inteshar24.com

inteshar24.com

Share

আপনার বিশ্বস্ত তথ্যের উৎস

23/05/2026

আগামী একমাসে রামিসা হত্যার সর্বোচ্চ বিচার

মৃ/ত্যু/দণ্ড হবে - তারেক রহমান

23/05/2026
23/05/2026

আলিপুর-দিয়ার-আমখোলায় বলাৎকা*রের চেষ্টাকালে হাতেনাতে আটক যুবক, পুলিশে সোপর্দ

22/05/2026

ঝিনাইদহে নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী ও এনসিপি ঝিনাইদহ জেলার নেতাকর্মীদের উপর হামলা

20/05/2026

শিক্ষাবান্ধব বাজেট মানেই একটি উন্নয়নমুখী বাংলাদেশ
-ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ

শিক্ষা খাতে মোট বাজেটের ২০ শতাংশ বা জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দসহ ১৫ দফা দাবি

আজ ২০ মে ২০২৬ বুধবার সকাল ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ-এর সভাপতিত্বে দেশের সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শিক্ষা বাজেট প্রস্তাবনা পেশ করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ।

শিক্ষা খাতে মোট বাজেটের ২০ শতাংশ বা জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দসহ ১৫ দফা দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।

১৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে...

১. প্রাথমিক শিক্ষা দশম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করতে হবে।

২. শিক্ষার সর্বস্তরে কুরআন ও ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত এবং প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।

৩. প্রাথমিকের ন্যায় মাধ্যমিক পর্যন্ত পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে হবে।

৪. কারিগরি শিক্ষায় ভর্তি হার ৩০ শতাংশে উন্নীত করতে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

৫. পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ও শিক্ষা সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

৬. বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যয় কমাতে বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে।

৭. শিক্ষিত বেকারদের সহজ শর্তে ঋণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

৮. নারী শিক্ষার্থীদের অবাধ চলাফেরা, নিরাপত্তা ও স্বাতন্ত্র্যতা বজায় রাখতে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আলাদা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় বাজেটে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

৯. দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

১০. বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বাজেটের কমপক্ষে ১০ শতাংশ গবেষণা ও উদ্ভাবনে বরাদ্দ রাখতে হবে।

১১. কওমি মাদরাসার উন্নয়ন, সনদের সমমান নিশ্চিত ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

১২. কওমি শিক্ষার্থীদের দেশে-বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টিতে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

১৩. আলিয়া শিক্ষার মান বৃদ্ধি, অবকাঠামো নির্মাণ ও সম্প্রসারণে প্রকল্প ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিতে হবে।

১৪. প্রতি জেলায় একটি করে কামিল মাদরাসা সরকারিকরণে ব্যবস্থা নিতে হবে।

১৫. প্রতিটি জেলায় সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা, মেডিকেল শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং চিকিৎসক সংকট দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

শিক্ষা বাজেট প্রস্তাবনায় খাতভিত্তিক আলোচনায় যেসব দাবি জানানো হয়...

১. প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে এবং শিশুশ্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে বরাদ্দ বৃদ্ধি জরুরি।

২. কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা
বেকারত্ব দূরীকরণ ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কারিগরি শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য কারিগরি শিক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

৩. পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়
উচ্চশিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের আবাসন, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা নিশ্চিত করতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

৪. প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উচ্চশিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শিক্ষার মান, গবেষণা ও প্রযুক্তি শিক্ষা উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৫. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করলেও বরাদ্দ খুবই কম। শিক্ষক সংকট, অবকাঠামো সমস্যা ও গবেষণার সীমাবদ্ধতা দূর করতে বিশেষ বাজেট বরাদ্দ প্রয়োজন।

৬. কওমি মাদরাসা
কওমি মাদরাসা দেশের বৃহৎ শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হলেও এখনো অবকাঠামো ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। শিক্ষা, আবাসন ও কর্মসংস্থানে বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে।

৭. আলিয়া মাদরাসা
আলিয়া শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বরাদ্দ বৃদ্ধি প্রয়োজন।

৮. মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার মানোন্নয়নে গবেষণা, আধুনিক ল্যাব, প্রযুক্তি ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা সরঞ্জামের জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শতভাগ আবাসন, উন্নত খাবার, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতের পাশাপাশি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশীয় উদ্ভাবন ও গবেষণাকে উৎসাহিত করতে উদ্ভাবন ফান্ড চালু এবং গবেষণা খাতে বাজেট বৃদ্ধি জরুরি।

৯. ল কলেজ
ল কলেজ ও আইন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যুগোপযোগী ও ন্যায়ভিত্তিক আইন শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার, ইসলামী আইন ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কিত কোর্স অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ ও বার কাউন্সিলের মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

১০. বেকারত্ব নিরসন ও সামাজিক নিরাপত্তা
দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দারিদ্র্য, মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থানের সংকটে বিপুল জনগোষ্ঠী কষ্টে জীবনযাপন করছে। তাই শিক্ষিত যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সহজ ঋণ সুবিধা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি।

শিক্ষা বাজেট প্রস্তাবনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, বাজেট এমন হওয়া উচিত, যাতে উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকে কিন্তু সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ না পড়ে। বাজেট শুধু সংখ্যার হিসাব নয়, এটি মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন হবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হোসাইন ইবনে সরোয়ার, ইমরান হোসাইন নূর, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ফয়জুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবরাহীম খলীল, তথ্য-গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাইমুন ইসলাম মিঠুন, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ইউসুফ পিয়াস, প্রকাশনা সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ মাহদী ইমাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক ইব্রাহীম নাসরুল্লাহ, কারিগরি শিক্ষা সম্পাদক মুহাম্মাদ খাইরুল কবির, অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদ তানভীর আহমেদ শোভন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক সাঈদ আবরার, স্কুল ও কলেজ সম্পাদক আব্দুর রহমান, কওমি মাদরাসা সম্পাদক বি এম মাহদী আল হাসান, কার্যনির্বাহী সদস্য সোহরাব হোসেন ফজলে, গাজী ফাহিমুল ইসলাম প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

20/05/2026

শিশু রামিশার বাবার আর্তনাদ

19/05/2026

বর্তমানে পুরো জেনারেশন"রাগ করলা" যেন “ট্রেন্ড” নামক এক স্রোতে ভেসে যাচ্ছে। কে কী বলছে, তার কথার ভিত্তি কী, সেটি সত্য নাকি বিভ্রান্তি—এসব যাচাই করার মানসিকতা অনেকের মধ্যেই কমে গেছে। শুধু ভাইরাল হলেই সেটাকে প্রচার করা, শেয়ার করা, স্ট্যাটাস দেওয়া—এটাই যেন এখন স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ একজন মুসলমানের জন্য কোনো কথা প্রচার করার আগে সেটার সত্যতা, আকীদাগত প্রভাব এবং ইসলামের দৃষ্টিতে তার অবস্থান যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

আজকাল দেখা যাচ্ছে, গায়েবী খবর বলা, ভবিষ্যদ্বাণী করা কিংবা অদৃশ্য বিষয়ে নিশ্চিত মন্তব্য করা কিছু লোককে মানুষ “আধ্যাত্মিক”, “কামেল”, বা “অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন” ভেবে ভাইরাল করে দিচ্ছে। তাদের ভিডিও আলেম-আওয়াম নির্বিশেষে অসংখ্য মানুষ শেয়ার করছে। অথচ ইসলামে গায়েবের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্য নির্দিষ্ট। কোনো মানুষ নিজে থেকে ভবিষ্যৎ, অদৃশ্য ঘটনা বা গোপন বিষয় জানে—এমন বিশ্বাস অত্যন্ত ভয়ংকর আকীদাগত বিচ্যুতি।
রাসূল ﷺ কঠোরভাবে গণক, জ্যোতিষী ও গায়েবী খবরদাতাদের ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। কারণ এসবের মাধ্যমে মানুষের ঈমান ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যায়। মানুষ আল্লাহর উপর ভরসা কমিয়ে অদ্ভুত সব কথাবার্তা ও কল্পনার উপর নির্ভর করতে শুরু করে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—অনেক সময় মানুষ না বুঝেই শির্কী চিন্তাধারা প্রচার করতে থাকে। একটি ভিডিও মজা করে শেয়ার দিলেও, সেটি যদি ভ্রান্ত আকীদা ছড়ায়, তাহলে সেই গুনাহের অংশও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

আজ প্রয়োজন ছিল মানুষকে সচেতন করা, ঈমান রক্ষার কথা বলা, গণক ও গায়েবী দাবিদারদের থেকে দূরে থাকার নসিহত করা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে উল্টো তাদের নিয়েই ট্রেন্ড তৈরি হচ্ছে। কেউ হাসির জন্য, কেউ ভিউয়ের জন্য, কেউ আবার ভাইরাল হওয়ার আশায় এসব প্রচার করছে। অথচ একজন মুমিনের দায়িত্ব হলো—সত্যকে সমর্থন করা এবং বিভ্রান্তি থেকে মানুষকে বাঁচানো।
@
ভাইরাল হওয়া মানেই সত্য নয়। জনপ্রিয় হওয়া মানেই হক নয়। ইসলামে দলিল, কুরআন-সুন্নাহ এবং সহীহ আকীদার ভিত্তিতেই সবকিছু যাচাই করতে হবে। আমাদের উচিত সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিটি কনটেন্ট শেয়ার করার আগে অন্তত একবার ভাবা—“এটি কি মানুষের ঈমান মজবুত করবে, নাকি বিভ্রান্ত করবে?”
কারণ একটি শেয়ারও কখনো কখনো একটি ফিতনা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যম হয়ে যেতে পারে।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address

Dhaka