Nirvan
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nirvan, Mental Health Service, Dhaka.
মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ সহযোগী:
এখন মানসিক স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজ, আরও নিরাপদ, আর আপনার হাতের নাগালে।
Nirvan একটি আধুনিক টেলিসাইকিয়াট্রি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি ঘরে বসেই মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারবেন।
আমরা প্রতিদিন গড়ে কত ঘণ্টা স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে কাটিয়ে দিই, তা কি কখনো হিসাব করে দেখেছি? প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা অবশ্যই আছে, কিন্তু এর অতিরিক্ত ব্যবহার অলক্ষ্যেই আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করছে।
প্রযুক্তি যেন আমাদের নিয়ন্ত্রণ না করে, বরং আমরা যেন প্রযুক্তিকে সঠিক নিয়মে নিয়ন্ত্রণ করি। আসুন, আজ থেকেই একটু সচেতন হই এবং নিজের মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিই। 🌿
20/05/2026
🧠 বিশ্ব সিজোফ্রেনিয়া দিবস উপলক্ষে বিশেষ সুযোগ!
মানসিক সুস্থতা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি আপনার অধিকার। আপনার বা আপনার কাছের মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নে ‘নিরভান’ (NIRVAN) নিয়ে এলো এক বিশেষ অফার।
শর্তাবলি
১.অনলাইনে এবং অফলাইন (সরাসরি) দুই ক্ষেত্রেই এই অফার কার্যকর হবে।
২.অফারটি শুধু ২৪ মে ২০২৬ তারিখে সেবা নেয়ার জন্য প্রযোজ্য।
৩.৫০% ডিস্কাউন্টে সার্ভিস নেয়ার ক্ষেত্রে নিরভান কর্তৃক নির্ধারিত কনসালটেন্ট দের শিডিউল নেয়া যাবে।
৪.২২ তারিখ এর মধ্য APPOINTMENT বুক করতে হবে।
18/05/2026
মানসিক স্বাস্থ্য আমাদের সামগ্রিক সুস্থতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
দৈনন্দিন জীবনের চাপ, উদ্বেগ, হতাশা, ঘুমের সমস্যা বা সম্পর্কজনিত টানাপোড়েন—এসব বিষয় অবহেলা না করে সময়মতো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সঠিক দিকনির্দেশনা ও চিকিৎসা আপনার জীবনে আনতে পারে ইতিবাচক পরিবর্তন।
Dr. A B Chowdhury Omi
MBBS
MD (Psychiatry)
Consultant Psychiatrist, Nirvan
WhatsApp & Contact: 01341-900221
Consultation Hours: 10:00 AM – 10:00 PM
Feel well, Live well 💙
17/05/2026
কথা না বলা রোগ
ক্লাস ওয়ানে পড়ুয়া মেয়ে মিম খুব চঞ্চল একটা মেয়ে। বাসায় সে যেন একেবারে ঝড়—মায়ের সাথে গল্প, বাবার সাথে তর্ক, ছোট ভাইকে নিয়ে খেলা
—সবকিছুতেই তার উপস্থিতি জোরালো। সারাদিন তার মুখে কথার ঝর্ণা।
কিন্তু স্কুলের খাতায় অন্য গল্প লেখা
প্রায়ই ক্লাস টিচার মিমের মাকে ডেকে বলেন, “আপনার মেয়ে খুব ভালো লিখে, কিন্তু মুখে কোন প্রশ্নের উত্তর দেয় না। ভাইভাতে একদম চুপ। একটা প্রশ্নেরও উত্তর দেয় না।”
মিমের মা অবাক হন। “ও তো বাসায় এত কথা বলে!”
লিখিত পরীক্ষায় মিম সবসময় ভালো করে, কিন্তু মৌখিক পরীক্ষায় শূন্য। কারণ তার মুখই খোলানো যায় না। সহপাঠীরা কখনো কখনো ভাবে, মিম বুঝি কিছুই জানে না। অথচ সত্যিটা ঠিক উল্টো।
একদিন ক্লাস টিচার মিমের মাকে পরামর্শ দিলেন একজন চাইল্ড সাইকিয়াট্রিস্টের সাথে কথা বলার জন্য। তিনি বলেন, এটা ইচ্ছা করে না বলার বিষয় নাও হতে পারে।
টিচারের কথায় তারা একজন শিশুমনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে গেলেন। তিনি সব শুনে জানালেন , মিমের সিলেক্টিভ মিউটিজম নামক মানসিক রোগ আছে।
ডাক্তার ব্যাখ্যা করলেন, “এটা এমন একটা অবস্থা, যেখানে বাচ্চারা নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে—যেমন স্কুলে, অপরিচিত স্থানে কথা বলতে পারে না, যদিও তারা অন্য জায়গায় স্বাভাবিকভাবে কথা বলে। এটা জেদ বা অভদ্রতা না, বরং এক ধরনের অ্যানজাইটি।”
মিমের মাকে ডাক্তার আশ্বস্ত করলেন যে, চিকিৎসার মাধ্যমে অবস্থার উন্নতি সম্ভব।
ধীরে ধীরে থেরাপি শুরু হলো। টিচারকেও বলা হলো তাকে জোর না করতে, বরং ছোট ছোট পদক্ষেপে উৎসাহ দিতে। প্রথমে মাথা নাড়া, তারপর ফিসফিস করে বলা, এবং খেলার মাধ্যমে তার অ্যাংজাইটি বা টেনশন কমানো।
এভাবে ধীরে ধীরে একদিন মিম ক্লাসে রেসপন্স করা শুরু করল। লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি ভাইভাতেও ভালো নম্বর পেল।
মিমের মা তার টিচারকে ধন্যবাদ জানান সঠিক সময়ে সঠিক পরামর্শ দিয়ে তার মেয়ের এতবড় উপকার করার জন্য।
16/05/2026
অনেকেই ভিড়ের মাঝে থেকেও একা অনুভব করেন।
পরিচিত মানুষের সাথেও কথা বলতে দ্বিধা, নতুন পরিস্থিতিতে অস্বস্তি, কিংবা অযথা ভয়—এসবই হতে পারে Social Anxiety-এর লক্ষণ।
এটি শুধুমাত্র লাজুকতা নয়, বরং একটি বাস্তব মানসিক অবস্থা যা ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে।
Social Anxiety থাকলে মানুষ প্রায়ই নিজেকে গুটিয়ে রাখে, নিজের কথা প্রকাশ করতে সংকোচ বোধ করে এবং প্রতিনিয়ত অন্যদের বিচার নিয়ে চিন্তিত থাকে। কিন্তু মনে রাখা জরুরি—এটি দুর্বলতা নয়, বরং একটি চিকিৎসাযোগ্য অবস্থা।
সঠিক সময়ে সচেতনতা, সহানুভূতি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা একজন মানুষকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারে।
আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি এ ধরনের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে দেরি না করে একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। মানসিক সুস্থতা আপনার অধিকার। 🌿
মানসিক চাপ বা ট্রমা যখন ভাষায় প্রকাশ পায় না, তখন শরীর নিজেই তা শারীরিক লক্ষণের মাধ্যমে প্রকাশ করতে শুরু করে। একেই বলে কনভারশন ডিজঅর্ডার। মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন, শরীর সুস্থ থাকবে।
11/05/2026
মানসিক স্বাস্থ্য কোনো বিলাসিতা নয়, বরং সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য।
অনেক সময় আমরা শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে সচেতন হলেও মনের যত্ন নিতে ভুলে যাই।
বিষণ্ণতা, উদ্বেগ বা মানসিক চাপ আপনার দৈনন্দিন জীবনকে স্থবির করে দেওয়ার আগেই পেশাদার সহায়তা নিন।
মনে রাখবেন, কথা বলা বা সাহায্য চাওয়া কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সাহসের পরিচয়। 🌿✨
আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের সেবায় আমি আছি আপনার পাশে।"
আফরিন কবীর ইরিন
MSc & BSc (Clinical Psychology, University of Dhaka)
চেম্বার
নিরভান (NIRVAN)
২য় তলা, ব্লক-বি, দারুল আরকাম
২/৫ হুমায়ুন রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
যোগাযোগ ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট:
📞 WhatsApp & Contact: 01341-900221
মাথা ব্যথার কারণ খুঁজে পাওয়া আর হারানো চাবি খোঁজা একই কথা! 😅 কখনো কারণ অতিরিক্ত ফোনের স্ক্রিন, আবার কখনো প্রিয়জনের সাথে হওয়া ছোটখাটো টেনশন। তবে লক্ষণ যাই হোক, সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি
08/05/2026
আরেকবার দেখে আসি!
শাহীন প্রতিদিন সকালে একই সমস্যার মধ্যে পড়ে। বাসা থেকে বের হওয়ার আগে সে বারবার ঘরের তালা চেক করে—একবার, দুইবার, তারপরও মনে হয় ঠিকমতো লক হয়নি।
গ্যাসের চুলা বন্ধ আছে কিনা সেটাও বারবার দেখে, এমনকি মোটরসাইকেলের চাবিটা ঠিক জায়গায় আছে কিনা তাও বারবার নিশ্চিত হতে চায়।
এই চেক করা যেন চাইলেই থামানো যায় না এমন একটা অভ্যাস হয়ে গেছে। দরজা থেকে বের হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পরই আবার মনে সন্দেহ জাগে, “যদি কিছু ভুল হয়ে যায়?আরেকবার দেখে আসি”।
তখন সে আবার ফিরে আসে, আবার সবকিছু পরীক্ষা করে।
এর ফলে প্রায় প্রতিদিনই তার অফিসে দেরি হয়ে যায়। সহকর্মীরা বিষয়টা বুঝতে না পেরে তাকে নিয়ে প্রশ্ন তোলে, যা তাকে আরও অস্বস্তিতে ফেলে।
রাতের বেলাতেও শান্তি নেই। বিছানায় শুয়ে পড়ার পরও তার মনে হয়, হয়তো গ্যাস বন্ধ করা হয়নি, বা দরজাটা ঠিকমতো লক করা হয়নি। এই চিন্তাগুলো তাকে বারবার উঠে চেক করতে বাধ্য করে, ফলে তার ঘুমে সমস্যা দেখা দেয়।
শাহীন নিজেও বুঝতে পারে, বিষয়টা স্বাভাবিক নয়। কিন্তু না চেক করলে তার ভেতরের অস্থিরতা আরও বেড়ে যায়।
একদিন ফেসবুকের একটা লেখার মাধ্যমে সে জানতে পারে যে ওসিডি নামে একটা মানসিক রোগ আছে, যার কারণে এমনটা হতে পারে। শাহীন বুঝতে পারে —এটা শুধু অভ্যাস নয়, বরং এমন এক সমস্যা, যার জন্য সাহায্য নেওয়া জরুরি।
সে দেরি না করে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয় এবং চিকিৎসা নেয়া শুরু করে। ধীরে ধীরে শাহীন দেখতে পায় যে তার এই সন্দেহপ্রবণতা, অস্থিরতা কমতে শুরু করেছে।
ওসিডি বা অবসেসিভ কমপলসিভ ডিজঅর্ডার এমন একটি মানসিক রোগ যা সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।
07/05/2026
মানসিক স্বাস্থ্য কোনো বিলাসিতা নয়, বরং সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য।
অনেক সময় আমরা শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে সচেতন হলেও মনের যত্ন নিতে ভুলে যাই।
বিষণ্ণতা, উদ্বেগ বা মানসিক চাপ আপনার দৈনন্দিন জীবনকে স্থবির করে দেওয়ার আগেই পেশাদার সহায়তা নিন।
মনে রাখবেন, কথা বলা বা সাহায্য চাওয়া কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সাহসের পরিচয়। 🌿✨
আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের সেবায় আমি আছি আপনার পাশে।"
সাজিন হোসাইন ( Sajin Hossain)
অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট
MSc & BSc (Clinical Psychology, University of Dhaka)
চেম্বার
নিরভান (NIRVAN)
২য় তলা, ব্লক-বি, দারুল আরকাম
২/৫ হুমায়ুন রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
যোগাযোগ ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট:
📞 WhatsApp & Contact: 01341-900221
মানসিক রোগের ওষুধ কোনো নেশা বা স্রেফ ঘুমের বড়ি নয়, বরং এটি মস্তিষ্কের রাসায়নিক ভারসাম্য রক্ষা করে রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে সাহায্য করে।
লোকলজ্জা বা আজীবন ওষুধ খাওয়ার ভয়ে চিকিৎসা থেকে দূরে থাকা রোগের জটিলতা আরও বাড়িয়ে দেয়।
সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করলে মানসিক অস্থিরতা কাটিয়ে সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকা সম্ভব। মনে রাখবেন, শরীরের মতো মনের অসুখেও ওষুধ প্রয়োজন এবং এটি কোনো দুর্বলতা নয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.