Cygomax
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Cygomax, Business Center, Kathaltala, Mostofapur, Madaripur, Dhaka.
"If you are ever overjoyed or ever overburdened, don't tell anyone. Because the words to be happy attract attention. On the other hand, being in trouble adds salt to the words"
জরুরি লাগবে
পাঁচজন ইলেকট্রিশিয়ান
কাজের সাইট ফার্মগেট
ডিউটি নয় ঘন্টা
বেতন ২৪ হাজার থেকে শুরু
চাইনিজ কোম্পানি TBEA
থাকার জায়গা চাইনিজ দিবে
যোগাযোগ : 01307242477
01862652645
01855659162
20/12/2018
আজ অনুমান সন্ধা ৬ঃ০০ টায় ঢাকা-খুলনা মহাসরকে গোপালগঞ্জের হোরিদেশপুর এর কাছে নিমতলায় গোল্ডেন লাইন পরিবহনের সাথে মাহেন্দ্র অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনা স্থলে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে যার মধ্যে ৩জন শিশু ও ৮জন পূর্ন বয়স্ক।
----@----
N@Z
14/10/2018
♣তামাশার শেষ কোথায়????
লাখো বেকারের স্বপ্নগুলো এভাবেই প্রতিনিয়ত ঠাই পাচ্ছে ডাস্টবিনে! শোভা পাচ্ছে কোনো বাদাম বা ঝালমুড়ি ওয়ালার ঝুলিতে!! সেই বাদাম ঝালমুড়ি বিক্রেতা হয়তো জানেও না কতজনের রঙিন স্বপ্ন, অাশা, অাকাঙ্ক্ষা ওই কাগজের ভেতর লুকিয়ে ছিল!! এভাবেই দিনের পর দিন তামাশা করা হচ্ছে বেকার নামক জড়বস্তুগুলোর সাথে..... :'( :'(
জাতীর বিবেকের কাছে প্রশ্ন?
13/10/2018
Danube: The River of Kings
-------------------------------
এক নদী, দশ দেশ। দানিয়ুব হচ্ছে বিশ্বের একমাত্র নদী যা দশ দশটা দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত। দেশগুলো হলোঃ জার্মানি, অস্ট্রিয়া, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া, রুমানিয়া, বুলগেরিয়া, মলদোভা ও ইউক্রেন। বিশ্বে আর কোন নদী নেই যা এতগুলো দেশের সীমানা ছুঁয়েছে।
শুধু তাই নয়, দানিয়ুব নদীর তীরে চারটা জাতীয় রাজধানী (National Capital) অবস্থিত। রাজধানীগুলো ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া), ব্রাটিস্লাভা (স্লোভাকিয়া), বুদাপেস্ট (হাঙ্গেরি) ও বেলগ্রেড (সার্বিয়া)। পৃথিবীতে আর কোন নদীর তীরে এতগুলো রাজধানী থাকার নজির নেই।
দানিয়ুব একটা আন্তর্জাতিক নদী যার উৎপত্তি জার্মানির ব্লাক ফরেস্ট (Black Forest) হতে এবং শেষ কৃষ্ণ সাগরে (Black Sea)। এটা ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। অতীতে রোমান সম্রাটসহ ইউরোপিয়ান শাসকদের চলাচলের জন্য পছন্দের রুট ছিল এই দানিয়ুব নদী, যা বহুকাল ধরে The River of Kings নামে পরিচিত।
Copyright: N@zRuL
Just summing up what I have written:
Danube is the world's only river which passes through or touches the border of ten countries namely Germany, Austria, Slovakia, Hungary, Croatia, Serbia, Romania, Bulgaria, Moldova and Ukraine. No other river encounters so many countries.
Also, the Danube flows through four national capitals namely Vienna (Austria), Bratislava (Slovakia), Budapest (Hungary) and Belgrade (Serbia), more than any other river in the world.
The Danube is an international river which originates in the Black Forest of Germany and empties into the Black Sea. It is the second longest river in Europe. A preferred route of travel by European rulers since ancient times, the Danube has long been called 'the river of kings'.
Copyright: N@zRuL
অভিনন্দন বাংলাদেশ
অভিনন্দন মানবতার মা ধন্য পিতার ধন্য কন্যা জননেত্রী জনাব শেখ হাসিনা।
১৭৮ ভোট পেয়ে ২০১৯-২১ সালের জন্য জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ ৷
12/10/2018
টেলিফোন তুলে সবাই বলে ‘Hello’, কিন্তু কেন! কেউ কি জানেন এই ‘হ্যালো’ বলার প্রকৃত মানে কি? কোথা থেকে এই ‘হ্যালো’ বলা শুরু!
‘হ্যালো’ একটা মেয়ের নাম। পুরো নাম মার্গারেট হ্যালো ( Margaret Hello)। তিনি বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেল এর গার্ল ফ্রেন্ড। গ্রাহাম বেল হলেন টেলিফোনের আবিস্কারক। আবিস্কারের পর তিনি প্রথম যে কথাটি বলেন তা হচ্ছে
– ‘হ্যালো’।
সেই থেকেই ‘হ্যালো’ বলে ফোন কলের প্রচলন শুরু। মানুষ গ্রাহাম বেলকে ভুলে যেতে পারে, কিন্ত তার ভালোবাসার মানুষটিকে নয়। আজও মানুষ ফোনে প্রথম কথায় আবিষ্কারকের প্রথম কথাটি বলে নিজের অজান্তেই তাকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে আসছেন।
(সংগ্রহিত)
N@zRuL
11/10/2018
একজন যুবতী মেয়ে, বারবার বাথরুমে যাচ্ছে! 'গৃহকর্ত্রী একজন সৌদিয়ান মহিলা । ক্যান্সার রোগী। উনি তার সেবাশুশ্রূষার জন্য এই মেয়েকে এনেছেন ইন্দোনেশিয়া থেকে। কিন্তু গৃহকর্মী মেয়েটা বাথরুমে গিয়ে অনেকক্ষণ সময় নেয়। বিধ্বস্ত চেহারা। চোখমুখ মলিন উষ্কখুষ্ক, কান্না ভেজা থাকে।
'গৃহকর্ত্রী এই বিষয় বারবার লক্ষ করে।
অবশেষে ওই মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার এমন অবস্থা কেন..?
'মেয়েটি বলল, 'মেডাম আমার একটা দুধের শিশু দেশে রেখে এসেছি। এইজন্য আমার দুধ জমে গিয়ে সমস্যার সৃষ্টি করে, তাই জমাট দুধ আউট করে ফেলে দিতে হয়। গৃহকর্ত্রী বললেন, তুমি এমন দুধের শিশু রেখে বিদেশে কেনো আসলে? ' মেয়ে বলল, মেডাম অনেকদিন ধরে বিদেশে আসার চেষ্টা করছি, কিন্তু হচ্ছিল না। তারপর বাচ্চাটা জন্ম নেয়ার পর হঠাৎ করে এই ভিসা চলে গেলো। চরম অভাব অনটনের সংসার। পরিবারের কথা ভেবে বাচ্চা রেখে চলে আসতে বাধ্য হলাম। ' কাজের মেয়ের কথা শুনে গৃহকর্ত্রীর মর্মাহত, গভীর চিন্তায় পড়ে গেলেন।
তারপর কাজের মেয়েকে কিছু না বলে, দুইবছরের হিসেব ধরে, টিকেট করে গৃহকর্মীকে বললেন, তুমি দেশে চলে যাও "এই তোমার দুবছরের পুরো বেতন, এবং টিকেট। বাচ্চার দু'বছর পূর্ণ হলে আবার চলে এসো। মেয়েটি দেশে চলে গেলো ।
গৃহকর্ত্রী কিছুদিন পর নিয়মিত চিকিৎসা নিতে আবার হসপিটাল আসলেন। ডাক্তার যথারীতি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আশ্চর্য হল! বললেন, 'শেখা' আপনার ক্যান্সার তো সম্পূর্ণরূপে নির্মূল হয়ে গেছে। এই কথা শুনে মহিলা ও বাকরুদ্ধ, বিশ্বাস করতে পারেনি। কারণ অনেকদিন ধরে চিকিৎসা চললেও কোনো উন্নতি তো দূরে থাক! অবনতি হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে এমন কী হল, উনার ক্যান্সার সম্পূর্ণ আরোগ্যলাভ করল?
মহিলা নিশ্চিত ধরে নিয়েছেন, 'ওই কাজের মেয়েকে, সম্পূর্ণ বেতন দিয়ে দুধের বাচ্চাটার কাছে পাঠিয়ে দেওয়াতে, আল্লাহতালা এই প্রতিদান দিয়েছেন।
দান ছদকা করার কারণে বালা মুসিবত দূর হয়।
জলজ্যান্ত প্রমাণ....
#সংরক্ষিত....
আমি October - 😍😍
:এরা খুব স্টাইলিশ হয়😎😎
-
:এরা খুব ঘাড়ত্যারা👿👿
-
: সমাজে চলার মতো. (সামাজিক জীব)😉😉
-
:খুব ভাল মনের মানুষ হয় এরা😷😷
-
:ভাবওয়ালি টাইপের হয় এরা😎😎
-
:ভদ্র টাইপের হয়😁😁
-
:মাত্রারিক্ত কিউট😱😱
-
:পড়াশুনায় টালেন্ট😹😹
-
:এক্সট্রা লিজেন্ড😰😰
-
:খুব সহজেই মানুষকে ভাল বাসতে জানে😍😍
-
: অভার স্মার্ট(মাল্টি ট্যালেন্টেড)😜😜
-
: এরা খুব রাগি টাইপের হয়😡😡
Ur Birthday Month?
11/10/2018
হরহামেসাই আমরা এই দৃশ্য দেখতে পাই। ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হতে না হতেই আপনার সামনে দাঁড়িয়ে অতি বিনয়ের সাথে আপনার ব্যবস্থাপত্র দেখতে চাইবে। জুতা জামা পড়ে ভদ্র মানুষ গুলো ব্যাবস্থাপত্রের ছবি তুলে রাখেন। আমরাও নীরবে না বুঝেই তাদের সহায়তা করে যাই। কিন্তু কেন এই ছবিতোলা তার প্রকৃত কারণ কি? প্রকৃত পক্ষে তাদের কোম্পানির কয়টি ওষুধ ডাক্তার সাহেব লিখেছেন এটা তার প্রমাণ । পরবর্তিতে হয়তোবা ডাক্তারকে এর জন্য জবাবদিহি করতে হতে পারে। এক্ষেত্রে রোগীদের প্রকৃত চিকিৎসা গৌণ ওষুধ লেখাই মূখ্য। কখনো কখনো চিকিৎসক তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ওষুধ লিখতে বাধ্য হয়। ফলে আমরা প্রকৃত চিকিৎসা বঞ্চিত হচ্ছি প্রতিনিয়ত। বাধ্য হচ্ছি অপ্রয়োজনীয় অবাঞ্চিত অথবা নিম্নমানের ঔষধ কিনে খেতে। নতুন ডিজিটাল এই জনস্বার্থ বিরোধী কর্মকান্ড থেকে আমাদের সকলের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
ঔষধ কোম্পানীর এসব দালালরা ছবি তুলতে চাইলে ছবি তুলতে দিবেন না।
জনসাথের্
Life is running..................
শুক্রবারে সিনেমা দেখতাম। দিন ঘুরে নতুন নিয়ম
বৃহস্পতি, শনিও হত। পুরো বাড়িতে একটা সাদাকালো
টিভি, ঘরভর্তি মানুষ। সাড়ে তিনটায় সিনেমা শুরু, তিনটা
থেকেই জায়গা দখলের চেষ্টা। সেই সুবাদে
সিনেমা শুরু হবার আগে আবহাওয়ার খবর দেখা,
বৌদ্ধদের ত্রিপিটক পাঠ শোনা। তারপর সেই
মাহেন্দ্রক্ষণ "সিনেমা শুরু"। মনেমনে প্রার্থনা,
এডব্রেস (বিজ্ঞাপন) যেন না আসে। কিন্তু
বিজ্ঞাপন ঠিকই আসে। বড়রা বিজ্ঞাপনের
ফাঁকেফাঁকে অনেক কাজ সেরে নিত। আমরা
ছোটরা, আঙুল দিয়ে বিজ্ঞাপণ গুনতাম। ত্রিশটা
বিজ্ঞাপণ দেখানোর পরই সিনেমা শুরু হবে
ততোদিনে আমাদের মুখস্ত ছিল। রুবেল, দিতি,
জসীম, সাবানা, ববিতা, রাজ্জাক ছিল সেসময়ের
কাঙখিত নায়ক নায়িকা। এদের কেউ নেই মানে
সিনেমা পানসে। রাজীব, রানি, শরীফ, জাম্বু ভিলেন
থাকার কারণে কতো গালিই যে খেত তার হিসেব
নেই। নায়ক মার খেলে আমাদের আফসোস হত,
ভিলেনকে মারার সময় বলতাম, "মার..মার.."।
কোকাকোলার সাথে পাওয়া "ইও ইও" খেলনা ছিল
বেশ জনপ্রিয়। হাতের মধ্যে সুতা দিয়ে পেচিয়ে
চ্যাপটা আকৃতির রাউন্ড গোলকটা কে করবার হাতে
আপ ডাউন করাতে পারে তা নিয়ে হত প্রতিযোগিতা।
বিড়িং নিয়ে খেলা হত। মেয়েরা কাপড়ের তৈরি পুতুল
বানাত, সেই পুতুলের জামা বানাতো, বিয়েও দিত
অনুষ্ঠান করে। টাকাওয়ালা বাবার মেয়েরা খেলত
একটা ব্যাটারিচালিত পুতুল দিয়ে। সেই পুতুলের সুইচ
অন করলেই বাজত ‘চল ছাইয়া ছাইয়া’ গান।
ছেলেদের সব থেকে দামী খেলনা ছিলো
রবোকোপ আর পিস্তল।
বিকেলটা ছিল ছুটোছুটির। তখন খেলতাম ইচিং বিচিং,
কুতকুত, বৌ ছি, ফুলের টোকা, বরফ পানি, ছোঁয়াছুঁয়ি,
সাতচারা, ডাংগুলি, মাংস চোর। খুব ছোটরা খেলার বায়না
ধরলে তাদেরকে "দুধভাত" হিসেবে খেলায় নিতাম,
তবুও ছোট বলে তাকে বঞ্চিত করতাম না। খেলার
মাঝে যদি কারো সাথে ঝগড়া হত তাহলে কাইন
আঙুলে আড়ি নিতাম, দু দিন কথা বলতাম না। তারপর আবার
আনুষ্ঠানিক ভাবে দুই আঙুলে ‘ ভাব’ নিতাম; এখন
থেকে আবার কথা বলা যাবে।
সন্ধ্যা হলেই শুরু হত যন্ত্রণা। বই খাতা খুলে পড়তে
বসো। সবার আগে পড়তাম সমাজ। বেশি বিরক্ত
লাগত অংক। কি যে নল চৌবাচ্চা, ১ম পাইপ, ২য় পাইপ। মাথাটা
এলোমেলো করে দিত।তখন নিয়ম করে
কারেন্ট যেত, এতো চার্জার লাইট ছিলনা। মোম,
হারিকেনি ভরসা। অংক করতে বিরক্তি থেকে মুক্তি
পেতে দোয়া করতাম, "আল্লাহ, কারেন্ট যা"।
হিসেবি মায়েরা কেরোসিন, মোম খুব জ্বালাত না।
কারেন্ট গেলেই পড়া থেকে মুক্তি। যেই
কারেন্ট যেত অমনি সবাই একসাথে চিৎকার করে
বেড়িয়ে আসতাম ঘর থেকে। শুরু হয় নতুন খেলা,
"চোখ পলান্তিস" (অন্ধকার থেকে লুকিয়ে থাকা
একেক জনকে খুঁজে বের করা) তবে আলিফ
লায়লা দেখার সময় কারেন্ট গেলে মন ভীষণ
খারাপ হত।
ঈদ আসলে আমরা ঈদ কার্ড কিনতাম। "মিষ্টি মিষ্টি
হাসিতে, দাওয়াত দিলাম আসিতে"- এমন ছন্দ লিখে
বন্ধু বান্ধবদের দাওয়াত দিতাম। সেই সময় সব চাইতে
দামী জরি ওয়ালা ঈদ কার্ড যেটা ছিল সেটা খুললে
ভেতর থেকে অবিশ্বাস্য ভাবে মিউজিক বাজত।
ঈদের জামা ঈদের দিন ছাড়া কাউকে দেখাতাম না,
পুরানো হয়ে যাবে ভেবে। জামা লুকিয়ে রাখা ছিল
সেসময় আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।
কলমের নিপ মুখে নিয়ে কামড়াতে কামড়াতে
ক্লাশের সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে ভাবতাম, এখন
যদি ফ্যানটা খুলে পড়ে তাহলে সেটা কার মাথায়
পড়বে ? ভাবনা শেষে দেখতাম ফ্যান ফ্যানের
জাগাতে আছে, কলমের নিপটা আর কলমে
লাগানো যাচ্ছেনা, কামড়ে চ্যাপটা হয়ে গেছে।
পেন্সিলের মাথার রাবার খেয়ে ফেলেছি কত
হিসেব নেই। পেন্সিল কাটার হারিয়ে মরা কান্না
কাঁদতাম। খেলার সময় নিয়ম ছিল, যার ব্যাট সে আগে
ব্যাটিং করবে। যার র্যাকেট সে কখনো বেট্টাস
হবেনা। প্রতিদিন কটকটি ওয়ালা আসত, সমপাপড়ি বেচত।
সেই কটকটি বা সমপাপড়ি কিনতে কোন টাকা লাগত না।
পুরনো কাগজ, প্লাস্টিকের কিছু একটা দিলেই কটকটি
পাওয়া যেত। তারা ডাকতোই এই বলে, "লাগবো
পুরানা ভাংগাচুড়া, লোহা লক্কড়, ছিঁড়াফাঁরা জুতা দিয়া কটকটি"।
আমরা এক টাকা দিয়ে বোম্বে আইসক্রিম খেতাম,
সেকারিন মিশানো। খেলেই জিভ ঠোট লাল হয়ে
যেত। সেই লাল ঠোট নিয়ে আমাদের কি গর্ব,
আজো চোখে ভাসে।
কী সব সোনালী দিন ছিল আমার। আজকের রাত এইসব ভেবেই কেটে গেল। সেই
সময়গুলো...কোথায় হারিয়ে গেল। প্রযুক্তি আমাদের কোথায় এনে
দাড় করালো।
আহা.........শৈশব, ঝলমলানি শৈশব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
7901