Hydishopbd

Hydishopbd

Share

Honesty is the best policy in business

Photos from Hydishopbd's post 27/07/2021

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

🌀 ভিআইপি স্কিন প্রিন্ট🌀
সেলোয়ার-কামিজ=সুতি
ওড়না-জর্জেট, আড়ি কাজ করা
কামিজ স্কিন প্রিন্ট, বুকের মধ্যে পট্টি +স্টোন বসানো।
✅কামিজঃ-২.৫ গজ
✅সেলওয়ারঃ-২.৫ গজ
✅ওরনাঃ- ৫ হাত
✅হাতাঃ-১৮" ইঞ্চি

বিস্তারিত জানতে বা অর্ডার করতে পেজে নক করুন দয়া করে।

Photos from Hydishopbd's post 11/07/2021

কম্পিউটার আফসান🔥
সুতি কাপড়ের উপর আফসান প্রিন্ট করা। বুকের মধ্যে কম্পিউটার কাজ করা। ওড়নায় ঝুল আছে।
সেলোয়ার কামিজ ওড়না সুতি।

Photos from Hydishopbd's post 08/07/2021

🌀 ব্লক প্রিন্ট🌀
কামিজঃ-২.৫ গজ
সেলওয়ারঃ-২.৫ গজ
ওরনাঃ- ৫ হাত
হাতাঃ-১৮" ইঞ্চি

বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক দিন।

Photos from Hydishopbd's post 06/07/2021

টিস্যু কাপড়ের উপর কারচুপি করা 4পিজ

Photos from Hydishopbd's post 06/07/2021

💯% pure cotton
kamiz:-coumpture embroidery work kora
stone boshano ace
Selowar:-pure cotton
orna :- Shipon with Embroidery

For order plz knock in inbox

Photos from Hydishopbd's post 06/07/2021

White angel
Body :- rewon cotton, ambroydari work
Orna :- jorjet, ambroydari work, tarsel work
selowar:- pure cotton

price 1400tk

Photos from Hydishopbd's post 07/04/2021

অাসসালামু অালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ 🥰

কেমন অাছেন সবাই🥰?

রিস্টক প্রডাক্ট নিয়ে অাবারও হাজির হলাম। অাশা করি অাগের মতই ভালোবেসে পাশে থাকবেন।

প্রডাক্ট ডিটেইলসঃ
👉স্কিন প্রিন্ট কটন থ্রি পিস।

গরমে বাসায় পরার জন্য পার্ফেক্টলি কমফোর্টেবল।

হাতার কাপড় অালাদা করে দেওয়া থাকবে,,,, যে যার পছন্দ মতো ছোট বড় করে বানাই নিতে পাবেন ইনশাআল্লাহ 🥰

অারও ডিটেইলস জানতে বা অর্ডার করতে পেজে নক দিন🥰

31/12/2020

♦️থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন♦️

️প্রতি বছর ইংরেজি ৩১শে ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২টা ০১ মিনিটে বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে বর্তমান বিশ্ব একটি নতুন বর্ষে পদার্পন করে। এ অনুষ্ঠানগুলো কি ইসলাম সমর্থিত? !!!

⭕ পবিত্র কুরআন এ আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, “তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাক যা কাফেরদের জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে।” (সূরা আলে-ইমরান: ১৩১)

🔵থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন বর্জন সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি জানাতেই আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস।

🔴উৎপত্তি:

প্রাচীন পারস্যের পরাক্রমশালী সম্রাট জামশিদ খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ সালে নববর্ষ প্রবর্তন করেন। পরবর্তীতে ব্যাবিলনের সম্রাট জুলিয়াস সিজার খ্রিষ্টপূর্ব ৪৬ সালে ইংরেজি নববর্ষ প্রচলন করেন। প্রথমদিকে নববর্ষ বিভিন্ন তারিখে পালন করা হতো।

️পরবর্তীতে ১৫৮২ সালে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার প্রবর্তনের পর পহেলা জানুয়ারিতে নববর্ষের দিন হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়। বাংলাদেশে থাটি ফার্স্ট নাইটের ব্যাপক প্রচলন ঘটে ২০০০ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর মধ্যরাতের মিলেনিয়াম বা সহস্রাব্দ পালনের মধ্য দিয়ে। (সূত্র ইন্টারনেট)

যেভাবে এলো থার্টি ফাস্ট নাইট

দেবতা জানুস (Janus) এর নাম শুনেছেন? যদি না শুনে থাকেন, তাহলে ইতিহাস সম্পর্কে জানুন!!!

দুই মাথা ওয়ালা জানুস ছিল রোমানদের নিকট ভাগ্য দেবতা। রোমানরা মনে করতো জানুস দেবতাই তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ করে। এই কারনে রোমানরা জানুসকে পূজা করতো। জানুয়ারি মাসের নামকরণও করা হয় জানুস দেবতার নামানুসারে। যেহেতু রোমানরা জানুসকে ভাগ্য দেবতা মানতো তাই ওরা ৩১শে ডিসেম্বর রাতে জানুসের পিছনের মাথার সামনে গিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং পূজা করতো। রোমানরা ওই রাত পেয়েছে তা সবই জানুসের পিছনের মাথার বদৌলতে। (নাউঝুবিল্লাহ!!!)

আমোদ-ফুর্তিতেও মেতে উঠতো, কারণ ওদের বিশ্বাস ছিল গত বছর যত ভালো উপলক্ষ্য যখনই রাত ১২টা বাজতো, রোমানরা জানুসের সামনের মাথার দিকে চলে যেত। কারণ তাদের বিশ্বাস ছিল আগামী বছর যদি ভালো কিছু পেতে হয়, তাহলে জানুসের সামনের মাথাকে খুশি করতে হবে। এই জন্যই রোমানরা আবার প্রার্থনা করতো। ৩১শে ডিসেম্বর সেই উৎসব-উদযাপন, পূজা- প্রার্থনা সবই ছিল জানুস দেবতা কেন্দ্রিক। সময়ের বিবর্তনে আজ যা হয়ে উঠেছে বিশ্বব্যাপী‘’থার্টি ফাস্ট নাইট।

জানুস দেবতার কাহিনী টেনে লম্বা না করে এইবার আসি মূলকথায়। সৃষ্টির শুরু থেকেই শয়তান মানব জাতিকে বিপথগামী করেই চলছে। শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে আমরা অনেক ধরণের অন্যায়-অপরাধ করে ফেলি। শয়তানের প্রধান ইচ্ছাই সে প্রত্যেক মানব সন্তানকে আল্লাহ্‌র সাথে শিরক করিয়ে কবরে পাঠাবে। যাতে মানুষ অনন্তকাল জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে থাকে। শয়তান ইহুদীদের যেভাবে শিরক করিয়েছিল সেইভাবে আমাদের শিরক করাতে পারবে না। খ্রিস্টানদের যেভাবে ধোঁকা দিয়ে শিরক করিয়েছিল ওইভাবেও আমাদের শিরক করাতে পারবে না। তাই শয়তান আমাদের আল্লাহ্‌র সাথে শিরক করানোর জন্য অনেক ভিন্ন ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করেছে। তার মধ্যে একটি পন্থা হলো এই জানুসদেবতা।

একটি জিনিস ভেবে দেখেন তো, শয়তান যদি আমাদের বলতো, তোমরা জানুস দেবতার পূজা করো। ‘’আমরা কি করতাম??... অবশ্যই না!!! কিন্তু শয়তান জানুস দেবতার পূজাকে আমাদের সামনে এমনভাবে উপস্থাপন করেছে, যে আমরা আজ জানুসের পূজা করছি এবং আমরা বুঝতেও পারছি না। এবং আমরা আল্লাহ্‌র সাথে শিরক করে অনন্তকালের জন্য জাহান্নামের আগুন কিনে নিচ্ছি। ©

🔴বিজাতীয় সাদৃশ্য: _______

থাটি ফার্স্ট নাইট উদযাপন সম্পূর্ণরূপে বিজাতীয় সংস্কৃতি। এ রাত্রিতে বলে ও ম্যাসেজের মাধ্যমে অভিবাদন জানানো, আতশবাজি, পটকাবাজি, ফ্যাশন শো, ফায়ার প্লে, ট্যাটাে বা উল্কা অংকন, ডিজে পাটি ও কনসার্ট, নেশা সেবনসহ বিজাতীয় সংস্কৃতির সাথে সাদৃশ্য রাখে। ইসলাম এটি কঠোরভাবে নিষেধ করেছে।

🔰রাসূল (স.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনাে সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করলো সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।” (আহমদ, আবু দাউদ, মিশকাতঃ ৪৩৪৭)

আল্লাহ্‌ আমাদের সকলকে হেদায়েত দান করুক, এবং শিরক থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করুক, আমীন ||

&e

24/12/2020

অাসসালামু অালাইকুম🥰

💝২০২০,,,, এর শেষ কয়দিন একটা ধামাকা অফার দেওয়ায় যায়,,,অামার মিষ্টি অাপুদের জন্য,❤

💥, পেজ ভিজিট করে যার যেটা পছন্দ পিক collect করে ইনবক্স করে ফেলুন fast,,,,,,,, 30 December পর্যন্ত বিশাল একটা ছাড় পাবেন ইনশাআল্লাহ,,,,,,

🌈 সকলকে ২০২১ সালের অগ্রিম শুভেচ্ছা,,,,,



🤲দোয়া করি,২০২০ সালে যে যতটুকু ইবাদত করতে পেরেছেন,,, ২০২১ সালে যেন তার দ্বিগুন ইবাদত করতে পারেন☺😊

💖💖অাল্লাহ অামাদের সকলকে কবুল করুন💖💖

21/12/2020

যারা সন্তানকে দ্বীনদার হিসেবে দেখতে চান তারা অবশ্যই লিখাটা পড়ে দেখবেনঃ

মুসলিম বাবা-মা হিসেবে কখন থেকে বাচ্চাকে ইসলাম সম্পর্কে ধারনা দিবো? এজ আর্লি এজ পসিবল।
মনে হতে পারে বাচ্চা বুঝবে না, কিন্তু ব্রেইন ঠিকই ক্যাচ করে নিবে।
একটা রাফ গাইডলাইন আছে এখানে বাচ্চার ১৮-৩৬ মাস বয়সী হলেই এই কাজ গুলি শুরু করে দিবেন ইনশা আল্লাহ।

আকিদাহঃ❤️

- আল্লাহ কোথায় আছেন? তোমার রব কে? কে তোমাকে বানিয়েছেন?
- বাচ্চার সাথে কথা বলুন আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে (আকাশ, গাছ-পালা, ফুল প্রজাপতি কে বানিয়েছেন?)

ডেইলি দুআঃ❤️

- ঘুম থেকে উঠার দু’আ, ঘুমাতে যাওয়ার আগের দু’আ।
- খাওয়ার আগের দু’আ, খাওয়ার পরের দু’আ।
- হাঁচি দিলে কি বলতে বলতে হয়?
- সালামের প্রচার শেখানো, ছোট-বড় সবাইকে সালাম দেয়া।
- বাথরুমে যাওয়ার দু’আ, বের হওয়ার দু’আ।
- বাসা থেকে বের হওয়ার দু’আ।
- সব কাজ করার আগে বিসমিল্লাহ বলা।
- যে কোন কাজ করবো বলার আগে ইনশা আল্লাহ বলা,
-সুন্দর কিছু দেখলে মাশা আল্লাহ বলা,
-কোন কিছু গিফট পেলে জাযাকাল্লাহু খায়রান বলা।

কুরআনঃ❤️

- রেগুলার কুরআন বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন।
বাচ্চা পাশে বসে থাকতে পারে।
- ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী, সূরা ফাতিহা, কূল যুক্ত সূরা বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়েন।
খুব দ্রুত দেখবেন বাচ্চা আপনার সাথে পড়ছে।

আখলাকঃ❤️

- খাবার এবং পানি ডান হাতে খাওয়া, বসে খাওয়া এবং বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া।

- যে কোন কাজ করার আগে বাবা-মায়ের পারমিশন নেয়া, ভুল হলে মাফ চাইতে শেখা।

- যত ছোট বয়সই হোক, পোশাক বদলানোর সময় লজ্জ্বার ধারনা দেয়া। অন্যদের সামনে বাচ্চার ডায়াপার চেইঞ্জ করবেন না। তাকে আড়াল রাখুন। লাজুক হতে শিক্ষা দেওয়া...কারন আল্লাহ্ লজ্জাশীলতা পছন্দ করেন।

- শেয়ারিং শেখান। যে কোন কিছু অন্যদের সাথে শেয়ার করলে প্রশংসা করুন।
ভালো কাজগুলোকে এপ্রিশিয়েট করুন এবং এভাবে ওদের বোঝান যে আল্লাহ এটা পছন্দ করেন, রসূল (সাঃ) এভাবে বলেছেন...আলহাম'দুলিল্লাহ্!

সিরাহ্ঃ❤️

- রসূল (সাঃ) এবং সাহাবীদের গল্প বলুন।
- ছোট হাদীসগুলো গল্পের মতো করে বলুন।
- কুরআনের ঘটনাগুলো নিজের ভাষায় গুছিয়ে বলুন।

ইবাদাহঃ❤️

- নামায বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন। না দাঁড়ালেও খেলার এরিয়া যাতে আশেপাশে থাকে।
(সূত্র কৃতজ্ঞতাঃ কনফেশন অফ মুসলিম মামাহোলিক ডট কম।)
বাবা-মায়েদের জন্য টিপসঃ
- এই বয়সী বাচ্চাদের ধরে-বেঁধে শেখানোর কিছু নেই।
নিজেদের লাইফে প্র্যাকটিস করলে, বাচ্চারা দেখেই শিখবে।
নিজের লাইফে নাই কিন্তু আশা করি, বাচ্চাকে শেখাতে পারবো-এই চিন্তা থেকে বের হয়ে আসুন।

আমি যদি চাই বাচ্চা ইসলামিক মাইন্ডের হবে, তাহলে আগে নিজেকেই সেই ছাঁচে গড়ে নিতে হবে।

মাসনূন দু’আ গুলো বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন।
বাচ্চারা শুনতে শুনতেই শেখে।
আলাদা করে শেখানোর দরকার নেই।

বাচ্চাকে আগে আল্লাহকে ভালোবাসতে শেখান।❤

যেমনঃ আল্লাহ রাগ করবেন, এটা বলার বদলে আল্লাহ এভাবে এভাবে করলে খুশি হবেন-এরকম বলতে পারেন। তাকে জানান, আল্লাহই সবচাইতে বেশী ভালোবাসে তাকে, এমনকি বাবা-মায়ের চাইতেও!

- রসূল (সাঃ) এর সুন্নাহর প্রতি ভালোবাসা গড়ে তুলুন।
যে কোন ব্যাপারে উনাকেই রোল মডেল করুন।
- সুস্থতা- অসুস্থতা আল্লাহর কাছ থেকে আসে, ধারনা দিন।

যে কোন ধরনের ব্যাথা পাওয়ায় বা অসুস্থতায় একমাত্রই আল্লাহই তাকে সুস্থ করবে এটা বোঝান।

- জান্নাত সম্পর্কে ধারনা দিন।
সেটা কত চমৎকার জায়গা সময়ে সময়ে বর্ননা করুন।
যাতে এই জায়গায় যাওয়ার ব্যাপারে বাচ্চার আগ্রহ মাথায় গেঁথে যায়।

- ছেলে হলে মসজিদের সাথে এটাচমেন্ট তৈরী করে দিন।
সম্ভব হলে বাচ্চাকে জামাতে নামায পড়ার সময় সাথে রাখুন।

- বাচ্চাকে ভালো মুসলিম হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। ইন শা আল্লাহ্

রহমানুর রাহিম আমাদের কবুল করুন!!!

Photos from Hydishopbd's post 16/12/2020

💁বাচ্চাদের কুচি খিমার।

🌈কাপড় অরিজিনাল দুবাই চেরি।

💐৩-১২ বছরের বাচ্চার খিমার available

🌺শুধু ৫ টা কালার available

অাগ্রহী হলে পেজ ইনবক্সে মেসেজ দিন 💝

Photos from Hydishopbd's post 15/12/2020

Review time😍

Want your business to be the top-listed Shop in Kushtia?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Kushtia