Science HEROS BD

Science HEROS BD

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Science HEROS BD, Education, Jessore.

Photos from Science HEROS BD's post 03/05/2020

রঞ্জন রশ্মি

এক্স-রে

(X-ray থেকে পুনর্নির্দেশিত)



Hand mit Ringen: রন্টগেনের তোলা প্রথম মানবদেহের এক্স-রে চিত্র। রন্টগেন ১৮৯৫ এর ২২শে ডিসেম্বর তাঁর স্ত্রী আনা বার্থা রন্টগেনের হাতের ছবি তোলেন।[১][২]

এক্স-রে ছবি(রেডিওগ্রাফ), taken by উইলিয়াম রন্টজেন, of Albert von Kölliker's hand.

রঞ্জন রশ্মি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এক ধরনের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ। এর অপর নাম এক্স-রে (X-ray)। রঞ্জনরশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য (সাধারণত ১০-০.০১ ন্যানোমিটার) সাধারণ আলোর চেয়ে অনেক কম বলে দর্শন অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে না। ১৮৯৫ সালে উইলিয়াম রন্টজেন এই রশ্মি আবিস্কার করেন। তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট হয় পদার্থ ভেদ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। চিকিৎসাক্ষেত্রে রোগনির্ণয়ে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে রঞ্জনরশ্মি।

এক্সরে আর সাধারণ আলোর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল এদের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে। সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 7x10−7m থেকে 4x10−7m এর কাছাকাছি। এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10−8m থেকে 10−13m এর কাছাকাছি। সাধারণ আলো দৃশ্যমান এবং বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়। কিন্তু এক্সরে দৃশ্যমান নয়। এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এক্সরে আয়ন সৃষ্টিকারী বিকিরণ গ্যাসের মধ্য দিয়ে যাবার সময় গ্যাসকে আয়নিত করে, কিন্তু সাধারণ আলো তা করে না।

প্রকারভেদসম্পাদনা

কোমল এক্সরে(Soft X-ray): এক্সরে যন্ত্রে কম বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় অর্থ্যাৎ যে এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অপেক্ষাকৃত বেশি, ফলে ভেদন ক্ষমতা অপেক্ষাকৃত কম, তাকে কোমল এক্সরে(Soft X-ray) বলে।কঠিন এক্সরে(Hard X-ray): এক্সরে যন্ত্রে বেশি বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় অর্থ্যা যে এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অপেক্ষাকৃত কম, ফলে ভেদন ক্ষমতা অপেক্ষাকৃত বেশি, তাকে কঠিন এক্সরে(Hard X-ray) বলে।

এককসম্পাদনা

এক্সরের একক হল রন্টজেন। এক রন্টজেন বলতে সেই পরিমাণ বিকিরন বুঝায় যা স্বাভাবিক চাপ ও তাপমাত্রায় এক মিলিমিটার বায়ুতে এক স্থির বৈদ্যুতিক আধানের সমান আধান উৎপন্ন করতে পারে।

আবিষ্কারসম্পাদনা

বিজ্ঞানী রন্টজেন তড়িৎক্ষরন নলে (discharge tube) 10−3mm পারদ চাপে বায়ুর মধ্যে তড়িৎরক্ষনের পরীক্ষা করতে গিয়ে লক্ষ করেন যে, নল থেকে কিছু দূরে অবস্থিত বেরিয়াম প্লাটিনোসায়ানাইড আবৃত পর্দায় প্রতিপ্রভার সৃষ্টি হচ্ছে। পরে তিনি

03/05/2020

Invite your friends & get 5

26/04/2020

তেজস্ক্রিয়তা

তেজস্ক্রিয়তা হলো কোন কোন ভারী মৌলিক পদার্থের একটি গুণ যেগুলোর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি বিকরীত হয়।

আবিষ্কারসম্পাদনা



আলফা কণিকা কাগজের মধ্যে দিয়ে সম্পূর্ণভাবে, বিটা কণিকা অ্যালুমিনিয়াম প্লেটের মধ্যে দিয়ে সম্পূর্ণভাবে এবং গামা রশ্মি সীসার মধ্যে দিয়ে আংশিকভাবে প্রতিহত হচ্ছে

ফরাসি বিজ্ঞানী অঁতোয়ান অঁরি বেকরেল ১৮৯৬ সালে এক্সরে নিয়ে গবেষণা করার সময় এমন একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রাকৃতিক ঘটনা আবিষ্কার করে ফেলেন যা সারা বিশ্বের বিজ্ঞান জগতে দারুন আলোড়ন সৃষ্টি করে। তিনি দেখতে পান যে, ইউরেনিয়াম ধাতুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত বিশেষ ভেদন শক্তি সম্পন্ন রশ্মি বা বিকিরন নির্গত হয়। তার নামানুসারে এই রশ্মির নাম দেওয়া হয় বেকারেল রশ্মি। তিনি লক্ষ করেন যে মৌল থেকে এই রশ্মি নির্গত হয়, তা একটি সম্পূর্ন নতুন মৌলে রুপান্তরিত না হওয়া পর্যন্ত এই রশ্মি নির্গমন অব্যাহত থাকে। পরবর্তীকালে মাদাম কুরি ও তার স্বামী পিয়ের কুরি ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে দেখতে পান যে রেডিয়াম, পোলোনিয়াম, থোরিয়াম, আ্যক্টিনিয়াম প্রভৃতি ভারী মৌলের নিউক্লিয়াস থেকেও বেকরেল রশ্মির মত একই ধরনের রশ্মি নির্গত হয়, যা এখন তেজষ্ক্রিয় রশ্মি নামে পরিচিত। যে সব মৌল হতে তেজষ্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয় তাদেরকে তেজষ্ক্রিয় মৌল বলে। তেজষ্ক্রিয় রশ্মি নির্গমনের এই ঘটনাকে তেজষ্ক্রিয়তা(Radioactivity) বলে।

সংজ্ঞাসম্পাদনা

তেজষ্ক্রিয় মৌলের তেজষ্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণের ঘটনাকে তেজষ্ক্রিয়তা বলে । মৌলের তেজষ্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণের ঘটনা কে তেজষ্ক্রিয়ত া বলে

বৈশিষ্ট্যসম্পাদনা

যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২(82)-এর বেশি, সাধারণত সেই সকল পরমাণু তেজষ্ক্রিয় হয়। তবে ৮২র থেকে হাল্কা অনেক মৌলের-ই কিছু সমস্থানিক তেজষ্ক্রিয়।তেজষ্ক্রিয় পদার্থ সাধারনতঃ আলফা, বিটা ও গামা এই তিন ধরনের তেজষ্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ করতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই পজিট্রন, নিউট্রন, নিউট্রিনো, ইত্যাদিও নির্গত হতে পারে।তেজষ্ক্রিয়তা একটি সম্পূর্ণ নিউক্লিয় ঘটনা, এর মাধ্যমে নিউক্লিয়াসের ভাঙনের ফলে একটি মৌল আরেকটি নতুন মৌলে রূপান্তরিত হয়।নিউক্লিয় ঘটনা, তাই তেজষ্ক্রিয়তা কে চাপ, তাপ, বিদ্যুৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্রের ন্যায় বা

25/04/2020

ও'মের সূত্র

Photos from Science HEROS BD's post 25/04/2020

ডিসি মোটর

বিভিন্ন আকারের ডিসি মোটর

ডিসি মোটর (ইংরেজি: DC motor) এক ধরনের ১টি বৈদ্যুতিক মোটর যা একমুখী তড়িৎ প্রবাহ দিয়ে চালিত হয়।

ব্রাশড ডিসিসম্পাদনা

ব্রাশড ডিসি মোটর যা ডিসি প্রবাহ হতে অভ্যন্তরিন যোগাযোগের মাধ্যমে টর্ক প্রাপ্ত হয় এতে ঘূর্ণয়মান রোটরটি হয় তড়িৎ চুম্বক এবং বহিরাবরন বা কেসিং হিসেবে স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়। এর সুবিধা হল কম প্রাধমিক খরচ, নির্ভরযোগ্যতা, সহজ গতি নিয়ন্ত্রণযোগ্যতা। অসুবিধা হল স্বল্প আয়ু উচ্চ রক্ষনাবেক্ষন খরচ। ব্রাশ ও স্প্রিং যা মোটর ঘুরার জন্য বিদ্যুত প্রবাহিত করে এর নিয়মিত পরিবর্তন রক্ষনাবেক্ষন, পরিষ্কার বা কম্যুটেটর পরিবর্তন এ প্রচুর ব্যয় হয়ে থাকে। এই উপাদান গুলো দ্বারা বিদ্যুত শক্তি মোটেরের অভ্যন্তরিন রোটরকে ঘুরতে সহয়তা করে। ডি সি মোটর হলো একটা

সিনক্রোনাস ডিসি মোটরসম্পাদনা

সিনক্রোনাস ডিসি মোটর, ব্রাশলেস ডিসি মোটর ও স্টেপার মোটরের মত টর্ক উতপাদনের জন্য বাহির হতে তড়িৎ প্রবাহ সঞ্চালন করতে হয়। এই মোটর ডিসি বিদ্যুত প্রবাহে চলেনা।

ব্রাশলেস ডিসি মোটরসম্পাদনা

ব্রাশলেস ডিসি মোটর এ ১টি ঘূর্ণয়মান স্থায়ি চুম্বক কে রোটরে ব্যবহার করা হয়, এবং রোটরটি ঘুরার জন্য ১টি বৈদ্যুতিক চুম্বককে বহিরাবরন বা কেসিঙ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ১টি মোটর নিয়ন্ত্রক কনট্রোলার ডিসি কে এসি তে রুপান্তরিত করে। ব্রাশড মোটরের চেয়ে এটি র জটিলতা কম কারণ এটি রোটর ঘুরানোর জন্য বাহির থেকে বিদ্যুত প্রবাহ দেয়ায় ঝামেলা কম। এর সুবিধা হল দীর্ঘ আয়ু, স্বল্প রক্ষনাবেক্ষন এবং উচ্চ কর্মদক্ষতা। অসুবিধা হল উচ্চ প্রাথমিক খরচ এবং অধিকতর জটিল মোটর স্পিড কনট্রোলার।

ডিসি মোটর এর ঘূর্নন১টি সাধারণ বৈদ্যুতিক মোটর। যখনই কয়েলটি বিদ্যুতায়িত হয় তখন আরমেচার এর চারিদিক চুম্বকীয় আবেশ তৈরি হয়। বাম দিকের আরমেচারটি বাম চুম্বকের দিকে ধাবমান হয় এবং ডান দিকে ঘুরতে সহায়তা করে। এবং ঘুরতে শুরু করে।আরমেচারটি ঘুরতে থাকে।যখনই আরমেচারটি আনুভূমিক হয় তখন কম্যুটেটর কয়েলে বিদ্যুত প্রবাহকে বিপরিত মুখি করে চুম্বকীয় আবেশ বিপরিত মুখি করে দেয়। ফলে ঘূর্নন চক্রাকারে চলতে থাকে।

23/04/2020

ও‍’মের সূত্র

V, I, এবং R, ও‍’মের সূত্রের মূল পরামিতি।

পদার্থবিজ্ঞানে ওমের সূত্র বা ওমের বিধি তড়িৎ প্রবাহ, রোধ ও বিভব পার্থক্যের সম্পর্ক নির্দেশকারী একটি বিধি বা সূত্র। ও‍মের সূত্র অনুযায়ী তাপমাত্রা ও অন্যান্য ভৌত অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে কোনো বিদ্যুৎ পরিবাহীর বিদ্যুৎপ্রবাহের মাত্রা (I) পরিবাহীটির দুই প্রান্তের বৈদ্যুতিক বিভবের পার্থক্যের (V) সমানুপাতিক। কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের মধ্যে বিভব পার্থক্য থাকলে তার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ সংঘটিত হয়। এই তড়িৎ প্রবাহের মান নির্ভর করে পরিবাহীর দুই প্রান্তে কী পরিমাণ বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করা হয়েছে তার ওপর, পরিবাহীর প্রকৃতি এবং তার তাপমাত্রার উপর। জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী গেয়র্গ সিমোন ওম কোনো পরিবাহী তারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহমাত্রা এবং এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে সে বিষয়ে নিম্নবর্ণিত সূত্র প্রদান করেন যা ওমের সূত্র নামে পরিচিত। যদি V একটি বিভব উৎস এবং R একটি রোধ যার মধ্য দিয়ে I পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহিত হচ্ছে, তাহলে ও'মের সূত্র অনুযায়ী : V = IR.

23/04/2020

পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ

পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ (সবুজ বক্ররেখা)

পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ বা বিবর্তিত বিদ্যুৎ (ইংরেজি: Alternating Current বা AC Current) বলতে সেই ধরনের তড়িৎ প্রবাহকে বোঝানো হয় যে তড়িৎ-প্রবাহের দিক একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর পর বিপরীতগামী হয়। এটি সমপ্রবাহ বা DC Current এর থেকে ভিন্নধর্মী যেখানে তড়িৎ সময়ের সাথে সাথে এর দিক পরিবর্তন করে কেবল একটি নির্দিষ্ট দিকেই প্রবাহিত হতে থাকে। পরিবর্তি প্রবাহের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পর্যায়কালের অর্ধেক সময় তড়িৎ যেদিকে প্রবাহিত হয় বাকি অর্ধেক সময় ঠিক তার বিপরিত দিকে প্রবাহিত হয়। .[১] [২]

বাসাবাড়িতে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তড়িৎ শক্তি পরিবহনের জন্য পরিবর্তি প্রবাহ বহুল ব্যবহৃত হয়। কারণ এই ধরনের তড়িৎ শক্তি সহজে দূর দূরান্তে প্রেরন করা যায় এবং এতে তড়িৎ শক্তির অপচয় কম হয়। এক্ষেত্রে প্রবাহিত তরিৎ শক্তির রুপ সাধারনত সাইন ওয়েভ হয়ে থাকে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী ধরনের পরিবর্তী প্রবাহও ব্যবহার করা হয়।

23/04/2020



অনুসন্ধান

পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ

ভাষাসম্পাদনা



পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ (সবুজ বক্ররেখা)

পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ বা বিবর্তিত বিদ্যুৎ (ইংরেজি: Alternating Current বা AC Current) বলতে সেই ধরনের তড়িৎ প্রবাহকে বোঝানো হয় যে তড়িৎ-প্রবাহের দিক একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর পর বিপরীতগামী হয়। এটি সমপ্রবাহ বা DC Current এর থেকে ভিন্নধর্মী যেখানে তড়িৎ সময়ের সাথে সাথে এর দিক পরিবর্তন করে কেবল একটি নির্দিষ্ট দিকেই প্রবাহিত হতে থাকে। পরিবর্তি প্রবাহের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পর্যায়কালের অর্ধেক সময় তড়িৎ যেদিকে প্রবাহিত হয় বাকি অর্ধেক সময় ঠিক তার বিপরিত দিকে প্রবাহিত হয়। .[১] [২]

বাসাবাড়িতে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তড়িৎ শক্তি পরিবহনের জন্য পরিবর্তি প্রবাহ বহুল ব্যবহৃত হয়। কারণ এই ধরনের তড়িৎ শক্তি সহজে দূর দূরান্তে প্রেরন করা যায় এবং এতে তড়িৎ শক্তির অপচয় কম হয়। এক্ষেত্রে প্রবাহিত তরিৎ শক্তির রুপ সাধারনত সাইন ওয়েভ হয়ে থাকে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী ধরনের পরিবর্তী প্রবাহও ব্যবহার করা হয়।

23/04/2020

তড়িৎ বর্তনী

তড়িৎ বর্তনী বা তড়িৎ নেটওয়ার্ক হল বিভিন্ন বৈদ্যুতিক উপাদান যেমন রোধ, ধারক, আবেশক, চাবি ইত্যাদির আন্তঃসংযোগ। এটি তড়িৎ সরবরাহ এবং ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের মতই দীর্ঘ হতে পারে।

তড়িচ্চুম্বকত্বতড়িৎ · চুম্বকত্বস্থির তড়িৎ

· বৈদ্যুতিক আধান · কুলম্বের সূত্র · তড়িৎ ক্ষেত্র · তড়িৎ ফ্লাক্স · গাউসের সূত্র · বৈদ্যুতিক বিভব · স্থির বৈদ্যুতিক আবেশ · বৈদ্যুতিক দ্বিপোল ভ্রামক ·

স্থির চুম্বকত্ব

· অম্পেয়্যারের সূত্র · চৌম্বক ক্ষেত্র · চৌম্বক ফ্লাক্স · বিও-সাভার্ত সূত্র · চৌম্বক ভ্রামক · গাউসের চুম্বকত্বের সূত্র ·

তড়িৎ-গতিবিজ্ঞান

· শূন্য স্থান · লোরেন্‌ৎস বল · ইএমএফ · তড়িচ্চুম্বকীয় আবেশ · ফ্যারাডের সূত্র · সরণ প্রবাহ · ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণসমূহ · তড়িচ্চুম্বকীয় ক্ষেত্র · তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ · Liénard-Wiechert Potentials · ম্যাক্সওয়েল টেন্সর · এডি তড়িৎ ·

তড়িৎ বর্তনী

· তড়িৎ প্রবাহ · তড়িৎ বিভব · ভোল্টেজ · রোধ · ও‍’মের সূত্র · Series and parallel circuits · সমক্ষ তড়িৎ প্রবাহ · বিবর্তিত তড়িৎ প্রবাহ · তড়িচ্চালক বল · ধারকত্ব · Inductance · Electrical impedance · Resonator · Waveguide (electromagnetism) · আবেশ · ইম্পিডেন্স · রেজোন্যান্ট গহ্বর · ওয়েভগাইড ·

সহ-ভেদাংকভিত্তিক সূত্রায়ন

· তড়িচ্চুম্বকীয় টেন্সর · তড়িচ্চুম্বকীয় পীড়ন-শক্তি টেন্সর · চার-তড়িৎ · চার-বিভব ·

বিজ্ঞানীবৃন্দ

· অম্পেয়্যার · কুলম্ব · ফ্যারাডে · হেভিসাইড · হেনরি · হার্জ · লোরেন্‌ৎস · ম্যাক্সওয়েল · টেসলা · ওয়েবার · · অন্যান্য

এই বাক্সটি:দেখুনসম্পাদনা

অপরদিকে তড়িৎ বর্তনী বলতে অনেকগুলো বৈদ্যুতিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত এমন একটি বদ্ধ লুপ বুঝায় যাতে বিদ্যুৎ একস্থান থেকে যাত্রা শুরু করে আবার সে স্থানে ফিরে আসার সুযোগ পায়। কিন্তু নেটওয়ার্ক কেবল বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয় হলেই হয়ে যায়। এর জন্য বিদ্যুৎ প্রবাহ শর্ত নয়।

তড়িৎএবং নদীর মাঝে মিল খুজে পাওয়া যায়। অর্থাৎ একটা নদী থেকে বিদ্যুৎ সম্পর্কিত নানা বিষয় সহজে বোঝা যায়। নদীতে পানি প্রবাহিত হয়। নদীর পানি উৎস (যেমন ঝর্ণা) হতে উৎপন্ন হয়ে সাগরের দিকে প্রবাহিত হয়। তড়িৎ এর ক্ষেত্রে,একে বিদ্যুৎ পাওয়ার স্টেশন(

17/11/2019

Ask your friends to like the page.

Want your school to be the top-listed School/college in Jessore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Culinary Team

Attire

Website

Address

Jessore