Stoic Mindset
Knowledge, Opinion, fun and awareness-all in one place with Hiron.
যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় বসে আপনার মোবাইল দিয়ে বিশ্বের যেকোনো চ্যানেল দেখতে পারবেন।
ধরুন আপনার শরীরে একটা অসুখ হয়েছে। পরীক্ষায় জানা গেলো প্রায় ১ লক্ষ জীবাণু(ব্যাকটেরিয়া) সক্রিয় হয়ে আপনার শরীর কাবু করছে। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আপনাকে ৭ দিনের জন্য এন্টিবায়োটিকসহ অন্যান্য ওষুধ দিলেন।
কিন্তু আপনি করলেন কি?
ফার্মেসি থেকে মাত্র ৩ দিনের ওষুধ কিনলেন। খাওয়ার পর শরীর কিছুটা ভালো লাগলো। মনে হলো-এখন তো আর সমস্যা নেই, অত ওষুধ খাওয়ার দরকার কী? তাই বাকি ৪ দিনের ওষুধ আর কিনলেনই না।
ভেতরে ভেতরে কী হলোঃ
১) প্রথম ৩ দিনে দুর্বল জীবাণুগুলো মারা গেলো (ধরা যাক ৫০,০০০ ব্যাকটেরিয়া শেষ)।
২) কিন্তু বাকি ৪০–৫০ হাজার জীবাণু শরীরেই রয়ে গেলো।
৩) এরা ভাবলো-এই ওষুধে আমরা পুরোপুরি মরতে যাচ্ছিলাম, কিন্তু এবার বেঁচে গেছি। এখন থেকে আমাদের আরও শক্তিশালী হতে হবে।
৪) ফলে এরা নিজেদের দেহে প্রতিরোধী ব্যবস্থা (Resistance) গড়ে তোলে।
এর পরিণতি?
পরবর্তীতে একই অসুখ হলে আগের এন্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না। তখন আপনাকে অনেক বেশি শক্তিশালী (আরও দামি ও সাইড-এফেক্ট বেশি) ওষুধ খেতে হবে।
মেডিকেল বিশেষজ্ঞদের ভাষায় “অর্ধেক পথে এন্টিবায়োটিক বন্ধ করা মানে জীবাণুকে আরও ভয়ঙ্কর করে তোলা।
আমাদের উচিত এন্টিবায়োটিক শুরু করলে পুরো কোর্স শেষ করা আর ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কখনোই এন্টিবায়োটিক না খাওয়া। সুস্থ বোধ করলেও মাঝপথে ওষুধ(এন্টিবায়োটিক) বন্ধ না করা।
প্রথমবার আয়কর রিটার্ন জমার ১০ কৌশল
প্রথমবার কর দেওয়ার সময় তরুণ করদাতাদের মধ্যে আনন্দ আর দায়িত্ববোধের অনুভূতি জন্মায়। প্রতিবছর যত করদাতা প্রথমবারের মতো বার্ষিক রিটার্ন জমা দেন, তাঁদের বেশির ভাগ বয়সে তরুণ করদাতা।
তাঁদের অনেকেই প্রথমবার রিটার্ন দেওয়ার সময় সঠিকভাবে দেন না। কৌশলী হন না। এবার প্রথমবার যাঁরা বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দেবেন, তাঁরা কিছুটা সতর্ক থাকবেন। ফরম পূরণ করার সময় কৌশলী হবেন। মনে রাখবেন, এ বছর আপনি ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত আয়-ব্যয়ের বিবরণী দেবেন। সম্পদের বিবরণীও দিতে হতে পারে।
এবার দেখা যাক, প্রথমবার রিটার্ন দেওয়ার আগে যা ভাবতে হবে।
১. সময়সীমা মনে রাখুন।
প্রতিবারের মতো এ বছর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর। তবে নতুন করদাতাদের ক্ষেত্রে সারা বছরই দেওয়া যায়। এবার কিন্তু অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে হ
২. সম্পদ লুকাবেন না।
প্রথমবারের রিটার্নে সম্পদ লুকাবেন না। আপনার নামে থাকা জমিজমা, নগদ টাকা, আসবাব, ইলেকট্রনিক পণ্য, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি সবকিছুই রিটার্নে দেখান।
৩. বিয়ের উপহারও বাদ দেবেন না।
বিয়েতে আপনি স্বর্ণালংকার উপহার হিসেবে পেয়েছেন। এগুলো রিটার্নে দেখিয়ে ফেল
৪. সম্পদ দেখানো বুদ্ধিমানের কাজ।
প্রথমবারই যা সম্পদ আছে, তা দেখিয়ে ফেলুন। কারণ, পরে হঠাৎ সম্পদ দেখালে কর কর্মকর্তারা উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। এ নিয়ে ঝামেলায় পড়তে পারেন।
৫. কৌশলী হয়ে অনেকে বেশি সম্পদ দেখান।
কৌশলগত বাড়তি সম্পদ দেখানো যায়। যেমন আপনার কাছে ২০ ভরি সোনা থাকলে ৫০ ভরি দেখালেন। ভবিষ্যতে নতুন সম্পদ যোগ করলে সেটি সমন্বয় করা সহজ হয়। মনে রাখবেন, চার কোটি টাকা পর্যন্ত সম্পদের ওপর কর নেই।
৬. খরচ দেখাতে কিপটেমি করুন।
খরচ দেখাতে কিপটেমি করুন। আয়ের সঙ্গে যেন খরচের সংগতি থাকে। কারণ, আপনি আয়ের চেয়ে বেশি খরচ দেখিয়ে ফেললে বিপাকে পড়তে পারেন। আপনার খরচের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারেন কর কর্মকর্ত
৭. বিলাসী খরচে বিরত থাকুন।
আপনার আয় কম। যেমন ছোট পদের চাকরি করে জীবনযাত্রার খরচে দেখালেন নিয়মিত বিদেশ ভ্রমণ করছেন। সন্তানদের নামীদামি স্কুলে পড়াশোনা করান। তাহলে কর কর্মকর্তার এতে সন্দেহ হতে পারে।
৮. ধাপে ধাপে জীবনযাপনের পরিবর্তন দেখান।
আপনার জীবনযাত্রায় হঠাৎ পরিবর্তন হয়ে গেছে, বিলাসী জীবন যাপন শুরু করলেন। রিটার্নে জীবনযাত্রার খরচের এসব দেখালে তা ঝুঁকিপূর্ণ।
৯. কর কর্মকর্তারা প্রথমবার সদয় থাকেন।
প্রথমবার রিটার্ন দিলে কর কর্মকর্তারা তেমন একটা যাচাই–বাছাই করেন না। যা দেখাবেন, কর দেবেন তা–ই মেনে নিতে পারেন তাঁরা। তাঁরা হয়তো ভাবেন, নতুন করদাতারা ভবিষ্যতের করদাতা। দীর্ঘ সময় কর দেবেন তাঁর
১০. সততার সঙ্গে রিটার্ন দিন।
সততার সঙ্গে এবং আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য রেখে ফরম পূরণ করুন। সৎভাবে রিটার্ন দিলে বিপদে পড়ার সম্ভাবনা নেই।
সূত্রঃ প্রথমআলো
ভ্যাট নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই দুটি শব্দে বিভ্রান্ত হন-Exempted Supply আর Zero-rated Supply। বাইরে থেকে দুটো প্রায় একই মনে হলেও, ব্যবসার জন্য এদের প্রভাব একেবারেই আলাদা।
ধরুন দুইজন উদ্যোক্তা আছেন-
রহিম সার উৎপাদন করেনতিনি যখন সার বিক্রি করেন, তখন ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট নেন না। কিন্তু সার বানাতে যে প্যাকেজিং সামগ্রী বা কাঁচামাল কেনেন, তার ভ্যাট ফেরত পান না। তাই এগুলো তার জন্য খরচ (cost) হয়ে যায়। এটাই Exempted Supply।
করিম বিদেশে পোশাক রপ্তানি করেন। তিনি রপ্তানি করার সময় ভ্যাট হার হয় ০%। কিন্তু কাপড়, বোতাম, সুতা, প্যাকেজিং ইত্যাদিতে যে ভ্যাট দিয়েছেন, তা ফেরত বা সমন্বয় নিতে পারেন। তাই তিনি প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারেন, বাড়তি ভ্যাট খরচ গুনতে হয় না। এটাই Zero-rated।
মূল বিষয় হলোঃ
দুটো ক্ষেত্রেই ক্রেতার কাছে ভ্যাট ধার্য হয় না। কিন্তু ব্যবসার ক্ষেত্রে পার্থক্য হলো Exempted হলে ইনপুট ভ্যাট খরচে পরিণত হয়, আর Zero-rated হলে সেটি ফেরত বা সমন্বয়যোগ্য হয়।
চীনের অদ্ভুত নিয়ম: দুপুরে অফিসেই ঘুম!
ভাবনতো অফিস টাইম চলছে, সবাই কাজ করছে… হঠাৎ ঘড়ির কাঁটা ১২টা বাজতেই পুরো অফিসে নেমে এলো নীরবতা।
কে ডেস্কে মাথা রেখে শুয়ে পড়লো, কেউ ছোট বালিশ বের করে ঘুমাচ্ছে।
👉 এটা চীনে একেবারেই স্বাভাবিক!
ওরা বলে-“午休” (wǔxiū), মানে দুপুরের ঘুম।
🔹 স্কুলে বাচ্চাদের ডেস্কেই ঘুমানোর নিয়ম
🔹 অফিসে কর্মীদের ১–২ ঘণ্টা বিশ্রামের অনুমতি
🔹 এমনকি শ্রম আইনেও দুপুরে ঘুমকে ‘অধিকার’ বলা হয়েছে!
কারণ তাদের বিশ্বাস-
একটু ঘুম মানে বিকেলের জন্য নতুন এনার্জি, মনোযোগ আর উৎপাদনশীলতা।
বিদেশিরা প্রথমে অবাক হয়, কিন্তু পরে নিজেরাই বলে-
“এই নিয়মটা আসলেই জিনিয়াস!”
ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ বা ভারতে শ্রমিক খরচ কম। তারপরেও কেন চীনে সব কোম্পানি তাদের ফ্যাক্টরি খোলে?
অনেক গুলো কারণ আছে। একটি বলি, তা হচ্ছে চীনে প্রায় সবকিছু পাওয়া যায়। অন্যান্য দেশে কারখানা নির্মাণ করলে আপনি এক একটি অংশ এক এক দেশ থেকে আনেন। এর সাথে যুক্ত হয় আনুষঙ্গিক খরচ, সময় ও ঝুঁকি।
সেই তুলনায় চীনে প্রায় এমন কিছু নেই যা পাওয়া যায় না। এক দেশের মাঝে সব তৈরি হচ্ছে আর যোগাযোগ ব্যবস্থা এত উন্নত যে sসল্প খরচে তা হাতের নাগালে চলে আসছে। তাই খুব সহজে আপনি সব উৎপাদন করতে পারবেন। এই সুবিধা বাকিরা দিতে পারে না দেখে এত বেশি কিছু চীনে তৈরি হয়।
31/08/2025
Click here to claim your Sponsored Listing.