Rashedul Hasan
Writer । Journalist । Entrepreneur I am Rashedul Hasan. A journalist by profession. I am also involved in writing.
Although I have worked in various media outlets in the country, I am currently working as the sub-editor of Jagonews24.com. I write poems, stories, essays and columns in various national dailies, weekly and littlemags of the country.
30/03/2026
তাজু ভাই উচ্চশিক্ষিত নন। তথাকথিত 'স্মার্ট' ভাষায় কথা বলতে পারেন না। নিজস্ব ঢঙে তিনি নিজের এলাকার সমস্যাগুলো তুলে ধরছেন। দারিদ্র্য, ভাঙাচোরা রাস্তা, ব্রিজ, খেলার মাঠের অভাব তুলে ধরছেন। অথচ, তিনি সাংবাদিক নন।
দেশের অনেক 'তেল চিটচিটে' মিডিয়ার চেয়ে এ সরল প্রচেষ্টাটি অনেক বেশি শ্রদ্ধার-সম্মানের। তার আইডিতে যে কয়টি ভিডিও দেখলাম তাতে বাস্তবতার স্পর্শ আছে, জীবনের গল্প আছে।
তোষামোদি, নতজানু সাংবাদিকতার চেয়ে তাজু ভাইয়ের এ কাজ আমার কাছে অনেক বেশি ইতিবাচক, মানবিক এবং প্রয়োজনীয় মনে হয়েছে।
#তাজুভাই #ভাইরাল #সোস্যালমিডিয়া #ফেসবুক #সাংবাদিকতা #গণমাধ্যম
28/03/2026
ফিরোজ আলম। লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক। দৈনিক সুপ্রভাত ফেনী নামে একটি দৈনিক সম্পাদনা করতেন। শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
#লেখক # #গবেষক #সাংবাদিক # মেডিকেলকলেজ #হাসপাতাল
21/03/2026
ঈদের অফিস, অফিসের ঈদ...
21/03/2026
ঈদে কোলাকুলির বিষয়টা আমার কাছে সবসময় একটু অস্বস্তির। মানুষজন যখন উচ্ছ্বাস নিয়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আমি তখন একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকি। ভালো লাগে না তা কিন্তু নয়। নিজেকে মেলাতে পারি না সে উচ্ছ্বাসের সঙ্গে। মনে হয়, অনুভূতিটা থাকুক ভেতরে। প্রকাশটা না-হয় একটু কমই হোক।
তবে নামাজই একমাত্র জায়গা যেখানে নিজেকে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারি। ভোরের আলো, মানুষের একসঙ্গে দাঁড়ানো, তাকবির ধ্বনি— এ অংশটুকু যেন ঈদের আসল রূপ। নামাজ শেষে সবাই যখন ব্যস্ত হয়ে পড়ে আমি তখন ধীরে ধীরে সরে যাই।
নামাজ শেষে বাসায় ফিরে ঘুম। এ অভ্যাসটা অদ্ভুতভাবে আমার ঈদের অংশ হয়ে গেছে। বাইরে উৎসব চলুক। আমি নিজের ভেতরে ডুবে থাকি।
আমার ঈদটা একটু ভিন্ন। কম শব্দে, কম ভিড়ে, কম প্রকাশে।
ঈদনামা। ২১ মার্চ ২০২৬
20/03/2026
আল্লাহ আমাদের রোজা ও ইবাদত কবুল করুন। আমাদের জীবনকে সুখী ও সমৃদ্ধ করুন।
▪️ Rashedul Hasan। rashedXpress
19/03/2026
শহরের ব্যস্ত রাস্তাগুলো ফাঁকা হতে থাকে। বাস-লঞ্চ-ট্রেন ভরে ওঠে ঘরে ফেরার আনন্দে। কেউ ছুটে যায় মায়ের রান্না, বাবার স্নেহ কিংবা শৈশবের সেই চেনা উঠোনে। কিন্তু সবার তো আর ফেরা হয় না…
কেউ আটকে থাকে দায়িত্বে। কারও থাকে না যাওয়ার মতো কোনো ঘর। আবার কেউ হারিয়ে ফেলেছে সেই মানুষগুলোকে যাদের কাছে ফেরার জন্য এতো আয়োজন।
ঈদের দিনেও কিছু মানুষ থাকে কর্মস্থলে। হাসিমুখে সেবা দেয় অথচ নিজের ভেতরের শূন্যতা লুকিয়ে রাখে। কেউ ফোনে কথা বলে, কেউ পুরোনো ছবি দেখে, কেউ আবার নিজেকে বোঝায়— ‘এটাই জীবন…’।
ঈদনামা। ১৯ মার্চ ২০২৬
19/03/2026
ঈদের আগের দিন। ব্যস্ত শহর। ভিড়, হুড়োহুড়ি, দরদাম আর মানুষের ছোটাছুটি। এসবের মধ্যে নিজেকে জড়ানোর আগ্রহ কখনোই ছিল না।
তবু সে বছর অদ্ভুত এক টান আমাকে নিয়ে গেল এসি মার্কেটে। সঙ্গে এক বন্ধু। আমাকে কিছু একটা কিনতেই হবে। বন্ধু বারবার জিজ্ঞেস করলো—কী খুঁজছিস, কিছু কিনবি?
দোকান থেকে দোকানে ঘুরে যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। ঠিক তখন তিন তলার সিঁডির পাশের দোকানো চোখ পড়লো। দোকানের নামটি মনে পড়ছে না। একটি নীল টপসে চোখ আটকে গেল।
টপসটা কিনে বের হয়ে শহীদ মার্কেটের দিকে গেলাম। সেখানকার ভিড় যেন আরও ঘন হয়ে উঠল। মানুষ ছুটছে, কেউ ব্যাগ হাতে, কেউ ফোনে কথা বলতে বলতে দরদাম করছে। ভেতরে যেতে আর ইচ্ছে করলো না।
বাইকটা ঘুরিয়ে হক টাওয়ারে চলে এলাম। এখানে এক সময় আমার অফিস ছিল। পাঁচ তলায় লিফটের পাশের রুমটা। ১০০ স্কায়ার ফিটের সে রুমটাতে ১০০ কোটি স্মৃতি জমা আছে। থাক সে সব কথা।
সন্ধ্যায় সে নীল টপস নিয়ে তার বাড়ির সামনে গেলাম। দরজায় কড়া নাড়তেই বেরিয়ে এলো নীল পরি। ব্যাগটা তার হাতে দিয়ে বেরিয়ে এলাম।
এরপর কেমন করে যেন বছর ঘুরতে থাকল। ঈদ এলে বের হই— কখনো এসি মার্কেট, কখনো শহীদ মার্কেট, কখনো অন্য কোথাও। নীল জুতো, নীল জামা, নীল শাড়ি কিনে বাড়ি ফিরতাম।
▪️ঈদনামা । ১৯ মার্চ ২০২৬
Rashedul Hasan । rashedXpress
18/03/2026
শহরের ব্যস্ততা, জীবিকার তাগিদ, প্রতিদিনের দৌড়ঝাঁপের মাঝেও নাড়ীর টানকে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। ট্রেন, বাস, লঞ্চ সবকিছু ভিড়ে ঠাসা। সবার একটাই গন্তব্য, ফেলে আসা সেই চেনা আঙিনা।
ছোটবেলার ঈদ ছিল একরকম। নতুন জামার গন্ধ, সকালের সেমাই, ঈদগাহে যাওয়া আর সারাদিনের নির্ভার আনন্দ। তখন চাওয়া-পাওয়ার হিসাব ছিল না, ছিল শুধু আনন্দের সরলতা। বড়বেলার ঈদে আনন্দ আছে, কিন্তু তার সঙ্গে জড়িয়ে গেছে দায়িত্ব, হিসাব-নিকাশ আর না-পাওয়ার এক অদৃশ্য ব্যথা।
শহুরে জীবনে ঈদ অনেক সময় হয়ে যায় আনুষ্ঠানিক ছুটির হিসাব, কেনাকাটার চাপ, কাজের চিন্তা। তবুও প্রিয় মানুষের সঙ্গে এক মুহূর্তের হাসি, একসঙ্গে বসে খাওয়া কিংবা হঠাৎ কোনো পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে যাওয়া। এ ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই ঈদকে অর্থপূর্ণ করে তোলে।
দূরত্ব, ব্যস্ততা কিংবা সময়ের ব্যবধান সবকিছু মিলিয়ে কিছু অপূর্ণতা থেকে যায়। তখন ঈদ হয়ে ওঠে স্মৃতিকাতরতার। না পাওয়ার ব্যথার এক নীরব গল্প। তবুও আমরা অপেক্ষা করি হয়তো পরের ঈদে সব পূর্ণ হবে। আবার সবাই একসঙ্গে হবো।
ঈদনামা । ১৮ মার্চ ২০২৬
কদরের রাত
পৃথিবী স্তব্ধ, আকাশজুড়ে নেমে আসে নীরবতা
জায়নামাজে ঝরে পড়ে অশ্রুর শব্দ;
কিছু ক্লান্ত আত্মা মাথা নত করে দাঁড়িয়ে থাকে
রবের দরজায়।
বছরের জমে থাকা গুনাহ, অনুতাপ আর
ভাঙা হৃদয়ের সব কথা গলে পড়ে অশ্রুর ভেতর;
নরম হয়ে আসে তারা, রহমতের দরজা
খুলে দেয় আকাশ।
পবিত্র এ রজনীতে বলে উঠি—
'হে প্রভু, ফিরতে চাই তোমারই কাছে'।
১৫ মার্চ ২০২৬ । ঢাকা
14/03/2026
ফেনী সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার ইফতারে। উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, সিপিডির ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশনের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদ্য সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আব্দুল্লাহ, দেশ রুপান্তরের প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, ডিবিসি নিউজের সম্পাদক লোটন একরাম, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞান বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জসিম উদ্দিন, অধ্যাপক রফিকুস মুনির চৌধুরী, রাজনৈতিক বিশ্লেষক রিন্টু আনোয়ার প্রমুখ।
09/03/2026
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন রমজান আসে, তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের আবদ্ধ করা হয়।’ (মুসলিম : ১০৭৯)।
09/03/2026
সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান মারা গেছেন। তার বিদাহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Address
Dhaka
1219