Learn Regular

Learn Regular

Share

We want to learn and teach something every day.

13/05/2026

Good Night

22/02/2026

নারে তাকবীর
আল্লাহু আকবর
ইনকিলাব জিন্দাবাদ

21/02/2026

জুলাইয়ের সাথে বেইমানী চলবেনা

12/02/2026

উৎসবমূখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ চলছে

11/02/2026

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইনসাফ ও আজাদির পক্ষে ভোট দিন।

গণভোটে "হ্যা" ভোট দিন।

11/02/2026

কাকে ভোট দিবেন? এই প্রশ্নের উত্তর হাদি ভাই দিয়ে গেছেন। যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করুন, সংসদে রিডিং ড়া হবে না, নাটক হবে না।

10/02/2026

নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা শুল্ক চুক্তির মুদ্রার এপিট ওপিট।

গতকাল করা এই শুল্ক চুক্তির প্রভাব বোঝার জন্য আগে বাংলাদেশের বর্তমান রপ্তানি কাঠামো ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থানটা দেখা জরুরি। বাংলাদেশ প্রতিবছর গড়ে ৫৫-৫৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে, যার মধ্যে তৈরি পোশাকের অংশ প্রায় ৮৪ শতাংশ। এর ভেতর যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে সবচেয়ে বড় গন্তব্য। ২০২৪ সালে US বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল আনুমানিক ৯.৭ বিলিয়ন ডলার। এই বাজারে বাংলাদেশ এখন চীন, ভিয়েতনাম ও ভারতের সঙ্গে সরাসরি দামের দিক দিয়ে প্রতিযোগিতা করে টিকে আছে।

US ট্যারিফ ২০ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশে নামা আপাতদৃষ্টিতে ছোট পরিবর্তন মনে হলেও বাস্তবে এর বাজার প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ। US apparel sourcing-এ প্রতি ইউনিট সেন্টের হিসাবও হয়। ১ শতাংশ ট্যারিফ কমার অর্থ হলো প্রতি ১ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানিতে প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার কম ল্যান্ডেড কস্ট। বড় রিটেইলারদের জন্য এই পার্থক্যই অনেক সময় অর্ডার চীন বা ভিয়েতনাম থেকে বাংলাদেশে শিফট করার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে low-margin basic garments, t-shirt, denim, underwear এই ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ ব্যাপক সুবিধা পাবে।

এই চুক্তির সবচেয়ে বড় বাজারগত দিক হলো US cotton ও man-made fiber ব্যবহার করে তৈরি নির্দিষ্ট পোশাকে শূন্য ট্যারিফ সুবিধা। বর্তমানে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৮.৫-৯ মিলিয়ন বেল তুলা আমদানি করে, যার বাজারমূল্য ৩.৫-৪ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। এর মধ্যে US থেকে আগে থেকেই আমদানি করতো ১৫-২০ শতাংশ। শূন্য ট্যারিফ সুবিধা কার্যকর হলে বাংলাদেশে US cotton-এর শেয়ার ২৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এতে একদিকে US তুলার চাহিদা বাড়বে, অন্যদিকে Bangladeshi exporters US buyers-দের কাছে “duty-free sourcing option” হিসেবে নিজেদের আরও শক্তভাবে পজিশন করতে পারবে। এর সরাসরি ফল হবে অর্ডার ভলিউম বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি sourcing contract।

তবে এই সুবিধার মধ্যেই কিছু ঝুঁকিও আছে, যেগুলো নিয়ে সরকার আমাদের জানাচ্ছেনা। US cotton সাধারণত আফ্রিকান বা ব্রাজিলিয়ান তুলার তুলনায় দামে কিছুটা বেশি এবং পরিবহন খরচও উচ্চ। যদি ভবিষ্যতে US তুলার দাম ৮-১০ শতাংশ বাড়ে, তাহলে শূন্য ট্যারিফের যে বাড়িতি সুবিধাটি বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা পাবে তা উৎপাদন খরচে হারিয়ে যেতে পারে। বড় গ্রুপগুলো এটা ম্যানেজ করতে পারলেও ছোট ও মাঝারি কারখানার জন্য sourcing flexibility কমে যাওয়ার ঝুঁকি আছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই চুক্তির reciprocal দিকটা। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের আমদানি প্রায় ২.৩ বিলিয়ন ডলার, যার বড় অংশ তুলা, গম, বিমান ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল যন্ত্রপাতি। শুল্ক সুবিধা বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আমদানি আরও দ্রুত বাড়তে পারে। বিপরীতে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার হওয়ায় সামগ্রিকভাবে trade balance এখনো বাংলাদেশের পক্ষে থাকবে, তবে আমদানি বৃদ্ধির গতি বেশি হলে মাঝারি মেয়াদে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।

বাজার বিশ্লেষণে যেটুকু বুঝা যাচ্ছে, স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য পরিষ্কারভাবে লাভজনক। কারণ এটি ঠিক সেই জায়গায় সুবিধা দিচ্ছে যেখানে বাংলাদেশ সবচেয়ে শক্তিশালী, অর্থাৎ US apparel market। তবে দীর্ঘমেয়াদে লাভ টেকসই করতে হলে শুধু ট্যারিফ সুবিধার ওপর নির্ভর না করে তুলা sourcing-এ বৈচিত্র্য, value-added garments-এ শিফট এবং non-RMG রপ্তানি বাড়ানো না হলে এই চুক্তির সুবিধা ধীরে ধীরে সীমিত হয়ে যেতে পারে।

09/02/2026

Good Night

Cristiano Ronaldo

09/02/2026

নির্বাচনী হাওয়া কার কার গায়ে লাগছে??

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka