JhalMuri.com

JhalMuri.com

Share

মনের ঝাল আর সমাজের মুড়ি—যা দেখি তা-ই লিখি।

27/05/2026

কেউ মেট্রোরেল বানায়, আবার কেউ মেট্রোরেলের স্টেশনে গরুর হাট বসায়।

#বাংলাদেশ #বাংলা #মেট্রোরেল

27/05/2026

Brazil team arrived 🇧🇷🔥

10/05/2026

“ছোট্ট শরীরটা ঠান্ডা হয়ে গেছে, তবু মা বিশ্বাস হারায় না।
বারবার নাক দিয়ে ছুঁয়ে দেখে— যদি একবার চোখ খুলে তাকায়।
মাতৃত্ব শুধু মানুষের নয়, সন্তানের মৃত্যুতে কুকুরের মায়ের চোখেও জল নামে। 🐶💔”

#মা

10/05/2026

কোলের শিশু হারানো
শত শত মায়ের চোখের পানিতে
ভালো থাকুক সুখী মায়ের দল।

#মা

09/05/2026

“The meticulous design of — well done, Mr. .”

08/05/2026

মানুষ যখন জীবনের একদম শেষ সীমানায় পৌঁছে যায়,
আইসিইউ’র ঠান্ডা বিছানায় নিঃশব্দে শুয়ে থাকে—
তখন আর তার বড় কোনো চাওয়া থাকে না।
না টাকা,
না ক্ষমতা,
না কোনো অর্জন…
শুধু মনে হয়—
“কেউ কি আমার হাতটা ধরে আছে?”
তাই গ্লাভসের ভেতরে হালকা উষ্ণ পানি ভরে
তৈরি করা হয় একজন মানুষের উপস্থিতির অনুভূতি…
যেন শেষ মুহূর্তে মানুষটা অনুভব করতে পারে—
“আমি একা নই।”
ভাবতে পারেন?
জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসেও #মানুষ আসলে বেঁচে থাকতে চায়
একটু স্পর্শে,
একটু মায়ায়,
একটু পাশে থাকার অনুভূতিতে।
নির্মম #সত্য হলো—
এই পৃথিবীতে স্পর্শের থেকেও দামী জিনিস খুব কম আছে। 🖤

22/02/2026

নিউজফিডে এখন এহসানুল হক মিলনের “নকলবিরোধী অভিযান” নিয়ে যে হাতি-ঘোড়া মার্কা গল্প বানানো হচ্ছে, তা দেখলে মনে হয় ইতিহাসটাই যেন নতুন করে লেখা হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে—এই পিআর কার জন্য? যারা সেই সময়টা দেখেছে, নাকি যারা কিছুই জানে না?

২০০১–২০০৬ সালের শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।
📉 শিক্ষার হার ও ঝরে পড়া
স্বাক্ষরতার হার ঘুরপাক খাচ্ছিল প্রায় ৪৭% এর আশেপাশে।
মাধ্যমিকে ঝরে পড়ার হার ছিল ৪১–৫১% — অর্থাৎ প্রাইমারি পাস করা দুইজনের একজন আর স্কুলেই ফিরেনি।
এই বিপর্যয় ঠেকাতে কোনো বড় নীতি বা কাঠামোগত সংস্কার দেখা যায়নি।

📑 প্রশ্নফাঁস তখন ছিল ‘ওপেন সিক্রেট’ ২০০১–২০০৬ সময়ে প্রশ্নফাঁস বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং একটি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছিল।

🔹 ২৪তম বিসিএস (২০০৩)
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা প্রশ্নফাঁসের কারণে বাতিল — বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিয়োগ কেলেঙ্কারির একটি।
পুনঃপরীক্ষার প্রশ্নও আগেই বাইরে চলে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে, তারপরও তড়িঘড়ি করে ফল প্রকাশ।

🔹 ২৫তম বিসিএস (২০০৫)
একই ধারাবাহিকতায় প্রশ্নফাঁস বিতর্ক অব্যাহত।

🔹 SSC–HSC বাস্তবতা বোর্ড পরীক্ষার সময় ইংরেজি ও গণিতের প্রশ্ন পরীক্ষার আগের রাতেই ফটোকপির দোকানে পাওয়া যেত—এটা তখন গোপন তথ্য ছিল না, সবার জানা বাস্তবতা ছিল।

🔹 মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ২০০১, ২০০৩ ও ২০০৬ সালে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস সিন্ডিকেট সক্রিয় ছিল—পরবর্তী তদন্তেও উঠে এসেছে।

📚 বই বিতরণ: বছরের শুরুতে বই পাওয়া ছিল ভাগ্যের ব্যাপার
নিম্নমানের কাগজে বই ছাপা
কৃত্রিম সংকট
বছরের অর্ধেক পার হলেও বইয়ের সেট সম্পূর্ণ না হওয়া — এটাই ছিল নিয়ম, ব্যতিক্রম নয়।

🏫 এমপিওভুক্তি: শিক্ষার নামে রাজনৈতিক পুরস্কার
প্রভাবশালী মহলের সুপারিশে শিক্ষার্থীহীন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে।
শিক্ষা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া এটা অসম্ভব।

🎓 সেশনজট ছিল স্বাভাবিক ঘটনা অনার্স শেষ করতে ৪ বছরের বদলে ৬–৭ বছর লেগে যাওয়া ছিল সাধারণ বাস্তবতা।

👨‍🏫 শিক্ষক সংকট তৈরি করা হয়েছিল প্রশাসনিক প্রেষণে শ্রেণিকক্ষ থেকে শিক্ষক তুলে শিক্ষা বোর্ড ও দপ্তরে বসানো হয়েছিল — ফলে কলেজগুলো শিক্ষকশূন্য হয়ে পড়ে।

✈️ “হেলিকপ্টার অভিযান” — বাস্তবতা বনাম গল্প পরীক্ষাকেন্দ্রে হেলিকপ্টারে গিয়ে ঘোরা নকল প্রতিরোধ নয়।
প্রশ্ন আগেই বাজারে ঘুরে বেড়ালে কেন্দ্রে গিয়ে কঠোরতা দেখানো আসলে নাটক ছাড়া কিছুই নয়।
প্রশ্নফাঁস বন্ধে কোনো কাঠামোগত সংস্কার ছিল না।
সিন্ডিকেট ভাঙার উদ্যোগ ছিল না।
পরীক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ছিল না।
কেন্দ্রে গিয়ে দেখা — ফাঁস করা প্রশ্নই কমন পড়ল কিনা — এটাকে নকল প্রতিরোধ বলা যায় না।

📈 পরবর্তীতে কী বদলেছে
🍀বছরের প্রথম দিনেই বই পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে
🍀স্বাক্ষরতার হার বেড়ে প্রায় ৭৪%
🍀মাধ্যমিক ঝরে পড়া কমে ২০% এর নিচে
🍀সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি নকল প্রায় অসম্ভব করে তোলে

সৃজনশীল পরীক্ষায় উদ্দীপক ছাড়া কিছুই কাজে লাগে না। মুখস্থ প্রশ্ন নিয়ে হলে ঢুকলে কোনো লাভ নেই। তাই নকলও কমেছে।

শিক্ষাব্যবস্থা গল্প দিয়ে চলে না — চলে নীতি দিয়ে।

হেলিকপ্টারে উড়ে বেড়ানো ইতিহাস নয়।
প্রশ্নফাঁস বন্ধ করা ইতিহাস।

#শিক্ষা_রাজনীতি

#বাংলাদেশ



#প্রশ্নফাঁস
#এহসানুলহকমিলন
#বাংলাদেশ

20/02/2026

তারেক রহমানের সাথে নায়িকা শিমলার বেড শেয়ার😳

#নায়িকা_সিমলা

19/02/2026

Estamos en niveles diferentes😎
আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন লেভেলে😎

19/02/2026

#চাঁদার নতুন সংজ্ঞা😎

19/02/2026

রমজান মাসে ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে আকাশছোঁয়া ব্যস্ততার মাঝে যখন মেট্রোরেল ছুটে চলে, নিচের দৃশ্যটা যেন এক অন্যরকম স্বস্তির ছবি। যানজটের নগরী ঢাকায় সময়মতো ঘরে ফেরার এই নিশ্চয়তা—নিশ্চয়ই এক অভাবনীয় আশীর্বাদ। 🌆🚆

সময় -২০২৬ সালের ১ম রমজানের বিকাল সাড়ে চারটার ভিডিও ✅

ঢাকা মেট্রোরেল আজ শুধু একটি পরিবহন ব্যবস্থা নয়, এটি নগর জীবনের গতি বদলে দেওয়া এক নতুন অধ্যায়। কর্মব্যস্ত মানুষ, রোজাদার, শিক্ষার্থী—সবার জন্যই এটি স্বস্তি, নিরাপত্তা ও সময় সাশ্রয়ের প্রতীক।
কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ সেই দূরদর্শী নেতৃত্বকে, যার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির ফলে এই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। 💐

#রমজান #ইফতার #ঢাকামেট্রোরেল #ঢাকা

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka
1000