Rasel Engineering

Rasel Engineering

Share

"আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ"
সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম �

08/09/2025

Power Factor কী?
Rasel Engineering

বিদ্যুৎ ব্যবহারে দুটি অংশ থাকে –

1. Active Power (kW) → যেটা আসল কাজ করে (মেশিন চালায়, আলো জ্বালায়)।

2. Reactive Power (kVAR) → সরাসরি কাজ করে না, কিন্তু মোটর, ট্রান্সফরমার, ফ্যান, পাম্প ইত্যাদির চৌম্বকীয় ফিল্ড তৈরি করতে লাগে।

Active ও Reactive একসাথে মিলে তৈরি করে Apparent Power (kVA)।
Power Factor (PF) = Active Power ÷ Apparent Power।

PF যত বেশি (১-এর কাছাকাছি), তত বিদ্যুতের ব্যবহার দক্ষ হয়।
PF কম হলে বিদ্যুৎ কোম্পানি বেশি বিল নিতে পারে এবং সিস্টেমের ক্ষতি হয়।

PFI Plant কী?

PFI Plant মানে Power Factor Improvement Plant
এটা হলো এমন একটি কন্ট্রোল প্যানেল, যেখানে Capacitor Bank + Automatic Controller + Protection Devices থাকে।
এর কাজ হলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্যাপাসিটার অন/অফ করে PF কে 0.95–1.00 এর মধ্যে রাখতে।

PFI Plant এর মূল অংশ

1. Capacitor Bank

Reactive power সাপ্লাই করে PF উন্নত করে।

বিভিন্ন স্টেপে ভাগ করা থাকে (যেমন 5 kVAR, 10 kVAR, 20 kVAR)।

2. Automatic Power Factor Controller (APFC Relay)

এটা সিস্টেমের PF সেন্স করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যাপাসিটার স্টেপ অন/অফ করে।

3. Magnetic Contactor / Capacitor Duty Contactor

APFC রিলে নির্দেশ দিলে ক্যাপাসিটার অন/অফ করে।

4. Protection System

ফিউজ, MCB, MCCB, Discharge Resistor ইত্যাদি থাকে ক্যাপাসিটার ও সিস্টেমকে সুরক্ষার জন্য।

কাজ করার প্রক্রিয়া

1. ইন্ডাস্ট্রিতে মোটর/লোড চালু হলে PF কমে যায় (কারণ Inductive load reactive power বেশি নেয়)।

2. PFI Plant এর APFC রিলে PF মাপতে থাকে।

3. PF যদি নির্দিষ্ট সীমার নিচে নেমে যায়, রিলে সংশ্লিষ্ট kVAR ক্যাপাসিটার অন করে।

4. PF ঠিক হয়ে গেলে আবার অতিরিক্ত ক্যাপাসিটার অফ করে দেয়।

উপকারিতা

Power Factor উন্নত হয় → বিল কমে।
Transformer ও Cable এর লোড কমে।
সিস্টেমের ভোল্টেজ স্থিতিশীল হয়।
ইন্ডাস্ট্রির Efficiency বাড়ে।

কোথায় ব্যবহার হয়?

কারখানা

বড় বড় ওয়ার্কশপ

সুইচিং সাবস্টেশন

শপিং মল/হাসপাতাল যেখানে বড় বড় মোটর ও মেশিন চলে
সংক্ষেপে: PFI Plant হলো একটি স্বয়ংক্রিয় ক্যাপাসিটার ব্যাংক, যা কারখানা বা বড় লোডের বিদ্যুৎ ব্যবহারে Power Factor সব সময় ঠিক রাখে এবং বিদ্যুৎ বিল ও সিস্টেম লস কমায়।

01/09/2025

বয়লার কী। কি কাজে ব্যাবহার করা হয়😊

01/09/2025

পুরুষকে অর্ধেক কষ্ট দেয় টাকা. আর বাকি অর্ধেক কষ্ট দেয় তার শখের নারী

আপনি কি মানুষ? নাকি হেঁটে-চলে বেড়ানো একটা টাকার মেশিন? যে যন্ত্রের একটাই কাজ—দিনরাত খেটে টাকা রোজগার করা আর সেই টাকা অন্যের খুশির জন্য বিলিয়ে দেওয়া? কখনো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ক্ষয়ে যাওয়া শরীরটাকে প্রশ্ন করেছেন, "এই জীবনটা কার জন্য?" উত্তরটা কি প্রতিবারই একটা নারী মুখ হয়ে ফিরে আসে না? সেই মুখ, যার হাসির জন্য আপনি নিজের সবটুকু নিংড়ে দিয়েছেন, আর বিনিময়ে পেয়েছেন এক বুক যন্ত্রণা আর নীরব অশ্রু।

ভয়ংকর লাগছে শুনতে? নিজের জীবনের সাথে মিলে যাচ্ছে? তাহলে প্রস্তুত হোন। আজ আমরা পুরুষের জীবনের সেই সবচেয়ে বড় প্রহসন নিয়ে কথা বলব, যেখানে সে নিজেই শিকার এবং নিজেই শিকারী। সেই নির্মম সত্য, যা সমাজ লোকলজ্জার ভয়ে লুকিয়ে রাখে—পুরুষের অর্ধেক কষ্ট যদি হয় টাকার জন্য, তবে বাকি অর্ধেক এবং সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক কষ্টটা আসে সেই নারীর কাছ থেকে, যার জন্য সে ওই টাকা আয় করে।

কসাইখানায় বলির আগে পশুকে খুব যত্ন করে খাওয়ানো হয়, জানেন তো? ঠিক তেমনি, সমাজ একজন পুরুষকে ছোট থেকে বড় করে তোলে এক অদেখা বলির জন্য। তার মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়—"তোমাকে বড় হতে হবে, প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, দায়িত্ব নিতে হবে।" কার দায়িত্ব? একটি পরিবারের, একজন নারীর। আর সেই দায়িত্ব পালনের একমাত্র মাপকাঠি হলো টাকা।

আপনার মনে আছে, নিজের প্রথম শখের গিটারটা বিক্রি করে দিয়েছিলেন কেন? কিংবা বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছিলেন কেন? কারণ আপনার সামনে একটা লক্ষ্য ছিল—একটা Stableভবিষ্যত, একটা সুন্দর সংসার। আর সেই সংসারের কেন্দ্রে ছিল একজন নারী। তার মুখে হাসি ফোটানোর জন্য, তার সব শখ পূরণ করার জন্য আপনি নিজের স্বপ্নগুলোকে নির্দ্বিধায় জবাই করেছেন। আপনার রক্ত জল করা পরিশ্রমের প্রতিটি ফোঁটা রূপান্তরিত হয়েছে তার হাতের চুড়িতে, তার পরনের দামি শাড়িতে, তার আরামের জীবনে। আপনি হয়েছেন সংসারের চালক, আর সে হয়েছে যাত্রী।

আপনি ভেবেছিলেন, আপনার এই ত্যাগ, এই ভালোবাসা সে বুঝবে। আপনি বিশ্বাস করেছিলেন, আপনার এই পরিশ্রমের মর্যাদা সে দেবে। কিন্তু এখানেই আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলটা আপনি করে ফেলেছেন। আপনি তাকে আপনার জীবনের সবকিছু ভেবেছেন, আর সে আপনাকে ভেবেছে তার জীবনের সবকিছু পাওয়ার একটা সহজ মাধ্যম।

কষ্টটা ঠিক কখন শুরু হয়? যখন আপনি সারাদিনের খাটুনির পর বিধ্বস্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন আর শুনতে হয়, "অমুকের স্বামী তো ওকে বিদেশ ঘুরতে নিয়ে গেল, তুমি আমাকে কী দিয়েছ?" আপনার সারা জীবনের অর্জন এক মুহূর্তে তার কাছে শূন্য হয়ে যায়। যখন আপনার টাকায় কেনা স্মার্টফোন ব্যবহার করে সে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অন্যের সাথে কথা বলে, অথচ আপনার সাথে দুটো কথা বলার সময় তার হয় না। যখন আপনার দেওয়া স্বাচ্ছন্দ্যের জীবনে থেকে সে আপনাকে অভিযোগ করে, আপনি তাকে যথেষ্ট "সময়" দেন না।

কোন সময়? যে সময়টা আপনি তার আর আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার জন্য বেচে দিয়েছেন অফিসের বসের কাছে, রাস্তার জ্যামের কাছে, আর নিজের অজস্র বিনিদ্র রাতের কাছে?

সবচেয়ে ভয়ংকর আঘাতটা আসে তখন, যখন আপনি আবিষ্কার করেন, আপনার অনুপস্থিতিতে আপনার সাজানো ঘরটাই অন্য কারো জন্য অভিসার হয়ে উঠেছে। আপনার টাকায় কেনা বিছানায় যখন অন্য কেউ অধিকার স্থাপন করে, তখন আপনার পায়ের নিচের মাটি সরে যায়। আপনার রোজগার করা অর্থ, আপনার দেওয়া নিরাপত্তা—সবকিছুই তখন আপনার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সেই নারী, যাকে আপনি রানী করে রাখতে চেয়েছিলেন, সে-ই আপনাকে তার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধক ভাবতে শুরু করে। আপনার প্রতিটা ত্যাগ তার কাছে হয়ে যায় আপনার "কর্তব্য"। আর তার প্রতিটা বিশ্বাসঘাতকতা হয়ে যায় তার "ব্যক্তি স্বাধীনতা"।

সে আপনাকে বোঝায়, দোষটা আপনার। আপনি রোমান্টিক নন, আপনি সময় দেন না, আপনি তাকে বোঝেন না। কিন্তু সে একবারও বলে না, যে স্বাচ্ছন্দ্য আর নিরাপত্তার ওপর দাঁড়িয়ে সে এই অভিযোগগুলো করছে, সেই ভিতটা আপনারই রক্ত দিয়ে গড়া।

পুরুষ সারা জীবন অর্থ আয় করে, কিন্তু সেই অর্থের ওপর তার নিজের কোনো অধিকার থাকে না। সন্তানের স্কুলের বেতন, স্ত্রীর শপিং, সংসারের খরচ—সবকিছু মিটিয়ে মাস শেষে তার নিজের জন্য কী অবশিষ্ট থাকে? একটা ছেঁড়া গেঞ্জি আর একাকীত্ব। সে নিজের জন্য একটা ভালো শার্ট কিনতে গেলেও দশবার ভাবে, "এটা না কিনে বাচ্চার জন্য খেলনা কিনলে ভালো হতো।"

এই যে আত্মত্যাগ, এর বিনিময়ে সে কী চায়? খুব বেশি কিছু নয়। শুধু একটু সম্মান, একটু নির্ভরতা, একটু ভালোবাসা। কিন্তু হায়! যাদের জন্য সে নিজের বর্তমানকে উৎসর্গ করে, তারাই তার অতীতকে ভুলে যায় আর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তোলে।

নারী খুব ভালো করেই জানে, এই পুরুষটা তাকে ছাড়া অসহায়। তার দুর্বল জায়গাটা কোথায়, নারী সেটা চেনে। তাই সে বারবার সেখানেই আঘাত করে। সে জানে, এই পুরুষ লোকলজ্জার ভয়ে, সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করবে। এই সুযোগটাই সে নেয়। পুরুষ তখন হয়ে যায় নিজের বাড়িতেই একজন ভাড়াটিয়া। যে শুধু খরচ দিয়ে যায়, কিন্তু কোনো অধিকার পায় না।

সমাজ বলে, "পুরুষের কাঁদতে নেই।" কেন? কারণ পুরুষ কাঁদলে নাকি সে দুর্বল হয়ে যায়। কিন্তু আসল সত্য হলো, পুরুষ কাঁদে। আড়ালে কাঁদে, রাতের অন্ধকারে বালিশে মুখ লুকিয়ে কাঁদে, চলন্ত গাড়ির স্টিয়ারিং-এ মাথা রেখে কাঁদে। তার সেই কান্না কেউ দেখে না।

যে নারী তার কান্নার কারণ, সে তখন হয়তো নতুন কোনো স্বপ্নের জগতে বিভোর। যে সন্তানের জন্য সে কাঁদে, সে সন্তান তখন নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত। পুরুষ তখন একা। তার কষ্ট বোঝার মতো কেউ থাকে না। টাকা আর নারী—এই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হতে হতে সে একসময় জীবন্ত লাশে পরিণত হয়। তার বাইরের খোলসটা শক্ত থাকে, কিন্তু ভেতরটা রোজ একটু একটু করে মরে যায়।

তাই পরেরবার যখন কোনো পুরুষকে দেখবেন চুপচাপ, একা বসে আছে, তাকে বিচার করতে যাবেন না। হতে পারে, সে তার জীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধটা লড়ছে—একদিকে টাকার চিন্তা, আর অন্যদিকে এক নারীর দেওয়া অসহনীয় যন্ত্রণা। যে যন্ত্রণা তীরের ফলার মতো তার হৃদয়ে গেঁথে আছে, যা না সে বের করতে পারছে, না সে সহ্য করতে পারছে।

পুরুষের জীবন এক চক্রাকার ট্র্যাজেডি। সে যাকে সুখী করার জন্য সবকিছু বাজি রাখে, দিন শেষে তার হাতেই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায়। এটাই शायद তার নিয়তি।

, , , , , , , , ,

29/07/2025

অফিসে আজকে এই সমস্যা টা হয়েছে
কারণ কি

26/07/2025
17/07/2025

শ্রীলংকার মাটিতে প্রথম টি২০ সিরিজ জয়। অভিনন্দন বাংলাদেশ।❤️

16/07/2025

সারাদেশের চোখ আজ গোপালগঞ্জের দিকে ।

27/04/2025

এটাকে কি নামে চিনেন??

27/04/2025

এই মেশিনটার নাম কি😊

Photos from Rasel Engineering 's post 27/04/2025
17/04/2025

এই জিনিসটার নাম কি

Want your business to be the top-listed Media Company in Manikganj?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Saturiya
Manikganj
1810