Bango Tech
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bango Tech, Political Party, Dhaka, Dhaka.
আমরা সবাই এনালিস্ট ...
তেলের অভাব ?
দিনশেষে মাথা নথ করবো খোদার কাছে - সাদ্দাম হোসেন বেঁচে থাকবেন চিরকাল পাপিষ্ঠ এজিদ দাজ্জা-লদের পতন সন্নিকট!
07/03/2026
আজ ১৭ই রমাদ্বান ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের পবিত্র দিন।বদর দিবস।
২য় হিজরীর রমাদ্বান মাসের ১৭ তারিখ প্রায় ১ হাজার কাফের বাহিনীর বিরুদ্ধে মাত্র ৩১৩ জন বীর মুজাহিদ সাহাবি রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম সত্য-মিথ্যার পার্থক্যের নিরুপণের জন্য কালেমার পতাকা উড্ডীন করবার লক্ষ্যে বদরের প্রান্তরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ইসলামের প্রথম সমর বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন।
আল্লাহ তায়ালা ফেরাশতা পাঠিয়ে মুসলিমবাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন।তিনি ইরশাদ করেন:
وَلَقَد نَصَرَكُمُ اللَّهُ بِبَدرٍ وَأَنتُم أَذِلَّةٌ فَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُم تَشكُرونَ.
অনুবাদ:
আর অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে বদরে সাহায্য করেছেন অথচ তোমরা ছিলে হীনবল। অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, আশা করা যায়, তোমরা শোকরগুজার হবে। [] আল ইমরান 123.
বদর যুদ্ধের সমরনায়ক হযরত রাসূলুল্লাহ ﷺ বদরী সাহাবীদের মর্যাদা সম্পর্কে বলেন:
لَعَلَّ اللَّهَ اطَّلَعَ عَلَى أَهْلِ بَدْرٍ فَقَالَ: اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ فَقَدْ غَفَرْتُ لَكُمْ.
“আল্লাহ তাআলা বদরের সাহাবীদের দিকে দৃষ্টি দিয়েছেন এবং বলেছেন— তোমরা যা ইচ্ছা কর, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।”
উৎস: সহীহ বুখারি: 3007 | সহীহ মুসলিম: 2494
৩১৩ জন সৌভাগ্যবান সাহাবায় কেরামদের মধ্যে ১৪ জন শাহাদাতের পিয়ালা পান করেছেন।তাঁরা হলেন:
★মুহাজির (মক্কা থেকে হিজরতকারী) — ৬ জন
১.উবাইদা ইবন হারিস (রাঃ)
২.উমাইর ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)
৩.যুশ-শিমালাইন ইবন আবদে আমর (রাঃ)
৪.আকিল ইবন বুকাইর (রাঃ)
৫.মিহজাআ — (Umar ibn al-Khattab (রাঃ)-এর মুক্তদাস)
৬.সাফওয়ান ইবন বায়দা (রাঃ)
★আনসার (মদিনার সাহাবী) — ৮ জন
৭.হারিসা ইবন সুরাকা (রাঃ)
৮.রাফি‘ ইবন মু‘আল্লা (রাঃ)
৯.সা‘দ ইবন খাইসামা (রাঃ)
১০.আউফ ইবন আফরা (রাঃ)
১১.মু‘আউউিয ইবন আফরা (রাঃ)
১২.মু‘আয ইবন আফরা (রাঃ)
১৩.ইয়াযিদ ইবন হারিস (রাঃ) এবং
১৪.সা‘দ ইবন রাবি‘ (রাঃ)
📚 রেফারেন্স
Sirat Ibn Hisham — খণ্ড ২
Al-Bidaya wa'l-Nihaya — Ibn Kathir, খণ্ড ৩
Ar-Raheeq Al-Makhtum — Safiur Rahman Mubarakpuri
পরিশেষে আল্লাহ তায়ালার দরবারে ফরিয়াদ করি,
বদর যুদ্ধ এবং বদরী সাহাবীদের উসিলায় আমাদের বদরী সাহাবীদের মতো ঈমান ও দয়া নসীব করুন,ফিলিস্তিন ও ইরানকে বিজয় দান করুন,আমাদের যাবতীয় গুনাহ করুন এবং আমাদের সকল মাক্বাসাদে হাসানাহ পূর্ণ করুন,আ-মীন! বিজাহিন নাবিঈল আমিন
ওয়াবি উসিলাতি কালামে মূসা رَبِّ إِنّي لِما أَنزَلتَ إِلَيَّ مِن خَيرٍ فَقيرٌ
ওয়াবি হুরমাতি কালামিকা
وَالَّذينَ يَقولونَ رَبَّنا هَب لَنا مِن أَزواجِنا وَذُرِّيّاتِنا قُرَّةَ أَعيُنٍ وَاجعَلنا لِلمُتَّقينَ إِمامًا
ওয়াবি ইজ্জাতি
وَما أَرسَلناكَ إِلّا رَحمَةً لِلعالَمينَ
সল্লাল্লাহু আলাইকা ইয়া মুহাম্মদু-সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।🤍
ছবির দুআটি ছিল ২২ জানুয়ারি'২৫।
ওগো মাবুদ! গুনাহগারকে আর ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিও নাহ!
আপনার বিশেষ দুআর আবেদন রাখছি...🤲🏻
07/03/2026
বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নীরবে বড় একটি পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা LNG রপ্তানিতে অন্যতম প্রধান শক্তি ছিল Qatar। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশ—বিশেষ করে India, Pakistan এবং Bangladesh—এলএনজি সরবরাহের জন্য কাতারের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল।
ভারতের মোট এলএনজি আমদানির প্রায় ৪০% আসত কাতার থেকে। বাকি অংশ আসত United Arab Emirates, Oman এবং অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও প্রায় একই ধরনের নির্ভরতা তৈরি হয়েছিল।
কিন্তু সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাত—বিশেষ করে Iran-কে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতি—মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। যুদ্ধ ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে এলএনজি রপ্তানি ও শিপমেন্ট অনেক জায়গায় বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির ঘাটতি তৈরি হওয়ায় সুযোগটি দ্রুত লুফে নিয়েছে United States এবং Australia।
বর্তমানে এই দুই দেশ স্পট মার্কেটে বিপুল পরিমাণ এলএনজি সরবরাহ করে বাজারের বড় অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনছে।
ফলাফল খুব স্পষ্ট।
যেসব দেশ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির বাইরে গিয়ে এখন স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছে—তাদের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে Bangladesh-এর মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির দেশগুলোকে এখন অনেক সময় দ্বিগুণের কাছাকাছি দামে এলএনজি কিনতে হচ্ছে।
অন্যদিকে China তুলনামূলকভাবে এই সংকটে কম ক্ষতিগ্রস্ত। কারণ তারা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ পায় Russia এবং মধ্য এশিয়ার পাইপলাইন নেটওয়ার্ক থেকে, যা তাদের মধ্যপ্রাচ্যের উপর নির্ভরতা কিছুটা কমিয়েছে।
এই পরিস্থিতি অনেক বিশ্লেষকের কাছে কেবল একটি যুদ্ধ বা বাজার সংকট নয়—বরং বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত।
বিশ্বজুড়ে ট্যারিফ বৃদ্ধি, Venezuela-এর তেল সম্পদকে ঘিরে প্রতিযোগিতা, এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত—সবকিছু যেন একই বৃহত্তর শক্তির প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে উঠছে।
অর্থনীতি, জ্বালানি এবং যুদ্ধ—এই তিনটি বিষয় এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জড়িয়ে গেছে।
সময়টা সত্যিই অদ্ভুত।
পুরো বিশ্ব ব্যবস্থাই যেন ধীরে ধীরে নতুন করে সাজানো হচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত এই পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে—এটাই এখন দেখার বিষয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka