Sep 16
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sep 16, Kushtia.
“কল রেকর্ড”
একটি পূর্ণ পরকীয়া থ্রিলার
রাত ১:৪৭। গাট্টিয়া ব্রিজের নিচে পুলিশের গাড়ি। ব্রিফকেস খুলতেই ভিতর থেকে বের হলো একটা কাটা হাত। আঙুলে বিয়ের আংটি, আর নখে লেগে আছে কালো নেইলপলিশ।
এসআই রাকিবের মাথায় বাজ পড়ল। নেইলপলিশের কালারটা সে চেনে। গতকাল রাতেই তার বউ শায়লার নখে এই রঙ দেখেছে।
৬ মাস আগে
রাকিবের পোস্টিং গাট্টিয়া থানায়। বউ শায়লা ঢাকায় থাকে, ইউনিভার্সিটিতে পড়ায়। দূরত্বের সম্পর্ক। সপ্তাহে একদিন দেখা হয়।
একদিন রাতে থানায় একটা জিডি করতে আসে মাহিন — এলাকার বড় ব্যবসায়ী। বউ নিখোঁজ। নাম তৃণা।
রাকিব কেসটা নেয়। তৃণার ফোন ট্র্যাক করে দেখে লাস্ট লোকেশন: গাট্টিয়া ব্রিজ। সিসিটিভিতে দেখা যায়, তৃণা একটা কালো গাড়িতে উঠছে। গাড়িটা রাকিবের নিজের।
রাকিব ঘামতে শুরু করে। কারণ গত মঙ্গলবার রাতে সে নিজেই তৃণাকে ড্রপ করে দিছিল। তৃণা তার ইউনিভার্সিটির জুনিয়র। আর গত ৩ মাস ধরে তার গোপন প্রেমিকা।
শায়লা ফোন দিলে রাকিব মিথ্যা বলে: “একটা মার্ডার কেস, বিজি আছি।” ওপাশে শায়লা চুপ করে থাকে। রাকিব জানে না, শায়লা তখন মাহিনের বেডরুমে, মাহিনের শার্ট গায়ে দিয়ে দাঁড়ায়ে আছে।
হ্যাঁ, শায়লাও পরকীয়া করে। মাহিনের সাথে। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই জানে না, তারা দুজন একই কাপলকে ঠকাচ্ছে।
আজকে
কাটা হাতটা তৃণার। DNA মিলে গেছে। মাহিন থানায় এসে চিৎকার: “আমার বউকে কে মারলো? রাকিব সাহেব, আপনি তো বলছিলেন খুঁজতেছেন!”
রাকিব তাকায়ে থাকে। সে জানে তৃণা মরেনি। কারণ গতকাল রাতেও তৃণা তাকে ভয়েস মেসেজ পাঠাইছে: “আমাদের কথা শায়লা জেনে গেছে। মাহিন আর শায়লা মিলে আমাকে মারবে। তুমি আমাকে বাঁচাও।”
রাকিব তৃণাকে গাট্টিয়া ব্রিজের নিচে লুকায়ে রাখছিল। তাহলে এই হাত কার?
রাতে শায়লা ফোন দেয়। কাঁদতেছে। “রাকিব, আমি প্রেগন্যান্ট। বাচ্চাটা মাহিনের। মাহিন বলতেছে তৃণাকে সরায়ে দিলে আমরা বিয়ে করব। আমি কি করব?”
রাকিবের মাথা হ্যাং। তার বউ অন্যের বাচ্চা পেটে নিয়ে তাকে বলতেছে আরেকটা খুন করতে হেল্প করতে।
সে শায়লাকে বলে ব্রিজের নিচে আসতে। “সব ঠিক করে দিব।”
রাত ৩:১৬। ব্রিজের নিচে শায়লা আসে। হাতে একটা পেনড্রাইভ। “এইখানে মাহিন আর আমার সব কল রেকর্ড। তৃণাকে মারার প্ল্যান। তুমি এইটা দিয়ে মাহিনকে ফাঁসায়ে দাও। তারপর আমরা নতুন করে শুরু করব।”
রাকিব পেনড্রাইভ নেয়। তারপর পকেট থেকে পিস্তল বের করে। “শায়লা, তৃণা মরে নাই। ওই হাতটা তোমার জন্য আনা।”
শায়লা হাসে। “আমি জানি রাকিব। কারণ হাতটা আমি কাটছি।”
রাকিব ফ্রিজ।
শায়লা ব্যাগ থেকে আরেকটা হাত বের করে। এইবার আঙুলে রাকিবের থানার আংটি। “মর্গ থেকে চুরি করছি। তোমার স্যারের লাশের হাত। তৃণার ফোন থেকে তোমার ভয়েস রেকর্ডও আমার কাছে আছে। ‘আজকে রাতে ব্রিজের নিচে আসো, তোমাকে লুকায়ে রাখব’ — এইটা।”
মানে শায়লা আগে থেকেই জানতো। মাহিন আর শায়লা মিলে রাকিবকে ফাঁসানোর প্ল্যান করছে। তৃণাকে টোপ হিসেবে ইউজ করছে।
পিছন থেকে মাহিন বের হয়। হাতে শাবল। “সরি ভাই, বিজনেস। তৃণা আমার ২০ কোটি টাকার প্রপার্টির নমিনি। ও মরলে টাকা আমার। আর শায়লাকে বিয়ে করলে আপনার ঘুষের টাকাও আমার।”
রাকিব বুঝে যায়, সে নিজেই শিকার। পরকীয়া করতে গিয়ে সে খুনের আসামি হয়ে গেছে।
হঠাৎ ব্রিজের উপর থেকে লাইট মারে। পুলিশ।
তৃণা বেঁচে আছে। সে-ই পুলিশ নিয়ে আসছে। তৃণা কারো প্রেমিকা না। সে একজন আন্ডারকভার সাংবাদিক। মাহিনের টাকার স্ক্যাম, রাকিবের ঘুষ, শায়লার ইউনিভার্সিটির প্রশ্ন ফাঁস — সব রেকর্ড করছে ৬ মাস ধরে।
“কল রেকর্ড” পেনড্রাইভে শুধু মাহিন-শায়লার প্ল্যান না। রাকিব-তৃণার প্রেমের নাটক, শায়লা-মাহিনের বিছানার শব্দ, সব আছে।
তৃণা রাকিবের দিকে তাকায়ে বলে: “সরি রাকিব ভাই। পরকীয়া করলে প্রমাণ থাকে। আর আমি প্রমাণ বিক্রি করে খাই।”
পুলিশ রাকিব, শায়লা, মাহিন তিনজনকেই তুলে নেয়।
৬ মাস পর
কোর্টে জাজ রায় পড়তেছে। মাহিন: যাবজ্জীবন। খুনের চেষ্টা + মানি লন্ডারিং।
শায়লা: ১৪ বছর। খুনের ষড়যন্ত্র + প্রশ্ন ফাঁস।
রাকিব: চাকরি গেছে, ৭ বছর। ক্ষমতার অপব্যবহার + পরকীয়া করে তথ্য পাচার।
তৃণা সাক্ষী দিয়ে বের হয়ে যায়। হাতে তার নতুন বই: “কল রেকর্ড: পরকীয়ার ১০১টা মিথ্যা” — বেস্টসেলার।
বইয়ের শেষ পাতায় লেখা:
“উৎসর্গ: রাকিব, শায়লা ও মাহিনকে। তোমাদের মিথ্যা দিয়ে আমার সত্য বিক্রি হলো।”
জেলের সেলে রাকিব শায়লাকে চিঠি লিখে: “আমরা কি আবার শুরু করতে
“১৬ই সেপ্টেম্বর রাত ৩:১৬”
একটি পূর্ণ থ্রিলার গল্প
গাট্টিয়া বাজারের শেষ মাথায় নিহালের একটা ছোট্ট সাইবার ক্যাফে। রাত ১১টার পর এলাকাটা মরা। সেদিন ছিল ১৫ই সেপ্টেম্বর। ঝুম বৃষ্টি, কারেন্ট নাই, জেনারেটরের শব্দে কান ঝালাপালা। কাস্টমার নাই দেখে নিহাল শাটার নামায়ে দিছে, কিন্তু ভিতরে বসে ইউটিউবে পুরনো ভূতের নাটক দেখতেছে।
ঠিক রাত ১১:৫৯ এ দোকানের পুরনো ল্যান্ডফোনটা বেজে উঠল।
নিহাল ভ্রু কুঁচকালো। এই নাম্বারটা চার বছর ধরে কেউ ডায়াল করে না। বিল দেয় না দেখে লাইন কাটাও হয় নাই, শুধু পড়ে আছে।
হ্যালো বলতেই ওপাশে শুধু নিঃশ্বাসের শব্দ। তারপর একটা মেয়ের গলা, ফিসফিস করে: “ভাইয়া, আমি মিম। আমাকে বাঁচান। ওরা আমাকে ১৬ই সেপ্টেম্বর মেরে ফেলবে।”
লাইন কেটে গেল।
নিহালের হাত-পা ঠান্ডা। মিম ওর ছোট বোন। চার বছর আগে, ঠিক ১৬ই সেপ্টেম্বর রাত ৩:১৬ তে মিম সুইসাইড করছিল। সুইসাইড নোটে লিখে গেছিল: “আমাকে ক্ষমা করো, আমি আর পারছি না।”
নিহাল ফোনের স্ক্রিনে তাকালো। ঘড়িতে ১২:০০। তারিখ পাল্টে ১৬ই সেপ্টেম্বর হয়ে গেছে।
সে ভাবলো কেউ মজা করতেছে। কিন্তু ল্যান্ডফোনের কলার আইডিতে নাম্বার উঠে আছে: `01700000000`। এই নাম্বারটা মিমেরই ছিল। মিম মরার পর সিমটা নিহাল ভেঙে ড্রেনে ফেলে দিছিল।
১:৩০ এর দিকে আবার ফোন। এবার মিম কাঁদতেছে। “ভাইয়া, আমার রুমের দেয়ালে কে যেন আঁচড় কাটতেছে। বলতেছে ৩:১৬ তে আমার সময় শেষ। আমার ডায়েরিটা দেখো ভাইয়া। টেবিলের ড্রয়ারে।”
নিহালের গা কাঁটা দিয়ে উঠল। মিম মরার পর ওর রুমে তালা মেরে রাখা। চাবি নিহালের কাছে। গত চার বছরে কেউ ঢুকে নাই।
সে বাইক নিয়ে বৃষ্টির মধ্যে বাসায় গেল। মায়ের ঘুমের ওষুধ চলে, বাবা নাই। পুরা বাড়ি অন্ধকার।
মিমের রুমের তালা খুলতেই পচা গন্ধ। চার বছর বন্ধ রুমে এমন গন্ধ থাকার কথা না। টেবিলের ড্রয়ার খুলে একটা কালো মলাটের ডায়েরি পেল। কভারে গোল্ডেন কালিতে লেখা: **SEP 16**।
ডায়েরির প্রথম পেজ খালি। দ্বিতীয় পেজে গতকালের তারিখ: `১৫ সেপ্টেম্বর, রাত ১১:৫৮`।
নিচে মিমের হাতের লেখা: “ভাইয়া, আজকে তুমি ফোন ধরবা। আমি জানতাম। কালকে ৩:১৬ তে ওরা আমাকে নিতে আসবে। যেভাবে চার বছর আগে নিছিল। কিন্তু সেবার আমি পালাইতে পারি নাই। এবার তুমি আমাকে বাঁচাবা তো?”
নিহালের মাথা ঘুরে গেল। এটা কিভাবে সম্ভব? মিম তো চার বছর আগে মরছে।
সে পেজ উল্টালো। পরের পেজে আজকের তারিখ: `১৬ সেপ্টেম্বর, রাত ১:৩২`।
লেখা: “তুমি এখন আমার
আমি শিহাব। ২ মাস হলো গাত্তিয়ায় এই নতুন বাসা ভাড়া নিছি। এক রুমের বাসা, আমি একাই থাকি। ব্যাচেলর মানুষ, রাত জেগে ফ্রিল্যান্সিং করি।
প্রথম সপ্তাহ থেকেই ঝামেলা শুরু।
রোজ রাত ২টার দিকে পাশের রুম থেকে কান্নার শব্দ আসে। একদম বাচ্চা মেয়ের গলা। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদে। যেন কেউ ওকে মারছে।
প্রথম দিকে পাত্তা দেই নাই। ভাবছি পাশের ফ্ল্যাটের ফ্যামিলি। হয়তো বাচ্চা আছে।
কিন্তু গতকাল রাত ২টায় কান্নাটা অন্যরকম ছিল। মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে ডাকতেছিল: "ভাইয়া... ভাইয়া বাঁচাও... দরজাটা খোলো..."
আমার বুকটা ধক করে উঠলো। এইবার আর সহ্য হলো না।
মোবাইলের টর্চ জ্বালায় পাশের ফ্ল্যাটের দরজায় নক করলাম।
এক মিনিট পর দরজা খুললো এক বুড়া চাচা। বয়স 70+ হবে। চোখে ঘুম।
আমি বললাম, "চাচা, কিছু মনে কইরেন না। আপনার বাসায় বাচ্চা আছে? রোজ রাতে কান্নার শব্দ পাই।"
চাচা আমার দিকে একদৃষ্টিতে তাকায় থাকলো। তারপর আস্তে করে বললো:
"বাবা, আমি ১০ বছর ধইরা এই ফ্ল্যাটে একা থাকি। আমার কোনো ছেলে-মেয়ে নাই। বউ মারা গেছে ১৫ বছর আগে। এই ফ্লোরে তুমি আর আমি ছাড়া আর কেউ নাই। পুরা বিল্ডিং খালি।"
আমার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেল। গলা শুকায় গেল।
আমি কাঁপা গলায় বললাম, "তাহলে চাচা... রোজ রাত ২টায় আমার রুমের পাশের দেওয়াল থেকে যে বাচ্চা মেয়েটা কাঁদে... ওইটা কে?"
চাচার মুখটা সাদা হয়ে গেল। উনি ফিসফিস করে বললেন:
"বাবা, তুমি 2 মাসে প্রথম ভাড়াটিয়া না। এর আগে 3 জন পালাইছে। সবাই একই কথা বলছে। রাত ২টায় ছোট বোন ডাকে।"
"১৬ সেপ্টেম্বর, 2018 সালে এই ফ্ল্যাটে একটা এক্সিডেন্ট হইছিল। 7 বছরের একটা মেয়ে... ওর নাম ছিল মীম... দরজা আটকায় ভিতরে..."
চাচা কথা শেষ করার আগেই আমার পিছনের রুম থেকে আবার শব্দ আসলো।
এইবার কান্না না।
একদম স্পষ্ট গলায় কেউ বললো: "ভাইয়া, তুমি আইসো। আমি 2 মাস ধরে তোমার জন্য ওয়েট করতেছি..."
আমি ধীরে ধীরে পিছনে ঘুরলাম।
আমার রুমের দরজা... ভিতর থেকে বন্ধ।
অথচ আমি তো দরজা খুলে বের হইছিলাম।
তাহলে ভিতরে কে?
(চলবে...)
পর্ব ৩: আয়নাঘর
রিফাতের হাত কাঁপছে।
তবু দরজার হাতল ঘোরাল।
ক্যাঁচ... করে খুলে গেল।
ঘরটা ফাঁকা।
শুধু একটা বড় আয়না দেয়ালে।
আর মেঝেতে একটা ছেঁড়া পুতুল।
হঠাৎ আয়নার ভেতর নড়ে উঠল কিছু।
রিফাত দেখল, আয়নার ভেতরে সে নিজেই দাঁড়িয়ে আছে।
কিন্তু আয়নার রিফাতটা কাঁদছে।
চোখ দিয়ে রক্ত পড়ছে।
আর ঠোঁট নাড়িয়ে বলছে,
“বের হতে দাও ভাইয়া... ১২ বছর ধরে এইখানে আটকা পড়ে আছি।”
“তুমি দরজা খুললা কেন?”
রিফাত কিছু বলার আগেই লাইট নিভে গেল।
অন্ধকারে শুধু একটা শব্দ।
আয়না ভাঙার শব্দ।
ঝনঝনঝন...
পরদিন সকালে বাড়িওয়ালা পুলিশ নিয়ে আসে।
ঘর ফাঁকা।
রিফাত নাই।
শুধু আয়নাটা ভাঙা।
আর আয়নার ফ্রেমে একটা নতুন ফাটল।
ফাটলের ভেতর থেকে চাপা কান্না ভেসে আসছে।
বাড়িওয়ালা পুলিশকে বলল, “১২ বছর আগে আমার মেয়েটা এই ঘরেই...”
কথা শেষ করতে পারল না।
কারণ ভাঙা আয়নার ভেতর থেকে দুইটা রিফাত তাকিয়ে ছিল তার দিকে।
দুইজনই হাসছে।
পর্ব ২: দরজার ওপাশে
রিফাত কাঁথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকল।
কান্নাটা থামছে না।
ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে... কেউ যেন মুখ চেপে কাঁদছে।
একবার মনে হলো, “যাই, দেখে আসি।”
পরক্ষণেই বাড়িওয়ালার কথা মনে পড়ল।
কিন্তু কান্নাটা...
এত অসহায়।
রিফাত টর্চ হাতে সিঁড়ি বেয়ে উঠল।
দোতলা পুরা অন্ধকার।
পশ্চিমের ঘরের দরজার নিচ দিয়ে আলো আসছে না।
কিন্তু শব্দটা আসছে ওই ঘর থেকেই।
রিফাত কান পাতল দরজায়।
কান্না থেমে গেল।
হঠাৎ।
একদম চুপ।
তারপর দরজার ওপাশ থেকে ফিসফিস করে কেউ বলল,
“ভাইয়া... দরজাটা খুলবা?”
গলাটা বাচ্চা মেয়ের।
কিন্তু...
রিফাতের নিজের গলার মতো শোনাল।
পর্ব ১: নতুন ভাড়াটিয়া
রিফাত নতুন বাসা নিয়েছে।
গাট্টিয়া বাজারের একদম শেষ মাথায়।
পুরনো দোতলা বাড়ি। ভাড়া পানির দামে।
বাড়িওয়ালা শুধু একটা শর্ত দিয়েছিল।
“রাত ১২টার পর দোতলার পশ্চিমের ঘরটায় যাবেন না।”
“কেন চাচা?”
বাড়িওয়ালা হাসে নাই।
শুধু বলেছিল, “ওই ঘরে আমার মেয়েটা থাকত।”
ব্যস। আর কিছু না।
প্রথম দুই রাত সব ঠিক।
তিন নম্বর রাতে...
রাত ১২টা ৫।
রিফাতের ঘুম ভাঙল।
দোতলা থেকে শব্দ আসছে।
চাপা কান্না।
একটা বাচ্চা মেয়ের।
Welcome to [R Tutor]! 🌟
R Tutor মূলত নির্দিষ্ট এলাকার সেরা শিক্ষকদের খোজ দেওয়ার একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান আপনার এলাকার সেরা সব শিক্ষকদের আপনার সামনে নিয়ে আসবে যেন আপনি ঘরে বসেই আপনার শিক্ষক সিলেক্ট করতে পারেন।
R Tutor সবসময়ই এক্সপেরিয়েন্সড টিচারদের সাথে কাজ করার অঙ্গিকার করে। যারা আপনার বা আপনার সন্তানের জন্য সবচেয়ে ভালো ও সহজ টেকনিকে কঠিন বিষয়গুলো পড়িয়ে থাকে। যার ফলে আপনার বা আপনার সন্তানের বিরক্তের সাবজেক্টটাও ভালো লাগার হয়ে যায়।
R Tutor দিচ্ছে ব্যাচে এবং বাসায় পড়ার সুযোগ। সাথে দিচ্ছে মাসিক এবং কোর্স ভিত্তিক সম্পূর্ণ অফলাইনে পড়াশোনা।
এছাড়াও R Tutor এর স্টুডেন্টরা পাচ্ছে টিচারদের থেকে ফ্রি সাজেশন এবং নোট।
এছাড়াও যারা R Tutor এর মাধ্যমে ভর্তি হবে তাদের মাসিক পরিক্ষার মাধ্যমে সেরা স্টুডেন্টদের দেওয়া হবে স্কলারশিপ।
R Tutor কখনোই অযোগ্য টিচারদের খোজ দেয়না।
সেরা সব শিক্ষকদের খোজ পেতে R Tutor এর সাথেই থাকুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the school
Telephone
Website
Address
Kushtia
7000
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 21:00 |
| Tuesday | 09:00 - 21:00 |
| Wednesday | 09:00 - 21:00 |
| Thursday | 09:00 - 21:00 |
| Friday | 09:00 - 21:00 |
| Saturday | 09:00 - 21:00 |
| Sunday | 09:00 - 21:00 |