Jonayed Hossain
Educator । Writer । Social Worker । Civil Servant
বড় স্কেলে আবারো শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ! 😢
11/06/2026
অভিনন্দন বাংলাদেশ 🇧🇩
অস্ট্রেলিয়ার সাথে প্রথম সিরিজ জয়। নতুন দিনের যাত্রা অব্যাহত থাকুক 💪
লে মুস্তাফিজ: তোমরা আমাকে ভুলে যাচ্ছিলা 😄
10/06/2026
পৃথিবীর চার ভাগের এক ভাগ লোক দক্ষিণ এশিয়ায় বাস করে; চায়নাসহ বিবেচনা করলে এই অঞ্চলে বাস করে পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ; অথচ ৪৮ দলের ফুটবল বিশ্বকাপে এই অঞ্চলের একটা দল নেই!
ফুটবল বিশ্বকাপে দলগুলো কিন্তু অঞ্চলভিত্তিক কোটার মাধ্যমেই নির্বাচিত হয়। সে কারণেই বিশ্বকাপে ইতালির মতো শক্তিশালী দেশ নেই, কুরাসাও এর মতো দুর্বল দল আছে।
এখন কথা হলো যেহেতু অঞ্চল ভিত্তিক কোটার ভিত্তিতেই দল বিশ্বকাপের জন্য কোয়ালিফাই করে সেহেতু দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল ফেডারেশনগুলোর উচিত জোড়ালো দাবি তোলা দক্ষিণ এশিয়া থেকে একটা দল বিশ্বকাপে সুযোগ দেওয়ার।
অঞ্চল ভিত্তিক কোটা সম্পর্কে ভালোভাবে জানলে এটাকে খুবই যৌক্তিক দাবি মনে হবে। এ অঞ্চলে ফুটবলের যে উন্মাদনা, ফিফার উচিত এটাকে সম্মান করা।
09/06/2026
দিন বদলাই গেছে...
মিরপুরের স্লো উইকেটে নাহিদ রানার ৩১তম ওভারের ৬ টি বলের গতি ১৪৯, ১৪৮, ১৪৭, ১৪৬, ১৫০ ও ১৪৭ কিমি! ভাবা যায়?
অভিনন্দন বাংলাদেশ 🇧🇩
২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে জয়!
08/06/2026
বলেন দেখি, বিশ্বকাপে খেলা দলগুলোর মধ্যে কোন দলের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি স্টার?
08/06/2026
এই পোস্টের সর্বশেষ কমেন্ট যে করবে তাঁকে একটা জার্সি উপহার দেওয়া হবে 🙃
নিয়ম-
১. সর্বশেষ কমেন্ট এর পর ৪৮ ঘন্টা পার হলে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে।
২. একজন যতবার ইচ্ছা কমেন্ট করতে পারবে।
07/06/2026
উরুগুয়ের চার স্টার, বিশ্বকাপ আর জুলে রিমে ট্রফি..
আচ্ছা বলেন দেখি, উরুগুয়ে কয়বার বিশ্বকাপ জিতেছে?
নিশ্চয়ই সবাই জানেন, দুইবার। এবার বলেন, তাদের জার্সিতে স্টার চারটা কেন?
ঠিকই দেখছেন। তাদের জার্সিতে স্টার চারটি ই। তারা বিশ্বকাপ জিতেছে ১৯৩০ সালে এবং ১৯৫০ সালে দুইবার।
বিশ্বকাপ শুরু হয় ১৯৩০ সালে। প্রথম আসরেই তাঁরা চ্যাম্পিয়ন হয়। কিন্তু ফুটবলের বৈশ্বিক আসর শুরু করার প্রক্রিয়া আরো আগে থেকেই চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় ১৯২৪ এবং ১৯২৮ সালে অলিম্পিক ফুটবল টুর্নামেন্ট নামে দুটি আসর হয়। সে দুটি আসরের চ্যাম্পিয়ন ছিল উরুগুয়ে। সেগুলোকে বিশ্বকাপ শুরুর প্রক্রিয়ায় ধরে ফিফা উরুগুয়েকে ঐ দুটি সহ মোট চারটি স্টার ব্যবহারের অনুমতি দেয়। এজন্য তাদের স্টার চারটি।
১৯৩০ সালে শুরু হয় বিশ্বকাপ। ট্রফির নামও ছিল বিশ্বকাপ। তখন বলা ছিল কোন দল যদি তিনবার বিশ্বকাপ জিতে তাহলে ট্রফিটি সে দল স্থায়ীভাবে পেয়ে যাবে।
১৯৩০ সাল থেকে চার বছর পর পর বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এর মধ্যে ১৯৪২ এবং ১৯৪৬ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে বিশ্বকাপ হয়নি। বিশ্বকাপ আয়োজনে ফিফার তখনকার প্রেসিডেন্ট এর ভূমিকার কারণে ১৯৪৬ সালে বিশ্বকাপ ট্রফিটির নামকরণ করা হয় জুলে রিমে ট্রফি। আসরের নাম বিশ্বকাপ, ট্রফিটির নাম জুলে রিমে ট্রফি।
১৯৭০ সালে ব্রাজিল তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতলে ট্রফিটি স্থায়ীভাবে পেয়ে যায়। এরপর ফিফা বর্তমান ট্রফিটি বানায় এবং এর নামকরণ আলাদাভাবে না করে বিশ্বকাপ ট্রফি নামেই রাখে।
বর্তমানে এটি আর কাউকে দেওয়া হয়না। ফাইনালের দিন শুধু হাতে দেওয়া হয়। এটুকুই। ১৯৭০ সালেই ফিফা নিয়ম করে এই ট্রফি আর কাউকে দেওয়া হবে না। সেজন্য ১৯৮২ সালে ইতালি তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতলেও স্থায়ীভাবে কোন ট্রফি পায়নি।
ব্রাজিল থেকে ১৯৮৩ সালে ট্রফিটি চুরি হয়ে যায়। এটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। অবশ্য ট্রফিটি ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ড জিতলে ইংল্যান্ড থেকে একবার চুরি হয় এবং পরে উদ্ধার হয়।
এখন বিশ্বকাপ ট্রফি কোন জয়ী দলকেও দেওয়া হয়না। গতবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাও বিশ্বকাপ ট্রফি ফাইনালের দিনই ধরতে পেরেছিল। দেশে নেওয়ার সুযোগ পায়নি। এর বদলে একটা পিতলের ট্রপি তাদের দেওয়া হয়েছে, আর মূল ট্রপি ফিরিয়ে নেওয়া হয় ফিফার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে।
হ্যাপি লার্নিং 🙂
07/06/2026
সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ
রায় দ্রুত কার্যকরের জন্য বাকি প্রক্রিয়াও দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানাচ্ছি।।
06/06/2026
ইউরোপের দেশ সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল দল; ইউরোপের মাটিতে প্রথম জয়!
এক বুক আশা নিয়ে গুগলে সার্চ দিলাম সান মারিনো ফিফা র্যাংকিং লিখে। ভাবছিলাম 'বাংলাদেশ থেকে র্যাংকিং এ বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে থাকা সান মারিনোকে হারালো বাংলাদেশ' এরকম একটা স্ট্যাটাস দিব!
আশার গুড়ে বালি! সান মারিনোর বর্তমান ফিফা র্যাংকিং ২১১, বাংলাদেশ ১৮১!
তবুও অভিনন্দন বাংলাদেশ 🙂
04/06/2026
সব এই সপ্তাহের খবর!!
পরিবারগুলো পরিবার নেই আর! মানুষ মরতেওতো সময় লাগে; এরপর মরে পচে যায়! কেউ জানেও না? 😢
Click here to claim your Sponsored Listing.