Learning and Teaching Programme
This page created by Educational purpose �.
22/01/2023
প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ, এ-কথা অল্পবিস্তর সকলেরই জানা।
আর সেই কারণেই প্লাস্টিকের বদলে ব্যাগ বা মোড়ক হিসাবে কাগজের ব্যবহার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বহু দেশ। কিন্তু তাতেই কি পরিবেশ সমস্যার সমাধান? কাগজ উৎপাদনের জন্য প্রতিনিয়ত যে হাজার হাজার গাছ কাটা পড়ছে, সেই খবর কজনই বা রাখি আমরা? এই সমস্যার অভিনব সমাধান খুঁজে দিয়েছে জাপানের একটি সংস্থা।
🔴 ❝ব্যবহারের পর কাগজ মাটিতে রোপণ করলে, সেখানেই জন্ম নেবে গাছ❞।
হ্যাঁ, অবাক লাগলেও সত্যি। এই আশ্চর্য উদ্ভাবনীর পিছনে রয়েছেন জাপানের পরিবেশবিদ ও বিজ্ঞানী মাইনিচি শিমবুনশা (Mainichi Shimbunsha)। ⭕‘সবুজ সংবাদপত্র’-এর (Green Newspaper) উদ্ভাবক তিনিই।
আজ নয় 👉২০১৬ সালের ৪ মে, ‘গ্রিনারি ডে’-এর দিনই শুরু হয়েছিল তাঁর এই লড়াই। পরিবেশ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে একটি বিশেষ সংবাদপত্রের সম্পাদনা শুরু করেছিলেন তিনি। ✅‘দ্য মাইনিচি’-খ্যাত সেই সংবাদপত্রই ছাপা হয়েছিল এই বিশেষ কাগজে। যা শুধু ১০০ শতাংশ জৈববিয়োজনযোগ্যই নয়, বিভিন্ন ফুল গাছের দানা দিয়ে তৈরি হওয়ায় গাছের জন্ম দিতেও সক্ষম এই কাগজ।
➡️ফলে, ভুলবশত যত্রতত্র এই কাগজ ছড়িয়ে পড়লেও গাছ জন্ম নেবে সেখানে। তাছাড়াও ব্যবহারকারীরাও যত্ন সহকারে এই কাগজ ‘রোপণ’ করতে পারেন টবে।
সাধারণত, যে-কোনো ধরনের কাগজকেই পরিবেশবান্ধব বলে ধরে নিই আমরা। তবে খবরের কাগজ বা বই-এর ছাপা পৃষ্ঠা আদতেও তেমনটা নয়। ছাপার কালিতেই মিশে থাকে সীসা-সহ নানান ক্ষতিকর ধাতু। কাগজ বিয়োজিত হয়ে গেলেও, পরিবেশে মিশে এইসকল ধাতু মৃত্তিকা দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এক্ষেত্রেও জৈব কালি তৈরি করে চমক লাগিয়েছেন জাপানি উদ্ভাবক।
▶️সাউদার্ন ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষা বলছে, প্রতি আমেরিকান নাগরিকের কাগজের চাহিদা মেটাতে গড়ে ৭টি গাছ কাঁটা হয় প্রতি বছরে। অর্থাৎ, শুধু আমেরিকাতেই কাগজ তৈরির জন্য কাটা পড়ে বছরে ২০০ কোটি গাছ। গোটা বিশ্বের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে, তা নতুন করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। সেখানে দাঁড়িয়ে গ্রিন কাগজের ব্যবহার বদলে দিতে পারে এই পরিস্থিতি। সম্পূর্ণভাবে পরিবেশের ক্ষতিপূরণ না হলেও, কাগজ থেকে নতুন করে গাছ জন্মালে অনেকটাই সারবে পরিবেশের ক্ষত।
শুধু জাপানই নয়, ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ‘দ্য মাইনিচি’ সংবাদপত্রটি।
⏺️ বিশ্বজুড়ে লাভ কম হলেও, প্রকৃতিতে সারিয়ে তোলার দায়িত্ব নিতে পেরেই খুশি জাপানের উদ্ভাবক…
15/01/2023
বিনামূল্যে যানবাহন ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ২০২৩ । প্রতিদিন ১৫০ টাকা হারে ভাতা নিন।
(সরকারি ঠিকানা থেকে সংগৃহীত)
10/01/2023
খুব স্বাভাবিক সহজ কিছু বিষয়।
নিজে জানুন ও অন্যকে জানতে সহযোগিতা করতে থাকুন।
08/01/2023
✅✅
আজকের আয়োজনে আমরা আপনাকে জানাব ১৫টি ইংরেজি শব্দমালা সম্পর্কে, যা শীত বা ঠান্ডার সঙ্গে সম্পর্কিত। এই শব্দগুলো ব্যবহার করে আপনি অনায়াসেই ইংরেজিতে আপনার মনের ভাব প্রকাশ করতে সক্ষম হবেন এবং আপনার শব্দভাণ্ডার হবে আরো সমৃদ্ধ।
১. Cold Snap (কোল্ড স্ন্যাপ) : হুট করে কয়েক দিনের জন্য আবহাওয়া ভীষণ খারাপ হয়ে তীব্র ঠান্ডা পড়তে শুরু করলে তা প্রকাশের জন্য Cold Snap শব্দটি ব্যবহার করা হয়। শব্দটিকে বাক্য ব্যবহার করুন এভাবে,
‘My plans were cancelled because of cold snap.’ (মাই প্ল্যানস ওয়ের ক্যানসেলড বিকজ অব কোল্ড স্ন্যাপ।) অর্থাৎ, হুট করে ভীষণ ঠান্ডা পড়ার জন্য আমার পরিকল্পনা বাতিল হয়েছে।
‘The cold snap has made me sick.’ (দ্য কোল্ড স্ন্যাপ হ্যাজ মেড মি সিক।) অর্থাৎ, হুট করে অনেক ঠান্ডা পড়া শুরু হওয়ার কারণে আমি অসুস্থ হয়ে গিয়েছি।
২. To Hibernate (টু হাইবারনেট) : Hibernate শব্দটির অর্থ শীতনিদ্রা। সাধারণত শব্দটি সেসব প্রাণীর জন্য ব্যবহার করা হয়, যারা শীতকালের লম্বা একটি সময় ঘুমিয়ে কাটায়। একই শব্দটি একটু কায়দা করে শীতকালে বাকি সমস্ত কাজ ফেলে ঘুমাতে পছন্দ করা মানুষকে বোঝাতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
‘Oh! I like to hibernate during the winter.’ (ওহ! আই লাইক টু হাইবারনেট ডিউরিং দ্যা উইন্টার।) অর্থাৎ, আমি শীতকালে ঘুমাতে পছন্দ করি।
‘I like to hibernate during the winter because it’s really cold outside.’ (আই লাইক টু হাইবারনেট ডিউরিং দ্য উইন্টার বিকজ ইটস রিয়েলি কোল্ড আউটসাইড।) অর্থাৎ, শীতকালে আমি ঘুমিয়ে থাকতেই পছন্দ করি, কারণ বাইরে অনেক ঠান্ডা থাকে।
৩. Wind Chill (উইন্ড চিল) : অনেক সময় জোরে ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণেও তীব্র শীত অনুভূত হয়, সে ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
‘The wind chill makes it really hard to walk outside.’ (দ্য উইন্ড চিল মেইকস ইট রিয়েলি হার্ড টু ওয়াক আউটসাইড।) অর্থাৎ, তীব্র বাতাসের কারণে বাইরে হাঁটাচলা করতে বেশ অসুবিধা দেখা দেয়।
‘The game was cancelled because of wind chill.’ (দ্য গেইম ওয়াজ ক্যানসেলড বিকজ অব উইন্ড চিল।) অর্থাৎ, তীব্র বাতাসের জন্য খেলা বাতিল করা হয়েছে।
৪. Slush (স্লাশ) : শীতের রাতে জমা হওয়া তুষার পরের দিন সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এসে গলে যায়। এই সময় তুষারের সঙ্গে রাস্তার ময়লা মিশে একটি বিকৃত রূপ ধারণ করে, যা দেখতে মোটেই মোহনীয় নয়, এই গলে যাওয়া তুষারকে Slush বলে।
‘The snow started to turn into brown slush in the noon.’ (দ্য স্নো স্টার্টেড টু টার্ন ইন্টু ব্রাউন স্লাশ ইন দ্যা নুন।) অর্থাৎ, তুষারগুলো দুপুরবেলা গলে বাদামি হয়ে যেতে শুরু করল।
‘We need to clear the slush.’ (উই নিড টু ক্লিয়ার দ্য স্লাশ।) অর্থাৎ, আমাদের গলে যাওয়া তুষার সরিয়ে ফেলতে হবে।
৫. Snowbound (স্নোবাউন্ড) : বাইরের দেশে তীব্র তুষারপাতের কারণে সচরাচরই মানুষকে ঘরের ভেতর আটকা পড়তে হয়, এ অবস্থাকে বোঝাতেই Snowbound শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
‘I was snowbound yesterday.’ (আই ওয়াজ স্নোবাউন্ড ইয়েসটারডে।) অর্থাৎ, গতকাল তীব্র তুষারপাতের জন্য আমি আটকা পড়ে গিয়েছিলাম।
‘The man was snowbound and had no other option but to wait.’ (দ্য ম্যান ওয়াজ স্নোবাউন্ড অ্যান্ড হ্যাড নো আদার অপশন বাট টু ওয়েট।) অর্থাৎ, লোকটি তীব্র তুষারপাতের জন্য আটকা পড়ে ছিলাম এবং তার হাতে অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।
৬. Sleet (স্লিট) : একই সঙ্গে তুষারপাত এবং বৃষ্টি পড়াকে Sleet বলে। ঠান্ডার জন্য অনেক সময় বৃষ্টির পানি নিচে পড়তে পড়তে জমে বরফে পরিণত হয়। Sleet লন্ডনের আবহাওয়ার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
‘All on a sudden it started to sleet.’ (অল অন আ সাডেন ইট স্টার্টেড টু স্লিট।) অর্থাৎ, হুট করেই তুষারপাতসহ বৃষ্টি হতে শুরু করল।
‘The sleet made the weather worse.’ (দ্য স্লিট মেড দ্য ওয়েদার ও’রস।) অর্থাৎ, তুষারপাতসহ বৃষ্টির কারণে আবহাওয়ার আরো অবনতি ঘটল।
৭. Freezing Outside (ফ্রিজিং আউটসাইড) : বাইরে অনেক ঠান্ডা বোঝাতে Freezing outside কথাটি ব্যবহার করা হয়।
‘Play inside the house, it is freezing outside.’ (প্লে ইনসাইড দ্য হাউজ, ইট ইজ ফ্রিজিং আউটসাইড।) অর্থাৎ, ঘরের ভেতরেই খেল, বাইরে অনেক ঠান্ডা পড়ছে।
‘It was freezing outside and we decided to stay inside.’ (ইট ওয়াজ ফ্রিজিং আউটসাইড অ্যান্ড উই ডিসাইডেড টু স্টে ইনসাইড।) অর্থাৎ, বাইরে অনেক ঠান্ডা পড়াতে আমরা বাড়ির ভেতরে থাকার সিদ্ধান্ত নিলাম।
৮. Below Zero (বিলো জিরো) : বাইরের শীতপ্রধান দেশগুলোতে তাপমাত্রা প্রায়ই শূন্য ডিগ্রিরও নিচে চলে যায়, যার অর্থ শীতের তীব্রতা আরো বৃদ্ধি পায়। অনেক সময় শূন্যর ঠিক কত নিচে তাপমাত্রা, তা জানা না থাকলেও এটা ঠিকই নিশ্চিত বোঝা যায় যে তাপমাত্রা শূন্যর নিচে, সেই ক্ষেত্রে Below zero শব্দটি ব্যবহার হয়। উল্লেখ্য, অনেকেই Below শব্দটির বদলে Under ব্যবহার করে থাকেন যা ভুল।
‘The temperature is below zero.’ (দ্য টেমপারেচার ইজ বিলো জিরো।) অর্থাৎ, তাপমাত্রা শূন্যরও নিচে।
‘Today’s morning is so cold, it must be below zero.’ (দ্য মর্নিং ইজ সো কোল্ড, ইট মাস্ট বি বিলো জিরো।) অর্থাৎ, আজকে সকালে এত ঠান্ডা পড়েছে, তাপমাত্রা নিশ্চিত শূন্যর নিচে।
৯. Arctic Outside (আর্কটিক আউটসাইড) : Arctic দ্বারা উত্তর মেরু অঞ্চলকে বোঝায়, যা পৃথিবীর সবচেয়ে ঠান্ডা স্থান। অনেক সময় শীতের আধিক্য বোঝাতে তাই অনেকেই Arctic outside কথাটি ব্যবহার করেন।
‘It is Arctic outside.’ (ইট ইজ আর্কটিক আউটসাইড।) অর্থাৎ, বাইরে উত্তর মেরুর মতন ঠান্ডা পড়েছে।
‘The excessive cold made it feel like Arctic outside.’ (দি এক্সেসিভ কোল্ড মেড ইট ফিল লাইক আর্কটিক আউটসাইড।) অর্থাৎ, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে বাইরের আবহাওয়াকে উত্তর মেরুর আবহাওয়ার মতন মনে হচ্ছিল।
১০. Seeing Breath in the Air (সিইং ব্রেথ ইন দি এয়ার) : ঠান্ডার কারণে অনেক সময়ই নিশ্বাস জমে বাষ্পে পরিণত হয়, যার ফলে কথা বলার সময় বা শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণের সময় বাতাসে তা দেখা যায়, একে Seeing breath in the air দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
‘He was standing right in front of me and I could see his breath in the air.’ (হি ওয়াজ স্ট্যান্ডিং রাইট ইন ফ্রন্ট অফ মি অ্যান্ড আই ক্যুড সি হিজ ব্রেথ ইন দি এয়ার।) অর্থাৎ, সে আমার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল এবং বাতাসে আমি তার নিশ্বাস দেখতে পাচ্ছিলাম।
‘You can see your breath in the air if the temperature falls further.’ (ইউ ক্যান সি ইয়োর ব্রেথ ইন দি এয়ার ইফ দ্য টেম্পারেচার ফলস ফারদার।) অর্থাৎ, তাপমাত্রা আরো কমতে থাকলে তুমি বাতাসে নিজের নিশ্বাস দেখতে পাবে।
১১. Iced up (আইসড আপ) : ঠান্ডায় তুষারপাত হয়ে বাইরে রাখা গাড়ি অনেক সময় তুষারে ঢেকে আটকে পড়ে, একেই Iced up কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়।
‘My car is iced up.’ (মাই কার ইজ আইসড আপ।) অর্থাৎ, আমার গাড়িটি জমাট তুষারে আটকা পড়েছে।
‘He came to work late because his car was iced up.’ (হি কেইম টু ওয়ার্ক লেইট বিকজ হিজ কার ওয়াজ আইসড আপ।) অর্থাৎ, জমাট তুষারে তার গাড়িটি আটকা পড়ার জন্য আজ তার কাজে আসতে দেরি হয়েছে।
১২. Frosty (ফ্রস্টি) : Frosty শব্দটি Cold-এর বদলে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বাইরে ভীষণ ঠান্ডা পড়ছে বোঝাতে সাদামাটা ‘It is very cold outside.’ না বলে আপনি একটু কায়দা করে বলতেই পারেন,
‘It is pretty frosty today.’ (ইট ইজ প্রিটি ফ্রস্টি টুডে।) অর্থাৎ, আজকে বেশ ঠান্ডা পড়েছে।
‘That was a frosty morning.’ (দ্যাট ওয়াজ আ ফ্রস্টি মর্নিং।) অর্থাৎ, সেই সকালে বেশ ঠান্ডা পড়েছিল।
১৩. Shiver (শিভার) : প্রচণ্ড শীতের কারণে ঠান্ডায় কেঁপে ওঠা বোঝাতে Shiver শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
‘The cold made him shiver.’ (দ্য কোল্ড মেড হিম শিভার।) অর্থাৎ, প্রচণ্ড ঠান্ডায় সে কেঁপে উঠল।
‘It is shivering cold outside.’ (ইট ইজ শিভারিং কোল্ড আউটসাইড।) অর্থাৎ, বাইরে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা।
১৪. Teeth Clattering (টিথ ক্ল্যাটারিং) : ঠান্ডায় অনেক সময় দাঁতে দাঁতে বাড়ি লেগে এক ধরনের শব্দের সৃষ্টি হয়, যাকে ইংরেজিতে Teeth Clattering বলে। Clatter দাঁতে দাঁত বাড়ি লাগার শব্দ।
“’The cold made his teeth clatter.’ (দ্য কোল্ড মেড হিস টিথ ক্ল্যাটার।) অর্থাৎ, প্রচণ্ড ঠান্ডায় তার দাঁতে দাঁতে বাড়ি লাগছিল।
‘The surrounding was so silent that I could even hear my teeth clattering.’ (দ্য সারাউন্ডিং ওয়াজ সো সাইলেন্ট দ্যাট আই ক্যুড ইভেন হিয়ার মাই টিথ ক্ল্যাটারিং।) অর্থাৎ, চারপাশ এতটাই নীরব ছিল যে আমি আমার দাঁতে দাঁত বাড়ি লাগার শব্দও শুনতে পাচ্ছিলাম।
১৫. Hand Freezing (হ্যান্ড ফ্রিজিং) : প্রচণ্ড ঠান্ডায় অনেকেরই হাত জমে অবশ হয়ে আসে, একে Hand freezing বলে।
‘My hands are freezing because of cold.’ (মাই হ্যান্ডস আর ফ্রিজিং বিকজ অব কোল্ড।) অর্থাৎ, ঠান্ডার কারণে আমার হাত জমে যাচ্ছে।
‘He wears gloves to stop his hands from freezing.’ (হি উইয়ারস গ্লাভস টু স্টপ হিস হ্যান্ডস ফ্রম ফ্রিজিং।) অর্থাৎ, ঠান্ডায় হাত যাতে জমে না যায়, সে জন্য সে হাতমোজা পরে থাকে।
এই শব্দগুলো ব্যবহার করে শীত সম্পর্কে আপনার মনের ভাব প্রকাশ করা হবে সহজ ও সাবলীল।
©সংগৃহীত
05/01/2023
জানুন, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করুন।
বাংলাদেশ সংবিধান সম্পর্কিত তথ্য :
★ সংবিধানে সংখ্যাসমূহ:
✿➢১. মোট ভাগ - ১১টি
✿➢২.মোট অনুচ্ছেদ -১৫৩ টি
✿➢৩.মোট তফসিল -৭ টি
✿➢৪.মূলনীতি - ৪ টি
✿➢৫.সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য -৩৪ জন
✿➢৬.সংরক্ষিত মহিলা আসন -৫০ টি
✿➢৭.সংবিধান সংশোধন -২/৩ অংশ ভোট
✿➢৮.রাষ্ট্রপতির অভিশংসন -২/৩ অংশ ভোট
✿➢৯.এক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নিয়োগ হবেন -২ বার।
✿➢১০.রাষ্ট্রপতির বয়স -৩৫ বছর
✿➢১১.প্রধানমন্ত্রীর বয়স -২৫ বছর
✿➢১২.সংসদ সদস্যের বয়স - ২৫ বছর
✿➢১৩.শিশুশ্রম নিষিদ্ধ - ১৪ বছরের নিচে
✿➢১৪.প্রধান বিচারপতির অবসরসীমা -৬৭ বছর
✿➢১৫.পিএসসি চেয়ারম্যানের অবসরসীমা -৬৫
✿➢১৬.মহাহিসাব নিরীক্ষকের অবসর সীমা -৬৫ বছর
✿➢১৭.সংসদ অধিবেশন বিরতি - ৬০ দিন
✿➢১৮.সংসদ নির্বাচন -৯০ দিন
✿➢১৯.সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদ অধিবেশন আহ্বান -৩০ দিন
✿➢২০.অধ্যাদেশ কার্যকর - ৩০ দিন
Collected
06/11/2022
আজ ৬ নভেম্বর ২০২২, রোববার। ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।
ঘটনাবলি:
১৯৭৫ - আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি, দেশটির ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১৭৬৩ - নবাব মীর কাশিমের কাছ থেকে ব্রিটিশরা পাটনা ছিনিয়ে নেয়।
১৮১৩ - মেক্সিকোর স্বাধীনতা ঘোষিত হয়।
১৮৮৪ - ডমিনিকান রিপাবলিক সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৬০ - আব্রাহাম লিংকন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
১৯১৭ - লেলিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হয়।
১৯৫২ - প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ হয়।
১৯৬২ - দক্ষিণ আফ্রিকাকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
১৯৭৫ - খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয় এবং সঙ্গী-সাথি সিপাহিদের গুলিতে নিহত হন।
১৯৮৫ - আলী হাসান মুইনি তানজানিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
১৯৮৮ - চীনের জুনান প্রদেশে ভূমিকম্পে প্রায় ১ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।
১৯৯০ - পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নওয়াজ শরিফ শপথ গ্রহণ করেন।
১৯৯১ - ফিলিপাইনে টাইফনে ৭ সহস্রাধিক লোকের মৃত্যু।
১৯৯৬-বিল ক্লিনটন পুনরায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
জন্ম:
১৪৯৪ - প্রথম সুলাইমান, তিনি ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের দশম এবং সবচেয়ে দীর্ঘকালব্যাপী শাসনরত সুলতান।
১৮১৪ - অ্যাডলফে সাক্স, তিনি ছিলেন বেলজিয়ান বংশোদ্ভূত ফরাসি যন্ত্র ডিজাইনার ও স্যাক্সোফোন উদ্ভাবক।
১৮৪১ - আরমান্ড ফালিয়েরেস, তিনি ছিলেন ফরাসি রাজনীতিবিদ ও ৯ তম প্রেসিডেন্ট।
১৮৫১ - চার্লস ডও, তিনি ছিলেন আমেরিকান সাংবাদিক ও অর্থনীতিবিদ।
১৯২১ - জেমস জোনস, তিনি ছিলেন আমেরিকান সৈনিক, সাংবাদিক ও লেখক।
১৯২৫ - মাইকেল বউকুয়েট, তিনি ফরাসি অভিনেতা।
১৯৩২ - ফ্রাঁসোয়া অ্যাংলার্ট, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বেলজিয়ান পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।
১৯৪৭ - ক্যারোলিন সেয়মউর, তিনি ইংরেজ অভিনেত্রী।
১৯৫৫ - মারিয়া শ্রিভার, তিনি আমেরিকান সাংবাদিক ও লেখক।
১৯৭২ - থান্ডি নিউটন, তিনি ইংরেজ অভিনেত্রী ও গায়িকা।
১৯৮৭ - আনা ইভানোভিচ, তিনি সার্বিয়ান টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৮৮ –এমা স্টোন, মার্কিন জনপ্রিয় অভিনেত্রী।
১৯৯০ - আন্দ্রে হোর্স্ট শুর্লে, তিনি জার্মান ফুটবলার।
মৃত্যু:
৬৪৪ - উমর ইবনুল খাত্তাব, খলিফা (জ. ৫৭৯)।
১৪৯২ - আন্টইনে ব্লুইস, তিনি ছিলেন ফরাসি সুরকার ও কবি।
১৯৪১ - মরিস লি ব্লাঞ্চ, তিনি ছিলেন ফরাসি লেখক।
১৯৬৪ - হান্স ভন ইউলার-ছেলপিন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান সুইস প্রাণরসায়নী ও একাডেমিক।
১৯৮৫ - সঞ্জীব কুমার, একজন ভারতীয় অভিনেতা যিনি বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।
১৯৯১ - জিন টিয়েরনেয়, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।
২০০৭ - হিলডা ব্রাইড, তিনি ছিলেন ইংরেজ অভিনেত্রী।
দিবস:
ডমিনিকান রিপাবলিক: সংবিধান দিবস (১৮৮৪)
তাজিকিস্তান: সংবিধান দিবস (১৯৯৪)
তাতারস্তান: সংবিধান দিবস (১৯৯২)
©সংগৃহীত
04/11/2022
Xylaria polymorpha, commonly known as dead man's fingers, is a saprobic fungus. It is a common inhabitant of forest and woodland areas, usually growing from the bases of rotting or injured tree stumps and decaying wood.
21/10/2022
(সংগৃহীত)
✅ Simple translation ‼️
*I can be swimming.
=আমি সাতার কাটতে পারছি।
*I can be reading.
=আমি পড়তে পারছি।
*I can be working.
=আমি কাজ করতে পারছি।
*I can be writing.
=আমি লিখতে পারছি।
*I can be walking.
=আমি হাঁটতে পারছি।
*I can be going.
=আমি যেতে পারছি।
*I can be coming.
=আমি আসতে পারছি।
*I can be listening.
=আমি শুনতে পারছি।
*I can be running.
=আমি দৌঁড়াতে পারছি।
*I can be talking.
=আমি কথা বলতে পারছি।
*I can be playing.
=আমি খেলতে পারছি।
▪️গুরুত্বপূর্ণ সাল▪️
~~~~~~~~~~~
▪️নোবেল চালু-১৯০১
▪️ফিফা গঠিত-১৯০৪
▪️বঙ্গভঙ্গ-১৯০৫
▪️বঙ্গভঙ্গ রদ-১৯১১
▪️টাইটানিক ধংস-১৯১২
▪️রবীন্দ্রনাথের নোবেল লাভ-১৯১৩
▪️১ম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়-১৯১৪
▪️রুশ বিপ্লব-১৯১৭
▪️১ম বিশ্বযুদ্ধ শেষ-১৯১৯
▪️২য় ভার্সাই চুক্তি-১৯১৯
▪️ম্যাগনাকার্টা-১২১৫
▪️উত্তর আমেরিকা আবিস্কার-১৪৯২
▪️শিল্প বিপ্লব-১৭৬০
▪️আমেরিকা মুক্ত-১৭৭৬
▪️১ম ভার্সাই চুক্তি-১৭৮০
▪️ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ -১৮০০
▪️ট্রাফালগার যুদ্ধ-১৮০৫
▪️ওয়াটার লুর যুদ্ধ -১৮১৫
▪️দাশ প্রথার বিলোপ-১৮৬৩
▪️আব্রাহাম লিংকন মারা যান-১৮৬৫
▪️সুয়েজ খাল খনন-১৮৬৯
▪️ফরাসি বিপ্লব-১৭৮৯
▪️দুই জার্মানী একত্রিত হয়-১৯৯০
▪️শিমন পেরেজ+ইয়াসির আরাফাত নোবেল পান-১৯৯৩
▪️নেলসন ম্যান্ডেলা প্রেসিডেন্ট হন-১৯৯৪
▪️সিটি বিটি সই হয়-১৯৯৬
▪️সিটি বিটি অনুমোদন-২০০০
▪️জাতিসংঘ নোবেল পায়-২০০৭
▪️দঃ সুদান স্বাধীন হয়-২০১১
▪️এপিজে আঃ কালাম মারা যান-২০১৫
▪️মোঃ আলী মারা যান-২০১৬
▪️ফিডেল কাস্ত্রো মারা যায়-২৫ নভেম্বর,২০১৬
▪️ঢাবি স্থাপিত-১৯২১
▪️হিটলার জার্মান চ্যান্সলর হন-১৯৩৩
▪️২য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু-১৯৩৯
▪️ছিয়াত্তরের মনবন্তর-১১৭৬ (বাংলা)
▪️২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ-১৯৪৫
▪️জাতিসংঘ-১৯৪৫
▪️দেশ বিভাগ-১৯৪৭
▪️আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ-১৯৪৮
▪️বিবিসি বাংলার যাত্রা-১৯৪৯
▪️এভারেস্ট বিজয়-১৯৫৩
▪️সুয়েজ খাল জাতীয়করন-১৯৫৬
▪️চাঁদে ১ম মানুষ যায়-১৯৬৯
▪️তাইওয়ান স্বাধীনতা হারায়-১৯৭১
▪️ইরানে ইসলামী বিপ্লব-১৯৭৯
▪️আঃ ছালাম ও মাদার তেরেসার নোবেল লাভ-১৯৭৯
▪️ফকল্যান্ড যুদ্ধ-১৯৮২
11/10/2022
বিপিএম (সাহসিকতা-সেবা) কী?
বিপিএম>> 'বাংলাদেশ পুলিশ পদক'
অসীম বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে পুলিশ সদস্যদের প্রতিবছর বিপিএম (সাহসিকতা) দেওয়া হয়। 'বিপিএম সাহসিকতা' পদকের জন্য যারা ভূষিত হন তারা প্রত্যেকে এককালীন এক লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা ভাতা পেয়ে থাকেন।
সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পুলিশ বিভাগের কার্যক্রমে গতিশীলতা, দক্ষতা বৃদ্ধি কিংবা উন্নয়ন, আধুনিকায়নে বিভিন্ন দপ্তর ও শাখায় দৃশ্যমান অবদান, গুরুত্বপূর্ণ মামলা তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটন বা অপরাধীকে আইনের আওতায় আনেন কিংবা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বে থেকে দক্ষতা, কর্তৃব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন, তারা 'বিপিএম সেবা' পদক পেয়ে থাকেন। এই পদকের জন্য প্রত্যেক পুলিশ সদস্য বা কর্মকর্তা এককালীন ৭৫ হাজার টাকা এবং প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা ভাতা পান।
আরো জানতে চোখ রাখুন আমাদের পেইজে 🙂
Click here to claim your Sponsored Listing.