদেশি বাচ্চার বাবা মায়ের সাথে আমাদের দেশের বাবা মায়ের পার্থক্য হলো ওনারা ছোট বেলা থেকেই বাচ্চাকে একজন আলাদা সত্তা হিসেবে পালতেন থাকেন, আত্তনির্ভরশীল করে ছোট থেকেই গড়ে তুলেন আর আমরা আবেগ দিয়ে তুলুমুলু করে বাচ্চা পালতে থাকি! যত তাড়াহুড়া বাচ্চাকে খাওয়ানোর সময়!
নতুন মায়েরা অনেক কিছু ই বুঝতে পারেন না। তারা আসলে শিখতে চান কিন্তু পরিবারের একেক জনের দেয়া জ্ঞানের ভান্ডারে ওনারা বুঝে উঠতে পারেন না কি করবেন কিভাবে করবেন!! প্রয়োজন সচেতনতা ও কাউন্সেলিং ।
বাংলাদেশ ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশন এই সব নিয়ে কাজ করছে হবু মায়েরা বা নতুন মায়েরা বাচ্চাকে খাবার খাওয়ানোর যাবতীয় বিষয় এখান থেকে জেনে নিতে পারবেন
হায়াত জানি সৃষ্টিকর্তার হাতে তবুও ভুল প্যারেন্টিং এর কারনে একটা শিশুও যাতে আর না হারিয়ে যায়
এটাই আমাদের কাম্য 🙂
15/04/2022
আলহামদুলিল্লাহ্।
আমাদের সাইকিয়াট্রি ডিপার্ট্মেন্টের সাফল্য।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল🤗
কয়দিন আগে একটা ভিডিও দেখেছিলেন সবাই "১টা বাচ্চাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। নাহলে বাচ্চাটা নিজের মাথায় নিজে বাড়ি মারে এবং ইঞ্জুরি করে ফেলে। পরবর্তীতে ভিডিও করে ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়। আর এরপর বাকিটা উপরওয়ালার রহমত আর আমাদের সাইকিয়াট্রি ডিপার্ট্মেন্টের স্যারদের অক্লান্ত চেষ্টার ফসল"।
বিঃদ্রঃ নিচের লেখাটি পুরাটা ডাঃ সজীব আবেদিন স্যারের ওয়াল থেকে..
A happy story
আমরা শিশুটিকে একটি ভাইরাল ভিডিও থেকে ভর্তি নেই।
৮ বছর পর বাবা মার মুখে হাসি❣️
হাত বেধে রাখার কারন ছিলো self injury and head banging.
Video টি কমেন্ট এও শেয়ার করছি সচেতনতার জন্য।
মানসিক রোগ মানেই পাগল নয় সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসায় মানসিক রোগ ভালো হয়।
Psychiatrist Dr. Sazib Abedin MD
Session 2006/07
MMC
07/04/2022
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনরায় ক্যাথল্যাব এর কার্যক্রম চালু।
এখন থেকে মমেক হাসপাতালে রক্তনালীর ব্লক নির্ণয়, রিং পরানো ছাড়াও পেসমেকার লাগানোসহ শিশুদের জন্মগত হৃদরোগও নির্ণয় করা যাবে।
কম খরচে হাতের কাছে এনজিওগ্রাম ও রিং পরানোসহ হৃদরোগীদের অন্যান্য এমন সেবা পেয়ে দারুণ খুশি বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের রোগী ও তাদের স্বজনরা।
১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বর্তমান এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এ হাসপাতালে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল তথা সিলেট, সুনামগঞ্জ, রৌমারী, কুড়িগ্রামসহ এ অঞ্চলের প্রায় দুই কোটি মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল।
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তরিকুল ইসলাম খান ওয়াসিম জানান, ময়মনসিংহ মেডিকেলের হৃদরোগ বিভাগে ৫০ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন দুই শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। জটিল রোগীদের ঢাকায় স্থানান্তর করার সময় নেয়ার পথেই ঘটতো প্রাণহানির ঘটনা।
এমন বাস্তবতায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে উদ্বোধন করা হয় ৮ শয্যার কার্ডিয়াক ক্যাথল্যাব। এরপর করোনা মহামারিসহ নানা জটিলতায় এটি আর চালু হয়নি। গত বছর ২৮ মার্চ চালু হলেও কোভিড-১৯ পরিস্থিতির অবনতি হলে কিছুদিন পর ক্যাথল্যাবের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
গতকাল পুনরায় কার্যক্রম চালু হওয়ার প্রথম দিনেই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ ১২ জন রোগীর এনজিওগ্রাম করা হয়। এদের মধ্যে তিনজনের হার্টে ব্লক ধরা পড়ায় তাদের রিং পরানো হয়। রোগীদের সবাই সুস্থ আছেন বলে জানান তিনি।
ইফতারের পর হার্ট এটাক বাড়ছে :
সতর্ক হতে হবে:
ইফতারের পর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ভর্তি হওয়ার হার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।অনেকে হার্ট এটাকের ব্যাথা কে ভুল করে এসিডিটির পেইন মনে করে এন্টাসিড বা ইনো খেয়ে আরো বেশী অসুস্থ হয়ে বা তীব্র বুকের ব্যাথা নিয়ে রমজান মাসে সন্ধ্যা বেলা ইফতারির পর চিকিৎসক এর চেম্বারে বা হসপিটালের ইমারজেন্সী বিভাগে চলে আসেন। ইসিজি করার পর প্রতীয়মান হয় যে উনার হার্ট এটাক হয়েছে এবং ততক্ষণে জটিলতা বেড়ে যায়।
যেকোনো ভারী খাবার দাবারের পর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রচুর খাবার একসাথে গেলে সেগুলোকে সামাল দেয়ার জন্য পাকস্থলীকে তার কাজ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে হয়। বেশি কাজ মানেই বেশি শক্তি। এই অতিরিক্ত শক্তির জন্য তার রক্তও দরকার হয় বেশি। কিন্তু এই রক্ত সে পাবে কই?
পাকস্থলীর মোটামোটি কাছের প্রতিবেশী যেহেতু হার্ট, তখন হার্টকে স্যাক্রিফায়েস করতে হয় বেশ খানিকটা রক্ত। আর ঠিক তখনই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।
রোজায় সারাদিন না খেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বেশ ক্ষুধার্ত থাকি। ব্রেইন বারবার সিগনাল পাঠাতে থাকে - খাবার দাও, খাবার দাও।
টেবিলে সাজানো সুস্বাদু সব খাবার আর ব্রেইনের সিগনালের ফাঁদে আমরা খুব সহজেই ধরা পড়ে যাই। গোগ্রাসে প্রচুর খাবার গিলতে থাকি।
তারপর আমাদের অজান্তেই শরীরের মধ্যে চলতে থাকে আন্তঃপ্রতিবেশী রক্ত আদান-প্রদান। কখনো কখনো হজম প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে শরীরের বিভিন্ন অর্গান বা অংগ থেকে পাকস্থলী বা স্টম্যাক এর দিকে রক্তের ডাইভারসন হয়, এর মাঝে হৃদপিন্ড বা হার্ট অন্যতম যেখানে রক্ত চলাচলে স্বল্পতা ঘটে।ফলশ্রুতিতে ভারী খাবার দাবারের ২ ঘন্টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রায় চারগুণ।
তাই, ইফতারে খাবার কম খান। দরকার হলে অল্প অল্প করে ২/৩ বারে খান।
নিজের স্বজনদের খাবারের দিকেও খেয়াল রাখুন।
Collected
নাম জানতে চাওয়ায় নার্সকে পেটালো পুলিশ..............
সব দোষ কি নার্সের? নাম জানতে চাওয়া কি অপরাধ?
সিজারিয়ান ভাবে ডেলিভারি।
Click here to claim your Sponsored Listing.