Studentz Club
welcome to our official page @Studentz Club
Estd. - 2017
বাগধারা
#অষ্টকপাল=হতভাগ্য ।
#ঊনপাঁজুরে=মন্দভাগ্য।
#স-সে-মি-রা অবস্থা=কাণ্ডজ্ঞানহীন অবস্থা।
#কেঁচে গণ্ডূস=নতুন করে আরম্ভ করা
#ক-অক্ষর গোমাংস=অশিক্ষিত ব্যক্তি
Club
Transformation of Sentence
has only a few books. (Negative)
- He has nothing but a few books.
he tried hard, he failed. (Compound)
- He tried hard but failed.
wants that I should go. (Simple)
- He wants me go.
22/09/2022
গুগলে চাকরি পেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাফায়েত🎉
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারনেট ও সফটওয়্যার সেবাদানকারী বহুজাতিক কোম্পানি গুগলের তাইওয়ান অফিসে ‘গুগল পিক্সেল টিম’ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাফায়েত উল্যাহ। তিনি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের (২১ ব্যাচ) শিক্ষার্থী।
সাফায়েতের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়ার নিজপানুয়া গ্রামে। ছাগলনাইয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও ফেনী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে চান্স পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে ইনোসিস সল্যুশনস নামে ঢাকার একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি করছেন।
সাফায়েত উল্যাহ বলেন, গত ৩ সেপ্টেম্বর গুগল কর্তৃপক্ষ কনফার্ম করেছে। তাইওয়ান অফিসে গুগল পিক্সেল টিমে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজের সুযোগ পেয়েছি।
সাফায়েত আরো বলেন, জীবনের স্বপ্নের একটি প্রতিষ্ঠান ছিলো গুগল। কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা করা প্রায় সবারই স্বপ্ন থাকে এমন কোনো সুযোগ পাওয়ার। সেখানে আমি যেতে পেরেছি এটা আমার অনেক বড় পাওয়া। নিজের অনুভূতি আসলে বলে বুঝানোর মতো না। সব মিলিয়ে অনেক ভালো লাগছে। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে আমার পরিবারকে এই সুসংবাদ দিতে পেরেছি৷
সবার আগে মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সাফায়েত বলেন, মায়ের প্রতি সবসময় কৃতজ্ঞ। মাকে এই সংবাদ দিতে পেরে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি। মা, বড় মামার সাপোর্ট না থাকলে পড়াশোনাই করতে পারতাম কি-না সন্দেহ। তাদের প্রতি ও আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আর বন্ধুদের কাছ থেকে অনেক মানসিক সাপোর্ট পেয়েছি সবসময়।
নিজেকে কিভাবে যোগ্য করে গড়ার চেষ্টা করেছেন সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিজেকে সামনের দিনে কেমন দেখতে চাই সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে আমি অনেক স্বাধীনতা পেয়েছি। পরিবার সবসময় সাপোর্ট করতো। ছোটোবেলা থেকেই নিজের মতো করে পড়াশোনা করতাম। বাবা-মা কোনোদিন চাপ প্রয়োগ করেনি। সবসময় নিজে কোন জিনিসটা করতে পারবো সেটাতেই মনোযোগ দিতাম। আমার সবচেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে- ম্যাথ আর প্রবলেম সলভিং। অষ্টম শ্রেণি থেকেই আমি গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করতাম। আর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথমদিক থেকেই নানা কম্পিউটার প্রবলেম সলভিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম৷ এসব প্রতিযোগিতায় গিয়ে অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। নতুন অনেক কিছু শিখতে ও বুঝতে পেরেছি।
সাফায়েতের গুগলে সুযোগ পাওয়ার বিষয়ে কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দিন মো. তারেক বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা নিয়মিতই বড় বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করে দেশের ও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করছে। আমরা প্রতিবছরই এমন সুসংবাদ পাই। সামনের দিনে আমাদের শিক্ষার্থীরা আরো ভালো করবে এই কামনা করি।
© দৈনিক শিক্ষা || ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
22/09/2022
গুগলে চাকরি পেলেন ঢাবির একই বিভাগের ৪ শিক্ষার্থী🎉
টেক জায়ান্ট গুগলের পক্ষ থেকে চাকরির অফার পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের চার শিক্ষার্থী। তারা হলেন— শাহেদ শাহরিয়ার, তামিম আদ্দারী, নাহিয়ান আশরাফ রাঈদা ও শারমীন মাহজাবিন রাখি। এদের মধ্যে শাহেদ শাহরিয়ার ও তামিম আদ্দারি ১৯ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে ২০ ও ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শারমীন মাহজাবিন রাখি ও নাহিয়ান আশরাফ রাঈদা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মঙ্গলবার বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, চারদিকে যখন হতাশার খবর তখন আমাদের শিক্ষার্থীরা ভালো কিছু করছে, যা নিশ্চয়ই আনন্দের। আমরা পরখ করে বলতে পারি যে, হতাশার কিছু নেই, দেশবাসী জানুক যে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বমানের পড়াশোনা হয়। তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু গুগলে না, আরও বিশ্বের ভালো ভালো জায়গায় অধিষ্ঠিত আছে। এটা নিশ্চয়ই আনন্দের সংবাদ।
বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা আইসিপিসির সক্রিয় সদস্য ছিলেন শাহেদ শাহরিয়ার, নাহিয়ান আশরাফ রাঈদা ও শারমীন মাহজাবিন রাখি। প্রোগ্রামিংয়ে সবাই অসাধারণ ফলাফল অর্জন করেন।
জানা গেছে, গুগলে ডাক পাওয়া চার শিক্ষার্থীর মধ্যে শাহেদ শাহরিয়ার রংপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগে ভর্তি হন। মাধ্যমিক স্তরে তিনি রংপুর জেলা স্কুলে পড়েছেন। সম্প্রতি ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি লেখেন, আমি এখন আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে আছি। দেশটির গুগল নেটওয়ার্ক কন্ট্রোল টিমে যোগদান করতে যাচ্ছি।
তিনি জানান, ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই গুগল থেকে সাক্ষাৎকারের একটি বার্তা পান। পরে আইসিপিসির প্রস্তুতির জন্য গুগল থেকে কিছু সময় চেয়ে নেন। পরের বছর ২৯ এপ্রিল অনলাইনে সাক্ষাৎকারে উত্তীর্ণ হন শাহেদ। একই বছর আরেকটি সরাসরি সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়ে গুগলে যোগদানের আমন্ত্রণ পান। সে সময় পাসপোর্ট নবায়নের জন্য যোগদানের জন্য আরও ৫ মাস সময় বাড়িয়ে নেন। ফলে চলতি বছর গত ৬ এপ্রিল যোগদানের ফাইনাল তারিখ নির্দিষ্ট হয়। কিন্তু করোনার কারণে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় তখন যোগদান করতে পারেননি।
অন্যদিকে তামিম আদ্দারি কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ হতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। পরে তিনি ঢাবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৯তম ব্যাচে ভর্তি হন।
এ দু’জন ছাড়াও একই বিভাগের নাহিয়ান আশরাফ রাঈদা এবং শারমীন মাহজাবিন রাখিও একাডেমিক জীবনে সফলতার অর্জন করেছেন। বিভাগ সূত্র জানায়, গুগল থেকে চাকরির অফার পাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীদের মধ্যে রাখি ও রাঈদাই প্রথম। এর মধ্যে রাখি বিভাগ থেকে বেশ কয়েকটি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে রাঈদা দু’বারের অ্যাম্বিডিএক্সটারিটি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন। একাডেমিক ফল ভাল করার স্বীকৃতিস্বরূপ ডিন অ্যাওয়ার্ডও লাভ করেছেন তিনি।
জানা যায়, রাঈদা রাজধানীর হলিক্রস গার্লস স্কুল এ্যান্ড কলেজ থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেন। অন্যদিকে শারমীন মাহজাবিন রাখি মাধ্যমিক এ কে হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং উচ্চ মাধ্যমিক আইডিয়াল কলেজের গণ্ডি পার করেন।
© The Daily Campus || ১৪ জুলাই, ২০২০
22/09/2022
নওগাঁর হিমেল যাচ্ছে Google এ
বিশ্বের সর্ববৃহৎ সার্চ ইঞ্জিন এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছে নওগাঁর Hasibul Haque Himel । সে সেখানে Software Engineer, Site Reliability Engineering - EU Headquarters হিসেবে যোগ দিবে।
বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের ছোট্ট একটা দেশে নওগাঁর মতো ছোট্ট , প্রান্তিক শহর থেকেও যে বড় স্বপ্ন দেখা যায়, হিমেল সেটাই প্রমাণ করে দেখালো। আমরা সবসময় কমপ্লেইন করি--ছোট শহরের স্কুলে পড়েছি, বাংলা মিডিয়াম থেকে আর কতদূরই যাওয়া যাবে, ঢাকার নামি কলেজে পড়লাম না, ফরেন ডিগ্রিও নাই, আমাকে দিয়ে তো কিছুই হবে না।
তবে হিমেল কিন্তু নওগাঁ কে.ডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল৷ সেখান থেকে ২০১৪ সালে এসএসসি এবং ২০১৬ সালে নওগাঁ সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি। সে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (IUT) থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছে। এখন হিমেল তাঁর মেধা আর আত্মবিশ্বাসের জোরেই গুগলে যাচ্ছে। আগামীতে নিশ্চয় হিমেল আরও বড় কিছু করবে। আমরা খুশি হয়ে আরও বড় কোনো পোস্ট লিখব।
হিমেলের সাফল্যে আমরা গর্বিত। কে.ডি-২০১৪ ব্যাচ, নওগাঁ তথা সারা বাংলাদেশ গর্বিত। হিমেলের এই অর্জন আমাদের সবাইকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলুক এটাই প্রত্যাশা।
22/06/2022
Welcome to the official fb page of 'Studentz Club'. It's club of Dimla Rani Brindarani Government High School, directed by the students of the school. Follow the page to get connected with us. Thank you in advance.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dimla