NiloGinx

NiloGinx

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from NiloGinx, Digital creator, Savar, Dhaka.

25/02/2026

Types Of SQL CMD:
DDL(Data Definition Language): create, alter, rename, truncate & drop
DQL(Data Query Language): select
DML(Data Manipulation Language): insert, update & delete
DCL(Data Control Language): grant & revoke permission to users
TCL(Transaction Control Language): start transaction, commit, rollback etc

03/12/2025

GPTAds হবে বিশ্বের প্রথম AI-native Ad নেটওয়ার্ক, যেখানে Ads Content সরাসরি conversation-এর ভেতরে দেখানো হবে।

এইটা কোনো keyword বেইজড অ্যাড ইকোসিস্টেম না, বরং semantic understanding বা কাস্টোমারের বিহেভিয়ার বুজে প্লেস হবে!

এর ফলে ব্র্যান্ডগুলো পাবে অত্যন্ত নিখুঁত, পারসোনোলাইজড এবং ও Trustworthy অ্যাড প্লেসমেন্ট।

এই মডেল ২০২৬ সালের মধ্যে Google Ads ও SEO-র একটি বড় অংশকে কার্যত Replace করে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে!

©️Ostad Community

05/10/2025

🔐 পাসওয়ার্ড সুরক্ষার অদৃশ্য বর্ম: হ্যাশিং ও সল্টিং(Hashing And Salting)!

১. হ্যাশিং (Hashing) কী?

হ্যাশিং(Hashing) হলো একটি বিশেষ গাণিতিক প্রক্রিয়া যেটি বিভিন্ন Algorithm এর দ্বারা করা হয়, যার মাধ্যমে যেকোনো ডেটা (যেমন: আপনার পাসওয়ার্ড) একটি নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের অদলবদলযোগ্য (Irreversible) ও ইউনিক (Unique) স্ট্রিং-এ রূপান্তরিত হয়। এটাকে ডেটার একটি ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট বলতে পারেন।

=> কীভাবে কাজ করে?

· আপনি একটি ইনপুট দেন (যেমন পাসওয়ার্ড: myPass123)।
· হ্যাশিং অ্যালগরিদম (যেমন: SHA-256, MD5) সেটিকে রূপান্তর করে একটি সম্পূর্ণ আলাদা আউটপুট দেয়।
· উদাহরণ: myPass123 → 8F2A7B0D... (একটি দীর্ঘ হেক্সাডেসিমাল স্ট্রিং)।

=> হ্যাশিং-এর বৈশিষ্ট্য:

· One-Way Function: হ্যাশ করা মান থেকে আসল পাসওয়ার্ড বের করা প্রায় অসম্ভব।
· Uniqueness: সামান্য পরিবর্তনে হ্যাশ সম্পূর্ণ বদলে যায়। hello ও hello1-এর হ্যাশ সম্পূর্ণ ভিন্ন।
· একই ইনপুটের জন্য একই আউটপুট: একই পাসওয়ার্ড দিলে সবসময় একই হ্যাশ পাওয়া যায়।

২. শুধু হ্যাশিংই যথেষ্ট নয়? সল্টিং (Salting) কেন দরকার?

=> সমস্যা: হ্যাশিং নিরাপদ, কিন্তু হ্যাকাররা "রেইনবো টেবিল(Rainbow Table Attack)" নামের একটি প্রি-ক্যালকুলেটেড হ্যাশের ডাটাবেজ ব্যবহার করে সহজেই কমন পাসওয়ার্ডের হ্যাশ মিলিয়ে ফেলে।

=> সল্টিং(Salting)-এর আগমন:
সল্টিং হলো হ্যাশিং-এর আগে আপনার পাসওয়ার্ডের সাথে একটি এলোমেলো স্ট্রিং (সল্ট) যোগ করার পদ্ধতি।

=> কীভাবে কাজ করে?

1. সিস্টেম আপনার পাসওয়ার্ড নেয় (যেমন: myPass123)।
2. এর সাথে একটি র্যান্ডম স্ট্রিং (সল্ট) যোগ করে। যেমন: myPass123 + xY7!q = myPass123xY7!q।
3. তারপর এই সমন্বিত স্ট্রিংটিকে হ্যাশ করা হয়।
4. এই সল্টটি ডাটাবেজে ব্যবহারকারীর নামের পাশেই সেভ করে রাখা হয়।

সল্টিং-এর সুবিধা:

· রেইনবো টেবিল(Rainbow Table) অকার্যকর: একই পাসওয়ার্ডের জন্য প্রত্যেক ইউজারের আলাদা সল্ট থাকে, তাই হ্যাশও আলাদা হয়।
· ব্রুট-ফোর্স আক্রমণ(Brute Force Attack)কঠিন: হ্যাকারকে প্রতিটি পাসওয়ার্ডের জন্য আলাদাভাবে আক্রমণ চালাতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।

*সবশেষে একটি এনালজি দাঁড় করানো যেতে পারে-

· হ্যাশিং:(Hashing) আপনার পাসওয়ার্ডকে একটি আলাদা, সিলমোহর করা বাক্সে বন্ধ করে রাখা। বাক্সটি চেনা যায়, কিন্তু খোলা যায় না।
· সল্টিং(Salting): বাক্সে তালা লাগানোর আগে ভিতরে একটি ইউনিক চাবি রেখে দেয়া, যা শুধু সিস্টেম জানে। একই বাক্স (পাসওয়ার্ড) থাকলেও চাবি (সল্ট) আলাদা হলে তালাও আলাদা হবে।

02/10/2025

আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, যখন আপনি ব্রাউজারে "www.google.com" লিখে এন্টার দেন, তখন ওয়েবসাইটটি কিভাবে খুলে যায়? এর পেছনের মূল Game Changer হলো DNS (Domain Name System)।

ডিএনএস(DNS) আসলে কী?

DNS হলো ইন্টারনেটের ফোনবুক(Phone Contact)। যেমন ফোনবুকে নামের সাথে ফোন নম্বর জমা থাকে, তেমনই DNS-এ ডোমেইন নাম (যেমন: google.com) এর সাথে সংশ্লিষ্ট IP অ্যাড্রেস (যেমন: 142.250.183.206) জমা থাকে। আমরা নাম মনে রাখতে পারি, কিন্তু সংখ্যার IP অ্যাড্রেস মনে রাখা কঠিন – DNS সেই কাজটি আমাদের জন্য করে।

কিভাবে কাজ করে DNS?

1. ধরুন আপনি একটি ডোমেইন নাম লিখলেন (যেমন: www.facebook.com)।
2. আপনার রিকোয়েস্টটি প্রথমে যায় একটি রিকার্সিভ রিজলভার (Recursive Resolver)-এর কাছে। এটা সাধারণত আপনার ISP (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার) দিয়ে থাকে।
3. রিজলভার তখন খোঁজ শুরু করে সেই ডোমেইনের অথরিটেটিভ নেম সার্ভার (Authoritative Name Server)-এর কাছে। এই সার্ভারেই ওই ডোমেইনের আসল IP অ্যাড্রেসটি রাখা আছে।
4. অথরিটেটিভ নেম সার্ভারটি রিজলভারকে সঠিক IP অ্যাড্রেসটি রিটার্ন করে।
5. রিজলভার IP অ্যাড্রেসটি আপনাকে দিয়ে দেয়।
6. এবার আপনার ব্রাউজার সেই IP অ্যাড্রেস ব্যবহার করে সরাসরি ওয়েবসাইটে এক্সেস নিতে পারে।

রিয়েল-লাইফ উদাহরণ:

মনে করুন, আপনি একটি রেস্টুরেন্টে খুঁজছেন। আপনি রেস্টুরেন্টের নাম জানেন "Spicy Haat" কিন্তু এর ঠিকানা জানেন না।

· আপনি = ইউজার
· "Spicy Haat" = ডোমেইন নাম
· GPS অ্যাপ/কাউকে জিজ্ঞেস করা = রিকার্সিভ রিজলভার
· নগর পরিকল্পনা দপ্তর / রেস্টুরেন্টের মালিক = অথরিটেটিভ নেম সার্ভার
· রেস্টুরেন্টের আসল ঠিকানা = IP অ্যাড্রেস

আপনি GPS-এ নাম লিখলেন, GPS অ্যাপটি নগর দপ্তর থেকে ঠিকানা বের করে আপনাকে দিল, এবং আপনি সেই ঠিকানায় পৌঁছে গেলেন। DNS ঠিক এইভাবেই কাজ করে!

Photos from NiloGinx's post 30/09/2025

মনোলিথিক (Monolithic)বনাম মাইক্রোসার্ভিস(Microservice) আর্কিটেকচার: একটি গভীর তুলনা

মনোলিথিক(Monolithic) আর্কিটেকচার:

এটি একটি ঐক্যবদ্ধ সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যেখানে সমস্ত কম্পোনেন্ট (UI, Business Logic, Database Layer) একটি single unit হিসেবে interconnected ভাবে কাজ করে।

বাস্তব উদাহরণ:

একটি ছোট ব্যাংকিং সিস্টেম যেখানে একই অ্যাপ্লিকেশন কাস্টমার অ্যাকাউন্ট, ট্রানজ্যাকশন, রিপোর্টিং সবকিছু manage করে। সবকিছু একসাথে deployed হয়।

মাইক্রোসার্ভিস (Microservice) আর্কিটেকচার:

একটি অ্যাপ্লিকেশনকে ছোট ছোট স্বাধীন সার্ভিসে বিভক্ত করা হয়, যেখানে প্রতিটি সার্ভিস নির্দিষ্ট business capability perform করে এবং আলাদাভাবে deployable।

এটিরও বাস্তব উদাহরণ দিচ্ছি:
Amazon বা Foodpanda - User Authentication, Product Catalog, Payment Gateway, Delivery Tracking প্রতিটি আলাদা সার্ভিস। প্রতিটি সার্ভিস আলাদা টিম manage করে।

লোড ব্যালেন্সিং কিভাবে কাজ করে:

মনোলিথিকে(In Monolithic):

• পুরো অ্যাপ্লিকেশনকেই স্কেল করতে হয়
• একটি সার্ভারে বেশি users আসলে additional server add করতে হয়
• সম্পূর্ণ application copy করে নতুন server-এ deploy করতে হয়
• Resource utilization কম efficient

মাইক্রোসার্ভিসে(In Microservice):

• শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সার্ভিসগুলোকে individually স্কেল করা যায়
• User traffic বেশি এমন সার্ভিসকে আলাদাভাবে লোড ব্যালেন্স করা যায়
• প্রতিটি সার্ভিসের জন্য আলাদা লোড ব্যালেন্সার ব্যবহার করা যায়
• Resource utilization বেশি efficient

লোড ব্যালেন্সিংএর জলজ্যান্ত উদাহরণ:

ঈদের সময় একটি ই-কমার্স সাইটে Payment সার্ভিসে বেশি লোড পড়লে, শুধুমাত্র Payment সার্ভিসের instances বাড়ানো হয়, অন্য সার্ভিসগুলোতে impact পড়ে না।

কখন কোনটি ব্যবহার করা উচিত:

• মনোলিথিক(Monolithic): ছোট প্রোজেক্ট, দ্রুত ডেভেলপমেন্ট, limited টিম
• মাইক্রোসার্ভিস(Microservice): বড় প্রোজেক্ট, হাই স্কেলাবিলিটি, multiple টিম

এক কথায়:
মনোলিথিক - সরল কিন্তু কম নমনীয়
মাইক্রোসার্ভিস - জটিল কিন্তু বেশি স্কেলেবল

29/09/2025

ডেভেলপমেন্টের পাশাপাশি DevOps: আমার অভিজ্ঞতা কেন বলে দুটোই শেখা জরুরি?

আমি একজন ডেভেলপার, এবং আমার শেখার যাত্রা থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার—২০২৫ সালের এই অটোমেশন-প্রধান বিশ্বে শুধু কোড লেখা আর যথেষ্ট নয়। আমি নিজেই সম্প্রতি DevOps শেখা শুরু করেছি, এবং আমার এই অভিজ্ঞতা থেকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই কেন একজন ডেভেলপার হিসেবে এই দুটো জিনিসকে সমান্তরালভাবে শেখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

১. কোড থেকে প্রোডাকশন পর্যন্ত -
আগে আমি শুধু কোড লিখে পুল রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দিতাম। তারপর কী হলো, কীভাবে ডিপ্লয় হলো বা প্রোডাকশনে গিয়ে কোনো সমস্যা হলো কি না, তা নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাতাম না। DevOps শেখার পর আমি CI/CD (Continuous Integration/Continuous Deployment) পাইপলাইন সম্পর্কে জানতে পারলাম। এখন আমার কোড লেখা শুরু থেকে টেস্টিং, বিল্ড করা এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্ভারে যাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে আমার নিয়ন্ত্রণ আছে। এই "এন্ড-টু-এন্ড" দায়িত্ববোধ আমার কাজকে আরও পূর্ণতা দিয়েছে।

২. আমার কোড এখন "ডিপ্লয়মেন্ট-ফ্রেন্ডলি"-
যখন আমি অপারেশনস টিমের চ্যালেঞ্জগুলো বুঝতে পারলাম, তখন আমার কোড লেখার ধরণ বদলে গেল। আমি শিখলাম কীভাবে কন্টেইনারাইজেশন (যেমন Docker) ব্যবহার করে আমার অ্যাপ্লিকেশনকে প্যাকেজ করতে হয়, যাতে এটি যেকোনো এনভায়রনমেন্টে নির্বিঘ্নে চলতে পারে। কোড এখন আর "আমার মেশিনে কাজ করে" এমন অজুহাত দেখায় না—এটি প্রথম থেকেই ডিপ্লয়মেন্টের জন্য তৈরি থাকে।

৩. দ্রুত সমস্যা সমাধান এবং দক্ষতা বৃদ্ধি
DevOps আমাকে মনিটরিং এবং লগিং টুলস ব্যবহার করতে শিখিয়েছে। প্রোডাকশনে কোনো বাগ বা পারফরম্যান্স ইস্যু হলে, আগে আমাকে অন্যদের ওপর নির্ভর করতে হতো। এখন আমি নিজেই ড্যাশবোর্ড দেখে সমস্যাটি দ্রুত চিহ্নিত করতে পারি। এই দক্ষতা আমাকে একজন DevOps ডেভেলপার হিসেবে গড়ে তুলছে, যা আজকের বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদাযুক্ত স্কিলগুলোর মধ্যে অন্যতম।

৪. ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাজ কোড (IaC) এর জাদু
কোড দিয়ে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ম্যানেজ করা, অর্থাৎ Infrastructure as Code (IaC) (যেমন Terraform বা Ansible), আমার কাছে ছিল এক জাদু! এখন আমি কয়েক লাইনের কোড লিখে সার্ভার তৈরি বা ডিলিট করতে পারি। এটি শুধুমাত্র সময় বাঁচায় না, বরং এনভায়রনমেন্টগুলোকেও সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখে।

আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি, DevOps শেখা একজন ডেভেলপারকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। এটি আপনার শুধু চাকরির সুযোগই বাড়ায় না, বরং একজন সত্যিকারের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সফটওয়্যার ডেলিভারির পুরো চক্রের উপর আপনার নিয়ন্ত্রণ এনে দেয়।

#আমারঅভিজ্ঞতা

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Culinary Team

Attire

Address

Savar
Dhaka
1344