Alvi Rafi
To raise awareness among the people
Way to kalmakanda,Netrokona..........
....
Rubber plantation, Sherpur. On the border of Bangladesh
"ব্রান্ড ছাড়া এবং সস্তা কাপড় পরা, এটা বুঝায় না যে তুমি গরীব। মনে রাখবে, তোমার একটা পরিবার আছে যাদেরকে খাওয়ানো লাগবে, কোনো কমিউনিটিকে ইমপ্রেস করা লাগবে না।"
---- এমা ওয়াটসন
🧑✈️🧑✈️
আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছেন তাতেই আলহামদুলিল্লাহ। যা পাব তাতেও আলহামদুলিল্লাহ। না পেলেও আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ যে যেটার উপযুক্ত তাকে সেইটুকুই দেন । আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি আর তাঁর কাছে চাইতে পারি। দেয়া না দেয়া তাঁর ইচ্ছাধীন। তবে আদম সন্তানের কোনো দোয়া আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না। বান্দার জন্য যা কল্যানকর তিনি তাই করেন, আমরা হয়তো বুঝতে পারি না। ভাবি এতো কিছু চাই আল্লাহর কাছে কিন্তু কিছুই জোটে না। আল্লাহর কাছে চাইলে তিনি হয়তো
★ যা চাচ্ছি, তা দেন;
★ যা চাচ্ছি, তা না দিয়ে, বান্দার জন্য যেটা কল্যাণকর, তা দেন;
★ যা চাচ্ছি, তার বিনিময়ে সমপরিমাণ বিপদ দূর করে দিয়ে, নিরাপদ রাখেন ;
★ যা চাচ্ছি তা দুনিয়াতে না দিয়ে আখিরাতের জন্য এর চাইতে আরো ভালো কিছু রেখে দিয়েছেন।
কিন্তু আমরা যা তাঁর কাছে চাই সেটা পাইলেই আমাদের দোয়া কবুল হয়েছে, আর না পাইলে দোয়া কবুল হয় না বলে ভুল করি।
21/10/2022
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়মঃ
এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ডে বাংলা নাম ও ইংরেজি নামের যদি প্রকৃতপক্ষে কোন ভুল থাকে তাহলে সংশোধনের আবেদন দাখিল করে তা ঠিক করা যায়। এনআইডি কার্ড অথবা ভোটার আইডি কার্ডের সংশোধনের আবেদন সাধারণত দুই ভাবে করা যায়।
প্রথমতঃসংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরম-২ সংগ্রহ করে পূরণ করতে হবে। ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি বিকাশ বা রকেট এর মাধ্যমে জমা দিয়ে তার রশিদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফরম এর পিছনে পিন আপ করে জমা দিলে সংশোধনের কার্যক্রম শুরু হয়।
দ্বিতীয়তঃ অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন দাখিল করা যায়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট http://service.nidw.gov.bd ঠিকানায় গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে লগইন করলে ওই ভোটারের ছবি, নাম, পিতার না, মাতার নাম, জন্ম তারিখসহ যাবতীয় তথ্য দেখা যায় এবং এগুলো এডিট করার মাধ্যমে আবেদন দাখিল করা যায়। আপনি চাইলে ঘরে বসেই নিজের মোবাইল অথবা কম্পিউটার ব্যবহার করে এনআইডি কার্ড অথবা ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন দাখিল করতে পারবেন। এক্ষেত্রে অফিসে যাওয়া আসার কষ্ট করার প্রয়োজন হয়না এবং সময়ও বেঁচে যায়
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে যা যা লাগেঃ
যদি নামের বানানে কোন ভুল থাকে এবং নামের আগে থাকা মোঃ/মোছাঃ বাদ দিতে চান অথবা যোগ করতে চান সেক্ষেত্রে আবেদনের সঙ্গে,
✔️ এসএসসি সনদঃ আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান সনদের ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। অথবা অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর আবেদন করার সময় ছবি তুলে বা স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
✔️ জন্ম নিবন্ধন সনদঃ আবেদনকারীর অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। জন্ম নিবন্ধন সনদ সবার জন্য বাধ্যতামূলক।
যদি আপনি বিবাহিত হন এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ না থাকে তাহলে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্রগুলো জমা দিতে পারেন।
❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি (বাধ্যতামূলক)।
❖ সন্তানদের ভোটার আইডি কার্ডের কপি অথবা শিক্ষা সনদ অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ (যদি থাকে)।
❖ স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি কার্ডের কপি (যদি থাকে)।
❖ কাবিননামা/বৈবাহিক সনদ (যদি থাকে)।
❖ সার্ভিস বই/এমপিও শীটের কপি (চাকুরিজীবি হলে)।
❖ পৌর মেয়র/চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র ইত্যাদি (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)।
আপনি যদি বিবাহিত না হন তাহলে একটু খেয়াল করে দেখবেন যেসব কাগজপত্রে আপনার নাম সঠিক করে লেখা আছে, সেই সব কাগজপত্র আবেদনপত্রের সাথে জমা দিবেন।
যদি নামের পদবী সম্পূর্ণ পরিবর্তন করতে চান তাহলে-
❖ এসএসসি সনদ (যদি থাকে)।
❖ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (বাধ্যতামূলক)।
❖ স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি কার্ডের কপি (যদি থাকে)।
❖ কাবিননামা/বৈবাহিক সনদ (যদি থাকে)।
❖ সন্তানদের ভোটার আইডি কার্ড এর কপি অথবা শিক্ষা সনদ অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ (যদি থাকে)।
❖ পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে)।
❖ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে)।
❖ পৌর মেয়র/চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র ইত্যাদি (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)।
উপর্যুক্ত কাগজপত্রের মধ্যে যে কাগজপত্রগুলো আপনার আছে আবেদনের প্রাথমিক অবস্থায় সেগুলো জমা দেবেন।
আপনার দাখিলকৃত আবেদন অনুমোদন হলে বা বাতিল হলে বা আরো কাগজপত্র প্রয়োজন হলে আবেদনের সময় সরবরাহকৃত মোবাইল নম্বরে ম্যাসেজ করে জানানো হয়।
আবেদন অনুমোদন হলে অনলাইন সিস্টেম হতে মূল এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ড এর একটি অনুলিপি ডাউনলোড করা যাবে। সেটি প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে নিলেই নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারবেন। অথবা আবেদন অনুমোদন হওয়ার পর ৫-৭ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে সংশোধিত এনআইডি কার্ড/ভোটার আইডি কার্ডটি সংগ্রহ করা যাবে।
'Anger & love have no limits. The choice is yours!'
সদ্য কেনা নতুন গাড়ীটা যখন পরিষ্কার করছিলাম তখন আমার ছয় বছরের ছেলেটা ধাতব কিছু দিয়ে গাড়ীটাতে কিছু লিখছিল । খুব শখের গাড়ী তাই রাগ সামলাতে না পেরে লিখা অবস্হায় ছেলের হাতের উপর আঘাত করলাম । রাগের মাথায় খেয়াল করিনি যা দিয়ে আঘাত করেছি সেটা ছিল লোহার একটা পাইপ!
আমার ছোট্ট ছেলেটা হাসপাতালের বেডে শুয়ে ঘুমাচ্ছিল আর আমি ওর পাশে বসে কাঁদছি । লোহার আঘাতে চারটা আঙুল ভেঙে গেছে। আর ঠিক হবে না কখনও । আমার চোখের পানি ওর গালের উপর পড়ে ঘুম ভেঙে যায় ওর । ব্যান্ডেজ করা হাতের দিকে চেয়ে আমায় বলে 'সরি বাবা, আমি আর গাড়ীর উপর লিখব না । আমার আঙুলগুলো কি আবার ফিরে পাব-বাবা?'
বাসায় ফিরে পুরো গাড়ীটা দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে ফেলি । তারপর ক্লান্ত হয়ে বসে পড়ি । আমার চোখ পড়ে গাড়ীর গায়ে ছেলের লিখাটার উপর-' Love u Dad ' !
পরদিন সকালে সেই হতভাগ্য বাবা আর বেঁচে নেই । ভীষণ কষ্টে আত্মহত্যা করেন। তার নিথর দেহের পাশে একটা চিরকুট পড়ে ছিল।😥😥😥
তাতে লিখেছিল :
'Anger & love have no limits. The choice is yours!'
#রেগে_গেলেন_তো_হেরে_গেলেন।।
আমরা এমন অনেক মানুষ আছি যারা নিজের রাগের জন্য জীবনে অনেক কিছু হারিয়ে ফেলি।
★ সংগৃহীত ★
23/08/2022
কোর্ট ম্যারেজের আইনগত কোন ভিত্তি আছে কিনা?
👉কোর্ট ম্যারেজের আইনগত কোন ভিত্তি নেই। কেননা কোর্টে কোন বিয়ে পড়ানো হয় না। বিবাহের পক্ষগণ অনেক সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে তাদের মধ্যে বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে মর্মে ঘোষণা প্রদান করে থাকে। মূলত এ ধরনের ঘোষণাপত্রই আমাদের দেশে কোর্ট ম্যারেজ নামে পরিচিত। এ ধরনের ঘোষণাপত্র সম্পাদন করার মূল কারণ হলো আইনী ঝামেলা এড়ানো । বর ও কনে ছাড়া তাদের পরিবারের অন্য কোন সদস্য বিয়েতে সম্মত না থাকলে সাধারণত কোর্ট ম্যারেজের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। এ রকম ক্ষেত্রে কনের পিতা বা অভিভাবক কর্তৃক বরের বিরুদ্ধে প্রায়ই অপহরণ বা অপহরণপূর্বক ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়ে থাকে। কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় কনে স্বেচ্ছায় বরের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া সত্তেও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের চাপে নিজের ইচ্ছায় পালিয়ে যাওয়া এবং নিজের সম্মতিতে বিয়ে করার কথা অস্বীকার করে। তখন নির্দোষ বরকে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়। এ হয়রানি থেকে বরকে বা ক্ষেত্রমত কনেকে বাঁচানোর জন্যই মূলত কোর্ট ম্যারেজের প্রচলন।
Alvi Rafi To raise awareness among the people
16/08/2022
আমাদের দেশে ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়া একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। মূলত ব্যবহারকারীদের অসতর্কতার কারনেই আইডি হ্যাক হয়ে থাকে। এ পোষ্টে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করা হবে যাতে করে আপনারা আপনাদের আইডিকে হ্যাক প্রুফ করতে পারেন।
@ আইডিতে সাধারনত যে সকল দুর্বলতা দেখা যায়-
❌ লগ ইনের সময় ইমেইল এড্রেসের পরিবর্তে মোবাইল নম্বরের ব্যবহার করা।
❌ ২ ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন না রাখা।
❌ দুর্বল ও অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ডের ব্যবহার (যেমন মোবাইল নম্বর, ডাক নাম, সন্তানের নাম, জন্ম তারিখ, পিতা মাতার নাম ইত্যাদি)
❌ রিকভারি অপশন চালু না রাখা।
❌ আপনার ফেসবুক আইডির নাম, জন্ম তারিখ, অরিজিনাল নাম ও জন্ম তারিখ থেকে আলাদা হওয়া।
❌ জন্ম তারিখ ওপেন রাখা।
❌ ফেসবুক ও যে মেইল দিয়ে ফেসবুক ওপেন করা হয়েছে তার পাসওয়ার্ড একই থাকা। তাহলে হ্যাকার যখন আপনার ফেসবুক হ্যাক করবে, সাথে সাথে আপনার ইমেইল ও হ্যাক হয়ে যাবে।
@ যে ভাবে আপনার ফেসবুক সিকিউর করবেন-
✅ মোবাইল নম্বরের পরিবর্তে ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করুন। কেননা আপনার পাসওয়ার্ড বা ইমেইল হ্যাকার চেঞ্জ করলে সাথে সাথেই ফেসবুক আপনার ইমেইলে মেইল পাঠিয়ে আপনাকে সতর্ক করবে। সেখানে রিকভারির লিংক দেয়া থাকে। তাতে ক্লিক করে আপনি সহজেই আইডি রিকভার করতে পারবেন।
✅ ফেসবুকের সেটিংস থেকে Security and login>use two-factor authentication এ গিয়ে আপনার মোবাইল নম্বর যুক্ত করুন। এর পর অন্য কোন মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে আপনার আইডি তে লগইন করার চেষ্টা করুন, দেখুন পাসওয়ার্ড দেবার পর কোড চায় কিনা। যদি চায় তাহলে আপনার ২ ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু হয়েছে। এখন কেউ আপনার ইমেইল+পাসওয়ার্ড জানলেও আপনার মোবাইল হাতে না পেলে হ্যাক করতে পারবে না।
✅ অনেকের পাসওয়ার্ড থাকে শুধু মাত্র সংখা দিয়ে যা অত্যন্ত দুর্বল। পাসওয়ার্ড তৈরি করুন Capital letter, small letter, number & symbol মিলিয়ে। ৮ ক্যারেক্টারের নিচে পাসওয়ার্ড না হওয়াই উত্তম।
✅ সেটিংস এ গেলে ১টি অপশন আছে Choose 3 to 5 friends to contact if you get locked out. এখানে আপনি আপনার ৩ থেকে ৫ জন কাছের মানুষকে যোগ করুন যাদের সাথে আপনার সরাসরি/ফোনে যেকোন সময় যোগাযোগ করতে পারবেন। যদি আপনার আইডি হ্যাক হয়ে যায় তাহলে তাদেরকে বলতে হবে Facebook .com/recover এ লিংকে যেতে। তারা সেখানে আপনার আইডি রিকভার করার জন্য কোড পাবে আর সে কোড ব্যবহার করেও আপনি আপনার আইডি রিকভার করতে পারবেন।
✅ বর্তমানে আইডি রিকভার করতে গেলে ফেসবুক ভিকটিমের আইডি কার্ডের ছবি চায়। কিন্তু দেখা যায় যে, আইডি কার্ডে যে নাম ও জন্ম তারিখ আছে তার সাথে ফেসবুকের নাম ও জম্ন তারিখ মেলে না। ফলে রিকভার করা সম্ভব হয় না। সুতরাং অবশ্যই আপনার আইডিতে যে নাম ও জন্ম তারিখ আছে তা ব্যবহার করুন।
✅ আপনার জন্ম তারিখ যদি ওপেন থাকে তাহলে আপনি ১ ধরনের আক্রমনের আওতায় রয়েছেন। ১ গ্রুপের হ্যাকার রয়েছে যারা আপনার ফেসবুকের নাম ও জন্ম তারিখ মিলিয়ে মিথ্যা পরিচয় পত্র তৈরি করে আপনার আইডির কন্ট্রোল আপনার কাছে নিয়ে নেয়। সুতরাং কখনোই জন্ম তারিখ ওপেন থাকা উচিত নয়।
@ ফেসবুকে যে সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা উচিত-
⚠ কখনোই আপনার একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি ফেসবুকে বিশেষ করে ম্যাসেঞ্জারে কারো সাথে শেয়ার করবেন না। দেখা যায় যে অনেকেই তার আপনজনের সাথে তাদের ব্যক্তিগত ছবি শেয়ার করে। পরবর্তিতে ঐ দুই জনের যে কোন একজনের ফেসবুক হ্যাক হয়ে গেলেই হ্যাকার ঐ সকল ছবি সংগ্রহ করে ব্লাকমেইল করা শুরু করে।
⚠ অনেকে ফেসবুকে সিক্রেট এলবাম তৈরি করে তাতে তার বিভিন্ন ছবি, সার্টিফিকেট, আইডি কার্ড সংরক্ষন করে থাকে। এটি হ্যাকারদের জন্য হীরার খনি। আপনার আইডি হ্যাক হওয়া মানে আপনার সকল ব্যক্তিগত তথ্য তার কাছে চলে গেল। এটা কখনোই করা উচিত নয়।
⚠ কোন লিংকে ক্লিক করে যদি ফেসবুকে রিডাইরেক্ট হয়ে যান ও সেখানে ফেসবুকের আইডি ও পাসওয়ার্ড দিতে বলা হয়, তাহলে সম্ভবত আপনাকে ফিশিং করা হচ্ছে। ভুলেও সেখানে আইডি, পাসওয়ার্ড দেবেন না। যে সাইটে গেলেন তার URL আগে খুব ভাল করে দেখে নিন। Facebook না Faecbook এ গেলেন? প্রয়োজনে অন্য ১টি ট্যাবে আলাদা ভাবে নিজে ব্রাউজ করে ফেসবুকে গিয়ে লগ ইন করুন।
⚠ হঠাৎ আপনার ইনবক্সে আপনার বান্ধবি ম্যাসেজ পাঠাতে পারে যে, আমি ওমুক ১টা ফেসবুক গ্রুপে গিয়ে দেখলাম যে তোর কিছু অসামাজিক ছবি আপলোড করা হয়েছে। নিচে লিংক দেয়া আছে। ক্লিক করলে আপনার ১টি এডিটেড ছবি ও তার নিচে লগ ইন করে বাকি সব ছবি ও ভিডিও দেখার জন্য বলা থাকতে পারে। এটাও এক ধরনের ফিশিং। আসলে আপনি লগইন করতে গেলে আপনার ফেসবুকের আইডি আর পাসওয়ার্ড চুরি হয়ে যাবে।
⚠ মোবাইলে যে সকল কোড আসবে তা কখনোই কারো সাথে শেয়ার করবেন না।
⚠ “ঘুম থেকে উঠলাম”, “ক্লাসে যাচ্ছি”, “কিছু ভাল লাগছে না” এই টাইপের স্টাটাস না দেয়া উচিৎ। ধরুন আপনি আপনার পুরো ফ্যামিলি নিয়ে ইদে গ্রামের বাড়ী বেড়াতে যাচ্ছেন। রেলগাড়ীতে উঠে ১টা স্টাটাস, বাড়ী পৌছে আর ১টা স্টাটাস দিলেন। আর আপনার ফ্রেন্ড লিষ্টে থাকা কোন এক জন ব্যক্তি বুঝে গেল যে আপনার বাড়ী ফাঁকা, আর এ সুযোগে আপনার বাসার সব চুড়ি করে নিয়ে গেল। আপনার একটি সাদামাটা পোষ্ট আপনার ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াতে পারে।
⚠ অনলাইনে যে কোন পোষ্ট বা কমেন্ট করার আগে চিন্তা ভাবনা করে করা উচিৎ।
পরিশেষে, আপনার ফেসবুক আইডি আপনার সম্পদ। এটির সিকিউরিটি ও আপনার কাছে, এ থেকে প্রদত্ত পোষ্টের দ্বায়িত্ব ও আপনার।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Mymensingh
2100