Developer Abdul Halim
Abdul Halim | Flutter Developer for Android & iOS. Turning ideas into high-quality apps. �
আমাদের অফিসিয়াল অ্যাপ লঞ্চিং সেলেব্রেশন প্রোগ্রাম। 🥰
13/12/2025
07/12/2025
📱 Flutter কি ২০২৬ সালে রাজত্ব হারাবে? নাকি আরও শক্তিশালী হবে?
২০১৯ থেকে ২০২৪— Flutter-এর আধিপত্য আমরা সবাই দেখেছি। স্টার্টআপ থেকে এন্টারপ্রাইজ, ফিনটেক থেকে হেলথ টেক, ফুড ডেলিভারি থেকে গ্রোসারি, সবার প্রথম পছন্দ ছিল Flutter। কিন্তু ২০২৬ সালের দরজায় দাঁড়িয়ে ফ্লাটার কমিউনিটিতে আজ একটিই প্রশ্ন, Flutter কি তার রাজমুকুট হারাচ্ছে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আবেগ বা অন্ধ ভক্তি নয়, বরং বাস্তবতা বোঝা জরুরি।
🔍 ২০২৬ সালের কিছু কঠি বাস্তবতা:
১. AI এখন আর শুধু একটি টুল নয়, আপনার কম্পিটিটর:
- AI এখন সম্পূর্ণ UI বানাতে পাড়ে।
- API Connect করতে পাড়ে।
- টেস্টকেস লিখতে পাড়ে।
- ইভেন অ্যাপ পর্যন্ত ডিপ্লয় করতে পাড়ে।
তার মানে জুনিয়র লেভেলের কাজ এখন AI-এর দখলে। হ্যাঁ Flutter মরছে না তা ঠিক, কিন্তু "জুনিয়র লেভেল" Flutter জবের বাজার ছোট হয়ে আসছে।
২. Flutter vs React Native vs Kotlin Multiplatform in 2026: React Native এবং Kotlin Multiplatform (KMP)-এর সাথে প্রতিযোগিতা এখন তীব্র। KMP এন্টারপ্রাইজে জায়গা করে নিচ্ছে খুব দ্রুত, যদিও UI প্রোডাক্টিভিটিতে Flutter এখনও সবার সেরা।
৩. দক্ষতার মানদণ্ড পরিবর্তন: ২০২৬ সালে টিকে থাকতে হলে শুধু UI বানানো যথেষ্ট নয়। আর্কিটেকচার, পারফরম্যান্স, এবং AI ইন্টিগ্রেশন জানা এখন বাধ্যতামূলক।
🚀 টিকে থাকতে হলে আপনাকে এই ৭ টা জানতেই হবে:
★Clean Architecture & Modular Code
★AI + Flutter Integration
★Advanced State Management
★Performance Optimization
★Platform Channels & Native Interop
★Security & Data Protection
★Product Thinking (Not just coding)
💡 আমার মতামত:
Flutter ২০২৬ সালেও রাজ করবে, কিন্তু এই রাজ্য বিগিনার বা জুনিয়রদের না। মুকুট শুধু তাদেরই মাথায় থাকবে, যারা নিজেদের স্কিলকে AI-এর চেয়ে দ্রুত আপডেট করতে পারবে।
💬 আপনার কি মনে হয়? Flutter-এর ভবিষ্যৎ কী? আপনি কি প্রস্তুত পরবর্তী চ্যালেঞ্জের জন্য? কমেন্টে জানান! 👇
27/11/2025
১০টি ফ্লাটার টিপস: যা একজন বিগিনারকে প্রফেশনাল বানিয়ে দেয় 🚀
অনেক সময় দেখবেন অ্যাপ দেখতে বেশ চকচকে, কোডও হয়তো ঠিকঠাক রান করছে—তবুও ব্যবহারের সময় কেমন যেন একটা "সস্তা" ভাব (Cheap feel) থেকে যায়। স্ক্রল করলে মনে হয় আটকে যাচ্ছে, কিংবা এক ট্যাব থেকে অন্য ট্যাবে গেলে পেজ আবার নতুন করে লোড হচ্ছে।
ডিবাগার আপনাকে হয়তো ফিসফিস করে বলছে, "ভাই, তুমি তো পুরো ব্রহ্মাণ্ড আবার রিবিল্ড করছো!" কিন্তু আমরা সেটা খেয়াল করি না।
সত্যি বলতে, এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই একজন বিগিনার এবং একজন প্রফেশনাল ডেভেলপারের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়। প্রফেশনালরা কোনো জাদুর কাঠি দিয়ে অ্যাপ বানায় না; তারা শুধু কিছু "বোরিং" কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী নিয়ম মেনে চলে।
আজ এমন ১০টি প্র্যাকটিক্যাল টিপস শেয়ার করছি, যা আপনার অ্যাপকে শুধু ফাস্টই করবে না, ব্যবহারকারীকে দেবে এক প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা।
👇 টিপসগুলো একবার দেখে নিন:
১. ভারী কাজ মেইন থ্রেডে নয় (Isolates): বিশাল কোনো JSON ফাইল পার্স বা ভারী ক্যালকুলেশন মেইন UI থ্রেডে করবেন না। এতে অ্যাপ জমে (Freeze) যায়। compute() বা Isolate ব্যবহার করে কাজটা ব্যাকগ্রাউন্ডে পাঠান। আপনার অ্যাপ মাখনের মতো চলবে।
২. লিস্ট অপ্টিমাইজেশন: লিস্ট ভিউ ল্যাগ করার জন্য ফ্লাটার দায়ী নয়, দায়ী আমাদের কোড। যদি সম্ভব হয় itemExtent ফিক্স করে দিন। ফ্লাটারকে আগেই জানিয়ে দিন প্রতিটি আইটেমের সাইজ কত, তাহলে তাকে আর কষ্ট করে বারবার মাপজোখ করতে হবে না।
৩. অপ্রয়োজনীয় রি-পেইন্ট বন্ধ করুন: স্ক্রিনে হয়তো শুধু একটা ছোট লোডিং বার ঘুরছে, কিন্তু তার জন্য পুরো পেজ রি-পেইন্ট হচ্ছে! যে উইজেটটি ঘন ঘন আপডেট হয়, তাকে RepaintBoundary দিয়ে মুড়িয়ে দিন।
৪. ছবির সাইজ ঠিক রাখুন: থাম্বনেইলের জন্য (৬০x৬০) সাইজের জায়গায় বিশাল 4K ইমেজ লোড করবেন না। cacheWidth/Height ব্যবহার করে মেমরি বাঁচান। এটি র্যামের ওপর চাপ কমায়।
৫. SVG ক্যাশ করুন: SVG দেখতে সুন্দর, কিন্তু ফ্লাটারের জন্য এটি রেন্ডার করা একটু কঠিন। তাই অ্যাপ লোড হওয়ার সময়ই precachePicture দিয়ে এটি লোড করে রাখুন।
৬. স্মার্ট রিবিল্ড (Fine-Grained Rebuilds): শপিং কার্টে একটা আইটেম বাড়লে পুরো শপ পেজ কেন রিবিল্ড হবে? Selector বা ValueListenableBuilder ব্যবহার করে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট টেক্সটটুকু আপডেট করুন।
৭. Intrinsic উইজেট এড়িয়ে চলুন: IntrinsicHeight বা IntrinsicWidth ব্যবহার করা মানে ফ্লাটারকে দিয়ে ডাবল খাটাশ খাটানো। লেআউট ক্যালকুলেশন দুইবার হয়। এর বদলে SizedBox বা Expanded ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
৮. অ্যানিমেশন টিপস: অ্যানিমেশন চলার সময় পুরো উইজেট ট্রি যেন রিবিল্ড না হয়। AnimatedBuilder-এ child প্রপার্টি ব্যবহার করে স্ট্যাটিক অংশগুলো আলাদা রাখুন।
৯. সার্ভারকে রেহাই দিন (Debounce): সার্চ বারে প্রতিটা অক্ষর টাইপ করার সাথে সাথে API কল পাঠাবেন না। Debounce ব্যবহার করুন, যাতে ইউজার টাইপ করা থামালে কেবল তখনই রিকোয়েস্ট যায়।
১০. ট্যাব বাঁচিয়ে রাখুন: এক ট্যাব থেকে অন্য ট্যাবে গিয়ে ফিরে আসলে যদি দেখেন পেজ রিলোড হচ্ছে—এটা খুব বাজে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স। AutomaticKeepAliveClientMixin ব্যবহার করে পেজটিকে জীবিত রাখুন।
💡 শেষ কথা:
অন্ধের মতো কোড করবেন না। DevTools ব্যবহার করে দেখুন কোথায় ল্যাগ হচ্ছে। বিশ্বাস করুন, এই ১০টির মধ্যে মাত্র ৩টিও যদি আপনি ঠিকঠাক অ্যাপ্লাই করেন, আপনার অ্যাপের কোয়ালিটি রাতারাতি বদলে যাবে। অ্যাপ তখন আর 'ল্যাগি' মনে হবে না, মনে হবে 'এক্সপেনসিভ'।
আপনার প্রোজেক্টে এর কয়টি আপনি মেনে চলেন? কমেন্টে জানাতে পারেন।
💙
24/11/2025
সত্যি কথা বলতে, আমরা যারা ফ্লাটারে কাজ করি, অ্যান্ড্রয়েড বিল্ডের স্লো স্পিড নিয়ে আমাদের একটা চাপা দুঃখ ছিল। নেটিভ ডেভেলপাররা যখন তড়িঘড়ি বিল্ড দিয়ে দিত, আমরা তখন Gradle-এর দিকে তাকিয়ে থাকতাম। কিন্তু Flutter 3.38.3 এসে পুরো গেমটাই চেঞ্জ করে দিল!
না, এটা কোনো চকচকে নতুন UI বা উইজেট আপডেট না, এটা হলো "ইঞ্জিনের ভেতরের কাজ" বা যাকে বলে Under the hood improvements।
এই আপডেটে আমি পার্সোনালি যেই চেঞ্জগুলো দেখে মুগ্ধ:
✅ বিল্ড টাইম : বিল্ড টাইম প্রায় ৪০-৬০% ফাস্ট হয়েছে। বিশ্বাস হচ্ছে না? আপগ্রেড করে দেখুন। ডার্ট কম্পাইলেশন এখন স্মার্টলি ক্যাশ (Cache) করে রাখা হয়। সে এখন সব কোড রিবিল্ড করেনা। যেটা রিবিল্ড করা দরকার শুধু সেটুকুই করে। আগে সব কোড বারবার রিবিল্ড হতো।
✅ Gradle প্যারা: build.gradle এ ভার্সন মেলানোর সেই দিন শেষ। Flutter 3.38 এখন অটোমেটিক AGP (Android Gradle Plugin) ভার্সন হ্যান্ডেল করে।
✅ Kotlin: যারা প্ল্যাটফর্ম চ্যানেল নিয়ে কাজ করেন, তাদের জন্য একটু স্বস্থির খবর বলা যায়। এখন আর ম্যানুয়ালি মেথড চ্যানেল সেট করতে হবে না, ফ্লাটার অটোমেটিক Kotlin ইন্টারফেস জেনারেট করে দিবে। বয়লারপ্লেট কোডকে বিদায়! 👋
✅ স্মার্ট ডিপেন্ডেন্সি: লাইব্রেরি ভার্সন কনফ্লিক্ট? ফ্লাটার এখন নিজেই সেটা ফিক্স করার চেষ্টা করে।
Flutter 3.38 আসলে একটা "Silent Soldier"-এর মতো মনে হচ্ছে। সে চুপচাপ আপনার ডেভেলপমেন্ট লাইফটা কিছুটা হলেও স্মুথ করে দিবে আগের তুলনায়।
যারা এখনো আপডেট দেননি, আজই দিয়ে ফেলুন।
কার কার কাছে বিল্ড টাইম ফাস্ট মনে হচ্ছে? কমেন্টে জানান! 👇
অ্যাপ আনইন্সটল করলেন, কিন্তু ডাটা তাও থেকে গেল! এমন ভুতুড়ে অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন কি? 👻
ফ্লাটার ডেভেলপার হিসেবে কাজ করতে গিয়ে কখনো কি এমন হয়েছে—আপনি অ্যাপ টেস্টিংয়ের জন্য আনইন্সটল করলেন, ভাবলেন সব ক্লিন হয়ে গেছে। এরপর আবার রি-ইন্সটল করতেই দেখেন আগের লগইন সেশন বা SharedPreferences এর ডাটা সব রয়ে গেছে? 🤯
মনে হয় যেন অ্যাপটি কোনো "ভুতুড়ে" মেমোরি ধরে রেখেছে! বিশেষ করে অনবোর্ডিং বা অথেন্টিকেশন ফ্লো টেস্ট করার সময় এটা বেশ কনফিউজিং এবং বিরক্তিকর।
আসলে এটি কোনো বাগ নয়। অ্যান্ড্রয়েড (৬.০+) বাই ডিফল্ট "Auto Backup" ফিচার অন রাখে। যখন ফোন চার্জে থাকে বা আইডল থাকে, গুগল চুপিসারে অ্যাপের ডাটা ড্রাইভে ব্যাকআপ নিয়ে নেয়। তাই রি-ইন্সটল করলেই সেই ডাটা আবার রিস্টোর হয়ে যায়।
✅ এর সমাধান কী?
এই অটো-রিস্টোর বন্ধ করতে আপনার AndroidManifest.xml ফাইলে ট্যাগের মধ্যে মাত্র দুটি লাইন যোগ করে দিন:
android:allowBackup="false"
android:fullBackupContent="false"
বাস! এখন থেকে অ্যাপ আনইন্সটল মানেই সব ডাটা পার্মানেন্টলি ডিলিট। টেস্টিং হবে একদম ফ্রেশ। 🚀
💡 কখন এটি ব্যবহার করবেন?
🔹 যখন আপনি সিকিউর বা ব্যাংকিং অ্যাপ বানাচ্ছেন।
🔹 যখন টেস্টিং বা ডেভেলপমেন্ট ফেজে আছেন এবং বারবার ফ্রেশ ইন্সটল চেক করা জরুরি।
তবে হ্যাঁ, সাধারণ ইউজারদের সুবিধার জন্য (যেমন: টুডু লিস্ট অ্যাপ, ইত্যাদি) আপে এটি চালু রাখাই ভালো, যাতে ফোন বদলালে তারা তাদের ডাটা ফিরে পান।
আপনার প্রজেক্টের ম্যানিফেস্ট ফাইলটা চেক করেছেন তো? ছোট এই ফিক্সটি আপনার টেস্টিং লাইফ অনেক সহজ করে দিতে পারে! 😉
হ্যাপি কোডিং! 💻✨
Flutter 3.38-এ Material 3 নিয়ে বেশ কিছু চমৎকার আপডেট এসেছে। এখন অ্যাপ দেখতে শুধু সুন্দরই হবে না, কোড লেখাও অনেক সহজ হয়ে গেছে। ডেভেলপার হিসেবে আমাদের লাইফ ইজি করার জন্য ফ্লাটার যা যা এনেছে, তার একটা কুইক সামারি নিচে সাজিয়ে দিলাম:
১. স্মার্ট বাটন কম্পোনেন্টস:
আগের মতো বাটন নিয়ে কনফিউশন আর নেই। এখন FilledButton , OutlinedButton, আর TextButton —এগুলোর ব্যবহার এখন আরও লজিক্যাল এবং UX ফ্রেন্ডলি করা হয়েছে।
২. উন্নত কার্ড ও সারফেস (Enhanced Cards):
Card উইজেট এখন অনেক ইন্টেলিজেন্ট। কনটেক্সট অনুযায়ী এটি নিজেই বোঝে কতটা এলিভেশন (elevation) বা শ্যাডো দরকার। ম্যানুয়ালি প্যাডিং ঠিক করার প্যারা নাই, Material3 এখন অটোমেটিক স্পেসিং হ্যান্ডেল করে নেয়।
৩. চিপস এখন সবখানেই ফিট (Adaptable Chips):
ট্যাগ বা ফিল্টারের জন্য Chip উইজেটগুলো এখন iOS এবং Android—উভয় প্ল্যাটফর্মেই নেটিভ বা অ্যাপল স্টাইলের মতো সুন্দরভাবে মানিয়ে নেয়। কাস্টম ডিজাইন করার বাড়তি ঝামেলা আর থাকছে না।
৪. নতুন নেভিগেশন বার (Reimagined Navigation):
পুরোনো ক্লানকি (clunky) বটম ট্যাব বারের দিন শেষ। নতুন NavigationBar দেখতে অনেক ক্লিন, মডার্ন এবং এর টাচ রেসপন্স ও এনিমেশনগুলোও বেশ স্মুথ।
৫. থিম সেট করা এখন পানির মতো সহজ:
ColorScheme.fromSeed ব্যবহার করে শুধু একটা মেইন ব্র্যান্ড কালার (Seed Color) বলে দিলেই পুরো অ্যাপের কালার স্কিম (এমনকি ডার্ক মোডও) অটোমেটিক জেনারেট হয়ে যাবে। কালার কন্ট্রাস্ট নিয়েও টেনশন করতে হবে না।
কেন এই আপডেটটা জরুরি?
👍 কোড কমবে: এই আপডেটগুলো ব্যবহার করলে কাস্টম কোড লেখার প্রয়োজন কমে যাবে, ফলে প্রায় ৩০-৪০% কোড সেইভ হবে।
👍প্রোডাকশন রেডি: গুগলের ডিজাইন এক্সপার্টদের বানানো কম্পোনেন্ট, তাই এগুলো আগে থেকেই টেস্ট করা এবং এক্সেসিবিলিটি (Accessibility) ফ্রেন্ডলি।
👍 Consistency: আইওএস এবং এন্ড্রয়েড—দুই জায়গাতেই অ্যাপের লুক-এন্ড-ফিল কনসিস্টেন্ট থাকবে।
তাই দেরি না করে প্রোজেক্টের থিমে useMaterial3: true এনাবল করে দিন, আর ম্যাজিক দেখুন! অ্যাপ অটোমেটিক্যালি অনেক বেশি পলিশড মনে হবে।
🐝রেজাল্ট ভালো না হলে কি ক্যারিয়ার শেষ? কিংবা শুধুই স্কিল থাকলেই কি চাকরি নিশ্চিত? 🤔
এই প্রশ্নগুলো আমাদের সবার মাথাতেই কোনো না কোনো সময় ঘোরে। কর্পোরেট রিয়েলিটি আর স্টুডেন্ট লাইফের ভাবনার মধ্যে অনেক সময় একটা গ্যাপ থেকে যায়। এই গ্যাপটা পূরণের জন্য কিছু বাস্তবিক রিয়েলাইজেশন শেয়ার করছি, যা ফ্রেশার বা স্টুডেন্টদের কাজে লাগতে পারে।
১. সিজিপিএ বনাম স্কিল: খুব সহজ একটা উদাহরণ দেই। সিজিপিএ বা রেজাল্টকে যদি একটা 'দামী শার্ট' ধরি, তবে আপনার স্কিল বা যোগ্যতা হলো আপনার 'শারীরিক ফিটনেস'।
আপনার ফিটনেস (স্কিল) যদি ভালো না থাকে, গায়ে দামী শার্ট (ভালো রেজাল্ট) জড়ালেও আপনাকে বেমানান লাগতে পারে। অন্যদিকে, আপনি যদি ফিটফাট (স্কিলড) হন, সাধারণ পোশাকেও আপনাকে স্মার্ট লাগবে। তাই রেজাল্টের পেছনে ছুটতে গিয়ে স্কিল ডেভেলপমেন্ট যেন থেমে না থাকে।
২. স্টুডেন্ট অবস্থায় আসলে কী শিখবো?
রকেট সায়েন্স শেখার আগে এই ৪টি বেসিক জিনিসে মাস্টার হন:
* অফিস টুলস: MS Office. কর্পোরেট লাইফে এই টুল অক্সিজেনের মতো। যদিও বর্তমানে google tools গুলোই বেশ কাজে লাগছে। সাথে AI শিখতে ভুলবেন না।
* আর্টিকুলেশন: নিজের মনের ভাব গুছিয়ে লেখা বা বলা। সেটা ইমেইল হোক বা চ্যাট।
* টিমওয়ার্ক: ভার্সিটির গ্রুপ প্রজেক্টগুলো হেলাফেলা করবেন না। ভিন্ন মানসিকতার মানুষের সাথে কাজ করার ধৈর্য ওখান থেকেই তৈরি হয়।
* বিজনেস নলেজ: শুধু পাঠ্যবই নয়, দুনিয়ায় বা ইন্ডাস্ট্রিতে কী ঘটছে, তার খবর রাখা।
৩. নেটওয়ার্কিংয়ের ভুল ধারণা:
লিংকডইন বা ফেসবুকে সিনিয়র কাউকে শুধু "Hi" বা "Hello" লিখে ফেলে রাখবেন না। তাদের সময়ের দাম আছে। সরাসরি আপনার পরিচয় দিন, কেন নক করেছেন এবং আপনি কী ভ্যালু অ্যাড করতে পারবেন—সেটা গুছিয়ে লিখুন। চিন্তাভাবনা করে নক করলে রেসপন্স পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
৪. ইন্টারভিউ এবং সিভি:
একজন রিক্রুটার গড়ে মাত্র ১৫-২০ সেকেন্ড সময় পান একটি সিভি দেখার জন্য। তাই সিভি হতে হবে পরিষ্কার। আর ইন্টারভিউতে? যেটা জানেন না, সেটা নিয়ে বানিয়ে কথা বলে 'ওভার-স্মার্ট' হতে যাবেন না। সততা সব সময়ই ওভার-কনফিডেন্সের চেয়ে বেশি দামী।
দিনশেষে, আপনি ইঞ্জিনিয়ার হোন বা মার্কেটার—জীবনের সবচেয়ে বড় স্কিল হলো 'Selling'। নিজের আইডিয়া এবং নিজেকে 'সেল' করার ক্ষমতা যার যত বেশি, ক্যারিয়ারে সে তত এগিয়ে।
হতাশ না হয়ে নিজেকে গড়ার কাজটা আজ থেকেই শুরু হোক। শুভকামনা সবার জন্য!
Top 10 GitHub Copilot Updates You Actually Need to Know About 💥
28/10/2025
অক্টোবর ২০২৫-এ, ১৮৩ মিলিয়ন ইমেল পাসওয়ার্ড এবং ক্রেডেনশিয়াল অনলাইনে ফাঁস হয়েছে, যার মধ্যে লক্ষ লক্ষ জিমেইল অ্যাকাউন্টও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই ডেটা সরাসরি গুগল-এর সিস্টেম হ্যাক করে চুরি করা হয়নি, বরং "ইনফোস্টিলার" নামক ম্যালওয়্যার ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের ডিভাইস থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
মূল বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
উৎস: এই ডেটা ফাঁসের পেছনের কারণ হলো "ইনফোস্টিলার" ম্যালওয়্যার, যা কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে এবং ব্যবহারকারী যখন লগইন করেন, তখন তাদের গোপন তথ্য চুরি করে।
গুগল-এর প্রতিক্রিয়া: গুগল নিশ্চিত করেছে যে তাদের নিজস্ব সিস্টেম হ্যাক হয়নি এবং জিমেইল-এর সুরক্ষায় কোনো ত্রুটি ছিল না। তারা ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
প্রভাব: এই ম্যালওয়্যার দ্বারা প্রভাবিত ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টের তথ্যের মধ্যে ওয়েবসাইট, ইমেল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত ছিল। যারা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটি বিশেষ ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
নিরাপত্তা বিষয়ক পরামর্শ: এই ধরনের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে ব্যবহারকারীদের নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে:
পাসওয়ার্ড পরিবর্তন: অবিলম্বে আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন, বিশেষ করে যদি আপনি একই পাসওয়ার্ড অন্য কোথাও ব্যবহার করে থাকেন।
টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন: অ্যাকাউন্টে দুই-ধাপের যাচাইকরণ (টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন) চালু করুন।
পাসওয়ার্ড চেক: আপনি Have I Been Pwned (haveibeenpwned.com) ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার ইমেল ঠিকানাটি ফাঁস হওয়া ডেটার তালিকায় আছে কিনা তা যাচাই করতে পারেন।
সতর্কতা: ম্যালওয়্যার সংক্রমণ এড়াতে অজানা সূত্র থেকে কোনো ফাইল বা সফটওয়্যার ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকুন।
Have I Been Pwned: Check if your email address has been exposed in a data breach Have I Been Pwned allows you to check whether your email address has been exposed in a data breach.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
8360