Mr. Neutral
Hello this is Mr. Neutral. Welcome to my page.
গাজীপুরে এক নব বধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হলো।
রেপিস্ট কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশের কাছে ধরাও পড়লো।
কিন্তু আশ্চর্য কনফিডেন্স নিয়ে সে পুলিশ অফিসারকে বললো, আমার বা* ছেড়ার ক্ষমতাও তোমার নাই।
কিছুক্ষণ পর শেখ মুজিব থানায় ফোন করে সেই ধর্ষককে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
ধর্ষক হাসতে হাসতে জেল থেকে বের হয়ে আসেন।
কাহিনীটা ১৯৭৪ সালের।
হুমায়ূন আহমেদ এর দেয়াল বইতেও এর কাছাকাছি একটা কাহিনি পাবেন।
এটা শুধু একটা ঘটনা।
এমন হাজারটা ঘটনা দেখানো যাবে,যেখানে মুজিব নিজে সরাসরি গুম খুন আর ধর্ষকদের প্রোটেকশন দিয়েছেন।
সিরাজ সিকদারকে খুন করা হয়েছিল চট্টগ্রামে।
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড।
মুজিব সংসদে দাঁড়িয়ে সেই খুনকে সেলিব্রেট করে বললেন, কোথায় আজ সিরাজ শিকদার?
বাংলাদেশের ২০ লাখ লোক দুর্ভিক্ষে মারা গেল।
অস্ট্রেলিয়ার এক সাংবাদিক ক্যামেরার সামনে কাঁদতে লাগলেন।
মুজিব অত্যন্ত রেগে মেগে সেই সাংবাদিককে এটাক করে বললেন, ১৫-২০ হাজারের বেশি মানুষ মরেনি। সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
মাত্র ৩ বছরে শুধুমাত্র জাসদের ৪০ হাজার নেতা কর্মীকে হত্যা করিয়েছেন শেখ মুজিব।
৪ টা পত্রিকা রেখে বাকি সব পত্রিকাকে নিষিদ্ধ করেছেন শেখ মুজিব।
হাসিনা যদি হয় ফেরাউন। মুজিব ছিলেন ডাবল ফেরাউন।
এই ফেরাউনকে যারা আজ বিনম্র শ্রদ্ধা জানালেন, আপনারাই আর ১০ বছর পর হাসিনাকেও বিনম্র শ্রদ্ধা জানাবেন।
মুজিবকে সম্মান করা মানে গাজীপুরে গ্যাং রেপ হওয়া সেই নব বধূটার রক্তকে সেলিব্রেট করা।
মুজিবকে শ্রদ্ধা জানানো মানে মুজিবের লুটপাটে, দুর্ভিক্ষে মারা যাওয়া বাংলাদেশের ২০ লাখ মানুষের রক্তকে সেলিব্রেট করা।
মুজিবকে শ্রদ্ধা জানানো মানে জাসদের ৪০ হাজার নেতা কর্মীকে হত্যা সেলিব্রেট করা।
মুজিবকে শ্রদ্ধা জানানো মানে ৪ টা পত্রিকা রেখে বাকি সব পত্রিকা নিষিদ্ধ করাকে সেলিব্রেট করা।
মুজিবকে সেলিব্রেট করতে যদি আপনি পেরে থাকেন, হাসিনাকেও আপনি সেলিব্রেট করতে পারবেন।
শেখ মুজিবের একমাত্র পরিচয়, তিনি খুনী। হাসিনা ১৭ বছর ধরে চেষ্টা করেও মুজিবের ৩ বছরের সমান খুন করতে পারে নাই।
সেই খুনীকে আজ জানানো হচ্ছে বিনম্র শ্রদ্ধা!!
আল্লাহর অশেষ রহমত ফেরাউন এই দেশে জন্মে নাই।
জন্মালে এই দেশের কিছু মানুষ সেই ফেরাউনকেও বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতো।
২০ লাখ লোককে দুর্ভিক্ষে মেরে ফেলার পরেও, ৪০ হাজার নেতা কর্মীকে খুন করার পরেও, সকল পত্রিকা অফ করে দেওয়ার পরেও, ধর্ষকদের প্রোটেকশন দেওয়ার পরেও যে দেশে সম্মান পাওয়া যায়, সেই দেশে বারবার মুজিবের মত স্বৈরাচার ই তো জন্মাবে, নাকি?
17/07/2025
সুস্থ রাজনীতি। 😊
তারেক রহমান যেদিন মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান এর কবর জেয়ারত করেছিলেন-
২০০৪ সালের জানুয়ারী মাস। ২৭ তারিখ। গভীর রাত।
টুঙ্গিপাড়ায় বিএনপির প্রতিনিধি সম্মেলন শেষে ক্লান্ত তারেক রহমান সার্কিট হাউজে গেলেন বিশ্রাম নেওয়ার জন্যে। একটু পরেই তাঁর ঢাকা ফেরার কথা। ফেরার প্রস্তুতি চলছে। তারেক রহমান গাড়িতে উঠে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। আচমকা সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাড়িবহর উলটো দিকে চলা শুরু করলো। তারেক রহমানের সঙ্গে থাকা বিএনপির ততকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ গাড়িবহরের সাথে থাকা অন্যান্য নেতারা হকচকিয়ে গেলেন। তারা কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেননা। কোথায় যাচ্ছে কেউ জানেনা। প্রশ্নের জবাবে তারেক শুধু মুচকি হেসে বলেছিলেন, ‘আমরা এক জায়গায় যাবো’। ব্যাস এতটকুই। গভীর রাতে গাড়ি গিয়ে থামলো শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলে। এতক্ষণের সাসপেন্সের অবসান হল। সবাইকে অবাক করে দিয়ে তারেক রহমান গাড়ি থেকে নেমে আসলেন। সমাধিস্থলের খাদেমকে ঢেকে তুললেন। সাথে থাকা নেতা কর্মীদের নিয়ে শেখ মুজিবর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন তিনি।
বাংলাদেশের কদর্য আর কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যে কয়টা সুন্দর দৃশ্য আছে তার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরতম দৃশ্যটির জন্ম হলো তারেক রহমানের হাত ধরে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে ওই সময় এরকম প্রশংসনীয় একটি ঘটনা মিডিয়ায় সেইভাবে আসেনি। কারণ তখন ওই ঘটনাটি ছিলো টপ সিক্রেট। তারেক রহমান যখন শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করতে যান তখন তাঁর সাথে এমনকি কোন মিডিয়াকর্মীও ছিলোনা। তারেক রহমান প্রচার চাননি, তিনি এমনকি এই ঘটনা নিয়ে কোন রাজনীতিও করতে চাননি।
এই হলেন জনাব তারেক রহমান।
17/07/2025
তারেক রহমান যেদিন মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান এর কবর জেয়ারত করেছিলেন-
২০০৪ সালের জানুয়ারী মাস। ২৭ তারিখ। গভীর রাত।
টুঙ্গিপাড়ায় বিএনপির প্রতিনিধি সম্মেলন শেষে ক্লান্ত তারেক রহমান সার্কিট হাউজে গেলেন বিশ্রাম নেওয়ার জন্যে। একটু পরেই তাঁর ঢাকা ফেরার কথা। ফেরার প্রস্তুতি চলছে। তারেক রহমান গাড়িতে উঠে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। আচমকা সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাড়িবহর উলটো দিকে চলা শুরু করলো। তারেক রহমানের সঙ্গে থাকা বিএনপির ততকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ গাড়িবহরের সাথে থাকা অন্যান্য নেতারা হকচকিয়ে গেলেন। তারা কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেননা। কোথায় যাচ্ছে কেউ জানেনা। প্রশ্নের জবাবে তারেক শুধু মুচকি হেসে বলেছিলেন, ‘আমরা এক জায়গায় যাবো’। ব্যাস এতটকুই। গভীর রাতে গাড়ি গিয়ে থামলো শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলে। এতক্ষণের সাসপেন্সের অবসান হল। সবাইকে অবাক করে দিয়ে তারেক রহমান গাড়ি থেকে নেমে আসলেন। সমাধিস্থলের খাদেমকে ঢেকে তুললেন। সাথে থাকা নেতা কর্মীদের নিয়ে শেখ মুজিবর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন তিনি।
বাংলাদেশের কদর্য আর কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যে কয়টা সুন্দর দৃশ্য আছে তার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরতম দৃশ্যটির জন্ম হলো তারেক রহমানের হাত ধরে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে ওই সময় এরকম প্রশংসনীয় একটি ঘটনা মিডিয়ায় সেইভাবে আসেনি। কারণ তখন ওই ঘটনাটি ছিলো টপ সিক্রেট। তারেক রহমান যখন শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করতে যান তখন তাঁর সাথে এমনকি কোন মিডিয়াকর্মীও ছিলোনা। তারেক রহমান প্রচার চাননি, তিনি এমনকি এই ঘটনা নিয়ে কোন রাজনীতিও করতে চাননি।
এই হলেন জনাব তারেক রহমান।
এবার শেখ হাসিনাকে একা পেয়ে ভরে দিলো NTV নিউজ।
দেখুন বিস্তারিত :
06/06/2025
দরিদ্রতা তোমাকে যেই পৃথিবী দেখাবে, তা দেখতে ধনীদের সহস্র বছর সাধনা করা লাগবে... 😊
30/05/2025
জেনারেল জিয়া, অ্যাডমিরাল মাহবুব এবং আমাদের মজ্জাগত ভারত প্রেম!
১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর সাতক্ষীরার হাঁড়িভাঙ্গা নদীর মোহনায় বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় জেগে ওঠে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ। দ্বীপটির আয়তন ক্রমে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং এক পর্যায়ে আয়তন প্রায় ১০ হাজার বর্গমিটারে দাঁড়ায়। বিশাল দ্বীপটির দিকে ভারতের লোলুপ নজর পড়ে।
বেহায়া ভারত দ্বীপটির মালিকানা দাবি করতে থাকে। ১৯৭৯ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়া ভারতে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি প্রেরণ করেন। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনা ব্যার্থ হয়। ডেসপারেট জিয়া নিজেই ভারতে যান। এ আলোচনাও ব্যার্থ হয়। সকল কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যার্থ হয়। উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
১৯৮০ সালের ২০ ডিসেম্বর ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী (পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী) নরসীমা রাও ঘোষণা করেন- হারতই দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের মালিক। জিয়া ক্ষিপ্ত হন। ৩০ ডিসেম্বর জিয়া সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামসুল হক জাতীয় সংসদে ঘোষণা করেন, বাংলাদেশই দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের মালিক।
১৯৮১ সালের ১১ মে হারত “আইএসএন সন্ধায়ক” নামক যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়ে দ্বীপটি দখল করে নেয়। ২ দিন পর, ১৩ মে জিয়ার আদেশে রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান নৌ জাহাজ “বিএনএস উমর ফারুক” নিয়ে গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে তালপট্টিতে উপস্থিত হন এবং তালপট্টি ভারতীয় দখলমুক্ত করেন।
এর মাত্র দুই সপ্তাহ পর দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা রাষ্ট্রপতি জিয়া নিহত হন। তারপরে কী হয়েছে তা সবার জানা। যেটা আলোচিত হয়নি তা হলো- ঐ ঘটনার ৩ বছর পর মাহবুব আলী খানও রহস্যজনকভাবে মারা যান। তখন ব্যাপক গুঞ্জন সৃষ্টি হলে তাঁর মৃত্যুরহস্য উদঘাটনে একটি কমিটি গঠিত হয়।
মাহবুব আলী খানের মৃত্যুরহস্য উদঘাটন কমিটি কখনই কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। অতঃপর পদ্মা-যমুনা দিয়ে বহু পানি গড়িয়েছে। সকল দলের সরকার এসেছে-গেছে। কিন্তু দেশের সেরা দুই সন্তান জিয়া আর মাহবুব হত্যার কোনো বিচার হয়নি। আর, আমরা হারতের প্রেমে (দাসত্বে) হাবুডুবু খাচ্ছি।
ভালকথা, ২০১৪ সালের ৭ জুলাই আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে ভারত ঐ দ্বীপের পুরো মালিকানা অর্জন করেছিল। কিন্তু এদিকে আমরা ঢোল-তবলা বাজিয়ে, নেচে-গেয়ে “সমুদ্র মহাবিজয়” উদযাপন করেছিলাম। মনে আছে?
Mohammad Salimullah মোহাম্মদ সলিমুল্লাহ
30/05/2025
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন - ১৭ মে, ১৯৮১
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যু - ৩০ মে, ১৯৮১
"১৪ তম দিন"
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা -
" মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না ।"
25/05/2025
কফিলের ছেলের জন্য বিশেষ কোটা সিস্টেম চালু আছে। 🤣🤣
25/05/2025
একজন ভদ্রলোকের গল্প। 🥰
Begum Zia’s legacy is in the right hands.
And honestly, if she had a daughter, I can only imagine she’d carry that same grace and strength.
Zobaida Rahman really is the picture of how Begum Zia’s daughter might have looked, if she had one.
The resemblance is more than just appearance, its legacy. Wishing her all the best for her future!
আমাদের দেশ ধংস করতে যুদ্ধ করতে হবে না।নিজেদের ভিতরে যেই কোন্দল আছে,যুদ্ধের অস্ত্র হাতে পাওয়ার পর নিজেরাই নিজেদের মেরে ছাফ করে দিবে
07/05/2025
তুমি কিভাবে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়াও? তুমি কি ভুলে গিয়েছো ১৯৭১ সালের ঘটনা?
আরেহ ভাই, আগে ভেবে দেখুন মরার পরে কোথায় যাবেন। বিষয়টা দেশ নিয়ে না। বিষয়টা ধর্ম নিয়ে। ইসলাম নিয়ে। মুসলমানদের উপড় জুলুম নিয়ে। ধর্ম এবং ইমান রক্ষার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিকল্প নেই। যে যাই বলুক, মুসলমান হয়ে মুসলমানদের উপড় আঘাত আমি সইতে পারবো না ভাই। আমি শতভাগ পাকিস্তানের পক্ষে এবং পাশে দাড়াবো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1230