Deen Direction

Deen Direction

Share

"আপনার জীবনকে রাঙিয়ে তুলুন দ্বীনের আলোয়।" Sports Spotlight Bangladesh

26/05/2026

অসাধারণ কোরআন তেলাওয়াত 🩷

26/05/2026
25/05/2026

হজ্জে মাবরুরের প্রতিদান কেবলই জান্নাত।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «العُمْرَةُ إِلَى العُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا، وَالحَجُّ المَبْرُورُ لَيْسَ لَهُ جَزَاءٌ إِلَّا الجَنَّةُ»

অনুবাদ: আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "এক ওমরাহ থেকে আরেক ওমরাহ মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহসমূহের জন্য কাফফারা (ক্ষতিপূরণ) স্বরূপ। আর হজ্জে মাবরুরের (কবুল হজের) একমাত্র প্রতিদান হলো জান্নাত।"
(সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)

25/05/2026

"আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু" (ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ) তোমার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।
🍁🌼🍁🌼🍁🌼🍁🌼🍁
৯ জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত অর্থাৎ ২৭ মে বুধবার ফজর থেকে ৩১ মে রবিবার আসর পর্যন্ত আইয়ামে তাশরীকের ওয়াজিব তাকবীরের আমলঃ
জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্জ আসরের সালাত পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর একবার তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব। প্রাপ্ত বয়ষ্ক সকল নারী-পুরুষের উপর এই ২৩ ওয়াক্ত সালাতের পর তাকবীর পাঠ করা আবশ্যক। যদি কেউ এই তাকবীর পাঠ না করেন তাহলে তিনি গুনাহগার হবেন।

তাকবীরে তাশরীক পাঠের ওয়াজিব হওয়ার সাথে কুরবানী দেয়া বা না দেয়ার কোনো সম্পর্ক নাই। অর্থাৎ যিনি কুরবানী দিবেন তার উপরও এই তাকবীর পাঠ ওয়াজিব। আর যিনি কুরবানী দিবেন না তার উপরও তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব।

হাদীস শরীফে ৩টি তাকবীরের উল্লেখ পাওয়া যায়। এর মধ্যে বহুল প্রসিদ্ধ তাকবীরে তাশরীকটি হচ্ছেঃ

اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ، لَاإِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الحَمْدُ

(আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হাম্দ)।

অর্থঃ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ! আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ! আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহা নাই। এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ! আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ! আর সকল প্রসংসা একমাত্র আল্লাহরই জন্য।

এ বছর জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ হচ্ছে ২৭ মে বুধবার এবং জিলহজ্জ মাসের ১৩ তারিখ হচ্ছে ৩১ মে রোজ রবিবার। আমাদেরকে বুধবার ফজরের সালাতের পর থেকে উপরোল্লিখিত তাকবীরটি পাঠ করতে হবে। পুরুষরা উচ্চ স্বরে তাকবীর পাঠ করবেন। আর নারীরা নিচু স্বরে এমন ভাবে পাঠ করবেন যেন শুধু নিজে শুনতে পান।

প্রতি ওয়াক্তের পর এই তাকবীর পাঠ চালিয়ে যেতে হবে ১৩ জিলহজ্জ অর্থাৎ ৩১ মে তারিখ রোজ রবিবার আসরের সালাত পর্যন্ত। এ ২৩ ওয়াক্ত সালাতের পর কমপক্ষে ১ বার তাকবীর বলা ওয়াজিব। কেউ চাইলে একাধিক বারও পড়তে পারেন। তাতেও সওয়াব হবে। যত বেশি আল্লাহর মহত্ত্ব ঘোষণা করা হবে সেটা আমাদের জন্য তত লাভজনক হবে ইনশাআল্লাহ।

কিন্তু অনেকে বলে থাকেন ১ বার তাকবীর বলা ওয়াজিব আর তিনবার বলা সুন্নত। এ কথাটা সঠিক নয়। "৩ বার তাকবীর বলা সুন্নত" এই মর্মে কুরআন সুন্নাহ থেকে কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায় না। তাই আমরা বলব একবার তাকবীর বলা ওয়াজিব। আর এর বেশি কেউ চাইলে পড়তে পারে। এমন কি সারা দিন যখন সময় সুযোগ পাওয়া যায় সাধ্য মত এ তাকবীর পাঠ করা যাবে। জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিনই বেশি বেশি এই তাকবীর পাঠ করা উত্তম। সাহাবীরা (রা) বাজারে যাওয়ার সময়ও এ তাকবীর জোরে জোরে পাঠ করতেন। তাদের তাকবীর শুনে বাজারের অন্যান্যরাও তাকবীর পাঠ করত। কিন্তু আইয়ামে তাশরীকের সালাতের পর "৩ বার তাকবীর বলা সুন্নত" এমন মনে করা যাবে না। তাহলে সেটি মাকরূহ হবে। ইসলামের মধ্যে নতুন একটা জিনিস আবিষ্কার করা হবে। আর সকল নতুন সৃষ্টিই বিদআত।

৯ জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত অর্থাৎ ২৭ মে বুধবার ফজর থেকে ৩১ মে রবিবার আসর পর্যন্ত আইয়ামে তাশরীকের ওয়াজিব তাকবীরের আমলঃ
০৫ জ্বিলহজ্জ, ১৪৪৭ হিজরী।
🌼🍁🌼🍁🌼🍁🌼🍁🌼

24/05/2026

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতায় কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি সরকারের পদক্ষেপ।

24/05/2026

গুনাহ থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ حَجَّ لِلَّهِ فَلَمْ يَرْفُثْ وَلَمْ يَفْسُقْ، رَجَعَ كَيَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ»

অনুবাদ: আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করল এবং তাতে কোনো প্রকার অশ্লীল কথা বা গুনাহের কাজে লিপ্ত হলো না, সে (গুনাহ থেকে মুক্ত হয়ে) সেই দিনের মতো ফিরে আসবে, যেদিন তার মা তাকে জন্ম দিয়েছিল।"
(সহীহ বুখারী)

23/05/2026

সর্বোত্তম আমলসমূহের একটি:: হজ্জ 🕋

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ: أَيُّ الْعَمَلِ أَفْضَلُ؟ فَقَالَ: «إِيمَانٌ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ». قِيلَ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: «الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ». قِيلَ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: «حَجٌّ مَبْرُورٌ»

অনুবাদ: আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো, "কোন আমলটি সর্বোত্তম?" তিনি বললেন, "আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা।" জিজ্ঞেস করা হলো, "তারপর কোনটি?" তিনি বললেন, "আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা।" আবার জিজ্ঞেস করা হলো, "তারপর কোনটি?" তিনি বললেন, "হজ্জে মাবরুর (মকবুল বা কবুল হজ)।" (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)

18/05/2026

আমানতদারিতা ও ওয়াদা রক্ষা::
পেশাদার জীবনে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
• আরবি: «لاَ إِيمَانَ لِمَنْ لاَ أَمَانَةَ لَهُ وَلاَ دِينَ لِمَنْ لاَ عَهْدَ لَهُ»
• অর্থ: "যার আমানতদারিতা নেই তার ঈমান নেই, আর যে অঙ্গীকার (ওয়াদা) রক্ষা করে না তার দ্বীন নেই।" (মুসনাদে আহমাদ)

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka