Multiplication Tones

Multiplication Tones

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Multiplication Tones, Digital creator, Dhaka.

ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন👇 https://www.youtube.com/@MultiplicationTones

হয়তো খেলাফত, নয়তো শাহাদাত।
আল্লাহর জমিনে আল্লাহর আইন, বাস্তবায়ন ফরযে আইন। মানুষের তৈরী ভ্রান্ত আইন-মতবাদকে না বলুন, আল্লাহ-রাসূলের আইনকে প্রাধান্য দিন।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ!✊

10/06/2026

নেগেটিভ না পজিটিভ?
বিদেশ যাওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, বিমানে ওঠার অপেক্ষা। ঠিক সেই সময় এয়ারপোর্টে স্ত্রীর কান্না দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এক যুবক।

স্বজনদের দাবি, স্ত্রীকে কাঁদতে দেখে শেষ মুহূর্তে বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। পরে বিমানে না উঠে বাড়িতে ফিরে যান ওই যুবক।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই এটিকে ভালোবাসা ও পারিবারিক বন্ধনের এক আবেগঘন উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। ❤️🥺

#নিউজ

30/05/2026

চুপ্পুর পোলা নাকি রাষ্ট্রীয় প্রোটোকলে থাইকা মিডিয়ার যেসব লোকজন জুলাইয়ের পক্ষে ছিলো, জুলাই নিয়া কাজ করতেছে, তাদের তালিকা করতেছে৷

Mabrur Rashid Bannah ভাইসহ বেশকিছু নাম সে মনে রাখছে। সময় আসলে নাকি হিসাবনিকাশ বুঝাইয়া দেওয়া হবে।

ফ্যাসিবাদের এই গোলামগুলারে বিচারের মুখোমুখি না কইরা সরকার জনগণের টাকায় তাগো লাক্সারিয়াস লাইফ উপহার দিতেছে, ফ্যাসিস্ট তৈরির সংবিধানরে সামনে রাইখা সর্বোচ্চ চেয়ারে বসাইয়া রাখছে।
আর এরা সেই চেয়ারে দুলতে দুলতে সুখের দোচনে আমাদের ভাইদের হুমকি দিতেছে৷

অথচ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে এই সন্ত্রাসীগুলার জীবনে জাহান্নাম নাইমা আসার কথা ছিলো।

আজকে যারা তাগো বাপ হইয়া সামনে দাঁড়াইতেছো
মনে রাইখো, শুয়ারের বাচ্চার দাঁত গজাইলে কিন্তু প্রথম বাপের পাছায় কামড় দিয়াই দাঁতের ধার পরীক্ষা করে।

তোমাগো তো আজীবনের অভ্যাস, মারা না খাইলে হুশ ফেরে না। শুধু তোমরা মারা খাইলে আফসোস ছিলো না। কিন্তু তোমরা মারা খাওয়ার সাথে সাথে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণও মারা খায়, এইটাই আফসোস।



✒️ আব্দুল্লাহ জাবের, ইনকিলাব মঞ্চ

30/05/2026

কওমি শিক্ষার্থীদের নিয়ে মিডিয়া ফ্রেমিং ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাধারণ আলেম সমাজের তীব্র প্রতিবাদ

সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোমলমতি স্কুল শিক্ষার্থীদের পাঠশালায় বাণিজ্যিক সিনেমা প্রদর্শনের আত্মঘাতী উদ্যোগ এবং একে কেন্দ্র করে একশ্রেণির মূলধারার গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর ফ্রেমিংয়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে সাধারণ আলেম সমাজ।

একই সাথে সচেতন জনতার যৌক্তিক প্রতিবাদের মুখে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিনেমা প্রদর্শন স্থগিতের সিদ্ধান্তকে আমরা, সাধারণ আলেম সমাজ সাধুবাদ জানাই।

কোনো চলচ্চিত্রের সেন্সর সার্টিফিকেট থাকা মানেই তা যে কোনো পাবলিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রদর্শন করার লাইসেন্স নয়। সিনেমা দেখার জন্য নির্দিষ্ট প্রেক্ষাগৃহ রয়েছে, যেখানে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইচ্ছুক দর্শকরা টিকিট কেটে সিনেমা দেখতে পারেন, কিন্তু একটি পাবলিক বিদ্যালয় স্রেফ জ্ঞানার্জন ও পাঠদানের পবিত্র স্থান, এটি কোনো বাণিজ্যিক সিনেমা হলের বিকল্প হতে পারে না। বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করে এমন যে কোনো আয়োজন প্রতিহত করার পূর্ণ অধিকার সচেতন নাগরিক ও অভিভাবকদের রয়েছে।

আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি, দেশের কিছু প্রথম সারির গণমাধ্যম পুরো ঘটনাটিকে 'কওমি শিক্ষার্থীদের বাধায় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বন্ধ' শিরোনামে প্রচার করছে। এটি একটি চরম মিথ্যাচার এবং সুপরিকল্পিত ন্যারেটিভ ফ্রেমিং।

অথচ শান্তিপূর্ণ এই প্রতিবাদে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি স্কুলের সাধারণ শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় সচেতন জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। মিডিয়ার এই চতুর শিরোনামের মূল উদ্দেশ্য হলো, জনমানসে এই ধারণা তৈরি করা যে, ইসলামপন্থীদের উৎপাতে দেশে প্রগতিশীলতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যে নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে, সেখানে মিডিয়ার এই বিভাজনের রাজনীতি ও ইসলামফোবিয়া ছড়ানোর অপচেষ্টা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু তথাকথিত অ্যাক্টিভিস্ট কওমি মাদরাসার অভ্যন্তরীণ কিছু বিচ্ছিন্ন অপরাধের প্রসঙ্গ টেনে কওমি সমাজকে নিশ্চুপ ও অপরাধের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দেখানোর নোংরা খেলায় মেতেছেন। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, কওমি সমাজ কখনোই অপরাধীর পরিচয় দেখে অপরাধের বিচার করে না। অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে আলেম সমাজ সবসময় সোচ্চার।

এরই ধারাবাহিকতায় সাধারণ আলেম সমাজ ইতিপূর্বেই মহিলা ও আবাসিক মাদরাসাগুলোর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ১০ দফা দাবি ও দিকনির্দেশনা পেশ করেছে, যা আত্মসংশোধন ও অপরাধ দমনের প্রতি আপসহীন অঙ্গীকারের জীবন্ত প্রমাণ। অথচ মেইনস্ট্রিম মিডিয়া আলেমদের এই ইতিবাচক ও সংস্কারমুখী পদক্ষেপগুলোকে সম্পূর্ণ চেপে গিয়ে কেবল নেতিবাচক ফ্রেমিং করতেই বেশি আগ্রহী।

আমরা, সাধারণ আলেম সমাজের পক্ষ থেকে স্পষ্ট দাবি জানাচ্ছি যে,

১। অবিলম্বে হলুদ সাংবাদিকতা, আংশিক সত্য পরিবেশন এবং আলেম সমাজকে ভিলেন বানানোর এই পরিকল্পিত মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করতে হবে।

২। সরকারি বা বেসরকারি কোনো সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে যেন কোনো বাণিজ্যিক সিনেমা প্রদর্শনীর নামে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট না করা হয়, সে বিষয়ে স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

৩। নতুন বাংলাদেশে ছাত্র-শিক্ষক এবং আলেম সমাজের মধ্যে কৃত্রিম দূরত্ব ও বিভক্তি তৈরির যে কোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে আমরা দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

ইসলামের আদর্শ ও জাতীয় সংস্কৃতির সুরক্ষায় যে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়মের বিরুদ্ধে সাধারণ আলেম সমাজ অতীতের মতো ভবিষ্যতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

—সাধারণ আলেম সমাজ
৩০ মে ২০২৬ ইং

29/05/2026

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণার পরপরই নতুন করে আলোচনা উঠেছে বিশ্বের ইতিহাসে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে।

বিশ্ব ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে—রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিপ্লব, গৃহযুদ্ধ বা গণঅপরাধের বিচারের পর ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপ্রধানদের বিচারিক বা তাৎক্ষণিক মৃত্যুদণ্ড।

ইতিহাসের পাতায় এ ধরনের মৃত্যুদণ্ড যেমন বিরল, তেমনই নাটকীয়। বিভিন্ন সময়ে বহু রাজা, একনায়ক ও নির্বাচিত নেতার মৃত্যু হয়েছে আদালতের রায়ে কিংবা আটক অবস্থায় সহিংসতার ফলে। কারও কারও মামলা আবার বহু বছর পর পুনর্বিবেচনাও করা হয়েছে।

নিকোলায় চাউশেস্কু — রুমানিয়া

দীর্ঘ ২৪ বছর রুমানিয়ায় ক্ষমতায় থাকার পর ১৯৮৯ সালে কমিউনিস্ট শাসন পতনের সময় নিকোলায় চাউশেস্কু ও তার স্ত্রীর দ্রুতগতির সামরিক ট্রাইব্যুনালে বিচার হয়। গণহত্যা ও অর্থনৈতিক ধ্বংসের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়ে বড়দিনের দিনে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। আধুনিক রুমানিয়ার ইতিহাসে এটিই ছিল শেষ মৃত্যুদণ্ড।

জুলফিকার আলী ভুট্টো — পাকিস্তান

১৯৭১–৭৩ সালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এবং পরবর্তী চার বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জুলফিকার আলী ভুট্টো। সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এক বিতর্কিত হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে ফাঁসি দেওয়া হয় তাকে।

২০২৪ সালে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট তার বিচারকে “মারাত্মকভাবে ত্রুটিপূর্ণ” ঘোষণা করে, যা বড় ধরনের মরণোত্তর পুনর্বাসন হিসেবে বিবেচিত।

সাদ্দাম হোসেন — ইরাক

১৯৭৯ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইরাক শাসন করেন সাদ্দাম হোসেন। যুক্তরাষ্ট্র–নেতৃত্বাধীন আগ্রাসনের পর মানবতাবিরোধী অপরাধ, বিশেষ করে দুজাইল গণহত্যার অভিযোগে ইরাকের বিশেষ ট্রাইব্যুনালে তার বিচার হয়। দোষী সাব্যস্ত হয়ে ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়—যা আধুনিক যুগের সবচেয়ে আলোচিত মৃত্যুদণ্ডগুলোর একটি।

মুয়াম্মার গাদ্দাফি — লিবিয়া

৪২ বছরের শাসক গাদ্দাফি ২০১১ সালে বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত হন। বিচার চলার আগেই আটক অবস্থায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে হত্যা করা হয়, যা বৈশ্বিক বিতর্ক সৃষ্টি করে। তার পতনের মধ্য দিয়ে লিবিয়ার দীর্ঘ একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং দেশটি গভীর বিভক্তিতে নিমজ্জিত হয়।

মেংগিস্তু হাইলি মারিয়াম — ইথিওপিয়া

ইথিওপিয়ার ‘রেড টেরর’ দমন-পীড়নের অভিযোগে মার্ক্সবাদী দার্গ শাসনব্যবস্থার নেতা মেংগিস্তু হাইলি মারিয়ামের অনুপস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। তিনি বর্তমানে জিম্বাবুয়েতে নির্বাসনে আছেন এবং তাকে আজও প্রত্যর্পণ করা হয়নি।

চুন দু-হোয়ান — দক্ষিণ কোরিয়া

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পর দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট চুন দু-হোয়ান ৮ বছরের শাসনামল, ১৯৭৯ সালের অভ্যুত্থান এবং গওয়াংজুর দমন-পীড়নের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পান। পরে রায় মওকুফ করা হয় এবং তিনি শেষ পর্যন্ত ক্ষমা লাভ করেন।

জোসেফ কাবিলা — ডিআর কঙ্গো

২০০১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিআর কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ কাবিলা। ২০২৫ সালে সামরিক আদালত রাষ্ট্রদ্রোহ, বিদ্রোহ এবং পূর্ব কঙ্গোর সংঘর্ষে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তার অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ভূরাজনৈতিক ঘটনা। তবে তিনি গ্রেপ্তার হননি এবং অভিযোগ অস্বীকার করছেন।

উল্লেখ্য, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রপ্রধানদের মৃত্যুদণ্ড দেশভেদে ভিন্ন ছিল— কোথাও কাবিলার মতো দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, কোথাও আবার ভুট্টো বা চাউশেস্কুর মতো দ্রুত এবং রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত রায়।

বিচার, প্রতিশোধ বা ট্র্যাজেডি—যেভাবেই ব্যাখ্যা করা হোক না কেন, প্রতিটি মৃত্যুদণ্ড একটি যুগের অবসান এবং আরেকটি নতুন অধ্যায়ের সূচনার প্রতীক হয়ে ওঠে।

সংগ্রহকৃত।

Photos from Multiplication Tones's post 29/05/2026

হাদীস শাস্ত্রে যিনি বাংলাদেশে বিপ্লব ঘটিয়েছেন।

ইলমি দুনিয়ায় আগে থেকেই তুমুল পরিচিতি লাভ করলেও জাতীয় মসজিদে খতীব হওয়ার পর সাধারণ জনগণের নিকটও তিনি বেশ আস্থাভাজন হয়ে উঠছেন দিনদিন, প্রতিটি বিষয় নিয়ে নমনীয়তার সাথে বক্তব্য রেখে যাচ্ছেন,মাঝেমধ্যে নমনীয়তার সাথে অনমনীয় হয়ে উঠেন, যে কোন কঠিন বিষয় সাধারণ জনগণকে সহজভাবে বুঝিয়ে দিতে তিনি অসাধারণ ভুমিকা রাখছেন।

সম্প্রতি চাদ বিষয়ে তাঁর সারগর্ভ আলোচনায় প্রতিটি অঙ্গনের মানুষ মুগ্ধ হয়েছে,সেদিন দেশবাসী এটাও বুঝেছেন যে তিনি আধুনিক বিভিন্ন বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন,সেই আধুনিক জ্ঞান কে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে পেশ করে থাকেন।

সেই আলোচনায় তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন বিষয়ভিত্তিক আলোচনায় তিনি অনন্য,সাথে এটাও মনে হয়েছে আক্বীদার কোন বিষয়ে যেদিন আলোচনা করবেন সেদিনও সেই বিষয়ে সেরা আলোচনা উপহার দিবেন।

তিনি জাতীয় মসজিদে নিজে থেকে আসেননি, তাকে জোর করে আনা হয়েছে, কখনো যদি চলে যেতে বাধ্য করা হয় তিনি চলে যাবেন কোনরকম চিন্তা ছাড়াই, তবে ক্ষতি হবে জাতীর, কারণ জাতী "জাতীয় রাহবার" হারাবে।

প্রথম দেখেছি যেদিন:
২০১১ ইংরেজি তে আল মারকাজুল ইসলামী তে আরবি সাহিত্য বিভাগের ছাত্র ছিলাম। মাওলানা, আদীব শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রহিমাহুল্লার কাছে উচ্চতর আরবি সাহিত্য নিয়ে পড়তাম।

কোন এক শুক্রবারে ছাত্র ভাইদের দলবেঁধে কোথাও যেতে দেখে জিজ্ঞাসা করলাম কোথায় যান আপনারা?

তারা বললেন তেজগাঁও নাবিস্কো এলাকায় অবস্থিত(বর্তমানে মোহাম্মদপুর) জামিয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া তে মাওলানা আব্দুল মালেক হাফিজাহুল্লাহ বুখারীর দরস দিতে আসবেন, আগ্ৰহ নিয়ে আমিও গেলাম, অসংখ্য ত্বলবা হযরতের অপেক্ষায় অপেক্ষমাণ, আশ্চর্যের বিষয় হলোঃ ত্বলবাদের মাঝে অনেক মুহাদ্দিস এবং শাইখুল হাদীসগনও ছাত্র হয়ে বসে আছেন, বিশেষ করে ফরিদাবাদ মাদ্রাসার মুহাদ্দীস জ্ঞানপিপাসু আলেমেদ্বীন শাইখুল হাদীস আল্লামা যিকরুল্লাহ খান সাহেব তাঁর দরসে বসা, সুবহানাল্লাহ!একজন সাধারণ তালিবুল ইলমের মতোই তিনি বসে ছিলেন।

যুগের অনন্য হাদীস বিশারদ আসলেন, বসলেন, দরস দিলেন,ইলম্ এবং হিলমের সমন্বয়ে তাকরীর পেশ করলেন, সেদিন দেখেছি হযরত দরসের আলোচনায় তাকমীলের ছাত্রদের প্রতি লক্ষ্য রেখে তাকরীর পেশ করেছেন, এবং শুধু হাদীস নিয়ে আলোচনা করেছেন, শিষ্টাচার নিয়ে সেদিন হযরতের আলোচনা আমার সারাজীবনের শিক্ষা হয়ে থাকবে ইনশাআল্লাহ।

দ্বিতীয়বার যেদিন দেখেছি:
সময়কাল-২০১১
মিরপুর-১২ তে এক ছাত্র ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে জানতে পারলাম আজ (বৃহস্পতিবার) মারকাযুদ্ দাওয়ার মিরপুর- ১২ শাখায় হযরত মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব আসবেন, চলে গেলাম মারকাযুদ্ দাওয়ায়, বাদ মাগরিব হযরত "ইলমি মুহাদরা" পেশ করলেন, সেদিন আলোচনা করেছেন উলুমুল হাদীস নিয়ে, সেদিন দেখলাম ইলমের ঝলক, প্রভাব কাকে বলে আল্লাহু আকবার কাবিরা!
আলোচনা থামেইনা, চলছে তো চলছে....
দীর্ঘক্ষণ পর হঠাৎ বললেন ভাই! আমরা তো বহুদূর চলে গেলাম।

সেদিন বুঝেছি, হাদীস শাস্ত্রে তিনি বাংলাদেশে অদ্বিতীয় ইনশাআল্লাহ, জীবনের শেষের দিকে খন্দকার ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ তাকে ভালোভাবে রপ্ত করেছিলেন, হযরতের প্রতিষ্ঠিত আস সুন্নাহর উস্তাদ নিয়োগ নিয়ে হযরতের সাথে পরামর্শ করতেন এবং মারকাযুদ্ দাওয়া থেকে ফারেগদের হযরত খুব কদর করতেন, রহিমাহুল্লাহু রহমাতান ওয়াসিয়াতান।

টুপির কারিশমা:
ঈদুল আযহায় জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রী কে টুপি পরিধান করানো নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে আলোচনা চলছে এটাকে "টুপির কারিশমা" বলা যেতে পারে।

টুপির ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করে যদি আরেকটু উচুঁ টুপি পরিয়ে দেয়া হতো, তাহলে কাহিনী এতদূর যেতনা।

লিখেছেন, মুফতী আরিফ বিন হাবীব সাহেব

28/05/2026

তারেক মানোয়ারের কু-মন্তব্যের জবাবে আলী হাসান উ*সা*মা যা লিখেছেন...

"শায়খ আবদুল মালেক হাফি.-কে যারা কাছ থেকে চেনেন তারা অবশ্যই জানেন, তিনি কতটা সরল। চাটুকারিতার লেশমাত্র তার ভেতরে নেই। নিজ উস্তাদ আল্লামা তাকি উসমানি হাফি.-এর অনুসরণে তিনি ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে ঝামেলায় না জড়িয়ে দাওয়াহর পদ্ধতি অনুসরণ করেন। বিগত ঈদে পিএমের মাথায় টুপি না দেখে এবার প্রকাশ্যে তাকে টুপি পরিয়ে দিয়েও দাওয়াহর আদর্শই অনুসরণ করেছেন। আশা করা যায়, আগামীতে খালি মাথায় পিএম নামাজ আদায়ের জন্য তার সামনে দাঁড়াতে লজ্জাবোধ করবেন। যদিও টুপি পরিধান ফরজ-ওয়াজিব কিছু নয়, তবে যারা তা পরতে হীনমন্যতায় ভোগে, তাদের পরিশুদ্ধি দরকার।

হ্যাঁ, এটা নির্দ্বিধ সত্য, ঐতিহ্যগতভাবে তিনি জামায়াতের প্রচণ্ড বিরোধী। কওমি অঙ্গনে পরম্পরাগতভাবেই এই বিরোধিতা চলে আসছে। এ কারণে নির্বাচনের আগেও তার বক্তব্যে নিরপেক্ষতা রক্ষা হয়নি। মানুষ যাকে ভ্রা ন্ত মনে করে, তার ব্যাপারে সাধারণত সফট কর্নার দেখায় না। তিনিও দেখাননি। এতে এই বৃহৎ জনগোষ্ঠী মনে কষ্ট পাওয়াও যৌক্তিক। জাতীয় মসজিদে জাতীয় ঐক্যের খাতিরে নিরপেক্ষ বক্তব্য ও আচরণ করা হবে, এটা যে-কারও প্রত্যাশা হওয়াই স্বাভাবিক।

তবে অন্তরে কষ্ট পেলেও জামায়াতের হাই কমান্ড তার ব্যাপারে কোনো অসম্মানজনক কথা বলেনি। আমিরে জামায়াত এসব ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর। তিনি সর্বদাই কড়াভাবে নির্দেশ দেন, আলিমদের ব্যাপারে সর্বোচ্চ আদব প্রদর্শন করার জন্য। কিন্তু অন্তত আড়াই কোটি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের এই বিশাল পরিবারের প্রতিটা ব্যক্তির জবান ও কলম নিয়ন্ত্রণ করা যে আসলেই সাধ্যাতীত, এটা তো যে-কেউই বুঝবে। তবে সংগঠন এগুলোর দায় নেয় না; বরং তারা বরাবরই এগুলোকে শক্তভাবে প্রত্যাখ্যান করে এবং সংযত ও শিষ্টাচারপূর্ণ আচরণের ব্যাপারে নাসিহাহ করে।

জামায়াতের বিরোধীরা সাধারণত জামায়াতের ব্যাপারে খুব কমই ইনসাফ রক্ষা করে; তবে জামায়াতের হাই কমান্ড বিরোধীদের ব্যাপারেও ইনসাফ রক্ষা করার নীতি অনুসরণ করে। মাওলানা আবদুল মালেক হাফি.-এর টুপি পরানোর বিষয়টাকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে যারা সমালোচনা করছেন, নিঃসন্দেহে এটা বেইনসাফি। এ কাজের সমালোচনা বিএনপি করলে মানানসই ছিল; কারণ, এটা তাদের জন্য এক ধরনের লজ্জাষ্কর ব্যাপার ছিল।

(বাকি অংশ কমেন্ট...)

28/05/2026

ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে ১,২৬,০০০ টাকায় এই গরুটি ক্রয় করা হয়েছে। আগামীকাল ইনশাআল্লাহ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোরবানী করা হবে।

জুলাইয়ের ২৫টি শহিদ পরিবারে এর গোশত পৌছে দেয়া হবে, যার অধিকাংশই রিকশাচালক।

মাত্র ২দিনের প্রস্তুতিতে এই আয়োজন করা হয়েছে। আগামীবার ইনশা'আল্লাহ বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে।

আল্লাহ আমাদের সকলের কোরবানী কবুল করুক।

আব্দুল্লাহ জাবের, ইনকিলাব মঞ্চ

28/05/2026

🚨 সিলেটে কিশোরী নিখোঁজ

সিলেটের তেমুখী এলাকার টুকুর বাজার থেকে তানিয়া (১৯) নামের এক তরুণী নিখোঁজ হয়েছেন। গত ২৭ মে ২০২৬, বুধবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ তানিয়ার বাবার নাম মামুন। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তার পরনে ছিল পিংক রঙের কামিজ। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে, যা পরিবারকে আরও উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

নিখোঁজের ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মাঝে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও এখনও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি তানিয়ার সন্ধান পেয়ে থাকেন বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে দ্রুত নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে পরিবার।

📞 যোগাযোগ: 01609-454812 (ভাই)

🙏 একটি শেয়ারই হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে মেয়েটিকে তার পরিবারের কাছে।

#নিখোঁজ #সিলেট #তেমুখী

27/05/2026

পবিত্র ঈদুল আজহার দিনটি হোক সুন্নাহর আলোকে উদ্ভাসিত।

ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর আনুগত্যের মহান শিক্ষা ধারণ করে আমরা পালন করি ঈদের প্রতিটি আমল।

আসুন, প্রিয় নবী ﷺ এর দেখানো পথে ঈদ উদযাপন করি এবং সুন্নত আমলগুলো জীবনে বাস্তবায়ন করি।

ঈদ মোবারক

27/05/2026

Eid Mubarak ঈদ মোবারক 🌙🇧🇩❤️🌃

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka