Zero Point
❤️রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ
"যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরূদ পাঠ করে আল্লাহ তা’আলা এর বিনিময়ে তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন"!!💞 (সহিহ-মুসলিমঃ-৭৩৫) 💞
25/05/2026
ন্যানো ইউরিয়া খাওয়ানো হচ্ছে গরুকে।যা মানব দেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
25/05/2026
কসাইকে আলাদা টাকা বা অন্য কিছু দিয়ে পারিশ্রমিক দিতে হবে।
22/05/2026
ভিডিওটা দেখে ভীষণ খারাপ লাগলো! রামিসার বাবা আজ মেয়ের স্কুলে গেলেন। রামিসার সহপাঠীদের সাথে আলাপ করলেন, কাঁদলেন। ফ্রেন্ডকে হারিয়ে বাচ্চাগুলোও কাঁদছে। রামিসার বসার জায়গাতে আজ কিছু ফুল স্থান পেয়েছে।
মেয়েটা পড়তো পল্লবীর পপুলার মডেল হাইস্কুলে। ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল ছিলো। শান্ত ও মেধাবী শিশু হিসেবে পরিচিত ছিলো শিক্ষক ও সহপাঠীদের কাছে। এমন একজনকে হারিয়ে ক্লাসের বাচ্চাগুলোও কাঁদছে। স্যার ম্যাডামরাও সবাই শোকাহত।
রামিসার ঘরে বেশ কিছু ট্রফি সাজানো এখনও। কিছু সে পেয়েছে বার্ষিক পরীক্ষায় ভালো মেধাস্থান এনে। কিছু পেয়েছে অন্য এক্টিভিটিজের জন্য। এই ট্রফির সংখ্যা আর বাড়বে না। মেয়েটা আর কোনোদিন এক্সামে অংশ নেবে না। স্কুলের বেঞ্চে আর বসবে না। আর হাসবে না সহপাঠীদের সাথে। ভাত খাবে না মায়ের হাতে। বাবার সাথে মিষ্টির দোকানেও আর যাবে না। যে বয়সে দুনিয়াটা তার উপভোগ করার কথা ছিলো, সে বয়সে সে হলো ধর্ষণ। হলো নৃশংস এক হত্যার শিকার।
যা হয়ে গেছে, তা আর 'আনডু' করা সম্ভব না দুনিয়ায়। অন্তত নায্য বিচারটাও যদি পেতো! জানি না সেটাও পাবে কী না। সব পানির মতো পরিষ্কার, আসামী হাতে, দায় স্বীকারও করেছে। কিন্তু এ দেশের বিচার ব্যবস্থা বলে কথা! শুনলাম তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। ৭ দিনের ভেতর রিপোর্ট দেবে। এরপর বিচার বা রায় হতে কতদিন কে জানে! পরে আবার সেটা কার্যকর হওয়ার ব্যাপারও থাকে। মাগুরার সেই আছিয়ার কথা মনে আছে? শুনলাম ওটা নাকি আজও ঝুলছে আপিলে।
রামিসার ব্যাপারেই বা আশাবাদী হই কিভাবে? আর এই বিচারের অভাবেই এসব ঘটনা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে!
(১)
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট!
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই আসুন, আমরা আগে থেকেই কিছু আমল ঠিক করে নেই, যেন এই দিনগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে চলে না যায়।
সুন্দরভাবে গুছিয়ে আমল লিস্ট শেয়ার করছি যেন রেডি হয়ে যেতে পারেন--
১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করা:
সব আমলের ভিত্তি হলো ফরয ইবাদত। চেষ্টা করি সময়মতো, মনোযোগের সাথে সালাত আদায় করতে।
২. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা:
বারবার বলি:
*আস্তাগফিরুল্লাহ*
নিজের গুনাহের জন্য লজ্জিত হই, আল্লাহর কাছে ফিরে যাই।
৩. তাকবীর, তাহমীদ, তাহলীল ও তাসবীহ বেশি পড়া:
এই দিনগুলোতে বেশি বেশি পড়ি:
আল্লাহু আকবার**
আলহামদুলিল্লাহ**
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ**
সুবহান-আল্লাহ**
এভাবেও পড়তে পারি:
--আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।
৪. কুরআন তিলাওয়াত করা
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন পড়ার লক্ষ্য ঠিক করি। অল্প হলেও নিয়মিত পড়ি। এখন থেকেই পড়া শুরু করুন, যিলহজ্জের ১০ দিনের মধ্যে একটা কুরআন খতিমা কমপ্লিট করতে পারেন।
৫. ফরজ নামাজের যত্ন নেয়ার পরে নফল সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া:
বিশেষ করে:
* তাহাজ্জুদ
* সালাতুদ দুহা
৬. রোযা রাখা
সম্ভব হলে যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখি।
বিশেষভাবে আরাফার দিনের রোযা অনেক ফযীলতপূর্ণ তাদের জন্য যারা হজে নেই। ঐ দিনের রোজার মাধ্যমে আগের এবং পরের ২ বছরের গুনাহ মাফ হয় সুবহানআল্লাহ!
৭. বেশি বেশি দোয়া করা:
নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, উম্মাহর জন্য, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি।
৮. যিকিরে জিহ্বা সজীব রাখা:
কাজ করতে করতে, হাঁটতে হাঁটতে, রান্না করতে করতে, ফাঁকে ফাঁকে যিকির করি। ছোট ছোট যিকিরও অনেক ভারী হয়ে যায় মীযানে।
৯. সদকা করা:
সামর্থ্য অনুযায়ী দান করি। অল্প হলেও আন্তরিকতা নিয়ে দিই।
১০. কুরবানির নিয়ত থাকলে চুল-নখ না কাটা:
যিনি কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তিনি যিলহজ্জের চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানি দেওয়া পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটার চেষ্টা করবেন।
১১. ভালো কাজের পরিকল্পনা করে রাখা:
যেমন:
* একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সাহায্য করা
* আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক করা
* কাউকে ক্ষমা করে দেওয়া
* ইসলামি কিছু শেখা বা শেখানো
১২. অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা কর
হিংসা, অহংকার, রাগ, শত্রুতা ইত্যাদি এসব থেকে হৃদয়কে পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। শুধু বাহ্যিক আমল নয়, অন্তরের আমলও জরুরি।
কুরবানীর এই মহান দিনগুলোতে কেবল পশু কুরবানীতে সীমাবদ্ধ না থাকি। বরং নিজেদের গুনাহ, নফসের খেয়াল, অহংকার, রাগ, খারাপ ভাষা —এসবকেও কুরবানী করার চেষ্টা করি।
এ সময় self-purification বা আত্মশুদ্ধির আমলও খুব জরুরি। যেমন:
Click here to claim your Sponsored Listing.