Cutee
love is power
20/01/2026
নিজেকে পাগল প্রমাণের সব চেষ্টা ব্যর্থ!
আদালতে হ*ত্যার দায় স্বীকারের যে নাটক করলেন সাইকো সম্রাট।
সাভারের আলোচিত সিক্স মা*র্ডার মামলায় ধরা পড়া সাইকো সম্রাট—একটি নাম, যার ভেতরে লুকিয়ে আছে ভয়ংকর নৃশংসতার দীর্ঘ ছায়া।
সিসিটিভি ফুটেজই তার নীরব মুখোশ খুলে দেয়। পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর, তদন্ত কক্ষে সে স্বীকার করেছিল র*ক্তাক্ত সেই সত্য। কিন্তু আদালতের কাঠগড়ায় এসে শুরু হয় আরেক নাটক—চাতুর্যের, ধোঁয়াশার, নিজেকে পাগল প্রমাণের মরিয়া চেষ্টা।
ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালতে তদন্তকারী কর্মকর্তা যখন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির আবেদন করেন, তখন সময় যেন থমকে দাঁড়ায়।
বিকেল তিনটায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে আনা হলে সাইকো সম্রাট হঠাৎই হয়ে ওঠে এলোমেলো।
কখনো অসংলগ্ন কথা, কখনো নীরবতা।
কখনো বলে—চা চাই, কখনো বলে—খাবার চাই।
তার প্রতিটি চাহিদা পূরণ করা হয়, কিন্তু সে এড়িয়ে যেতে থাকে মূল প্রশ্ন—সে কি খুনি?
ঘড়ির কাঁটা ঘুরতে থাকে।
এক ঘণ্টা, দুই ঘণ্টা…
প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে চলে আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা।
সে বোঝাতে চায়—সে সুস্থ নয়, সে দায়ী নয়, সে কিছুই নয়।
কিন্তু সত্য বড় নির্দয়।
সত্য অপেক্ষা করতে জানে।
অবশেষে সন্ধ্যার ভারী নীরবতার ভেতর ভেঙে পড়ে তার সাজানো দেয়াল।
ছয়টি প্রাণের ভার আর বহন করতে পারে না তার কণ্ঠ।
এক এক করে বেরিয়ে আসে ভ*য়ংকর সেই স্বীকারোক্তি।
সাভারের ছয় খুনের দায় অবশেষে সে নিজ মুখেই স্বীকার করে নেয়।
আদালতের এজলাস তখন শুধু বিচারালয় নয়—
তা হয়ে ওঠে ছয়টি নিভে যাওয়া জীবনের নীরব স্মৃতিস্তম্ভ।
যেখানে একদিকে একজন খুনির স্বীকারোক্তি,
অন্যদিকে সমাজের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা নির্মম প্রশ্ন—
মানুষ কতটা নীচে নামলে এমন হ*ত্যাযজ্ঞ সম্ভব হয়?
এমন ওতো প্রেম হয় চোখের জলে কথা কয়😪😪😪
এমন প্রিমিক কই পাই
23/06/2025
Aha prem🫣❤️🙄
আমি সব সময় বলি বাংলাদেশের অধিকাংশ বিসিএস ক্যাডার হচ্ছে আ বা লs uডা। এরা লেখাপড়া বাইরে ছাত্রজীবন উপভোগ করতে পারে না। প্রেম টেম হয় না। দুনিয়া ধারির সিস্টেম বুঝে না৷ জীবনে অর্জন বলতে এই একটা চাকুরী। এই চাকরি দেখে আইল্লা জাইল্লা সব মেয়েই ছুটে আসে। বলে "আমারে লাগাও মাঝি!" তো এই আবালরা যেহেতু এসবে অভিজ্ঞ না। মাইয়া একটা পেয়েই শুয়ে যায়। তুই শুইছস ভালো কথা। পুরুষ মানুষ যেহেতু মেশিনওয়ালা। সে শুবেই। কিন্তু তুই ভিডিও করলি কেন? আচ্ছা যা করছস করছস। কিন্তু ভিডিওটা আবার সেই মেয়েকে দিলি কেন?
আবালে ভিডিওটা সেই মেয়েকে দিয়েছে। সেই মেয়ে দিয়ে দিয়েছে এক সাংবাদিককে। সেই সাংবাদিক দিয়ে দিয়েছে পুরো দেশকে। এখন কেমন লাগে?
বর্তমান যুগে সেক্সের সময় ভিডিও করা সাধারণ বিষয় হয়ে গেছে। কিন্তু বুদ্ধিমানরা সেই ভিডিও ঘর থেকে বের হবার আগেই ডিলেট করে বের হয়। কোথাও এটা সেইভ করে না। দুনিয়াতে আকাম কুকামের কোন সাক্ষী রাখা উচিৎ না। সাময়িক সময়ের জন্য ভিডিও করে আনন্দ নেয়া শেষ হবার সাথে সাথেই এটা ডিলিট করে ফেলতে হবে। এটা রেখে দেয়া মানে হচ্ছে, কোন না কোনভাবে এটা প্রকাশ হবার সম্ভাবনা থাকবেই। সুতরাং খেলা শেষ, ভিডিও ডিলেট। কিন্তু এই আবালে রাখসে তো রাখসেই সে আবার এটা সে মেয়েকে শেয়ারও করে। কতটা মফিজ হলে মানুষ এসব কাজকর্ম করতে পারে।
এরপর আরেকটা ভিডিও দেখলাম। সেই মফিজে খুব আবেগপ্রবণ হয়ে সেই মেয়েকে ভিডিও বার্তা দিচ্ছে। তার নাকি প্রেম বাইয়া বাইয়া পড়ছে৷ সে খুব হতাশ। কলেজে পড়া পোলাপান এসব প্রেমের কথা বলে।মেজাজটা এত খারাপ হয়েছে এই ভিডিও দেখে৷ শালা তুই ৪৫/৪৮ বছর বয়সের একটা ধামড়া। তোর মনে প্রেম কই থেকে আসে? এই বয়সে লাগানো থেকেই মানুষ অবসরে যেতে থাকে আর তোর মাত্র প্রেমের বীজ ধরসে। এগুলো দেখলে আমার পায়ের তলাটা জ্বলতে থাকে। কই থেকে আসে তোদের এসব প্রেম, খুব জানতে ইচ্ছে করে।
যাইহোক আপনাদের প্রতি আহবান, যা করবেন চার দেয়াল থেকে বের হবার আগেই সব ডিলিট করবেন।
ভিডিও করে সেক্স করা, কনডম ছাড়া সেক্সের চেয়েও ঝুকিপূর্ণ। এই কাজ করিয়েন না। করলেও কাপড় পড়ার আগেই সেটা ডিলিট করেন। ধন্যবাদ 🫡
Jayef Khan Nadim এর পোস্ট
রমিন আপা বলে কথা,
Allah sobaike hejajot korun
Rajshahite😢😢😢
তনি আপু আমার খুব পছন্দের একজন মানুষ,,
দেখেন নিজের কাজ থাকলে অন্য কাউকে নিয়ে ভাববার সময নেই,যার কারনে আজ আপনার আমাদের সবার তনি আপু,,তিনি সফল একজন নারী ❤
..
15/01/2025
মেয়েটার চেষ্টা কম ছিলো না, নিজের সর্বোচ্চ টা দিয়েছে আসলে, ওনার জন্য কষ্ট হচ্ছে।💔
আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসিব করুন।
সত্যি খুব খারাপ লাগছে তনি আপুর জন্য
আল্লাহ উনাকে শোক কাটিয়ে উঠতে দিন
08/01/2025
বাংলাদেশে আপনারা যাকে বাজারের মেয়ে বলে ভেবেছিলেন সেই মেয়েটাই একটি বিশ্ব বিখ্যাত এনজিও ব্র্যাকের অন্যতম একজন কর্ণধার।যে মেয়েটির চরিত্র খারাপ বলে আপনারা গালাগাল করেছিলেন সেই মেয়েটি পৃথিবীর ১১ টি দেশে মা ও শিশুদের নিয়ে কাজ করে।যার ছবি দেখে আপনারা এখনো হা হা রিয়েক্ট দেন সেই মেয়েটির মাস্টার্সের ডিগ্রী হচ্ছে দুটো, যার একটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যটি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের।গত পাঁচ বছর ধরে আপনারা যে অভিনেত্রীকে নিয়ে তুমুল সমালোচনায় মত্ত ছিলেন সেই মেয়েটি এই পাঁচ বছরে পিএইচডি ডিগ্রি নিচ্ছে। আগামী বছর সে পিইচডি ডিগ্রিধারী হবে। কিন্তু আপনারা যারা সমালোচনা করেছেন তারা কে কি অর্জন করেছেন একটু নিজের চেহারায় দেখে বলবেন কি ?
ব্র্যাক যে বিশ্বের একটি প্রথম শ্রেণীর এনজিও এটাও এই দেশের ৯৯ভাগ মানুষ জানেনা।১৯৭২ সালে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশে স্যার ফজলে হোসেন আবেদের নেতৃত্বে ব্র্যাক প্রতিষ্ঠিত হয়ে আজ সারাবিশ্বে সুনামের সাথে কাজ করছে এটাও দেশের মানুষ জানেনা।আমরা বাঙালিরা আমাদের দেশের রত্নকেই তো ভালোভাবে চিনতে পারলামনা।
দক্ষিণ সুদানের রিফিউজি যারা উগান্ডায় গেছে তাদের গিয়ে একবার দেখে আসুন তবে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের যে এক কোটি শরণার্থী ভারতে ছিলো তাদের অবস্থাটা কিছুটা হলেও বুঝতে পারবেন।দুই বাংলা এক ভাষার হয়েও চিন্তা চেতনায় ভারতের কলকাতা আমাদের চেয়ে কত এগিয়ে গেছে তা ওদের শহর ও মানুষের চিন্তা - ভাবনা দেখলেই বুঝতে পারবেন।
যে মেয়েটি অভিনয়ে এসেছে তাকে আমরা অভিনেত্রী হিসেবে চিনি। কিন্তু অভিনয়ের বাইরে ও যে মানুষের একটা ব্যাক্তি জীবন থাকে তা আমরা ভূলে যাই। অভিনয়ের বাইরেও মেয়েটি যে কারো সন্তান , কারো মা , কারো বোন , কারো স্ত্রী এসব আমরা ভূলে যাই।স্কুল - কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে কোন ছেলে ও মেয়ে প্রেমে পড়েনা আমাকে তা বলতে পারেন ? প্রেমে পড়া যদি অপরাধ হয় তবে এই দেশের লক্ষ কোটি তরুণ ও তরুণী সবাই অপরাধী।একটা নির্দিষ্ট বয়সে গিয়ে মানুষ সংসার করে।প্রায় সংসারে ছোট খাটো মান- অভিমান ও ভুল বুঝাবুঝি থাকতেই পারে।ঢাকা শহরে প্রতি ঘন্টায় তিনজন নারী ডিভোর্সের শিকার হন। এর মানেই যে সব নারীর চরিত্র খারাপ আর সব পুরুষ সাধু বিষয়টি এমন নয়।কোন কোন ক্ষেত্রে একটি মিষ্টি সংসারও ভুল বুঝাবুঝির কারণে ভেঙে যেতে পারে। এক্ষেত্রে শুধু মেয়ের দোষ আর ছেলের কোন দোষ নেই এসব ভাবা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়।এক বছরের একটি মেয়েকে নিয়ে স্বামীর ঘর থেকে বের হয়ে নিজেকে আবার পিএইচডি ডিগ্রীর জন্য তৈরি করা, অভিনয় ও বাচ্চা সামলানো এবং তার পাশাপাশি ১১ টি দেশে কাজ করা এই বিষয়টি যত সহজ ভাবছেন তত সহজ নয়।
আপনার চারপাশে অসংখ্য সুন্দরী মেয়ে হয়তো দেখেছেন। এদের কেউ সুন্দরী কিন্তু সে মেধাবী ছাত্রী নয়।
আবার সুন্দরী+মেধাবী হলে আবার সে গান গাইতে পারেনা।গান গাইতে পারলেও অনেকেই আবার নাচতে পারেনা।কিন্তু একটি মেয়ে যখন একজন ভালো চাকুরিজীবী , মেধাবী ছাত্রী , গায়িকা ও নায়িকা এবং তার পাশাপাশি সে ছবিও আঁকতে পারে তবে বুঝতে হবে সৃষ্টির স্বর্গীয় সৌন্দর্য নিয়ে এই মেয়েটি পৃথিবীতে এসেছে।সে পৃথিবীতে শুধু খাওয়া আর ঘুমের জন্য জন্ম নেয়নি , এই পৃথিবীতে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখতে তার জন্ম হয়েছে।।
একটি সংসারে দু'জন মানুষের বিচ্ছেদের পর দুটো মানুষের মাঝেই শূন্যতা বিরাজ করে।শূন্যস্থান কখনো খালি থাকেনা।সেই অভিনেত্রীর সেই স্থানটা দখল করেছে আরেকজন পুরুষ।এতে আপনি অভিনন্দন না জানিয়ে বাজে মন্তব্য করে আপনার জাতটা চিনিয়ে দিলেন।এতে কি তার কোন ক্ষতি হয়েছে? পুরুষ দশটা বিয়ে করলেও আপনার কিছু যায় আসেনা।আর নারী কোথাও সুখ খুঁজতে গেলে সে বাজারের পতিতা হয়ে যায়!! আপনার যেমন শরীর আছে , নারীদেরও আছে। আপনার যেমন হৃদয় আছে , নারীদেরও আছে।আপনার ক্ষেত্রে ১৬ আনা হলেও নারীর ক্ষেত্রে তা চার আনাও নয়।কারণ পৃথিবীর আদিকাল থেকেই পুরুষ নিজেকে মানুষ ভেবেছে আর নারীকে ভেবেছে তাদের গোলাম। পুরুষ যেমন রাজা হয়ে রাজ্য শাসন করতে পারে ঠিক তেমনি পৃথিবীর ইতিহাসে অসংখ্য নারীও যোগ্যতার সাথে রাজ্য শাসন করেছে।ক্ষুধা পেলে আপনি সিংহ হয়ে যান আর নারীকে বিলাই বানিয়ে রাখতে চান।অথচ এই পৃথিবীতে ক্ষুধার জ্বালা সকল মানুষের সমান।
আমি মিথিলার কথা বলছি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করা এবং ছোটবেলা থেকেই লোকনাট্য থিয়েটারে কাজ করে আজকের একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী হওয়া এসবের পেছনে তার নিজের একটা গল্প থাকে। আমরা শুধু অভিনয়ের মানুষটাকে দেখি কিন্তু তার ভেতরের মানুষটাকে দেখিনা।মরলিন মনরোর হাজারটা প্রেমিক ছিলো কিন্তু এখনো সে আমাদের চোখে মনরো হয়ে আছে। সালমান খান এখনো বিয়ে করেননি কিন্তু শাহরুখ খান তার চেয়ে একবছরের বড় মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন এসব নিয়ে ভাবতে ভাবতে আমরা ভূলে যাই শাহরুখ ও সালমান দিনশেষে আমাদের মতোই মানুষ।প্রতিটি মানুষের একটা নিজস্ব জগৎ আছে । আমাদের সবার উচিত পরিশ্রম করে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করা এই মানুষগুলোকে নিজেদের শ্রদ্ধার আসনে বসিয়ে নিজেদের তাদের মতো করে তৈরি করা।
আমার বুড়িটাও নাচতে পারে, গাইতে পারে এবং অসম্ভব মেধাবী ছাত্রীও। তারও একটি ব্যাক্তি জীবন আছে।যে মেয়েটি মেধাবী নয় , যে গাইতে পারেনা , নাচতে পারেনা অথবা যে পঙ্গু তারও একটি ব্যাক্তি জীবন আছে। মানুষের ব্যাক্তি জীবন নিয়ে সমালোচনা একমাত্র অসভ্য ও ইতরদের পক্ষে সম্ভব। কিন্তু সেই সমালোচনাকে বৃদ্ধাংঙ্গুলি দেখিয়ে মিথিলীরা ঠিক জগৎ সংসারে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে নেয়।ব্র্যাকের মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিথিলা যখন প্রথম স্থান অধিকার করেছে তখন সে ছিল মা। তার সাথে তার মাত্র এক বছরের কন্যা সন্তান। তবুও পরীক্ষায় প্রথম হয়ে সে প্রমাণ করেছিলো মিথিলার জন্ম হয়েছে জেতার জন্য। অভিনয় করে মিথিলা পেট চালায়না সে ব্র্যাকের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তাও বটে যাকে পৃথিবীর অন্তত ১১ টি দেশের অসংখ্য মানুষ চেনে।।
অভিনয় হচ্ছে তার শখ ,।।
লেখা: আলফ্রেড নোবেল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1216