NewsBox
NewsBox Is a New Generation Media, Politics, Sports, Entertainment and Global News outlet
ভোটের আগে বলছো ভাবি, আর এখন বলো আমি বাবা খাই, বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে গৃহবধূর অভিনব প্রতিবাদ
ওসমান হাদি হ ত্যা য় সরাসরি জড়িত, আসামিদের গ্রেফতারের পর মমতাকে ফোন দিয়েছিলেন অমিত শাহ
02/06/2026
অন্য সবকিছুর ঊর্ধ্বে তোফায়েল আহমেদ ছিলেন টিকে থাকার লড়াইয়ে জয়ী একজন মানুষ।
বিশ্বাসঘাতকতায় ভরা বাংলাদেশের রাজনীতির পিচ্ছিল জমিনে ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় তাঁর এক দুর্দান্ত সূচনা হয়েছিল। যদিও সেটা ছিল কিছুটা অতিরঞ্জিত ।
সেই আন্দোলনের প্রকৃত ব্যাপ্তি এবং জেনারেল আইয়ুব খানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে সেই আন্দোলনের আসল কার্যকারিতা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে আজও বিতর্ক আছে; কিন্তু সেই আন্দোলনে নিজের যতটুকু ভূমিকা ছিল, সেটুকুই রাজনৈতিকভাবে ভাঙিয়ে খেয়ে তোফায়েল তার বাকি জীবন পার করে দিয়েছেন।
স্বাধীনতার পর তিনি শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক গঠিত কুখ্যাত আধাসামরিক বাহিনী ‘জাতীয় রক্ষীবাহিনী’র প্রধান সংগঠক হয়ে ওঠেন। জাসদের ওপর যে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ও নৃশংসতা চালানো হয়েছিল, তোফায়েল ছিলেন তার অন্যতম প্রধান কারিগর।
এসব সত্ত্বেও ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে রাজনীতিতে তাঁর পুনর্বাসনের পর এই সমস্ত কর্মকাণ্ডের জন্য তাঁকে কখনোই জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হয়নি।
তোফায়েলকে এমনকি নয়া দিল্লিও গভীর সন্দেহের চোখে দেখত। একজন ভারতীয় লেখক আমাকে বলেছিলেন যে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা তাঁকে "ঘাসের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সাপ" (serpent in the grass) বলে আখ্যায়িত করেছিল।
তাদের এই উপাধি ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিব ও তার পরিবারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সময় তোফায়েলের প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে এক দীর্ঘস্থায়ী সন্দেহের ছায়া তৈরি করে।
১৯৮০-এর দশক নাগাদ তোফায়েল আবার রাজপথে ফিরে আসেন। গুলিস্থানে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে তাঁর অগ্নিঝরা, অথচ আদতে ফাঁপা ও উসকানিমূলক বক্তৃতার জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা এবং তার দলের অনেক সহকর্মী তোফায়েলকে মনে-প্রাণে ঘৃণা করতেন এবং তার প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর কড়া নজর রাখতেন। কারণ ১৯৭৫ সালে তার অস্পষ্ট ও সন্দেহজনক ভূমিকা তাঁদের স্মৃতিতে দগদগে ছিল।
তা সত্ত্বেও, রাজনৈতিক স্বার্থের তাগিদে হাসিনা তাকে তার প্রথম মন্ত্রিসভায় বাণিজ্য মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। এই নতুন ভূমিকায় তোফায়েল কর্পোরেট অভিজাতদের তোষামোদ শুরু করেন।
বড় বড় ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের জন্য তাঁর দরজা সবসময় খোলা থাকত। যা এই গুঞ্জনকে আরও উসকে দেয় যে তিনি বড় বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা পেতেন।
২০০৮-পরবর্তী সময়ে দেশ যখন ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছিল, তখন হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের উদীয়মান নতুন নেতাদের কাছে নিজের আনুগত্য প্রমাণ করতে মরিয়া তোফায়েল সুবিধাজনকভাবে হাসিনার অনুগত আক্রমণাত্মক মুখপাত্রে (attack dog) পরিণত হন।
তাঁকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হতো, আবার ছুড়ে ফেলেও দেওয়া হতো; তবুও হাসিনার সেই ‘রাবার-স্ট্যাম্প’ সংসদে তিনি ছিলেন হাসিনার এক শক্তিশালী মুখপাত্র।
চরম সুযোগসন্ধানী এই মানুষটি বিরোধী দল এবং আন্দোলনরত ছাত্র - উভয়কেই ডেমোনাইজ (দানব হিসেবে উপস্থাপন) করার কোনো সুযোগ হাতছাড়া করতেন না।
২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে, যখন হাসিনা সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করছিলেন, তখন তোফায়েল একজন সক্রিয় সহযোগী হিসেবে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।
হাসিনার শাসনের যখন চূড়ান্ত পতন ঘটে, তোফায়েল ততদিনে এমনিতেই মৃত্যুশয্যায়। সেই "ঘাসের মধ্যে লুকায়িত সর্প" নীরবে তাঁর শেষ দিনগুলোর প্রহর গুণছিলেন।
যেকোনো মানদণ্ড অনুযায়ী রক্ষীবাহিনীর সেই নৃশংসতার জন্য তার বিচার হওয়া উচিত ছিল। অথচ বাংলাদেশের স্বৈরাচারী শাসনের অন্যতম এই মূল কারিগর কোনো জবাবদিহিতা ছাড়াই পার পেয়ে গেলেন এবং নিজের বিছানায় শুয়েই শান্তিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।
লেখা : শফিকুল আলম
সাবেক প্রেস সচিব, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে গা জা সেবন, তরুণীসহ আটক
আর্জেন্টিনা ৫বার বিশ্বকাপ জিতেছে, ব্রাজিল একবারও পারে নাই। এরা আর্জেন্টিনার লেভেলেই নাই
স্ক্রিপ্ট ছাড়া একদমই পারেন না অভিনেত্রী স্পর্শিয়া
ওয়েস্টার্ন পোশাক দেখাতে বলায় অন্তর্বাস দেখালেন মারিয়া মিম
সেক্সি লুকে কুরবানির ঈদের মাংস কাটতে বসলেন অপু বিশ্বাস।
তারা কি আর কখনো আসবে বাংলাদেশে
সুন্দরবন ৭ ও মানামী লঞ্চের সং ঘর্ষ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka