M A K Roni
কিছু একটা অপূর্ণ ছিল -যা পূরণ হয়নি।
একজন আমারও ছিল -যে আমার হয়নি 🥲
18/04/2026
"আমি সবকিছু ভুলতে পারবো কিন্তু তোমার মায়া কখনো ভুলতে পারবো না.!💔🥀
────Ꮗ -একজনকে ১ঘন্টার মত..🙂
-বুঝিয়েছিলাম প্রেম ভালো না!😇❌⛔
-তারপর দেখি..😒
-সে আমার উপর ক্রাশ খাইছে!😑
--কেমন ডা লাগে 😒😒
দেশটা গড়ার কোন ইচ্ছে নাই শুধু নিজেরটাই করা। দেশ থেকে যে সকল বাংলাদেশের লোকজন বিদেশে যান তারাই বলেন। আগের এয়ারপোর্ট নাকি বর্তমান এয়ারপোর্ট ⛔❤️✅
#এয়ারপোর্টে লাগেজ কাটার স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই!
"ফিরিয়ে দাও মোর সোনালী যুগ।"☣️☣️
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এয়ারপোর্টের লাগেজ কাটার স্বাধীনতা সংকটের মুখে!
সরকার পতনের পর বাংলাদেশের প্রধান বিমানবন্দর যখন অরক্ষিত, ঠিক তখনই অবস্থার ভয়াবহতা উপলব্ধি করে বিমানবাহিনী হুট করে এয়ারপোর্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিলো, আর তাতেই ঘটলো এক মহা বিপর্যয়—দুর্নীতির স্বর্ণযুগ যেন মুহূর্তে অন্ধকারাচ্ছন্ন! লাগেজ কাটা বন্ধ, যাত্রী হয়রানি নেই, ঘুষ ছাড়া সব কাজ হচ্ছে! এ তো চরম অন্যায়!
সিভিল এভিয়েশনের কিছু ‘অসৎ’ কর্মকর্তা আর তাদের কুকর্মের সহযোগী কিছু ( আনসার, এপিবিএন, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং স্টাফ নামেই পরিচিত) এখন বেকার বসে! সেইসব চৌকস লাগেজবাজ, চেকিং মাস্টার আর পার্সেল পারমিট বাণিজ্যের দক্ষ উদ্যোক্তারা বুঝতেই পারেনি যে এক সকালে উঠে দেখবে, তাদের ইনকামের প্রধান খাত বন্ধ হয়ে গেছে!
চলুন দুর্নীতির সোনালী দিনগুলোর দিকে ফিরে তাকাই:
এক সময় এই এয়ারপোর্ট ছিল এক টুকরো ‘স্বর্ণখনি’। এখানে কর্মরত বেশিরভাগ লোক ঘুষ ছাড়া কথা পর্যন্ত বলত না। লাগেজ পেলেও সেটা খুলে দেখার পরই বোঝা যেত, মালিককে কত টাকা ‘ফাইন’ দিতে হবে!
লাগেজ খোলার বিশেষ স্কিম: যাত্রীরা যদি সঠিক চাঁদা না দিত, তাহলে ব্যাগ থেকে ‘ম্যাজিকালি’ জিনিস উধাও হয়ে যেত! (বিশেষ করে দামি পারফিউম, ইলেকট্রনিকস, স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা)
গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সিন্ডিকেট: লাগেজ নামিয়ে ভাঙার এক্সপার্টরা ছিল ‘নিখুঁত শিল্পী’। ট্রলি আনতে গেলেও টাকা, লাগেজ তুলতে গেলেও টাকা, এমনকি ফাঁকা লাগেজ পেলেও ‘ ফি’ দিতে হতো!
ইমিগ্রেশন ধান্দাবাজি: বিদেশগামী শ্রমিকদের ‘পেপারস ক্লিয়ার’ করার নামে চলত বিশাল বাণিজ্য। কাজের ভিসা থাকলেও যদি তারা বখশিশ না দিত, তাহলে একরাত ‘বিশেষ হেফাজতে’ থাকতে হতো।
বিশেষ ট্রানজিট সার্ভিস: ট্রানজিট যাত্রীরা ছিল এই দুর্নীতিবাজদের সবচেয়ে পছন্দের খরিদ্দার। একবার যদি ভুল করে ট্রানজিট লাউঞ্জ থেকে বেরিয়ে যেত, তবে ফেরার সময় ডলারের নোট ছাড়া ইমিগ্রেশন পার হওয়া ছিল অসম্ভব।
বিমান বাহিনী এয়ার পোর্টে ঢুকে কামডা করলো কি?
বিমানবাহিনী এসেই, সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছে। ঘুষ ছাড়া পাসপোর্ট চেক হচ্ছে, লাগেজ কাটা বন্ধ, আনসার ভাইদের ‘চা-নাশতা খরচ’ আসা বন্ধ হয়ে গেছে, এমনকি ব্যাগের তালাও কেউ কেটে দিচ্ছে না! যাত্রীদের কাছে এ এক স্বপ্নের পরিবেশ হলেও, দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের কাছে এটি এক দুঃস্বপ্ন!
এইসব মর্মান্তিক অবিচার সহ্য করতে না পেরে সিভিল এভিয়েশনের কিছু মহৎপ্রাণ কর্মকর্তা, কর্মচারী আজ এয়ারপোর্ট সড়কে অবস্থান নিয়েছেন! তাদের একটাই দাবি—“এয়ারপোর্ট আমাদের দাও, নইলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে!”
জনগণ রাস্তায় তাদের অবরোধে আটকে পড়েছে, ফ্লাইট মিস করছে, কিন্তু তাতে কী আসে যায়? কতিপয় গুণী ব্যক্তি তাদের হারানো লাগেজ কাটা, ঘুষের সোনালী দিন ফিরিয়ে আনার জন্য লড়াই করছে, এটাই তো আসল বিষয়!
সোনার বাংলা, নাকি লাগেজ কাটা?
প্রশ্ন হচ্ছে—এয়ারপোর্ট কি ঘুষবাজদের হাতে ফিরে যাবে, নাকি সুশাসনের নতুন যুগ শুরু হবে? দেশবাসী তাকিয়ে আছে, আর দুর্নীতির অভিজ্ঞ কর্মচারীরা এখন একটাই স্লোগান তুলছে—
"আমাদের ঘুষ ফিরিয়ে দাও, লাগেজ কাটার স্বাধীনতা দাও!"
14/03/2025
নারী তুমি শাসনে বিরক্ত হইয়ো না,,
কারণ পুরুষই জানে বাইরের দুনিয়ায় অন্য পুরুষের মধ্যে হায়না বাস করে 🎗️🎗️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mirpur
1216