DINA's View

DINA's  View

Share

আসসালামু আলাইকুম

08/05/2026

দরূদ শরীফ:
اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ

বাংলা অর্থ:

“হে আল্লাহ! আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।”

28/03/2026

:আল্লাহর ৯৯ টা নাম,, ১. আল্লাহ, ২. আর-রহমান, ৩. আর-রহিম, ৪. আল-মালিক, ৫. আল-কুদ্দুস, ৬. আস-সালাম, ৭. আল-মু’মিন, ৮. আল-মুহাইমিন, ৯. আল-আযিজ, ১০. আল-জব্বার, ১১. আল-মুতাকাব্বির, ১২. আল-খালিক, ১৩. আল-বারি, ১৪. আল-মুসাওয়ির, ১৫. আল-গাফফার, ১৬. আল-কাহ্হার, ১৭. আল-ওয়াহ্হাব, ১৮. আর-রজ্জাক, ১৯. আল-ফাত্তাহ, ২০. আল-আলিম, ২১. আল-কাবিদ, ২২. আল-বাসিত, ২৩. আল-খাফিদ, ২৪. আর-রাফি, ২৫. আল-মু’ইজ, ২৬. আল-মুযিল, ২৭. আস-সামি, ২৮. আল-বাসির, ২৯. আল-হাকাম, ৩০. আল-আদল, ৩১. আল-লতিফ, ৩২. আল-খবির, ৩৩. আল-হালিম, ৩৪. আল-আজিম, ৩৫. আল-গফুর, ৩৬. আশ-শাকুর, ৩৭. আল-আলিই, ৩৮. আল-কবির, ৩৯. আল-হাফিজ, ৪০. আল-মুকিত, ৪১. আল-হাসিব, ৪২. আল-জলিল, ৪৩. আল-করিম, ৪৪. আর-রকিব, ৪৫. আল-মুজিব, ৪৬. আল-বাসি, ৪৭. আল-হাকিম, ৪৮. আল-ওয়াদুদ, ৪৯. আল-মাজিদ, ৫০. আল-বা’ইস, ৫১. আশ-শাহিদ, ৫২. আল-হক্ক, ৫৩. আল-ওাকিল, ৫৪. আল-কাউই, ৫৫. আল-মাতিন, ৫৬. আল-ওয়ালি, ৫৭. আল-হামিদ, ৫৮. আল-মুহসি, ৫৯. আল-মুবদি, ৬০. আল-মু’ইদ, ৬১. আল-মুহই, ৬২. আল-মুমিত, ৬৩. আল-হাইয়্য, ৬৪. আল-কাইয়্যুম, ৬৫. আল-ওয়াজিদ, ৬৬. আল-মাজিদ, ৬৭. আল-ওয়াহিদ, ৬৮. আস-সামাদ, ৬৯. আল-কাদির, ৭০. আল-মুকতাদির, ৭১. আল-মুকাদ্দিম, ৭২. আল-মুয়াখখির, ৭৩. আল-আওয়াল, ৭৪. আল-আখির, ৭৫. আজ-জাহির, ৭৬. আল-বাতিন, ৭৭. আল-ওয়ালি, ৭৮. আল-মুতা’আলি, ৭৯. আল-বার, ৮০. আত-তাওয়াব, ৮১. আল-মুনতাকিম, ৮২. আল-আফুও, ৮৩. আর-রউফ, ৮৪. মালিকুল-মুল্ক, ৮৫. যুল-জালালি ওয়াল-ইকরাম, ৮৬. আল-মুকসিত, ৮৭. আল-জামি, ৮৮. আল-গানি, ৮৯. আল-মুগনি, ৯০. আল-মানি, ৯১. আদ-দার, ৯২. আন-নাফি, ৯৩. আন-নূর, ৯৪. আল-হাদি, ৯৫. আল-বাদি, ৯৬. আল-বাকি, ৯৭. আল-ওয়ারিস, ৯৮. আর-রশিদ, ৯৯. আস-সবুর....ধন্যবাদ আপনাকে ধৈর্য সহকারে আল্লাহর ৯৯ নাম পড়ার জন্য সবাইকে আল্লাহ জান্নাত দান করুক আমিন 🤲🕋🫶

27/03/2026

দুরূদ শরীফের সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো,
আপনি রাসূল ﷺ-এর জন্য রহমতের দোয়া করবেন,
কিন্তু আল্লাহ তাআলা আপনাকে দেবেন রহমত।
সেই সাথে বোনাস হিসেবে পাবেন ক্ষমা, মর্যাদা বৃদ্ধি
ও দুশ্চিন্তা মুক্তির নিশ্চিত গ্যারান্টি।
জুমার রাত ও দিনে মন উজাড় করে পড়তে থাকুন—
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

24/03/2026

দুইশো বার সূরা ইখলাস পড়তে কতো ঘন্টা লাগে জানেন? মাত্র দশ মিনিট! সর্বোচ্চ পনেরো মিনিট।
আজকে রাতে অবশ্যই পড়বেন। প্রতি রাতে পড়ার নিয়ত করলে তো আলহামদুলিল্লাহ্।

(সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত)
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার, ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী। প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন। (সুবহানআল্লাহ)

( সহীহুল বুখারীঃ ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ ১৪৬১ আহমাদঃ ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সাগীরঃ৬৪৭২)

22/03/2026

কিছু দু’আ এত শক্তিশালী…
যদি চোখের পানি আর বিশ্বাস নিয়ে পড়েন,
আল্লাহ আপনার অসম্ভবকেও সম্ভব করে দিতে পারেন। 🤲
আজকে জেনে নিন এমন ৬টি ছোট কিন্তু শক্তিশালী দু’আ,
যেগুলো আপনার জীবন বদলে দিতে পারে ইনশাআল্লাহ।
🌿 ১. প্রয়োজন পূরণের জন্য
اللَّهُمَّ يَسِّرْ لِي أَمْرِي
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইয়াসসির লি আমরি
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার কাজগুলো সহজ করে দাও।
📖 রেফারেন্স: সূরা ত্বাহা – ২০:২৬
🌿 ২. রিজিক (উপজীবিকা ও সম্পদ) এর জন্য
اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي مِنْ حَيْثُ لَا أَحْتَسِبُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা উরজুকনী মিন হাইসূ লা আহতাসিব
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে এমন স্থান থেকে রিজিক দান কর, যেখান থেকে আমি কল্পনাও করি না।
📖 রেফারেন্স: সূরা তালাক – ৬৫:৩
🌿 ৩. সফলতা ও হিদায়াতের জন্য
اللَّهُمَّ وَفِّقْنِي لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ওয়াফিকনী লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদ্বা
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে তাতে সফলতা দাও যা তুমি ভালোবাসো ও সন্তুষ্ট হও।
🌿 ৪. কষ্ট দূর করার জন্য
حَسْبِيَ اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
উচ্চারণ: হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল
অর্থ: আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট, এবং তিনি উত্তম কাণ্ডারী।
📖 রেফারেন্স: সূরা আলে ইমরান – ৩:১৭৩
🌿 ৫. ক্ষমা ও দয়া কামনার জন্য
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي
উচ্চারণ: রাব্বিগফির লি ওয়ারহামনি
অর্থ: হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করো এবং দয়া করো।
📖 রেফারেন্স: সূরা মু’মিনূন – ২৩:১১৮
🌿 ৬. যেকোনো ভালো কিছু চাওয়ার জন্য
يَا اللَّهُ، يَا رَحْمَٰنُ، يَا رَحِيمُ، حَقِّقْ لِي مَا أَتَمَنَّى
উচ্চারণ: ইয়াল্লাহ, ইয়াররাহমান, ইয়াররাহীম, হাক্কিক লি মা আতামান্না
অর্থ: হে আল্লাহ! হে পরম দয়ালু! হে পরম করুণাময়! আমার কামনাগুলো পূর্ণ করে দাও।
📌 রেফারেন্স: ব্যক্তিগত দু’আ
🤍 মনে রাখবেন:
আল্লাহ বান্দার অন্তরের ডাক কখনো ফেরত দেন না।
দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে চাইলে—আল্লাহ অবশ্যই উত্তম কিছু দান করেন।

✨ একবার “আলহামদুলিল্লাহ” লিখে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন।







💯❤️❤️

20/03/2026
19/03/2026

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগের রাত বা চাঁদ রাত মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত বরকতময় একটি সময়। ইসলামিক পরিভাষায় পবিত্র শাওয়াল মাসের সূচনার এই রাতটিকে বলা হয় 'লাইলাতুল জাইজা' বা পুরস্কার পাওয়ার রাত। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা ও ইবাদতের পর মহান আল্লাহ এই রাতে তাঁর নেককার বান্দাদের বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন।

এই রাতটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এই রাতে মন থেকে করা কোনো দোয়াই ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ ﷺ এমন পাঁচটি বিশেষ রাতের কথা উল্লেখ করেছেন, যেগুলোতে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। পবিত্র ঈদুল ফিতর বা শাওয়াল মাসের প্রথম রাতটি সেই পাঁচটি বরকতময় রাতের একটি।

বিশেষ নফল নামাজ ও আমল:
চাঁদ রাত বা ঈদের দিনে বিশেষ কিছু নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। একটি বিশেষ আমলের কথা এখানে তুলে ধরা হলো, যা নিয়ম মেনে পালন করলে ইনশাআল্লাহ জীবনের সব জায়েজ বা বৈধ চাওয়া পূরণ হবে।

নামাজের নিয়মাবলী:
সময়: ঈদের আগের রাত (চাঁদ রাত) অথবা ঈদের দিন।
রাকাত সংখ্যা: মোট ৮ রাকাত নফল নামাজ।
পড়ার নিয়ম: প্রতিটি রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর ২৫ বার সূরা ইখলাস (কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ) পড়তে হবে।

নামাজ শেষের আমল: ৮ রাকাত নামাজ শেষ করার পর জায়নামাজে বসেই ৭০ বার তৃতীয় কালিমা বা কালিমা তামজীদ পড়তে হবে। কালিমাটি হলো: "সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম"।

ইস্তিগফার: তৃতীয় কালিমা পড়ার পর নিজের যাবতীয় ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করতে হবে।

যাঁরা বিশুদ্ধ নিয়্যতে এই ৮ রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন, মহান আল্লাহ তাঁদের সব সৎ উদ্দেশ্য ও মনের নেক আকাঙ্ক্ষাগুলো পূরণ করবেন। এই বরকতময় রাতে ইবাদতের মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করা সম্ভব।

সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka