Know thyself

Know thyself

Share

জানবো এবং জানাবো.....

07/04/2026

💥

15/11/2025

রবার্ট মুগাবে একবার বলেছিলেন:
"...যখন তোমার বেতন ঠিক সময়ে আসে, তখন তুমি মুরগির মাংস খেতে পারো।

আর যখন বেতন কমে যায়, তখন হয়তো তুমি মুরগির পণ্য—যেমন ডিম—খাবে।

এরপর এমন সময় আসবে যখন তুমি মুরগি যা খায়—যেমন ভুট্টা আর গম—তা-ই খেতে শুরু করবে...

সবশেষে, যখন বেতন পুরোপুরি ফুরিয়ে যাবে, তখন তুমি নিজেই মুরগির মতো হয়ে যাবে—

দিনের বেশিরভাগ সময় খাবারের খোঁজে ঘুরে বেড়াবে।

তোমার বেতন আসলে একটা বীজের মতো, যার কিছু অংশ বাঁচিয়ে বিনিয়োগে লাগানো উচিত,

কারণ শুধুমাত্র বেতন তোমার সব আর্থিক সমস্যা সমাধান করতে পারবে না।

এখনই একটা বিকল্প পরিকল্পনা নাও,

কারণ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বিনিয়োগ করলে এমন দিন আসবে যখন তুমি ইচ্ছেমতো মুরগি খেতে পারবে!

যদি পারো... চেষ্টা করো বিনিয়োগ নিয়ে ভাবতে—

কারণ তুমি চিরকাল তরুণ থাকবে না!

তোমার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবো—কারণ তুমি চিরকাল শক্তিশালীও থাকবে না!

তোমার আয় বাড়ানোর পথ নিয়ে ভাবো—

কারণ তুমি চিরকাল চাকুরিজীবীও থাকবে না।

07/07/2025

হাহ্হা😄

04/07/2025

ইসলামী আমিরাতে আফগানিস্তানের ৩ বছরের সাফল্য:

✅ দূর্নীতি সামান্যও নাই।

✅ সমস্ত বিদেশী ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে, এখন সম্পূর্ণ ঋণ মুক্ত।

✅ পৃথিবীর ১ নাম্বার [আফিম] মা'দ'ক উৎপাদক দেশ থেকে জিরোতে এসেছে।

✅ সমস্ত মাদক আ'স'ক্ত'দের সরকারি খরচে পুনর্বাসিত করা হচ্ছে, এখন সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছে।

✅ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

✅ অনেক তেলকূপ ও খনি সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

✅ ইসলামী আ'দা'লত প্রতিষ্ঠা হয়েছে এবং শাস্তি জনসম্মুখে দেওয়া হয়।

✅ নারীদের পৃথক হাসপাতাল করা হয়েছে যেখানে শুধুমাত্র নারী ডাক্তার এবং নার্স থাকবে পারবে।

✅ পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা কৃত্রিম খাল খনন প্রায় ৮০% সম্পন্ন।

✅ ব্যাংক সম্পূর্ণ সুদমুক্ত করা হয়েছে।

04/07/2025

মা আমাদের শরীরে গঠন করেন…
আর বাবা আমাদের জীবনটা গঠন করেন।

মায়ের গর্ভে ৯ মাস ছিলাম,
বাবার কাঁধে চেপে ছিলাম ২৫ বছর।
তবুও কেন যেন বাবা সবসময় আড়ালেই থাকেন।

মা প্রতিদিন রান্নাঘরে বিনা বেতনে কাজ করেন,
আর বাবা তার মাসের শেষ পয়সাটিও সংসারে ঢেলে দেন।
দুজনেই সমানভাবে ভালোবাসেন,
তবুও মা যেনো ভালোবাসার মঞ্চে এক ধাপ এগিয়ে,
আর বাবা কেমন যেন নীরবে দাঁড়িয়ে থাকা একটা প্রেক্ষাপট।

মা নিজের হাতে আমাদের প্রিয় খাবার বানিয়ে দেন,
বাবা চুপচাপ দোকান ঘুরে সেই জিনিসটা এনে দেন।
মায়ের ভালোবাসা চোখে পড়ে,
বাবার ভালোবাসা হয়ত মাটির নিচের শিকড়ের মতো,
যা না দেখলে বোঝা যায় না, কিন্তু দাঁড়িয়ে থাকাটাই তার অবদান।

ফোনে কথা বলার সময় আগে মায়ের খোঁজ নিই,
দুঃখ পেলে মায়ের কাঁধে মাথা রাখি।
বাবা তখন দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন,
শুধু চোখে থাকেন, মনে হয় কিছু বলতে চান,
কিন্তু বলেন না, যেন বলার অধিকারটাও কেমন হারিয়ে ফেলেছেন।

বাচ্চাদের আলমারি রঙিন জামায় ভর্তি,
মায়ের শাড়ির আলমারিও বেশ সমৃদ্ধ।
কিন্তু বাবার আছে মাত্র কয়েকটা জামা,
নিজের প্রয়োজন মেটাতে ভাবেনও না কখনো।
তবুও মুখে কোনো অভিযোগ নেই।

মায়ের গয়নার বাক্স ভর্তি সোনা-রুপা,
আর বাবার আঙুলে সেই একটাই আংটি,
যেটা তিনি বিয়ের সময় পরেছিলেন।
তবুও মায়ের গয়নাতে ঘাটতি থাকলে সে বলতেই পারেন,
কিন্তু বাবার নেই কোনো চাহিদা।

বাবা সকাল থেকে রাত পরিশ্রম করেন সংসারের জন্য,
মাঝে মাঝে অফিস থেকে ক্লান্ত হয়ে ফেরেন,
তবুও ঘরে ঢুকে সন্তানের মুখ দেখেই সব ক্লান্তি ভুলে যান।
স্বীকৃতি চান না, প্রশংসা চান না—
শুধু চান সবাই ভালো থাকুক।

যখন বাবা-মা দুজনেই বয়সের ভারে নুয়ে পড়েন,
তখন সন্তান ভাবে মা অন্তত ঘরের কাজে লাগেন,
কিন্তু বাবাকে বলে “বয়স হয়েছে, এখন আর কিছুই করতে পারেন না।”

হয়তো বাবাই সংসারের সেই নীরব মেরুদণ্ড,
যিনি সামনে থাকেন না, কিন্তু তার কারণেই পরিবারটা দাঁড়িয়ে থাকে।

তাই হয়তো বাবা পিছিয়ে থাকেন না,
তিনি ইচ্ছে করেই সামনে আসেন না—
কারণ তিনি জানেন, তার ভালোবাসা প্রমাণ করতে হয় না।

সংগৃহীত

25/03/2025

সন্দ্বীপবাসীর জন্য ফেরী চালু করা হয়েছে। তবে নাম ফলকে কারো নাম নেই। নাম আর তেল সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে শুরু করেছে।

21/03/2025

🔰মুসলমানের দায়িত্বঃ

শুধুমাত্র আল্লাহকে প্রভু মুহাম্মদ (সা.)-কে রাসূল এবং আল কুরআনকে ধর্মগ্রন্থ বলে স্বীকার করার নামই মুসলমান নয়। মূলত মুসলমান হচ্ছেন তিনিই যিনি আল্লাহর রঙে নিজেকে রাঙিয়েছেন, দুনিয়ার অন্য যেকোনো কিছুর চাইতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনকে প্রাধান্য দিয়েছেন, আখিরাতের জীবনের প্রকৃত মঞ্জিল নির্ধারণ করেছেন, অহরহ মানুষকে ডাকছেন সত্য ও সুন্দরের দিকে। আল্লাহ বলেছেন,

'❝তোমরাই সর্বোত্তম জাতি, মানব জাতির (কল্যাণের) জন্যই তোমাদের মনোনীত করা হয়েছে, (তোমাদের দায়িত্ব হচ্ছে) তোমরা দুনিয়ার মানুষদের সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে, আর তোমরা নিজেরাও আল্লাহর ওপর ঈমান আনবে।❞
(সূরা আলে ইমরান: ১১০)

আল্লাহর নিয়ম লঙ্ঘন করাই দুনিয়ার জীবনে মানুষের বিপর্যয়ের মূল কারণ। আর এই পথভোলা, আত্মবিস্মৃত মানবতাকে সঠিক পথের দিশা দেখানোর দায়িত্ব প্রত্যেক মুসলমানের ওপরই বর্তায়। আল্লাহর বিধান মেনে চলার দিকে মানবসমাজকে আহ্বান জানানো এবং জীবনের সকল ক্ষেত্রে তাঁর পূর্ণ অনুশীলনের মাধ্যমে মানবতার কল্যাণ নিশ্চিত করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোই মুসলমানদের মৌলিক দায়িত্ব। মুসলিম জাতি এ দায়িত্ব যতদিন পালন করেছে ততদিন মানুষ হিসেবে তারা ছিল মর্যাদার আসনে সমাসীন। জাতি হিসেবে ছিল বিশ্বের বুকে শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী।

যখনই তারা এ দায়িত্ব থেকে গাফেল হয়েছে তখনই তাদের ওপর নেমে এসেছে বিপর্যয়, পরাধীনতার গ্লানি, নির্যাতন, অপমান আর লাঞ্ছনা। আজকের ফিলিস্তিন, ইরাক, আফগান, কাশ্মির, ফিলিপাইন, আলজেরিয়া, বসনিয়া,চেচনিয়াসহ বিশ্বের যে প্রান্তেই নজর দেওয়া যাক না কেন, মুসলমানদের করুণ চিত্রই কেবল ফুটে ওঠে। এ যেন আল কুরআনের সেই বাণীরই বাস্তব চিত্র-

'❝আর তোমরা যদি তা মেনে না চলো তবে তোমাদের জন্য রয়েছে দুনিয়ার জীবনে অপমান, লাঞ্ছনা, আর আখিরাতের কঠিন শাস্তি এবং তোমাদেরকে অন্য জাতির পদানত করে দেওয়া হবে।❞
(সূরা আত তওবা: ৩৯)

যে মুসলমানরা গোটা মধ্যযুগে জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোকবর্তিকা ছড়িয়েছিল বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে, শান্তি ও সুসমামণ্ডিত এক নতুন সভ্যতার জন্ম দিয়েছিল, প্রতিষ্ঠা করেছিল ইতিহাসের সবচেয়ে উজ্জ্বলতম এক কল্যাণময় রাষ্ট্রব্যবস্থা কিন্তু আজ তারা অনেক পেছনে পড়ে আছে। বিশ্ব নেতৃত্ব তো দূরের কথা আজ আমরা জাতিগত স্বকীয়তা, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব আর পার্থিব উন্নতির দিক থেকে অনেক পিছিয়ে আছি। শত শত বছরের গোলামির ফলে নিজস্ব মূল্যবোধ, সংস্কৃতি, বিশ্বাস আর আদর্শ হারিয়ে আজ মুসলমানরা ইসলামের মতো মহা মূল্যবান ঐশ্বর্য নিজেদের কাছে থাকা সত্ত্বেও নিজস্ব সমস্যা সমাধানে মানবীয় মতবাদের দ্বারস্থ হচ্ছে।

উপসংহারঃ

মুসলমানদের সম্মান ও সাফল্য নির্ভর করে আল্লাহর বিধান মেনে চলা এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকার ওপর। ইতিহাস সাক্ষী, যখন তারা এই দায়িত্ব পালন করেছে, তখন তারা বিশ্বে নেতৃত্ব দিয়েছে; আর যখন তা উপেক্ষা করেছে, তখনই বিপর্যয় ও অপমান নেমে এসেছে। আজকের সংকটময় অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে হলে মুসলমানদের ইসলাম প্রতিষ্ঠায় কাজ করা। ইসলামের মূল আদর্শে ফিরে আসতে হবে এবং দুনিয়ার কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

17/03/2025

একটি শিক্ষনীয় গল্প

💥গরিব বাবার শিক্ষা:

এক গরিব বাবা তার ছেলেকে ভালো মানুষ বানাতে চাইত। কিন্তু তার কাছে ছেলেকে দেওয়ার মতো বেশি টাকা ছিল না। একদিন ছেলে বাবার কাছে এসে বলল—

"বাবা, আমার বন্ধুদের সবাই দামি দামি পোশাক পরে, দামি জিনিস ব্যবহার করে। আমি কবে এদের মতো হব?"

বাবা হেসে বললেন, "তুই যদি সত্যি বড় হতে চাস, তবে কাল আমার সঙ্গে কাজে চল।"

ছেলে একটু অবাক হলেও রাজি হলো। পরের দিন বাবা তাকে নিয়ে এক জায়গায় গেলেন, যেখানে কিছু গাছ ছিল। বাবা তাকে বললেন—

"এই ছোট্ট গাছটা উপড়ে ফেল তো!"

ছেলে সহজেই ছোট গাছটি তুলে ফেলল।

এরপর বাবা তাকে আরেকটি মাঝারি গাছ দেখিয়ে বললেন, "এবার এটা তুলে ফেল।"

ছেলে কিছুটা কষ্ট করে, কিন্তু অনেক চেষ্টায় গাছটি তুলে ফেলল।

শেষে বাবা তাকে একটি বিশাল গাছের সামনে নিয়ে গিয়ে বললেন, "এবার এটা তুলে ফেল!"

ছেলে অবাক হয়ে বলল, "বাবা, এটা কি সম্ভব! এত বড় গাছ কি একা তুলে ফেলা যায়?"

বাবা তখন মৃদু হেসে বললেন—

"দেখ বাবা, অভ্যাসও ঠিক এই গাছের মতো! ছোটবেলায় যদি খারাপ অভ্যাস তৈরি হয়, তাহলে সহজেই তা বদলানো যায়। কিন্তু যদি তা অনেক দিন ধরে চলতে থাকে, বড় হয়ে তা বদলানো কঠিন হয়ে যায়। তাই যদি সত্যিই বড় হতে চাস, আজ থেকেই ভালো অভ্যাস তৈরি কর!"

শিক্ষণীয় বিষয়:

মানুষের চরিত্র ও সফলতা নির্ভর করে তার অভ্যাসের ওপর। ছোটবেলা থেকে ভালো অভ্যাস গড়ে তুললে ভবিষ্যতে সফল হওয়া সহজ হয়।

04/03/2025

💥গৃহযুদ্ধ সংগঠিত হওয়ার প্রধান কারণ

গৃহযুদ্ধ সাধারণত বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণের সমন্বয়ে সংগঠিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলা বৈষম্য ও সংঘাত যখন সহনীয় মাত্রা অতিক্রম করে, তখনই গৃহযুদ্ধের বিস্ফোরণ ঘটে। নিচে গৃহযুদ্ধের প্রধান কারণগুলো বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হলো—
---

১. রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক সংকট:

রাজনীতি যখন অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে এবং শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়, তখন গৃহযুদ্ধের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

✅ স্বৈরশাসন বা একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ।
✅ ক্ষমতার দখল নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ।
✅ দুর্বল বা অকার্যকর সরকার।
---

২. অর্থনৈতিক বৈষম্য ও দারিদ্র্য:

অর্থনৈতিক বৈষম্য সমাজে অসন্তোষ তৈরি করে, যা সহিংস সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

✅ সম্পদের অসম বণ্টন
✅ কর ও বাণিজ্য সংক্রান্ত বৈষম্য
✅ বেকারত্ব ও চরম দারিদ্র্য
---

৩. জাতিগত ও ধর্মীয় বিভাজন:

জাতি ও ধর্মের ওপর ভিত্তি করে সংঘাত গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে।

✅ জাতিগোষ্ঠীগত বিদ্বেষ ও বৈষম্য।
✅ ধর্মীয় মতাদর্শের সংঘর্ষ।
✅ সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি।
---

৪. বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন ও আঞ্চলিক দ্বন্দ্ব:

যখন কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল স্বাধীনতার দাবি তোলে, তখন তা সংঘর্ষের রূপ নিতে পারে।

✅ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর উত্থান।
✅ কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে প্রদেশ বা অঞ্চলভিত্তিক সংঘাত।
---

৫. বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপ:

বহিরাগত শক্তিগুলোর রাজনৈতিক ও সামরিক হস্তক্ষেপ একটি দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
✅ বিদেশি রাষ্ট্রের সামরিক বা রাজনৈতিক সহযোগিতা।
✅ বৈদেশিক শক্তির স্বার্থ রক্ষার জন্য দেশীয় দলগুলোর ব্যবহার।
----

৬. প্রাকৃতিক সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই:

প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লড়াই অনেক সময় সহিংসতায় রূপ নেয়।

✅ খনিজ, তেল ও জলসম্পদের ওপর আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতা
✅ অবৈধ সম্পদ আহরণ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত সংঘর্ষ।

৭. সামাজিক ও আদর্শিক পার্থক্য:

মতাদর্শগত বিভাজনও সংঘাতের অন্যতম কারণ হতে পারে।
✅ গণতন্ত্র বনাম স্বৈরতন্ত্র
✅ সাম্যবাদ বনাম পুঁজিবাদ
✅ আধুনিকতা বনাম ঐতিহ্যবাহী মতাদর্শ

উপসংহার:

গৃহযুদ্ধ সাধারণত তখনই সংগঠিত হয়, যখন এই কারণগুলোর এক বা একাধিক দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থেকে যায় এবং জনগণের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়। সময়মতো কার্যকর সমাধান না হলে এসব সংকট ধীরে ধীরে সংঘাতের দিকে ধাবিত হয় এবং একটি দেশকে গৃহযুদ্ধের অন্ধকারে ঠেলে দিতে পারে।

04/03/2025

সময়ের কসম, নিশ্চয়ই আজ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ততায় নিপতিত, তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে, সৎ কাজ করেছে, পরস্পরকে সত্যর উপদেশ দিয়েছে এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।
-(সূরা আসর)

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Lakkhibazar
Dhaka