Bondhon Rent A Car
First class all thay way Ramnagor.Rajarhat.Jessore
13/11/2025
পুরুষের এক চোখে পরিবার এক চোখে ক্যারিয়ার তৃতীয় কোন চোখ নেই নিজেকে দেখিবার।
05/06/2025
@🍂🍁☘️ বন্ধন রেন্ট এ কার যশোর 🌿🍁🍂:দুনিয়াতে টাকাই সব। মায়া ভালোবাসা এই সব কিছু না ,হাজারো মানুষ প্রিয় জিনিস টাকার জন্য বিক্রি করে দেয়..!😅❤️🩹
01/05/2025
মহান মে দিবস
27/10/2024
আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতোআনির
রাজিম, বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আমার পরিচয় আমি একজন প্রফেশনাল ড্রাইভার, আসলে আজকে আমি এখানে কথা বলছি যানজট নিরসনে আমরা চালকরা কি ভূমিকা রাখতে পারি, আর সেই সাথে আমাদের জানা উচিত যে আমাদের দেশের চালক আমরা কিধরনের সমস্যা ফেস করে দিনের পর দিন সেবা দিয়ে যাচ্ছি,আমরা সকলেই জানি চালকের পেশা একটি সেবামূলক পেশা,এবং কেউ স্বীকার করুক বা না করুক একটা দেশের জন্য এই চালকদের ভূমিকা অনেক বেশি,আবার যদি শ্রম আইন এর দিকে লক্ষ্য করি তাহলে দেখা যায় এদেশের চালকরা শ্রম আইনের নামমাত্র আওতায়,যেখানে একজন শ্রমিকের জন্য ডিউটির একটা টাইম আছে, আর শ্রম আইনের এই টাইমটা সবাই লক্ষ্য করলেও চালোকের ক্ষেত্রে ভিন্ন রূপ দেখা যায়, কেউ মানতেই চায় না যে চালক একজন শ্রমিক,একমাত্র চালকের ক্ষেত্রে শ্রম আইন চলেনা,সেগুলো এই লেখনির মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের মানুষকে জানাতে চাই, দেখা যায় আমাদের দেশে একটা এক্সিডেন্ট যখন হয় তখন চালক হয়ে যায় ঘাতক এবং নিরাপদ সড়কের নামে যেই আইনগুলি পাস করা হয় প্রত্যেকটা আইনই ড্রাইভার এর বিপক্ষে যারা আইনগুলি পাস করে বা নিরাপদ সড়ক দাবি করে তারা কেউ কখনো বা জানতেও চায় না এদেশের চালকরা কি কি সমস্যা নিয়ে আছে, আজকে যদি চালকদের সমস্যার কথা বলা শুরু করি তাহলে সারাদিন বললেও চালকদের সাথে হওয়া এ সমাজের অন্যায় গুলি শেষ করা যাবে না,তাই আমি একটু বলার চেষ্টা করছি,
আমি কে আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি ড্রাইভার
১/আমি অসম্ভবকে সম্ভব করি, সবাই যেখানে থমকে দাঁড়ায়, আমি সেখান থেকে সেবা শুরু করি আমিই পারি১৪/১৫ ঘন্টা টানা ডিউটি করতে,
আমি কে, আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি ড্রাইভার
২/সেবাই আমার কর্ম, সেবা দিতে গিয়ে আমি কখনোই পিছু হটিনা, কেবল আমিই দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে সক্ষম।
আমি কে আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি ড্রাইভার.
৩/শুধু আমিই সেবা দিতে গিয়ে ভুলে যাই নিজের পরিবার সন্তানের কথা, সেবা দিতে ছুটে যাই দূর-দূরান্তে,সমাজ আমি অবহেলিত তবুও সেবার কোন কমতি থাকে না আমার।
আমি কে আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি ড্রাইভার।
৪/আমার দপ্তর থাকলেও দপ্তরীক কোনো সেবা ফ্রিতে পাইনা, পাইনা কোন চাকরির নিশ্চয়তা, আমি ভুলে যাই নিজের অধিকার কি, আমি জানি না আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ কি।
আমি কে আমি একজন বাংলাদেশি গর্বিত ডাইভার।
৫/কেবল আমিই পারি ঝড় বৃষ্টি রোদে ডিউটিতে আসতে, চলে না কোন অজুহাত, আমার না বলার কোনো সুজগ নাই, আমি সব সময় আমার দেশ এবং যার চাকরি করি তার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখি, আমি কঠোর পরিশ্রমি, যেখানে অন্য সবাই আট ঘন্টায় হাঁপিয়ে যায় আমি সেখানে 14-15 ঘন্টা টানা ডিউটি করি,
আমি কে আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি ড্রাইভার।
৬/আমি নির্ভরযোগ্য, আমি আর বুদ্ধি সম্পন্ন, আমি বুদ্ধিমান, মূল্যবান,আমি দক্ষ, আমি দায়িত্বশীল, আমি সবার থেকে আলাদা, ন্যানো সেকেন্ডের ভিতরে সিদ্ধান্ত নিতে পারি যা অন্যরা কখনোই পারবে না, তাই কেউ আমাকে ছোট করে দেখবে বা আমার অস্তিত্বের কোন সীমাবদ্ধতা মাপতে পারবে না।
আমি কে আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি ড্রাইভার। আমার এখানে বলা উচিত ছিল আমি কে আমি একজন হতভাগা বাংলাদেশী ড্রাইভার কিন্তু ভাষা সংযত রাখার কারণে আমি সেটা বলতে পারলাম না,আমি চালক কম শিক্ষিত কিন্তু শ্রম আইনের বাইরে না, তাই নিরাপদ সড়ক এবং যানজট নিরশনে, একজন চালকের নিরাপত্তা জীবনযাপন তিনি যে স্যালারি পায় তা দিয়ে তিনি তার ফ্যামিলি নিয়ে ঠিক ঠাক মত চলতে পারবে কিনা এই সমস্ত সকল বিষয়েই দেখা উচিত, কারন আমরা জানি একজন চালক ঠিকঠাক মতো নিরাপদে গাড়ি চালানোর জন্য দুইটা জিনিস প্রয়োজন হয় 1 এক শারীরিক সুস্থতা এবং মানসিক শান্তি, এর কোন কিছুই আমাদের দেশের চালকদের ভেতরে নাই কেননা তাকে সব সময় তার ফ্যামিলি নিয়ে টেনশনে থাকতে হয় এগুলো যতদিন সমাজ নিয়ন্ত্রণকারীরা চালকদের বিষয় নজর দিবে না ততদিন পর্যন্ত নিরাপদ সড়ক বা যানজট নিরেশনে কোন ভূমিকাই চালক রাখতে পারবেনা তাই আমি এই লেখনির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে চাই চালক নিরাপদ হইলেই কেবলমাত্র সড়ক নিরাপদ হবে। ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
19/10/2024
ভাগ্নে
03/10/2024
দেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা দেশে থাকতে চায় না। দীর্ঘদিন কাজ করে টাকা-পয়সা হলে বিদেশে পাড়ি জমায়।
সরকারী কর্মকর্তারা সুযোগ পেলে দেশ ছেড়ে চলে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সুযোগ পেলে দেশ ছেড়ে চলে যায়। অনেক শিক্ষক বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য গিয়ে ফিরে না। ফিরতে চায় না।
ডাক্তাররা দেশ ছেড়ে চলে যায়। বুয়েটের প্রায় ষাটভাগ ইঞ্জিনিয়ার দেশে থাকে না।সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে অনেকেই বিদেশেই স্থায়ী হয়।
রাজনীতিবিদরা তাদের সন্তানদের দেশে পড়ায় না। বিদেশে পাঠিয়ে দেয়। তারাও জানে বাংলাদেশটা হলো ব্যবসার জন্য। রাজনীতি করে টাকা আয়ের জন্য। বসবাসের জন্য না। কারণ দেশটাকে তারা বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলে নাই।
কেউ বলে সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য। কেউ বলে শেষ বয়সে একটু শান্তির জন্য। কেউ বলে পরিবার-পরিজনের জন্য। কেউ বলে সততার সাথে বাঁচার জন্য। কেউ বলে আত্মসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য। কেউ বলে যোগ্যতার সুবিচার পাওয়ার জন্য। কেউ বলে উচ্চশিক্ষার জন্য। কেউ বলে সৎভাবে উপার্জন করে বাঁচার জন্য। কেউ বলে ধর্মীয় রোষানল থেকে মুক্তির জন্য।
আপনি যদি আপনার চারপাশের মানুষদের নিয়েই একটা জরিপ করেন, দেখবেন আশি শতাংশ মানুষ সুযোগ পেলে দেশ ছাড়তে চাইবে।
তাহলে পঞ্চাশ বছরে আমরা কেমন সমাজ তৈরি করলাম—যেখান থেকে সবাই পালাতে চায়! মানুষের ভিতর একটা উর্ধ্বশ্বাস! একটা দীর্ঘশ্বাস। পালিয়ে বেড়ানোর এক নিরন্তর চেষ্টা —কেন?
30/08/2024
সাদা সাদা সাদা
26/08/2024
দাবি
16/08/2024
ঘৃণার চাষ যে দেশে হয় সে দেশ কখনোই উন্নত হতে পারেনা, যে অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে এত প্রাণের আত্মত্যাগ আজ সেই অধিকারই অনেকে হরণ করেছেন। বাংলাদেশে তো কোন একক গোষ্ঠি বা একক মতাদর্শের মানুষ বসবাস করেনা, ১৭ কোটি মানুষের দেশ প্রত্যেকেরই নিজ অভিমত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। যদি একটা মানুষও তাঁর নিজ মত বা পছন্দ প্রকাশ করতে চায় তাহলেও অন্যদের কোন অধিকার নাই সেটাতে বাঁধা দেয়ার। যেমন গতকাল অনেকেই শেখ মুজিবর রহমানের পুঁড়ে যাওয়া বাড়ির সামনে নেচেছেন। কেউ তো বাঁধা দেয়নি! আনন্দের সাথেই নাচন-কুদন করলেন।
তাহলে আজকে যারা শেখ মুজিবের বাড়িতে শ্রদ্ধা জানাতে গেলেন তাদের কেন আক্রমণ করলেন? তাদের কি নিজ অভিব্যক্তি প্রকাশের অধিকার নেই? আবার অনেকের ফোন কেড়ে নিলেন, সাংবাদিকদের আক্রমণ করলেন, এতে কি ছাত্রলীগের মতোই আচরণ করলেন না? আমরা বলছি নতুন বাংলাদেশের কথা, নতুন বাংলাদেশে; হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, মাওলানা হামিদ খান ভাসানী, শেখ মুজিবর রহমান, তাজউদ্দিন আহমেদ, জিয়াউর রহমান। তাঁদের প্রত্যেককেই প্রাপ্য সম্মানটাও দিতে হবে। তাঁদের অনুসারীদেরও বিনাবাধায় রাজনীতিচর্চার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।
আপনারা এই ঘৃণা, হিংসা, বিদ্বেষের সংস্কৃতি থেকে যতদিন বের হতে না পারবেন, ততদিন যুগেযুগে এমন অভ্যুত্থান ঘটতেই থাকবে৷
হবে ইনশাআল্লাহ্
28/05/2024
দৃষ্টিভঙ্গি বদলান
চালক কখনোই কারো গোলাম নয়। চালক হচ্ছে বাংলাদেশের চালিকা শক্তি একজন চালককে সম্মান করতে শিখুন।
একজন চালকের নামই হচ্ছে সেবক, সেবক এর কাজ হচ্ছে সেবা করা ।
১/একজন ট্রাক ড্রাইভার দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত দিনরাত পরিশ্রম করে খাদ্য দ্রব্য এবং দেশের অভ্যন্তরীণ যত সকল আমাদের জীবনের প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র তা সরবরাহ করে থাকে।
২/একজন বাস ড্রাইভার দিনরাত পরিশ্রম করে দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত যাত্রী সেবা দিয়ে থাকেন তার অক্লান্ত পরিশ্রমে আপনি আপনার পরিবার এবং আপনার প্রয়োজনীয় কর্মে নিযুক্ত হন
একজন বাস চালক ৫০ হতে ৬০ জনের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত যাত্রী সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
৩/একজন প্রাইভেট চালক আপনার এবং আপনার পরিবারের সেবা দিয়ে থাকেন
আপনার বাচ্চার স্কুল ডিউটি কোচিং ডিউটি আপনার অফিস ডিউটি আপনার পরিবারকে সকল ধরনের সুরক্ষা দিয়ে থাকেন। একজন প্রাইভেট চালক গায়ে জ্বর হলেও সে আপনার বাচ্চার স্কুল ডিউটি অফিস ডিউটি মিস হবে বলে ১০২° ৩ ডিগ্রি জ্বর নিয়েও আপনাদেরকে সেবা দিয়ে থাকেন আপনার পরিবারের কেউ কোন অসুস্থ হলে রাতের একটা বলেন দুইটা বলেন সে আপনাদের সেবা দিয়ে থাকে , আপনাদের ঈদ আছে একজন প্রাইভেট চালকের ঈদ নেই ,একজন প্রাইভেট চালক সুখে দুঃখে আপনাদের পাশে থেকে আপনাদের সেবা দিয়ে থাকেন।
অতএব
আপনারা চালকদের সাথে অন্যায়ের আচরণ থেকে বিরত থাকুন।
চালকদের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দিন।
সকল চালক ভাইদের কে জানাই সংগ্রামী সালাম আসসালামু আলাইকুম।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Jessore
7400