Family Blog. IDBII.
Assalamu Alaikum. welcome to my family blog.
04/04/2025
প্রচন্ড রোদে একটু শান্তির ছায়া।
Urmi & Ayman Iqbal Hossain Inside the Haramain
যাষ্ট ফান
Urmi & Ayman Iqbal Hossain Inside the Haramain
জীবনে খারাপ সময় আসা দরকার।খুব দরকার।
Urmi & Ayman Iqbal Hossain Inside the Haramain
23/02/2025
With Inside the Haramain – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
20/02/2025
জীবনের কঠিন সময়গুলোতে নিজেকে গোপন রাখাই ভালো। নিজের দুঃখ কষ্ট কাউকে না দেখানোই উত্তম।
জীবনে যদি কখনও খুব খারাপ সময় আসে, তাহলে নিজের দুঃখ কষ্টগুলো নিজের মাঝে এমন ভাবে আড়াল করে রেখো যেনো তোমার গা ঘেঁষে বসে থাকা মানুষটিও টের না পায় গোপনে তুমি ভেঙে গেছো খুব। পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে মনের বন। আকস্মিক ঝড়ে, ঝরে গেছে জীবন বৃক্ষের সব কয়টি সবুজ পাতা। শক্ত হও। নিজেকে নিজেকে বুঝাও যে এত সামান্য বাতাসে ঝরে যেতে নেই, ভেঙে যেতে নেই অমন হাল্কা আঘাতে।
কান্না পেলে একা একা গোপনে কাঁদো, তবুও নিজের দুঃখের ক্ষতগুলো কাউকে দেখাতে যাবে না। মনে রেখো, যে নিজের জন্য আলো হতে পারে না, পৃথিবীর সমস্ত আলো মিলেও তাকে পথ দেখাতে পারে না।
জানোই তো মানুষ বড় নিষ্ঠুর ও নির্দ্বয়। ভেঙে যাওয়া মৌচাক দেখলে ঢিল মেরে আরও বেশী ভেঙে দিয়ে পৈশাচিক আনন্দ পায়.....!
19/02/2025
বুকে থাকলেই সবাই আপন হয় না,,
বরং অনেক সময় বিশাল ক্ষতি করে বসে।
অতএব,
কাউকে বুকে জড়ানোর আগে তাকে নিয়ে ভাবেন,, তার সম্পর্কে জানুন..!!
19/02/2025
একবার এক ছেলে তার কলেজের এক সুন্দরী মেয়ে কে জিজ্ঞাসা করল আমাকে তোমার BF বানাবে? মেয়েটি মজার ছলে বলল BF মানে কি বোঝাতে চাইছ সেটা তো আগে বলো! তখন ছেলেটি হেসে বলল কেনো Best Friend! এমন সুন্দর উত্তর শুনে মেয়েটি রাজি হয়ে গেল ।ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব হওয়ার পর ছেলেটি আবার মেয়েটিকে বলল :আমাকে তোমার BF বানাবে? মেয়েটি বলল কেনো আমরা তো BF হয়েই আছি। ছেলেটি এবার বলে ওঠে না না এবার BF মানে Boy friend!
ছেলেটিকে মেয়েটির ভালো লেগে গেছিল তাই সে রাজি হয়ে গেল। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর প্রেম হল শেষে পরিনয়ও হয়ে গেল। কিছু মাস পর মেয়েটি ছেলেটি মানে তার স্বামী কে বলল তুমি বাবা হতে চলেছ। এটা শুনে তো ছেলেটি খুব খুশি হল। মেয়েটি মানে তার স্ত্রী কে বলল তাহলে আমি তোমার BF হতে চলেছি। মেয়েটি হেসে জিজ্ঞেস করে এবার এই BF মানে কি বোঝাতে চাইছ? ছেলেটা হেসে বলে কেন Baby's Father!
স্বামী স্ত্রী আর একটা ফুটফুটে বাচ্চা! সুন্দর সাজানো গোছানো সংসার। অন্য সংসার গুলোর মত এখানেও চলত ছোটোখাটো ঝগড়া মান অভিমান নানা খুনসুটি। একদিন স্বামী বলল শোনো :সুখ দুঃখ আমাদের জীবনেরই অংশ। ভালো সময় যেমন আছে তেমনই খারাপ সময়ও আসবে! আমাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া হলে তবেই আমরা হব BF! স্ত্রী কিছুটা উৎসুক হয়ে জানতে চাইল :এটা আবার কোন BF? স্বামী স্ত্রী সন্তান কে জড়িয়ে ধরে বলল Beautiful Family!
সংসারের বয়স তখন বছর দশেক হয়েছে। তখন হঠাৎ করেই একদিন স্বামী বলল :তোমার সব চাওয়া পাওয়া হয়তো সব সময় আমি পূরন করতে পারব না! কিন্তু আমি তোমাকে খুব খুব খুব ভালোবাসি। তুমিও আমাকে ভালোবেসে আমার BF হয়েই থেকো! স্ত্রী যথারীতি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করে এবারের এই BF এর মানে কি? স্বামী হেসে উত্তর দেয় :Be Forever! স্ত্রী স্বামীর এইরকম পাগলামো উত্তর শুনে স্বামীকে জড়িয়ে ধরে একটু আদর এঁকে দেয় স্বামীর কপাল ঠোঁট গাল ঘাড় গলা বুকে। সময় গড়িয়ে যায়, সন্তান ও বড়ো হতে থাকে। ধীরে ধীরে স্বামী স্ত্রী বুড়ো হতে থাকে। কবে যে শৈশব কৈশোর যৌবন পার করে বুড়ো হতে চলল কেউ বুঝতেই পারল না।
একদিন বৃদ্ধ স্বামীর শয্যার পাশে বসে আছে তার বৃদ্ধা স্ত্রী। স্ত্রীর হাত ধরে স্বামী বলল:মেঘে মেঘে বেলা তো অনেক দূর গড়িয়েছে, এবার বোধহয় সূর্যাস্তের পালা। আমি জানি না স্বামী হিসেবে তোমার প্রতি আর বাবা হিসেবে সন্তানের প্রতি কতটুকু দায়িত্ব পালন করতে পেরেছি। হয়ত এই শয্যা থেকে আর ওটাই হবে না! যদি সত্যি সত্যিই আর না উঠতে পারি তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও! স্ত্রীর হাতটা নিজের বুকের মধ্যে নিয়ে আরো বলল :BF! বরাবরের মতই স্ত্রীও জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েছে! স্বামী বলে ওঠে এই BF মানে Bye Forever! স্ত্রীর চোখে অশ্রু এসে যায় হঠাৎ প্রথম BF বলা মুহূর্তের কথা মনে পড়ে যায়? বৃদ্ধা স্ত্রীর চোখে পুরোনো স্মৃতিগুলো ভেসে ওঠে, মনে মনে বলে ওঠে কতো কঠিন জীবনের এই হিসাব নিকাশ! অথচ B আর F এই দুই ইংরেজী বর্ন দিয়ে কতো সহজেই জীবনের সব কঠিনত্বকে উড়িয়ে দিয়েছে এই মানুষটি!
জীবিকার জন্য ছেলেও আজ বহুদূরে। বৃদ্ধা চাইলেও কোথাও যেতে পারে না ছেলের কাছেও না। বৃদ্ধার শিকড় গজিয়ে গেছে মানে এক অদ্ভুত টানে রয়ে গেছে এখানে। দক্ষিণ দিকের জানলা দিয়ে দূরে মাঠের দিকে তাকিয়ে থেকে বলে ওঠে আমিও আসছি তোমার কাছে। আমি সারাজীবন তোমার BF হয়েই থাকতে চাই। ও হ্যাঁ এই BF এর মানে তোমাকে বলে দিই Beside Forever !
( সংগৃহীত )
18/02/2025
অমিতাভ বচ্চন তাঁর জীবনীতে লিখেছেন.....
"আমি তখন ক্যারিয়ারের তুঙ্গে। একদিন প্লেনে করে যাচ্ছিলাম । খুব সাধারণ শার্ট আর প্যান্ট পরিহিত একজন ভদ্রলোক আমার পাশে বসেই যাচ্ছিলেন৷ দেখে উনাকে একজন শিক্ষিত এবং মার্জিত মধ্যবিত্ত মানুষ মনে হয়েছিল । অন্য সহযাত্রীরা আমায় চিনতে পেরে খুব উৎসাহিত হয়ে অটোগ্রাফ নিচ্ছে। কিন্তু পাশে বসা ভদ্রলোককে লক্ষ্য করলাম উনার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই ।
উনি একমনে একটা খবরের কাগজ পড়ছিলেন আর মাঝে মাঝে জানালার বাইরে তাকিয়ে কি যেন ভাবছিলেন । চা পরিবেশন করা হলো, ঠোঁটের আগেই থ্যাঙ্কস লেগেই আছে। আমাকে পাত্তাই দিচ্ছে না।
আমার উনার প্রতি কৌতূহল বেড়েই চলছিল । তাই উনার সাথে কথা বলার জন্য উনার দিকে তাকিয়ে হাসলাম । উনিও একটা সৌজন্যমূলক হাসি ফিরিয়ে দিয়ে বললেন,'হ্যালো', কিছু সৌজন্যমূলক কথোপকথন শুরু হলো ।"
"আমি নিজে থেকে সিনেমা প্রসঙ্গ উত্থাপন করলাম ।
জিজ্ঞাসা করলাম :' আপনি সিনেমা দেখেন ?'
উনি বললেন, 'কখনো-সখনো ।
শেষ যে সিনেমাটা দেখেছি...
হ্যাঁ...তাও প্রায় এক বছরের বেশি হয়ে গেছে ।'
বললাম: ' আমি ওই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেই আছি ।'
উনি উৎসাহিত হয়ে বললেন ' দারুণ ব্যাপার!
তা আপনি কী করেন ?'
বললাম, ' আমি একজন অভিনেতা ।'
প্রত্যুত্তরে বললেন 'দারুণ! '
ব্যস! ওই পর্যন্তই...
প্লেন, ল্যান্ড করার পরে আমি ভদ্রলোকের দিকে করমর্দনের জন্য হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বললাম:
'আমার নাম অমিতাভ বচ্চন'
উনি মাথা নত করে আমার হাতটা ঝাঁকিয়ে দিয়ে বললেন:'আপনার সাথে পরিচিত হয়ে দারুণ লাগল !
আমার নাম জে.আর.ডি. টাটা(Jehangir Ratanji Dadabhoy Tata, chairman of TATA Group)'
চমকে উঠলাম আমি !
ওই দিনের ঘটনা থেকে একটা বিষয় শিখলাম:
"যত বড়োই হই না কেন, আমার থেকেও বড়ো কেউ না কেউ আছে, কিন্ত তাঁর দৃষ্টিটা সর্বদাই মাটির দিকে !"
শিক্ষনীয়: গাছ যতই বড়ো হয়, ততই মাটির দিকে ঝুঁকে যায়।
সংগৃহীত:
সবুজ আমি
Click here to claim your Sponsored Listing.