Islamic story

Islamic story

Share

Islamic story page a Islamic story shearing page.

03/11/2025

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুরমার সাথে এই চাইনিজ ছেলের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এপ্স থেকে পরিচয় মাত্র ১ মাস। কেউ কারো ভাষা বুঝে না। ইংরেজি জানে না। ভয়েস ট্রান্সলেটর দিয়ে কথা বলে!!

যেখানে গত ২৫ মে, ঢাকার চীনা দূতাবাস থেকে নিজ নাগরিকদের সতর্ক করেছে এই ধরণের বিয়েতে না জড়াতে! বিশেষ করে তাদের দেশের নিঃসঙ্গ পুরুষরা যেন, বিদেশী স্ত্রী কেনায় না জড়ায়, অনলাইন ডেটিং, সোলম্যাট সাইট স্ক্যামে না জড়ায়/এজেন্টদের ফাঁদে না পড়ে।

মানে সরাসরি, স্বীকার করে নাই যে, চীনা পাত্রগুলোই এমন! বুঝিয়েছে, পাত্ররা স্ক্যামে পড়তে পারে। অথচ এই পাত্ররাই মেয়েগুলোকে বিয়ে করে নিয়ে যায় এবং বিক্রি করে দেয়। এতকিছুর পরেও দেশের মূর্খ, লোভী মেয়েগুলো তা শুনছে না।

মাসখানেক আগে, চাইনিজদের 'নারী পাচার' নিয়ে সতর্ক করে একটি পোস্ট করেছিলাম। যেন লেখাটি আমার পরিচিত ঐ মেয়ের চোখে পড়ে। তার বিয়েটা বন্ধ হয়ে যায়।
কিন্তু পোস্টটি মেয়েটি দেখার পরও বলেছিলো, 'তাঁর বয়ফ্রেন্ড এমন নয়। ভিডিওকলে ওর বাবা মাকে আমরা দেখেছি। উনারাও বিয়েতে রাজী।'
ভাবেন একবার , ছেলের বাড়িঘর কিছুই দেখেনি। ভিডিওকলে যে কাউকে বাবা মা হিসেবে সাজালেও কী ঐ মেয়ের বুঝার কথা?
যেখানে এদের পরিচয় মাত্র দুই সপ্তাহ!!! দুই সপ্তাহের পরিচয়ে বিয়ের মতো সিদ্ধান্ত!!

অথচ এই মেয়ের মুখেই শোনা তার ঐ বয়ফ্রেন্ড তাকে বলেছিলো, 'তোমার পরিচিত কোন গরীব ঘরের মেয়ে হবে? আমার এক সিনিয়র ফ্রেন্ড, একটু বয়স্ক, পাত্রী খুঁজছেন। দেখো না পাত্রী পাও কীনা। পাত্রী ম্যানেজ করে দিতে পারলে, টাকাও দিবেন।'

এত বড় প্রমাণের পর মনে হয় না আসলে কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ চাইনিজদের এই ফাঁদে পা দিবে। ঐ মেয়েটি তারপরেও দিয়েছে। বিয়েও করেছে।

আজকে ১৮ বছর ধরে প্রায় ইন্টারনেট চালাই। সোশ্যাল মিডিয়া বলতে ফেসবুকটাই চালানো হয়। ইন্সটা, টুইটার একাউন্ট থাকলেও তেমন ব্যবহার করি না।
আর আমাদের দেশের এই ওভারস্মার্ট মেয়েগুলো **** Talk,**** Talk ইত্যাদি বেনামী এপ্স চালায়! এদের বেশীরভাগই দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে। গ্রাম গঞ্জের।

মেয়েগুলো এপ্স যখন ইন্সটল করে, তখনই মাথার মধ্যে এই প্লান নিয়েই করে যে, এই এপ্স থেকে কোন ছেলেকে পটিয়ে বিয়ে করবো! এখন এই এপ্সগুলোর নাম এরা জানে কীভাবে? নিশ্চয়ই ইউটিউব, ফেসবুকের মুখরোচক বিজ্ঞাপন দেখেই সন্ধান পায়।

এরপর চাইনিজ স্ক্যামার ছেলেদের ফাঁদে পড়ে। প্রেম হয়। ছেলে জানায়, আমি নাস্তিক। ইসলাম ধর্ম বা তোমার গ্রহন করতে রাজী আছি। মেয়ে আরও গলে যায়। এরপর ছেলে ছুটে আসে। এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। কিন্তু এদের মধ্যে বিন্দুমাত্র ভয় ভীতি, লজ্জাবোধও কাজ করে না। এরা আরও ভাইরাল হওয়ার জন্য মিডিয়ার কাছে ইন্টারভিউও দেয়। যেন অনেক বড় ভালো কাজ করে ফেলেছে।

দুই সপ্তাহ আগের কথা। এক মেয়ে পালিয়ে আসে। এভাবেই অনলাইনে প্রেম। বিয়ে। নিজে বিয়ে করার পর - আপন খালাতো বোনকেও বিয়ে দিয়ে চীনে নিয়ে যান।

যাওয়ার পর টের পান এরা ফাঁদে পড়ে গিয়েছে। জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি করানো হচ্ছে। নিজে পালিয়ে আসতে পারলেও খালাতো বোন এখনও ওখানে বন্দি।
লেখা আর বড় করবো না।
'গত কয়েক মাস বা বছর ধরে বাংলাদেশে চীনা ছেলেরা আসছে। প্রথমে বেনামী এপ্সের *** Talk, **** Talk এর মাধ্যমে আমাদের দেশের মেয়েদের সাথে সম্পর্ক করে। অতঃপর বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম বা মেয়ের যেই ধর্ম সেটি গ্রহণ করে ইম্প্রেস করে। হিন্দু ধর্মের মেয়েদের পটিয়েছে এমন কেস সম্ভবত একটি পেয়েছিলাম।
এরপর বিয়ে করে নিয়ে যাচ্ছে নিজেদের দেশে।
নিউজসূত্রের অনুসন্ধান অনুযায়ী, এদেরকে চীনের গ্রামগুলোতে কোন বয়স্ক লোকের স্ত্রী হিসেবে বিক্রি করে দিচ্ছে, নয়তো জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি করাচ্ছে। এক সন্তাননীতির কারণে চীনের গ্রামগুলোতে প্রচণ্ড নারী সংকট! বিয়ে করার জন্য বুড়োরা মেয়ে পাচ্ছে না।
সেই সংকট পূরণের জন্য নারী পাচার করা হচ্ছে। এদের টার্গেট দেশ: বাংলাদেশ, নেপাল, ভারতে, পাকিস্তানের দরিদ্র বা লোভী মেয়েগুলো! যাদের পটানো অনেকটা সহজ।'

২০১৯ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানে ২ বছরে ৬০০ অধিক মেয়েকে বিয়ের নামে পাচার করে বিক্রি করলে সেই দেশের সরকারের টনক নড়ে। সেখানে বেশীরভাগ দরিদ্র খ্রিস্টান ধর্মের মেয়েকে টার্গেট করতো। আমাদের সরকারের টনক কবে নড়বে দেখার বিষয়!
সতর্ক করার দরকার ছিলো: আবারও সতর্ক করে দিচ্ছি। ভুলেও কেউ চাইনিজদের স্বল্প পরিচয়, অনলাইন প্রেম ও বিয়ের ফাঁদে পা দিবেন না।
আমার তো মনে হচ্ছে: ✅ Save Our Bangladeshi Sisters from Chinese Men ক্যাম্পেইন চালানো জরুরী।

কমেন্টে বিভিন্ন নিউজপেপার, টিভি রিপোর্টের লিংক সংযোজন করা হলো।

পোষ্ট: সংগৃহীত

Islamic story

02/11/2025

Surah Mulk | Sheikh Yasser Dossary

Surah Al-Mulk (67): Verses 1-30 recited by Sheikh Yasser Dossary

Islamic story


Collected: Al Huda Productions

03/10/2025

দ্বীনদার ছেলেরা কি রোমান্টিক হয় না?

অনেকে মনে করে, যারা দ্বীন মেনে চলে, দাড়ি রাখে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, ইসলামিক পোশাক পরে—তারা বুঝি একেবারেই কাঠখোট্টা! তাদের জীবনে ভালোবাসা, রোমান্স, আবেগ—এসবের কোনো স্থান নেই। কিন্তু এ ধারণা কতটা সত্য?

আসলে রোমান্টিকতা মানে যদি হয় ভালোবাসা প্রকাশ, যত্ন নেওয়া, অনুভব করা এবং প্রিয়জনকে মূল্য দেওয়া—তাহলে দ্বীনদাররাই তো আসল রোমান্টিক! আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন সবচেয়ে উত্তম স্বামী। তিনি স্ত্রীদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে কখনো কার্পণ্য করতেন না। তিনি স্ত্রীদের নাম ধরে ডাকতেন, তাদের সঙ্গে গল্প করতেন, এমনকি দৌড় প্রতিযোগিতাও করতেন।

একবার ভাবুন—যিনি দ্বীনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছিলেন, যিনি ছিলেন ওহির বাহক, তিনি যদি ভালোবাসা প্রকাশে এত যত্নবান হন, তাহলে একজন প্রকৃত দ্বীনদার কীভাবে ভালোবাসায় অনাড়ম্বর হতে পারে?

আসলে সমস্যা হলো—আমরা রোমান্টিকতা বুঝি শুধু সিনেমার চোখে। যেখানে প্রেম মানে চোখের জল, চিঠি, গান, হাত ধরা কিংবা সারারাত ফোনে কথা বলা। কিন্তু ইসলাম ভালোবাসাকে দেখেছে আরও গভীর, আরও ভারসাম্যপূর্ণ এক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। যেখানে ভালোবাসা মানে সম্মান, দায়িত্ব, আদর এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—আল্লাহর জন্য ভালোবাসা।

তাই হ্যাঁ, দ্বীনদার ছেলেরা রোমান্টিক হয়—তবে তাদের রোমান্সে থাকে পরিশুদ্ধতা, নৈতিকতা, আর আল্লাহর সন্তুষ্টির খোঁজ। তারা স্ত্রীকে ভালোবাসে নবীর সুন্নাহ অনুসারে, গোপনে নয় বরং হালালভাবে, সম্মান দিয়ে।

রাস্তাঘাটে হাত ধরা নয়, বরং নিজের স্ত্রীকে জায়নামাজে পাশে বসিয়ে দোয়া করার মধ্যেই তারা খুঁজে পায় প্রেমের আসল সৌন্দর্য।


Islamic story

02/10/2025

এক হি*ন্দু বললোঃ "তগো মুসলিম নারীগো তো আমরা খেয়ে দিচ্ছি"!!!
আমি বললামঃ "কে মুসলিম? যাদের খাচ্ছিস তারা তো আমাদের কেহ নয়।
হিজাব তো মিয়া খলিফাও পড়ে আবার আফিয়া সিদ্দিকাও পড়ে।
[মিয়া খলিফা-পর্ন তারকা] আর আফিয়া সিদ্দিকার মধ্যে তফাৎ করতে না পারলে বেশ্যা আর মু'মিনা চিনবি কেমনে?

হিন্দুটি বললোঃ তোদের মুসলিম নারীর চরিত্র কেমন? কিভাবে চিনবো?

আমি বললামঃ সহীহ মুসলিম (ইঃ ফাঃ) ৪৫৩০ নং হাদিস দেখ।

হিন্দু হাদিস বাহির করে একটা লাইনে আটকিয়ে গেলো,
লাইনটা ছিলো উম্মে সুলায়ম রাঃ এর মুখে উচ্চারিত।
রাসূল (সাঃ) জিজ্ঞেস করলেনঃ এ ছোরা কিসের জন্য?
তখন সুলায়ম (রাঃ) বললেন-
এটি এজন্য নিয়েছি যদি কোন বিধর্মী মুশরিক আমার কাছাকাছি আসে,
তবে এ দিয়ে আমি তার পেট চি(র ফেল(বা।

হিন্দুটি এই লাইনটি পড়ে থরথর করে কাপতে লাগলো।
আমি বললামঃ এই হলো আমাদের মুসলিম নারীদের চরিত্র।আর যাকে খাচ্ছিস ওটা বড়জোর মিয়া খলিফা টাইপের।

এই নারী আমাদের নয়,
আমরা আমাদের নারীদের ইজ্জত রক্ষার্থে বনু কাইনুকা বানাইছিলাম,
কিন্তু এই নারী আমাদের নয়।

আমাদের নারীরা উম্মে সুলায়ম হবে কবে বলো আর?
নিজের কলিজা ছি(ড় নয়,
শপথ করিবে মুশরিকদের কলিজা ছি(ড় ফেলার।
🪓

লেখা: সংগৃহীত


Islamic story

12/08/2025

মাত্র ৩০ হাজার টাকা মোহর নির্ধারণ করে আমার বাবা আমাকে বিয়ে দেন একজন কওমি মাদ্রাসার হুজুরের কাছে।

আমি জানতাম না আমার মোহর ৩০ হাজার। আমি ভাবছিলাম ফাতেমী মোহর হবে যা সাধারণত অনেক হুজুররা দিয়ে থাকেন। বিয়ের দিন কাবিননামায় দস্তখত দেয়ার আগে আমার হাতে ৩০ হাজার টাকা দেয়া হয়। আমি ভাবছিলাম হয়তো এখন ৩০ হাজার দিছেন পরে বাকিগুলো দেয়া হবে।

বিয়ের পরদিন ওয়ালিমা হয়। সেদিন বিকালবেলা তিনি আমার কাছে এসে বসলেন। আমার দিকে অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে আছেন। পরে বললেন, এই যুগে এসেও এতো স্বল্প মোহরে সন্তুষ্ট হয়ে আপনার মতো মেয়ে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যাওয়া সত্যিই অবিশ্বাস্য। সচরাচর সমাজে এরকম হয়না।

তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম, আমার মোহর কি শুধু ৩০ হাজার ই ছিলো? আমি তো জানতাম ফাতেমী মোহর হবে?

তিনি বললেন, এই ৩০ হাজার ই সব। আমি একটু চিন্তিত হয়ে গেলাম। মনটা কালো হয়ে গেল। তিনি তা বুঝতে পেরে আমাকে বললেন আপনি কি তাতে সন্তুষ্ট নন? অন্যথায় এ ব্যাপারে আবারো আলাপ করি আপনার বাবার সাথে। আমি বললাম, দরকার নেই। তিনি চলে গেলেন, বুঝলাম উনার ও মন খারাপ হয়ে গেল আমার আচরণে।

এরপরদিন আমাদের বাড়িতে এসে আমার আব্বার সাথে মোহর নিয়ে আলোচনা করলাম। মোহর এতো স্বল্প কেন ধার্য করা হল, কমপক্ষে তো ফাতেমী মোহর যা বর্তমানে প্রায় ২ লক্ষ ৮০ হাজার এর মতো ধার্য করা উচিৎ ছিল।

আব্বা আমাকে তার রুমে নিয়ে গিয়ে আমাকে বুঝালেন,
বিয়ের সম্পর্ক ঠিকে থাকে ভালোবাসা, বিশ্বাস, আর আনুগত্যের মাধ্যমে। উচ্চ পরিমাণের মোহরের মাধ্যমে নয়।

একে অপরকে ভালোবাসো, এমন কোন কাজ করোনা যা ভালোবাসার পথে বাঁধা সৃষ্টি করে। এবং তোমাদের মাঝে মনোমালিন্য তৈরী হয়।

কখনো স্বামীর বিশ্বাস ভঙ্গ করোনা, এমন কাজ করোনা যা তার বিশ্বাসের বিপরীত হয়। ফলে তোমাদের মধ্যে বিবাদ তৈরী হবে।

সবসময় স্বামীর আনুগত্য ও সেবায় নিয়োজিত থাকো। কখনো স্বামীর অবাধ্য হয়ে কোন কাজ করতে যেওনা যার ফলে সে তোমার প্রতি অসন্তুষ্ট হবে।

ভালোবাসা, বিশ্বাস, এবং আনুগত্য না থাকলে ৩০ কোটি টাকা মোহর ধার্য করলেও সে তোমার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে সময় নিবেনা। সে তোমার থেকে আলাদা হয়ে যাবে। কারণ তুমি যখন তার মানসিক প্রশান্তি হতে পারবেনা তখন সে তোমাকে নিয়ে থাকতে চাইবেনা। এমন কাজ যদি করো যা তার ভালোবাসা, বিশ্বাস, আর আনুগত্যের পরিপন্থী তাহলে সে তোমাকে নিয়ে সংসার করতে পারবেনা, একসময় সে তোমার থেকে আলাদা হয়ে যাবে। তখন সে উচ্চ পরিমাণের মোহরের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করবেনা।

মোহরের স্বল্পতা বা আধিক্যতা বৈবাহিক সম্পর্ক ঠিকিয়ে রাখেনা। সম্পর্ক ঠিকিয়ে রাখবে তোমার আচার-আচরণ ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।

সুতরাং, জামাই তার সামর্থ্য অনুযায়ী নগদ ৩০ হাজার মোহর দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন, এবং বাকি কোন মোহর তিনি রাখতে চান না। এটা শুনার পর আমি রাজি হয়ে যাই। এবং জামাই সম্পর্কে আমি সবকিছু ভালোই জেনেছি। এটা নিয়ে মন খারাপের কিছু নেই। তুমি তার মনের মতো হওয়ার চেষ্টা করো, ভালোবাসা কখনো শেষ হবেনা, বৃদ্ধি পাবে।।
ওইদিন রাতে যখন আমি উনার সাথে কথা বলি, তখন আমার পরিস্থিতি বুঝে তিনি আমাকে মোহর সম্পর্কে কুরআন সুন্নাহ থেকে কিছু আলোচনা শুনান আমাকে। তার কথাগুলো শুনে আমার চোখে পানি চলে আসলো। তাকে জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করে দিলাম। গতদিন আমার চিন্তিত চেহারা দেখে তিনি কষ্ট পেয়েছিলেন, আমি ক্ষমা চাইলাম তার কাছে। এবং বললাম আমি সন্তুষ্ট আছি আলহামদুলিল্লাহ! ইনশা-আল্লাহ এই স্বল্প মোহরের বিয়ে অনেক বরকত ও কল্যান বয়ে আনবে। এবং আমি এই বাস্তবতা এখন থেকে লক্ষ্য করছি।

নোটঃ মোহরের স্বল্পতা বা আধিক্যতা বৈবাহিক সম্পর্ক ঠিকিয়ে রাখেনা। সম্পর্ক টিকে থাকে আচার-আচরণ, চারিত্রিক ও নৈতিক বৈশিষ্ট্য, ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আনুগত্যের মাধ্যমে।

সুতরাং, মোহরকে স্বল্প করুন, ছেলেদের জন্য বিয়েকে সহজ করুন। ইনশাল্লাহ অনেক কল্যাণময় সংসার হবে।
❤️ ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।
(কপি পোস্ট)

06/08/2025

#মাইশা আক্তার ( ১৮ )
পড়েন মহিলা মাদ্রাসার মেশকাত জামাতে।
খুবই বিচক্ষণ আর দুর্দশীতা সে। অনেক ভাল মেয়ে।
মাইশার আম্মা স্বপ্না বেগম। পিতা মো:আব্দুল্লাহ।

ইদানিং মাইশার কাছে তার মায়ের আচরন অনেকটা ভিন্ন লাগছে। কেননা মাইশাদের বাড়িতে মাইশার মায়ের ফুফাতো ভাইয়ের ইদানিং খুব আসা যাওয়া। মাইশা বিষয়টি অন্য ভাবে আচ করে একটু তদন্তে নামেন। অবশেষে " মাইশা বুঝতে পারে মাইশার মায়ের অবৈধ পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে ঐ লোকের সাথে।

মাইশা ধার্মিক মেয়ে তাই চিন্তা করলো" বাবাকে বিষয়টি না জানিয়ে - মা, কে ধর্মীয় ভাবে বুঝাতে হবে। এজন্য মাইশা তার মা কে আল্লাহর ভয় দেখান। ও পরকীয়ার শাস্তি জানান। কিন্তু মাইশার এ কথাগুলি তার মায়ের কাছে অগ্নি ফুলঙ্গের মত লাগলো । মাইশা মাদ্রাসায় চলে যাওয়ার পর স্বপ্না তার পরকীয়া স্বামীর সাথে বিষয়টি আলোচনা করে।
এবং তারা মাইশাকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়।

বিকেল ৩ টা।
আসরের আজান হবে। মাইশা মাদ্রাসা থেকে ফিরে আসে বাড়িতে। মাইশার বাবা আব্দুল্লাহ মিয়া চাকরীর সুবাদে বাড়ির বাহিরে থাকার কারনে বাড়ি একদমই ফাঁকা ছিল। মাইশা যেই মাত্র বাড়িতে আসলো। পিছন থেকে বাড়ির দরজা গেইট বন্ধ করে দেয়া হলো। হায়েনার মত নিস্পাপ অসহায় মাইশার উপর জাপিয়ে পড়ে মাইশার মায়ের সেই পরকীয়া স্বামী। টেনে হেচড়ে গায়ের বোরকা খুলে মায়ের সামনেই ধর্ষণ করলো মাইশাকে। ধর্ষণ করার পর মাইশার দু পায়ে চেপে ধরলো পরকীয়াধারী সেই লোক। আর মাইশার গলা টিপে শ্বাসরুদ্ধ করে মাইশাকে হত্যা করলো মাইশাকে জন্ম দেয়া মাইশার আপন মা।

ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার,
কিশোরগন্জ জেলার,করিমগন্জ থানার- দেহুন্দা গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ডে।

আর এভাবেই হত্যা করলো নিজের মা আপন সন্তান মেয়েকে। তার অন্যায় সে পরকীয়ার বিষয়টি জেনে গিয়েছিল। একটি পরকীয়া কত ভয়ানক হতে পারে তা লিখতেই আমার শরির কাপছিল...
........-------সংগৃহীত।-------.......

04/08/2025

__গাইরতহীন স্বামীর ঘর থেকে পলায়ন

মেয়েটা কুরআনের হাফেজা। একটি কওমি মহিলা মাদরাসার ছাত্রী। দাওরায়ে হাদিস ক্লাসে পড়ত। কিছুদিন গেলেই সে একাডেমিকভাবে আলেমা হয়ে যাবে। হিফজ শেষ করে আলেমা হতে হতে সে পূর্ণ যৌবনা হয়ে গিয়েছিল। হাফেজা-আলেমা মেয়ে হিসেবে তার কদর ছিল অনেক। আমাদের দ্বীনি কমিউনিটিতে অনেক আলেমা মেয়ে পাওয়া গেলেও হাফেজা মেয়ে পাওয়া বেশ দুষ্কর।

হাফেজা-আলেমা মেয়েদের প্রতি আমাদের সমাজের মায়েদের আবার আদিখ্যেতা একটু বেশি। এমন মেয়েকে পুত্রবধূ বানাতে পারলে তারা মনে করেন দুনিয়াতেই জান্নাত জুটিয়ে ফেলেছেন! এর ব্যতিক্রম না আমার গর্ভধারিণী মাও; তিনিও তাঁর পরিচিত এক হাফেজা-আলেমা মেয়েকে পুত্রবধূ করার জন্য পাগল হয়ে গিয়েছিলেন। অবশ্য সেই মেয়ের পরিবার মেয়েকে বিলেত বিয়ে দেওয়ার জন্য মান্নত করে রাখায় আমার মায়ের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি!

যাকগে, মূল কাহিনিটাই বলি। তো দাওরায়ে হাদিস পড়ুয়া সেই হাফেজা-আলেমা মেয়েটিকে পুত্রবধূ করে নেওয়ার জন্য বড্ড শখ জাগল পার্শ্ববর্তী এলাকার এক মায়ের। তিনি দৌড়ে ছুটে এলেন মাদরাসায়। মেয়েটাকে দেখতে। পছন্দও হলো মেয়েকে। তার অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছিল, পারলে এখানেই মাদরাসায় মেয়েটিকে কবুল বলিয়ে উঠিয়ে নিয়ে যান পুত্রবধূ করে। অথচ, একবারও ভাবলেন না-তার বজ্জাত ছেলেটা আদৌ এই মেয়ের উপযুক্ত কি না!

ছেলের পরিবার ছিল অবস্থাপন্ন। গোয়াল ভরা গরু; পুকুর ভরা মাছ আর গোলা ভরা ধান। ফলে যা হওয়ার তা-ই হলো। এমন সম্বন্ধ হাতছাড়া করতে চায় না মেয়ের পরিবার। তারা একপায়ে খাড়া! অথচ, একবারও ভাবল না মেয়েটির কথা। তাদের এত শখের হাফেজা-আলেমা মেয়ের উপযুক্ত কি না ওই পাত্র! মেয়েরও তো একটা শখ আছে। স্বপ্ন আছে। কিন্তু লোভী অন্তরগুলো আসলে এসব বিবেক-বিবেচনা করার টাইম পায় না!

উভয় পক্ষ মিলে একটা দিন ঠিক করল। সেদিনই মেয়েটা বধূ হয়ে স্বামীর বাড়ি গিয়ে উঠল। মেয়েটার সব স্বপ্ন ফিকে হয়ে গেল বাসর রাতেই। নামাজ-কালাম তো নেই; নবপরিণীতা স্ত্রীর কাছে আসার সুন্নাহ তরিকারও কোনো বালাই নেই। এমনকি কোনো প্রকার রোমান্টিকতাও নেই। ক্ষুধার্ত নেকড়ে যেভাবে নিরীহ হরিণীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে-এরচেয়ে ব্যতিক্রম কিছু মনে হলো না।

যত দিন যেতে লাগল, মেয়েটার কাছে তত পরিষ্কার হতে লাগল যে, তার স্বামী একাই শুধু দ্বীনহীন না; এই বাড়ির সবগুলো লোকই দ্বীনহীন। দ্বীনের ছিটেফোঁটাও এদের মধ্যে নেই। আবার টাকার জোর থাকায় এদের গরিমার পারদটাও বেশ উঁচু। গরিব কাউকে গোনায় ধরতে চায় না। গরিব ঘরের মেয়ে বলে তাকেও অবজ্ঞার নজরে দেখে।

তবে এসব মোটেও গায়ে মাখেনি মেয়েটি। সামাজিক জাহালাতের কারণে এই সমাজের বেশির ভাগ মেয়েকেই এসব লাঞ্ছনা ও বঞ্চনা সেক্রিফাইস করেত হয়। সামনে আসবে শুভদিন-এমন একটা আশা নিয়ে মুখ বুজে সব সহ্য করতে হয়। কিন্তু বিপত্তি বাঁধল মেয়েটা যখন দেখল-তার স্বামীটা শুধু দ্বীনহীন-ই না; রীতিমতো গাইরতহীনও বটে!

মেয়ে হাফেজা-আলেমা হওয়ায় দ্বীনের ব্যাপারে খুব সচেতন ছিল। শ্বশুরবাড়ির বৈরী পরিবেশেও সে হিমশিম খেয়ে হলেও দ্বীন রক্ষা করার চেষ্টা করে যেতে লাগল। কিন্তু সে যত দ্বীন রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছিল, তত হিতে বিপরীত হতে শুরু করল! তার এই রক্ষণশীলতা মোটেও ভালো চোখে নিল না শাশুড়ি ও সে বাড়ির প্রতিটি সদস্য!

মেয়েটি তার দেবরদের সাথে পর্দা করার চেষ্টা করত বলে স্বামী ও শাশুড়ির মুখ থেকে রীতিমতো গালাগাল শুনতে হতো। শাশুড়ি বলত, মেয়েটা নাকি তার ছেলেদেরকে ভালো নজরে দেখতে পায় না; এজন্য দূরে দূরে থাকতে চায়! অথচ, সবগুলো দেবর ছিল বজ্জাত; আরও দশটা পরিবারের বেহায়া ভাবিদের মতো তার সাথেও কুরুচিপূর্ণ ভঙ্গিতে ইয়ার্কি মারতে চাইত!

দেবরদের উৎপাত এতটাই মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে, ছোটো দেবরটা তার বেডরুমে পর্যন্ত যখন-তখন ঢুকে যেত! গায়ে হাত দিয়ে ইয়ার্কি মারার চেষ্টা করত! এমনকি গোসলখানায় গেলে লুচ্চাটা উঁকিঝুঁকি দিতে চেষ্টা করত! শুনতে বিশ্রী শুনালেও বলতে বাধ্য হচ্ছি, সারাদিন টো টো কোম্পানির ম্যানেজারের মতো বেকার।

ঘুরে বেড়ানো এই লুচ্চাটা একদিন মেয়েটাকে বলে, 'ভাবি! আজকে তো ভাইয়া বাসায় আসবে না; রুমের দরজাটা একটু খুলে রেখো, প্লিজ!'

কথাটা শোনার পর রীতিমতো গা শিউরে উঠল মেয়েটার। এ কী বলে লুচ্চাটা! মেয়ে সিদ্ধান্ত নিল-আর নয়; দেবরকে আর বাড়তে দেওয়া যাবে না; এখনই স্বামীকে জানাতে হবে তার ছোটো ভাইয়ের এসব কুকীর্তি।

স্বামী বাড়িতে এলে মেয়েটি স্বামীকে সব খুলে বলে। কিন্তু এখানেও হয় হিতে বিপরীত; বউয়ের মুখে ছোট ভাইয়ের বদনাম শুনে ঠাস করে বউয়ের গালে চড় বসিয়ে দেয় পাষণ্ড স্বামী! আর রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে বলে, 'তোর সাহস তো কম না; আমার কাছে আমারই ভাইয়ের নামে যা তা বলিস!'

ছেলের ঘরে রাগারাগি আর থাপ্পড়ের আওয়াজ শুনে দৌড়ে আসে শাশুড়ি। সাথে আসে তার নাইয়রী মেয়ে। শাশুড়ি এসে ছেলেকে জিজ্ঞেস করে-কী হয়েছে? ছেলে সব খুলে বলে। শুনে শাশুড়ি কালনাগিনীর মতো ফুঁসতে ফুঁসতে পুত্রবধূর চুলের মুঠো ধরে মারতে থাকে। মায়ের সাথে তাল দেয় তার নাইয়রী বড় মেয়েও! এক পর্যায়ে চুলের মুঠো ছেড়ে দিয়ে শাশুড়ি বলে, 'ছোটোলোকের বাচ্চা, তোর কত বড় সাহস; আমার ছেলের নামে বদনাম রটাস?!'

বাড়িতে স্বামীর বড়ো বোন নাইয়র এসেছে। সাথে তার স্বামীও। খাবারের টেবিলে জামাইয়ের সাথে শ্যালকের বউকেও ডাকা হলো। একসাথে মিলেমিশে খাওয়ার জন্য। মেয়েটি মনে মনে আল্লাহকে বলতে লাগল, 'ওগো আল্লাহ! এ কী পরীক্ষায় ফেললেন আমাকে!' সে ইতস্তত করতে লাগল। যাবে কীভাবে, আবার না গেলে যে নির্যাতন শুরু হবে, সেটাই বা সইবে কেমনে! হুজুরনি বউকে ইতস্তত করতে দেখে তার স্বামী নিজে উঠে গিয়ে এক ঝটকায় টান মেরে এনে ডাইনিং টেবিলে দুলাভাইয়ের পাশে বসিয়ে দিলো!

তো ডাইনিং টেবিলে শুরু হলো দুলাভাইয়ের আলগা পিরিতের আরেক নমুনা। বেচারা নিজের বউকে রেখে বেশ ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়লেন শ্যালকের বউকে নিয়ে! নিজের পাতের মাছটা উঠিয়ে শ্যালকের বউয়ের পাতে দিতে দিতে আদিখ্যেতা দেখাতে শুরু করলেন। আলগা পিরিত দেখানোর পাশাপাশি এটা-ওটা গল্প করতে লাগলেন। অন্যদিকে টেবিলের নিচের দিকে বারবার শ্যালকের বউয়ের পায়ের সাথে নিজের পা দিয়ে গুঁতাগুঁতি করেই যাচ্ছিলেন। আর মেয়েটা লজ্জায় বারবার পা সরিয়ে নিচ্ছিল!

এখানেই শেষ নয়। সন্ধ্যার পর বাসায় বসল লুডু খেলার আসর। স্বামী, বড় ননদ (নাইয়রী মেয়ে), তার জামাই আর ঘরের বউ। মানে আমাদের আলোচিত পুত্রবধূ হাফেজা-আলেমা মেয়েটা! মেয়েটা এখানেও খেলতে রাজি ছিল না। কিন্তু জামাই মানে বড় ননদের স্বামী জোর করে টেনে এনে খেলতে বসায়। আর টেনেহিঁচড়ে নিয়ে আসার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করছিল তার গাইরতহীন স্বামী! খেলতে বসে সকলেই লুডুর গুটি নিয়ে ব্যস্ত, আর জামাই ব্যস্ত শ্যালকের বউকে নিয়ে। লুডুর গুটি সরানোর ফাঁকে ফাঁকে সে মেয়েটির কোমরে স্পর্শ করতে শুরু করে! কখনো বাহু দিয়ে অশালীন কিছু করার চেষ্টা করে!

এক পর্যায়ে মেয়েটি সহ্য করতে না পেরে খেলা ভঙ্গ করে দিয়ে উঠে চলে যায়।

এরপরই সে জীবনের কঠিন সিদ্ধান্তটা নিয়ে নেয়, যা কিনা সব মেয়ে সহজে নিতে পারে না। সে সিদ্ধান্ত নেয়-এই বাড়িতে আর থাকা যাবে না। এই বাড়ির প্রতিটি সদস্য জাহিল, দ্বীনহীন, লুচ্চা, বদমাইশ। তবে সবচেয়ে বড় দ্বীনহীন হলো তার স্বামী। শুধু দ্বীনহীন-ই না; চরম পর্যায়ের গাইরতহীন সে। এই লোকটার ঘর করা যাবে না। ঘর করতে গেলে দ্বীন পুরোটাই মাটি হবে।

এরপর কয়েক দিন কেটে যায়। মেয়েটা শুধু সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। যেকোনোভাবে সে নিজেকে এই জাহান্নাম থেকে মুক্ত করতে চায়। এতে যে যা বলার বলুক। মা-বাবা ঘরে জায়গা দিক বা না-দিক; তাতে তার কিছু যায় আসে না। তাকে তো তার দ্বীন রক্ষা করতেই হবে। একদিন রাতের বেলা সুযোগ পেতেই ঘর থেকে বেরিয়ে সে পলায়ন করে...।

বাগিচা থেকে একটি সুন্দর ফুল ছিঁড়ে ঘ্রাণ শুঁকে কিছুক্ষণ পর সেটা ছুড়ে ফেলে দিলে যেমন মানুষ পরিত্যক্ত সেই ফুলটা আর হাতে নেয় না, তেমনিভাবে আমাদের এই জাহিলি সমাজে একটা মেয়ের বিয়ে হওয়ার পর ডিভোর্স হলে তাকে আর কেউ বিয়ে করতে চায় না! সকলেই ভার্জিন বিয়ে করতে চায়! এমতাবস্থায় অল্প দিনের সুখের পর মেয়েটি দীর্ঘস্থায়ী এক দুঃখের সাগরে নিমজ্জিত হয়।

ভাগ্যবিড়ম্বিতা এই মেয়েকে আর কেউ সহজে বিয়ে করতে চাইবে না। শুধুমাত্র অভিভাবকের লোভের কারণে একটা মেয়ের জীবনটাই নষ্ট হয়ে গেল!

এছাড়াও ভাবি হলো মায়ের সমান/দেবর হলো ভাইয়ের মতো/ ছেলের মতো আরো কত কত উক্তি দিয়ে যায় আমাদের এই অন্ধ-মূর্খ্য সমাজ!!!

দেবর/ভাবি এবং শালি/দুলাভাইয়ের সম্পর্ক গুলো এতো ভয়াবহ যা না বললেই নয়।
আর স্বামী যদি হয় গাইরতহীন তাহলে তো এর পরিণতি আরো ভয়ংকর!!

দ্বীনদার মেয়েদেরকে বলবো, পরিবারের চাপে হলেও এইধরনের পরিবারে বিয়ে করতে রাজি হবেন না। দিনশেষে আপনার দ্বীন আপনার কাছে, আপনার জীবনটা আপনারই। এখানে ভুলবশত কম্প্রোমাইজ করে নিজের জীবনটা শেষ করবেন নাহ!

আল্লাহ তায়ালা এরকম পরিবারের মানুষদের হিদায়েত দান করুক এবং সবাইকে উত্তম-দ্বীনদার জীবনসঙ্গী দান করুক।

আমিন_

03/08/2025

“স্ত্রী আমার গর্ব” আর ফেইসবুক তার নাট্যমঞ্চ !

(বিশেষ করে স্ত্রীর ছবি যারা ফেইসবুকে পোস্ট দেন পোস্টটি তাদের জন্য)
বিয়ের পর দেখা যায় অনেকেই স্ত্রীকে নিয়ে ছবি পোস্ট করেন : আর ক্যাপশন জুরে দেন—“মাই জান” “মাই রানি” “মাই ফ্যামিলি” আরো কত কি, শেষে বলেন “দোয়া করবেন” 🙄

ছবি দেখে মনে হয় পাবলিক রিলেশনশিপ ম্যানেজার নিয়োগ দিয়েছেন ! ছবিতে হাস্যোজ্জ্বল স্ত্রী, শাড়ি, সাজুগুজু, সেলফি স্টাইল আর কমেন্টে পরপুরুষদের বুলেটিয়ান কুদৃষ্টি : “ভাইয়া ভাবি তো মাশা আল্লাহ, বোম্ব!” 🤔😡

ভাই, মনে রাখবেন : আপনার ভালোবাসা সুন্দর কিন্তু সেটা যদি পর্দাহীন পোস্ট হয়, তাহলে সেটা ভালোবাসা না “ভুলবাসা” ।

রাসূল ﷺ বলেছেন —“আমি আমার উম্মতের জন্য নারীদের ফিতনাকেই সবচেয়ে বেশি ভয় করি।” [সহীহ মুসলিম]

আর আল্লাহ্ তায়ালা বলেন—“আর তারা যেন নিজেদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে” [সূরা নূর,আয়াত/৩১]

🧕স্ত্রী আপনার জীবনসঙ্গী, ইন্টারনেটের প্রদর্শনী ছবি নয় !
একবার ভাবুন তো, আপনার পোস্টে যেসব ছেলে আপনার স্ত্রীকে দেখে “মাশাআল্লাহ” বলে কমেন্ট করছে, তারা কি আসলেই দু’আ দিচ্ছে, নাকি চোখ বড় করছে??

ভালোবাসা মানে প্রদর্শন নয়, ভালোবাসা মানে রক্ষা করা ।
তাই দয়া করে স্ত্রীর ছবি ফেইসবুকে দিয়ে “মাই রানি” বানানোর আগে একবার ভাবুন তো, তাকে কি সত্যিই রাণী বানাচ্ছেন, নাকি সবার দেখার পোস্টার বানাচ্ছেন ??

আল্লাহ তায়ালা সবাইকে বোঝার তৌফিক দিন ।

31/07/2025

অজানা‌কে জানুন, যেটা জান‌তেন সেটা বা‌তিল ক‌রে‌ছেন রাসুল (সাঃ)এর জীবদ্দশায়ই।

একসময় নারী‌দের কবর জিয়ারত ইসলামে নিষিদ্ধ ছিল। পরবর্তীতে যখন নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়ে কবর জিয়ারতের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে তখন সে অনুমতি নর-নারী নির্বিশেষে সবার জন্যই দেওয়া হয়েছে।
.... নবী পত্নী হজরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) কবর জিয়ারত করতেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আবি মুলাইকা বলেন, একদিন হজরত আয়েশা (রা.) কবরস্থান থেকে আসলেন। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কোথা থেকে আসলেন? তিনি বললেন, আমি আমার ভাই আবদুর রহমান ইবনে আবু বকরের কবরের কাছ থেকে আসলাম। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেননি? তিনি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে কবর জিয়ারতের আদেশ করেছিলেন।
(মুস্তাদরাকে হাকিম: ১৩৯২, সুনানে বায়হাকি: ৬৯৯৯)

সারকথা হলো, পুরুষদের মতো নারীরাও কবর জিয়ারত করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে যে, কবর জিয়ারতের নামে বেপর্দা হওয়া যাবেনা। শরয়ি পর্দার পূর্ণ অনুগামী হয়ে পুরুষদের সংশ্রব ও সংমিশ্রণ এড়িয়ে এবং কবরের পাশে উচ্চ স্বরে বিলাপ বর্জন করে যদি কোনো নারী কবর জিয়ারত করতে যায় কিংবা আগ্রহী হয়, তবে ইসলাম তাকে স্বাগত জানায়।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka
1230