Sayed Mahbub

Sayed Mahbub

Share

Let’s talk about growth.

01/03/2026
13/01/2026

আমি “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে

আমি এমন একটি বাংলাদেশ চাই—
যেখানে ক্ষমতা নয়, সংবিধান শক্তিশালী হবে।
যেখানে ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকবে।
যেখানে শাসক নয়, জনগণই হবে সর্বশেষ কর্তৃত্ব।

আমি “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে, কারণ—

আমি চাই নির্বাচন হোক বিশ্বাসযোগ্য,
যেখানে নির্বাচন কমিশন, পিএসসি ও তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা
সরকার ও বিরোধী দলের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে গঠিত হবে।

আমি চাই না কেউ আজীবন ক্ষমতায় থাকুক।
প্রধানমন্ত্রী হোক দায়িত্বশীল—
সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি নয়।

আমি চাই সংসদে নারীর কণ্ঠ আরও শক্তিশালী হোক,
ধাপে ধাপে বাড়ুক নারীর প্রতিনিধিত্ব।

আমি চাই আমার মৌলিক অধিকার আর কখনও
একটি সিদ্ধান্তে কেড়ে নেওয়া না হোক—
ইন্টারনেট বন্ধ হবে না, মত প্রকাশ থামবে না।

আমি চাই সংবিধান আর দলীয় স্বার্থে
ইচ্ছেমতো কাটাছেঁড়া না হোক।
গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে
জনগণের রায়—গণভোট—হোক চূড়ান্ত।

আমি চাই ক্ষমতার ভারসাম্য।
একটি শক্তিশালী সংসদ,
একটি উচ্চকক্ষ,
একটি স্বাধীন বিচারব্যবস্থা।

আমি চাই না অপরাধী ক্ষমতার ছায়ায় বাঁচুক।
দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে
রাষ্ট্রপতি যেন ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে না পারেন।

আমি চাই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায়
সমতা ও নিয়ন্ত্রণ থাকুক।

আমি চাই সংসদে বিরোধী দল
শুধু নামেই নয়,
বাস্তব ক্ষমতায় শক্তিশালী হোক—
ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ কমিটির নেতৃত্বে।

আমি চাই বাংলার মর্যাদা অটুট থাকুক,
একই সঙ্গে এই দেশের
সব জাতিগোষ্ঠীর ভাষা পাক
সাংবিধানিক স্বীকৃতি।

------------------------------------

তাই আমি “হ্যাঁ” ভোট দিচ্ছি

কারণ—
“হ্যাঁ” মানে ন্যায়বিচার।
“হ্যাঁ” মানে জবাবদিহি।
“হ্যাঁ” মানে একটি ভারসাম্যপূর্ণ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।

আপনিও যদি পরিবর্তন চান—
আপনিও যদি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য
একটি ভালো দেশ রেখে যেতে চান—

🗳️ তাহলে “হ্যাঁ” ভোট দিন।

✊ পরিবর্তনের চাবি এবার আমাদের হাতেই।

#সৈয়দ_মাহবুব #গণভোট #গণভোটে_হ্যাঁ_বলুন

06/01/2026

(Gen Alpha) 🤣

28/12/2025

ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ও জুলাই বিপ্লবের আপোষহীন নেতা, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদির হ/ত্যা/র বিচার চাই।

18/12/2025

মহান বিপ্লবী ওসমান হাদী মৃত্যুবরণ করেছেন।😥

একটি দৃঢ় কণ্ঠ আজ নীরব। একটি প্রতিবাদী হৃদয় আজ থেমে গেছে। অন্যায় ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নেওয়া এই মানুষটি তাঁর জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিশ্বাস ও আদর্শ আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন।

তিনি ছিলেন এমন একজন, যিনি ভয়ের কাছে মাথা নত করেননি, সুবিধার কাছে সত্যকে বিক্রি করেননি। তাঁর জীবন ছিল প্রতিবাদের ভাষা, তাঁর চিন্তা ছিল স্বাধীনতার ডাক।

আমরা বিশ্বাস করি—আল্লাহ তাআলা তাঁর নিয়ত ও ত্যাগের যথার্থ মূল্য দেবেন।
আল্লাহ তাআলা তাঁকে রহমত ও মাগফিরাত দান করুন এবং তাঁর পরিবার ও অনুসারীদের ধৈর্য দান করুন। 🤲

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

#ওসমান_হাদী #শোক #সৈয়দ_মাহবুব #একটি_প্রতিরোধী_কণ্ঠ #দোয়া

16/12/2025

স্বাধীনতা শুধু অর্জনের নাম নয়—স্বাধীনতা রক্ষার শপথ।
যদি অন্যায় মাথা তোলে, তবে নীরবতা অপরাধ।
যদি সত্য শৃঙ্খলিত হয়, তবে বিদ্রোহই ইবাদত।

স্বাধীনতার ৫৪ বছরে দাঁড়িয়ে আজও প্রশ্ন জাগে—
আমরা কি মুক্ত? না কি ভয়ের শিকলে বাঁধা?
এই শূন্যতা ভরাট হবে রক্তচক্ষু সততায়,
দায়িত্বে, আর বজ্রকঠিন জাতীয় ঐক্যে।

হে আল্লাহ!
এই জনপদে তুমি শান্তি দাও—
আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াবার আগুন দাও।
আমিন।

12/12/2025

মার্কিন ডলারের এত দাপট কেন?

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর মুদ্রা হল মার্কিন ডলার। সারা বিশ্বের প্রধান ‘রিজার্ভ মুদ্রা’ হিসেবে আমেরিকান ডলার ব্যবহার করা হয়। বিশ্বের মোট অর্থনৈতিক লেনদেনের প্রায় ৯০ শতাংশ হয়ে থাকে মার্কিন ডলারের মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য মার্কিন ডলার প্রায় অপরিহার্য। আমেরিকান ডলারের বিকল্প বা সমকক্ষ আর কোন মুদ্রা নেই বললেই চলে।

ঈঁৎৎবহপু বা মুদ্রা কে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। Commodity Currency, Representative Currency এবং Fiat Currency। কমোডিটি কারেন্সি হল সেই ধরনের অর্থ যার কোনো অন্তর্নিহিত মূল্য আছে। যেমন স্বর্ণ বা রৌপ্যের নিজস্ব মূল্য আছে। প্রাচীনকাল থেকে স্বর্ণ ও রৌপ্যকে সরাসরি বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হতো। স্বর্ণমুদ্রা বা রৌপ্যমুদ্রাকে গলিয়ে ফেলা হলেও এর মূল্য হ্রাস পায় না। এজন্য স্বর্ণমুদ্রা বা রৌপ্যমুদ্রা এগুলো হলো কমোডিটি মানি। মানব ইতিহাসের বড় একটি সময় জুড়ে অর্থনৈতিক লেনদেনের জন্য সোনা, রুপা, তামা বা তামাক পাতা কমোডিটি কারেন্সি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে প্রকৃত মূল্যবান বস্তুর বিকল্প হিসেবে জবঢ়ৎবংবহঃধঃরাব ঈঁৎৎবহপু র যাত্রা শুরু হয়। কাগুজে মুদ্রার কোনো অন্তর্নিহিত মূল্য নেই, কার্যত এগুলো কাগজের টুকরো ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এই কাগুজে মুদ্রাগুলো কোনো মূলবান ধাতু বিশেষ করে স্বর্ণের সাথে সম্পর্কিত। কাগুজে মুদ্রার মান কোনো রাষ্ট্রের স্বর্ণের মজুদের ওপর নির্ভর করে। সর্বপ্রথম চীনে কাগুজে নোটের প্রচলন হয়েছিল। কিন্তু ইউরোপে কাগুজে মুদ্রার প্রচলন ঘটার পর থেকে তা ক্রমশ বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যে বিশ্বের অধিকাংশ উন্নত রাষ্ট্র ‘স্বর্ণমান’ বা মড়ষফ ংঃধহফধৎফ গ্রহণ করে। এই ব্যবস্থায় স্বর্ণের মূল্য নির্দিষ্ট করে দেয়া হয় এবং যেকোনো সময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ কাগুজে মুদ্রার পরিবর্তে নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণ পাওয়া যেত। এই পযন্ত টাকার মান নিয়ে কোন সমস্যা ছিল না। কিন্তু ঝামেলা তৈরী হয়, যখন ফিয়াট কারেন্সির আবির্ভাব ঘটে। এই মুদ্রাও কাগুজে নোটের মাধ্যমে প্রচলিত, কিন্তু এই নোটের সাথে বাস্তবে কোন মূল্যবান ধাতু বা স্বর্নের কোন সম্পর্ক নেই। ফিয়াট মানির ক্ষেত্রে, কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের চাহিদা মত টাকা ছাপিয়ে, অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে। বর্তমান কালের অধিকাংশ আধুনিক মুদ্রাই ফিয়াট কারেন্সি। এমনকি বহুল আলোচিত এই আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকা সহ প্রায় সবই ফিয়াট কারেন্সি।

ডলার আন্তর্জাতিক মুদ্রা হল কিভাবে ?

ঊনবিংশ শতাব্দীতে ব্রিটেন ছিল বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তি। তাদের স্বর্ণের মজুদ ছিল সবচেয়ে বেশি, এবং লন্ডন ছিল বিশ্ব ব্যাংকিংয়ের কেন্দ্র। এজন্য ব্রিটিশ মুদ্রা ‘পাউন্ড স্টার্লিং’ ছিল সেসময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা। তাই বিশ্ব বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ পাউন্ড ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হতো। ১৮৭০ এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়। এরপর বিংশ শতাব্দীতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে, ব্রিটেন সহ ইউরোপীয় দেশগুলো যুদ্ধের খরচ মেটানোর জন্য, ইচ্ছামত টাকা ছাপাতে শুরু করে। তাদের স্বর্ণ মজুদের ভিত্তিতে যে পরিমাণ মুদ্রা ছাপানো সম্ভব, তার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে তারা নোট ছাপাচ্ছিল। অন্যদিকে, যুদ্ধের প্রথম তিন বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে। সেই সময়ে তারা ইউরোপীয় দেশ গুলোর কাছে অস্ত্র ও যুদ্ধের রসদ বিক্রি করে আমেরিকার অর্থনীতিকে আরো সমৃদ্ধ করে তোলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ব্রিটেন সহ অধিকাংশ দেশ তাদের ‘স্বর্ণমান’ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। কারণ তখন তাদের টাকার মান দেশের মজুদ স্বর্ণমানের ওপর নির্ভরশীল ছিল না। এই পরিস্থিতিতের দেশগুলোর মুদ্রা ব্যবস্থা চাহিদা ও যোগানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। আর তখন থেকেই ফিয়াট কারেন্সি বা, প্রকৃত মূল্যহীন কারেন্সি ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ে।
ইউরোপের অর্থ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসলেও, মার্কিন ডলার তখনো ফিয়াট কারেন্সি তে পরিণত হয়নি। তখনো পর্যন্ত আমেরিকান ডলার স্বর্ণমানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। যেসব দেশ ফিয়াট মানির প্রচলন ঘটিয়েছিল, তারা তাদের স্বর্ণের মজুদ বৃদ্ধি করে, মুদ্রার প্রকৃত মান ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে, তখনকার দিনে আমেরিকা ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ এবং মার্কিন ব্যাংকিং ব্যবস্থা ছিল সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। সেকারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ পাউন্ডের বদলে মার্কিন ডলার অগ্রাধিকার পেতে থাকে। মার্কিন ডলার কে অধিক নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে বিভিন্ন দেশ তাদের রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবেও ডলার সঞ্চয় করতে থাকে। এক পর্যায়ে অধিক ব্যবহারের ফলে মার্কিন ডলার বা বৈশ্বিক মুদ্রা হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এর প্রেক্ষিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার স্বর্ণের মজুদ বৃদ্ধি করতে শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্র তখন তাদের রপ্তানি করা জিনিস পত্রের বিনিময়ে স্বর্ণ ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের মজুদ বাড়তে থাকে, বিপরীতে অন্য রাষ্ট্রগুলোর স্বর্ণের মজুদ কমতে থাকে। এরপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে অনেকটা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। প্রথম আড়াই বছর যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে বিরত ছিল, এবং যুদ্ধরত দেশগুলোর কাছে প্রচুর সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করে। যথারীতি এসময়ও যুক্তরাষ্ট্র তার রপ্তানিকৃত পণ্যের বিনিময়ে স্বর্ণ ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। এই নীতির কারণে তাদের স্বর্ণমজুদ ফুলে ফেঁপে ওঠে। ১৯৪৭ সালে বিশ্বের মোট মজুদকৃত স্বর্ণের ৭০ ভাগই ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে।

দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধ আমেরিকার জন্য এক ধরণের আশির্বাদ হয়ে আসে। এই বিশ^যুদ্ধ পৃথবীতে আমেরিকার অবস্থান চিরদিনের মত বদলে দেয়। যুদ্ধের পরে ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের মতো পরাশক্তি গুলো অর্থনৈতিক ভাবে পঙ্গু হয়ে যায়। কারণ একে একে তাদের উপনিবেশ গুলো স্বাধীন হয়ে যাচ্ছিল। তখন শুধুমাত্র আমেরিকা দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধ পরবর্তী অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায়। বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়েই অন্যান্য রাষ্ট্র অনুধাবন করতে পেরেছিল, যুদ্ধপরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্র একচ্ছত্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে। যুদ্ধপরবর্তী অর্থনীতি যাতে স্থিতিশীল থাকে সেটি নিশ্চিত করার জন্য ১৯৪৪ সালে মিত্রপক্ষের ৪৪টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের ব্রিটন উডস নামক অবকাশ যাপন কেন্দ্রে আলোচনার জন্য সমবেত হয়। দেশগুলোর প্রতিনিধিরা একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে যা ব্রিটন উডস চুক্তি নামে পরিচিত। এই চুক্তি বিশ^ অর্থনীতির মেরুদন্ডে পরিণত হয়। ব্রিটন উডস চুক্তির মাধ্যমেই স্বর্ণকে পাশ কাটিয়ে মার্কিন ডলার কে আনুষ্ঠানিকভাবে রিজার্ভ কারেন্সি হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এসময় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, মার্কিন ডলারের সঙ্গে স্বর্ণের যে সংযোগ ছিল, সেটি বজায় থাকবে, এবং আগের মতোই বিনা বাধায় মার্কিন ডলারকে ইচ্ছেমতো স্বর্ণে রূপান্তর করা যাবে। ব্রিটন উডস চুক্তির ফসল হিসেবেই বিশ^ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মূদ্রা তহবিল বা আইএমএফ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই আন্তর্জাতিক সংস্থা দুটি বিশ^ব্যাপী আমেরিকার প্রভাব বলয় সৃষ্টি করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।

১৯৫০ ও ১৯৬০ এর দশকে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো এবং জাপান বিশ্বযুদ্ধের দুর্দশা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়। তখন তারা তাদের মজুদকৃত মার্কিন ডলারের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আবারো স্বর্ণ কিনতে শুরু করে। এর ফলে মার্কিন স্বর্ণ মজুদ ক্রমশ হ্রাস পেতে থাকে। সেসময় ভিয়েতনাম যুদ্ধের পেছনেও আমেররিকার অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়। সেই সাথে ১৯৬৫ সালে মার্কিন রাষ্ট্রপতি লিন্ডন জনসন ‘গ্রেট সোসাইটি’ নামে এক বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করে। যার উদ্দেশ্য ছিল আমেরিকার শিক্ষা, নাগরিক অধিকার, স্বাস্থ্য খাত এবং অনুন্নত অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন করা। এই প্রকল্পের ব্যয় মেটানোর জন্য মার্কিন সরকার বিপুল পরিমাণে টাকা ছাপাতে শুরু করে। এর ফলে মার্কিন ডলারের সঙ্গে স্বর্ণের সামঞ্জস্য রাখা আর সম্ভব হয় না। ১৯৭১ সালে মার্কিন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন বিশ্ব অর্থনীতিকে বড় একটি ধাক্কা দেন, যেটি ঘরীড়হ ঝযড়পশ নামে পরিচিত। তিনি ঘোষণা করেন যে, এখন থেকে আর মার্কিন ডলারের সঙ্গে স্বর্ণের কোনো সংযোগ নেই। অর্থাৎ, এখন থেকে কোন দেশ চাইলেই নির্দিষ্ট মূল্যে মার্কিন ডলারের বিনিময়ে স্বর্ণ কিনতে পারবে না। তার মানে, মার্কিন ডলারও তখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুদ্রাগুলোর মতো ‘ফিয়াট কারেন্সিতে পরিণত হয়।

মার্কিন ডলার যখন ‘ফিয়াট মানি’তে পরিণত হলো, তখন অন্য দেশগুলো কেন মার্কিন ডলারকে ত্যাগ করল না? এখনও পর্যন্ত কেন ডলারকে আন্তর্জাতিক লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে? এর কারণ হল, মার্কিন ডলারকে ত্যাগ করে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার জন্য নতুন একটি রিজার্ভ মুদ্রার প্রয়োজন হতো। কিন্তু যখন ‘নিক্সন শক’ কার্যকর হয়, তখনো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছিল বিশ্বের প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তি। তখন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করার মত অন্য কোন দেশ ছিল না। ফলে মার্কিন ডলারের মানের পতন ঘটলেও, তাদের একাধিপত্যকে কোনো বাধারই সম্মুখীন হতে হয়নি। তখন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিদ্বন্দী দেশের বিরুদ্ধে ডলারকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। বিভিন্ন সময়ে ইরান, চীন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়ার উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে দেশগুলোর আন্তর্জাতিক বানিজ্যে অংশগ্রহণ করা অনেক কঠিন হয়েছে।

07/12/2025

“হলুদ সাংবাদিকতা”

সাম্প্রতিক সময়ে জনপ্রিয় একটি দৈনিক পত্রিকার সংবাদ ছবিকে কেন্দ্র করে হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি বারবার উঠে আসছে। কিন্তু আমরা অনেকেই হয়ত জানি না হলুদ সাংবাদিকতার অর্থ কী।

আমাদের ব্যবহৃত আর দশটি সাধারণ পণ্যের মতই, সংবাদও একটি পণ্য। অতীতে সংবাদ এর বাজার এত জনপ্রিয় ছিল না। সংবাদকে জনপ্রিয় পণ্যে পরিণত করার ইতিহাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে হলুদ সাংবাদিকতা। সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতার পরিবর্তে নজরকাড়া শিরোনাম দিয়ে, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশনই হলুদ সাংবাদিকতা’। সংবাদিকতার দুই মহারথি; জোসেফ পুলিৎজার ও উইলিয়াম রান্ডলফ হার্স্ট; তাদের পত্রিকার কাটতি বাড়ানোর জন্য ভিত্তিহীন, অর্ধসত্য ও নানা ধরনের মনগড়া খবর ছাপানোর এক অসুস্থ প্রতিযোগীতায় লিপ্ত হয়েছিল। তাদের সেই প্রতিযোগীতারই ফসল হলুদ সাংবাদিকতা।

সংবাদপত্র বেশকিছু বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে আজকের পর্যায়ে এসেছে। উনিশ শতকে আমেরিকায় শুরু হওয়া এই বিপ্লবের নেপথ্যে ছিলো সংবাদপত্র ইতিহাসের দুই অবিসংবাদিত নেতার দ্বৈরথ। হাঙ্গেরী থেকে অভিবাসী হয়ে আমেরিকায় আসা জোসেফ পুলিৎজারের শৈশব কেটেছে অত্যন্ত দীনতায়। কিশোর বয়সে রাস্তায় রাস্তায় পত্রিকা বিক্রি করা আর মানুষের দুঃখ দুর্দশাকে কাছ থেকে দেখা পুলিৎজারের স্বপ্ন ছিলো নিজের একটি পত্রিকা বের করার। সেখানে তিনি দরিদ্র মানুষের সংগ্রামের কথা লিখবেন এই ছিলো তার সংকল্প। সেইন্ট লুইস পত্রিকায় পুলিৎজার প্রথম সাংবাদিকতার সুযোগ পান। সঠিক তথ্য যথাযথ উপস্থাপনের মাধ্যমে সমাজের উঁচু শ্রেণীর মানুষ ও রাজনীতিকদের দূর্নীতি প্রকাশ করে পুলিৎজার অল্পদিনেই সংবাদপত্র জগতে পরিচিতি পেয়ে যান। তার অল্প দিনের মধ্যেই সেইন্ট লুইস পোস্ট ডিসপ্যাচ নামের একটি পত্রিকার মালিক হন তিনি।

১৮৮৩ সালে পুলিৎজার সংবাদপত্রের জন্যে বিখ্যাত নগরী নিউ ইয়র্ক সিটিতে পাড়ি জমান এবং নিউ ইয়র্ক ওয়ার্ল্ড নামের একটি পত্রিকা কিনে নেন। সেসময় নিউ ইয়র্কে প্রচুর অভিবাসী এসে বেকারত্ব ও দুর্দশায় জীবন কাটাচ্ছিলো। একই অবস্থা থেকে উঠে আসা পুলিৎজার চাচ্ছিলেন এই অভিবাসী ও শ্রমজীবীদের জীবনের খবর প্রকাশ করে তিনি পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। সেসময় সংবাদপত্রে শুধু সমাজের উঁচু স্তরের মানুষের খবর ছাপা হতো। বেশির ভাগ পত্রিকাই ছিলো রাজনৈতিক দল দ্বারা প্রভাবিত। এছাড়া তখনকার সংবাদপত্রগুলোও ছিল খুবই বিরক্তিকর ও একঘেয়ে। কারণ তৎকালীন সংবাদপত্রে কোন শিরোনামই থাকত না এবং সকল সংবাদ একই সাইজের হরফে ছাপা হতো। পুলিৎজার তাঁর পত্রিকায় সর্বপ্রথম হেডলাইন, নতুন হরফ, বোল্ড, টাইপেগ্রাফি ইত্যাদির প্রবর্তন করেন। এর মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই পুলিৎজারের পত্রিকা নিউ ইয়র্ক ওয়ার্ল্ড এর গ্রাহক তিন গুণ বেড়ে গিয়ে ৪৫ হাজারে পৌছায় এবং দেড় বছরের মাথায় এক লক্ষ গ্রাহক তার পত্রিকা পড়তে শুরু করে। আর এভাবেই পুলিৎজারের দৃঢ় সংকল্প আর সাহসী পদক্ষেপ তাকে নিউইয়র্কের অন্যতম প্রভাবশালী মানুষে পরিণত করে।

নিউইয়র্র্ক থেকে ২০০ মাইল দূরে ম্যাসাচুসেটস এর কেমব্রিজে বসে, পুলিৎজারের এই উত্থান সূক্ষ দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করছিলেন উইলিয়াম রান্ডলফ হার্স্ট। ধনী পরিবারের প্রাচুর্যে বেড়ে ওঠা হার্স্ট ছোটোবেলা থেকেই ছিলেন উচ্চাভিলাষী। সংবাদপত্র ব্যবসায় আগ্রহী হার্স্ট ১৮৮৭ সালে তার পিতার মালিকানাধীন পত্রিকা সান ফ্রান্সিস্কো একজামিনার এর দায়িত্ব নেন। নিম্ন মানের খবর এর জন্য পত্রিকাটি খুবই খারাপ অবস্থা চলছিল। পুলিৎজারের কৌশল অবলম্বন করে হার্স্ট তার পত্রিকাকে নতুন রূপ দেন। কিন্তু তিনি তাঁর পত্রিকায় মিথ্যা ও ভুঁয়া তথ্য দিয়ে মুখরোচক খবর ছাপতে থাকেন, যা আমরা বর্তমান সময়ে হলুদ সাংবাদিকতা হিসেবে জানি। সান ফ্রান্সিস্কো একজামিনার অল্পকিছুদিনেই গ্রাহকপ্রিয়তা লাভ করে। এরপর হার্স্ট নিউ ইয়র্কে আসেন তার আদর্শ গুরু পুলিৎজারের সাথে প্রতিযোগীতা করতে।

 পুলিৎজার ক্ষমতার প্রতি আগ্রহী ছিলেন একটি বিশেষ পরিবর্তনের লক্ষ্যে। তিনি চেয়েছেন সমাজের খেটে খাওয়া মানুষকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে।

 অন্যদিকে হার্স্ট এর ক্ষমতার প্রতি আগ্রহ ছিলো শুধু মাত্র আত্ম উন্নয়ন এবং নিজেকে প্রভাবশালী করার লক্ষ্যে।

হার্স্ট নিউ ইয়র্কে এসে নিউ ইয়র্ক মর্নিং জার্নাল নামের একটি সস্তা পত্রিকা কিনে নেন। ঠিক সেই সময়ে পুলিৎজার নিউইয়র্কের বাইরে অবস্থান করায়, সুযোগ সন্ধানী হার্স্ট মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে পুলিৎজারের পত্রিকার সেরা কর্মীদেরকে নিজের পত্রিকায় নিয়ে আসেন। তাঁর পত্রিকার নতুন নাম হয় নিউ ইয়র্ক জার্নাল। উইলিয়াম হার্স্টের পত্রিকার প্রথম পাতার হেডলাইন গুলো ছিলো অপরাধ ও স্ক্যান্ডাল জাতীয় সংবাদে ভরপুর। এরফলে মাত্র তিন মাসে হার্স্ট এর পত্রিকা দ্বিগুন গ্রাহক অর্জন করে। প্রতিযেগীতায় এগিয়ে থাকতে হার্স্ট তাঁর পত্রিকার দামও কমিয়ে দেন। পুলিৎজারের ৮ পৃষ্ঠার পত্রিকা নিউ ইয়র্ক ওয়ার্ল্ড এর বিক্রয় মূল্য ছিল ২ সেন্ট। অন্যদিকে হার্স্ট তার ১৬ পৃষ্ঠার নিউ ইয়র্ক জার্নাল বিক্রি করত মাত্র ১ সেন্টে। এরফলে পুলিৎজার তাঁর পত্রিকার গ্রাহক হারাতে শুরু করে। পুলিৎজার হার্স্ট এর ধূর্ততায় মানসিক ভাবে অত্যন্ত আহত হন। হার্স্টের নিত্য নতুন কৌশলের কাছে পুলিৎজার ও তাঁর পত্রিকা বারবার ধরাশয়ী হতে থাকে।

তৎকালীন সময়ে সাংবাদিকেরা তারকাদের সম পর্যায়ে ছিলেন। এই তারকারা পত্রিকার পাতায় কি লিখছেন তা জানার জন্যেই আগ্রহী পাঠকেরা নিয়মিত সংবাদপত্র কিনতো। পুলিৎজারের পত্রিকায় কাজ করা তৎকালীন সময়ের অন্যতম সেরা সাংবাদিক ছিলেন আর্থার ব্রিসবেন এবং রিচার্ড ফেন্টো। রিচার্ড ফেন্টো ছিলেন একজন কার্টুনিস্ট। তিনি নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ডের প্রথম পাতায় ইয়েলো কিড বা হলুদ বালক নামে প্রতিদিন একটি কার্টুন আঁকতেন। এই কার্টুনের মাধ্যমে পুলিৎজার সামাজিক অসংগতি থেকে শুরু করে এমন অনেক কিছু বলিয়ে নিতেন, যা ছিল অনেকটাই পক্ষপাতদুষ্ট। পুলিৎজারের পত্রিকার এই দুই তারকা সাংবাদিক কে অধিক বেতনের প্রলোভনে হার্স্ট তার নিজের পত্রিকায় নিয়ে আসেন। তখন পুলিৎজার বাধ্য হয়ে জর্জ লুকাস নামে আরেক কাটুনিস্টকে নিয়োগ দেন। এরপর থেকে উভয় পত্রিকাতেই ইয়োলো কিডস কার্টুন ছাপা হতে লাগলো। এর মাধ্যমে শুরু হয়ে গেলো পত্রিকার কাটতি নিয়ে দুটো পত্রিকার মধ্যে প্রত্যক্ষ দ্বন্দ। এই ইয়োলো কিডস কার্টুনের মাধ্যমে ছাপা হওয়া ভিত্তিহীন, অর্ধসত্য, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ তখন থেকে ইয়োলো জার্নালিজম বা হলুদ সাংবাদিকতা হিসেবে পরিচিতি পেতে থাকে। এর ফলে তৈরী হয় নষ্ট মানসিকাতা সম্পন্ন এক পাঠকশ্রেণি, যারা সব সময় চটকদার, ভিত্তিহীন, চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী, অর্ধ-সত্য সংবাদ প্রত্যাশা করতো এবং তা পাঠ করে তৃপ্তি পেতো।

১৮৯৮ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারী কিউবার হাভানায় নোঙর ফেলা একটি ইউএসএস মেরিন জাহাজে আকস্মিক বিস্ফোরণে প্রায় আড়াইশ জন আমেরিকান নাবিক মারা যায়। হার্স্ট তাঁর পত্রিকায় এই দূর্ঘটনা কে স্পেন এর ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে ভুয়া তথ্যের সাহায্যে পত্রিকায় খবর প্রকাশ করেন। চাঞ্চল্যকর সেই ভুয়া সংবাদ প্রকাশের দুই মাসের মাথায় ১৮৯৮ সালের ২৫ এপ্রিল, আমেরিকান কংগ্রেস স্পেন এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে। তখন বাাজরে টিকে থাকার লড়াইয়ে পুলিৎজারও হার্স্ট এর মতো ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করতে শুরু করে। স্প্যানিস-আমেরিকান যুদ্ধ পুলিৎজার ও হার্স্ট উভয়ের জন্যেই তাদের পত্রিকা বিক্রির একটি লাভজনক বাজার সৃষ্টি করেছিল। এ যুদ্ধের সময়ই হার্স্টের পত্রিকার নিয়মিত গ্রাহক সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।

তৎকালীন সময়ে দৈনিক পত্রিকা গ্রাহকের কাছে পৌছে দিত পথশিশুরা; তাদের বলা হত নিউজি, অনেকটা আমাদের দেশের শিশু হকারদের মত। যুদ্ধকালীন সময়ে নিউজি রা ১০০ টি পত্রিকা কিনত ৫০ সেন্ট মূল্যে। স্প্যানিস-আমেরিকান যুদ্ধের পর পুলিৎজার ও হার্স্ট অবিক্রিত পত্রিকার জন্যে মূল্য ফেরত ব্যবস্থা বাতিল করা সহ নিউজিদের কাছে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে ৬০ সেন্ট। এর প্রতিবাদে নিউ ইয়র্কের পথশিশুরা দুই ক্ষমতাধর পত্রিকার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। যার ফলে পত্রিকার সম্পূর্ণ বিলিব্যবস্থাই বন্ধ হয়ে যায়। দুই প্রভাবশালী পত্রিকার ব্যবসা তাদের মালিকের নিষ্ঠুরতার জন্যে আচমকা হুমকির মুখে পড়ে যায়। একপর্যায়ে পুলিৎজার তার কৃৎকর্মের জন্যে অনুশোচনায় ভুগতে থাকেন কারণ তিনি নিজেও একসময় নিউজি ছিলেন। অবশেষে দু’জনেই অবিক্রিত পত্রিকার জন্যে নিউজি দের টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে ১৮৯৯ সালের ২ আগস্ট ধর্মঘট শেষ হয়।

সততার সাথে সংবাদ প্রকাশ করে সুখ্যাতি লাভ করা পুলিৎজার, অর্থ উপার্জনের মোহে র‌্যান্ডলফ হার্স্টের সাথে জঘন্য এক প্রতিযোগীতায় লিপ্ত হন। পরবর্তীতে পুলিৎজার তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে নিউ ইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ মিলিয়ন ডলার দান করেন। এখানেই সর্বপ্রথম সাংবাদিকতা বিষয়ক শিক্ষাদান শুরু হয়। এবং সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের প্রধান ক্ষেত্র হয়ে ওঠে কলম্বিয়া স্কুল অব জার্নালিজম। ১৯১১ সালের ২৯ অক্টোবর পুলিৎজারের মৃত্যুর পর থেকে তার সম্মানে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় পুলিৎজার পুরস্কার প্রবর্তন করে। যা এখনও পর্যন্ত সাংবাদিকতার সর্বোচ্চ পুরষ্কার হিসেবে স্বীকৃত। অপ-সাংবাদিকতার অর্থ দিয়েই বর্তমানে শ্রেষ্ঠ সাংবাদিকদের পুরষ্কার দেওয়া হয়।

অপরদিকে রান্ডলফ হার্স্ট রাজনীতিতে মনোনিবেশ করেন এবং একসময় হলিউডে প্রতিষ্ঠিত হন। রান্ডলফ হার্স্ট এর জীবনী নিয়ে অরসন ওয়েলস নির্মান করেন হলিউডের সর্বকালের অন্যতম সেরা চলচিত্র সিটিজেন কেইন। পুলিৎজার এবং হার্স্ট এর তিক্ত লড়াইয়ের মাঝে সাংবাদপত্র শিল্পের অভূতপূর্ব বিপ্লব সাধিত হয়। আজকে আমরা যে আধুনিক গণমাধ্যম ব্যবস্থা দেখছি, এই রূপরেখার অনেকটাই গড়ে উঠেছে এই দুই মহারথির দ্বৈরথের মধ্য দিয়ে।

#হলুদ_সাংবাদিকতা

04/12/2025

চিনের কৃত্রিম সূর্য

বেশ কয়েকমাস আগে চীনের কৃত্রিম সূর্য হিসেবে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। ভিডিওটিতে দেখা যায় একটি গোলাকার আগুনের পিন্ড আকাশে উঠে যাচ্ছে। একই রকম আরেকটি ভিডিও প্রচার করে বলা হয়, চীন কৃত্রিম সূর্য তৈরী করে, রাতকে দিন বানিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু এর সবই আসলে ভূয়া। এগুলো মূলত চীনা রকেট উৎক্ষেপনের দৃশ্য, যা ভিডিওতে আগুনের বলের মত দেখাচ্ছে। তবে চীন যে কৃত্রিম সূর্য বানাচ্ছে না, তা কিন্তু নয়। চীনের নির্মানাধীন কৃত্রিম সূর্য আকাশে ছেড়ে দেওয়ার মত কোন বস্তু নয়। এটি মূলত একধরনের পারমানবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র। যা বর্তমান সময়ের প্রচরিত পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চেয়েও অনেক বেশি টেকসই এবং নিরাপদ জ্বালানী তৈরী করতে পারবে।

চীনের কৃত্রিম সূর্য আসলে কি ?

চীনের কৃত্রিম সূর্য EAST

বিশ্বের বহু দেশের বিজ্ঞানীরা টেকসই এবং নিরাপদ জ্বালানীর জন্য নানা ধরনের গবেষণা করছেন। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অভাবনীয় একটি প্রকল্প হল চীনের কৃত্রিম সূর্য। একে কৃত্রিম সূর্য বলার কারণ হল, এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সূর্যের মত নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ঘটিয়ে শক্তি উৎপাদন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। উচ্চাভিলাষী এই প্রকল্প সফল হলে এটি থেকে সূর্যের মত অফুরন্ত শক্তি উৎপাদন করা যাবে। চীনের হেফেই শহরে প্লাজমা ফিজিক্স ইনস্টিটিউটে এই গবেষণা চালানো হচ্ছে। চীনের কৃত্রিম সূর্য প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক নাম হল Experimental Advanced Superconducting Tokamak যা সংক্ষেপে EAST নামে পরিচিত। টোকামাক হল এমন এক ধরনের যন্ত্র যার ভেতরে ফিউশন বিক্রিয়া ঘটানো হয়। টোকামাকের ভেতর প্রচন্ড শক্তিশালী চৌম্বক থাকে, যা যন্ত্রটির ভেতর অভাবনীয় চাপ তৈরী করে। এই চাপের সাহায্যে প্লাজমাকে নিয়ন্ত্রন করা হয়। প্লাজমা হল এক ধরনের অধিক উত্তপ্ত বৈদ্যুতিক আধানযুক্ত গ্যাস। প্লাজমার বিশেষ বৈশিষ্টের কারণে একে পদার্থের চতুর্থ অবস্থাও বলা হয়। এই প্লাজমাই হবে কৃত্রিম সূর্যের জ্বালানী।

ফিউশন পাওয়ার

চিনের কৃত্রিম সূর্য বা EAST এর আসল উদ্দেশ্য হল ফিউশন পাওয়ার উৎপাদন করা। ফিউশন পাওয়ারকে বলা হয় অফুরন্ত শক্তির আধার। ফিউশন পাওয়ার উৎপাদন কেন কঠিন তা জানার আগে ফিশন পাওয়ার সম্পর্কে একটু আলোচনা করা যাক। বর্তমান সময়ের পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম এর মত ভারি তেজষ্ক্রিয় পরমাণুকে ভেঙে শক্তি উৎপাদন করা হয়। কিন্তু এভাবে বিপুল শক্তির অপচয় হয় এবং বিক্রিয়ার ফলে দীর্ঘমেয়াদী তেজষ্ক্রিয় বর্জ্য উৎপন্ন হয়। পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বর্জ্য বিশেষ নিরাপত্তার সাথে মাটির নিচে সংরক্ষণ করতে হয়। তারপরও এগুলো খুবই বিপদজনক। এসব সমস্যা সমাধানের জন্যই মূলত গবেষকেরা ফিউশন বিক্রিয়ার প্রতি আগ্রহী হয়েছেন। এই পদ্ধতিতে দুটি হালকা পারমাণুকে একত্রিত করার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপাদন করা হয়। ফিউশনের জন্য হাইড্রোজেন এর অাইসোটোপ ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম এর মত পরমানু নেওয়া হয়। ফিউশন বিক্রিয়ায় দীর্ঘমেয়াদী তেজষ্ক্রিয় বর্জ্য উৎপন্ন হয় না। কিন্তু সমস্যা হল, ফিউশন বিক্রিয়া সচল রাখার জন্য যে ধরনের চরম পরিবেশ দরকার, পৃথিবীতে এখনও পর্যন্ত কৃত্রিমভাবে সে অবস্থা সৃষ্টি করা সম্ভব হয়নি। আমাদের সূর্য সহ বড় বড় তারকারাজিতে প্রাকৃতিকভাবে ফিউশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদিত হয়। তারমানে পৃথিবীতে ফিউশন প্রক্রিয়া চলমান রাখার জন্যও লক্ষ কোটি ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার দরকার হবে। চীনা গবেষকেরা বিগত প্রায় দুই দশকের গবেষণায় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন।

চীনা প্রকল্পের উদ্দেশ্য

চীনের কৃত্রিম সূর্য প্রকল্পের মোটাদাগে দুইটি উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রথমটি হল নিয়ন্ত্রিত নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ঘটানো এবং দ্বিতীয়টি হল, নিরাপদ এবং টেকসই শক্তির উৎস হিসেবে ফিউশন বিক্রিয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করা। আমাদের সূর্যের কেন্দ্রে যে ধরনের পরিবেশ বিরাজ করে, কৃত্রিমভাবে ঠিক সেরকম পরিস্থিতি তৈরীর চেষ্টা করাই এই গবেষণার প্রধান উদ্দেশ্য। যদি সূর্যের মত ফিউশন বিক্রিয়ার প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখা যায়, তাহলে তা থেকে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব হবে। নিয়ন্ত্রিত সফল নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া ঘটাতে পারলে জ্বালানী খাতের এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এর মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর জন্য প্রয়োজনীয় Clean Energy বা সবুজ জ্বালানী সরবরাহ করা যাবে। তখন শক্তি উৎপাদন করতে গিয়ে গ্রীন হাউজ গ্যাস বা তেজষ্ক্রিয় বর্জ্য নিঃসরনের কোন ঝামেলা থাকবে না। এটিই হতে পারে পৃথিবীর ক্রমবর্ধমান জ্বালানী সমস্যার সর্বোৎকৃষ্ট সমাধান।

চীনের সফলতা

চীনের বিজ্ঞানীরা ২০০৬ সাল থেকে EAST পরিচালনা করে আসছেন। তারা এখনও পর্যন্ত প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার বার পরীক্ষা চালিয়েছেন। EAST টোকামাক দিয়ে প্লাজমার তাপমাত্রা, স্থায়ীত্ব এবং ঘনত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে অনেক অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করতে পেরেছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। ২০১৭ সালে চীনের বিজ্ঞানীরা EAST এর প্লাজমায় ১০০ মিলিয়ন ডিগ্রী সেলসিয়াস বা ১০ কোটি ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়। এই সাফলে চীনারা কৃত্রিম সূর্যকে বাস্তবে রূপদানের প্রক্রিয়ায় আরো এক ধাপ এগিয়ে যায়। সেবার ১০১ সেকেন্ডের মত সময় তারা ১০ কোটি ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা ধরে রাখতে পেরিছিল। পরবর্তীতে পরিচালিত সফল পরীক্ষা গুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ফলাফল হল, ২০১৮ সালে তারা EAST এর ভেতর ৭০ মিলিয়ন ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্লাজমাকে একটানা ১৮ মিনিট স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছিল। এই পরীক্ষাটি যদিও সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছিল। সবশেষ ২০২৩ সালের এপ্রিলে তারা অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে ফেলে। এবার তারা একটানা ৪০৩ সেকেন্ড সূর্যের মত চরম তাপমাত্রা ধরে রাখতে সক্ষম হয়। একটি সফল স্থিতিশীল অপারেশন পরিচালনার জন্য ৩০০ সেকেন্ড হল নূন্যতম সময়। সে হিসেবে এবারের পদক্ষেপটি চীনের জন্য অনেক বড় অর্জন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। EAST এর পরীক্ষা চালানোর পাশাপাশি চীন কৃত্রিম সূর্যের আরেকটি নতুন মডেল নিয়ে কাজ করছে। চীনের ভবিষ্যৎ সেই মডেলের নাম China Fusion Engineering Test Reactor যার সংক্ষিপ্ত নাম CFETR। এই নতুন মডেল দিয়ে ২০৩৫ সাল থেকে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হবে।

ভিডিওর এই পর্যায়ে আমাদের স্পন্সর সম্পর্কে কিছু কথা বলা যাক,

আপনি কি চায়না থেকে পণ্য এনে ব্যবসা করতে চাচ্ছেন? চায়নার ২০ কোটি পণ্যের সমাহার নিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারী শ্রেনির ব্যবসায়ীদের জন্য পাইকারি মূল্যের সেরা মার্কেটপ্লেস, Skybuybd-তে রয়েছে LC এবং customs সংক্রান্ত ঝামেলা ছাড়াই শুধু মাত্র কেজি প্রতি খরচে চায়না থেকে পণ্য সোর্সিং-এর সুবিধা। ওয়েবসাইটে পণ্যের নাম লিখে অথবা ইমেজ সার্চের মাধ্যমে আপনার কাঙ্খিত পণ্য অর্ডার করলেই বাই এয়ারে স্বল্প সময়েই পণ্য পৌছে যাবে আপনার ঠিকানায়। পাশাপাশি ডেডিকেটেড কাস্টমার সাপোর্ট,ওয়েরহাউসিং ফেসিলিটি এবং প্রোডাক্ট ট্র্যাকিং এর সুবিধা তো রয়েছেই। তাই দেরি না করে আজই আপনার পছন্দের প্রোডাক্টটি অর্ডার করুন Skybuybd থেকে এবং ৫% ডিসকাউন্ট পেতে KKK5 কুপন কোডটি ব্যবহার করুন।

আবার মূল বিষয়ে ফিরে আসা যাক,

চ্যালেঞ্জ এবং সীমাবদ্ধতা

চীনের কৃত্রিম সূর্য প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত অভাবনীয় সাফল্য আসলেও, এই মহাপ্রকল্প বাস্তবায়ন করতে আরো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ এবং প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করতে হবে। এর প্রধান চ্যালেঞ্জ হল দীর্ঘ সময়ের জন্য প্লাজমার স্থিতিশীলতা ধরে রাখা। এছাড়া অতি উচ্চ তাপমাত্রা বজায় রাখা এবং তেজষ্ক্রিয়তা নিয়ন্ত্রণ করা আরেক ধরনের চ্যালেঞ্জ। তাছাড়া টোকামাকগুলোকে লক্ষ কোটি ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপ সহনশীল করে গড়ে তোলা মোটেও সহজ বিষয় নয়। শুধু তাই নয় এত উচ্চ তাপমাত্রা দীর্ঘ সময় বিরাজ করলে, টোকামাকের ভেতরের কাঠামো ঠিক রাখার মত উপাদান এখনও পাওয়া যায়নি। বিশাল এই সমস্যা সমাধানের জন্য চীন বিশ্বের বহু দেশের ফিউশন ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে কাজ করছে। বেশ কয়েকটি দেশের বিজ্ঞানীরা মিলে ফ্রান্সে আরেকটি একই ধরনের প্রকল্প চলমান রয়েছে। এর নাম International Thermonuclear Experimental Reactor যাকে সংক্ষেপে ভলা হয় ITER প্রকল্প। চীনের বিজ্ঞানীরাও এই প্রকল্পে কাজ করছেন। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যই হল টেকসই এবং নিরাপদ ফিউশন বিক্রিয়া ঘটানোর জন্য বৈজ্ঞানিক এবং প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ মেকাবেলা করা। শুধু চীন এবং ফ্রান্সই নয়, দক্ষিণ কোরিয়াও কৃত্রিম সূর্য তৈরীর চেষ্টা করছে। তাদের প্রকল্পের নাম Korea Superconducting Tokamak Advanced Research বা KSTAR। গত বছর এই প্রকল্পের বিজ্ঞানীরা ৩০ সেকেন্ডের জন্য ১০০ মিলিয়ন ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা অর্জন করতে পেরেছিল।

প্রচলিত পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ঝুঁকি কমাতে এবং সহজে বিপুল পরিমাণ জ্বালানী পাওয়ার অাশায় বিশ্বের পরাশক্তিধর দেশগুলো চাঁদের মাটিতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। চাঁদের মাটিতে থাকা মহা মূল্যবান পদার্থের নাম হিলিয়াম-৩ দিয়ে এত পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে, যা দিয়ে পৃথিবী ১০ হাজার বছর চলতে পারবে। এই হিলিয়াম-৩ র খোঁজেই সাম্প্রতিক সময়ে, বিশ্বের বহু দেশ আবারো চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

13/07/2025

Sometimes I feel like doing something a little different.❤️

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Dhanmondi 12
Dhaka