Muhammad Sadik
সময়ের সত্য প্রকাশ এক সাহসিকতার পরিচয়!
26/10/2025
উপরেরটাকে বলে গার্ডার। মাটি থেকে যেটা উঠে গেছে সেটাকে বলে পিলার। গার্ডার এবং পিলারের মাঝখানে থাকে বিয়ারিং প্যাড। এটা দেওয়া হয় সুষমভাবে ওজন বন্টন ও কম্পন শোষণ করতে। ঢাকার মেট্রোরেলে ব্যবহার করা হয়েছে রাবারের বিয়ারিং প্যাড।
এই প্যাড বিশাল ওজনের গার্ডারের নিচে থাকার ফলে পিছলে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কম। দুর্ঘটনার হার একেবারে কম হওয়ার পরও আজ ঠিক দুপুরে ফার্মগেট সংলগ্ন ৪৩৩ নাম্বার পিলারে স্থাপিত বিয়ারিং প্যাড এক পথচারীর মাথার উপর পড়ে। বিয়ারিং প্যাড প্রায় ১৫০ ওজনের হওয়ার কারণে পথচারী সঙ্গেসঙ্গে মারা যান এবং তার পার্শ্ববর্তী থাকা দুজন আহত হন৷ মৃত্যুর খবর রাজ দরবারে পৌঁছুলে তারা ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করে দায়মুক্তির ভাব নিয়ে চায়ের কাপে পরবর্তী চুমুক দিয়ে মারাত্মক এক ঘটনাকে জাস্ট দুর্ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করে নির্ভার হয়ে যায়। কিন্তু এটা কি আসলেই দুর্ঘটনা, না কি নির্মাণকালীন দুর্নীতি এবং পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের অবহেলার ফলাফল? হঠাৎ বিয়ারিং প্যাড সরে খসে পড়েছে, না কি একটু একটু করে সরতে সরতে ভূপাতিত হয়েছে? পর্যাপ্ত গাইডলাইন মেনে কি ইনস্টলেশন করা হয়েছিল, না কি চৌকির পায়ার নিচে ইট দেওয়ার মতো বিয়ারিং প্যাড গুঁজে দিয়ে দায় সারা হয়েছিল?
এগুলোর উত্তর খুঁজে পাবেন না। যে দেশে একজন মানুষের দাম মাত্র ৫ লাখ টাকা সেই দেশে কখনোই এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলাদা নজর দেওয়া হবে না। মরুক, ক্ষতিপূরণ তো মাত্র ৫ লাখ। এটা কোনো ব্যাপার!
আমরা এমন একটা দেশে বাস করি, যে দেশে টাইফয়েডের ফ্রি টিকা দেওয়ার জন্য জোরাজোরি করা হয়, কিন্তু জীবনের তাগিদে রাস্তায় চলাচল করা মানুষদের জীবন রক্ষার্থে ন্যুনতম সেইফটি নিশ্চিত করা হয় না। এ-কোন পাগলের দেশে আমরা আছি? কোন ছাগলের পাল চালায় এই দেশ?
শরীয়াহ কী বলে জানেন?
অনিচ্ছাকৃতভাবে কারোর দ্বারা কেউ মারা গেলে তার ক্ষতিপূরণ হচ্ছে ১০০ উট বা সমপরিমাণ অর্থ প্রদান। বর্তমানে এর বাজার মূল্য কম করে হলেও ২৫ কোটি টাকার ওপর। এরপরও তোমাদের কাছে শরীয়াহ আইন ভালো নয়। ভালো শুধু মরার পর ভিক্ষার মতো ৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া "জোর যার মুল্লুক তার" সিস্টেম। থাকো তোমার ভালো নিয়ে।
©
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মিথ্যা *আমি সফল হলে আমার দ্বীন ঠিক করে নেব।*
- টাকা কামাতে গিয়ে সালাত দেরিতে পড়া হয়।
- মানুষের পেছনে ছুটতে গিয়ে কুরআন ধুলোয় পড়ে থাকে।
- উপাধির পেছনে ছুটতে গিয়ে দোয়া নীরব হয়ে যায়।
- দুনিয়ার পেছনে ছুটতে গিয়ে আখিরাহ ভুলে যাওয়া হয়।
- যখন সফলতা আসে, তখন হয়তো আত্মা দেউলিয়া হয়ে গেছে।
— সংগৃহিত
মা....!
10/09/2025
জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। বিয়ে প্রতি রাতের ৩০ মিনিটের জন্য না। বাকি ২৩ ঘন্টা ৩০ মিনিটের কথাটাও মাথায় রাখা উচিত। নয়তো জীবনটা তছনছ হয়ে যাবে।
বিয়ে কেন করে সেটা না জেনেই অনেকে বিয়ে করছে। কেউ বিয়ে করছে নিজের বিলাসী শখ পূরণ করতে। কেউ বিয়ে করছে সামাজিক স্ট্যাটাস তৈরি করতে। কেউ বিয়ে করছে আবেগে। কেউ বিয়ে করছে খুশিতে। কেউ বিয়ে করছে ঠ্যালায় পড়ে। কেউ বিয়ে করছে ট্রেন্ডি হতে।
নিজেকে মূল্যায়ন না করে যার-তার সাথে ঘর বাঁধার মাশুল চড়া মূল্যে দিতে হয় এক সময়।
বিয়ে একটা প্রয়োজনীয়তা। প্রথম প্রয়োজন বৈধ উপায়ে যৌ*ন চাহিদা পূরণ করা। এরপর একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু পাওয়া। একজন সোল মেট পাওয়া।
মানসিকতা না মিললে, চিন্তা-চেতনার মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকলে, জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এক না হলে গলার কাঁটা নিয়ে সারাটা জীবন পার করতে হয়। যারা ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলেন, তারা একসময় বিচ্ছেদের মতো জীবন অচল করে দেওয়া সিদ্ধান্তের পথে পা বাড়ান।
কেউ কারো মতো হুবুহু হতে পারবে না। এ কথা যেমন সত্য। আবার একে অপরের হৃদয়টা বুঝতে না পারলে দুজনের মধ্যে দূরত্ব যে সৃষ্টি হবে, সেটাও কিন্তু সত্য। তাই মাথার ওপরের পাখাটা ধীরে চলবে নাকি দ্রুত গতিতে, রাতের খাবার কি দেরি করে খাবে নাকি আগেভাগে, খাবারের ঝাল কিংবা লবন কমবেশি করার ব্যাপারে একে অপরকে স্যাক্রিফাইস করতেই পারে। তবে তার মানে এই নয় যে দুজন মানুষ আলাদা দুই জগতের বাসিন্দা। দুজনের মৌলিক চাওয়া-পাওয়া একেবারেই ভিন্ন হবে।
চোখের ভালো লাগার একটা বিষয়ও কিন্তু আছে। এটা মৌলিক চাহিদা। সঙ্গীকে যদি ভালো নাই লাগে, তখন বিয়েটা অর্থহীন হয়ে যায়। কাঁধের ওপর স্রেফ 'বিবাহিত' তকমাটাই থাকে; সঙ্গীর হাতটা পাওয়া যায় না।
অথচ কান্না করার জন্য সঙ্গীর কাঁধে মাথা রাখাটা প্রাপ্য অধিকার। বুকের মধ্যে জড়িয়ে নিয়ে সকল দুঃখগুলো এক নিমিষেই পানি করে ফেলার জন্য কোনো অনুমতি বা পরিবেশের জন্য অপেক্ষা করতে যেন না হয়, সেটার নিশ্চয়তা থাকতে হয়। একে অপরকে ঠিক সেভাবেই বুঝবে, যেমনটা তারা নিজেকে বুঝে।
বিয়ের আগে কারো মনের ভেতরে গিয়ে তো আর এসব যাচাই করা যায় না। তাহলে উপায় কি? সংসার জীবন তো তাহলে আর হবে না।
না, ব্যাপারটা সেরকম না।
ভালোবাসা মানে শুধু পাওয়া না। ভালোবাসলে ত্যাগও করতে হয়। নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসার উদাহরণ হলো, জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর সন্তুষ্টির জন্য নিজের পছন্দকে বিসর্জন দেওয়া। তবে তার মানে এই নয় যে, অন্যায়, ভুল ও অযৌক্তিক আবদারগুলোকেও প্রশ্রয় দিতে হবে।
দু'জনের চাওয়া-পাওয়ার মাঝে ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় করে নিতে হবে। আলোচনায় বসে এসব নিয়ে চুক্তি করবে? উঁহু। তা না। যা হবে নিঃশব্দে। দুজনের ভেতরে আরো দুটো সত্তা আছে। কথা হবে ওই দুটো সত্তার মাঝে। এর নাম নীরব ভালোবাসা। তারা সংসার করছে। দৈনন্দিন জীবনে আট/দশটা দম্পতি যা করে তারাও তাই করছে। তবে দুজনের ভেতরেই নীরব প্রচেষ্টা চলছে–কীভাবে সঙ্গী/সঙ্গিনীকে সুখি, সন্তুষ্ট রাখা যায়। সে কি ভালোবাসে, তার পছন্দ-অপছন্দ, সঙ্গী/সঙ্গীনির কাছে তার চাওয়াটা কি ইত্যাদি।
ভালোবাসা দেওয়ার অনেকগুলো ধরণ। কিছু ধরণের ভালোবাসা চেয়ে নিতেই মজা। 'সে শুধুই আমার'-এর অধিকার খাটানোর একটা তৃপ্তি কাজ করে। আবার কিছু ধরণের ভালোবাসা চেয়ে নেওয়ার মধ্যে তৃপ্তি নেই। মনে চায় সে নিজে থেকে আমার চাওয়াটা বুঝে নিক।
দু'জনের বোঝাপড়াটা এমন হবে যে–কোনটা রাগ আর কোনটা অভিমান, কোনটা মন খারাপ আর কোনটা মনের কষ্ট; মুখে না বললেও অপরজন বুঝে নেবে।
এটা দীর্ঘ সময় নিয়ে ধীরে ধীরে আয়ত্ত করতে হয়। ভালোবাসার সংসার চর্চা করার বিষয়। এটা কোনো প্রতিযোগিতা না। স্বামী-স্ত্রী একে অপরের প্রতিযোগী না; বরং দুই দেহ এক হৃদয়।
লেখা :সংগৃহীত
15/08/2025
আজ ১৫ই আগস্ট ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের চতুর্থ স্বাধীনতা দিবস
বিজয়ের চতুর্থ বার্ষিকী উপলক্ষে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা শাইখুল হাদিস মোল্লা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিজাহুল্লাহ বার্তা:
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য,দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর।
মহান আল্লাহ তাআ'লা বলেন,
"নিশ্চয়ই, আমি তোমাকে সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি।" (সূরা ফাতহ - ১)
মহান আল্লাহ তাআ'লা আরও বলেন,
“আর নিশ্চয় আমার বাহিনীই বিজয়ী হবে।” (আস-সাফফাত - ১৭৩)
আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর,যিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই শত্রুদের পরাজিত করেছেন।" (ইবনে মাজাহ)
আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর সাহায্যে ইমারতে ইসলামিয়ার মুজাহিদদের হাতে আমেরিকা ও তার মিত্রদের দখল থেকে আফগানিস্তানের মহান বিজয় এবং মুক্তির চতুর্থ বছর সম্পন্ন হয়েছে।
প্রায় ৫০ বছর ধরে, আফগানিস্তানে একটি পবিত্র শরিয়া ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য আফগানরা প্রচুর কষ্ট সহ্য করেছে এবং প্রচুর ত্যাগ স্বীকার করেছে।
দখলদারিত্বের অবসানের পর, আফগানিস্তান পবিত্র শরীয়াহ আইনের দেশে পরিণত হয়। কয়েক দশক পর, দেশজুড়ে শান্তি বিরাজ করে এবং শরীয়াহ আইনের আলোকে আমাদের জনগণ দুর্নীতি, নিপীড়ন, দখল, মাদক, চুরি, ডাকাতি এবং লুটপাট থেকে মুক্তি পায়। আফগানিস্তানের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনের জন্য একটি ভালো ভিত্তি স্থাপন করা হয় এবং আমাদের দেশবাসী ভাষাগত, জাতিগত, আঞ্চলিক, দলীয় এবং অন্যান্য পার্থক্য থেকে মুক্তি পায়।
এগুলো মহান আল্লাহর রহমত, যা আমাদের জনগণের ভুলে যাওয়া উচিত নয় এবং বিজয় দিবস উদযাপনের সময় সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত, যাতে এই রহমতগুলি আরও বৃদ্ধি পায়। যদি, আল্লাহ না করুন, আমরা এই রহমতগুলির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করি, যদি আমরা অকৃতজ্ঞ হই, তাহলে আমাদের উপর আল্লাহর কঠোর শাস্তি বর্তাবে।
মহান আল্লাহ বলেন: "যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় কর, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেব, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয় আমার আযাব বড় কঠিন।" (সূরা ইব্রাহিম - ৭)
আমাদের মুজাহিদদের জিহাদ এবং আমাদের শহীদ, বন্দী এবং প্রতিবন্ধীদের ত্যাগ ও কষ্টের প্রতিও আমাদের কৃতজ্ঞ থাকতে হবে।
ইমারতে ইসলামিয়ার সকল কর্মকর্তাদের প্রতি আমাদের একটি গুরুতর নির্দেশ রয়েছে যে তারা তাদের শরীয়াহ ব্যবস্থা এবং মুসলমানদের সেবা করুন, জনগণের সমৃদ্ধি ও শান্তির জন্য প্রচেষ্টা করুন এবং ইমারতে ইসলামিয়ার সকল মন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের ভাষায় "ভারপ্রাপ্ত" শব্দটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
ইমারতে ইসলামিয়ার সকল কর্মকর্তাদের অবশ্যই জিহাদের পথে শহীদদের পরিবারবর্গকে স্মরণ করতে হবে এবং এতিমদের যত্ন ও সুরক্ষার পূর্ণ যত্ন নিতে হবে।
আমরা মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি যেন তিনি আমাদের দেশকে চিরকাল শরীয়াহ ব্যবস্থা দ্বারা পরিচালিত রাখেন, এবং মহান আল্লাহ আমাদের সকল ধরণের শত্রু থেকে রক্ষা ও সুরক্ষা করুন।
আল্লাহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে ঐক্য ও ঐক্যমত্য দান করুন, এবং আল্লাহ ফিলিস্তিনের মুসলমানদের স্পষ্ট বিজয় দান করুন।
আমিন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক।
শাইখুল হাদিস মোল্লা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিজাহুল্লাহ
(সর্বচ্চ নেতা, ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান)
২০ সফর, ১৪৪৭হি. ইয়াওমুল জুম'আ
AFB পেজ থেকে নেওয়া।
15/08/2025
এটা এক ধরণের প্রতিশ্রুতি—
যে ঝড় আসুক, বৃষ্টি হোক,
তোমার হাত আমি ছাড়বো না।
এই হাত ধরা মানে ভরসা,
যেখানে ভয় নেই, আছে শুধু নিরাপত্তা।
দূরে যতই পথ থাকুক,
হাজার মানুষের ভিড়ে যতই হারিয়ে যাই,
তোমার হাতের উষ্ণতা বলবে—
"আমি আছি, সবসময় তোমার সাথে।" ❤️
ইনশাআল্লাহ
14/07/2025
আমি কিছুদিন আগে আমার বড় খালার বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। খালার ধর্মীয় জীবন বরাবরই আমাকে ভাবিয়ে তোলে—তিনি খুব পরহেজগার, নামাজ-রোজা ঠিকমতো করেন, মুখে সবসময় কোরআনের আয়াত অথবা কোনো হাদিস ভাসে।
এক বিকেলে আমি যখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হাতে-পায়ে নেলপালিশ দিচ্ছিলাম, খালা হঠাৎ এসে পাশে দাঁড়িয়ে বললেন,
"মিতালি মা, নেলপালিশ দিস না… এটা ওজুর বাধা। আর জানিস তো, আল্লাহর রাসূল (সঃ) বলেছেন—পতিতালয়ের নারীদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল রঙিন নখ। (বানীতে: আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ)"
আমি একটু হেসেই বলেছিলাম,
"খালা, এখন তো সবাই দেয়! রিমুভার দিলে উঠে যায় তো, এত ভয় দেখাইয়ো না!"
খালাও চুপ করে গিয়েছিলেন, হয়তো কেবল আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন—এই মেয়ে যেন একদিন নিজে বুঝে।
তারপর কয়েক দিন পরে ঘটল এক এমন ঘটনা—যেটা চোখের সামনে দেখার পর আজও আমি রাতে ঘুমাতে গেলে সেই দৃশ্য মনে পড়ে গা শিউরে ওঠে!
খালার পাশের বাড়ির এক চেনা মহিলা—ভদ্র, পর্দানশীন, সদালাপী—হঠাৎ রাত ১টায় মারা গেলেন। স্বাভাবিক মৃত্যু। সবাই ভাবছিলো, সকালে জানাজা হবে—জোহরের দিকে মাটি দেয়া যাবে।
মরদেহটা রাখা হলো বরফের উপর। পুরো ঘরে কান্নার শব্দ, শোকের ভার যেন ঘর ভেঙে পড়বে এমন।
সকাল বেলা যখন তাকে গোসল করাতে ইমাম সাহেবের স্ত্রী ঘরে গেলেন, হঠাৎ দেখলেন—মৃত মহিলার হাত-পায়ে চকচকে গাঢ় রঙের নেলপালিশ!
তিনি কোনো কথা না বলে বাইরে এসে স্বামীকে ডাকলেন, খুব আস্তে কানে বললেন—
"আপনারা গোসল দিচ্ছেন… কিন্তু ওনার নখে নেলপালিশ!"
ইমাম সাহেব থমকে গেলেন। দ্রুত এসে লাশ দেখলেন। তারপর মহিলার ছেলেমেয়েদের ডেকে বললেন:
"আপনাদের আম্মাকে এখন দাফন করা যাবে না। প্রতিটি নখে নেলপালিশ। ওজু হয়নি, গোসলও হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত নেলপালিশ না উঠবে, জানাজাও হবে না, দাফনও না। এটা শরীয়তের নিয়ম।"
সবার মুখ শুকিয়ে গেল।
হাত-পা কাঁপছে সবার, কান্না থেমে গিয়ে শুরু হলো উৎকণ্ঠা।
রিমুভার আনা হলো… কাজ হলো না!
কেরোসিন, ব্লেড, তুলা—কোনো কিছুতেই নেলপালিশ উঠছে না।
ততক্ষণে লাশ ফুলে গেছে।
সারা শরীর থেকে অদ্ভুত গন্ধ।
পোকা-মাকড় চারদিক দিয়ে ভিড় করছে।
নতুন বরফ এনে আবার রাখা হলো।
তবুও… নেলপালিশ কিছুতেই উঠছে না!
রাত হয়ে এলো।
এশার ওয়াক্ত পেরিয়ে গেছে।
একজন মা, স্ত্রী, মুসলিম নারী—মাটির অপেক্ষায় কষ্ট পাচ্ছেন।
সবাই ইমাম সাহেবকে অনুরোধ করলো,
"হুজুর, এমনি করে দাফন দেই না? আর রাখা যাচ্ছে না!"
ইমাম সাহেব ধীরে বলে উঠলেন,
"এই অবস্থায় দাফন করলে ওনার আজাব অনেক বেশি হবে। শরীরের যেই অংশে ওজু না হয়, সেই অংশ আগুনে পুড়ে যাবে—এটা কোনো কাহিনী না, হাদিসে আছে।"
শেষমেশ সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল—
তার প্রতিটা নখ কেটে ফেলা হবে!
একটা একটা করে কাটা হলো—একটা লাশের আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা নেই, কিন্তু আমাদের ভুলে তাকে এভাবে সহ্য করতে হলো।
ফজরের পরে তাকে দাফন করা হলো—একটা মৃতদেহ, যার ওজু সম্পূর্ণ হলো নখ হারিয়ে…!
প্রিয় বোনেরা,
এই ঘটনা আমি আমার চোখে দেখেছি।
আজও যেন সেই লাশটার ব্যথা আমার বুকের মধ্যে ঢুকে আছে।
নেলপালিশ কি এতটাই দরকার ছিল?
একটা গা শিউরে ওঠা মৃত্যু, আর একটা লাশ—যার জানাজা আটকে গেল শুধু আমাদের একটুখানি অবহেলায়।
আজও আমি আর কখনো নেলপালিশ দেই না।
আপনাদের বলি—অনেক সুন্দর মেহেদী দিয়ে হাত সাজান, ওজু হয়, পাপ হয় না।
আসুন, আজকেই প্রতিজ্ঞা করি—
"হে আল্লাহ, আমি আর নেলপালিশ ব্যবহার করবো না—তাওবা করি, তুমি ক্ষমা করো…!"
মৃত্যু তো বলে আসে না,
কারো বয়সের আগেই যেকোনো এক্সিডেন্টে মৃ*ত্যু হতে পারে.. তবে প্রস্তুতি তো আমাদের থাকা উচিত… নয় কি?
আল্লাহ আমাদের ঈমানের সঙ্গে মৃত্যু দিন। আমাদের নখ, চোখ, মুখ—সবকিছু পাক হোক সেই শেষ যাত্রার সময়… 🤲🏻
01/07/2025
"মায়ের শেষ চিঠি
রাত তখন অনেক। চারপাশে নিস্তব্ধতা, শুধু ঘড়ির টিকটিক
শব্দ।
মোবাইল হাতে ব্যস্ত ছিলাম ফেসবুক আর টিকটক নিয়ে। মা
বারবার ডাকছিলো,
"বাবা, একটু আমার কাছে আয়, কথা বলব।
আমি রেগে গিয়ে বললাম
"এত কি বলার আছে! সারাক্ষণ শুধু বকবক। এখন তো
আমার একটু সময় দরকার!"
মা চুপ করে গেলো।
রাত বাড়তেই মা দরজায় দাঁড়িয়ে কাঁপা গলায় বলল –
"বাবা, আমি জানি আমার সময় শেষ। তোকে অনেক কথা
বলার ছিলো। জানিস, তোকে কোলে নেওয়ার দিনগুলো
এখনো আমার চোখে ভাসে। তুই যখন ছোট ছিলি, রাতে
না ঘুমালে আমি তোর মাথায় হাত রেখে দোয়া করতাম
আল্লাহ আমার ছেলেটাকে ভালো মানুষ করো। জানি, আজ
বড় হয়ে গেছিস... হয়তো সময় নেই, ভালোবাসাও নেই।
তবুও তুই আমার জান।
আমি তবুও পাত্তা দিলাম না।
মায়ের কথা শুনতে আমার তখন সময় ছিল না।
ভোর রাতে হঠাৎ ঘুম ভাঙলো। বাড়ির লোকজনের কান্নার
শব্দ।
দৌড়ে গেলাম মায়ের ঘরে।
দেখি, মা নিথর হয়ে শুয়ে আছে।
হাতে একটা চিঠি...
চিঠিতে লেখা ছিল
-
"বাবা, তোকে বিরক্ত করা ছাড়া আমার আর কিছু ছিল না।
আল্লাহ তোকে ভালো রাখুক। জানি, তোর সময় নেই, তুই
ব্যস্ত। তবুও তোকে কাছে চাইতাম। এবার যাচ্ছি। আমার
জান্নাতি ফুলটা আল্লাহ যেন ভালো রাখেন। আর হ্যাঁ,
কব'রের কাছে এসে একটু ডেকো, আমি শুনব
চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না ।
আজ সেই মা নেই।
দুনিয়ার সব সুখ-দুঃখ শেয়ার করার মানুষটাকে আমি
হারিয়ে ফেলেছি।
এখন হাজার টাকা দিয়ে মিলবে ভালোবাসা,
কিন্তু মায়ের বুকের ওম আর দোয়া আর কোনোদিন পাবো
না ৷
ভালোবাসা থাকলে, মায়ের পাশে একটু সময় বসো।
কারণ একদিন এ পৃথিবী থেকে মায়ের ডাকে আর সাড়া
দিতে পারবে না। তখন শুধু কবরের মাটিতে কা'ন্না করা
ছাড়া কিছুই থাকবে না ।
26/06/2025
না বলা গল্প!
আকদের পর প্রথম আলাপ। বিবি বললেন, আপনি বিয়ের আগে দেখতে এসে বিদায় নেয়ার সময় বলেছিলেন,
-আমাদের বিয়ে হলে আমাকে একটি গল্প বলবেন। একথা শুনে আমি তো বটেই, আব্বু-আম্মু পর্যন্ত কৌতুহলী হয়ে পড়েছিলেন, কী এমন গল্প আছে আপনার কাছে? ভাইয়া শুনে বলেছেন, আপনি নাকি বিয়েটা নিশ্চিত করার জন্য গল্প বলার কৌশল অবলম্বন করেছেন। ভাইয়া অবশ্য আপনার সব কথাতেই ভেটো দেয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি চেয়েছিলেন, তার এক বন্ধুর সাথে আমার বিয়েটা হোক। আপনার গল্পের আকর্ষণে সব বাধা খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে। বিষয়টা বিস্ময়কর হলেও সত্যি। ভাইয়ার বন্ধু নাকি সবদিক দিয়েই এগিয়ে ছিলেন। আপনি কিছু মনে করবেন না। ভাইয়ার বন্ধুকে আমি কখনো দেখিনি। ভাইয়া আর আব্বু এমন কথাই বলেছেন।
-না, সত্যি সত্যি একটা গল্প আছে। একেবারে ছোটবেলায় তুমি তোমার দাদির সাথে আমাদের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলে। তোমার হয়তো মনে নেই। আমি বৃহস্পতিবারে মাদরাসা থেকে এসে তোমাকে দেখেছিলাম। পরদিন তুমি চলে গেছ। সেই বয়েসেই মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, জীবনে বিয়ে করলে, তোমাকেই করতে হবে। একথা আমি কাউকে বলিনি। একান্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেরও না। আমার দাদু ছিলেন তোমার দাদুর খেলার সাথী। সেই সূত্রে আমাদের বাড়িতে আসা হয়েছিল। অনেক কসরত করে, দাদুর কাছ থেকে তোমাদের বাড়ির ঠিকানা উদ্ধার করেছি। ছুটিতে বাড়িতে এলে, একবার না একবার তোমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে ঘুরে এসেছি। মাদরাসায় নাশতা না খেয়ে আসা-যাওয়ার ভাড়া জমাতাম। হা, শুধু তোমার বাড়ি দেখতে যেতাম। যাক সে লম্বা কাহিনি।
বিয়ের কয়েকদিন আগের কথা বলি। জুমায় বয়ানের বিষয় ছিল ‘হালাল-হারাম’। আরবি খুতবাতেও একই বিষয়ে কথা বলেছি। প্রথম খুতবা দিয়ে বসেছি। হঠাৎ করে বিদ্যুচ্চমকের মতো মনের কোণে উঁকি মারল,
‘তোমাকেও কি আমি হালাল পন্থায় পেতে পারি না? আমি তো জানামতে কখনো হারামে জড়াইনি। তোমাকে নিয়েও কখনো হারাম চিন্তা করিনি। আল্লাহর কাছে তোমাকে চেয়ে দোয়া করলে, তিনি কি আমার জন্য তোমাকে হালাল করে দেবেন না? দুই খুতবার মাঝে দোয়া কবুল হয়। তখন দোয়া করলাম। দ্বিতীয় খোতবায় দোয়া করার সময় মুসল্লিগণ সবাই আমিন বলেন। হিম্মত করে এক ফাঁকে তোমার নাম উচ্চারণ করেই বিয়ের জন্য দোয়া করলাম। মুসল্লিগণ সবাই আমিন বললেন। জুমার পর মসজিদের মুতাওয়াল্লি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বাসায় খাবারের দাওয়াত ছিল। বিনয়ের সাথে এড়িয়ে গেলাম। সোজা তোমার আব্বুর মাদরাসায় চলে গেলাম। সাথে অবশ্য আমাদের মুয়াজ্জিন সাহেবকে নিলাম। তাকে সাথে নেয়ার প্রধান কারণ ছিল, তার বাইক আছে। দ্রুত ত্রিশ কিলোমিটার পার হয়ে যেতে পারব। পথে শুধু এটুকু বললাম, আমার হয়ে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে হবে।
আমার একিন ছিল, তরতাজা দোয়া করে এসেছি। হলে আজই হবে, না হলে আর কখনোই নয়। তোমার আব্বুর সাথে দেখা করলাম। আমি এক ছুতোয় বাইরে গেলাম। সেই ফাঁকে মুয়াজ্জিন সাহেব কথা সারলেন। তোমার আব্বু বললেন, এক জায়গায় বিয়ের কথাবার্তা চলছে। এখন বুঝতে পারছি, ভাইয়ার বন্ধুর সাথেই কথা হচ্ছিল।
বিদায়ী মুসাফা করার সময় খুবই বিনয়ের সাথে, কাতর কণ্ঠে বললাম,
-বড় আশা করে এসেছি। আপনার সাথে নিজেকে জুড়তে পারলে, নিজেকে ধন্য মনে হবে।
আমার কথা শুনে তোমার আব্বু কী যেন বলতে চেয়েছিলেন। পরে কী ভেবে আর বলেননি। শুধু বলেছেন,
-আচ্ছা, পরে জানাব। ইন শা আল্লাহ।
তোমার আব্বা বোধ হয় প্রশ্ন করতে চেয়েছিলেন, আমাদের বাড়ির খোঁজ কে দিয়েছে? এখানে সম্বন্ধ করার এত আগ্রহ কেন? যাক আল্লাহ বাঁচিয়েছেন। এরপরের ঘটনা তোমার জানা। বিশ্বাস করো, চারদিন পর তোমার আব্বার কল আসতে দেখে, অল্প সময়ের জন্য আমার হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল প্রায়। আমি তখন দরসে ছিলাম। রিসিভ করতে পারিনি। কোনোমতে দরস শেষ করে কলব্যাক করেছি। এর আগে অবশ্য মনপ্রাণ উজাড় করে দুই রাকাত নামাজ পড়ে নিয়েছি। তোমার আব্বুর কথাটা এখনো কানে বাজে,
-মাওলানা, আমরা কি আগামী পরশু আসরের পর একসাথে নাশতা করতে পারি?
লেখা: সংগ্রহীত
15/06/2025
মা বলতো, বিদেশে গেলে আমারে ভু 'ই 'লা যাস না। অথচ আমি কাউকেই ভু 'লি নাই মা। কিন্তু সময় আমাকে ভু 'ই 'লা গেছে। টাকা দিতে না পারলে কেউ আমাকে মনে রাখে না।
এখানে দিন-রাত বলে কিছু নেই। কখনো একটানা ১৪ ঘণ্টা কাজ করি। ইট, রড, সিমেন্টের সাথে যু /দ্ধ করি।
বুকে তী 'ব্র ব্য /থা নিয়েও ছুটে চলি, কারণ ওই ব্য /থা /র দাম দিয়ে দেশে তোমার ওষুধ কিনি মা।
কিন্তু তবুও শুনি, সুমন বিদেশ গিয়ে টাকা পাইয়া মানুষ ভু 'ই 'লা গেছে। এখন আর ফোনও করে না!
আসলে কেউ জানে না, আমি কখন কাজ শুরু করি, আর কখন শেষ করি। জানে না, ফোনটা হাতে নিতে গেলে আমার আঙ্গুলে র /ক্ত জমে থাকে।
গত ঈদেও ভিডিও কলে মেয়েটা বললো, তুমি আমার আব্বু না, আমার আব্বু তো বাসায় থাকে! আমি চুপ করে কা /ন্না লুকাই। কারণ ম 'রু 'ভূমিতে কা /ন্না /র /ও অ 'নু 'ম 'তি নাই।
আমি একজন হ 'ত 'ভা 'গা প্রবাসী। সৌদির রু /ক্ষ ম 'রু 'ভূমিতে, মাথার উপর ৫০ ডিগ্রির সূর্য, পায়ের নিচে জ্ব /ল /ন্ত বালু, এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে আমি নিজের স্বপ্নগুলোর ক /ব /র দেই প্রতিদিন।
মা, আমি কাউকেই ভু 'ই 'লা যাই নাই। আমি জীবন চালানোর ল /ড়া /ই /য়ে হা 'ই 'রা গেছি।
copy
12/06/2025
প্রতীক জোশী ছয় বছর ধরে লন্ডনে থাকতেন। তিনি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বহুদিন ধরেই স্বপ্ন দেখতেন—স্ত্রী আর তিনটি ছোট সন্তানকে নিয়ে লন্ডনে সুন্দর জীবন গড়বেন। তখন তার পরিবার ছিল ভারতে।
বহু বছরের কষ্ট, কাগজপত্রের ঝামেলা আর অপেক্ষার পরে অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণের সময় এসেছিল। মাত্র দুই দিন আগে, তার স্ত্রী ডা. কোমি ভারতে থাকা চাকরি ছেড়ে দেন। সব ব্যাগ গুছিয়ে ফেলা হয়, প্রিয়জনদের বিদায় জানানো হয়। নতুন জীবনের পথে যাত্রা প্রস্তুত।
আজ সকালে, আনন্দ আর আশা নিয়ে প্রতীক, তার স্ত্রী এবং তিন সন্তান এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৭১-এ ওঠেন লন্ডনের উদ্দেশে। তারা একটি সেলফি তোলে, আত্মীয়দের পাঠায়। নতুন জীবনের শুরু।
কিন্তু তারা আর পৌঁছাতে পারেনি। মাঝ আকাশে বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়ে। পাঁচজনের কেউই বেঁচে থাকেনি।
মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সব শেষ। একটা জীবনভর স্বপ্ন মুহূর্তেই ছাই হয়ে যায়। এটা আমাদের কঠিনভাবে মনে করিয়ে দেয়—জীবন ভীষণ ভঙ্গুর। আমরা যা গড়ি, যাকে ভালোবাসি, সবই এক সুতোয় ঝুলে থাকে। তাই যতদিন বাঁচি, বাঁচার মতো বাঁচি, ভালোবাসি, যতটা পারি সুখ খুঁজি। কারণ কাল কী হবে, কেউ জানে না।
(দ্যা স্কিন ডক্টরের থেকে বঙ্গানুবাদ করা)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Jessore