Clinical Dietician - Ummay Salma Tamanna

Clinical Dietician -  Ummay Salma Tamanna

Comments

আপ।নাপু।লাবারটা।ছাই
apu apnar presentation khub valo ,kindly ektu messege check koren ,apnar sathe kotha ase
Amar khuv proyojon
ডায়েটেশিয়ান তামান্না ম্যাডাম এর উপদেশ এবং হেলদি ডায়েট প্ল্যানে ৩ মাসে আমার ৮ কেজি ওজন কমেছে।
Ghar bogol jounir sides onk kalo forsha Korar Jonno Dr Der suggest kunu cream er nam bolen plzzzzzz
মাছ ভেজে নিয়ে তারপর তরকারি যোগ করে আবার রান্না করলে । এতে করে স্বাদ বাড়লেও খাবারটি তে কি ফ্যাটের পরিমাণ বেড়ে যায়?????
amr 2 ta question chilo apu...
rate ghumate jawar age dudh khawa ki healthy naki kono kharap effect porte pare??
R apu apnar sathe shorashori dekha na kore diet chart pawar kono options ache apu??
Accha apu 3 spun oats e ki poriman calories thake aktu bolben please!
Good job .

Clinical Dietician & Nutrition Consultant
Ibn Sina Diagnostic & Consultation centre, Badda
Medinova Medical, Malibag
Ex - Dietitian - BIHS General Hospital ( a sister concern of BIRDEM)

Operating as usual

30/07/2021

কিভাবে লাল মাংস স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খাবেন

How to eat meat in healthy way

26/07/2021

শিশুর ওজন - উম্মে সালমা তামান্না

25/07/2021
25/07/2021

পেশেন্ট রিভিউ

পেশেন্ট রিভিউ 🥰🥰

সুস্থ থাকতে প্রপার ডায়েট এবং এক্সারসাইজের বিকল্প নেই

21/07/2021

এই ঈদে কিভাবে সুস্থ থাকবেন

এই ঈদে কিভাবে সুস্থ থাকবেন। কিভাবে মাংস খেলে সুস্থ থাকা যায় সেই ব্যাপারেই বলার চেষ্টা করেছি

20/07/2021

সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা
ঈদ মোবারক 🥰🥰🥰

সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা
ঈদ মোবারক 🥰🥰🥰

19/07/2021

ঈদুল আযহাঃ কিভাবে ভালো রাখবেন আপনার স্বাস্থ্য?

17/07/2021

আমার ৮ মাসের জুনিয়র পেশেন্ট শাহজাদী ফারহানা।
ওর মাইলস্টোন ডেভেলপমেন্ট ঠিক মত হচ্ছে না প্লাস ওজন ও অনেক কম।আসলে ও প্রিম্যাচিউর চাইল্ড হিসেবে জন্মেছিল। ওর বিকাশে একটু সময় লাগছে।তবে আমি আশাবাদী শাহজাদী অন্য সব বাচ্চাদের মতো দ্রুত হাসিমুখে ঘুরে বেড়াবে আমাদের সামনে🙂🙂

আমার ৮ মাসের জুনিয়র পেশেন্ট শাহজাদী ফারহানা।
ওর মাইলস্টোন ডেভেলপমেন্ট ঠিক মত হচ্ছে না প্লাস ওজন ও অনেক কম।আসলে ও প্রিম্যাচিউর চাইল্ড হিসেবে জন্মেছিল। ওর বিকাশে একটু সময় লাগছে।তবে আমি আশাবাদী শাহজাদী অন্য সব বাচ্চাদের মতো দ্রুত হাসিমুখে ঘুরে বেড়াবে আমাদের সামনে🙂🙂

16/07/2021

চিকিৎসা বিষয়ক সরাসরি অনুষ্ঠান ’ভালো থাকুন’

যারা দেখতে পারেননি তাদের জন্য

[07/16/21]   বাংলাভিশনে লাইভে আসছি একটু পর ১০টা ১০ এ
সঙ্গেই থাকুন

Photos from Clinical Dietician -  Ummay Salma Tamanna's post 15/07/2021

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন পূর্বাপর এ ঈদ সংখ্যায় আমার লেখা প্রকাশিত 🥰🥰

04/07/2021

Clinical Dietician - Ummay Salma Tamanna

লকডাউনে যারা চেম্বারে আসতে পারছেন না বা চাচ্ছেন না, তারা অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সে পরামর্শ কিন্তু নিতেই পারেন😊😊

Clinical Dietician - Ummay Salma Tamanna Send a message to learn more.

30/06/2021

ওজন কমাতে চাইলে অবশ্যই কিছু নিয়ম মানতে হবে --
১. অতিরিক্ত তেল চর্বিযুক্ত (আনহেলথি ফ্যাট) খাবার খাওয়া যাবে না
২. তাজা শাক-সবজি, ফলমূল গ্রহন করতে হবে (৩ বেলা সবজি এবং ২ বার ফল)
৩. কম্পলেক্স কার্বস গ্রহন করতে হবে
৪. গ্রিন সালাদ ওজন কমাতে খুব সহায়ক। তাই দুপুর ও রাতের খাবারে সালাদ রাখুন। চাইলে বিকালের নাস্তা হিসেবেও সালাদ খেতে পারেন।
৫. পরিমিত দুধ, ডিম, বাদাম গ্রহন করুন যাতে ওজন কমানোর সময় পর্যাপ্ত পুষ্টি যেমন প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং হেলথি ফ্যাট পাওয়া যায় এবং শরীর দূর্বল হয়ে না পড়ে।
৬. ফাস্টফুড, রেড মিট, বিরিয়ানি, পোলাও, ভাজা পোড়া, অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত তরকারী খাওয়া যাবে না।
৭. সময়মতো খাবার গ্রহন করতে হবে।
৮. দৈনিক ৮ ঘন্টা ভালোমতো ঘুমাতে হবে।
৯. দ্রুত ওজন কমাতে গিয়ে কোনভাবেই বিএমআর এর চেয়ে কম ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহন করা যাবে না।
১০. এবং হ্যা, দৈনিক অবশ্যই ৪০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা ব্যায়াম করতে হবে।

উম্মে সালমা তামান্না
পুষ্টিবিদ
ইবনে সিনা কনসালটেশন সেন্টার, বাড্ডা
মেডিনোভা মেডিকেল, মালিবাগ

***করোনাকালীন এই সময়ে লকডাউনে, ঘরে বসেই অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সে পরামর্শ নিতে পারবেন ***
নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে কোন আপোষ নয়🙂🙂

ওজন কমাতে চাইলে অবশ্যই কিছু নিয়ম মানতে হবে --
১. অতিরিক্ত তেল চর্বিযুক্ত (আনহেলথি ফ্যাট) খাবার খাওয়া যাবে না
২. তাজা শাক-সবজি, ফলমূল গ্রহন করতে হবে (৩ বেলা সবজি এবং ২ বার ফল)
৩. কম্পলেক্স কার্বস গ্রহন করতে হবে
৪. গ্রিন সালাদ ওজন কমাতে খুব সহায়ক। তাই দুপুর ও রাতের খাবারে সালাদ রাখুন। চাইলে বিকালের নাস্তা হিসেবেও সালাদ খেতে পারেন।
৫. পরিমিত দুধ, ডিম, বাদাম গ্রহন করুন যাতে ওজন কমানোর সময় পর্যাপ্ত পুষ্টি যেমন প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং হেলথি ফ্যাট পাওয়া যায় এবং শরীর দূর্বল হয়ে না পড়ে।
৬. ফাস্টফুড, রেড মিট, বিরিয়ানি, পোলাও, ভাজা পোড়া, অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত তরকারী খাওয়া যাবে না।
৭. সময়মতো খাবার গ্রহন করতে হবে।
৮. দৈনিক ৮ ঘন্টা ভালোমতো ঘুমাতে হবে।
৯. দ্রুত ওজন কমাতে গিয়ে কোনভাবেই বিএমআর এর চেয়ে কম ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহন করা যাবে না।
১০. এবং হ্যা, দৈনিক অবশ্যই ৪০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা ব্যায়াম করতে হবে।

উম্মে সালমা তামান্না
পুষ্টিবিদ
ইবনে সিনা কনসালটেশন সেন্টার, বাড্ডা
মেডিনোভা মেডিকেল, মালিবাগ

***করোনাকালীন এই সময়ে লকডাউনে, ঘরে বসেই অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সে পরামর্শ নিতে পারবেন ***
নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে কোন আপোষ নয়🙂🙂

29/06/2021

🛑🛑রক্তস্বল্পতা দূরীকরনে মজাদার স্মুদি 👇

👉 যাদের রক্ত স্বল্পতা রয়েছে তারা দিনে একবার ১টা বিট + ১টা গাজর + ১টা আপেল/কমলা + ৭/৮ টা কালো আঙ্গুর + ৩/৪টা স্ট্রবেরি এবং সামান্য পুদিনা পাতা একসাথে ব্লেন্ড করে স্মুদি করে খেতে পারেন। এবং হ্যা, অবশ্যই ২ টেবিল চামচ লেবুর রস যোগ করতে ভুলবেন না।
এই স্মুদি শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরনে সাহায্য করবে।পাশাপাশি স্কিনের গ্লো তো বাড়াবেই🙂

উম্মে সালমা তামান্না
পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
ইবনে সিনা কনসালটেশন সেন্টার, বাড্ডা
মেডিনোভা মেডিকেল, মালিবাগ

#ClinicalDieticianUmmaySalmaTamanna

🛑🛑রক্তস্বল্পতা দূরীকরনে মজাদার স্মুদি 👇

👉 যাদের রক্ত স্বল্পতা রয়েছে তারা দিনে একবার ১টা বিট + ১টা গাজর + ১টা আপেল/কমলা + ৭/৮ টা কালো আঙ্গুর + ৩/৪টা স্ট্রবেরি এবং সামান্য পুদিনা পাতা একসাথে ব্লেন্ড করে স্মুদি করে খেতে পারেন। এবং হ্যা, অবশ্যই ২ টেবিল চামচ লেবুর রস যোগ করতে ভুলবেন না।
এই স্মুদি শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরনে সাহায্য করবে।পাশাপাশি স্কিনের গ্লো তো বাড়াবেই🙂

উম্মে সালমা তামান্না
পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
ইবনে সিনা কনসালটেশন সেন্টার, বাড্ডা
মেডিনোভা মেডিকেল, মালিবাগ

#ClinicalDieticianUmmaySalmaTamanna

[06/27/21]   আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া লক ডাউন নিয়ে সবার অভিব্যক্তি জানতে চাই...
আমি প্রচন্ড বিরক্ত😖😖😖

26/06/2021

🛑🛑আপনার বাচ্চা খেতে চায় না, কম খায় কেন জানেন??

👉আপনার নিজের অজান্তে ছোট্ট ভুলের কারনে বাচ্চা খাওয়া ছেড়ে দেয় নি তো??

আসলে অনেক ছোট ছোট ব্যাপার আছে যেগুলোকে নিয়ম বললে ভুল হবে না। বাচ্চাকে খাওয়ানোর সময় সেই নিয়মগুলো অনুসরন না করলে বাচ্চা পরবর্তীতে খেতে অনীহা প্রকাশ করে।

🛑🛑বাচ্চার খেতে না চাওয়ার কারন🛑🛑

আসলে খাওয়ার ব্যাপারে যত অনিয়মই শিশুর না খেতে চাওয়ার অন্যতম কারণ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের অনিয়ম অভিভাবকরা করেন না জেনে। কিছু ক্ষেত্রে বাচ্চার আবদার মেটাতে গিয়েও কিছু বিপত্তি ঘটে। বাইরের লোভনীয় খাবারে শিশুকে অভ্যস্ত করে তুলেও কেউ কেউ শিশুর স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নষ্ট করেন।

🛑অভিভাবকদের ভুল গুলো কি?👇👇

👉খাওয়ার মাঝে শিশুকে বিস্কুট, ফল, লজেন্স, আইসক্রিম ইত্যাদি খেতে দেন।
- এতে শিশুর ক্ষিধে নষ্ট হয়ে যায়।

👉অনেকে আবার সময় ধরে খাওয়ান,লক্ষ করেন না শিশুর পেটে ক্ষুধা আছে কি নেই।
-- ক্ষিধে না থাকলে শিশু খেতে চাইবে না এটাই স্বাভাবিক।জোর করে খাওয়ালে পরবর্তীতে খাবার দেখলে ভয় পাবে, খাওয়ার প্রতি অনীহা বাড়বে।

👉অনেকে শিশুর কান্না শুনলেই মনে করেন, তার বুঝি ক্ষুধা পেয়েছে।
-অথচ শিশু কাঁদতে পারে অন্য অনেক কারণেই।

👉কেউ কেউ তার শিশু একবেলা ঠিকমতো খায়নি বলেই অস্থির হয়ে যান। আবার সকাল ৭টায় পেট ভরে খায়নি বলে সকাল ৮টায় আবার খাওয়ানোর জন্য পীড়াপীড়ি করেন। শিশুকে এতো ঘন ঘন খাওয়ানোর জোর করলে শিশু তো খাবেই না অতিষ্ঠ হয়ে।
- শিশুর ক্ষিধে লাগলে, খেতে চাইলে তবেই খাবার দিন।মোট কথা, শিশুকে ক্ষিধে লাগতে দিন।

👉অনেকেই ভাবেন শিশুদের খাবার রুটিনের প্রয়োজন নেই বা রুটিন করে খাওয়ানো বোকামী।আসলে এটা ভুল ধারনা।আপনি আজ দুপুর ২ টায় রান্না শেষ করে শিশুকে খাওয়ালেন। নাস্তা দিলেন ৬টায় বাচ্চা মজা করে খেলো।কিন্তু কাল আবার ৪টায় দুপুরের খাবার দিলেন।এরপর ৬টায় বিকালের নাস্তা দিলেই কি ও খাবে? ওর তো খাবার হজম হতে সময় লাগবে নাকি।
- প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে খেতে দিলে, শিশুকে তার খাবার সঠিকভাবে হজম হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। এরপর খেতে দিলে শিশু নিশ্চয়ই খাবে।

👉শিশু খেতে চাইছে না বা খাচ্ছে না—এ অজুহাতে শিশুকে ঘণ্টায় ঘণ্টায় খাবার দেবেন না।
- শিশু একেবারেই খেতে না চাইলে প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। যখন-তখন খাবার দিয়ে তার খিদে নষ্ট করবেন না।

👉 অনেকেই ভাবেন শিশু খাবারের যথাযথ স্বাদ অনুভব করতে পারবে না। মজাদার না হলেও তাকে খাবার দিলেই সে খাবে এটা ভাবাটা বোকামী। খেতে পারছে না বলে ওই খাবারের প্রতি তার এক ধরনের বিরক্তি তৈরি হবে। পরবর্তীতে ঐ খাবার আর খেতে চাইবে না।
- শিশুদের খাবার অবশ্যই মজাদার সুস্বাদু হতে হবে।

👉 শিশুকে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়। বাচ্চাদের একবার জোর করে খাওয়ালে পরে যখনই তাকে খাওয়াতে চাইবেন, তখনই সে ভয় পাবে। খাবারের প্রতি তার আগ্রহ কমে যাবে।
- বরঞ্চ নতুন নতুন মজাদার সুস্বাদু আর দেখতে আকর্ষনীয় খাবারের মাধ্যমে শিশুর খাবারের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে হবে।

👉 অনেকেই বাচ্চাকে গটবাধা একধরনের খাবার (যেমন খিচুড়ি) খেতে দেন।
- বাচ্চাদের প্রতিদিন এক ধরনের খাবার না দিয়ে খাবারে ভিন্নতা আনুন। তার পছন্দমতো খাবার স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরি করে খেতে দিন।

এইরকম আরো অনেক নতুন নতুন বিষয় জানতে, আপনার সন্তানকে নিয়ে সকল সমস্যা শেয়ার করতে পারেন হাজারো মায়ের সঙ্গে।শেয়ার করে জানতে ও জানাতে পারেন আপনার অভিজ্ঞতা। এজন্য আমাদের পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।এবং অবশ্যই জয়েন করুন আমাদের গ্রুপে।আমাদের গ্রুপে রয়েছেন অভিজ্ঞ শিশু বিশেষজ্ঞ Johoraf Muna এবং একজন পুষ্টি বিশেষজ্ঞ Clinical Dietician - Ummay Salma Tamanna ।যারা আপনার শিশুর যে কোন সমস্যায় আপনাদের পাশেই থাকবেন। যাদের পরামর্শ নিতে পারবেন এই করোনাকালীন সময়ে একদম ফ্রিতে।

Page link - https://www.facebook.com/motherstweet/

Group link -
https://www.facebook.com/groups/188280229788325/?ref=share

❤️❤️হ্যাপি প্যারেন্টিং ❤️❤️

🛑🛑আপনার বাচ্চা খেতে চায় না, কম খায় কেন জানেন??

👉আপনার নিজের অজান্তে ছোট্ট ভুলের কারনে বাচ্চা খাওয়া ছেড়ে দেয় নি তো??

আসলে অনেক ছোট ছোট ব্যাপার আছে যেগুলোকে নিয়ম বললে ভুল হবে না। বাচ্চাকে খাওয়ানোর সময় সেই নিয়মগুলো অনুসরন না করলে বাচ্চা পরবর্তীতে খেতে অনীহা প্রকাশ করে।

🛑🛑বাচ্চার খেতে না চাওয়ার কারন🛑🛑

আসলে খাওয়ার ব্যাপারে যত অনিয়মই শিশুর না খেতে চাওয়ার অন্যতম কারণ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের অনিয়ম অভিভাবকরা করেন না জেনে। কিছু ক্ষেত্রে বাচ্চার আবদার মেটাতে গিয়েও কিছু বিপত্তি ঘটে। বাইরের লোভনীয় খাবারে শিশুকে অভ্যস্ত করে তুলেও কেউ কেউ শিশুর স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নষ্ট করেন।

🛑অভিভাবকদের ভুল গুলো কি?👇👇

👉খাওয়ার মাঝে শিশুকে বিস্কুট, ফল, লজেন্স, আইসক্রিম ইত্যাদি খেতে দেন।
- এতে শিশুর ক্ষিধে নষ্ট হয়ে যায়।

👉অনেকে আবার সময় ধরে খাওয়ান,লক্ষ করেন না শিশুর পেটে ক্ষুধা আছে কি নেই।
-- ক্ষিধে না থাকলে শিশু খেতে চাইবে না এটাই স্বাভাবিক।জোর করে খাওয়ালে পরবর্তীতে খাবার দেখলে ভয় পাবে, খাওয়ার প্রতি অনীহা বাড়বে।

👉অনেকে শিশুর কান্না শুনলেই মনে করেন, তার বুঝি ক্ষুধা পেয়েছে।
-অথচ শিশু কাঁদতে পারে অন্য অনেক কারণেই।

👉কেউ কেউ তার শিশু একবেলা ঠিকমতো খায়নি বলেই অস্থির হয়ে যান। আবার সকাল ৭টায় পেট ভরে খায়নি বলে সকাল ৮টায় আবার খাওয়ানোর জন্য পীড়াপীড়ি করেন। শিশুকে এতো ঘন ঘন খাওয়ানোর জোর করলে শিশু তো খাবেই না অতিষ্ঠ হয়ে।
- শিশুর ক্ষিধে লাগলে, খেতে চাইলে তবেই খাবার দিন।মোট কথা, শিশুকে ক্ষিধে লাগতে দিন।

👉অনেকেই ভাবেন শিশুদের খাবার রুটিনের প্রয়োজন নেই বা রুটিন করে খাওয়ানো বোকামী।আসলে এটা ভুল ধারনা।আপনি আজ দুপুর ২ টায় রান্না শেষ করে শিশুকে খাওয়ালেন। নাস্তা দিলেন ৬টায় বাচ্চা মজা করে খেলো।কিন্তু কাল আবার ৪টায় দুপুরের খাবার দিলেন।এরপর ৬টায় বিকালের নাস্তা দিলেই কি ও খাবে? ওর তো খাবার হজম হতে সময় লাগবে নাকি।
- প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে খেতে দিলে, শিশুকে তার খাবার সঠিকভাবে হজম হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। এরপর খেতে দিলে শিশু নিশ্চয়ই খাবে।

👉শিশু খেতে চাইছে না বা খাচ্ছে না—এ অজুহাতে শিশুকে ঘণ্টায় ঘণ্টায় খাবার দেবেন না।
- শিশু একেবারেই খেতে না চাইলে প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। যখন-তখন খাবার দিয়ে তার খিদে নষ্ট করবেন না।

👉 অনেকেই ভাবেন শিশু খাবারের যথাযথ স্বাদ অনুভব করতে পারবে না। মজাদার না হলেও তাকে খাবার দিলেই সে খাবে এটা ভাবাটা বোকামী। খেতে পারছে না বলে ওই খাবারের প্রতি তার এক ধরনের বিরক্তি তৈরি হবে। পরবর্তীতে ঐ খাবার আর খেতে চাইবে না।
- শিশুদের খাবার অবশ্যই মজাদার সুস্বাদু হতে হবে।

👉 শিশুকে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়। বাচ্চাদের একবার জোর করে খাওয়ালে পরে যখনই তাকে খাওয়াতে চাইবেন, তখনই সে ভয় পাবে। খাবারের প্রতি তার আগ্রহ কমে যাবে।
- বরঞ্চ নতুন নতুন মজাদার সুস্বাদু আর দেখতে আকর্ষনীয় খাবারের মাধ্যমে শিশুর খাবারের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে হবে।

👉 অনেকেই বাচ্চাকে গটবাধা একধরনের খাবার (যেমন খিচুড়ি) খেতে দেন।
- বাচ্চাদের প্রতিদিন এক ধরনের খাবার না দিয়ে খাবারে ভিন্নতা আনুন। তার পছন্দমতো খাবার স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরি করে খেতে দিন।

এইরকম আরো অনেক নতুন নতুন বিষয় জানতে, আপনার সন্তানকে নিয়ে সকল সমস্যা শেয়ার করতে পারেন হাজারো মায়ের সঙ্গে।শেয়ার করে জানতে ও জানাতে পারেন আপনার অভিজ্ঞতা। এজন্য আমাদের পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।এবং অবশ্যই জয়েন করুন আমাদের গ্রুপে।আমাদের গ্রুপে রয়েছেন অভিজ্ঞ শিশু বিশেষজ্ঞ Johoraf Muna এবং একজন পুষ্টি বিশেষজ্ঞ Clinical Dietician - Ummay Salma Tamanna ।যারা আপনার শিশুর যে কোন সমস্যায় আপনাদের পাশেই থাকবেন। যাদের পরামর্শ নিতে পারবেন এই করোনাকালীন সময়ে একদম ফ্রিতে।

Page link - https://www.facebook.com/motherstweet/

Group link -
https://www.facebook.com/groups/188280229788325/?ref=share

❤️❤️হ্যাপি প্যারেন্টিং ❤️❤️

23/06/2021

🛑🛑 শিশুর পানিশূন্যতা 🛑🛑

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের তুলনায় অনেক কম। এ জন্য একটু অসাবধনতার কারণে শিশুদের অসুখ করে। তাই ছোট শিশুদের বেশি যত্নের প্রযোজন।

শিশুর খাবার খাওয়া থেকে শুরু করে তার ওজন, সুস্থতার প্রতি নজর রাখতে হবে।

🛑আসুন জেনে নিই যেসব লক্ষণে বুঝবেন শিশুর পানিশূন্যতা-

১. শুষ্ক ত্বক ও মুখ
পানিশূন্যতার একটি বড় লক্ষণ হলো মুখ ও ত্বকের শুষ্কতা। পানিশূন্যতা হলে ত্বক মলিন হয়ে যায়। এ ছাড়া পানিশূন্যতা হলে হাত-পা গরম অথবা ঠাণ্ডা হয়ে যেতে পারে। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা করবেন না। এমন হলে শিশুকে দুধ খাওয়ান বা আর ছয় মাসের ওপরে বয়স হলে তরল জাতীয় খাবার খেতে দিন।

২. কান্নার সময় চোখে পানি না থাকা
শিশু কান্নার সময় চোখ দিয়ে পানি বের হয়। পানি না বের হলে এর মানে হলো শরীরে পানি অভাব হচ্ছে এবং কান্নার জন্য পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না।

৩. বেশি ঘুমাচ্ছে
বড়দের মতো শিশুরাও পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে ক্লান্তবোধ করে। বেশি বেশি ঘুমাতে চায়। তাই শিশুর ঘুমানোর রুটির চেক করুন। যদি এর ব্যত্যয় ঘটে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে সচেতন হোন।

৪. বিরক্তি
শিশুর ক্ষুধা লাগলে বা পানিশূন্যতা বোধ করলে সে বিরক্তি প্রকাশ করবে। তাই শিশু খিটখিটে হয়ে গেলে বিষয়টি এড়িয়ে না গিয়ে কারণ খোঁজার চেষ্টা করুন। হতে পারে পানিশূন্যতার কারণে সে এমন আচরণ করছে।

৫. ঘুম
দিনের বেশিরভাগ সময়ই সে ঘুমিয়ে যায়। শিশুর মধ্যে এ রকম লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

🛑🛑কী করবেন?

পানিশূন্যতা রোধ করার জন্য খাবার স্যালাইন ও অন্যান্য তরল খাবার শিশুকে বারবার দিন। পানি, ভাতের মাড়, চিড়ার পানি, ডাবের পানি, টক দই, ঘোল, ফলের রস ও লবণ গুড়ের শরবত খেতে দিতে হবে।

শরীর থেকে যে পানি ও লবণ বের হয়ে যায় তা স্যালাইন পূরণ করে মাত্র, সঙ্গে অবশ্যই স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে।
শিশুর বয়স ছয় মাসের কম হলে তাকে বারবার মায়ের দুধ খেতে দিন।

🛑🛑 শিশুর পানিশূন্যতা 🛑🛑

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের তুলনায় অনেক কম। এ জন্য একটু অসাবধনতার কারণে শিশুদের অসুখ করে। তাই ছোট শিশুদের বেশি যত্নের প্রযোজন।

শিশুর খাবার খাওয়া থেকে শুরু করে তার ওজন, সুস্থতার প্রতি নজর রাখতে হবে।

🛑আসুন জেনে নিই যেসব লক্ষণে বুঝবেন শিশুর পানিশূন্যতা-

১. শুষ্ক ত্বক ও মুখ
পানিশূন্যতার একটি বড় লক্ষণ হলো মুখ ও ত্বকের শুষ্কতা। পানিশূন্যতা হলে ত্বক মলিন হয়ে যায়। এ ছাড়া পানিশূন্যতা হলে হাত-পা গরম অথবা ঠাণ্ডা হয়ে যেতে পারে। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা করবেন না। এমন হলে শিশুকে দুধ খাওয়ান বা আর ছয় মাসের ওপরে বয়স হলে তরল জাতীয় খাবার খেতে দিন।

২. কান্নার সময় চোখে পানি না থাকা
শিশু কান্নার সময় চোখ দিয়ে পানি বের হয়। পানি না বের হলে এর মানে হলো শরীরে পানি অভাব হচ্ছে এবং কান্নার জন্য পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না।

৩. বেশি ঘুমাচ্ছে
বড়দের মতো শিশুরাও পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে ক্লান্তবোধ করে। বেশি বেশি ঘুমাতে চায়। তাই শিশুর ঘুমানোর রুটির চেক করুন। যদি এর ব্যত্যয় ঘটে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে সচেতন হোন।

৪. বিরক্তি
শিশুর ক্ষুধা লাগলে বা পানিশূন্যতা বোধ করলে সে বিরক্তি প্রকাশ করবে। তাই শিশু খিটখিটে হয়ে গেলে বিষয়টি এড়িয়ে না গিয়ে কারণ খোঁজার চেষ্টা করুন। হতে পারে পানিশূন্যতার কারণে সে এমন আচরণ করছে।

৫. ঘুম
দিনের বেশিরভাগ সময়ই সে ঘুমিয়ে যায়। শিশুর মধ্যে এ রকম লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

🛑🛑কী করবেন?

পানিশূন্যতা রোধ করার জন্য খাবার স্যালাইন ও অন্যান্য তরল খাবার শিশুকে বারবার দিন। পানি, ভাতের মাড়, চিড়ার পানি, ডাবের পানি, টক দই, ঘোল, ফলের রস ও লবণ গুড়ের শরবত খেতে দিতে হবে।

শরীর থেকে যে পানি ও লবণ বের হয়ে যায় তা স্যালাইন পূরণ করে মাত্র, সঙ্গে অবশ্যই স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে।
শিশুর বয়স ছয় মাসের কম হলে তাকে বারবার মায়ের দুধ খেতে দিন।

19/06/2021

আজকে দৈনিক প্রথম আলোতে আমার লেখা আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে

আজকে দৈনিক প্রথম আলোতে আমার লেখা আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে

18/06/2021

Pre-pregnancy Diet

Pre pregnancy Diet

17/06/2021

[06/17/21]   একটু পরে লাইভে আসতে চাচ্ছি।অপুষ্ট ও কম ওজনের শিশুর ডায়েট প্ল্যান নিয়ে।অনেকেই এই বিষয়ে লাইভে আসতে আমাকে রিকোয়েস্ট করে ইনবক্স করেছেন, কমেন্ট করেছেন।
তাদের জন্য আজকের এই লাইভ। সঙ্গেই থাকুন। এবং লাইভটি শেয়ার করলে অন্যরা উপকৃত হবে।
ধন্যবাদ

17/06/2021

আগামীকাল থাকছি লাইভে 😁😁
গর্ভ-পূর্ববর্তী খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে জানতে চোখ রাখুন Nutrition bee এর ফেইসবুক পেইজে ঠিক রাত ৮ঃ৩০ মিনিটে।
Link
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1977037485789331&id=1088096298016792

আগামীকাল থাকছি লাইভে 😁😁
গর্ভ-পূর্ববর্তী খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে জানতে চোখ রাখুন Nutrition bee এর ফেইসবুক পেইজে ঠিক রাত ৮ঃ৩০ মিনিটে।
Link
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1977037485789331&id=1088096298016792

14/06/2021

আগামীকাল লাইভে আসতে চাচ্ছি রাত ৯ টায়।আসলে কি বিষয়ে আলোচনা করবো🙂🙂
কমেন্ট প্লিজ

আগামীকাল লাইভে আসতে চাচ্ছি রাত ৯ টায়।আসলে কি বিষয়ে আলোচনা করবো🙂🙂
কমেন্ট প্লিজ

13/06/2021

🛑🛑পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশন🛑🛑

সন্তান জন্ম দেওয়ার পর প্রথম কয়েক মাস অনেক মা-ই দুঃখ ও হতাশায় ভোগেন। এমনকি বাচ্চার প্রতিও তাঁদের কোনো উৎসাহ থাকে না। পোস্ট-পার্টাম মানে হচ্ছে বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পরবর্তী সময়। এই সময়ে একজন নারীর ডিপ্রেশনের উপসর্গ দেখা দিলে তাকে বলা হয় পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশন। সাধারণত ১৫ শতাংশ মা এই রোগে ভুগে থাকেন। সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রথম দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে যেকোনো সময় এ রোগ শুরু হতে পারে। মা দুঃখ ও হতাশায় ভোগেন। কখনো কখনো নিজেকে দোষী ভাবতে থাকেন। কোনো কিছুতে মনোযোগ দিতে পারেন না এবং কোনো কিছুতে উৎসাহ পান না। এমনকি বাচ্চার প্রতিও কোনো উৎসাহ থাকে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাচ্চার যত্ন-আত্তির ব্যাপারে চিন্তা করতে করতে চরম আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন, যা একসময় অবশেসনের পর্যায়ে চলে যায়।

👉👉কাদের বেশি হয়👇

১. পূর্বে যদি ডিপ্রেশনে ভোগার ইতিহাস থাকে, বিশেষ করে সন্তান জন্মদানের সময়

২. দাম্পত্য কলহ থাকলে
৩. পরিবার বা বন্ধুবান্ধব সহানুভূতিশীল না হলে

৪. সামপ্রতিক কোনো চাপে থাকলে

৫. বাচ্চার লালন-পালন কষ্টকর হলে

👉👉কেন হয়👇

সন্তান জন্মের এক সপ্তাহ পর সেক্স হরমোন এবং স্ট্রেস হরমোনের লেভেল ওঠানামা করে, যার ফলে মস্তিষ্কের যে অংশ আমাদের অনুভূতি ও সামাজিক যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে, সেই অংশে বেশ পরিবর্তন হয় এবং উপসর্গগুলো প্রকাশ পায়।

👉👉লক্ষণ👇

১. বিষণ্ন অনুভূতি ও অশ্রু সংবরণ করতে না পারা

২. বাচ্চার ভালোমন্দ ও দায়দায়িত্ব চিন্তা করে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়া

৩. হতাশ হয়ে যাওয়া এবং নিজেকে অসমর্থ ও দোষী ভাবা

৪. খিটখিটে মেজাজ

৫. সব কিছুতে আগ্রহ ও উৎসাহ হারিয়ে ফেলা, এমনকি নিজের মা হওয়ার ব্যাপারেও

৬. ক্ষুধামান্দ্য

৭. ঘুমের সমস্যা- দেরিতে ঘুম হওয়া আবার ঘুম থেকে উঠতে না পারা

৮. চরম ক্লান্তি

৯. ঘন ঘন মৃত্যুচিন্তা, কখনো কখনো আত্মহত্যার চিন্তা

১০. বাচ্চার যত্ন নিতে কষ্ট

এই উপসর্গগুলো সন্তান জন্মদানের দিন থেকে শুরু করে এমনকি তিন মাস পরও হতে পারে।

👉👉রোগ নির্ণয়👇

রোগ নির্ণয়ের জন্য এ রোগের ইতিহাসই যথেষ্ট। এ ছাড়া এ রোগ নির্ণয়ের জন্য এডিনবার্গ পোস্ট-ন্যাটাল ডিপ্রেশন স্কেল ব্যবহার করা হয়। তবে অন্যান্য রোগ থেকে আলাদা করার জন্য রুটিন ল্যাবরেটরি টেস্টগুলো করা জরুরি।

👉👉চিকিৎসা👇

এ রোগের চিকিৎসা একজন গাইনোকলজিস্টের তত্ত্বাবধানে ও সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শে সমন্বিতভাবে হওয়া উচিত। এভাবে সমন্বিত চিকিৎসা নিলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রোগী ভালো হয়ে যাবেন।
চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে 👇

১. অ্যান্টি-ডিপ্রেশেন্ট ওষুধ : এসএসআরআই যেমন- ফ্লুক্সিটেন এবং এসএনআরআই যেমন- ভেনলাফেক্সিন ইত্যাদি দেওয়া হয় বিষণ্নতা দূর করার জন্য।

২. কগনেটিভ বিহ্যাভিউরাল থেরাপি- নিজেকে দোষী ভাবার প্রবণতা ঠিক করার জন্য।

৩. সাইকোডায়নামিক, ইনসাইট ওরিয়েন্টেড এবং ইন্টার-পারসোনাল সাইকোথেরাপি- এটা রোগীকে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কগুলোর মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব দূর করতে এবং পূর্বের এমন কোনো ঘটনা উন্মোচন করতে ও বুঝতে সাহায্য করবে, যা তাঁর উপসর্গগুলোর জন্য দায়ী।

৪. কাপল থেরাপি- এটা মা-বাবাকে সাহায্য করবে নিজেদের অসম্মতির জায়গাগুলো বুঝতে এবং বাচ্চার যত্ন ও দায়দায়িত্ব কত ভালোভাবে পালন করা যায়, সে বিষয়ে একটা ঐকমত্যে পৌঁছতে।

৫. ব্রেস্ট ফিডিং- মা ও সন্তানের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করবে।

👉👉প্রতিরোধ👇

গর্ভবতী মায়েরা পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশনের ঝুঁকি কমাতে পারেন ভবিষ্যৎ মাতৃত্ব জীবনে যে পরিবর্তনগুলো নিয়ে আসবে তার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে। অন্য মায়েদের সঙ্গে কথা বলতে হবে এবং ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে একটা শিশুর বাস্তবিক দৈনন্দিন প্রয়োজন ও যত্ন সম্পর্কে জানতে। সদ্যোজাত সন্তানকে প্রচুর সময় দেওয়ার ব্যাপারকে কখনোই অবহেলা করা যাবে না। জীবনসঙ্গী এবং অন্য যাঁরা সহানুভূতিশীল আত্মীয়স্বজন আছেন, তাঁদের কাছ থেকে সাহায্য নেওয়ার ব্যাপারেও কোনো সংকোচ করা যাবে না।

🛑সূত্রঃ কালের কন্ঠ

🛑🛑পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশন🛑🛑

সন্তান জন্ম দেওয়ার পর প্রথম কয়েক মাস অনেক মা-ই দুঃখ ও হতাশায় ভোগেন। এমনকি বাচ্চার প্রতিও তাঁদের কোনো উৎসাহ থাকে না। পোস্ট-পার্টাম মানে হচ্ছে বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পরবর্তী সময়। এই সময়ে একজন নারীর ডিপ্রেশনের উপসর্গ দেখা দিলে তাকে বলা হয় পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশন। সাধারণত ১৫ শতাংশ মা এই রোগে ভুগে থাকেন। সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রথম দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে যেকোনো সময় এ রোগ শুরু হতে পারে। মা দুঃখ ও হতাশায় ভোগেন। কখনো কখনো নিজেকে দোষী ভাবতে থাকেন। কোনো কিছুতে মনোযোগ দিতে পারেন না এবং কোনো কিছুতে উৎসাহ পান না। এমনকি বাচ্চার প্রতিও কোনো উৎসাহ থাকে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাচ্চার যত্ন-আত্তির ব্যাপারে চিন্তা করতে করতে চরম আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন, যা একসময় অবশেসনের পর্যায়ে চলে যায়।

👉👉কাদের বেশি হয়👇

১. পূর্বে যদি ডিপ্রেশনে ভোগার ইতিহাস থাকে, বিশেষ করে সন্তান জন্মদানের সময়

২. দাম্পত্য কলহ থাকলে
৩. পরিবার বা বন্ধুবান্ধব সহানুভূতিশীল না হলে

৪. সামপ্রতিক কোনো চাপে থাকলে

৫. বাচ্চার লালন-পালন কষ্টকর হলে

👉👉কেন হয়👇

সন্তান জন্মের এক সপ্তাহ পর সেক্স হরমোন এবং স্ট্রেস হরমোনের লেভেল ওঠানামা করে, যার ফলে মস্তিষ্কের যে অংশ আমাদের অনুভূতি ও সামাজিক যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে, সেই অংশে বেশ পরিবর্তন হয় এবং উপসর্গগুলো প্রকাশ পায়।

👉👉লক্ষণ👇

১. বিষণ্ন অনুভূতি ও অশ্রু সংবরণ করতে না পারা

২. বাচ্চার ভালোমন্দ ও দায়দায়িত্ব চিন্তা করে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়া

৩. হতাশ হয়ে যাওয়া এবং নিজেকে অসমর্থ ও দোষী ভাবা

৪. খিটখিটে মেজাজ

৫. সব কিছুতে আগ্রহ ও উৎসাহ হারিয়ে ফেলা, এমনকি নিজের মা হওয়ার ব্যাপারেও

৬. ক্ষুধামান্দ্য

৭. ঘুমের সমস্যা- দেরিতে ঘুম হওয়া আবার ঘুম থেকে উঠতে না পারা

৮. চরম ক্লান্তি

৯. ঘন ঘন মৃত্যুচিন্তা, কখনো কখনো আত্মহত্যার চিন্তা

১০. বাচ্চার যত্ন নিতে কষ্ট

এই উপসর্গগুলো সন্তান জন্মদানের দিন থেকে শুরু করে এমনকি তিন মাস পরও হতে পারে।

👉👉রোগ নির্ণয়👇

রোগ নির্ণয়ের জন্য এ রোগের ইতিহাসই যথেষ্ট। এ ছাড়া এ রোগ নির্ণয়ের জন্য এডিনবার্গ পোস্ট-ন্যাটাল ডিপ্রেশন স্কেল ব্যবহার করা হয়। তবে অন্যান্য রোগ থেকে আলাদা করার জন্য রুটিন ল্যাবরেটরি টেস্টগুলো করা জরুরি।

👉👉চিকিৎসা👇

এ রোগের চিকিৎসা একজন গাইনোকলজিস্টের তত্ত্বাবধানে ও সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শে সমন্বিতভাবে হওয়া উচিত। এভাবে সমন্বিত চিকিৎসা নিলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রোগী ভালো হয়ে যাবেন।
চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে 👇

১. অ্যান্টি-ডিপ্রেশেন্ট ওষুধ : এসএসআরআই যেমন- ফ্লুক্সিটেন এবং এসএনআরআই যেমন- ভেনলাফেক্সিন ইত্যাদি দেওয়া হয় বিষণ্নতা দূর করার জন্য।

২. কগনেটিভ বিহ্যাভিউরাল থেরাপি- নিজেকে দোষী ভাবার প্রবণতা ঠিক করার জন্য।

৩. সাইকোডায়নামিক, ইনসাইট ওরিয়েন্টেড এবং ইন্টার-পারসোনাল সাইকোথেরাপি- এটা রোগীকে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কগুলোর মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব দূর করতে এবং পূর্বের এমন কোনো ঘটনা উন্মোচন করতে ও বুঝতে সাহায্য করবে, যা তাঁর উপসর্গগুলোর জন্য দায়ী।

৪. কাপল থেরাপি- এটা মা-বাবাকে সাহায্য করবে নিজেদের অসম্মতির জায়গাগুলো বুঝতে এবং বাচ্চার যত্ন ও দায়দায়িত্ব কত ভালোভাবে পালন করা যায়, সে বিষয়ে একটা ঐকমত্যে পৌঁছতে।

৫. ব্রেস্ট ফিডিং- মা ও সন্তানের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করবে।

👉👉প্রতিরোধ👇

গর্ভবতী মায়েরা পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশনের ঝুঁকি কমাতে পারেন ভবিষ্যৎ মাতৃত্ব জীবনে যে পরিবর্তনগুলো নিয়ে আসবে তার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে। অন্য মায়েদের সঙ্গে কথা বলতে হবে এবং ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে একটা শিশুর বাস্তবিক দৈনন্দিন প্রয়োজন ও যত্ন সম্পর্কে জানতে। সদ্যোজাত সন্তানকে প্রচুর সময় দেওয়ার ব্যাপারকে কখনোই অবহেলা করা যাবে না। জীবনসঙ্গী এবং অন্য যাঁরা সহানুভূতিশীল আত্মীয়স্বজন আছেন, তাঁদের কাছ থেকে সাহায্য নেওয়ার ব্যাপারেও কোনো সংকোচ করা যাবে না।

🛑সূত্রঃ কালের কন্ঠ

সুস্বাস্থ্যই আপনার সুখের উৎস।সুস্থ থাকতে আপনার প্রয়োজন মহান আল্লাহর ইচ্ছা, রহমত এবং সঠিক পুষ্টিসম্মত খাবার, এক্সপার্টের পরামর্শ

আমি পুষ্টিবিদ উম্মে সালমা তামান্না।আমি নিয়মিত চেম্বার করছি ইবনে সিনা ডায়াগনষ্টিক আ্যন্ড কনসালটেশন সেন্টার, বাড্ডা শাখায় । ইবনে সিনাতে আপনারা আমাকে পাবেন প্রতি রবি মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।

ইবনে সিনাতে আ্যপয়েন্টমেন্ট পেতে ফোন করুন : ০২৮৮৩৫৫৫৬-৭ ০১৮৩২৮২০৯৫০, ০১৮৪৪০২২২২৮

এছাড়াও আমি মেডিনোভা মেডিকেল, মালিবাগ শাখায় শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টা থেকে ৭টা পর্যন্ত চেম্বার করছি।

মেডিনোভায় আ্যপয়েন্টমেন্ট পেতে ফোন করুন : ০১৭৯০১১৮৮৫৫, ০১৭৯০১১৮৮৬৬, ০১৯৭০৯৯০০১০০

Videos (show all)

কিভাবে লাল মাংস স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খাবেন
পেশেন্ট রিভিউ
এই ঈদে কিভাবে সুস্থ থাকবেন
শিশুর ডায়রিয়া হলে কি খাওয়াবেন??
বাচ্চাদের আম কখন থেকে দিবেন, কতটুকু দিবেন, কেন দিবেন??!!
Success story  Review from a patient - Rabeya Akter
ফ্যাটি লিভার রোগীদের খাবার তালিকা || পুষ্টিবিদ উম্মে সালমা তামান্না
খাবার তালিকা ঠিক করুন, কমে যাবে ইউরিক এসিড ।। পুষ্টিবিদ উম্মে সালমা তামান্না

Category

Telephone