Abrar Raiyan Toha
ফা ইন্না মা আল উসরি ইউসরা
17/11/2025
“অকৃতজ্ঞ মানুষকে বদলানো যায় না, কিন্তু তাকে চিনে নেওয়া যায়—এটাই অভিজ্ঞতার উপহার।
জীবনে আমরা অনেক সময় ভাবি, ভালোবাসা, সাহায্য বা আন্তরিকতায় মানুষ পাল্টে যাবে। কিন্তু সত্য হলো—যার ভেতরে কৃতজ্ঞতা নেই, সে কখনোই আপনার মূল্য বুঝবে না।
তাই দূরত্বকে ভয় নয়, বরং শক্তি মনে করুন। কারণ দূরেই থেকে কিছু মানুষকে দেখলে তাদের আসল মুখটা স্পষ্ট হয়।
ভুল মানুষকে হারানো কখনো ক্ষতি নয়—এটা নিজের প্রতি করা এক প্রকার উপকার।”
ক্ষুধা নয়, সম্মান বেছে নাও
এখানে “ক্ষুধা” শুধু পেটের ক্ষুধা নয়, বরং জীবনের প্রতিটি অভাব, প্রয়োজন বা দুর্বলতার প্রতীক। মানুষ যখন খুব বেশি মরিয়া হয়ে পড়ে, তখন সে নিজের মান-সম্মান, যোগ্যতা ও ন্যায্য মূল্যকে সহজেই ত্যাগ করে ফেলে। আর সেই সুযোগটাই নেয় সমাজ, কর্মক্ষেত্র, এমনকি সম্পর্কের মানুষও।
লেখাটি আমাদের শেখায়, অসহায় অবস্থায় সিদ্ধান্ত নেওয়া বি/প/জ্জ/নক। কারণ তখন আমরা যা পাই, তাই গ্রহণ করি; যা বলা হয়, তাই মেনে নিই। চাকরির ক্ষেত্রে, এমন মানুষ সহজেই কম বেতনে কাজ করতে রাজি হয়, ফলে নিজের দক্ষতার মূল্য হারায়। সম্পর্কের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য একাকীত্বের ভয়ে ভুল মানুষের পাশে থাকা আত্মসম্মানের মৃ/ত্যু ডেকে আনে।
এই বার্তাটি আমাদের আত্মনির্ভরতার দিকে আহ্বান জানায়। নিজের জীবন এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন আমাদের কাছে সবসময় বিকল্প থাকে।
তার মানে হলো
• দক্ষতা বাড়ানো
• আর্থিকভাবে প্রস্তুত থাকা
• মানসিকভাবে দৃঢ় থাকা
• নিজের মূল্য বোঝা
যখন কারও হাতে বিকল্প থাকে, তখন সে সহজে ঠকে না, কেউ তাকে ব্যবহার করতে পারে না।
অতএব, জীবনে ক্ষুধা থাকতে পারে তা উন্নতির, ভালোবাসার বা সুযোগের হতে পারে কিন্তু সেই ক্ষুধা যেন কখনো আত্মসম্মানকে গ্রাস না করে।
মরিয়া নয়, স্বাবলম্বী হও। আত্মসম্মান হারিয়ে নয়, নিজের শক্তিতে বাঁচো।
Raiyan Toha #
#
দুনিয়াতে অতিরিক্ত ভালো আর অতিরিক্ত নরম হয়ে থাকা—
এটা সত্যিই এক লস প্রজেক্ট।
নরম মানুষকে সবাই সুযোগ খুঁজে পেয়ে বসে,
তার ভেতরকার শান্তিকে ভেঙে খায়।
যতদিন তুমি কারো বাজে ব্যবহারের বিপরীতে
মুখের ওপর স্পষ্ট জবাব দিতে শিখবে না—
ততদিন মানুষ তোমাকে
অপমানের জন্যই বেছে নেবে।
কেউ চড় মারার মতো কথা বললে,
সেই কথার উপযুক্ত জবাব ফিরিয়ে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
“ভালো মানুষী” নামের pending জবাব
তোমার সম্মানকেই আঘাত করে।
আজকে তুমি চুপ থেকে গেলে,
কাল সে আরও বাজে কথা বলবে।
আর তখন নিজের মানসিক যন্ত্রণার দায়
তোমার নিজের মাথাতেই পড়বে।
তাই স্ট্রেইট–ফরোয়ার্ড হও,
স্পষ্টবাদী হও।
মানুষ বলবে তুমি রুড,
বলবে arrogant,
বলবে বেয়াদব—
বলুক।
কারণ মাঝে মাঝে
আত্মসম্মানকে রক্ষা করতে
এই ‘রুড’ হওয়াটাই প্রয়োজন।
এই পৃথিবীতে
অনেক কিছুর সঙ্গে আপোষ চলে—
কিন্তু নিজের আত্মসম্মানের সঙ্গে
কখনোই না।
# Raiyan Toha # #
মিথ্যা আর জুলুমের বিরুদ্ধে সত্যের লড়াই চলছে। মিথ্যার শব্দ যতই জোড়ালো হোক আর সত্য যতই কোমল হোক সত্যের শক্তিই মূলত বেশি। সত্যের সাথে নিশ্চয়ই আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং সহযোগিতা নিহিত। আর এই পৃথিবীতে কোন কিছুই আল্লাহর চেয়ে বেশি শক্তিশালী নয় - আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটবর্তী।
সত্যের পক্ষে আর সার্বিক কল্যাণ ও নিরাপত্তার জন্য একা লড়তে হচ্ছে। এই লড়াই মোটেই সহজ নয়। তবে এই লড়াইতে সর্বশক্তিমান আল্লাহ একমাত্র সহযোগী হিসেবে আছেন। অপরদিকে আছে সংঘবদ্ধ মিথ্যা, প্রতারণা, জুলুম, কুখ্যাত প্রতারক - মিথ্যুকের পক্ষে জাঁদরেল সুপরিচিত মিথ্যাবাদী, এবং সীমাহীন চক্রান্ত আর হয়রানি।
আল্লাহ্ সব দেখেন এবং সব বিষয়ে অবগত। এই পৃথিবীর আদালতের বিচার শেষ বিচার নয়। "শেষ বিচারের দিন" বলে আরেকটি দিন ধার্য আছে, যেদিন প্রকৃত বিচার হবে, এই পৃথিবীতে হওয়া সব বিচারেরও বিচার হবে, এবং কারও সাথে তিল পরিমাণ অন্যায় করা হবে না। সেই দিনের অপেক্ষায় আছি। আল্লাহ্ আমার একমাত্র অভিভাবক - আমার সততা ও জীবনযুদ্ধের একমাত্র সাক্ষী ও সঙ্গী। আল্লাহ ন্যায় বিচারক তিনি নিশ্চয়ই ন্যায় বিচার করবেন।
# # Raiyan Toha # # #
20/08/2025
...কঠিন হলেও সত্যি মানুষ তেলা মাথায় তেল দেয়! যার সব আছে তার কাছে সবাই আছে! যার কিছু নেই তার কাছে কেউ নেই! এটি পৃথিবীর একটি নির্মম সত্যিই! বিশ্বাস করলেও না করলেও!
তাই সব কিছু ভাল পেতে হলে সবার আগে নিজেকে ভালো করো! যার সফলতা নেই, সামাজিক অবস্থান নেই, তাকে আপন মানুষও আঘাত দিয়ে কথা বলে! আসলে যার যন্ত্রণা সেই বোঝে!
কে বলতো দূর থেকে এসে কষ্টের বোঝা বাড়ায়! তাই এই সুযোগটি কাউকে দিও না যে তোমাকে ফাঁপা বলের মত একবার এদিকে একবার ওই দিকে দিয়ে মারবে!
তোমার জন্মদিন কেউ মনে রাখে না, তোমার ভালবাসার চিঠি নদীর জলে ভেসে যায়, তোমায় ঘিরে কেউ ভিড় বাড়ায় না, তোমার কষ্ট ভাগ নেওয়ার কেউ নেই, আর এসব কিছুর মানে তুমি নিজেকে এখনও মূল্যবান করতে পারো নি! যতটা মূল্য নিজেকে দিলে মূল্যবান হওয়া যায় দাওনি!
এবার ঘুরে দাঁড়াবার একটা শপথ নাও দেখবে উঠে দাঁড়াচ্ছো! নতুন কিছু হতে শুরু করবে জীবনে যা তোমাকে নতুন ভাবে ইন্সপায়ার করবে!
ছোট ছোট পদক্ষেপ থেকে বড় সফলতা আসে! তাই এবার ঘুরে দাঁড়ানোর সময় হয়েছে তোমার! মানুষ চাইলে কি না পারে! দেখো এক টুকরো লোহাও জলে ভাসে না কিন্ত একটা বিশাল বড় জাহাজ কে মানুষই জলে ভাষিয়ে রেখেছে!
তাই এক এক করে সব অপমানের যোগ্য জবাব দিতে প্রস্তুত হও, এক এক করে সব অবহেলাকে আদরে পরিণত করার জন্য তৈরী হও!
আর এই সবকিছু জাস্ট তুমি চাইলেই পারো! পুরো পৃথিবীর কাছে একটাই তুমি, তোমার মত আর কেউ কোথাও নেই! সেরা হওয়ার জন্য তুমি একলাই যথেষ্ট! ভাল থেকো!
# Raiyan Toha # #
19/08/2025
...তুমি যখন নিজের পরিচয় বানানোর পথে এগোচ্ছো,
নিজের সাফল্যের ইমারত তৈরীতে লেগে আছো , জেনে রেখো সে পথে বন্ধু কম পাবে, পিঠ চাপড়ে উৎসাহ দেওয়ার মানুষ কম পাবে!
কঠিন সত্যি, তোমার পাশে থাকার মানুষ কম পাবে,তবে আঘাত দেওয়ার মানুষের অভাব হবে না! ভাল থেকো!
19/08/2025
কথা কি ভুল??
17/08/2025
আপনি যখন আপনার দাম্পত্য জীবন নিয়ে চরম ডিপ্রেশনে, ঠিক তখন আশেপাশে থাকা আপন মানুষগুলোই আপনাকে সবকিছু ঠিক করে নিতে বলবে কিংবা মেনে নিতে আর নয়তো মানিয়ে নিতে বলবে।
আসলে চাইলেই কী সবকিছু ঠিক করা যায়, মেনে নেয়া কিংবা মানিয়ে নেয়া যায়? যে নিজের স্বভাবের নিজেই পরিবর্তন চায় না, তার স্বভাব অন্য কেউ পরিবর্তন করবে কীভাবে?
নিজের মনের মতো কাউকে সঙ্গী হিসাবে পাওয়া যায় না কখনো। তবে “ মনের মতো বানিয়ে নেয়া যায় ” এটাও ডাহা মিথ্যা কথা। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের স্বভাব–আচরণে ঊনিশ–বিশ পার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু ষোলো আর বিশ পার্থক্য মেনে নেয়া যায় না।
একজন রসিক মনোভাবের হলে, অপরজন বেরসিক হয়। আর এতটাই বেরসিক হয়, রসিক মনোভাবের মানুষটাও একটা সময় গিয়ে তার অনুভূতি হারিয়ে ফেলে! মানসিক যন্ত্রণা, মানসিক-শারীরিক চাহিদার অপূর্ণতা দাম্পত্য জীবনকে অসীম তিক্ততার করে তোলে!
একটা মানুষকে বলে বুঝিয়ে, হাতে কলমে শিখিয়ে কখনোই প্রেম-ভালোবাসা, আদর, রসিক মনোভাব, এবং যত্নবান করে তোলা যায় না–যদি না সে নিজে থেকেই এসবের প্রতি আগ্রহ দেখায়।
বৈবাহিক জীবনে ডিপ্রেশন আসেই মূলত সঙ্গীর দুর্ব্যবহার, অসম্মান, অনাদর এবং অবহেলা থেকে। যারা এই ডিপ্রেশনে ভোগে, তারা কখনো চেষ্টার কমতি রাখে না সবকিছু ঠিক করে নেয়ার জন্য।
আর যখনই তারা ব্যর্থ হয়, তখন সব রকমের চেষ্টা ছেড়ে দিয়ে চরম হতাশায় মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে দিনের পর দিন! যার খবর ঐ উপরওয়ালা ছাড়া আর কেউ রাখে না–কেউ না।
# # Raiyan Toha # # #
10/08/2025
একজন পুরুষকে পাওয়ার জন্য কখনো অন্য নারীর সাথে ফাইট করবেন না।
সত্যি কথা এটাই যে, কোনো নারী আপনার পছন্দের পুরুষকে আপনার থেকে ততক্ষণ পর্যন্ত কেড়ে নিতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার পছন্দের পুরুষ নিজে সুযোগ এবং প্রশ্রয় দেয়। আর যদি অন্য নারী আপনার পছন্দের পুরুষকে কেড়ে নিয়ে যেতে সফল হয়, তাহলে তাকে দিয়ে দিন। এতে আপনার কোনো ক্ষতি নেই, বরং এটাই সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছে। তিনি এমন কাউকে আপনার জীবন থেকে সরিয়ে দিচ্ছেন যে আপনাকে মূল্যায়ন করেনি, যে কখনো সত্যিকার অর্থে আপনার ছিলোই না।
একজন সত্যিকারের পুরুষ – যে সৎ , যার আত্মসম্মানবোধ আছে, এবং যার হৃদয়ে কেবল আপনি আছেন – তাকে আপনার থেকে কেড়ে নেয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয়। আর লয়ালিটি এমন কোনো বস্তু নয় যেটা আপনাকে ভিক্ষা চেয়ে নিতে হবে, সঠিক মানুষ না চাইতেও আপনার প্রতি লয়াল থাকবে। তার জীবনে আপনার গুরুত্ব কতটুকু সেটা নিয়েও আপনাকে প্রশ্ন করতে হবে না, কারণ তিনি নিজেই আপনাকে বুঝিয়ে দেবে তার জীবনে আপনি কতোটা গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখবেন, ভালোবাসা কোনো প্রতিযোগিতা নয়। ভালোবাসা হয় ন্যাচারাল, মিউচুয়াল আর সিকিউর। যদি দেখা যায় আপনি একাই রিলেশন টিকিয়ে রাখতে লড়াই করছেন, তাহলে আপনার নিজেকে সংযত করা উচিৎ। নিজেকে প্রশ্ন করা উচিৎ এটা কি আসলেই মিউচুয়াল ভালোবাসা নাকি কেবল এক তরফা আসক্তি?
নিজেকে ভালো রাখার জন্য আপনি নিজেই যথেষ্ট। তাই কখনোই এমন কাউকে ধরে রাখতে নিজের স্ট্যান্ডার্ড লোয়ার করবেন না, যে আপনার মূল্যই বোঝে না। আপনি এমন কাউকে ডিজার্ভ করেন যে বিনা শর্তে, নিজের মন প্রাণ উজাড় করে কনস্ট্যান্টলি কেবল আপনাকেই ভালোবেসে যাবে ❤️
# # Raiyan Toha # # #
***follower # # # # #
বাবাই পড়াশোনাই বড্ড ফাঁকিবাজ।
10/08/2025
আমরা অনেক বাবা মা যে ভুল গুলা বাচ্চাদের সাথে করে থাকি।
*"শিশুকে রাগ দেখালে রাগ শিখবে, ভালোবাসা দেখালে ভালোবাসা।” এটা একটা লাইন না, এটা প্রতিটা শিশুর বেড়ে ওঠার সবচেয়ে বড় সত্য। আপনার বাচ্চা জেদ করে? খেয়াল করেছেন কখন জেদ বাড়ে?"*..........
!
— যখন ওর চাওয়া আপনি বারবার থামিয়ে দেন।
— যখন ওর আগ্রহকে আপনি “না” বলে চেপে দেন।
— যখন ওর চোখের সামনে আপনি রেগে যান।.........
।
শিশু তখন ভাবে,
🧠 "আমার কথা কেউ শোনে না"
🧠 "চিৎকার করলে, কান্না করলে, রাগ করলে তবেই সবাই শুনবে"........
👉 এভাবেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে জেদি স্বভাব, রাগী মন, অস্থির আচরণ। কিন্তু আপনি চাইলে এটা বদলাতে পারেন। শিশুরা কথা নয়, আচরণ দেখে শেখে ।
আপনি যেমন, সেও তেমন হবেই।"......
!
🔹 আপনি যদি তাকে সময় দেন — সে নিরাপত্তা শেখে
🔹 আপনি যদি তাকে ভালোবাসেন — সে ভালোবাসা দিতে শেখে
🔹 আপনি যদি ধৈর্য ধরেন — সে ধৈর্য শেখে
🔹 আপনি যদি তার আগ্রহে সাড়া দেন — সে আত্মবিশ্বাস পায়........
।
"একটা কথা মনে রাখবেন, না” বলাটা সহজ। কিন্তু “না”-এর জায়গায় ভালোভাবে বোঝানো শেখানো অনেক কঠিন — কিন্তু সবচেয়ে জরুরি।".....
।
🔸 শিশুর ইচ্ছে মানে তাকে উড়িয়ে দেওয়া না
🔸 ওর কৌতূহল মানে শাস্তি না
🔸 ওর চোখে জেদ মানেই রাগের জবাব না
"বরং বুঝিয়ে দিন, ধরিয়ে দিন, পাশে থাকুন।"...........
।
💥 তাহলে কী করবেন?
✔ কোন কিছু ধরলে না বলার পরিবর্তে বিকল্প কিছু দিন
✔ যতটা সম্ভব বাচ্চাকে ছোট ছোট সিদ্ধান্ত নিতে দিন
✔ সবকিছুতে না নয়, কিছু জিনিস বুঝিয়ে বলুন
✔ রেগে গেলে থামুন, কারণ আপনার রাগ ওর শেখার জায়গা
✔ প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় রাখুন শুধু ওর জন্য
✔ ওকে বলুন: “তুমি গুরুত্বপূর্ণ”, “তোমার কথা আমি শুনি”, "তোমাকে আমি অনেক ভালবাসি "...........
💥 মনে রাখবেন, বাচ্চারা যা দেখে, তাই হয়। আপনি যদি শান্ত থাকেন, ভালোবাসা দেন — সে-ও তাই শিখবে।
।
💥 এই পোস্টটা সব মা-বাবার সঙ্গে শেয়ার করুন, যিনি হঠাৎ একটু রেগে যান হয় হয়তো এই লেখা তার মনটা নরম করে দেবে।".............
।
Share Post......
10/08/2025
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Khulna