Dr.Raifur Rahman Rifat

Dr.Raifur Rahman Rifat

Share

ডা.রাইফুর রহমান রিফাত
আমরা স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান করে থাকি।

Photos from Dr.Raifur Rahman Rifat's post 15/05/2026

আমাদের দেশে বেশীভাগ লোকই চাবানী কামড়ানিকে বাত বলে থাকে,যার ৯০% কারন হল রক্ত কম থাকা বা ডি এর অভাব।
বাত হল এক ভয়াবহ রোগ যা ভিতর থেকে শরীরকে ধ্বংস করে,যেমন, রক্ষাকারী যখন ভখ্খক এর ভুমিকা নেয় তেমন🩸🩸🩸

যখন দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাইরের শত্রু দমনের পরিবর্তে নিজেদের সদর দপ্তরেই আক্রমণ শুরু করে, তখন যেমন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়; ঠিক তেমনই ঘটে আমাদের শরীরে, যখন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেম নিজের সুস্থ কোষগুলোকেই শত্রু ভেবে আক্রমণ করে বসে! চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় অটোইমিউন ডিজিজ (Autoimmune Diseases)।কিভাবে ঘটে এই আত্মঘাতী যুদ্ধ? জেনে নিন এর প্যাথোফিজিওলজি (Pathophysiology):ভুল বার্তা: শরীরে অটোঅ্যান্টিবডি তৈরি হয়, যা নিজের ডিএনএ, প্রোটিন বা রিসেপ্টরকে শত্রু মনে করে। (যেন মিথ্যা গুজব ছড়ানো হলো!)ভুল নিশানা: সাইটোটক্সিক টি-কোষগুলো নিজের সুস্থ কোষকে "সংক্রমিত" ভেবে আক্রমণ করে। (যেন পুলিশ এসে নিজেদের ভবনই ঘিরে ফেলল!)ধ্বংসযজ্ঞ: পরিপূরক ব্যবস্থা (Complement system) সক্রিয় হয়ে টিস্যু নষ্ট করে। (যেন সোয়াত টিম এসে নিজের সম্পত্তি ধ্বংস করছে!)সাইটোকাইন স্টর্ম: টিএনএফ-আলফা (TNF-α), আইএল-১ (IL-1), আইএল-৬ (IL-6) এর মতো উপাদানের বন্যা বয়ে যায়। (ফলাফল: ভুল পরিচয়ের কারণে শরীরের ভেতরেই নেমে আসে চরম ধ্বংসযজ্ঞ!)
#কলাপাড়া #ডাক্তার #বাতরোগ

10/05/2026

অতিরিক্ত ভিটামিন ডি- নরম টিস্যুর জন্য বিপজ্জনক

ভিটামিনগুলোর মধ্যে ভিটামিন ডি-এর বিষাক্ততার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। ভিটামিন ডি-এর বিষক্রিয়া হাড় থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ করে রক্তে ক্যালসিয়ামের ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয়, যা পরবর্তীতে নরম টিস্যুতে জমা হয়ে সেগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। দীর্ঘস্থায়ীভাবে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলে কিডনি ও হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা হ্রাস পায়, রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং অবশেষে কিডনি ও হৃৎপিণ্ড বিকল হয়ে পড়লে মৃত্যু ঘটে।

উচ্চ মাত্রার ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি, পিঠে ব্যথা, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন এবং প্রস্রাব ও তৃষ্ণা বৃদ্ধি পেতে পারে। রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার বেশ কিছু ঘটনা সামনে এসেছে, কারণ সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবের প্রাথমিক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় আরও বেশি সংখ্যক মানুষ নিজেরাই উচ্চ মাত্রার ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করছেন।

⚕️⚕️মূল পয়েন্ট

ভিটামিন ডি হলো সবচেয়ে সম্ভাব্য বিষাক্ত ভিটামিন।

মাত্রাধিক্য রক্তে ক্যালসিয়াম বাড়িয়ে দেয় এবং নরম টিস্যুর ক্ষতি করে।

তাই খাইতে থাকো খাইতে থাকো একদিন তো মরেই যাবে💊💊
#কলাপাড়া #ডাক্তার

Photos from Dr.Raifur Rahman Rifat's post 06/05/2026

🔬 মেডিকেল টেস্ট: চূড়ান্ত সত্য নয়, শুধু একটি টুল
আমরা অনেক সময় মনে করি, রিপোর্টে “High” বা “Low” মানেই বড় সমস্যা। কিন্তু বাস্তবতা হলো—মেডিকেল টেস্ট কখনোই একা রোগ নির্ণয় করে না। রোগীকে দেখতে হয় পুরো অবস্থাসহ (Clinical Picture)।
⭕⭕ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সত্য:
১. পরিসংখ্যানের ফাঁদ প্রতিটি টেস্টেরই কিছু ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
একটি টেস্টে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা যদি ৫% হয়, তাহলে অনেকগুলো টেস্ট একসাথে করলে অন্তত একটি “ভুল অস্বাভাবিক” রিপোর্ট আসার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
👉 বেশি টেস্ট = বেশি ভুল অ্যালার্ম
২. অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষার ক্ষতি • সুস্থ মানুষকে ভুল করে রোগী বানিয়ে ফেলা
• অযথা ভয় ও মানসিক চাপ
• অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু হয়ে যাওয়া
৩. Overdiagnosis (অতিরিক্ত রোগ ধরা) অনেক সময় এমন সমস্যা ধরা পড়ে, যা কখনোই রোগীর ক্ষতি করত না।
👉 তবুও ওষুধ শুরু হয়, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বাড়ে
৪. Cascade Effect (এক পরীক্ষা থেকে আরেক পরীক্ষা) একটি রিপোর্ট একটু অস্বাভাবিক এলেই শুরু হয় নতুন নতুন পরীক্ষা—
CT Scan, Biopsy…
👉 খরচ বাড়ে, ঝুঁকিও বাড়ে
৫. মানসিক ও আর্থিক চাপ • রিপোর্ট দেখে অকারণ দুশ্চিন্তা
• অপ্রয়োজনীয় খরচ
💊💉 কিছু বাস্তব উদাহরণ: • কোমরের ব্যথায় অকারণে MRI → অপ্রয়োজনীয় অপারেশনের ভয়
• ক্যান্সার মার্কার টেস্ট → সুস্থ মানুষেও ভুল পজিটিভ
✅ কী করবেন? • ডাক্তার কেন টেস্ট দিচ্ছেন—জিজ্ঞেস করুন
• উপসর্গ না থাকলে “ফুল বডি চেকআপ” প্যাকেজে সতর্ক থাকুন
• রিপোর্ট নয়, রোগীকে গুরুত্ব দিন
🩺 শেষ কথা:
মেডিকেল টেস্ট দরকার, কিন্তু অপ্রয়োজনীয় টেস্ট ক্ষতির কারণ হতে পারে—শরীরের চেয়ে অনেক সময় মন ও পকেট বেশি ভোগে।
#সচেতনতা #মেডিকেল_টেস্ট #স্বাস্থ্য

Photos from Dr.Raifur Rahman Rifat's post 04/05/2026

পুষ্টি গবেষণার সমস্যা এবং জনসাধারণের উপর এর প্রভাব

পুষ্টি বিষয়ক গবেষণাগুলো, বিশেষ করে কফি, ডার্ক চকোলেট বা বেরি জাতীয় খাবারের উপকারিতা বা ক্ষতির চাঞ্চল্যকর তথ্যগুলো সাংবাদিকদের দ্রুত আকর্ষণ করে।

১. গবেষণার মান ও বিভ্রান্তি:
সমস্যা: সাধারণ মানের বা প্রাথমিক গবেষণা (যেমন ইঁদুরের উপর পরীক্ষা) খুব ফলাও করে শিরোনামে চলে আসে।
ফলাফল: "আজকের র্যান্ডম মেডিকেল নিউজ" বা "আজ যা ভালো, কাল তা খারাপ" – এমন ধারা জনসাধারণের মধ্যে চরম বিভ্রান্তি তৈরি করে। যেমন, ডিম বা চর্বি একসময় 'ভিলেন' ছিল, এখন তা 'সুপারফুড' হিসেবে প্রশংসিত।

২. পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণার সীমাবদ্ধতা:
পুষ্টিবিজ্ঞানের বেশিরভাগ গবেষণাই পর্যবেক্ষণমূলক। এগুলো কোনো খাবারের সাথে রোগের কারণগত সম্পর্ক প্রমাণ করে না, শুধু সম্পর্ক বা যোগসূত্র দেখায়।
পরিমাপগত ত্রুটি: মানুষ সাধারণত মনে করতে পারে না যে সে গতকাল বা গত মাসে কী খেয়েছে।
বিভ্রান্তিকর উপাদান: স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া ব্যক্তিরা সাধারণত ব্যায়ামও বেশি করেন এবং ধূমপান করেন না। তাই শুধু খাবার দিয়ে স্বাস্থ্যের উন্নতি পরিমাপ করা কঠিন।
বিপরীত কার্যকারণ: শরীর খারাপ হলে মানুষ ভালো খাবার খাওয়া শুরু করে, তাই গবেষণায় দেখা যেতে পারে যে ওই খাবারটি রোগ সৃষ্টি করছে, অথচ আসলে অসুস্থতার কারণেই খাবারটি খাওয়া হচ্ছিল।

৩. বৈচিত্র্যময় ও পরস্পরবিরোধী পরামর্শ:
পুষ্টিবিজ্ঞান নিয়ে প্রতিনিয়ত আসা নতুন তথ্যের কারণে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ছে। একই বিষয়ে একদিনের গবেষণায় বলা হচ্ছে "কফি হার্টের জন্য ভালো", পরের দিন হয়তো আসছে "কফি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়"।
ফলাফল: সাধারণ মানুষ আর কার পরামর্শ শুনবে বা কোন খাবারটি খাবে তা বুঝতে পারে না, যা শেষ পর্যন্ত পুষ্টি সংক্রান্ত সঠিক নির্দেশিকা মানার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

৪. "সুপারফুড" ও বাণিজ্যের প্রভাব:
"সুপারফুড" (যেমন- কিনোয়া, চিয়া সিড, ব্লুবেরি) শব্দটি মূলত একটি বিপণন কৌশল, যার কোনো দাপ্তরিক বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা নেই।

লাস্ট ১০ বছরে অনেকগুলি রিসার্স পেপার প্রকাশ করতে দেয় নি মাননীয় ব্যাবসায়ী মহোদয়রা।হাজার কোটি টাকা ফেসবুকের আ্যড দেখে উরিয়ে দেই।ভাই খাবার একটা রুটিন এটা ঔষধ না,ভালো খাবার সারাজীনন খেলে সাথে ব্যায়ম করলে রোগশোক কম হবে।কিন্তু ঐটা খাইলে রোগ সারবে, এই বলদামীটা শুধু বাংলাদেশে সম্ভব। এবার একটু চোখ খুলেন প্লিজ!!
#কলাপাড়া #ডাক্তার৷ #ফুড

03/05/2026

আমরা সাধারণত রোগগুলোকে আলাদা আলাদা করে দেখি—ডায়াবেটিস এক জিনিস, আলসার আরেকটা, মানসিক অসুস্থতা আরেকটা। যেন এগুলো বইয়ের আলাদা অধ্যায়। কিন্তু বাস্তবে মানুষের অসুস্থতা কখনোই এতটা আলাদা নয়—এগুলো একে অপরের সঙ্গে, আর মানুষের জীবন-সংগ্রামের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকে।
একজন মানুষের অসুস্থতা পুরো পরিবারের উপর প্রভাব ফেলে। শারীরিক রোগের সঙ্গে মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, দায়িত্ব—সব মিলেই নতুন নতুন সমস্যার জন্ম দেয়। যেমন, স্বামীর অসুস্থতা স্ত্রীর উপর চাপ তৈরি করে, সেই চাপ শরীরে আলসার হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে। আবার মায়ের কষ্ট সন্তানের মানসিক অবস্থাকে ভেঙে দিতে পারে।
অর্থাৎ, রোগ শুধু শরীরে সীমাবদ্ধ নয়—এটা সম্পর্ক, দায়িত্ব, মানসিক অবস্থা—সবকিছুকে ছুঁয়ে যায়।
তাই রোগীকে শুধু একটি “রোগ” হিসেবে না দেখে, তার পুরো জীবন-প্রেক্ষাপটসহ বোঝা জরুরি। কারণ প্রতিটি অসুস্থতার পেছনে থাকে একটি মানবিক গল্প—যেখানে আছে কষ্ট, সংগ্রাম, ভালোবাসা এবং কখনো কখনো অপ্রকাশিত অনুভূতির বিস্ফোরণ।

চিকিৎসা শুধু ওষুধ নয়—বোঝাপড়া, সহানুভূতি এবং মানুষের সম্পূর্ণ গল্পকে দেখা।
তাই আমার কাছে এসে বলে দুইটা ঔষধ লিখে দেন মাঝা ব্যাথার, আমি তখন মনে মনে হাসি আর বলি ব্যাবসায়ীদেরই জয় হল😄
কারন তারা মেডিকেল কে বিজনেস বানাতে পেরেছে এবং টেস্ট ঔষধ এগুলাই করাই যে ডাক্তারী সেই ধারনা গ্রাম পর্যন্ত পৌছে দিতে পেরেছে।
এবার চিকুনগুনিয়া রোগে যারাই সেফুরক্সিম গ্রুপ খেয়ে এসেছে,তাদের জ্বরের পর আর্থাইটিস দেখা দিয়েছে।তাহলে কি দারালো এই রোগে রোগীকে বোঝাতে হবে বেশী বেশী পানি খান আর ৫ টা দিন রেস্ট নেন,সব ঠিক হয়ে যাবে।এই যে আশ্বাস এটাই ভাইরাসের ঔষধ।

29/04/2026

ছোট বেলায় শুনতাম আমাদের এলাকায় ২-১ জন ডাক্তার মাত্র।ডাক্তারদের মানুষ অনেক সম্মান করত,মহা ব্যাপার আরকি ডাক্তার হওয়া।পরে বয়স হলো বাবা মায়ের প্রচন্ড ইচ্ছা দোয়াতে আল্লাহ ডাক্তারও বানালো।
পরে দেখি বাইরে থেকে শোনা ব্যাপার নিমিষে গায়েব।ডাক্তার আসল কষ্ট ডাক্তার হওয়ার পরই শুরু।ঐ যে চেম্বার ভরা রোগী আর টাকার ঝনঝনানি ;সেটা আসলে ৫০-৬০ এ গিয়ে যদি সব কষ্ট পড়া সব প্রচুর করা যায় তাহলে।
তো সেই জিনিস যে কোন প্রফেশনের সেরারাই পায় ৫০ বছরে গিয়ে।
অনেকেই জানে না যে ঢাকা শহরে মেডিকেল অফিসারের বেতন ২৫০০০ টাকা।সাথে নাইট ডিউটি ডিগ্রির পড়া রোগী দেখার অমানুষিক চাপ।সরকারী হলে বেতন ৩২-৩৮। সবাই ৯-৫ টা করে বাসায় যায়; ডাক্তারের তার পরও রোগী দেখা এবং পরবর্তীর জন্য পড়া লাগে।
তাই যদি বলেন সেরা পড়া পড়ে সেরা টাকা কই?
ভাই টাকার সাথে পড়ার সম্পর্ক শুন্য।বিদ্যা অর্জন হল হালাল,হারাম,ভালো মন্দের পার্থক্য করা। আর যে সেটা না পারে তার বিদ্যা অসম্পূর্ণ।
পানি বাথরুমের ট্যাপেরও খাওয়া যায় আর টিউবলেরটাও খাওয়া যায়।আপনি কি খাবেন সেটা আপনার বিষয়...
#কলাপাড়া

26/04/2026

বাত রোগে মেইন টেস্ট হল ডিটেইলড হিস্টরি নেয়া।তাই ২ মিনিটে ব্যাথার কথা বলে ১০ টেস্ট করে ব্যাথার ঔষধ বাড়ি নিয়া আসা মানে আপনি ঠকলেন।তাই রোগ ধরায় সময় নিন এবং যে সময়ে নিয়ে দেকে তাকে দেখান।

Photos from Dr.Raifur Rahman Rifat's post 25/04/2026

মাথায় ব্যাথা চলেন মাথাটাই কেটে ফেলি!!
মাথাও নাই ব্যাথাও নাই।
কি সহজ না ডাক্তারী,এভাবেই এখন চলে এই দেশে ডাক্তারী।
রোগারাও মজা পায় আমারে মাইরা ফেলেন বাট রোগ এক ডোজেই ঠিক হতে হবে!!
মাত্র ১৮ বছর বয়স এর মধ্যেই কিডনির দফারফা।ভাই এই যে কাজ করলেন আল্লাহ কি ছেড়ে দিবেন আপনাদের?বিচার হবে না আপনাদের।
৫ এর বাচ্চাকে পড়াবেন টিচার খুজেন ভালো পাবলিক ভার্সিটির আর ডাক্তারী বিদ্যার উপদেশ নেন চার দোকানের আব্বাস মিয়ার।৫ এর ম্যাথটাও যে করে দিতে পারে না।
জীবন এতই তুচ্ছ আপনাদের???

Photos from Dr.Raifur Rahman Rifat's post 24/04/2026

আজকে আরেকটা সুন্দর গল্প বলব...

আমি একজন IHD পেশেন্ট ডিল করতেছিলাম।আলহামদুলিল্লাহ সে ভালোই ছিল ১ বছর ধরে।সাথে শীত আসায় আ্যজমা সিম্পটম বাড়তেছিল,আমি না থাকায় বরিশালে একজন ফুসফুস বিশেষজ্ঞের শরনাপন্ন হন।উনি পূর্বের হিস্ট্রি শুনতেই চান নাই,শ্বাস শুনে টেস্টে পাঠিয়ে দিলেন।পরে দেখলেন রক্ত কম, আয়রন লেভেল উল্টা বেশী।বলে দিলেন কিছু ঔষধ। আর বাড়ি গিয়ে রক্ত দিবেন।বাহ কি সহজ তাই নাহ!!
পরে ফার্সট ডোজের পর রোগী যায় যায় অবস্থায় আমার কাছে হাজির।সব দেখে ভাবলাম রক্ত কমতেই পারে এর সমাধান তো রক্ত দেয়া না,কেন কমল ঐটা খুজে ঠিক করা।রোগীর সাতে প্লেটলেটও কম,WBC ও কম।pancytopenia Anemia বা bicytopenia।স্যাররাএমন করে দেখে,অন্যরা ভাবে; কি সহজ ডাক্তারী, দুইটা নাপা রোলাকের নাম জানালেই ডাক্তারী।রোগীর Creatinine,Liver Function নরমাল।এবার চিন্তা এল মাথায় এই মফস্বলে অনেক টেস্টই হয় না,বেশী গভীরে কিভাবে খুজব?
Chest Xray দিলাম, এইখানে একটু টুইষ্ট পেলাম,Pleural effuision.তখনই মাথয় আসল এবার বোধহয় ধাধা টা মিলবে,অনেকটা ঐ প্রাবাদের মত "হাতি ঘোড়া গেল তল মশা বলে কত জল"।
জি মশাই Winner.
Bicytopenia /pancytopenia তো Vitmin B12 ও করতে পারে। ইয়েস এখানে সেটাই হল Platelet,RBC আর সামান্য WBC কমের কারন Due To defective DNA mechanism.আর এই কমে কমে হল রেসপিরটরী ইনফেকশন।
মেডিসিন হল গোয়েন্দাগল্পের মত প্রতি ভাজে মহান আল্লাহ তায়ালা অদ্ভুত কিন্তু কত সাজানো মেকানিজম বিন্যাস করে রেখেছেন।সুবাহানআল্লাহ।
তবে যাদের থেকে শেখার কথা আমাদের তারা রোগ ধরা আর টাকা দুটোর মধ্য টাকাটাই বেছে নিয়েছেন।প্রেশক্রাইব করেছেন Fluroquinol Group যা Qt prolangation করতে পারে,হার্টের রোগীর জন্য যা খারাপ।আরো আসে Glucosamine+Chondrointin হারবাল মিক্সার এবং এটা চলবে লিখে দিয়েছে বাহ্!!

মানুষের রুপ পেয়েও মানুষ হতে আর কত দেরী পান্জেরী......

Photos from Dr.Raifur Rahman Rifat's post 23/04/2026

অনকে বছর থেকে Rheumatology তে আমার ইন্টারেস্ট থাকায় এই সম্বন্ধিত প্রায় ৩৫ টি বই আমার কাছে আছে। সবজায়গায় একটাই কমন লাইন ছিল-Tight Control of disease However you can.. Gp করতে গিয়ে রিউমাটোলজিস্টদের যত প্রেসক্রিপশন পেতাম রেখে দিতাম, ৯০% রোগীদের শুধু টেস্টে প্রধান্য দিয়ে চিকিৎসা চলে। আমি ছোট হিসেবে যতটুকু বুঝি Overdiagnosis ই এখন মহামারী, কারন কোন মানুষই পারফেক্ট না, তাই তার টেস্টও পারফেক্ট থাকবে না।

আমাদের এই অতি বারাবারী,অতিটেস্ট,অতিঔষধ আমাদেরকে অতি দ্রুত ধংস করে দিচ্ছ।
সোজা কথা আমি বলবই ;তাইতো একলা চলি,আল্লাহর কাছে মুখাপেক্ষী আমি;মানুষের কাছে বাধা নই।তাই সবাইকে বলব আপনার ডাক্তারকে রোগের নাম লিখে দিতে বলুন,সচেতনতাই আমাদের একমাত্র বাচার উপায়।

21/04/2026

অসাধু ডাক্তার আর ঔষধ বিক্রেতা বুঝতেছেও না কি মহাবিপদ আনতেছে এরা।একটা এন্টিবায়োটিক মেরে দিলাম,যা সব ঠিক হয়ে যাবে!!!এবছরের রিপোর্ট অনুযায়ী নরমাল প্রসাবের ইনফেকশনে টাইফয়েডের জন্য দেয়া সর্বচ্চ এন্টিবায়োটিক ইন্জেকশন কাজ করে মাত্র ১৮% লোকের😑।এটা ৩৬০০০ বাংলাদেশীদের উপর করা রিসার্স

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Kalapara?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Kalapara
Kalapara
8650

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00